Author: MD Nazrul Islam

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিসৌধে পুস্পার্ঘ অর্পণ

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিসৌধে পুস্পার্ঘ অর্পণ

    সারাদেশের মতো যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে চাঁপাই-নবাবগঞ্জেও। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের আয়োজনে রবিবার সকালে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

    বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর সেতু (মহানন্দা সেতু) সংলগ্ন স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান।

    পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, জেলা পরিষদ, সদর উপজেলা প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর, জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা এলজিইডিসহ সরকারি- বেসরকারি দপ্তর ও সামাজিক সংগঠন সমুহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ, পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আফাজ উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এর বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    মহানন্দা নদীর পাড়ে শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের শহীদ স্থানে চাঁপাইনবাব গঞ্জ সড়ক ভবন চত্বরে অবস্থিত স্মৃতিসৌধে পুস্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে বাংলার এই বীর সন্তানকে শ্রদ্ধা জানানোর সময় জাতীয় সংগীত গেয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

    শেষে বাংলার এই বীর সন্তানসহ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে সোনামসজিদ চত্বরে শহীদ জাহাঙ্গীরের মাজারে পুস্পার্ঘ অর্পণ, মাজার জিয়ারত, দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    সেখানে জেলার মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত হন। বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা হয়।

    উল্লেখ্য, বাঙলা মায়ের দামাল সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের পার্শ্বে মহানন্দা নদীর তীরবর্তী গ্রাম রেহায়চর এলাকায় সংগঠিত হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। পাকহানাদার বাহিনীর সাথে সুম্মুখযুদ্ধে ধ্বংস করে দেয় শত্রু বাহিনীর ১৮টি ট্রেঞ্চ ও ২০ থেকে ২২ টি বাংকার। শত্রুমুক্ত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

  • আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

    আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তের এই দিনে বুদ্ধিজীবিদের উপর জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড চালায় দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের স্থানীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামসের সদস্যরা।

    পাকিস্তানি বাহিনীর নীলনকশা অনুযায়ী বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদরা এ সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের শিকার হন। মূলতঃ বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়।

    শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।

    আজ নানান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে  শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদেরকে স্মরণ করবে জাতি। সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

    পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

    এ ছাড়া সকালে রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি-সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

  • ইব্রাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়েের শতবর্ষ উদযাপন

    ইব্রাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়েের শতবর্ষ উদযাপন

    মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার ধূলশুড়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ইব্রাহিম-পুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উৎসবের আমেজে মেতে উঠে গোটা স্কুল প্রাঙ্গন। শত বছরের গৌরবময় এই মুহূর্তকে ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় মিলনমেলায়।

    “এসো মিলি শেকড়ের টানে” এই স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শতবর্ষ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর আগে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী-দের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়।

    ইব্রাহিমপুর ঈশ্বরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ এক শতাব্দী ধরে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকার শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শতবর্ষ উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডেবোনেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআইপি আইয়ুব খান এফসিএ।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আফরোজা খান রিতা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ডঃ  মোঃ কায়কোবাদ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পৃষ্ঠপোষক নাইয়ারা নুর রিপা, পৃষ্ঠপোষক ডঃ নরল হক চৌধুরী মনি,  কাজী লুতফুর রহমান, দেওয়ান আবদুল কাদের, আবুল ফজল দোস্ত মোহাম্মদ, ইঞ্জিনিয়ার শামসুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার  দেওয়ান হানজালা, এডভোকেট ইবাদুল আলী আকবর খান, বাবু সুবোধ চন্দ্র সরকার, প্রধান শিক্ষক  আলতাফ হোসেন খান, সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন তুষার, কুরআন তেলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা খন্দকার  সিদ্দিকুর রহমান প্রমূখ

    দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের প্রায় ১০ হাজার সাবেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন পর প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে এসে তারা শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন।

    শতবর্ষ উৎসবের অংশ হিসেবে বিকেলে একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় নাচ, গান ও আবৃত্তি উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শনার্থীরা।

    শতবর্ষের এই উদযাপন শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস নয়, বরং একটি অঞ্চলের শিক্ষা, ঐতিহ্য ও স্মৃতির মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন অংশগ্রহণকারীরা।

  • ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরছেন তারেক রহমান

    ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরছেন তারেক রহমান

    চলতি বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরত আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে এবং সবার পক্ষ থেকে তার এই আগমনকে শুধু স্বাগত নয়, আমরা আনন্দের সঙ্গে সমগ্র জাতিকে জানাতে চাইছি। আজকে গণতন্ত্র উত্তরণের পথে যে সমস্ত বাধাগুলো সৃষ্টি হয়েছিল, আমরা মনে করি যে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব দেশে এসে পৌঁছালেই, সেই সমস্ত বাধা দূর হয়ে যাবে।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আপনাদের জানাতে চাই যে, এই বিষয়টা আপনারা যথাযথ আপনার মূল্য দিয়ে জাতির সামনে তুলে ধরবেন এবং একই সঙ্গে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আগমন যেন অত্যন্ত সুন্দর সুষ্ঠভাবে হতে পারে সেই বিষয়ে আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করবেন।

    উল্লেখ্য, তারেক রহমান ২০০৭ সালে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর গ্রেফতার হন। ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান। এরপর থেকে তিনি সে দেশেই আছেন।

    এর আগে, গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তারেক রহমান।

  • ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী হচ্ছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

    ঢাকা-১০ আসনের প্রার্থী হচ্ছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

    ঢাকা-১০ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার এ ঘোষণা দেন। ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান ও হাজারীবাগ থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১০ আসন।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।

    আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের শুরুতেই উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি প্রথমে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে শ্রম মন্ত্রণালয় বাদ দিয়ে তাকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সময় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

  • ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাদি গুলিবিদ্ধ

    ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাদি গুলিবিদ্ধ

    ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে তিনটি মোটরসাইকেলে করে দুর্বৃত্তরা আসেন।  এর মধ্যে একটি মোটর-সাইকেল থেকে হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

    তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী বছরের (২০২৬) ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে একই দিন। ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।

    ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়পত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ১১ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি, প্রচার শেষ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ১ হাজার ২৩৪ জন।

     

  • বকুল তলা

    বকুল তলা

    যা ছিল মোর
    জীবনের কথা,
    কল্পলোকের গল্প আজ
    -শুধুই ব্যাকুলতা।।

    কামনা-বাসনা ছিল যা
    তৃষিত বুকে,
    দারুন বাস্তবতা
    -তা দিয়েছে রুখে।।

    বিশ্বাস ছিল যাতে
    অগাত-আমরণ,
    বিনে সূতোর ফুড়ি’তা
    -শুধুই অকারণ।।

    বিষন্ন বিভূঁই আজ
    রিদমের সুর,
    দুর্গম গিরি পথ
    -দূর বহু দূর।।

    আজ নগ্নতায় দেহ-মন
    অধর-অথৈই,
    সিনানের সূচীতায়
    -সদা চেয়ে রই।।

    ক্ষণে ক্ষণে পড়ে মনে
    সেই, বকুলের তলার
    সান-বাধানো ঘাট,
    আদর-সোহাগে কাঁটতো
    -কত দিবস-রাত।।

    দুটি হৃদয় কাছে এসে
    তুমি-আমি ভালবেসে
    বিগত হয়েছে
    -কত মিলন-মালঞ্চ ।।

    বলে ছিলে আরো-
    অনিন্দ্য সাধ প্রিয়,
    বুকে বুক রাখি-
    জীবন যাবে, যা-আছে
    -কাল-বাকী।।

    তারপর অচেনা
    এক দৈব হাওয়া এসে,
    বানের স্রোতে
    -তুমি গেলে ভেসেঁ।।

    দিন গেল, মাস গেল
    অচেনা হলে তুমি,
    একাকিত্বের ধারাপতে
    -বেঁচে রইলাম আমি।।

    বহুকাল বহুযুগ
    দিলে উপহার,
    তারপর দ্রোপদির রুপ
    -ফিরিলে আবার।।

    ভেঙ্গে গেল ধ্যান
    মোর-ছিল যা আশা,
    বদির-বিপন্ন আমি
    -কেড়ে নিলে ভাষা।।

    বন্ধু, সেই থেকে
    বড় বিষ, বড় জ্বালা-এই বুকে
    বলে যাই সব
    -যাহা আসে মুখে।।

    আজও বন্ধু, তোমাকে
    হেরি-নেশার ঘোরে,
    অকথা- ছাই মাথা
    -বলি, পাড়া জুড়ে।।

    বিনয়-মিনতি, বন্ধু
    রইল- তোমা দ্বার
    মাতালের এই বুলি,
    কর্ণে নিও না আর।।

    ফিরে এসে,অলি-গলি
    রাখিও পদ ধূলি,
    -যদি মন চায়,
    হারানো সেই বকুল তলায়।।

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,64718.0.html

  • সাটুরিয়ার দড়গ্রামে ‘মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক ‘ফি মেডিকেল সেবাক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ার দড়গ্রামে ‘মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক ‘ফি মেডিকেল সেবাক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে ‘মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও মুন্নু মেডিকেল কলেজ।

    আজ বুধবার স্থানীয় ‘দড়গ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ মাঠ প্রাঙ্গণে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিনামূল্যে এই ‘ফ্রি চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পটি’ পরিচালিত হয়। চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পটির উদ্বোধন করেন, মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান আফরোজা খানম রিতা।

    এ ব্যাপারে আফরোজা খানম রিতা বলেন, দরগ্রাম-সাটুরিয়ার সাধারণ জনগণ যারা  আর্থিক সমস্যার কারণে হাসপাতালে যেতে পারেন না তাদের ফ্রি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে আমরা ক্যাম্পটি পরিচালনা করেছি। আমাদের এই ‘ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং’ মানিকগঞ্জ জেলার সবর্ত্র সারা বছরব্যাপী চলমান থাকবে। বিগত সময়ে বিভিন্ন প্রকার রাজনৈতিক সংর্কীনতার কারণে আমরা জনগনের সামনে দৃশ্যমান থাকতে পারি নাই।

    তিনি আরো জানান, জনগণের উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সদা-সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আমার পিতা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর হাত ধরে এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষ্য কাজ করে যাচ্ছে।

    ফ্রি চিকিৎসাসেবা ক্যাম্পটি পরিচালনা করেন- মুন্নু মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. আব্দুল করিম, পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. জুলফিকার আহমেদ আমিন, ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. বোরহান উদ্দিন আহমেদ, অর্থো-পেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. মনিরুজ্জামান মানিক, ডেন্টাল সার্জন ডা. কুদরত-ই-হাসান, সহকারী অধ্যাপক ডা. জেসমিন আরেফিন, মানিকগঞ্জ বিএমর সভাপতি ডা. বদরুল আলম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গাড়াগড়ি সময়ে হঠাৎ করে এমন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং পরিচালনায় বিরুধীপক্ষ নানান সমালোচনা করলেও  দরগ্রাম-সাটুরিয়ার প্রায় ৪ হাজারের অধিক প্রান্তিক ও দরিদ্র নারী-পুরুষ এই সেবা ক্যাম্পিংয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পেয়ে উপকৃত হয়েছেন একথা সকলের মুখে মুখে।

  • রাজধানী মোহাম্মদপুরের আলোচিত হত্যার দায় স্বীকার করেছে গৃহকর্মী আয়েশা

    রাজধানী মোহাম্মদপুরের আলোচিত হত্যার দায় স্বীকার করেছে গৃহকর্মী আয়েশা

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে চুরির অপবাদে মা–মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশা (২০) ও তার স্বামী রাব্বি শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

    আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার চরকয়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আয়েশা স্বীকার করেছে যে চুরির অভিযোগে অপমানিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই সে লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে (১৫) হত্যা করেছে।

    তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী—ঘটনার দিন বাসার মালামাল চুরি করে বের হওয়ার চেষ্টার সময় আয়েশা গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজের হাতে ধরা পড়ে। লায়লা তাকে আটকে পুলিশে ফোন দিতে গেলে, আয়েশা ধারালো ছুরি দিয়ে একের পর এক আঘাত করে তাকে হত্যা করে।

    মায়ের চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে নাফিসা ড্রয়িংরুমে আসে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাকে দেখে বিস্মিত হয়ে দাঁড়াতেই আয়েশা তাকেও উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করে। এরপর সে স্কুলড্রেস পরে পালিয়ে যায়।

    গ্রেপ্তারকালে আয়েশার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়—৬ ভরি স্বর্ণ, একটি ল্যাপটপ, একটি মোবাইল ফোন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো ছুরি।

    মোহাম্মদপুর জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও গোপন তথ্যের সূত্র ধরে আয়েশাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ১৪ তলা ভবনের সপ্তম তলায় লায়লা আফরোজ ও নাফিসাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে—লায়লা আফরোজের শরীরে প্রায় ৩০টি ছুরিকাঘাত, আর মেয়ের শরীরে ৪টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।