Category: স্বাস্থ্য

  • চাচিতারা সপ্রাবি‘তে ‘টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি-২০২৫

    চাচিতারা সপ্রাবি‘তে ‘টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি-২০২৫

    সারাদেশের ন্যায় সাটুরিয়া উপজেলাধীন সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেনী হতে নবম শ্রেণীর শিশুদের ‘টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি-২০২৫ অব্যাহত রয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় সরকার সারাদেশে ৫ কোটিরও বেশি শিশুকে বিনামূল্যে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) প্রদান করবে।

    আজ মঙ্গলবার সাটুরিয়া উপজেলাধীন চাচিতারা সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লক্ষ্য করা গেছে টিকাদান কর্মসূচীর ব্যস্ততা। অভিভাবকসহ শিশুদের ব্যাপক উপস্থিতিতে টিকা প্রদানে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন টিকাপ্রদানকারী কর্মীরা।

    এ ব্যাপারে টিকাপ্রদানকারীকর্মী, দিঘলীয়া ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (এসডব্লিউএ) রত্না আক্তার জানান, এবারকার টিকা প্রদানে আমরা শিশুদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতাও আশানুরুপ। সব মিলিয়ে আশা করছি, আমরা এবার শতভাগ টিকা নিশ্চিত করতে পারবো।

    টিকা প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি আরো জানান, অভিভাবকদের আগে অনলাইনে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে শিশুদের জন্মসনদ অনুসারে নাম নিবন্ধন করতে হচ্ছে। নাম নিবন্ধনে সাহায্য করছেন নিদিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ সকল সহকারী শিক্ষকগণ। তারপর আমরা নিদিষ্ট রেজিস্ট্রৈশন দেখে শিশুদের টিকা প্রদান করেছি।তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছেন, জন্মসনদ না থাকলেও কোনো শিশু বাদ যাবে না। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য সব শিশুকে শতভাগ টিকার আওতায় আনা।

    উল্লেখ্য, সারাদেশে ১২ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত প্রথম ধাপে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়া হবে- যার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা (আলিয়া ও কওমি) এবং ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে টিকা দেওয়া হবে ১ থেকে ১৩ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।

    টাইফয়েড জ্বর বাংলাদেশের সবচেয়ে মারাত্মক টিকা-প্রতিরোধযোগ্য রোগগুলোর মধ্যে একটি, যা সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। এই রোগ নির্মূল করাই টিকাদানের মূল লক্ষ্য।’

  • মানিকগঞ্জে ৮ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৪৯ জন

    মানিকগঞ্জে ৮ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৪৯ জন

    মানিকগঞ্জ জেলায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৫৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৪০৯ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৪০ জন। ইতোমধ্যে ৯৩ শতাংশেরও বেশি রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ১৩ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

    এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আটজন এবং বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছেন পাঁচজন।বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন মোট ৩৬ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫১৩ জন রোগী চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছেন।

    মশাবাহিত এই রোগে জেলায় কোনো মৃত্যু নেই।মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় দুইজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে এ হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৩ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে এখন পর্যন্ত এই হাসপাতালে ১৬৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ১৫৫ জন সুস্থ হয়েছেন।

    ঘিওর উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একজনের শরীরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এই উপজেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ জন। ৪৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন একজন।

    সাটুরিয়া উপজেলায় ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। চলতি বছরে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জন। এর মধ্যে ৪৪ জন সুস্থ হয়েছেন। চিকিৎসাধীন আছেন ছয়জন।

    মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন রোগী। এ নিয়ে হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি আছেন ৯ জন। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এখানে মোট ১৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৪ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়েছেন।

    মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পাঁচ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এ হাসপাতালে মোট ১৪০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৩৩ জন সুস্থ হয়েছেন এবং বর্তমানে সাতজন চিকিৎসাধীন। সিংগাইর, হরিরামপুর, শিবালয় ও দৌলতপুরে কোনো ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়নি।

    বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ মানিকগঞ্জের সমন্বয়কারী বিমল রায় বলেন, ‍“মানিকগঞ্জে ডেঙ্গুর বিস্তার ধীরে ধীরে বাড়লেও মৃত্যুহার এখনো শূন্য রাখা সম্ভব হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই এখনই সচেতনতা বাড়ানো ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।”

    মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. খুরশীদ আলম বলেন, “ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের কারণে রোগীরা দ্রুত সুস্থ হচ্ছেন।

    জনগণকে সচেতন না হলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।” তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশারি ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রতিরোধে করণীয়

    গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রতিরোধে করণীয়

    গ্যাস্ট্রিক আলসার বা পেপটিক আলসার হলো পাকস্থলীতে বা ক্ষুদ্রান্ত্রে ঘা বা ক্ষত সৃষ্টি হওয়া। এটি দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত: গ্যাস্ট্রিক আলসার (পাকস্থলীতে) এবং ডিওডেনাল আলসার (ক্ষুদ্রান্ত্রে)। সাধারণত গ্যাস্ট্রিক আলসারকে পেপটিক আলসার বলা হয়, যেটি পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রে হতে পারে।

    গ্যাস্ট্রিক আলসারের প্রধান কারণ হলো ‘হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি’ নামের একটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, যা সাধারণত দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। এটি পাকস্থলীতে প্রবেশ করে মিউকাস মেমব্রেনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    এছাড়াও, দীর্ঘ সময় ধরে ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন আইবুপ্রোফেন, ন্যাপ্রক্সেন, এসিক্লোফেনাক, অ্যাসপিরিন) গ্রহণ, নিদ্রাহীনতা, ধূমপান, মদ্যপান, দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ, তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের অতিরিক্ত গ্রহণও গ্যাস্ট্রিক আলসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

    রোগনির্ণয়:
    গ্যাস্ট্রিক আলসার নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো এন্ডোস্কোপি পরীক্ষা। এছাড়া ইউরিয়া শ্বাস পরীক্ষা, রক্তের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা, স্টুল অ্যান্টিজেন, সিএলও পরীক্ষা ইত্যাদি করা হয়।

    প্রতিরোধের উপায়
    গ্যাস্ট্রিক আলসারের চিকিৎসা শুরু করার আগে তার কারণ শনাক্ত করা জরুরি। যদি ব্যথানাশক ওষুধের কারণে আলসার হয়ে থাকে, তবে তা বন্ধ করতে হবে। যদি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকে, তবে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেওয়া হয়। এ ছাড়া, অ্যাসিড নিঃসরণ রোধকারী ওষুধ সেবনও উপকারী হতে পারে। জটিল পরিস্থিতিতে সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।

    এছাড়া স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যথাযথ খাবারের নির্বাচন এবং মানসিক চাপ কমানোর প্রচেষ্টা গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • মোবাইলে টানা ৩ থেকে ৪ মিনিট পর্যন্ত কথা বলা নিরাপদ

    মোবাইলে টানা ৩ থেকে ৪ মিনিট পর্যন্ত কথা বলা নিরাপদ

    মোবাইল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ওয়েভের ভিত্তিতে কাজ করে। বিজ্ঞানীরা পরামর্শ দিচ্ছেন, মোবাইলের বিকিরণ থেকে বাঁচতে মাথা থেকে যতটা সম্ভব মোবাইল দূরে রাখতে হবে। কারণ মোবাইলের কাছাকাছি শরীরের যেসব কোষ থাকে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফোন থেকে দূরত্ব বাড়লে কোষ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    একটানা অনেক সময় মোবাইলে কথা বললে নানা রকম সমস্যা তৈরি হতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে মোবাইলে বেশি সময় ধরে কথা বলতে হলে যে নিয়ম মানতে হবে জেনে নিন।

    মোবাইলে টানা ৩ থেকে ৪ মিনিট পর্যন্ত কথা বলা মোটামুটি নিরাপদ। লম্বা সময় ধরে মোবাইলে কথা বলার সময় মাসলগুলো ক্লান্ত হয়ে যায়। যে কানে ফোন লাগিয়ে কথা বলা হয়, ওই কানে কম শোনার প্রবণতা তৈরি হয়। একটানা অনেক সময় কথা বললে মাথা ব্যথা শুরু হতে পারে। টানা ১০ মিনিট কথা বলার পরে মোবাইল গরম হয়ে যায়।

    এদিকে মানুষের কানে একটা হেয়ার সেল থাকে। দীর্ঘক্ষণ মোবাইলে কথা বললে কানের হেয়ার সেলও গরম হয়ে যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, মোবাইলে একটানা ১০ মিনিট কথা বলার পর বিভিন্ন রকম সমস্যা শুরু হয়। যা মানবদেহের জন্য ভালো নয়।

    তবে লাউড স্পিকার অন করে মোবাইল দূরে রেখে কথা বললে ক্ষতি কমানো যেতে পারে।

    তথ্যসূত্র: মেডি ভয়েস ও বিবিসি

     

  • ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যা দরকার !

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে যা দরকার !

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কোলাজেন খুবই উপকারী। কোলাজেন এমন এক ধরনের প্রোটিন, যা ত্বকের একটি প্রধান বিল্ডিং ব্লক এবং ত্বকের গঠন, শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। যারা ত্বকের কোলাজেন বাড়াতে চান প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় তাদের কিছু ফল যোগ করা উচিত। যেমন-

    কমলা: কমলালেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এই ফল শরীরকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। দূষিত পদার্থ এবং সূর্যের সংস্পর্শে ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কমলা মুখের উজ্জ্বলতা বেজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন একটি বা দুটি কমলা খেলে কালো দাগ ও ব্রণের দাগ হালকা হয়ে যায়।

    বেরি: সব ধরনের বেরি, যেমন স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরি, ব্ল্যাকবেরি এবং ক্র্যানবেরি কোলাজেন সমৃদ্ধ সুস্বাদু ফল। সব বেরিতেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি থাকায় এই জাতীয় ফল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও বেরিতে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা ত্বককে ইউভি ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে।

    গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল: আনারস, কিউই, প্যাশন ফল, আম এবং পেয়ারার মতো ফল কোলাজেন বাড়ায়। এসব ফল শুধু খেতেই সুস্বাদুই নয়, শরীরকে ভিতর থেকে পুষ্টি জোগায়। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। এর পাশাপাশি পেঁপেতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম রয়েছে, যা ত্বকের এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য বলে পরিচিত।

    আঙ্গুর ফল : আঙ্গুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সি-ডেন্ট থাকায় এই ফল ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত করতে সাহায্য করে। আঙ্গুর খেলে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড পুনরায় পূরণ করতে সাহায্য করে, যা আপনাকে আরও কোলাজেন বুস্ট দিতে পারে।

    অ্যাভোকাডো: এই ফলটি অনেক স্বাস্থ্য উপকারী এবং সুস্বাদুও। অ্যাভোকাডো খেলে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ে। সেই সঙ্গে ত্বক নরম ও কোমল হয়। এতে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন সি এর মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এই ফল কোলাজেন বাড়াতে সাহায্য করে।

     

  • নবজাতকের চর্মরোগ হলে করণীয়

    নবজাতকের চর্মরোগ হলে করণীয়

    জন্মের পরপরই নবজাতকের চর্মরোগ দেখা দিতে পারে। নবজাতকের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের ত্বক খুব সহজে চর্মরোগে আক্রান্ত হতে পারে।

    শিশুর ত্বকের সঠিক পরিচর্যা ও সময়মতো সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে অতি সহজেই এ জাতীয় জটিলতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।আসুন জেনে নেই নবজাতকের চর্মরোগ হলে করণীয় কী।

    ১. প্রিকলি হিট বা ঘামাচি
    দিনের তাপমাত্রা বেশি থাকা অবস্থাতেও আমাদের দেশে দাদী নানীরা নবজাতককে অনেক সময় চারদিক থেকে গরম কাপড়ে জড়িয়ে রাখেন। এর থেকে সাদা অথবা লাল রং বিশিষ্ট পানি আকারে ঘামাচির দানা দেখা দেয়।—এ থেকে শরীরে অনেক ফোঁড়ার সৃষ্টি হতে পারে। জন্মের পর শিশুকে একটু খোলামেলা রাখা উচিত। ট্যালকম পাউডারের ব্যবহার উপকারে আসে।

    ২. এরিথেমা টক্সিকাম নিউন্যাটোরিয়াম বা মাসিপিসি
    গ্রামের মা-চাচিরা এ জাতীয় চর্মরোগকে মাসিপিসি বলে থাকেন এবং এটি নবজাতকদের হয়েই থাকে বলে তাদের ধারণা। সত্যিই এটি খুব সাধারণ ব্যাপার। জন্মের তিন থেকে চার দিনের দিন শিশুর শরীরে লাল লাল র্যাশ দেখা দেয়। এর সঙ্গে জ্বর বা অসুস্থতার অন্য কোনো উপসর্গ থাকে না। ১০ দিনের দিন কোনো ধরনের ওষুধ ছাড়াই এটি ভালো হয়ে যায়।

    ৩. ডায়াপার র্যাশ বা ন্যাপকিন র্যাশ
    ডায়াপার বা ন্যাপি পরানোর কারণে নবজাতকের ত্বকে লাল লাল ভাব নিয়ে অ্যালার্জির মতো র্যাশ দেখা দিতে পারে। এ জাতীয় র্যাশ শরীরের যে সব স্থান কাপড়ের সংস্পর্শে আসে, সেই জায়গায় হয়ে থাকে।

    অর্থাৎ উরুতে হবে, তবে উরুর ভাঁজ বা কুঁচকির ভাঁজে হবে না। এমন অবস্থায় কাপড় সাময়িকভাবে বর্জন করা উচিত। যেসব বাচ্চার ন্যাপি বা ডায়াপার সারা রাতে একবারও বদলানো হয় না, তাদেরই এ সমস্যাটি বেশি হয়। প্রস্রাবের ইউরিয়া থেকে অ্যামোনিয়া তৈরি করে ত্বকে জ্বালা-পোড়া ও চুলকানি সৃষ্টি হয়।

    ৪. ক্যানডিডিয়াসিস বা ফাঙ্গাস
    নবজাতকের মুখের ভেতর, বিশেষ করে জিহ্বাতে দুধের সরের মতো আস্তরণ দেখা দেয়। যে সমস্ত জায়গা সব সময় ভিজা থাকে, যেমন কুঁচকি, পায়ুপথের আশপাশ, গলার ভাঁজ, সে সমস্ত জায়গাতেও ক্যানডিডা দিয়ে সংক্রমণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত স্থানের চামড়া লাল লাল ভাব হয়ে যায় এবং এর ওপর সাদা সাদা ছোপ দেখা দেয়, সাথে প্রচণ্ড চুলকায়। এ থেকে মুক্তি পেতে হলে আক্রান্ত স্থানকে অবশ্যই শুকনো রাখতে হবে।

    ৫. ক্যারাডাল ক্যাপ
    কোনো কোনো নবজাতকের মাথায় চামড়া পুরু হয়ে জমতে দেখা যায়। এগুলো অনেকটা খুশকির মতো। সাধারণত হলুদ অথবা বাদামি রঙের হয়। কখনো কখনো বাজে গন্ধ হয় এবং তেলতেলে ভাব দেখা যায়। এটি ছয় মাস বয়সে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। সাময়িকভাবে পরিষ্কারের জন্য অলিভ অয়েল রাতে মেখে সকালে গোসল করাতে পারেন।

    ৬. স্ক্যাবিস বা পাঁচড়া চুলকানিখোসপাঁচড়া ছোঁয়াচে রোগ। এটি নবজাত-কের চর্মরোগ গুলোর মধ্যে তুলনামূলক জটিলতম। প্রতিটি আঙুলের ভাঁজে ভাঁজে, কব্জিতে, হাত ও পায়ের তালুতে, বগলে, নাভি, যৌনাঙ্গে, গলা এমনকি সমস্ত শরীরে ছোট ছোট গোটা আকারে চুলকানি দেখা দেয়।

    তাই দ্রুত একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের অধীনে এর চিকিৎসা নেওয়া উচিত। কারণ, খোস পাঁচড়াগুলো পেকে যেতে পারে এবং এ থেকে কখনো কখনো কিডনি আক্রান্ত হতে পারে।

  • খেজুর খাওয়ার উপকারীতা !

    খেজুর খাওয়ার উপকারীতা !

    খেজুর স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী । একই সঙ্গে, খেজুর খেলে অনেক বড় রোগও সেরে যায়। কারণ খেজুরে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, ক্যাল-সিয়াম, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন বি-এর মতো পুষ্টি উপাদান। একদিনে অনেক বেশি খেজুর খেলে উপকার হওয়ার পরিবর্তে শরীরের ক্ষতি হতে পারে।

    পুষ্টিবিদের মতে, খেজুর আমাদের সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে খুব বেশি খেজুর খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও ক্যালোরি থাকে, যা আপনার ওজন বাড়াবে। এটির অত্যধিক সেবন ক্ষয়ও সৃষ্টি করতে পারে।

    খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি পেটের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। যেমন- পেট ফোলা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেরই খেজুরে অ্যালার্জি থাকে। যা খাওয়ার পরে ত্বক এবং চুলের অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই সব সময় চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ গ্রহণ করুন বা অল্প পরিমাণে খান।

  • সাটুরিয়ার বরাঈদে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ার বরাঈদে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

     

    সাটুরিয়ার বরাঈদ ইউনিয়নের আগ-সাভার বাজারে বেসরকারি সংস্থা সোসাইটি ফর হিউম্যানের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার(১ লা ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকা থেকে অত্র ইউনিয়নের আগ-সাভার বাজারে সোসাইটি ফর হিউম্যানের নিজস্ব অফিসে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করা হয়।

    এ সময় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়ার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দানবীর জনাব ড. মো. রফিকুল ইসলাম (সভাপতি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ মিসৌরী) সাহেব।

    অত্র অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি ফর হিউম্যান সংস্থা সভাপতি জনাব শাহানুর আলম, সাধারন সম্পাদক পলাশ মাহমুদ, মো. আবুল হোসেন. হামিদুর রহমান, মো. বাবুল হোসেন প্রমূখ।

    সকাল  ১১ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ডা. আমেনা খাতুন (লতা) ও ডা. শরিফুল ইসলাম বিনামূল্যে রোগ নির্ণয় করে রোগীদের মেডিসিন সামগ্রীসহ ওষুধ বিতরণ করেন।

    এই সময় ক্যাম্পে ৫৯ জন পুরুষ রোগী, ৮২ জন মহিলা রোগী এবং  শিশু রোগীসহ প্রায় ১৮৮ জন রোগীর রক্তের গ্রুপ পরিক্ষা করা হয়।

  • পানি পান করার সঠিক পরিমাণ !

    পানি পান করার সঠিক পরিমাণ !

    পানির ওপর নাম জীবন। পানি আমাদের শরীর হাইড্রেটেড রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং শারীরিক কার্যকলাপ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    তবে, এর যথাযথ পরিমাণে পান করা জরুরি।অতিরিক্ত পানি পান করলে যেমন ক্ষতি হতে পারে, তেমনি কম পানি পান করলেও শরীরের জন্য তা ক্ষতিকর।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দৈনিক ২ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা আদর্শ। তবে, এর পরিমাণ নির্ভর করে শরীরের ওজন, পরিশ্রমের ধরন, আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্য সমস্যার ওপর।

    যেমন, শরীরের ওজন বেশি হলে বেশি পানি প্রয়োজন, আবার অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা গরম আবহাওয়া থাকলে পানি পানের পরিমাণও বাড়াতে হবে।

    তবে, বিশেষ শারীরিক সমস্যা যেমন ডায়াবেটিস বা কিডনি সমস্যা থাকলে পানি পান কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

    পানি পান করার সবচেয়ে ভালো সংকেত হল তেষ্টা। শরীর যখন পানি চায়, তখনই তা পান করা উচিত। তবে একবারে বেশি পানি পান না করে সারাদিনে অল্প অল্প পরিমাণে পানি পান করা ভালো। অতিরিক্ত পানি পানও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং কিডনির ওপর চাপ বাড়ায়। অতএব, পানি পান করতে হবে সঠিক পরিমাণে।

  • দীর্ঘদিনের বিষণ্নতায় মানসিক রোগ হয়

    দীর্ঘদিনের বিষণ্নতায় মানসিক রোগ হয়

    দীর্ঘদিনের বিষণ্নতায় মানসিক রোগ হয়। গবেষণা বলছে, জীবনে হতাশা, নিঃসঙ্গতা থেকে দেশে বাড়ছে মানসিক রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতাও। মন খারাপ, ভালো লাগে না, মুড অফ কিংবা শরীর খারাপ–এমন সমস্যা যেন এখন নিত্যসঙ্গী।

    কখনো মনে হয় হাত-পা জ্বালাপোড়া করছে, আবার কখনো মনে হয় বুকে ব্যথা করছে। মনে হয় এবার মরেই যাব। মানুষের এমন মনে হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বিষণ্নতা বলা হয়। দীর্ঘমেয়াদি এ বিষণ্নতাই ডেকে আনে মানসিক সমস্যা।

    ব্যস্তময় জীবন আর প্রতিযোগিতার চাপে নিঃসঙ্গতা যখন আষ্টেপৃষ্ঠে ঘিরে ধরে তখনই মানসিক রোগের শিকার হন মানুষ। এ মানসিক রোগই এক সময় হয়ে ওঠে নানা শারীরিক সমস্যার কারণ।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই। তবে দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, বিষণ্নতা, শুচিবায়ুর মতো বিষয় সাধারণ মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ।

    জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক (সাইকিয়াট্রি) ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর বলেন, মানসিক রোগ বা বিষণ্নতা রোগে যারা ভোগেন তাদের মধ্যে হঠাৎ করে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যেমন দীর্ঘ সময় মন খারাপ থাকা, ঘুম কমে যাওয়া, কর্মস্পৃহা কমে যাওয়া, খাবারে অরুচি, ভালো কিছু শুনলেও ভালো না লাগা ইত্যাদি।

    এসব সমস্যার চিকিৎসা না করা হলে তা আরও বাড়তে শুরু করে। যা আত্মহত্যা করার ঝুঁকি তৈরি করে। তাই সাইকিয়াট্রি বা সাইকোল-জিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেলে ও প্রয়োজনীয় কাউন্সিলিং নিলে পুরোপুরি ভালো হওয়া সম্ভব।