Category: সারাদেশ

  • মানিকগঞ্জে ৮ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৪৯ জন

    মানিকগঞ্জে ৮ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৪৯ জন

    মানিকগঞ্জ জেলায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৫৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৪০৯ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪০ জন। ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশেরও বেশি রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

    এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আটজন এবং বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন।বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মোট ৩৬ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫১৩ জন রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছেন।

    মশাবাহিত এই রোগে জেলায় কোনো মৃত্যু নেই।মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় দুইজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে এ হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৩ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এখন পর্যন্ত এই হাসপাতালে ১৬৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ১৫৫ জন সুস্থ হয়েছেন।

    ঘিওর উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একজনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এই উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জন। ৪৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন একজন।

    সাটুরিয়া উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জন। এর মধ্যে ৪৪ জন সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসাধীন আছেন ছয়জন।

    মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন রোগী। এ নিয়ে হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৯ জন। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এখানে মোট ১৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৪ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন।

    মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পাঁচ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ হাসপাতালে মোট ১৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩৩ জন সুস্থ হয়েছেন এবং বর্তমানে সাতজন চিকিৎসাধীন। সিংগাইর, হরিরামপুর, শিবালয় ও দৌলতপুরে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি।

    বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ মানিকগঞ্জের সমন্বয়কারী বিমল রায় বলেন, ‍“মানিকগঞ্জে ডেঙ্গুর বিস্তার ধীরে ধীরে বাড়লেও মৃত্যুহার এখনো শূন্য রাখা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই এখনই সচেতনতা বাড়ানো ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।”

    মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. খুরশীদ আলম বলেন, “ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের কারণে রোগীরা দ্রুত সুস্থ হচ্ছেন।

    জনগণকে সচেতন না হলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।” তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশারি ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • রাষ্ট্রের সিস্টেমটাই হয়ে গেছে দখলের-মির্জা ফখরুল

    রাষ্ট্রের সিস্টেমটাই হয়ে গেছে দখলের-মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের কাজ নিয়ে নিয়েছেন সংসদ সদস্য, যেটা তার কাজ নয়। আইন প্রণয়নের বদলে তারা রাস্তা উন্নয়ন, ভবন উন্নয়ন, এমনকি গাড়ি কেনা হবে কি না, সেটা নিয়ে কথা বলেছেন। রাষ্ট্রের সিস্টেমটাই হয়ে গেছে দখলের।

    শনিবার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে অর্পণ আলোক সংঘ আয়োজিত ‘সামাজিক সুরক্ষা কতটা সুরক্ষিত?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমি যখন একটা প্রগতিবাদী সমাজ দেখতে চাই, যখন একটা মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা সুষ্ঠু ব্যবস্থা চাই, আমি যখন জনগণের বৈষম্য কমিয়ে আনতে চাই… তখন যদি দেখি যে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ভিন্ন চিন্তা করা হচ্ছে, সেটাকে ডাইভার্ট করার চেষ্টা হচ্ছে, মানুষের চিন্তা ভাবনাগুলোকে এবং একটা উগ্রবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, তখন তো হতাশা আসবেই।

    তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ দেশকে সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেড় বছরেই সেই ক্ষতিপূরণ হবে, এমনটা ভাবা যাবে না।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমলারা সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্বরত উপদেষ্টারাও অসহায় হয়ে পড়ছেন। একজন মফস্বলের শিক্ষককে সমস্যা সমাধানের জন্য ঢাকায় আসতে হয়। এটার তো প্রয়োজন ছিল না। এর জন্য দায়ী সিস্টেম।

    তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ হয় ঘুষ দিয়ে, স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ হয় ঘুষ দিয়ে, নার্সদের নিয়োগ হয় ঘুষ দিয়ে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও লেখক সোহরাব হাসান, অর্থনীতিবিদ এম মাসরুর রিয়াজ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, সাবেক সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। সভা সঞ্চালনা করেন অর্পণ আলোক সংঘের চেয়ারম্যান বীথিকা বিনতে হোসাইন।

  • ৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

    ৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী

    আজ (২৫ আগস্ট) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামীকাল ২৬ আগস্ট থেকে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে। ফলে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর (শনিবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

    রবিবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন সহকারী জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

  • প্রেমের টানে চীন থেকে কুষ্টিয়ায় শি জিং ইউ !

    প্রেমের টানে চীন থেকে কুষ্টিয়ায় শি জিং ইউ !

    ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়, তারপর বন্ধুত্ব ,অত:পর প্রেম। প্রেমের টানে হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে চীন থেকে কুষ্টিয়ায় প্রেমিকার বাড়িতে এসেছেন শি জিং ইউ নামের এক যুবক।

    শনিবার রাতে ঢাকায় পৌঁছে আজ রবিবার সকালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগরে প্রেমিকা বৃষ্টি খাতুনের বাড়িতে আসেন তিনি।

    পরে দুপুরের দিকে প্রেমিকা বৃষ্টি ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুষ্টিয়া আদালতে যান শি জিং ইউ। আদালতে তিনি বৌদ্ধ ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। বর্তমানে নাম রাখেন সোহান আহাম্মেদ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে তাদের পরিচয় হওয়ার পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অবশেষে দূরদেশ থেকে এসে মুসলিম রীতিতে প্রেমিকা বৃষ্টিকে বিয়ের করবেন তিনি।

    বৃষ্টির পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন,শি জিং ইউ একজন ভদ্র ও আন্তরিক মানুষ। তিনি আমাদের সংস্কৃতি ও ধর্মকে শ্রদ্ধা করে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে আমরা অত্যন্ত খুশি। বৃষ্টির সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তিনি। এজন্যই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

    এদিকে ওই চীনা যুবককে দেখতে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগরে প্রেমিকা বৃষ্টির বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যা দূর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যা দূর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের বন্যা দূর্গত এলাকার মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতি। শুক্রবার (২২ আগস্ট) জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর, বোগলাউড়ি, পাঁকা কদমতলা, পাঁকা নিশিপাড়া, দূর্লভপুর ও মনাকষা এলাকার অসহায় বানভাসী পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

    এসময় ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল ইসলাম মানিক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সমাজসেবা সম্পাদক আনারুল ইসলামসহ সমিতির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    ত্রাণ বিতরণকালে ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়ন এবং শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, উজিরপুর, দূর্লভপুর ও মনাকষা ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন।

    চারিদিকে শুধু পানি আর পানি থাকার কারণে তাদের কোন কাজ নেই। তারা অসহায়, না খেয়ে দিন পার করছে। আর তাই আমরা অসহায় এই মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ত্রাণের বিতরণকৃত ১২শত প্যাকেটের প্রতিটিতে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি চিড়া, ১ কেজি তেল ও হাফ কেজি গুড় বিতরণ করেছি।

    এছাড়াও শনিবার জেলার সদর উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের ১১ রশিয়া এবং শান্তিনগর হাট এলাকার বন্যা দূর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করাসহ অসহায় মানুষদের মাঝে ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির এমন সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয় ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির পক্ষ থেকে।

  • আমি অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে-আজমেরী হক বাঁধন

    আমি অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে-আজমেরী হক বাঁধন

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ফেসবুকে ‘আমার জীবনের পুরুষরা’ শিরোনামে একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

    স্ট্যাটাসে বাঁধন স্পষ্ট করেছেন, তার আপত্তি পুরুষদের প্রতি নয়, বরং সমাজে প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার প্রতি। তিনি লিখেছেন, অনেকে ভাবেন আমি পুরুষদের পছন্দ করি না। এটা সত্য নয়। আমি যা পছন্দ করি না, তা হলো আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এবং সেই সমাজকে টিকিয়ে রাখা নারী-পুরুষ উভয়কেই।

    অভিনেত্রী তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পুরুষদেরও স্মরণ করেছেন। প্রথমেই উল্লেখ করেছেন তার বাবাকে, যিনি বিভিন্নভাবে তার বিকাশে ভূমিকা রেখেছেন। এছাড়া ‘রেহানা’চলচ্চিত্রের পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন বাঁধন।

    তার মতে, এই দুইজন পুরুষ তার ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছেন।বাঁধন দুই ভাইকেও বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ছোট ভাই রাশাকে তিনি শুধু ভাই নয়, বরং সেরা বন্ধু হিসেবে দেখেন।

    অন্য ভাই সম্পর্কেও বলেছেন, বাবা-মা না পারলেও তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা তিনি কখনও ভুলবেন না। উত্তরাধিকার নিয়ে দুই ভাইকে সমানভাবে সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

    বাঁধন পরিষ্কার করেছেন, আমি পুরুষদের অপছন্দ করি না, আমি অপছন্দ করি পুরুষতন্ত্রকে। আর হ্যাঁ, আমি পুরুষদের ভালোবাসি।

  • শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা

    শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা

    ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আজ শুক্রবার সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশের টেলিভিশন, সংবাদ এবং অনলাইন আউটলেটগুলোতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত অপরাধী এবং গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত পলাতক আসামি আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনার অডিও সম্প্রচার এবং প্রচার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের গুরুতর লঙ্ঘন।

    তাছাড়া, গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাক্তন স্বৈরশাসকের ঘৃণা ছড়ায় এমন বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করে।

    ‘আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি- কিছু গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার আইন ও আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের একটি ভাষণ প্রচার করেছে যেখানে তিনি মিথ্যা ও উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

    আমরা এধরনের অপরাধমূলক প্রচারকর্মে জড়িত গণমাধ্যমের কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিচ্ছি এবং দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি, শেখ হাসিনার বক্তব্য কেউ ভবিষ্যতে প্রকাশ করলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের জাতির ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরির ঝুঁকি নিতে পারি না। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে শেখ হাসিনা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শত শত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীর গণহত্যার নির্দেশ দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগের পরে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছেন।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারাধীন রয়েছে।

  • মেঘনা নদীতে মিলল সাংবাদিক বিভুরঞ্জনে মরদেহ

    মেঘনা নদীতে মিলল সাংবাদিক বিভুরঞ্জনে মরদেহ

    জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট বিভুরঞ্জন সরকারের (৭১) মরদেহ মেঘনা নদীতে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে তার মরদেহ মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে আছে।

    নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) সালেহ আহমেদ পাঠান বলেন, শুক্রবার (২২ আগস্ট) কলাগাছিয়া এলাকায় মেঘনা নদী থেকে ষাটোর্ধ্ব ওই ব্যক্তির লাশ ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

    লাশের সঙ্গে রমনা থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ সাংবাদিকের ছবির মিল রয়েছে। রমনা থানা নিখোঁজ জিডির সঙ্গে যে ছবিটি পাঠিয়েছিল তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার পর বিষয়টি রমনা থানাকে জানানো হয়েছে।

    জানতে চাইলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, মেঘনা নদীতে একটা লাশ পাওয়া গেছে। আমরা মোটামুটি কনফার্ম হয়েছি। তার পরিবার গেলে শনাক্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাতে বিভুরঞ্জন সরকারের নিখোঁজের ঘটনায় রাজধানীর রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার ছেলে ঋত সরকার।

  • মানিকগঞ্জের ঘিওরে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    মানিকগঞ্জের ঘিওরে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার শ্রীধরনগর গ্রামে ডেজার ব্যবহার করে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বেলা ১২টায় পয়লা ইউনিয়নের নদীর পাড়ে গ্রামবাসীরা এই মানববন্ধন করে।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শ্রীধরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাকি আক্তার, গ্রামের মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ময়নাল মুন্সী, সমাজ প্রধান রাজু ভূইয়া, ইউপি সদস্য মোঃ আকরাম হোসেন এবং আরও শতাধিক গ্রামবাসী।

    বক্তারা বলেন, ‘বালুমহালের পাশেই প্রাইমারি স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, খেলার মাঠ ও ফসলি জমিসহ বিভিন্ন বসতি রয়েছে। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে এসব বসতিসহ নদীর ভৌগোলিক অবকাঠামো ধ্বংসের মুখে।

    শ্রীধরনগর গ্রামের নদীর অনেক অংশ ইতিমধ্যেই বিলীন হয়ে গেছে। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাই, অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা হোক।’

  • জুলাই সনদে বিএনপির দ্বিমত

    জুলাই সনদে বিএনপির দ্বিমত

    জুলাই সনদকে সংবিধানের ওপর রাখা না রাখা এবং সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি নিয়ে দ্বিমত পোষণ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে খসড়ায় লিখিত মতামত জমা দিয়েছে বিএনপি।

    বুধবার (২০ আগস্ট) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে জুলাই সনদের সমন্বিত খসড়া সম্পর্কে মতামত দেয় দলটি। বিএনপিসহ পাঁচটি দল এরইমধ্যে মতামত জানিয়েছে।

    এই মতামতে কোনো রাজনৈতিক ‘সমঝোতার দলিল’ সংবিধানের ওপরে স্থান পেতে পারে কি না, এমন প্রশ্ন তুলে বিএনপি বলছে, জুলাই সনদকে সংবিধানের ওপরে প্রাধান্য দেওয়া হলে খারাপ নজির তৈরি হবে। এ সনদ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলা যাবে না, সরাসরি এমন বিধান রাখারও বিপক্ষে বিএনপি।

    জুলাই সনদকে সংবিধানের ওপরে নাকি নিচে রাখা হবে সেটা নিয়েও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনায় বসবে দলটি। শিগগির এ আলোচনায় বসবেন বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা।

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে মতামত চেয়ে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ সমন্বিত খসড়া রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছিলো। যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণের পর তার ওপর লিখিত মতামত দিল বিএনপি।

    বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের স্বার্থে যতটা ছাড় দেওয়া দরকার, মতামতে ততোটা ছাড় দিয়েছে দলটি। বিএনপির এখন প্রত্যাশা, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণীত ও বাস্তবায়িত হবে।

    বুধবার ছিল মতামত দেওয়ার শেষ দিন। তবে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ২৬টি দল মতামত না দেওয়ায় ২২ আগস্ট শুক্রবার বেলা ৩টা পর্যন্ত সময় বাড়িয়েছে কমিশন।

    জানা গেছে, সনদের আইনি ভিত্তি এবং নির্বাচনের আগে বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপি। বর্ধিত সময়ের মধ্যে তারা মতামত জানাবে।