Blog

  • জাকসুর ভিপি জিতু, জিএস মাজহার

    জাকসুর ভিপি জিতু, জিএস মাজহার

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলের আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের মাজহারুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

    এছাড়া এজিএস (ছাত্র) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ফেরদৌস আল হাসান এবং এজিএস (ছাত্রী) পদে একই প্যানেলের আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা জয় পেয়েছেন।

    শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন রেজিস্ট্রার ভবনের সিনেট কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব ড. রাশেদুল আলম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান।নির্বাচিত ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনা-মূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। এছাড়া নবনির্বাচিত জিএস মাজহারুল ইসলাম ইংরেজি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

    এছাড়া সহসাধারণ সম্পাদক-এজিএস (পুরুষ) পদে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফেরদৌস আল হাসান ও এজিএস (ছাত্রী) পদে দর্শন বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু উবায়দা উসামা, পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সম্পাদক পদে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী সাফায়েত মীর, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম বাপ্পি, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ জিসান আহমেদ, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান উদ্দিন, নাট্য সম্পাদক পদে নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী রুহুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

    অন্যান্য নির্বাচিত প্রতিনিধিরা হলেন-ক্রীড়া সম্পাদক পদে বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের মাহমুদুল হাসান কিরণ, সহক্রীড়া (ছাত্র) পদে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান, সহক্রীড়া (ছাত্রী) পদে গণিত বিভাগের ফারহানা লুবনা, তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার পদে ফার্মেসি বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের রাশেদুল ইমন লিখন, সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন পদে আহসান লাবিব ,সহ-সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন পদে মাইক্রোবায়োলজি (ছাত্র) তৌহিদ ইসলাম, সহ-সমাজসেবা ও মানবসেবা উন্নয়ন (ছাত্রী) পদে ফার্মেসি বিভাগের নিগার সুলতানা, স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের হুসনী মোবারক, পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের তানভীর রহমান।

    এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে রয়েছেন-ফাবলিহা জাহান, নাবিলা বিনতে হারুন, নুসরাত জাহান ইমা, হাফেজ তরিকুল ইসলাম, আবু তালহা, ও মোহাম্মদ আলী চিশতী।

    ৩৩ বছর পর গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাকসু ও হল সংসদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৫৯ জন।

    ভোট পড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫টি পদের জন্য ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ভিপি পদে ৯ জন, জিএস পদে ৮ জন, এজিএস পদে ১৬ জন প্রার্থী রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ জন নারী।

    এবারের জাকসু নির্বাচনে পূর্ণ ও আংশিক মিলে মোট ৮টি প্যানেল অংশ নেয়। তবে ভোটগ্রহণ শুরুর পর ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলসহ ৫টি প্যানেল ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জন করে।

    বর্জন করে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের সম্প্রীতির ঐক্য, ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র ফ্রন্টের সংশপ্তক পর্ষদ এবং স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ। এছাড়া ছাত্র ফ্রন্টের একাংশের একটি প্যানেল ও কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীও নির্বাচন বর্জন করেন।

     

  • জাকসুতে হল সংসদে ভিপি ও জিএস হলেন যারা

    জাকসুতে হল সংসদে ভিপি ও জিএস হলেন যারা

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে চলছে হল সংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের ফল ঘোষণা। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে ফল ঘোষণা শুরু হয়।

    আল বেরুনী হল: ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন রিফাত আহমেদ শাকিল ও জিএস পদে জয় পেয়েছেন মুনতাসির বিল্লাহ খান।নবাব জয়জুন্নেসা হল: ভিপি পদে বুবলি আহমেদ (মার্কেটিং, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) ও জিএস সুমাইয়া খানম জয় পেয়েছেন।

    জাহানারা ইমাম হল: ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদা খাতুন (গণিত) ও জিএস পদে রিজওয়ানা বুশরা (পাবলিক হেলথ) জয়লাভ করেছেন।

    ১০ নম্বর ছাত্র হল (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব): ভিপি পদে আসিফ মিয়া (সরকার ও রাজনীতি) ও জিএস মেহেদী হাসান (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) জয়লাভ করেছেন।
    ১৫ নম্বর ছাত্রী হল: ভিপি পদে শারমিন রহমান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), জিএস পদে মেহনাজ মোহনা জয়লাভ করেছেন।

    শহীদ সালাম-বরকত হল: ভিপি পদে মারুফ হোসেন (রসায়ন) ও জিএস মাসুদ রানা (ইতিহাস) জয় পেয়েছেন।
    সুফিয়া কামাল হল: জান্নাতুল নাইম জেরিন ভিপি পদে ও রুবিনা জাহান তিথি জিএস পদে জয় পেয়েছেন।

    মওলানা ভাসানী হল: ভিপি পদে আব্দুল হাই স্বপন (গণিত) ও জিএস পদে হৃদয় পোদ্দার (লোক প্রশাসন) জয়লাভ করেন।
    মীর মশাররফ হল: ভিপি পদে খালেদ জুবায়ের ও জিএস পদে শাহরিয়ার নাজিম হৃদয় জয় পেয়েছেন।

    তারামন বিবি হল: ভিপি পদে ফারজানা আক্তার ঊর্মি ও জিএস পদে প্রিয়াঙ্কা কর্মকার জয়লাভ করেছেন।

    কামাল উদ্দিন হল: ভিপি পদে রায়হান কবির ও জিএস আবরার শাহরিয়ার জয়লাভ করেছেন।

    রোকেয়া হল: ভিপি পদে তাফমিম খানম ও জিএস পদে নাবিলা মাহজাবিন জয়লাভ করেছেন।

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল: ভিপি পদে রাকিবুল ইসলাম ও জিএস পদে আলী আহমেদ জয়লাভ করেছেন।

    ২১ নম্বর ছাত্র হল: ভিপি পদে শিহাব ও জিএস পদে অলি উল্লাহ জয়লাভ করেছেন।

    রফিক জব্বার হল: ভিপি মেহেদী হাসান ও জিএস শরিফুল ইসলাম জয় পেয়েছেন।

    ফজিলাতুন্নেছা হল: ভিপি পদে ঐশী সরওয়ার ও জিএস পদে ফারজানা তাবাসসুম জয়লাভ করেছেন।

    তাজউদ্দিন আহমেদ হল: ভিপি পদে সিফাত উল্লাহ ও জিএস পদে মাহমুদুল হাসান শাকিল জয় পেয়েছেন।

    রবীন্দ্রনাথ হল: ভিপি পদে অনিক কুমার বণিক ও জিএস মাহমুদুল হাসান ইমন পদে জয়লাভ করেছেন।

    বেগম খালেদা জিয়া হল: ভিপি পদে ফারহানা রহমান রিথি ও জিএস পদে জাতিমাতুজ জোহরা নির্বাচিত হয়েছেন।

    প্রীতিলতা হল: ভিপি পদে সুমাইয়া আক্তার ও জিএস পদে ইকফা রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

    ১৩ নম্বর ছাত্রী হল: ভিপি পদে নাহদাতুন হাসানা ও জিএস পদে মহসীনা আক্তার নির্বাচিত হয়েছেন।

  • জাকসুতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভোট বর্জন

    জাকসুতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভোট বর্জন

    নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের অতিথি কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ছাত্রদল মনোনীত প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। এ সময় ভিপি প্রার্থী মো. শেখ সাদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।

    তানজিলা হোসাইন বৈশাখী অভিযোগ করে বলেন, তাজউদ্দীন হলে আমাদের ঢুকতে দেয়নি। তালিকায় ভোটারদের ছবি নেই, ২১ নং হলে মব সৃষ্টি করা হয়েছে। জাহানারা ইমাম হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গায়ে হাত তোলা হয়েছে।

    এই নির্বাচন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, জামায়াত নেতার সরবরাহকৃত ও এমআর মেশিন আমরা চাইনি। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত ব্যালটেই ভোট হচ্ছে।

    বৈশাখী বলেন, মেয়েদের হলে একই মেয়ে বারবার ভোট দিতে গেছেন। শিবিরপন্থী সাংবাদিকরা মিস বিহ্যাভ করেছেন ছাত্রদলের প্রার্থীদের সঙ্গে, সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে না। এটি কারচুপি ও প্রহসনের নির্বাচন। তাই নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হচ্ছি। নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের রায়ের প্রতিফলন হচ্ছে না।

    এর আগে সকাল ৯টায় শুরু হয়েছে জাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হল কেন্দ্রে ২২৪ টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। কয়েকটি কেন্দ্র ব্যাতিত বেশিরভাগ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠান হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    এবারে জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ৫ হাজার ৭২৮ জন এবং ছাত্র ভোটার ৬ হাজার ১৫ জন। এ নির্বাচনে ২৫টি পদে মোট ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

  • মানিকগঞ্জে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

    মানিকগঞ্জে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

    মানিকগঞ্জে মাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রবি চন্দ্র পলাতক। জমি ও টাকা পয়সার ভাগাভাগি নিয়ে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত ১২টার দিকে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের মান্দারতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম করুণা রানী (৬২)। তিনি মান্দারতা গ্রামের মৃত ফটিক চন্দ্র ভদ্রর স্ত্রী। অভিযুক্ত রবি চন্দ্র তার ছেলে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত করুণা রানী ভদ্র দৌলতপুর উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের মান্দারতা গ্রামের মৃত ফটিক ভদ্রের সহধর্মিণী ও তার ছেলে রবিদ্র নাথ ভদ্র ওরফে রবির সঙ্গে কয়েকদিন ধরে জমি জমার ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল।  পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে রাতে মা করুণা রানী ভদ্রকে খুন করে দরজায় তালা দিয়ে পালিয়েছেন।

    রবি নাথ ভদ্র ওরফে রবির স্ত্রী লক্ষ্মী বলেন, ‘রবি দীর্ঘদিন ধরে লিভার জনিত রোগে ভুগছেন। রাতের বেলায় সে চৌকির ওপর ঘুমাতো, আমি নিচে ঘুমাতাম। গত রাতে হঠাৎ করেই দেখি সে বিছানায় নেই, খুঁজে পাচ্ছি না।’

    এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদিয়া সাবরিনা চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঘটনা সত্যি আমরা খবর পেয়েছি সকাল ৬টার দিকে । খবর পেয়ে দৌলতপুর থানার ওসিসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’

  • শিবালয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন

    শিবালয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগে মানববন্ধন

    মানিকগঞ্জের শিবালয়ে থানায় ডেকে নিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। মিথ্যা মামলা ও অহেতুক হয়রানির প্রতিবাদে পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ এবং মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও  স্থানীয়রা।

    মঙ্গলবার বিকেলে শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া- নালী সড়কের ধুতরাবাড়ি এলাকায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসী এ মানববন্ধনে অংশ নিয়ে ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবী করেন।এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় মাতব্বর মো. আয়ুব তালুকদার,শফিকুল ইসলাম ও ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    মানববন্ধনে বক্তরা শিবালয় থানার ওসি মো. কামাল হোসেনকে প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বলেন, বসতবাড়ি ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে রফিকুল ইসলামের বড় ভাই সাখায়াত হোসেনের স্ত্রী সালমা আক্তার রফিকের বিরুদ্ধে শিবালয় থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। এতে পুলিশ গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রফিককে থানায় ডেকে নেন।

    সেখানে ওসি মো.কামাল হোসেন রফিকুল ইসলামের কোন কথা না শুনেই তার পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেন। এতে সে রাজি না হলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে মারধরের ভয় দেখানোসহ নানাবিধ হুমকি দিয়ে গারোদে আটকে রাখেন। ওসি তাকে ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বলে রাত গভীরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।

    বক্তারা আরো বলেন, রফিকুল এলাকার ভাল ও সহজ সরল প্রকৃতির মানুষ। তার ভাবি ছালমা আক্তার থানায় যে অভিযোগ দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা এ মিথ্যা মামলা এবং রফিককে থানায় ডেকে নিয়ে পুলিশী হয়রানী’র তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    এই বিষয়ে, স্থানীয় মাতব্বর আয়ুব তালুকদার জানান, বিবাদিত জমিতে রফিকের ১শতাংশ জায়গা  কেনা। এহকাল ও পরকালেও রফিক এ জায়গার মালিক। কারণ এ জায়গা রফিকের সাবকলা আলাদা কেনা।

    এদিকে ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, বিজ্ঞ আদালতের দু’টি রায় আমাদের পক্ষে থাকলেও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বড় ভাইয়ের স্ত্রী সালমা আক্তার থানায় আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা অভিযোগ করেন।

    অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শিবালয় থানার এসআই নুরুল ইসলাম আমাকে ফোন দিয়ে থানায় ডেকে নেন।এসআই আমাকে ওসির সাহেবের রুমে নিয়ে গেলে ওসি আমার কোন কথা না শুনেই ধমক দিয়ে গারদে ঢুকায়।এরপর আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদানসহ মানসিকভাবে নিরযাতন চালায়। রাত ১২টার পর গারদ থেকে আবার ওসির রুমে নিয়ে জোরপূর্বক মুচলেকা নেন।

    এসময় ওসি মো.কামাল হোসেন ৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে আমাকে বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে যেতে বলেন। বাড়ি ছেড়ে না গেলে তিনি আমার নামে ১০/১২টি মিথ্যা মামলা ও হাত-পা ভেঙ্গে জেল হাজতে ঢুকিয়ে রাখবে বলে এমন সব হুমকি দেন। রাতে বাড়িতে ফিরে মানসিকভাবে আমি বিপর‌্যস্ত হয়ে পড়ি। সকালে স্থানীয়দের পরামর্শে আমি মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবরে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করি।

    এ বিষয়ে  শিবালয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.কামাল হোসেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা অস্বীকার করে বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর জামি সংক্রান্ত বিষয়ে সালমা আক্তার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পর দিন ৮ সেপ্টম্বর এসআই নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত রফিকুলকে থানায় আসতে বললে সে সন্ধ্যায় থানায় আসেন। রাতে অভিযোগকারীসহ স্থানীয় জামাতের দুই নেতা বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিমাংসা করবেন বলে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

    উল্লেখ্য পুলিশী হয়রানির কারণে ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে রফিকুল বির‌পর্যস্ত অবস্থায় ছাদে বসে মাইকে শিবালয় থানার ওসি ও দারোগা থানা ডেকে নিয়ে তাকে নানা ধরনের হয়রানির ফিরিস্তি তুলে ধরে বক্তব্য দিতে থাকেন। এসময় তিনি তার মৃত্যু না হওয়া পযর্ন্ত ছাদ থেকে নীচে নামবেন না বলে ঘোষনা দিয়ে স্থানীয়দেরকে তার পাশে থাকার আহবান জানান।

    ঘটনাস্থলে ছুটে আসা উৎসক জনতা ও স্থানীয়রা তার ডাকে একত্রিত হয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিলে সে ছাদ থেকে নেমে আসে।যা তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

  • ডাকসুর ভিপি সাদিক, জিএস ফরহাদ ও এজিএস মহিউদ্দিন

    ডাকসুর ভিপি সাদিক, জিএস ফরহাদ ও এজিএস মহিউদ্দিন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয়ের পথে রয়েছেন।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত আট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭টি কেন্দ্রের ১৬টি হলের ফল ঘোষণা করা হয়। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে ২২ নম্বর ব্যালটে সাদিক কায়েম ভোট পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২। ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮। জিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৮৩ ভোট।

    সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ হোসেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মুহা. মহিউদ্দিন খান পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

    শীর্ষ তিন পদে জয়ের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ঐতিহাসে এই প্রথমবার ডাকসুর নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেল ইসলামী ছাত্রশিবির। এর আগে কয়েকবার নির্বাচনে অংশ নিলেও কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে পরেননি এই সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

    ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শক্তির প্রকাশ ঘটিয়ে আত্মপ্রকাশ করে ইসলামী ছাত্রশিবির। ব্যাপক সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর মধ্যেই ডাকুস নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয় সংগঠনটি।

    নির্বাচন আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও আন্তরিক হওয়ায় ভোটমুখী হয় ডাকসু। শেষপর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যাপক নিরাপত্তা বয়ল তৈরি করে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটা ভোটগ্রহণ হয়।

    আটটি কেন্দ্রে আট শতাধিক ‍বুথে ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে রাত দেড়টার দিকে ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও ছাত্রী মিলে মোট ১৮টি হল। একে একে ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যা শেষ করতে সকাল হয়ে যায়।

    তাতে ভিপি, জিএস ও এজিএসের সঙ্গে ডাকসুর ২৮টি পদে চূড়ান্ত ফলাফল জানানো হয়। অধিকাংশ পদে জয় পেয়েছে শিবির-সমর্থিত প্রার্থীরা। বেশিরভাগ হল সংসদেও জয় পেয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল।

    এবার ৩৭তম ডাকসু নির্বাচন হলো। এতে ছাত্র-ছাত্রী মিলে মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে ডাকসু নির্বাচন কমিশন জানায়, এবার ভোট পড়েছে ৭৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

    ভোটের ফল ঘোষণা শুরু হওয়ার পর থেকে আলোচিত ভিপি প্রার্থীরা তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিতে থাকেন।

    ভিপি পদে প্রার্থিতা করা ছাত্রদলের আবিদ ডাকসু নির্বাচন ‘প্রহসন’ ও ‘কারচুপির নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। অবশ্য জিএস পদে লড়াই করা ছাত্রদলের হামিম শিক্ষার্থীদের রায়কে সম্মান জানানোর আহ্বান রাখেন।

    ভিপি পদে আলোচিত উমামা ফাতেমাও ভোটের ফল বর্জন করে ফেসবুকে একাধিক স্ট্যাটাস দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিবিরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। শিবিরকে ‘বেঈমান’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট করেন তিনি।

    জিএস পদে আলোচিত মুখ মেঘমল্লার বসু একাধিক পোস্ট করে নির্বাচনের সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, “ভোটের নামে প্ল্যানড ইঞ্জিনিয়ারিং চলতেসে। সবই খবর পাইতেসি। যে ধারা অব্যাহত আছে তাতে ডিটেইল রেজাল্ট দেখলে আপনারা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বুঝবেন।”

    ভিপি পদে বেশ আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) নেতা আবদুল কাদের। তিনি ফেসবুকে লেখেন, “ভিসি এবং প্রক্টরকে অভিনন্দন জানিয়ে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আলাপ এখানেই শেষ করলাম।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শুভকামনা, শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা। ঢাবি এবং দেশের মানুষের যেকোনো সংকটকালে আমি আছি, যেমনটা বিগত দিনে ছিলাম।”

    কারচুপি ও বেঈমানির অভিযোগ সামনে এলেও ডাকসু নির্বাচনে কিছু অব‍্যবস্থাপনা থাকলেও বড় কোনো অসঙ্গতি ছিল না বলে মনে করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নির্বাচনকে অগ্রহণযোগ্য বলা যায় না।

     

  • ডাকসু নির্বাচনে লাইভ করার সময় সাংবাদিকের মৃত্যু

    ডাকসু নির্বাচনে লাইভ করার সময় সাংবাদিকের মৃত্যু

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) লাইভ সংবাদ প্রচারের সময় তরিকুল শিবলী  (৪০) নামে এক সাংবাদিক মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কার্জন হলের ভেতরে সংবাদ প্রচারের সময় এ ঘটনা ঘটে।

    তরিকুল  শিবলী ‘চ্যানেল এস’ এ সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার সহকর্মী সোহেল রানা জানান, ঢাবির কার্জন হলের ভেতর থেকে লাইভে যুক্ত ছিলেন তরিকুল। হঠাৎ তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তরিকুল  শিবলীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার এতবারপুর। তার বাবার নাম এ কে এম শাহিদুল্লাহ। ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় থাকতেন। দুই কন্যার জনক ছিলেন তিনি।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, চিকিৎসক জানিয়েছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  • সায়ন্তনী মল্লিক ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত !

    সায়ন্তনী মল্লিক ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত !

    ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী সায়ন্তনী মল্লিক হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাড়িতে টেলিভিশন দেখার সময় হঠাৎ শরীরে অস্বস্তি শুরু হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন

    তার স্বামী ইন্দ্রনীল মল্লিক জানিয়েছেন, সায়ন্তনীর কোনো শারীরিক সমস্যা ছিল না, তিনি একেবারেই সুস্থ ছিলেন। হঠাৎ এভাবে ব্রেন স্ট্রোক হওয়ায় পরিবার এখনও দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

    তবে চিকিৎসার পর রোববারই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী কমপক্ষে ১৫ দিন তাকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে হবে।

     

  • বিক্ষোভের মুখে নেপালে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ

    বিক্ষোভের মুখে নেপালে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ

    নেপালে তরুণ প্রজন্মের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে গতকাল সোমবার বিক্ষোভ চলাকালীন ১৯ জন নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে গতকাল সোমবার বিক্ষোভ চলাকালীন ১৯ জন নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

    কেপি শর্মা ওলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, চলমান সংকটের সংবিধানসম্মত সমাধানের পথ সুগম করার জন্য তিনি পদত্যাগ করেছেন।

    গতকাল সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানী কাঠমান্ডু সহ অনেক শহরে হাজার হাজার তরুণ রাস্তায় নেমে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। আন্দোলন ধীরে ধীরে সহিংস হয়ে ওঠে, যার ফলে কমপক্ষে ১৯ জন প্রাণ হারান এবং ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।

    ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, মঙ্গলবার নেপালের রাজনৈতিক সংকট আরো তীব্র হয়ে ওঠে যখন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগডেল প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে পদত্যাগ করতে বলেন।

    সেনাপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কথোপকথনের সাথে পরিচিত কর্মকর্তাদের মতে, ওলি সেনাপ্রধানকে পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুরোধ করেন। তবে জেনারেল সিগডেল প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ওলি ক্ষমতা ছেড়ে দিলেই কেবল সেনাবাহিনী দেশকে স্থিতিশীল করতে পারবে।

    সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে আরো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ওলি বালুওয়াতারে তার সরকারি বাসভবন থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসার জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তাও চেয়েছেন এবং দেশ ত্যাগের জন্য সাহায্য চেয়েছেন।

    সূত্র জানিয়েছে, ওলি চিকিৎসার অজুহাতে দুবাই যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, বেসরকারি বিমান সংস্থা হিমালয় এয়ারলাইন্সকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    কেপি শর্মা ওলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, চলমান সংকটের সংবিধানসম্মত সমাধানের পথ সুগম করার জন্য তিনি পদত্যাগ করেছেন।

  • নষ্টামী

    নষ্টামী

    রাস্তার ধারে, নিষিদ্ধ আব্ছায়,
    মধুমাক্ষীর কামনার লোলুপ দৃষ্টি;
    অ-বোধ,  মন-রসনায়-
    নষ্টামীর আহব্বান জাগায়।।

    স্পর্শকাত স্থানগুলোর দর্শন
    এক মধুময় আরতির-
    অনন্য অনুভূতি জাগায়;
    সৃষ্টির যৌবিক মাদকতায়।।

    সোডিয়াম লাইটের বর্নীল আলোক ছ‘টায়
    এক নগ্নতার ছায়া পথ ফোটে মনে;
    লালসার ললিতে-
    এ যেন, এক- দূরন্ত যান্ত্রিকতা।।

    অ-বয়, অ-সমতা-
    অর্থের মাপকাটিতে তনুয়াবিষ্ট হয়;
    মদ-মত্ত উন্মাদনায়-
    মাতালের নেশার ঘোরে।।

    হঠাৎ কোমলাঙ্গীর জীর্ণ দৃষ্টতায়
    মনে পড়ে, মা বোন-ভাগ্নির অবয়ব;
    ভাবনার আবেগ প্রশ্ন রাখে-
    ওরাও তো মানুষ !!

    তারপর, যার পণে ছুটে চলা-
    শেষ রাতের মিটিমিটি তারা গুলো;
    মায়ের স্বরে প্রশ্ন করে –
    কেমন আছিস খোকা? ভুলে যাসনি তো—-।।

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,56781.0.html