Category: লাইফস্টাইল

  • অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ অনলাইনে জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে শিশু-কিশোর এবং বিভিন্ন বয়সী যুবকরাও। জেলার শিশু-কিশোররা পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পিছনে।

    এছাড়া অনলাইনের রেটিং সাইট গুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার-টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি, ছিনতাই সহ নানা অপকর্মে। শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রামের প্রায় সবখানেই কিশোররা দল বেঁধে মোবাইলে ঝুঁকি থাকার দৃশ্য।

    যে বয়সে মাঠে খেলাধুলা করার কথা, সেখানে তারা ডুবে    রয়েছে মোবাইল গেমের নেশায়। শিশু-কিশোরদের প্রচন্ড আসক্তি বেড়েছে মোবাইল গেমিংয়ের প্রতি। বাবা-মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা সময় কাটাচ্ছে মেবাইল গেমের পিছনে।

    মোবাইলে গেম খেলতে গিয়ে কেউ কেউ খরচ করছে হাজার হাজার টাকাও। অনলাইন বাজি খেলার সংখ্যাটাও কম নয়। বিভিন্ন ধরনের রেটিং সাইট তৈরি হচ্ছে কিশোরদের টার্গেট করে। দ্রুত সময়ে কয়েকগুণ টাকার প্রলোভনে পা দিচ্ছে অনেকেই এই গেইমে।

    মোবাইল গেমিং ও জুয়ায় আসক্ত একাধিক তরুণ জানায়, গেমিংয়ের আপডেট ভার্সন ইন্সটলেশনের জন্য তারা মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করে থাকে। টপ-আপ করার নামে ধাপে ধাপে অর্থ ব্যয় করে কিনতে হয়। গেমসের এক একটি ফিচার সুবিধা।

    এসব টাকা যোগাড় করতে অনেকে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নেমে পড়েছে। কেউ কেউ দামি মোবাইল কেনার আশায় পাড়ি জমিয়েছে রাজধানী ঢাকায়। উঠতি বয়সীদের এমন মোবাইল আসক্তিতে শংকায় অভিভাবকরাও।

    আগামী প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষায় সরকারী পদক্ষেপের দাবি অভিভাবকদের। তাদের বেশিরভাগ মোবাইল গেম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হলেও, ভিপিএন নামের একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে তাতে যুক্ত থাকে এসব শিশু-কিশোর ও কিশোরিরাও।

    একজন অভিভাবক জানান, অনলাইন জুয়া বা মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে শিশু-কিশোর তাদের মেধা শক্তি হারাচ্ছে।  নতুন এ মোবাইল গেমিং আতংক থেকে ‘রক্ষা’ পেতে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারী প্রয়োজন বলে মনে করেছেন ওই অভিভাবক।

    এদিকে, অনেকেই এ খেলায় আসক্ত হয়ে বসতবাড়ি, জমিসহ সব কিছু খুঁইয়েই ঋণের বোঝা নিয়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছে অনেকেই।

  • গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে করণীয়

    গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে করণীয়

    গরমের উৎপাতে দিশেহারা অবস্থা। নানা রকম অসুখ-বিসুখে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। বিশেষ করে যাদের প্রচন্ড গরমে খোলা মাঠে চলাফেরা বা কায়িক পরিশ্রম করতে হয়, তাদের জন্য অন্যতম ভয়াবহ বিপদের নাম হিট স্ট্রোক।

    লক্ষণ : তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহে নানারকম প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে শরীরের মাংসপেশী ব্যথা করে, দুর্বল লাগে এবং প্রচন্ড পিপাসা হয়। এর পরের ধাপে দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অসংলগ্ন আচরণ ইত্যাদি দেখা দেয়। এ দু’ক্ষেত্রেই শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ঠিক থাকে এবং শরীর প্রচন্ড ঘামতে থাকে। এ অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হ’লে হিট স্ট্রোক হতে পারে।

    এর লক্ষণগুলো হ’ল : শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়। ঘাম বন্ধ হয়ে যায়। ত্বক লালাভ হয়ে যায়। নিঃশ্বাস দ্রুত হয়। নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়। রক্তচাপ কমে যায়। খিঁচুনি, ঝিমঝিম, অস্বাভাবিক ব্যবহার, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি। প্রস্রাবের পরিমাণ কমে। রোগী শকেও চলে যায়।

    প্রতিরোধ : গরমের দিনে কিছু সতর্কতা মেনে চললে হিট স্ট্রোকের বিপদ থেকে বেঁচে থাকা যায়। যেমন : হালকা, ঢিলেঢালা কাপড় পরতে হবে। কাপড় সাদা বা হালকা রংয়ের হতে হবে। সুতি কাপড় হলে ভালো। যথাসম্ভব ঘরের ভেতর বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে। বাইরে যেতে হ’লে মাথার জন্য চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করতে হবে। প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করতে হবে। মনে রাখতে হবে, গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বের হয়ে যায়। তাই পানির সঙ্গে সঙ্গে লবণযুক্ত পানীয় যেমন খাবার স্যালাইন, ফলের রস ইত্যাদিও পান করতে হবে। পানি অবশ্যই ফোটানো হতে হবে। এছাড়া নিম্নে বর্ণিত পানীয় সমূহ পান করলে হিট স্ট্রোকের ঝুকি হ্রাস পায়-

    কাঁচা আমের শরবত : গরমে কাঁচা আমের জুস খুবই উপকারী। এটা শরীর ঠান্ডা রাখে এবং হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

    বাটারমিল্ক’ বা মাঠা : আয়ুর্বেদবিদ্যায় বলা হয় প্রতিদিন এক গ্লাস মাঠা খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী। এটা প্রোবায়োটিক্সয়ের ভালো উৎস এবং গরমে পানি স্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। তাই গরমের অস্বস্তি থেকে বাঁচতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় মাঠা যুক্ত করুন।

    তেঁতুলের শরবত : সুস্বাদু এই শরবত সবাই খুব পসন্দ করে। তাছাড়া গরমে এই শরবত খাওয়া সবচেয়ে বেশী উপযোগী। ভিটামিন এবং ইলেক্ট্রোলাইট সম্পন্ন তেঁতুল গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পেটের নানান ধরনের সমস্যা সমাধান করে।

    পেঁয়াজের রস : ‘হিট স্ট্রোক’ থেকে বাঁচার অন্যতম ভালো উপায় হল পেঁয়াজের রস। অনেকেই এর ঝাঁজালো স্বাদ পসন্দ করে না। তবে এর রস ঔষধি গুণাগুণ সম্পন্ন। পেঁয়াজের রস গরম থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।

    ধনিয়া ও পুদিনার শরবত : এই প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরবত গরমে শরীর ঠান্ডা রাখে। যা শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য উপযুক্ত পানীয়। খালি পেটে পান করলে তা শরীরের জন্য বেশী ভালো।

    অ্যালোভেরার শরবত : রোদপোড়া থেকে বাঁচতে অ্যালোভেরার শরবত অনন্য। এটা হজমে সাহায্য করে, বুক জ্বালাপোড়া কমায় এবং পেটের নানারকম সমস্যা দূর করে। গরমে প্রতিদিন এক গ্লাস অ্যালোভেরার শরবত পান করলে ‘স্ট্রোক’য়ের ঝুঁকি কমে আসে।

    ডাবের পানি : এর গুণাগুণ সম্পর্কে প্রায় সবারই জানা। দুপুরের গরম থেকে মুক্তি পেতে ডাবের পানি পান করুন, সতেজ অনুভব করবেন। এটা তাৎক্ষণিকভাবে তৃষ্ণা মেটায় ও দীর্ঘক্ষণ আর্দ্রতা বজায় রাখে।

  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যা দরকার !

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যা দরকার !

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কোলাজেন খুবই উপকারী। কোলাজেন এমন এক ধরনের প্রোটিন, যা ত্বকের একটি প্রধান বিল্ডিং ব্লক এবং ত্বকের গঠন, শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যারা ত্বকের কোলাজেন বাড়াতে চান প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাদের কিছু ফল যোগ করা উচিত। যেমন-

    কমলা: কমলালেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এই ফল শরীরকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। দূষিত পদার্থ এবং সূর্যের সংস্পর্শে ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কমলা মুখের উজ্জ্বলতা বেজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন একটি বা দুটি কমলা খেলে কালো দাগ ও ব্রণের দাগ হালকা হয়ে যায়।

    বেরি: সব ধরনের বেরি, যেমন স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরি এবং ক্র্যানবেরি কোলাজেন সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল। সব বেরিতেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি থাকায় এই জাতীয় ফল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও বেরিতে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা ত্বককে ইউভি ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে।

    গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল: আনারস, কিউই, প্যাশন ফল, আম এবং পেয়ারার মতো ফল কোলাজেন বাড়ায়। এসব ফল শুধু খেতেই সুস্বাদুই নয়, শরীরকে ভিতর থেকে পুষ্টি জোগায়। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। এর পাশাপাশি পেঁপেতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম রয়েছে, যা ত্বকের এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য বলে পরিচিত।

    আঙ্গুর ফল : আঙ্গুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সি-ডেন্ট থাকায় এই ফল ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে। আঙ্গুর খেলে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড পুনরায় পূরণ করতে সাহায্য করে, যা আপনাকে আরও কোলাজেন বুস্ট দিতে পারে।

    অ্যাভোকাডো: এই ফলটি অনেক স্বাস্থ্য উপকারী এবং সুস্বাদুও। অ্যাভোকাডো খেলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে। সেই সঙ্গে ত্বক নরম ও কোমল হয়। এতে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন সি এর মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এই ফল কোলাজেন বাড়াতে সাহায্য করে।

     

  • খুশকি মুক্ত চুল চাইলে যা করনীয় !

    খুশকি মুক্ত চুল চাইলে যা করনীয় !

    খুশকির সমস্যা সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা সাধারণত তৈলাক্ত চুল এবং নোংরা স্ক্যাল্পের কারণে হয়। নির্দিষ্ট শ্যাম্পু এবং কেমিক্যালযুক্ত পণ্য দিয়ে খুশকির সমাধান করতে চাইলে তা চুল পড়া বাড়াতে পারে। এর বদলে ঘরোয়া উপায় বেছে নিতে হবে। তাতে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয় থাকবে না।

    খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়-

    লেবুর রস
    লেবুর রস খুশকির সমস্যা দূর করতে কাজ করে। ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ১/৪ গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন এবং এরপর এটি আপনার মাথার ত্বকে প্রি-শ্যাম্পু আচার হিসাবে প্রয়োগ করুন। এটি এক ঘণ্টার জন্য রাখুন কারণ সাইট্রিক অ্যাসিড এবং এর অণুজীব বৈশিষ্ট্য চুল থেকে ছত্রাক দূর করবে এবং চুল পড়া রোধ করবে যাতে। একটি ভালো শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ও চুল ধুয়ে নিয়ে তারপর কন্ডিশনিং করুন।

    কফি
    প্রায় প্রতিটি বাড়িতে কফি থাকে। এটি আপনার ত্বক এবং চুলের জন্য দুর্দান্ত এবং এটি এক্সফোলিয়েশন, ময়লা এবং জঞ্জাল কমাতে ব্যবহার করতে পারেন। কফি মাথার ত্বক পরিষ্কার করে এবং এক্সফোলিয়েট করে। অল্প নারিকেল তেল গরম করুন এবং এতে কফি পাউডার যোগ করুন। ভালো করে মেশান এবং পেস্টটি লাগান। ৩০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন এবং একটি মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন।

    ৩. আপেল সাইডার ভিনেগার
    খুশকির সমস্যার সমাধান করতে পারে আপেল সিডার ভিনেগার। মাথার ত্বককে আলতো করে পরিষ্কার করে এবং খুশকির চিকিৎসায় সাহায্য।২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার সপ্তাহে দুইবার লাগান এবং ফলাফল দেখুন।

    ৪. রসুন
    খুশকির জন্য সেরা ঘরোয়া প্রতিকারগুলির মধ্যে একটি হলো রসুনের ব্যবহার। এই ঘরোয়া প্রতিকার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ, যা মাথার ত্বকের সংক্রমণ দূর করে। এছাড়াও ভিটামিন সি, এ, সেলেনিয়াম, অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ রসুন চুলকে উজ্জ্বল ও মজবুত করে। সপ্তাহে দুইবার রসুনের রস ব্যবহার করা শুরু করুন।

     

  • স্মৃতিশক্তি ধরে রাখর উপায় !

    স্মৃতিশক্তি ধরে রাখর উপায় !

    স্মৃতিশক্তি মানুষের জীবনের খুব গুরুত্বপূর্ণ এক অংশ। দৈনন্দিন কাজ থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্মৃতিশক্তির প্রভাব পড়ে।

    সাধারণত মধ্য বয়সের সময় বাড়ার সাথে সাথে মানুষের স্মৃতিশক্তি কমতে শুরু করে। তবে যদি অধিক মাত্রায় স্মৃতি বিনষ্ট হতে শুরু করে বা কম বয়সেই স্মৃতিভ্রম হয় তাহলে বুঝতে হবে কোনো সমস্যা রয়েছে।

    বর্তমান যুগে আমাদের প্রায়ই বিভিন্ন কারণে মাল্টিটাস্কিং করতে হয় বা কোনো জিনিসে অনেকক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখতে হয়। তবে অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় দুর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে জীবন অনেক চ্যালেঞ্জিং হ্য়।

    আমাদের সাথে প্রতিনিয়ত যে ঘটনাগুলো ঘটে, সেই তথ্যবহুল ছবিগুলো আমাদের মস্তিষ্কে সংরক্ষিত, একেই স্মৃতি বলা হয়। মস্তিষ্কের স্মৃতিধারণ ক্ষমতাকে উন্নত করতে চাইলে প্রতিদিন কিছু নিয়ম মেনে চললে উপকার পাওয়া যায়।

    নিয়মের মধ্যে থাকা: প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর জন্য একটি পরিকল্পিত রুটিন তৈরি করে রাখুন। নিয়ানুযায়ী কাজ করলে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস মনে রাখা সহজ হয় এবং ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

    ভালো ঘুম: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে। অর্থাৎ, রাতে অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টার ঘুম স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

    মানসিক চর্চা: পাজল, ধাঁধা সমাধান, পড়া বা নতুন কোনো দক্ষতাসম্পন্ন কাজ শেখার মাধ্যমে মস্তিষ্কের ব্যায়াম করা সম্ভব। এতে কর্মদক্ষতা বাড়ে, ফলে মনে রাখার ক্ষমতাও বাড়ে।

    চাপ কমানো: বিভিন্ন প্রশান্তিমূলক মানসিক চাপ মুক্ত করার পদ্ধতি অবলম্বন করে মস্তিষ্ককে মানসিক চাপমুক্ত করতে হবে। এতে মস্তিষ্কে ক্ষতি সাধনকারী নেতিবাচক হরমোনের নিঃসরণ কমে এবং স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষেত্রে উপকার হয়।

  • খেজুর খাওয়ার উপকারীতা !

    খেজুর খাওয়ার উপকারীতা !

    খেজুর স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী । একই সঙ্গে, খেজুর খেলে অনেক বড় রোগও সেরে যায়। কারণ খেজুরে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, ক্যাল-সিয়াম, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন বি-এর মতো পুষ্টি উপাদান। একদিনে অনেক বেশি খেজুর খেলে উপকার হওয়ার পরিবর্তে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

    পুষ্টিবিদের মতে, খেজুর আমাদের সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে খুব বেশি খেজুর খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও ক্যালোরি থাকে, যা আপনার ওজন বাড়াবে। এটির অত্যধিক সেবন ক্ষয়ও সৃষ্টি করতে পারে।

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি পেটের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। যেমন- পেট ফোলা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেরই খেজুরে অ্যালার্জি থাকে। যা খাওয়ার পরে ত্বক এবং চুলের অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই সব সময় চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ গ্রহণ করুন বা অল্প পরিমাণে খান।

  • পানি পান করার সঠিক পরিমাণ !

    পানি পান করার সঠিক পরিমাণ !

    পানির ওপর নাম জীবন। পানি আমাদের শরীর হাইড্রেটেড রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং শারীরিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    তবে, এর যথাযথ পরিমাণে পান করা জরুরি।অতিরিক্ত পানি পান করলে যেমন ক্ষতি হতে পারে, তেমনি কম পানি পান করলেও শরীরের জন্য তা ক্ষতিকর।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দৈনিক ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা আদর্শ। তবে, এর পরিমাণ নির্ভর করে শরীরের ওজন, পরিশ্রমের ধরন, আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্য সমস্যার ওপর।

    যেমন, শরীরের ওজন বেশি হলে বেশি পানি প্রয়োজন, আবার অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা গরম আবহাওয়া থাকলে পানি পানের পরিমাণও বাড়াতে হবে।

    তবে, বিশেষ শারীরিক সমস্যা যেমন ডায়াবেটিস বা কিডনি সমস্যা থাকলে পানি পান কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    পানি পান করার সবচেয়ে ভালো সংকেত হল তেষ্টা। শরীর যখন পানি চায়, তখনই তা পান করা উচিত। তবে একবারে বেশি পানি পান না করে সারাদিনে অল্প অল্প পরিমাণে পানি পান করা ভালো। অতিরিক্ত পানি পানও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং কিডনির ওপর চাপ বাড়ায়। অতএব, পানি পান করতে হবে সঠিক পরিমাণে।

  • পিরিয়ডের সময় টমেটো খাওয়া উত্তম !

    পিরিয়ডের সময় টমেটো খাওয়া উত্তম !

    পিরিয়ডের সময় ক্র্যাম্প দেখা দেয়। যখন জরায়ু সংকোচন করে তার আস্তরণ খুলে দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রোস্টা-গ্ল্যান্ডিন নিঃসরণের কারণে ব্যথা হয়, যা পেশীকে শক্ত করে। টমেটো এই সময়ে সাহায্য করতে পারে, এতে থাকা পটাসিয়াম শরীরে তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং পেশী ক্র্যাম্প প্রতিরোধে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত পটাসিয়াম ক্র্যাম্পের তীব্রতা এবং ফ্রিকোয়েন্সি কমিয়ে দেয়।

    টমেটো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং প্রদাহ কমায়। টমেটো খেলে তা পুষ্টি সরবরাহ করে যা পিরিয়ডের সময় পেশী সংকোচন থেকে অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং ভিটামিন সি, লাইকোপিন এবং পটাসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ টমেটোতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

    নিয়মিত টমেটো খেলে তা পিরিয়ডের সাধারণ উপসর্গ যেমন পেট ফাঁপা, অস্বস্তি এবং মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করতে পারে। টমেটো ছাড়াও, অন্যান্য অনেক প্রাকৃতিক প্রতিকার পিরিয়ডের ব্যথা সহজ করতে সাহায্য করতে পারে।

    টমেটো খাওয়ার নিয়মঃ

    টমেটো জুস:
    পিরিয়ড চলাকালীন প্রতিদিন তাজা টমেটোর রস পান করুন। এটি একটি হাইড্রেটিং, ভিটামিন সমৃদ্ধ বিকল্প যা প্রদাহ এবং পেশীর খিঁচুনি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    টমেটো এবং শসার সালাদ:
    টমেটো, শসা এবং সামুদ্রিক লবণের ছিটা দিয়ে তাজা সালাদ সতেজ এবং প্রশান্তিদায়ক হতে পারে। স্বাস্থ্যকর চর্বির জন্য সামান্য অলিভ অয়েল যোগ করুন, যা প্রদাহ কমাতে পারে।

    টমেটো স্যুপ: এক বাটি উষ্ণ টমেটো স্যুপ পিরিয়ডের সময় আরাম এবং স্বস্তি দিতে পারে। সুষম খাবারের জন্য এটি হোল গ্রেইন টোস্টের সঙ্গে খেতে পারেন।

  • শীতে পা ফাটা থেকে রক্ষার উপায়

    শীতে পা ফাটা থেকে রক্ষার উপায়

    শীতে ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হয় । ত্বকের বাড়তি যত্ন নিলেও অনেক সময় আমরা পায়ে যত্ন নিতে অনিহা প্রকাশ করি। যার ফলাফল পা ফাটা। পা ফাটার পাশাপাশি আবার পা থেকে রক্তও বের হয়। যা একই সঙ্গে কষ্টকর ও বিরক্তিকর।

    শীতের সময় বাতাস অনেক শুষ্ক থাকে। যার ফলে আমাদের ত্বকও খুব দ্রুত শুষ্ক হয়ে যায়। বাতাসে আর্দ্রতার অভাবে পা ও গোড়ালি ফাটতে শুরু করে। এ ছাড়া ভিটামিনের অভাবেও গোড়ালি ফাটতে পারে।
    পা ফাটা বা গোড়ালি ফাটার রোধের উপায়-

    ১. কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস ও শ্যাম্পু সে পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন। ১০ মিনিটের মত পা রেখে গোড়ালি ভালো মতো স্ক্রাব করুন। এত কিছুটা উপকার হবে।

    ২. ঝামা, পাথর বা পিউমিস পাথর দিয়ে পা ঘষে মরা চামড়া তুলে নিন। এরপর নারিকেল তেল মালিশ করতে পারেন।

    ৩. সমপরিমাণ গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ পায়ের ফাটা স্থানে সারা রাত লাগিয়ে রেখে দিন। গ্লিসারিন ত্বক নরম রাখে।

    ৪. দেহের চাহিদা অনুযায়ী প্রচুর পানি পান করতে হবে।

    এ ছাড়াও কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এ সময় খালি পায়ে হাঁটা যাবে না। পায়ে মোজা ও জুতা পরতে হবে। সে সঙ্গে তিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম পানি দিয়ে পা পরিষ্কার করে তাতে ময়েশ্চারাইজার এবং বডি লোশন ব্যবহার করে ঘুমাতে যেতে হবে।

  • পরিক্ষামূলক নিউজ পাবলিশ

    পরিক্ষামূলক নিউজ পাবলিশ

    ঢাকা থেকে দুবাই রুটে আগামী ১১ জানুয়ারি ও ১২ জানুয়ারি অতিরিক্ত ফ্লাইট চালানোর ঘোষণা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে আগেরবার ভাড়ার বিষয়টি প্রকাশ করা হলেও এবার সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ ভাড়া জানায়নি সংস্থাটি।

    সম্প্রতি আসন সংকটের অজুহাতে দুবাইয়ের ৪০ হাজার টাকার একমুখী টিকিট ৮৭ হাজার, সৌদি আরবের ৪২ হাজারের টিকিট ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এই ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া কমানোর দাবি জানাচ্ছিলেন প্রবাসী ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলো।

     

    ঢাকা থেকে দুবাই রুটে আগামী ১১ জানুয়ারি ও ১২ জানুয়ারি অতিরিক্ত ফ্লাইট চালানোর ঘোষণা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। তবে আগেরবার ভাড়ার বিষয়টি প্রকাশ করা হলেও এবার সর্বনিম্ন বা সর্বোচ্চ ভাড়া জানায়নি সংস্থাটি।

    সম্প্রতি আসন সংকটের অজুহাতে দুবাইয়ের ৪০ হাজার টাকার একমুখী টিকিট ৮৭ হাজার, সৌদি আরবের ৪২ হাজারের টিকিট ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এই ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া কমানোর দাবি জানাচ্ছিলেন প্রবাসী ও ট্রাভেল এজেন্সিগুলো।