শরীয়তপুরে কাবিখার অর্থে রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধ

0
167

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুর সদর উপজেলারর তুলাসার ইউনিয়নের বাইশরশি গ্রামের কাজের বিনি-ময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় একটি রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করেন চেয়ারম্যান জামাল হোসেন ফকির। ইতোমধ্যে সরকারি হালট দিয়ে রাস্তার ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

শেষের দিকে মালিকানা জমি দিয়ে রাস্তা কাটার সময় এলাকাবাসীর রোশানলে পড়ে ভ্যাকু চালক ও শ্রমিকরা। গতরাত থেকে রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীর অনুরোধে শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এই বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছিলেন।

ইতোমধ্যে এলাকাবাসী রাস্তা নির্মাণের পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান করছেন। মাঝে মাঝে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করছে উত্তেজিত এলাকাবাসী। পালং মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানাগেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার নির্বাচনী এলাকা ভিক্তিক তৃতীয় পর্যায় ২০২২-২০২৩ এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর জন্য ১৫ মেট্রিকটন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, সরকারি হালট দিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করে। রাস্তার শেষ অংশের মালিকানা ফসলি জমি কাটার সময় বাধার সম্মুখিন হয় শ্রমিকরা। এই রাস্তাটি নির্মাণ হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। তবে বাধাদানকারী পক্ষ জানায়, ফসলি জমি নষ্ট করা হলে ব্যাপক ক্ষতি হবে তাদের।

চেয়ারম্যান জামাল হোসেন ফকির বলেন, এলাকাবাসীর অনুরোধ ছিল ওইখান দিয়ে একটি রাস্তা হলে এলাকার উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি রাস্তার পাশে বাড়ি করে তারা বসবাস করতে পারবে। জমি থেকে ফসল বহনেও তাদের সুবিধা হবে। তাই কাবিখার অর্থে রাস্তার কাজ শুরু করি।

৯০ শতাংশ রাস্তাই সরকারি খাস জমিতে হয়েছে। শেষের অংশে কিছু মালিকানা জমি ব্যবহার করতে হবে। তাই মালিকদের সম্মতি নিয়েই কাজ শুরু করি। যারা রাস্তা করার সম্মতি দিয়েছে তাদের অনেকে এখন রাস্তা নির্মাণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, সরকারী হালট দিয়েই সিংহভাগ রাস্তা নির্মাণ হয়েছে। এখন মালিকানা জমির কতিপয় মালিক বাধা দিলেও অনেকে রাস্তার পক্ষে রয়েছে। তবুও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে রাস্তা সমাপ্ত করার চেষ্টা করব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here