Author: MD Nazrul Islam

  • দিনাজপুরে শ্বশুরের গোপনাঙ্গ কেটে দিল ছেলের বউ

    দিনাজপুরে শ্বশুরের গোপনাঙ্গ কেটে দিল ছেলের বউ

    ব্লেড দিয়ে শ্বশুরের গোপনাঙ্গে কেটে দিয়েছে ছেলের বউ। গতকাল শনিবার রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৩নং সিংড়া ইউ-নিয়নের বিরাহীমপুর গুচ্ছ গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম শ্বশুর পক্ষের অভিযোগ, ছেলের বউ পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত ছেলের বউ ফাতেমা বেগমের (৩০) কে আটক করেছে।

    ছেলের বউ ফাতেমা বেগম জানান, পনেরো বছরে আগে মনির প্রামা-ণিকের সাথে আমার বিয়ে হয় । সেই থেকে একই ইউনিয়নের বারো-পাইকার গড় এলাকায় তিন সন্তান নিয়ে স্বামীর বসতবাড়িতে আমরা বসবাস করে আসছিলাম। আমার স্বামী পেশায় একজন শ্রমিক।

    জীবিকা নিবাহে জন্য সে বারোপাইকার গড় এলাকায় থাকতো। সেখানে সে প্রায় দুই-তিন লাখ টাকা ঋণ হলে বাড়ি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করে আমরা শ্বশুরের বাড়িতে চলে আসি। আমার শ্বশুড় রান্না ঘরের এক পাশে  আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দেন।

    এক সময় জীবিকার তাগিদে স্বামী পার্শ্ববর্তী জেলায় কাজে চলে গেলে থাকার জায়গা নিয়ে প্রায়ই শাশুড়ি ও শ্বশুরের ঝগড়া হয় এবং তারা আমাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলে এবং আমার অসহায়ের সুযোগ নিয়ে শ্বশুড় প্রায়ই কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। আমি রাজি না হওয়ায় বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়।

    গেল শনিবার রাতে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শ্বশুর শাহজামাল আমাকে টেনে শোবার ঘরে নিয়ে যায় এবং অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা করে। সে সময় আমার কাছে রাখা ব্লেড দিয়ে শ্বশুর শাহজামালের পুরুষাঙ্গ কেটে দেই।

    শ্বশুর শাহ জামাল প্রামাণিক পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে জানান, ছেলের বউ পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

    এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগের চিকিৎ-সক আহসান হাবীব বলেন, শনিবার রাত পৌনে ১০টায় আহত শাহ-জামাল প্রামাণিককে তাঁর পরিবারের লোকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসেছেন।

    তার পুরুষাঙ্গের গোড়ার দিকের প্রায় ৪ সেন্টিমিটার অংশ কেটে গেছে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। পুরুষাঙ্গে আটটি সেলাই দেয়া হয়েছে। তিনি এখন পর্যবেক্ষণে আছেন।

    ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘোড়াঘাট উপজেলার বিরাহিমপুর গুচ্ছগ্রাম এলাকায় শাহজামাল প্রামাণিক নামের এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কেটে দেয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    আহত শাহজামাল প্রামাণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামীকে থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পর্বতীতে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

  •  সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক ও রাহাত মালেক এর আয়কর নথি জব্দ 

     সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক ও রাহাত মালেক এর আয়কর নথি জব্দ 

    সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক ও তার ছেলে রাহাত মালেক এর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

    জাহিদ মালেকের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, জাহিদ মালেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

    জাহিদ মালেক একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত-আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পূর্ণাঙ্গ আয়কর নথি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

    রাহাত মালেকের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, রাহাত মালেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, দন্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

    রাহাত মালেক একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত-আয়ের সাথে অসঙ্গতি-পূর্ণ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পূর্ণাঙ্গ আয়কর নথি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধে লংমার্চ ও জেয়াফত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিরোধে লংমার্চ ও জেয়াফত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ফেলানীসহ সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ও ফারাক্কার নায্য পানির হিস্যার দাবীতে লংমার্চ ও সামাজিক জেয়াফত অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সরকারি মডেল হাই স্কুলে জেয়াফত উপলক্ষে গরু জবাই করে ভোজের আয়োজন করা হয়।

    দিনব্যাপী সেখানে নানা আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের জনগণ’র ব্যানারে। শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বাংলাদেশের জনগণ’র ব্যানারে প্রায় ৫ শতাধীক সদস্য লংমার্চ করে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ মডেল সরকারি হাই স্কুলে এসে পৌঁছায়।

    বাংলাদেশের জনগণ’ নামের একটি সংগঠন এই লংমার্চ ও সামাজিক জেয়াফতের আয়োজন করে। এই সময় লংমার্চ ও সামাজিক জেয়াফতে অংশগ্রহণকারীরা ‘কাঁটা তারের ফেলানী-আমরা তোমাকে ভুলিনি’, ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দাও জনগন, সীমান্তে হত্যা বন্ধ করো করতে হবে, বেশী করে গরু খান আগ্রাসন রুখে দেন, দিল্লি না ঢাকা-ঢাকা ঢাকা, ভারতের দালালেরা হুশিয়ার সাবধানসহ নানান ধরনের শ্লোগান দিতে থাকে।

    জেয়াফতে অংশহণ করতে আসা বিনোদপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ সীমান্তের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, ৫, ৬ ও ১৮ জানুয়ারি কালিগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় ভারতীয়রা আগ্রাসন চালিয়েছিল। এই আগ্রাসন বিরোধী কার্যক্রম স্থানীয়রা প্রতিহত করেছিল।

    আর যারা এই ভারতীয় আগ্রাসন প্রতিহত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে ছিলেন তাদের জন্য এখানে একটি প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। সেজন্য আমরা এখানে এসেছি এবং আমাদের এই প্রোগ্রামে এসে ভালো লাগছে কারণ আমাদেরকে উৎসাহিত এবং উজ্জীবিত করার জন্য এ প্রোগ্রামটি আয়োজন করা হয়।

    আমজনতা পার্টির সদস্য সচিব পরিচয়দানকারী তারেক রহমান বলেন, বগুড়াতে হিন্দু রাজার নিপড়নের বিরুদ্ধে গরু জবাই করেছিল। আর এই জিয়াফতটা অনেক আগে থেকে প্রচলিত ছিল। ভারত তার গরু রাজ-নীতির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে ও মুসলমানকে নিপিড়ীত করে। তার
    প্রতিবাদেই আমাদের এই জিয়াফত কার্যক্রম।  আমাদের কার্যক্রম হিসেবে গরু জবাই হয়, এরপর আলোচনা এবং নাগরিকদের সাথে কথা বলা হয়।

    এছাড়া সীমান্তে যারা যারা নিহত হয়েছিল তাদের নামে আজকে সন্ধ্যার দিকে ফানুস উড়াবো। শহীদদের সম্মানে তার নাম লেখা ফানুস আকাশে উড়িয়ে দেয়া হবে। বাংলাদেশ জনগণ ব্যানারের মুখপাত্র মোঃ মোস্তাফি জুর রহমান, বাংলাদেশ জনগণ ব্যানারের রাজশাহী সমন্বয়ক রুহুল কুদ্দুস মীর ওরফে ফরহাদ আলী, বাংলাদেশ জনগণ ব্যানারের শিবগঞ্জ সমন্বয়ক মোঃ মামুনুর রশিদ, শিবগঞ্জ ছাত্র আন্দোলন সমন্বয়ক মোঃ আল বাশরী সোহান, মোঃ তন্ময়, গণআধিকার পরিষদ নেতা ফারুক আহমেদ ও আমজনতা পার্টির সদস্য সচিব তারেক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও রাজশাহী ও চাঁপাই নবাব গঞ্জের কয়েকজন হেফাজত নেতা উপস্থিত ছিলেন।

  • ১০ লক্ষাধিক লোক নিয়ে তিস্তা অবরোধ করা হবে-হাসান রাজীব

    ১০ লক্ষাধিক লোক নিয়ে তিস্তা অবরোধ করা হবে-হাসান রাজীব

    লালমনিরহাট প্রতিনিধি: তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিএনপি। এ কর্মসূচিতে ১০ লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণের আশা প্রকাশ করেছেন তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়কারী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান।

    রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সুধী সমাবেশে ব্যারিস্টার রাজীব প্রধান বলেন, “তিস্তা নদীর ন্যায্য হিস্যা আমাদের অধিকার। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশি ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।”

    তিনি আরও জানান, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নদীর দুপাশে বাজার গড়ে উঠবে, যা তীরবর্তী দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবনমানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।” কর্মসূচিকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আফজাল হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের হাতীবান্ধা উপজেলা সভাপতি ও দইখাওয়া আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোফাজ্জল হোসেন। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, গণমাধ্যমকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনেরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

    তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে বিএনপির এ কর্মসূচি বড় আকারের জনসমাবেশে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • পথভ্রষ্ট রাজনীতি ও নাগরিক সচেতনতা

    পথভ্রষ্ট রাজনীতি ও নাগরিক সচেতনতা

    বাঙ্গালী জাতি এক অদৃষ্টবিশ্বাসী পলায়নপর জাতি। বুদ্ধিহীন দৈন্যতা এই জাতিকে ক্রমাগত অধঃ পতনের দিকেই ধাপিত করছে। জাতির যুগযুগান্তরের ইতিহাস; এই সত্যেকেই স্বাক্ষ্য দেয়।

    সেই প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে আজ অব্দি জাতির এই দুর্বলতার সুযোগে ক্রমাগত লুট হয়েই চলেছে বাংলার সম্পদ, সংস্কৃতি, ভাষা, জাতীয়তা ও জাতীয় চরিত্র। যুগ যুগ ধরে নিরষ্কুশ ভাবে প্রমানিত হয়েছে শাসক শ্রেনীর ‘ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের চক্রান্ত। ফলে স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও জাতি তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। এই ব্যর্থতা জাতির জীবনে কলংক।

    ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীনের পর থেকেই বাংলা ভূ-খন্ডে পালাবদলের রাজনীতি শুরু হয়েছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। বিগত সময় গুলোতে রাজনৈতিক সরকার গুলো স্বনির্ভর আর স্বচ্ছ গণতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে জনগনকে ফুসলিয়ে- ক্ষমতা দখল করে ক্ষত-বিক্ষত করছে ‘গোটা জাতি ও জাতীয় স্বার্থকে। অসীম ক্ষমতায় কুক্ষিগত করছে রাষ্ট্রীয় দখলদারিত্ব।

    নির্বাচিত অধিকাংশ নেতারাই জাতীয় স্বার্থের নামে ‘মূলা, ঝুলিয়ে স্ব-দলীয় কিম্বা ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারে পৃথিবীর নিকৃষ্ঠ ও জঘন্যতম পন্থা অবলম্বনেরও পিছপা হয়নি। সভ্যতার হাজার বছরের ঐতিহাসিক শিক্ষাকে বৃদ্ধ আঙ্গুলি দেখিয়ে কুখ্যাত ইউরোপিয় দানব চতুদর্শ/ ষোড়শ লুইয়ের ন্যায় চিৎকার করে বলছে“ আমিই ধর্ম, আমিই রাষ্ট্র, আমিই আইন,।

    একথা সত্য যে, প্রাচীন কালে ‘বাহুবল আর ক্ষমতা- রাজনীতির নিয়ামক ছিল। সভ্যতার এই আধুনিক যুগে রাজনীতির সংজ্ঞার পরিবর্তন ও পরিমার্জন হয়েছে। আধুনিক কালের রাজনীতির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে Politic is the public service for national Interest. অথচ বাংলাদেশের রাজনীতি সদা-সর্বদা উল্টু পথেই হাঁটছে।

    গোটি কয়েক নেতা ছাড়া দেশের অধিকাংশ রাজনীতিবিদই জনগনের সেবার অন্তরালে হত্যা, লুন্ঠন ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করার রাজনীতি নিয়ে ব্যতি-ব্যস্ত। দেশের প্রত্যেক মহল্লা কিম্বা পাড়ার শ্রেষ্ঠ দুস্কৃতিকারী ও বখাটেরা রাজনৈতিক নেতার পরিচয়ে স্ব-স্ব এলাকা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। স্বার্থের কারনে এক নেতা আরেক নেতাকে গুম কিম্বা হত্যা করে লাশ বেওয়ারীশ করে দিচ্ছে। দলীয় ক্ষমতায় মদদপুষ্ট ছাত্ররা শিক্ষাঙ্গনে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে।

    পক্ষ-প্রতিপক্ষকে রগ কেঁটে সারা জীবনের জন্য পুঙ্গ করা কিম্বা হত্যা করে লাশ গুম করতেও দ্বিধা করছে না। সত্যের জয় ধ্বনি করায় সত্যনিষ্ট সাংবাদিক সাগর-রুনিদের সন্ত্রসীদের হাতে জীবন দিতে হচ্ছে অবুঝ শিশুকে বোবা কান্না উপহার দিয়ে। বেকারত্বে যাতা কলে পৃষ্ঠ হয়ে সাংবাদিক মিনার মাহমুদদের আত্মহত্যা করে প্রমান করতে হচ্ছে ‘প্রানের চেয়ে মান বড়,।

    মৌলবাদীরা ধর্মের নামে ধর্মপ্রান মানুষকে সত্য বলার অধিকারকে সংকুচিত করছে ক্রমাগত । রাজনৈতিক স্বার্থ হাঁসিলে এই বাজী খেলায় ঢোল পিটাচ্ছে অন্ধকারে থাকা আলী বাবার ‘চেরাগদৈত্য’।

    আন্তজার্তিক শত্রুরা জাতিগত ঐক্যতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার ধোঁয়া তুলে ফেলানীদের কাঁটা তারের বেড়ায় ঝুঁলিয়ে নৃসংশ ভাবে হত্যা করছে। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে যুগ যুগ ধরে জিয়িয়ে রাখছে অসংখ্য জাতীয় সমস্যাকে।

    এক-বিংশ শতাব্দীর রাজনৈতিক নতুন মেরু করনে ক্রমে ক্রমেই বাংলা ভূ-খন্ডটি হয়ে উঠছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সমগ্র বিশ্বের পরা শক্তিগুলো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা লাভে বাংলাদেশের দিকে বিশেষ দৃষ্টিতে ধাবমান রয়েছে।

    ইতিমধ্যে পৃথিবীর ধনি রাষ্ট্র আমেরিকা ও পরাশক্তি রাশিয়া ‘নর্থ-আটল্যান্টিক, এলাকা ছেড়ে অধিক অর্থনৈতিক সুবিধা লাভে তীক্ষ্ন নজর দিয়েছে ‘এশিয়া-প্রশান্তমহাসগরীয়, এলাকার দিকে।

    পরিসংখ্যান, বিশ্ব জনসংখ্যার ৭০/৮০ ভাগ লোকের বাস ‘এশিয়া-প্রশান্ত-মহাসগরীয়, অঞ্চলটিতে স্বল্প-বিস্তারে চীন ও ভারত অধিক সুবিধা নিলেও বিদ্যূৎ গতিতে ধেঁয়ে আসছে পাশ্চাত্যের দেশগুলো।

    পৃথিবীর ষোলতম বৃহৎ বাজার বাংলাদেশ ভুগৌলিক কারনেই ‘এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয়, অঞ্চলের প্রবেশ দ্বার। বাজার ব্যবস্থাপনার দিক থেকে চীন ও আমেরিকার কাছে শ্রেষ্ঠস্থান বাংলাদেশ। ছলে বলে কলে কৌশলে রাজনৈতিক ইস্যুকে অজুহাত করে বার বার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছে ভারত।

    তাই, একদিকে দেশের অভ্যন্তরে ক্ষমতা দখল নিয়ে ‘রাজনৈতিক দুস্যিপনা, অপর দিকে বহিঃশক্তির অর্থণীতি দখলে লোলুপ দৃষ্টি থেকে, দেশকে বাচঁতে হলে জাতীয় ঐক্য ও সর্ব সাধারনের রাজনৈকি সচেতনতা এই সময়ে একান্তই প্রয়োজন!https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,62148.msg157566.html#msg157566

  • গাজীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

    গাজীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

    গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়িতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে জবাই করে আত্মহত্যা করে স্বামী। শনিবার বিকালে কোনাবাড়ী বাই-মাইল এলাকায় তাদের ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত সোহাগ হোসেন (২৫) সিরাজগঞ্জ জেলার তারাস উপজেলার ধাপ তেতুলিয়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে এবং স্ত্রী মৌ আক্তার বৃষ্টি (২০) একই জেলার সান্দুরিয়া গ্রামের মোবারক হোসেনের মেয়ে। তারা বাইমাইল মধ্যপাড়া কাদের মার্কেট এলাকার বাসায় ভাড়া থেকে বসবাস করতেন।

    ওই বাড়ির মালিকের ছেলে দেওয়ান মোহাম্মদ রাসেল বলেন, সকাল থেকে সোহাগ- মৌ দম্পদির ঘরের দরজা বন্ধ দেখে বাড়ির অন্য ভাড়া-টিয়ারা অনেকবার ডাকাডাকি করলেও দরজা খুলেনি। পরে বিকেলে আবারো দরোজার সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখে ৯৯৯ ফোন দেয়া হয়।

    পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে মেঝেতে গৃহবধূ মৌয়ের মরদেহ এবং গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে তার স্বামীর মরদেহ পাওয়া যায়।

    মৃত মৌ আক্তার বৃষ্টির চাচা রতন মিয়া বলেন, গত দুই বছর আগে সোহাগ-মৌয়ের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। মৌ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়াশোনা করতো।

    তার স্বামী সোহাগ কোনাবাড়ী ব্রাক এনজিওতে অ্যাকাউন্স অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চলতি মাসের ১ তারিখে তারা ভাড়া বাসায় উঠেন। এমন ঘটনা কেন ঘটালো বুজতে পারছি না।

    কোনাবাড়ী থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, ৯৯৯ এ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জোর ধরে এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে স্ত্রীকে হত্যা করে পরে ওই স্বামী আত্মহত্যা করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

     

  • এক রুকাইয়া জাহান চমকের ফেসবুক স্ট্যাটাস !

    এক রুকাইয়া জাহান চমকের ফেসবুক স্ট্যাটাস !

    মডেল অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকে সোচ্চার ছিলেন তিনি। গতকাল ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

    চমক লিখেছেন, “কোনো একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতি ভালো-বাসা আর গোটা দেশকে ভালোবাসা এক জিনিস না। দুটোকে মিলিয়ে ফেলবেন না। স্বৈরাচার সরকার ৫ অগাস্ট পতন না হলে, আমরা যারা আন্দোলনে নেমেছিলাম, তাদের দেশদ্রোহীতার অপরাধে এতদিনে নিশ্চিহ্ন করে ফেলতেন। সেই ভয় জেনেও আমরা নেমেছিলাম রাস্তায়। তাই জীবনের ভয় আমরা করি না।’’

    তিনি আরো লেখেন, “মৃত্যু নিশ্চিত সামনে আসলেও যেটা ন্যায় সেটাকে ন্যায়ই বলব, যেটা অন্যায় সেটাকে অন্যায়।

    তাই যারা এখনো ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন, তারা দুইটা ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুম দেন, নিজের মুরগির ন্যায় প্রাণ বাঁচিয়ে আজীবন বিড়ালের ন্যায় বেঁচে থাকুন, আমরা বাঘের ন্যায় একদিন বেঁচে থাকতে পারলেও গর্বিত l ধন্যবাদ।”

     

  • গাজীপুরে ওসি বরখাস্ত ও পুলিশ কমিশনারের ক্ষমা প্রার্থণা

    গাজীপুরে ওসি বরখাস্ত ও পুলিশ কমিশনারের ক্ষমা প্রার্থণা

    গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান এ কথা জানান। ঘটনার দিন পুলিশের সহযোগিতা চেয়েও সহ-যোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওসির বিরুদ্ধে।

    একই সঙ্গে এ ঘটনায় পুলিশের যথাযথ দায়িত্ব পালন না করার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে আমাকে অন্যায়ভাবে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছিল।

    আপনাদের আন্দোলনের সঙ্গে আমিও আন্দোলন করেছি। এ আন্দো-লনের মাধ্যমে দেশকে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন করেছি। পুলিশ কমিশনার বলেন, যারা শিক্ষার্থীদের ওপর আঘাত করেছে, তাদের প্রত্যেককে ধরে আইনের আওতায় আনা হবে।

    যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্বে অবহেলা করেছেন, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সমাবেশে তিনি সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফুর রহমানকে বরখাস্তের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে শিক্ষার্থীদের জানান।

    উল্লেখ্য, শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরের ধীরাশ্রম এলাকায় সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

    তখন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।এতে আহত হন ১৫ জন। এরমধ্যে গুরুতর পাঁচজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • ৭২’এর সংবিধান একটি অবৈধ সংবিধান-আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের

    ৭২’এর সংবিধান একটি অবৈধ সংবিধান-আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন যারা সংবিধান রচনা করেছিলেন তারা পাকিস্তান গণপরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

    এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন ছিল গণভোটের। তারা সেটাও করেন নাই। যাত্রাই শুরু করেছি আমরা অবৈধ ভাবে। সুতরাং সেই সংবিধান কি ভাবে বৈধ হতে পারে? তাই ৭২’এর সংবিধান অবৈধ অংবিধান।

    ৭২’এর সংবিধান আমাদের চেতনার সাথে সম্পৃক্ত ছিল না। সংবিধান রচনা করতে হবে এদেশের মানুষের চিন্তা চেতনা ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে।

    অন্তর্র্বধসঢ়;তী সরকারের কাজ সংবিধান প্রণয়ন করা নয়। তবে নির্বাচনের জন্য নূন্যতম সংস্কার করতে হবে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য থাকবে।

    এমন কিছু মৌলিক সংস্কার করে নির্বাচন করতে হবে। আজ শনিবার বিকেলে শরীয়তপুর পৌরসভা মাঠে জেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, বাংলাদেশ এমন এক দেশ, যেখানে কখনোই স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা পায়নি। ১৯৪৭ এর স্বাধীনতা পরিপূর্ণ হয়নি, ১৯৭১ এ সংগ্রাম করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালে পৃথিবীর বুকে একটি স্বাধীন ভূখ- সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সেই স্বাধীনতা পূর্ণতা অর্জন করেনি।

    এরপর ২০২৪ এর স্বাধীনতা বা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করতে হয়েছে। এর কারণ, আমরা অনাকাঙ্ধিসঢ়;ক্ষত ভাবে অযোগ্য নেতৃত্ব পেয়ে ছিলাম। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের অংশ হিসেবে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল।

    কিন্তু ভুল নেতৃত্বের কারণে আমরা দেখলাম, গণতন্ত্র হত্যা করে তারা বাকশাল কায়েম করল। বাকশালের পরিণতি যে কি হয়েছিল তা এ দেশের মানুষ দেখেছে।

    শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে, জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে, আন্দোলনের মুখে এরশাদের পতন হয়েছে। বিগত ১৫ বছরে আমরা জেল জুলুমের শিকার হয়েছি, তাহাজ্জুদ পড়ে আল্লাহর কাছে বলেছি, আল্লাহ হাসিনার পদত্যাগ চেয়েছি। কিন্তু আল্লাহ আমাদের ধৈর্য্যর ফল হিসেবে শুধু পদত্যাগ না দেশত্যাগ করিয়েছেন।

    তিনি বলেন, এখন অনেকে বলে, এবার জামায়াতকে ক্ষমতায় আনব। আমরা চেয়েছি পদত্যাগ, কিন্তু আল্লাহ মিরাকেল দেখিয়ে করিয়েছেন দেশত্যাগ। এখন যদি সবাই বলে একবার জামায়াতকে দেখব। আল্লাহর মিরাকেলে জামায়াত ক্ষমতায় যেতেও পারে ইনশাআল্লাহ। কেননা বাকশাল শেষ, ৬ দফা শেষ, ১৮ দফা পারে নাই, ১৯ দফা পারে নাই।

    সোনার বাংলা, সবুজ বাংলার স্লোগান বাংলার মানুষের কোনো ধরণের সমস্যার সমাধান করতে পারে নাই। এবারের দফা এক দফা। সেই দফা হলো আল্লাহর আইনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একবার জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষমতায় বসানো।

    বাংলাদেশের ভাইয়েরা ৫৪ বছর ধরে নির্যাতিত হয়েছেন, ঠকেছেন। আমাদেরকে একবার বিশ^াস করে দেখেন, ইনশাআল্লাহ ঠকবেন না। তাতে না হয়, ৫৪ সাথে আর ৫ যোগ হবে, এই তো।

    কিন্তু একবার আমাদেরকে দেন। দেখুন, যদি জামায়তে ইসলামী নৈতিকতা ও কল্যাণের ভিত্তিতে আদর্শ রাষ্ট্র তৈরী করে নারীর অধিকার, পুরুষের অধিকার, শ্রমিক, মেহনতি, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। তাহলে জামায়াতে ইসলামকে ক্ষমতা দিয়ে দেখেন। ইনশাআল্লাহ আমরা আপনাদের আমানত রক্ষা করব।

    শরীয়তপুর জেলা জামায়াতের শুরা সদস্য ও ডামুড্যা পৌরসভা আমীর আতিকুর রহমান কবীর এবং জেলা শুরা সদস্য মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের পরিচালনায় জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুর রব হাশেমীর সভাপতিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুল আলম খান মিলন, শরীয়তপুর-১ আসনে জামায়াতের মনোনিত প্রার্থী ড. মোশারফ হোসেন মাসুদ, শরীয়তপুর -২ আসনে জামায়াতের মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক মো: মাহমুদ হোসেন, শরীয়তপুর-৩ আসনে জামায়াতের মনোনিত প্রার্থী মো: আজহারুল ইসলাম, ফরিদপুর টিম সদস্য মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, শামসুল ইসলাম আল বরাটি।

    অন্যান্যদের মধ্যে ফরিদপুর টিম সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা জামায়া-তের সাবেক আমীর মাওলানা খলিলুর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা আমীর অধ্যাপক রেজাউল করিম, মাদারীপুর জেলা আমীর মাওলানা মোখলেছুর রহমান, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা জামা-য়াতের নায়েবে আমীর কে এম মকবুল হোসাইন, শরীয়তপুর জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাসুদুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

  • গাজীপুরসহ সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত

    গাজীপুরসহ সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয় অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শনিবার থেকেই গাজীপুর এলাকাসহ সারা দেশে এই অভিযান শুরু হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়। শুক্রবার রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনায় শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণা-লয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, শনিবার থেকেই গাজীপুর এলাকাসহ সারাদেশে এই অভিযান শুরু হবে।