Author: MD Nazrul Islam

  • আমির খানের নতুন প্রেমিকা স্প্রাট

    আমির খানের নতুন প্রেমিকা স্প্রাট

    বলিউডের মিস্টার পারফেকসনিস্ট আমির খান ১৪ মার্চ একষট্টিতে পা রেখেছেন। জন্মদিনে নতুন প্রেমিকার নাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন এই অভিনেতা। আমির খান তার নতুন প্রেমিকা গৌরি স্প্রাটের নাম প্রকাশ্যে আনার সঙ্গে সঙ্গে একটি শর্তও জুড়ে দিয়েছিলেন, তা হলো গৌরির ছবি তোলা যাবে না। ছবিশিকারীরা আমির খানের অনুরোধ রেখেছেন।

    কিন্তু রাতারাতি আলোচনায় চলে এসেছেন গৌরি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার খোঁজ চলছ। প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নিজের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, গৌরি স্প্রাটকে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে চেনেন আমির খান।ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ডেট করছেন গৌরী ও আমির। গৌরি স্প্রাট ভারতের বেঙ্গালুরুর অধিবাসী। তার মা তামিল আর বাবা আইরিশ। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ফ্যাশন অ্যান্ড স্টাইলিং বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন গৌরি। বর্তমানে হেয়ার ড্রেসিংয়ের কাজও করেন, মুম্বাইয়ে নিজের একটি সেলুন রয়েছে।

    এ ছাড়া এখন আমির খানের প্রোডাকশন হাউজে কাজ করেন গৌরি। গৌরির ৬ বছর বয়সি একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

  • নাবিক আব্দুর রহমান হত্যার বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    নাবিক আব্দুর রহমান হত্যার বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান জাহাজে নাবিক মোঃ আব্দুর রহমান এর মৃত্যু রহস্য উদঘাটন, সংশ্লিষ্ট এজেন্সি হক সন্স ম্যানিং এজেন্সি কর্তৃপক্ষ এবং নিহতের ঘটনা নিয়ে টালবাহানাকারী দপ্তরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে দোষীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহত নাবিক আব্দুর রহমানের পরিবার।

    শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সকলের উপর অভিযোগের নানান দিক তুলে ধরেন নিহত আব্দুর রহমানের বড় ভাই ও মামলার বাদী মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হালিমুর রহমান।

    সংবাদ সম্মেলনে জাহাজে নিহত নাবিক মোঃ আব্দুর রহমানের মা মোসাঃ আম্বিয়া খাতুন, স্ত্রী মাহমুদা নুরে নাহরিন, ছোট ভাই আব্দুর রাশেদ, শশুর মরিব হোসেন কাজল শাশুড়ী জান্নাতুল মাওয়া উপস্থিত ছিলেন। এসময় আব্দুর রহমানের এলাকার অনেক মানুষও উপস্থিত হন। নিহত নাবিক আব্দুর রহমান চাঁপাইনবাব গঞ্জ পৌর এলাকার হরিপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশীদের ছোট ছেলে।

    লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহমানের বড় ভাই ও মামলার বাদী মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হালিমুর রহমান বলেন, সিঙ্গাপুরের জাহাজে বাংলাদেশি নাবিক আব্দুর
    রহমানের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঢাকার বিমানবন্দর থানায় অপমৃত্যু মামলা হলেও দুই বছরেও তদন্ত শেষ হয়নি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হেডকোয়ার্টার ও একাধিক থানায় ঘুরেও হত্যা মামলা করতে পারেনি নিহতের পরিবার। প্রায় দুই বছর পর হাইকোর্টে রিট করি।

    পরে ২০২৪ সালের জুন মাসে হাইকোর্ট বিমানবন্দর থানাকে অভিযোগটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করে হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। এ মামলায় জাহাজে কর্মরত ছয়জনকে আসামি করা হয়। এয়ারপোর্ট থানা থেকে মামলাটি তদন্তভার যায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটে।

    তবে আলোচিত এ মামলা নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা টালবাহানা করেছেন বলে অভিযোগ করেন হালিমুর রশীদ। হালিমুর রশীদ আরও বলেন, তার ভাই মো. আব্দুর রহমান ২০২১ সালের ৭ই অক্টোবর সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী এমটি কনসার্টো জাহাজে নাবিক হিসাবে যোগ দেন। হক অ্যান্ড সন্স নামে একটি কোম্পানির মাধ্যমে ওই ট্যাঙ্কার জাহাজে নিয়োগ পান তিনি।

    জাহাজটিতে থাকা ২৫ জনের মধ্যে একজন কোরিয়ান নাগরিক ছিলেন। বাকি ২৪ জন ছিলেন বাংলাদেশি। যোগদানের কিছুদিন পরই পরিবারের সদস্যদের আব্দুর রহমান জানান, জাহাজে কয়েকজন সহকর্মীর সাথে তার মনোমালিন্য হয়। ঘটনা টি এক পর্যায়ে ঝগড়া ও হুমকির পর্যায়ে চলে যায়। পরিবারের পরামর্শে তখন জাহাজের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন আব্দুর রহমান।

    পরবর্তীতে আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর লাশ দেয়া এবং লাশের সুরতহাল করা নিয়ে নানা কৌশল করা হয়। এক পর্যায়ে আব্দুল রহমান জাহাজের গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার কথা বলা হয়। নানা নাটকিয়তার পর ময়নাতদন্তে আব্দুর রহমানের শরীরের অনেক স্থানে জখমের চিহ্ন পাওয়া যাওয়ার কথা বলা হয়।

    অন্যদিকে, ময়নাতদন্ত রিপোর্টে কোন বিশক্রীয়ায় আব্দুর রহমানের মৃত্যু হয়নি বলেও জানানো হয়। এছাড়া আব্দুর রহমান মৃত্যুর পর সংশ্লিষ্ট এজেন্সি হক সন্স ম্যানিং এজেন্সি অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা না করতে এবং সমাধানের জন্য উঠেপড়ে লাগে। একপর্যায়ে নিহত আব্দুর রহমানে স্ত্রীকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে।

    কিন্তু তাতেও কোন লাভ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে সংশ্লিষ্ট এজেন্সি হক সন্স ম্যানিং এজেন্সি কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোকেও ম্যানেজ করে মামলা নস্ট করার কৌশল করে চলেছে।  তিনি বলেন, আগের ফ্যাসিবাদের দোসররা যেভাবে মামলাটি দিনের পর দিন ধামাচাপা দিতে বদ্ধপরিকর ছিল, এখনো একই ঘটনা দেখতে পাচ্ছি।

    এখনো নিয়মিত একদল আসামিদের পক্ষে গ্রেফতার না করার জন্য চেষ্টা করে আসতে ছেন এবং আসামিরা আগে কোন কিছু তোয়াক্কা না করলেও এখন মামলা থেকে অব্যাহতি নেয়ার জন্য বিভিন্ন উপায়ে অসৎ উদ্দেশ্যে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। হালিমুর রশীদ আরও বলেন, নাবিকদের জাহাজে অনেক মৃত্যু ঘটলেও, আসল কারন সবার কাছে অজানায় থেকে যায়।

    বাংলাদেশের এই প্রথম মামলাটি সঠিক তদন্তের ও আসামিসহ ব্যাপারটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য যারা জড়িত সকলকে গ্রেফতারের জন্য আমি ও আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সিনিয়র সচিব জন নিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশের মহা পরিদর্শক সহ সকলকে এবং মহামান্য আদালতের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

    হালিমুর রশীদ, তার ভাই এর হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মিডিয়াকর্মীদের আন্তরিক সহয়োগিতা কামনা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে কারাগারে মৃত ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে কারাগারে মৃত ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ অসুস্থতাজনিত কারণে বাংলাদেশের কারাগারে মৃত এক ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে ভারত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া। ভারতীয় ঐ নাগরিকের নাম বিজলি কুমার রায়। সে ভারতের বিহার রাজ্যের মুজাফ্ফাবাদ ফরপুরের বাসিন্দা।

    গত ১৫ জানুয়ারি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎ-সাধীন অবস্থায় বিজলি কুমার রায় মারা যায়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাস-পাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, ১৩ জানুয়ারি রাজশাহী কারাগারের মাধ্যমে হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি হয়েছিলেন বিজলি কুমার রায়। ১৫ জানুয়ারি দুপুরে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

    প্রাথমিকভাবে জানা যায়, সে হৃদ্ধসঢ়;‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের জন্য তাঁর মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। শুক্রবার (১৪ মার্চ) মরদেহ ভারতে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ভারতীয় ঐ নাগরিকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে। বিজলির ছোট ভাই মরদেহ গ্রহণ করেন।

    এ সময় দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রাজশাহী কারাগারের জেলার মো. আমান উল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে ২০২১ সালের ২৬ জুন শরীয়তপুরে জাজিরায় আটক হয়েছিলেন বিজলি কুমার রায়। পরে মামলা দায়েরের পর তাকে শরীয়তপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

    ২০২২ সালে ওই মামলায় রায় হওয়ার পর শরীয়তপুর থেকে তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়। সেখানে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থবোধ করলে রাজশাহী কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে পাঠানো হয় চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিজলি কুমার।

    আমান উল্লাহ বলেন, ১৫ জানুয়ারি মৃত্যুর দিনই সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে তথ্য পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে

  • আছিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী কষ্ট পেয়েছে- ডা. শফিকুর রহমান

    আছিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী কষ্ট পেয়েছে- ডা. শফিকুর রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আছিয়ার মৃত্যুতে দেশবাসী কষ্ট পেয়েছে। এই ধরনের ধর্ষণকারীদের বিচার নিশ্চিত করতে আমাদেরকে এক ও অভিন্ন হতে হবে। এ বিষয়ে মিডিয়ার একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ চত্ত্বরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ইফতার ও দোয়া মাহফিলে  তিনি এ কথা বলেন।  ইফতার ও দোয়া মাহফিলে ডিআরইউ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন।

    তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের আত্মসমালোচনা প্রয়োজন, পাশাপাশি গণমাধ্যমে যারা আছেন, তাদের বুকটান করে দাঁড়ানো দরকার। আমরা ভুলের ঊর্ধ্বে নই। আমাদেরও ভুল হয়। আমি চাই, মিডিয়া আমাদের মন্দ দিকের পাশাপাশি ভালো দিকটাও তুলে ধরবে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, কোন কোন ব্যবসায়ীর সাথে কোন কোন রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক আছে তা সাংবাদিকরা লেখেন না। সাংবাদিকদের দায়-দায়িত্ব অনেক বেশি। সাংবাদিকদের কলমের জোর অনেক। আপনাদের বলা লেখায় জাতির অনেক লাভ হবে। আবার ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে।

    তিনি আরো বলেন, সাংবাদিকদের প্লট দেওয়ার অপরাধে আমি একা আসামি হয়েছি, সাংবাদিকরা কেউ আসামি না। এই দুঃখ কোনো দিন ভুলতে পারব না। ইফতারে দাওয়াত দেওয়ায় ডিআরইউকে ধন্যবাদ। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ায় রাজনীতিবিদ ও ডিআরইউ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন, ডিআরইউ সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম আজাদ, নজরুল ইসলাম মিঠু, সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন লিটন, সাজ্জাদ আলম খান তপু, রাজু আহমেদ, কবির আহমেদ খান, মসিউর রহমান খান, মহি উদ্দিন, ডিআরইউ কল্যাণ সম্পাদক ও ইফতার কমিটির সদস্য সচিব রফিক মৃধা।

    এছাড়া জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের মুখপাত্র মাহী বি চৌধুরী, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) চেয়ারম্যান কে এম আবু তাহের, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ডিআরইউ যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, অর্থ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই তুহিন, দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, নারী বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা রোজী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজান চৌধুরী, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. বোরহান উদ্দীন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ ছলিম উল্লাহ (মেজবাহ), কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জুনায়েদ হোসাইন (জুনায়েদ শিশির), আকতারুজ্জমান, আমিনুল হক ভূঁইয়া, মো. ফারুক আলম, সুমন চৌধুরী ও মো. সলিম উল্ল্যা (এস. ইউ সেলিম) সহ ডিআরইউ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

     

  • সাটুরিয়ায় মোটরসাইকেল চাপায় গৃহবধূ নিহত

    সাটুরিয়ায় মোটরসাইকেল চাপায় গৃহবধূ নিহত

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মোটরসাইকেল চাপায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়া সড়কের তিল্লি ইউনিয়নের পশ্চিম চর তিল্লি বোবার মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধুর নাম সুফিয়া বেগম (৩৮)। তিনি উপজেলার পশ্চিম চরতিল্লি গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী।

    জানা যায়, শুক্রবার রাতে উপজেলার মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়া সড়কের বোবার মোড় এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন সুফিয়া। এই সময় একই এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে বিজয় মিয়া (১৭) সুফিয়া বেগমকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মানিকগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ‘সংস্কার সংক্ষিপ্ত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরে, বৃহত্তর হলে জুনে’

    ‘সংস্কার সংক্ষিপ্ত হলে নির্বাচন ডিসেম্বরে, বৃহত্তর হলে জুনে’

    রাজনৈতিক দলগুলো যদি সংক্ষিপ্ত সংস্কার প্যাকেজে সম্মত হয় তবে নির্বাচন ডিসেম্বরে আর যদি তা না হয়ে তারা বৃহত্তর সংস্কার প্যাকেজ গ্রহণ করে সেক্ষেত্রে আগামী বছরের জুনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    আজ শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে ঢাকায় সফররত জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সফরের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনার আসার সময়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার এ সফর শুধু রোহিঙ্গাদের জন্যই নয়, বাংলাদেশের জন্যও যথাসময়ে হয়েছে।

    সংস্কার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করে ড. ইউনূস গুতেরেসকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের বিষয়ে এরই মধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দল তাদের প্রতিক্রিয়া জমা দিয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি সংস্কারের লক্ষ্য গঠিত ছয়টি কমিশনের সুপারিশ মেনে নেয়, তাহলে তারা জুলাই চার্টার বা জুলাই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবে। যা দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের রূপরেখা হবে। সাক্ষাৎকালে ড. ইউনূস গুতেরেসকে স্বচ্ছ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    এ সময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান, সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রবাব ফাতেমা এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুইন লুইস উপস্থিত ছিলেন।

     

  • গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাতিসংঘ

    গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে বাংলাদেশের পাশে থাকবে জাতিসংঘ

    বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে জাতিসংঘ পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার এক এক্স বার্তায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

    জাতিসংঘ মহাসচিব এক্স বার্তায় বলেন, আমি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বাংলাদেশের জনগণকে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংস্কার ও রূপান্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটি টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতিসংঘ সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবে।

    এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব একই উড়োজাহাজে কক্সবাজার ভ্রমণ করেন।

    কক্সবাজারে নির্মাণাধীন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও খুরুশকূল জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরিদর্শন শেষে উখিয়ায় ড. ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারে যোগ দেবেন।

    কক্সবাজারে জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গা লার্নিং সেন্টার, রোহিঙ্গাদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শন ও ইফতার শেষে প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব একসাথে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন।

    এদিকে, সফরের দ্বিতীয় দিন সকালেই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টালে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

  • জাস্টিন ট্রুডোর বিদায়

    জাস্টিন ট্রুডোর বিদায়

    কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বিদায় নিলেন জাস্টিন ট্রুডো। শুক্রবার তিনি তার শেষ কার্যদিবসে একটি বিদায়ী ভিডিও পোস্ট  করেছেন।

    জাস্টিন ট্রুডো ২০১৫ সালের শরৎকালে লিবারেল নেতা হিসেবে তার প্রথম নির্বাচন থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর ধরে কানাডার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অস্থির সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সময়কালে প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে মোকাবিলা, কোভিড-১৯ মহামারি এবং কানাডার বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ শুল্ক আরোপ পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন।

    ট্রুডো কানাডায় ফেডারেলভাবে গাঁজা বৈধ করেছেন এবং নিম্ন আয়ের কানাডিয়ান দের জন্য দৈনিক ১০ ডলার শিশু যত্ন এবং জাতীয় দন্তচিকিৎসা কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক কর্মসূচি চালু করেছিলেন।

    বিদায়ী ভিডিওতে ট্রুডো বলেছেন, “আমি এমন একটি দেশের সেবা করতে পেরে গর্বিত যেখানে এমন মানুষ আছেন যারা সঠিক কাজের পক্ষে দাঁড়ান, প্রতিটি ক্ষেত্রেই এগিয়ে যান এবং যখনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয় তখন একে অপরের পাশে থাকেন। হয়তো এই অফিসে আমার শেষ দিন, কিন্তু আমি সবসময়য় সাহসী এবং নিঃসন্দেহে কানাডিয়ান থাকব। আমার একটাই অনুরোধ, পৃথিবী আমাদের উপর যাই ছুঁড়ে ফেলুক না কেন, আপনারা সবসময় একতাবদ্ধ থাকবেন।”

    গত জানুয়ারিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ট্রুডো। জনমত জরিপে দলের বাজে অবস্থা উঠে আসার পর দায়িত্ব ছাড়তে চাপে ছিলেন তিনি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ট্রুডোর ক্ষমতা আরো দুর্বল হয়ে পড়ে। পদত্যাগের জন্য বিরোধীদের পাশাপাশি নিজ দলের মধ্য থেকে চাপ বাড়তে শুরু করে তার ওপর।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের কাগমারি এলাকায় এক প্রতিবন্ধী শিশুকে মুখে গামছা পেচিয়ে একটি আম বাগানে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে শাহবাজ পুর ইউনিয়নের কাগমারি এলাকার একটি জামে মসজিদে তারাবি নামাজ পড়তে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    অভিযুক্তরা হচ্ছে, একই গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ সাখাওয়াত হোসেন (১৯), মোঃ শহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ আব্দুর রহমান (১৩) এবং মোঃ বিশু মিয়ার ছেলে মোঃ বাবু মিয়া (১১)।

    ভুক্তোভোগী শিশুটির মা, মামা ও স্থানীয় সুত্র জানায়, বৃহষ্পতিবার রাত ৮ টার দিকে বাক প্রতিবন্ধী শিশুটি কাগমারী জামে মসজিদে তারাবি নামাজ পড়তে আসলে অভিযুক্তরা সুযোগ বুঝে পার্শ্বের একটি আম বাগানে নিয়ে গিয়ে মুখে গামছা পেঁচিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। নামাজ শেষের পরও মেয়েকে না পেয়ে ঘটনার ২ ঘন্টা পর ঐ বাগান থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে।

    শিশুটির পিতা বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে জানালে স্থানীয়রা ঐ ৩ জন অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ কে খবর দেয়। এদিকে, শিশুটির স্বজনরা শিশুটিকে চাঁপাইনবাব গঞ্জ জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

    বর্তমানে শিশুটি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে বলেন, একজন বাক প্রতিবন্ধী শিশু কে আম বাগানে নিয়ে যেয়ে ধর্ষণ করেছে পাষন্ডরা। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা তিন ধর্ষককে আটকে রাখেছিলো। দুপুরে থানা পুলিশের হাতে সোপর্দা করা হয়। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানায় এলাকাবাসী।

    এদিকে, অভিযুক্ত সাখাওয়াত হোসেন স্থানীয়দের মারধরের পর তাদের কাছে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি ও তার সহযোগী আব্দুর রহমান ২ জন মিলে ধ্বর্ষন করেছে এবং বাবু তাদের সহায়তা করেছে।

    এব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, এই ধরনের একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাকাসীর হাতে আটক ৩ অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

    শিশুটির পরীক্ষা নিরিক্ষার পর জানা যাবে প্রকৃত ঘটনা। অভিযুক্তদের আটক করে থানার আনা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এঘটনা জানার পর দ্রুতই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে যান পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা।

    এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের কে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আইনগত ব্যাবস্থা চলমান রয়েছে। ভিক্টিমের চিকিৎসা চলছে এবং সুস্থ আছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সাটুরিয়ায় ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে যাকাতের কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ

    সাটুরিয়ায় ২০ হাজার পরিবারের মধ্যে যাকাতের কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ

    প্রতি বছরের মতো এবারও ২০ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে যাকাতের কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ করলেন মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়ার কৃতি-সন্তান ও বিশিষ্ট দানবীর জনাব ড. রফিকুল ইসলাম।

    অত্র এলাকার প্রত্যেকটি গ্রামে ঘুর ঘুরে তিনি গরীব দুঃখী মানুষের মধ্যে এসব কাপড় ও লুঙ্গি বিতরণ করেন। ঈদের আগে নতুন শাড়ি, লুঙ্গী পেয়ে আবেগে আপ্লুত সাধারণ মানুষ। এ আয়োজনে যোগ দেয়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও  ড. রফিকুল ইসলামের প্রসংসা করেন।

    উল্লেখ্য, সাটুরিয়া উপজেলার নওগাঁ গ্রামের সুর্য সন্তান ড. রফিকুল ইসলামের জন্য বিশেষ দিনগুলোতে এভাবেই অপেক্ষায় থাকে সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জের হাজার হাজার অসহায় মানুষ। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাকাতের কাপড়-লুঙ্গি নিতে ছিল বাধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস। প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের আগে গরিব দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ড. রফিকুল ইসলাম সুদূর আমেরিকা থেকে ছুটে আসেন নিজ এলাকায়।

    জানা যায়, শুধু ঈদ-উল-ফিতরের দিনেই নয়, সারা বছর, সব সময়ই তিনি সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জের অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য এগিয়ে আসেন। তিনি যুব সমাজের উন্নয়নে মাদক ছাড়- খেলাধর, অসহায় দরিদ্র গৃহহীনের মাঝে ঘর বিতরন, ধর্মপ্রাণ দরিদ্র মুসলমাদের হজ্জ পালনে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান এবং রাবেয়া ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে  হৃত-দরিদ্রদের নানান প্রকার অসুবিধায় সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকেন।

    এ ব্যাপারে ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সাটুরিয়াবাসী নানান দিক থেকে বৈষ্যমের শিকার। মানিকগঞ্জ-৩ আসনে সাটুরিয়া উপজেলাবাসী সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া সত্বেও পাকিস্তানী শাসনের ন্যায় নানান দিক (অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক) থেকে এখানকার মানুষদের বঞ্চিত।

    তিনি আক্ষেপ করে বলেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেরও বড় কোন রাজনৈতিক দল সাটুরিয়া উপজেলা থেকে কোন প্রার্থীকে এমপি মনোনয়ন দেন নাই। বিগত সময়ে যারাই এমপি নিবার্চিত হয়েছেন তারাই আখের ঘুছাতে ব্যস্ত থেকেছেন। সাটুরিয়া উন্নয়ন তথা সাটুরিয়ার মানুষের জন্য কিছুই করেন নাই।

    তিনি বলেন, আমি আমার উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে ভালবাসি। যদিও আমি (আমেরিকা) প্রবাসী তথাপি  সাটুরিয়া উপজেলার উন্নয়নে যে কোন ত্যাগ শিকারে প্রস্তুত। আমি ব্যক্তিগত জীবনে নিঃসন্তান। সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জের প্রতিটি মানুষই আমার সন্তান সমতুল্য। আমার জীবনের উপার্জিত সমস্ত সম্পদ দিয়েই আমি সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জবাসীকে সেবা করতে চাই।

    তিনি দুঃখের সাথে বলেন, বিগত সময়ে কিছু ফ্যাসিষ্ট রাজনীতিক, আমাকে বিভিন্ন ভাবে নাজেহালের চেষ্টা করেছে কিন্তু সমাজ সেবা থেকে বিরত রাখতে পারেন নাই।  মানুষের কল্যাণে আমি আমার লক্ষ্য উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অবিচল থাকব-ইনশাল্লাহ। এই সময় তিনি উপস্থিত সকলের দীর্ঘায়ু কামনা করে আগামী পথ চলায় পাশে থাকতে আহব্বান জানান।

    যাকাত প্রদান অনুষ্ঠান ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসবমূখর পরিবেশ তৈরি হয়। অসচ্ছ্বল হাজারও নারী পুরুষ যাকাতের কাপড়-লুঙ্গি হাতে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে।

    বয়োবৃদ্ধরাও লাঠিতে ভর করে এই আনন্দ ভাগাভাগির জন্য সামিল হন। তারা প্রাণ ভরে দোয়া করেন ড. মো. রফিকুল ইসলামের জন্য। এ সময় তীব্র গরমে অপেক্ষার পর প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয় ড. রফিকুল ইসলামের নাম।