সম্পাদক নির্বাচিত হলে মুজিব আদর্শের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করব-মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

0
647

উনিশ-শতকের রাজনীতি, আর আজকে রাজনীতি এক নয়। জ্ঞান-কষর্ণে মানুষ অনেক দূর-এগিয়েছে সত্য, কিন্তু মানসিক ও মানবিক মূল্যবোধের কতটুকু উন্নতি হয়েছে তা এখনো প্রশ্নবোধক?

সভ্যতার অবদানেই সু-সভ্য মানবিকতার বিকাশ। তাই মানুষের অনিন্দন গবেষণা ক্ষুদ্র থেকে বৃহত্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়া।

কিন্তু হ্রিসাংত্বক ভাবনায় আজ গোটা বিশ্বের-রাজনীতি। বর্বর, অ-সামাজিক আর সন্ত্রাসী ভাবধারার কারণে বিশ্ব- রাজনীতির দরপতনে আরো এক ধাপ এগিয়ে বাংলা দেশের রাজণীতি এ কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

বাংলাদেশের রাজনীতির গতি ধারা দিনকে দিন নিন্মগামী হচ্ছে। ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে মুষ্ঠিমেয় রাজনীতিবিদগণ জাতীয়তা আর ধর্মনীতিতে স্থীর থাকছে। কোন ভাবেই তারা হ্রিংসাত্বক রাজনীতির উর্ধ্বে উঠতে পারছে না। এতে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা মূলতঃ, ব্যক্তি স্বার্থ চরিত্রার্থ করাতেই এমনটি ঘটছে।

ইতিহাস স্বাক্ষি, ভারতবর্ষে শোষনের রাজনীতি পুথিত হয়েছিল মূলতঃ ব্রিটিশ উপ-নিবেশ আমলে। ব্রিটিশ-দের র্দীঘ দুইশ‘ত বছরের উপনিবেশবাদ এক অ-প্রকাশিত শোষক জাতি গোষ্ঠির জন্ম দিয়েছে যা কাল-বেলা, কাল-পুরুষ পর্যন্ত বিস্তারিত লাভ করেছে।

এই অশুভ শ্রেণী সুবিধা মত, সময় ও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ঘটিয়ে চলছে ইতি-হাসের সবচেয়ে জগন্যতম ঘটনাগুলি; যার একটি উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনা সর্বকালের সবশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী শেখ মুজিব হত্যা!

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জন্ম হয়। দেশ স্বাধীনের পর বাঙ্গলী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান–বাঙ্গালী জাতির উন্নয়নে সর্বাত্বক চেষ্ঠা চালিয়ে যান।

কিন্তু ধর্মীয় মাদকীয়তা আর তথাকথিত বাংলাদেশী জাতীয়তার স্লোগান বুকে ছেপে কতিপয় দূর্বৃত্ত সর্বকালের সবচেষ্ঠ বাঙ্গলী শেখ মুজিবকে স্ব-পরিবারে নিম্র্মভাবে হত্যা করেন।

পরবর্তী রাজনীতিক অ-শুদ্ধতার কয়েক যুগ অতিক্রান্ত হওযার পর আবার বাংলা-দেশ আওয়ামীলীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়। সরকার গঠনের পর তারা সর্বাত্বক ভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে আত্ম-নিয়ো করেন।

ইতিমধ্যে আওয়ামী- সরকার তথা-কথিত শোষন নীতি ও ধর্মীয়-ঠকবাজদেরকে পরাভূত করে একটি আদর্শীক জাতি ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের পথে বহুদূর এগুয়েছে।

এই ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশুদ্ধ নীতি-নিয়ম দেশ-বিদেশে ভূইঁসী প্রশংসা লাভ করেছেন এবং দেশ উন্নয়নের এক মহা-সড়কে ধাবমান রয়েছে ।

এই উন্নয়নের গতি-ধারাকে অব্যাহত রাখতে সারাদেশের প্রত্যেকটি জেলা উপজেলা ও ইউনিয়নে সুশীল চিন্তার আওয়ামী ভাব-আদর্শীক নেতা-কর্মী এখন সময়ে দাবি।

জন কল্যাণমূলক ভাবণার ধারা-বাহিকতায় আসন্ন সাটুরিয়া উপজেলাধীন ২নং দিঘলীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কমিটি গঠন-পঠন ও পরিচ্ছন্ন কর্মীসভার আয়ো-জন সন্নিকটে। দলীয় নামদারী লুটেরা, বহিরাগত-অসারতামূক্ত একটি মুজিব-আদর্শীক কমিটি সর্বজন কাংঙ্খীত।

এ লক্ষ্যে, আমি দিঘলীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদ প্রার্থী।সিদ্ধান্ত বা ফলাফল যাই হোক, দল ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও সালাম রইল।

সেই সাথে সৃজনশীল কমিটির দ্বারা দিঘলীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আরো একধাপ এগিয়ে যাক- এ আশাবাদ ব্যক্ত করি এবং আমার প্রার্থীতার সফল সিদ্ধান্তের আশা রাখি। জয় হোক নিপীড়িত জনতার,। মুক্তিপাক মানবিকাতা ।। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।।

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (বি,এ অর্নাস এম,এ-রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) (সাবেক প্রভাষক, জাপিবক; সাধারন সম্পাদক-চাচিতারা বাজার জামে মসজিদ)

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here