Author: MD Nazrul Islam

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৩ বাংলাদেশিকে আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৩ বাংলাদেশিকে আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট চামুচা সীমান্তে আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ-ইনের ঘটনায় ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে মহানন্দা (৫৯ বিজিবি) ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

    বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে ভোলাহাট ইউনিয়নের চামুচা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এসের নিকট দিয়ে ভারতের ১১৯ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের কাঞ্চান্টার ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়। বিজিবির চাঁনশিকারী বিওপি’র টহলদল খবর পেয়ে আন্তর্জাতিক সীমারেখা থেকে প্রায় ৮০০ গজ ভেতরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

    আটককৃতদের বাড়ি যশোর, টাংগাইল, কুমিল্লা, খুলনা, রংপুর, লালমনিরহাট, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, পঞ্চগড়, ময়মনসিংহ ও ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন গ্রামে। তারা হলেন, মো. বিল্লাল হোসেন (৩২), বিষ্ণু বর্মণ (৩৪), মো. রবিউল ইসলাম (৩০), পিন্টু শেখ (৩০), মো. আনোয়ার হোসেন (৩৬), টিটু প্রামাণিক (৩০), মো. মেহেদী হাসান মুন্না (২৯), মো. সেলিম (২৯), মো. রুলাস (৩২), মেহের আলী (৩২), মো. রহমত (৪০), তহিল উদ্দিন সিকদার (৪০) ও মো. মোশারফ আলী (২১)।

    মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এক প্রেসনোটে জানান, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, তারা ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জীবিকার সন্ধানে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেয়। সাজা ভোগ শেষে বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করা হলে সীমান্ত পিলার ১৯৬/২-এস দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়।

    ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, ভোলাহাট সীমান্তে আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ- ইনের ঘটনায় ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তাদের খাবার দেওয়া হয়েছে এবং তাদের পরিচয় সনাক্ত করা হচ্ছে। পরিচয় সনাক্ত হলে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে।

    তিনি আরো বলেন, আটক হওয়া ১৩ জনের মধ্যে যদি কারো পরিচয় সনাক্ত না হয়, তাহলে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জানা গেছে, একই উপজেলা দিয়ে তিন মাস আগে বিএসএফ আরও ৭ বাংলাদেশিকে পুশ-ইন করেছিল।

  • নিষিদ্ধ পলিথিনের করিডোর শরীয়তপুর! সপ্তাহে চালান আসে ২/৩টি 

    নিষিদ্ধ পলিথিনের করিডোর শরীয়তপুর! সপ্তাহে চালান আসে ২/৩টি 

    শরীয়তপুর সদর উপজেলার প্রেমতলা মোড় থেকে বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৭টয় শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহীনি ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথ অভিযান পরিচালনা করে পলিথিন বহনকারী ট্রাক, ট্রাক চালক ও হেল্পারকে আটক করে।

    পরবর্তীতে ট্রাক মালিককে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলোরা ইয়াসমিন।

    জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আনুমানিক ৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা। জব্দকৃত পলিথিন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের হেফাজতে রয়েছে। ট্রাক মালিক শফিক বেপারীকে নিষিদ্ধ পলিথিন পরিবহনের দায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

    এনএসআই, ডিজিএফআইসহ সকল গোয়েন্দা সংস্থা নিষিদ্ধ পলিথিন সরবরাহকারী জাহাঙ্গীর সম্পর্কে অবগত রয়েছে। পালং বাজারের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে নিষিদ্ধ পলিথিন সরবরাহের দায়ে ইতোমধ্যে জরিমানা করা হয়েছে। বর্তমানে তিনিই ধরাছোয়ার বাইরে থেকে এই নিষিদ্ধ ব্যবসা পরিচালা করছেন।

    নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে কাজির হাটে জুতার ব্যবসায় করছেন কালু শেখ। তিনি জানায়, শুকুর তাকে মোবাইল ফোনে জানায় শুকুরের পলিথিন চালান ধরা পড়েছে। তার খোঁজ নিতে এসেছেন কালু শেখ। তিনি আরো জানায়, নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবসা করে পালং বাজার বনিক সমিতির সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর।

    তিনি বর্তমানে এক বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় রয়েছেন। প্রতি সপ্তাহে ২-৩ বার জাহাঙ্গীরের পলিথিনের চালান আসে। করিডোর হিসেবে এই রুট ব্যবহার নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবসায়ীরা। জাহাঙ্গীর ছাড়া অন্য কেউ শরীয়তপুর ও আশপাশের জেলায় পলিথিন, বেকারীতে ব্যবহার করা কমিক্যাল ও ভেজার মসলা আনতে পারে না।

    ঢাকায় যত নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপানকারী কারখানা রয়েছে তার বেশীর ভাগ মালিকদের বাড়ি শরীয়তপুরের গঙ্গানগর, গাজীপুর ও চন্দ্রপুর এলাকায়। তাদের সাথেও জাহাঙ্গীরের ব্যবসায়ীক সম্পর্ক। তাদের উৎপাদিত পলিথিনের ব্যবসা করে জাহাঙ্গীর। জাহাঙ্গীরের সেই নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবসা শুকুর পরিচালনা করে আর শফিক বেপারী পরিবহন করে।

    জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাসেল নোমান জানায়, শরীয়তপুরের একটি চক্র শরীয়তপুর ও পাশ^বর্তী জেলায় দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ পলিথিন সরবরাহ ও ব্যবসা করে আসছে। আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে পলিথিন বহনকারী একটি ট্রাক আটক করা হয়। ট্রাকটির অর্ধেক খালি ছিল।

    আটক হওয়ার পূর্বে বিভিন্ন পয়েন্টে পলিথিন নামিয়ে রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পলিথিন জব্দসহ ট্রাক মালিককে বাংলাদেশ পরিবেশ আইন ১৯৯৫ এর ৬ক ধারায় জরিমানা করা হয়ছে। আমরা তৎপর রয়েছি। এই নিষিদ্ধ পলিথিন সরবরাহ ও বাজারজাত করণ বন্ধ করা হবে।

  • শরীয়তপুরে একটু বৃষ্টি হলেই হাটু পানিতে ডুবে যায় সিএস অফিস ও সদর হাসপাতাল

    শরীয়তপুরে একটু বৃষ্টি হলেই হাটু পানিতে ডুবে যায় সিএস অফিস ও সদর হাসপাতাল

    শরীয়তপুরের মানুষের একমাত্র ভরসা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল। এই হাসপাতালে হরহামেসাই তিনগুনের বেশী রোগী ভর্তি থাকে। বহির্বিভাগেও চিকিৎসা নেয় হাজার রোগী। পাশেই রয়েছে সিভিল সার্জন (সিএস) অফিস ও ভ্যাকসিন সংরক্ষণাগার ইপিআই ভবন। বৃষ্টি হলেই সিএস অফিস সহ স্বাস্থ্য বিভাগের সকল ভবনের আঙ্গিনায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ডুবে যায় সিভিল সার্জন অফিসের নিচতলা।

    শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল বাউন্ডারির অভ্যন্তরে রাস্তায় ১ ফুটের বেশী পানি জমে যায়। অনেক জায়গায় রয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। কোথাও কোথাও স্তুপ আকারে জমে থাকে ডাবের খোশাসহ ময়লা আবর্জণা। হাসপাতালের এমন পরিবেশ মশাসহ বিভিন্ন জীবানুর উৎপাদনে সহায়তা করে বলে ধারনা করছেন রোগী ও রোগীর স্বজনরা।

    ভারি বৃষ্টিপাতে সিভিল সার্জন অফিসের নিচতলায় পানি ঢুকে যায়। নষ্ট হয় প্রয়োজনীয় ফাইলপত্র ও আসবাবপত্র। জেলার ভ্যাকসিন সংরক্ষণাগার ইপিআই ভবনের আঙ্গীনাও জমে থাকে পানি। এমন পরিবেশ কারোরই কাম্য নয়।

    হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আশা রোগীরা জানায়, বৃষ্টি হলেই হাসপাতালের রাস্তাঘাট হাটু পানির নিচে চলে যায়। হাসপাতাল ও চারপাশের পরিবেশ খুবই নোংরা। মায়লা ও ডাবের খোশা পড়ে থাকতে দেখা যায় যত্রতত্র। যার মধ্যে পানি জমে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। রোগীরা আক্রান্ত হয় ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া সহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে।

    সির্ভিল সার্জন অফিসের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী আয়নাল হক মোল্যা জানায়, বৃষ্টি হলেই সিভিল সার্জন অফিসের নিচতলার প্রতিটি কক্ষে পানি ঢুকে যায়। আসবাবপত্র ও ফাইলপত্র পানিতে ভিজে যায়। ময়লা ও গন্ধযুক্ত পানি মধ্যে চলাফেরা করতে গিয়ে তাদের বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ হয়।

    সিভিল সার্জন ও ইপিআই ভবনের সীমানার মধ্যে বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেনেজ সমস্যাকে দায়ী করছেন সিভিল সার্জন অফিসের স্টাফরা। বিভিন্ন সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করেও কোন সমাধান পাননি বলেও তারা দাবী করেন।

    ইপিআই সুপার মোজাম্মেল হক জানায়, জেলার সকল গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ ও ভ্যাকসিন ইপিআই ভবনে সংরক্ষিত থাকে। সেখান থেকে সকল উপজেলায় ভ্যাকসিন সরবরাহ হয়। জলাবদ্ধতা ভ্যাকসিনের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরশন হওয়া দরকার।

    সদর হাসপাতালের আবাসকি মেডিকেল অফিসার ডা. আকরাম এলাহী জানায়, ১০০ শয্যার হাসপাতালে হরহামেসা ৩০০ বেশী রোগী ভর্তি থাকে। তাছাড়া আউটডোরে হাজারের বেশী রোগী হয়। হাসপাতালের আঙ্গিনায় পানি জমে থেকে পরিবেশ খুব খারাপ হয়েছে। মশাসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যে তিনি নিজ উদ্যোগে ইট ভাটা থেকে রাভিশ এনে রোগীদের চলাচলের পথ তৈরী করেছেন। কয়েকটি নতুন ড্রেন নির্মাণ ও কয়েকটি ড্রেন সংস্কার করলে জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে তিনি দাবী করেন। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি বারবার অবগত করা হলেও কোন সাড়া মেলেনি বলেও তিনি জানান।

    সিভিল সার্জন ডা. মো. রেহান উদ্দিন বলেন, বৃষ্টি হলেই তার দপ্তরের সামনে পানি জমে যায়। নিচতলায় পানি প্রবেশ করে। সদর হাসপাতলেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। নষ্ট হয় ফাইপত্র ও আসবাবপত্র। জলাবদ্ধতার কারনে পানিবাহিত রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করেও কোন কোন সমাধান মিলছে না। এভাবে চলতে থাকলে পানিবাহিত রোগসহ ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া বেড়ে যাবে বরে তিনি ধারণা করছেন।

     

  • সাটুরিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার ৩

    সাটুরিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ গ্রেফতার ৩

    মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৩ নেতাকে গ্রেফতার করেছে সাটুরয়া থানা পুলিশ। গ্রেতাররা ইউনিয়ন পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

    সাটুরিয়া থানা পুলিশ বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার সাটুরিয়া ইউনিয়ন ও দড়গ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতাররা হলেন- সাটুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান (৫৫), দড়গ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুস সোবহান এবং দড়গ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ইয়াকুব আলী (৪৫)।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, সাটুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান কে গোলড়া সন্ত্রাস বিরুধী মামলা এবং দড়গ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুস সোবহান এবং দড়গ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য ইয়াকুব আলী কে দরগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে আগুন দেবার মামলায় আটক দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • মানিকগঞ্জে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এপিএস আমিনুর রহমান বিশ্বাস (সেলিম) গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এপিএস আমিনুর রহমান বিশ্বাস (সেলিম) গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপনের এপিএস আমিনুর রহমান বিশ্বাস সেলিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    বুধবার (১৩ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার দিঘী ইউনিয়নের রমনপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সেলিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

  • পাথর বলতে কিছু নেই এখানে এখন আর !

    পাথর বলতে কিছু নেই এখানে এখন আর !

    এখানকার ভয়াবহ অবস্থা, পাথর যা নিয়ে গেছে তাতে এ পর্যটন স্পট মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাথর বলতে কিছু নেই এখানে এখন আর ” সিলেটের ভোলাগঞ্জের সাদা পাথর নামক পর্যটন স্পটে দাঁড়িয়েই এ কথাগুলো বলছিলেন সেখানকার স্থানীয় একজন সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান রিপন।

    মঙ্গলবার সকালে সাদা পাথরের ওই স্থানে গিয়ে তিনি সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখছিলেন।তিনি জানান, আগের সাথে তুলনা করতে গেলে এখন ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর নেই বললেই চলে।

    মাহবুবুর রহমান বলছেন, “আগের সাথে তুলনা করলে বলা যায় প্রায় ৭৫ শতাংশ পাথর এখান থেকে তুলে নিয়ে গেছে। ২৫ শতাংশ পাথর এখন এখানে আছে, যেটা বিজিবির ক্যাম্পের সাথে লাগোয়া স্থানে আছে।”

    প্রাকৃতিকভাবে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে ধলাই নদের উৎসমুখে ভেসে আসা পাথরের বিশাল স্তুপের কারণে প্রায় পাঁচ একর জায়গা জুড়ে তৈরি এ স্থানটি পর্যটন স্পট হিসেবে গত কয়েক বছরে বেশ সাড়া ফেলেছিল।

    স্থানীয় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে সাদা পাথর তুলে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে পরিবেশবিদ কাসমির রেজা অভিযোগ করেন, এক্ষেত্রে প্রশাসনের কার্যকর অভিযান দেখা যাচ্ছে না।

    তবে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদের দাবি প্রশাসনের পদক্ষেপ চলমান রয়েছে এবং প্রায় প্রতিদিনই অভিযান চলছে।

    মি. মুরাদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ” আমাদের পদক্ষেপ চলমান আছে। আইনি যত প্রক্রিয়া করা যায় আমরা সবগুলাই করেছি। এখানে মোবাইল কোর্টসহ টাস্কফোর্সের অভিযান এবং বিভিন্ন সময় নিয়মিত মামলা পর্যন্ত দায়ের করা হয়েছে।”

    এরপরেও কেন পাথর লুট বন্ধ করা যাচ্ছে না এমন প্রশ্নে মি. মুরাদ বলেন, “তারপরেও এরকম অবস্থা। গতকালকেও আমাদের অভিযান হয়েছে। আজকেও ইনফ্যাক্ট অভিযান হবে। তারপরেও কেন এরকম হচ্ছে সেটা জানার জন্য আগামীকাল একটা সভা ডেকেছি আমরা। সভা করে এ বিষয়টা আমরা বোঝার চেষ্টা করবো। সে অনুযায়ী আমরা বিকল্প বা অন্য করণীয় আছে কিনা তা নির্ধারণ করবো।”

     

  • মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের বৈঠক

    মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের বৈঠক

    ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা। সোমবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে অংশ নেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা এবং যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ।

    অন্যদিকে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ অংশ নেন।

    এনসিপি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বৈঠকে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী জাতীয় নির্বাচন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সংস্কার এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বৈঠকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংস্কারের রূপরেখা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়। এনসিপির জুলাই পদযাত্রায় দেশের প্রায় সবকটি জেলায় সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া নিয়েও আলোচনা হয়৷

  • জনগণ প্রচলিত রাজনীতির পরিবর্তন চাইছে-তারেক রহমান

    জনগণ প্রচলিত রাজনীতির পরিবর্তন চাইছে-তারেক রহমান

    জনগণ প্রচলিত রাজনীতির পরিবর্তন চাইছে। আকাঙ্ক্ষা পূরণে প্রতিশ্রুতি নয়, জনগণ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে ‘যুব সমাজের প্রত্যাশা ও বিএনপির পরিকল্পনায় আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    তারেক রহমান বলেন, “জনগণের জীবনমান উন্নয়নের রাজনীতিই বিএনপির আগামী দিনের নীতি হবে। ”তিনি আরে বলেন, “ক্ষমতায় গেলে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান করবে বিএনপি। পেপাল ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে যেন দেশের মানুষ সহজে ব্যবহার করতে পারে তার জন্য কাজ করছে বিএনপি।”এ সময় যুবকদের কাছে ধানের শীষে ভোট চান তারেক রহমান।

    তারেক রহমান বলেন, “আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিন, দেশ গড়ার সুযোগ দিন। ভোট দিলে ধানের শীষে, দেশ গড়ব মিলেমিশে।”

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “প্রতিহিংসা এড়িয়ে চললে দেশে সকল সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে নতুন কুঁড়ি পুনরায় চালু করা হবে।”
    তিনি বলেন, “স্লোগান নির্ভর রাজনীতির দিন ফুরিয়ে এসেছে। শুধু প্রতিশ্রুতি নয় বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে।”

    এছাড়া দেশের জনগণের শক্তি প্রতিষ্ঠায় সবার সমর্থন প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।

  • ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, “ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না। সে সময় নির্বাচন হলে-যারা শহীদ হয়ে কবরে আছেন, তাদের জীবন ফিরিয়ে দিতে হবে। আর যে ভাইটি হাত হারিয়েছে, তার হাত ফিরিয়ে দিতে হবে।”

    মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর খামার বাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এনসিপির যুব উইং জাতীয় যুবশক্তির সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    পাটওয়ারী বলেন, “আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড় পাবে না। জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদ কে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। দেশবিরোধী কিছু করতে হলে আমাদের লাশের ওপর দিয়ে করতে হবে।

    ”তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বর্তমানে কিছু নেতা টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে। গণমাধ্যমের সম্পাদকরা দালালি করছেন। আগে ছিল হাসিনা মাধ্যম। এখন কী মাধ্যম তা বলার অপেক্ষা রাখে না।”

    এনসিপির এই নেতা বলেন, “সামনে কোনো আয়নাঘর করলে ডিজিএফআইয়ের হেডকোয়ার্টার ভেঙে ফেলব। দেশে দালাল ব্যবসায়ী তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনাকে ধরে এনে বিচার করতে হবে। জুলাই সনদ আমাদের সন্তানের জন্য ভালো হবে।”

  • মানিকগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, মেয়ে গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, মেয়ে গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মেয়ের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে।

    পুলিশ জানায়, সোমবার (১১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চর রঘুনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ময়েন শেখ (৭০) দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসে ভুগছিলেন। তার মেয়ে হাবেজা বেগম (৩০) বাবার কাছে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় অবস্থিত ১৬ শতাংশ জমি নিজের নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।

    প্রায় তিন বছর আগে ওই জমির মধ্যে ১২ শতাংশ কাগজপত্র জোরপূর্বক নিজের নামে করে নেওয়ার পরও বাবাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এদিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে বাবার ঘরে প্রবেশ করে জমি ফেরত ও জাতীয় পরিচয়পত্র চাইতে গেলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাবেজা বেগমপূর্বপরিকল্পিতভাবে কাঠের চলা দিয়ে আঘাত করেন। আঘাতটি বাম কাঁধে লাগলেও ময়েন শেখ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অল্প সময়ের মধ্যে মারা যান।

    খবর পেয়ে শিবালয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের ছেলে সাঈদুল ইসলাম বাদী হয়ে মঙ্গলবার সকালে শিবালয় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, “মামলার একমাত্র আসামি হাবেজা বেগমকে গ্রেপ্তার করে দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্তে জমি নিয়ে বিরোধ ও পারিবারিক দ্বন্দ্বের বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে।”