Blog

  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথবাহিনীর অভিযান

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথবাহিনীর অভিযান

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযানে নেমেছে। রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে যৌথবাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জোবরা গ্রামে অভিযান শুরু করেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটের সড়ক দিয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‍্যাবের অন্তত ২০টি গাড়ি প্রবেশ করে জোবরা গ্রামের দিকে যায়। যৌথবাহিনী প্রবেশের পর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ১২টা থেকে সংঘর্ষ শুরুর পর আজ রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত স্থানীয়দের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্র আহত হয়েছে।

    দুপুর ২টা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজরী উপজেলা প্রশাসন।

    নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে ওই এলাকায় পাঁচ বা ততধিক ব্যক্তির একসঙ্গে অবস্থান কিংবা চলাফেলা করতে পারবেন না। কোনো ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র বা দেশীয় অস্ত্র বহন করা যাবে না।

    সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৫৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে; তাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন জানান, চিকিৎসাধীন সকলে এখন শঙ্কামুক্ত।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন একটি ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর বিতণ্ডার জেরে শনিবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

    শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী রাত ১১টার দিকে বাসায় ফেরেন। ভবনের গেট বন্ধ থাকায় তিনি প্রহরীকে ডাকাডাকি করেন। এ সময় প্রহরী এসে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীকে তিনি গালাগাল করেন এবং চড় মারেন।

    ওই ছাত্রী তখন সহপাঠীদের খবর দিলে তারা সেখানে যান এবং গ্রামবাসীও ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর পক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    এ সময় স্থানীয়রা মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয় লোকজন সে সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের আঘাত করে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন।

     

  • গণপরিষদ নির্বাচন ও জাতীয় পার্টি সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে-এনসিপি

    গণপরিষদ নির্বাচন ও জাতীয় পার্টি সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে-এনসিপি

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে বৈঠকে করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। এসময় প্রধান উপদেষ্টাকে তারা পাঁচটি দাবির বিষয়ে জানিয়েছেন।

    রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে বৈঠকের পর দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, আমরা মোট পাঁচটি বিষয় নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করেছি। গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পার হলেও আমরা দেখতে পাচ্ছি গণ-অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন তাদের পুনর্বাসন, চিকিৎসা এবং নিরাপত্তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।

    আমরা কিছুদিন আগেও দেখেছিলাম শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাদের দাবি নিয়ে মাঠে নামলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সেসময় বেশকিছু শহীদ পরিবারের সদস্য আহত হন। আমরা শহীদ পরিবার এবং আহতদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছি।

    দ্বিতীয়ত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের দেশে থাকা সহযোদ্ধাদের সঙ্গে প্রবাসী ভাইয়েরা অংশগ্রহণ করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কিছু লোক আটক হয়েছিল। সরকারের উদ্যোগে কিছু লোককে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে কিন্তু এখনো ২৫ জন সহযোদ্ধা সেখানে আইনি জটিলতায় আটকা রয়েছেন। সে বিষয়ে সরকার যেন উদ্যোগ গ্রহণ করে সে বিষয়ে আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সরকারের পক্ষ থেকে একটি গুম কমিশন করা হয়েছে। গতকাল আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ছিল। গুম কমিশন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে- গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থার বিষয়ে তোর অভিযোগ এনেছেন এবং প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।

    আমরা সরকারের কাছে সুস্পষ্টভাবে দাবি করেছি, গুম কমিশনের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রাষ্ট্রীয় যেসব সংস্থার মধ্যে যেসব সদস্য এসব অভিযোগে অভিযুক্ত তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

    তিনি বলেন, একইসঙ্গে আমরা আশঙ্কা করছি বাংলাদেশে বিগত ১৫ বছরে যে নির্বাচন গুলো হয়েছিল সেই নির্বাচনে আমরা দেখেছিলাম রাষ্ট্রীয় সংস্থা বিভিন্নভাবে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করত। কারা বিরোধী দল হবে, কারা নির্বাচন করতে পারবে, কারা পারবে নাসহ নানা বিষয় তারা প্রভাবিত করতো। সবশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক দেখানোর জন্য বিভিন্ন লোককে গ্রেফতারসহ নানাভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে।

    আদিব বলেন, জুলাই সনদের আইনি এবং সাংবিধানিকভিত্তির জন্য আগামী নির্বাচন যেন অবশ্যই গণপরিষদ নির্বাচন হয় সেটি জানানো হয়েছে। গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘ ৫৪ বছরের রাজনৈতিক সংকট, একক ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের কাঠামো স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা মনে করি, আগামী নির্বাচন গণপরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে।

    তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনের সময় আমরা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম- নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা, নিরপেক্ষতার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা যেন ভূমিকা রাখেন।

    এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার জন্য প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। জাতীয় পার্টি সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার যেন আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করে সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি।

  • ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে একমত জামায়াত কিন্তু বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করতে হবে

    ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে একমত জামায়াত কিন্তু বিচার ও সংস্কার দৃশ্যমান করতে হবে

    নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে (রোজার আগে) হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একমত প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার শর্তের ক্ষেত্রে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

    “দলটি প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছে, নির্বাচনের তারিখের ব্যাপারে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ও দ্বিমত নাই তাদের। কিন্তু একটি দল নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য যখন আমরা কতিপয় শর্তের কথা বলেছি, তখনই বলে যে- এই তারিখে আমরা নির্বাচন চাই না এই কথাটা বলাটাই একটা ষড়যন্ত্র বলে আমি মনে করছি”, বলেন আব্দুল্লাহ মো. তাহের।

    প্রধান উপদেষ্টা তিনটি বিষয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করেছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, কিছু বিষয়ে সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার এবং বিশ্বমানের আনন্দঘন একটি নির্বাচন হবে।

    কিন্তু আজকে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে এই সমস্ত অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার শঙ্কা আছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা। এছাড়া অনেকগুলো বিষয়ে সব দল ঐকমত্য পোষণ করলেও দু’য়েকটি দল কোনো কোনো ইস্যুতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে বলে জানান তিনি।

    “আনফরচুনেটলি অল্প সংখ্যক দল আমাদের ঐকমত্য পোষণের ইস্যুর বাস্তবায়নে কিছুটা বাধার সৃষ্টি করছে। তারা বলছেন, আগামী নির্বাচিত সরকার এসে এগুলো বাস্তবায়ন করবে।

    এছাড়া জুলাই চার্টার না করেই নির্বাচনের ট্রেন ছেড়ে দেওয়াটা এক ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন,“একটা দল যেভাবে চেয়েছে সেভাবে হয়েছে। তারা নির্বাচন পেয়ে গেছে। বাকি সব দল জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে এক আছে। এখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ইস্যুটি বিঘ্নিত হয়েছে।”

  • নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই, বিএনপিকে আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

    নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই, বিএনপিকে আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক ‘ফলপ্রসূ হয়েছে’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে আশঙ্কা করার কোনো কারণ নেই।’

    রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। আমরাও তা বিশ্বাস করি।’

    বৈঠকে নির্বাচনকালীন সরকার ও রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে বিএনপির উদ্বেগ ও প্রত্যাশার কথা প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কা নির্বাচনকে বিলম্বিত করার লক্ষ্যে একটি চক্রান্ত কাজ করছে।

    তবে আশঙ্কা করার কারণ নেই। নির্বাচন কমিশন যে শিডিউল ঘোষণা করেছে, সেই সময়ই নির্বাচন হবে। প্রধান উপদেষ্টা আমাদের সে কথাই বলেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা দেশের সবচেয়ে বড় দলের সঙ্গে কথা বলবেন এটি তার এখতিয়ারে রয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং গোটা দেশবাসী আশ্বস্ত হয়েছে।’

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, রিসেন্টলি যে ঘটনা ঘটেছে, আমাদের রাজনৈতিক নেতা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা আমাদের মতামত নিয়েছেন।’

    ‘আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলেছি, আমরা মনে করি যে, এটি একটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমরা মনে করি, এটি ভালোভাবে তদন্ত হওয়া দরকার’- এ প্রসঙ্গে যোগ করেন তিনি।

  • নির্বাচনের আগ পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়-তারেক রহমান

    নির্বাচনের আগ পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়-তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে এখন জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সময়। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের আগ পর্যন্ত গণতন্ত্র ঝুঁকিমুক্ত নয়। কারণ নির্বাচনকে ঘিরে অদৃশ্য শক্তি কাজ করছে।

    আজ রবিবার বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আইইবি মিলনায়তনে ‘বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনাসভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, যতবারই দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল, গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছিল, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ বারবার প্রতিবার দেশ এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপির নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভলগ্নে দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। গণতন্ত্রকামী স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ আপনারাই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।

    তিনি বলেন, লাখো প্রাণের বিনিময়ে ৭১ এর স্বাধীন বাংলাদেশ ৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের আধিপত্যবাদবিরোধী তাবেদারমুক্ত বাংলাদেশ…৯০ এর স্বৈরাচারবিরোধী বাংলাদেশ ২০২৪ এর ফ্যাসিবাদবিরোধী বাংলাদেশ।

    এভাবে ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে দেশ এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি এবং গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির নেতা কর্মী সমর্থক যারা আত্মত্যাগ করেছেন, হতাহত হয়েছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমি তাদের অবদানকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই।

    ফ্যাসিবাদ বিরোধী দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ধারাবাহিক আন্দোলনেরধারাবাহিকতায়, নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে, হাজারো শহীদের আত্মত্যাগে হাত পা চোখ হারানো শত শত আহত যোদ্ধার আর্তনাদের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সময় এবং সুযোগ এসেছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান উপায় জাতীয় নির্বাচন।

    তিনি আরও বলেন, সুতরাং, পুঁথিগত সংস্কারের চেয়েও কার্যকর গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চার মাধ্যমে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা সবচেয়ে বেশি জরুরি। রাষ্ট্র রাজনীতি সংস্কারের ব্যাপারে বিএনপি সম্পূর্ণভাবে একমত।

    তিনি আরও বলেন, তাই আসুন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে জনগণের কাছে আমরা আবারো প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, গণতন্ত্র-ন্যায় বিচার-আইনের শাসন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ থেকে অতীতে বিচ্যুত হয়নি। ভবিষ্যতেও হবেনা।

    দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলঘ্নে বারবার প্রমাণিত হয়েছে, জনগণ বিএনপিকে বিশ্বাস করে। বিএনপি জনগণকে বিশ্বাস করে। সবশেষে আমি বলতে চাই, আমার দল-আপনার দল-আমাদের দল বিএনপির শেকড় এই বাংলাদেশ। ‘জনশক্তি জনবল বিএনপির মনোবল’।

  • তারেক রহমানের নির্দেশনা বন্যাদূর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশনা বন্যাদূর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারানপুর ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোঃ হারুনুর রশীদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন।

    ত্রাণ বিতরণকালে ও এলাকা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, রানীহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ মোঃ রহমত আলীসহ সদর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

    এ সময় নারানপুর ইউনিয়নের প্রায় ৪০০ বানভাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে প্রতিটি প্যাকেটে ৬ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি আটা, ১ কেজি চিড়া, ৫০০ গ্রাম গুড়, ১ কেজি মুড়ি (দুই প্যাকেট) ও ১ প্যাকেট টোস্ট বিস্কুট বিতরণ করা হয়। বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ বলেন, “বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে আমরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা দেখেছি।

    দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। এ সহায়তা সামান্য হলেও তাদের কষ্ট লাঘবে ভূমিকা রাখবে।” স্থানীয় নেতারা দাবি করেন, সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও একযোগে কাজ করা প্রয়োজন, যাতে বন্যার্ত মানুষ দ্রুত সহায়তা পায়।

  • ট্রাম্পের জারি করা বেশিরভাগ শুল্ক নীতি অবৈধ-মার্কিন আদালত

    ট্রাম্পের জারি করা বেশিরভাগ শুল্ক নীতি অবৈধ-মার্কিন আদালত

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা বৈশ্বিক শুল্কের বেশিরভাগ অবৈধ বলে রায় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত। এই রায় ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এই রায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের ওপর প্রভাব ফেলবে। সেই সাথে চীন, মেক্সিকো এবং কানাডার ওপর আরোপিত অন্যান্য শুল্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

    সাত-চার ভোটে দেওয়া এক রায়ে ইউএস ফেডারেল সার্কিট কোর্ট ট্রাম্পের যুক্তিকে প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের অধীনে এসব শুল্ক অনুমোদিত নয়। যে কারণে আদালত এই রায়কে আইনের পরিপন্থী ও অবৈধ বলেও উল্লেখ করেছে।

    এই রায় ১৪ই অক্টোবরের আগে কার্যকর হবে না, যাতে প্রশাসন চাইলে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি নেওয়ার জন্য আবেদন করার সময় পায়।ট্রাম্প আপিল আদালতের রায়কে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

    তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, “এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে, তা সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে।”যেখানে তিনি আরও বলেছেন, “অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট একটি আপিল আদালত ভুলভাবে বলেছে আমাদের শুল্ক তুলে নেওয়া উচিত। কিন্তু তারা জানে, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে।”

    ট্রাম্প সতর্ক করে লিখেছেন, “এই শুল্ক যদি কখনো তুলে নেওয়া হয়, তা হবে দেশের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয়। এতে আমেরিকা আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু আমাদের শক্তিশালী থাকতে হবে”।

    ট্রাম্প আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন বা আইইইপিএ’র অধীনে শুল্ক আরোপের ন্যায্যতা প্রমাণ করেছিলেন। যা একজন প্রেসিডেন্টকে অস্বাভাবিক হুমকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেয়।

    তিনি বাণিজ্যে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দাবি করেছিলেন, বাণিজ্য ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর।

    কিন্তু নতুন রায়ে আপিল আদালত বলেছে, শুল্ক আরোপ করা প্রেসিডেন্টের এখতিয়ার নয়। এটি কংগ্রেসের মূল ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।

    রায়ে মার্কিন ফেডারেল সার্কিট আপিল আদালত ট্রাম্পের সেই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার আওতায় শুল্ক আরোপ বৈধ। কিন্তু আদালত স্পষ্ট বলেছে, এই শুল্কগুলো ‘অবৈধ ও আইনের পরিপন্থী’।

  • নুর ভাইয়ের ওপর হামলাকে স্বাভাবিক নয়: সারজিস

    নুর ভাইয়ের ওপর হামলাকে স্বাভাবিক নয়: সারজিস

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা সারজিস আলম বলেছেন, “ফ্যাসিস্টবিরোধী লড়াইয়ের মাধ্যমে হাসিনা পতন আন্দোলনের অন্যতম সহযোদ্ধা নূর ভাইয়ের ওপর সেনাবাহিনীর এই বর্বর রক্তাক্ত হামলাকে আমি স্বাভাবিক হামলা হিসেবে দেখি না “শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘাতের মধ্যে নুরুল হক নুরকে বেধকড় পেটান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ ও সেনা সদস্যরা নুরুকে এলো-পাতাড়ি পেটাচ্ছেন। দুহাত দিয়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে করতে পড়ে যান নুর; তারপরও তাকে লাঠিচার্জ করা হয়।

    এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম রাত ১০টা ২৩ মিনিটে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, “আর্মি কখনো ওপরের নির্দেশ ছাড়া একটা পাও ফেলে না।

    সেনাবাহিনীর মধ্যকার কার নির্দেশে নূর ভাইকে রক্তাক্ত করা হলো, এ জবাব সেনাপ্রধান কে দিতে হবে।”তিনি লেখেন, “সেনাবাহিনীর মধ্যকার কারা একটা পার্টির আহ্বায়ককে মেরে হলেও জাতীয় পার্টিকে রক্ষার মিশনে নেমেছে, সেটাও খুঁজে বের করতে হবে।“
    পুলিশের মধ্যকার যে আওয়ামী দালালরা এখনো রয়ে গেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন সারজিস।

    তিনি বলেন, “এই সেনাবাহিনী এবং পুলিশ অবশ্যই নুরুল হক নূরকে ভালো করে চিনে। তারপরও প্ল্যান করে তাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। যারা পিছন থেকে কালো হাতের খেলা খেলার চেষ্টা করছে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।”

    এর আগে ১০টা মিনিটে আরেকটি পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, “প্ল্যান-বি হলো জাতীয় পার্টির ওপর ভর করে লীগকে ফেরানো। সেজন্য জাতীয় পার্টির বিষয়ে জিরো টলারেন্সে উত্তরপাড়া-দক্ষিণপাড়া মিলে-মিশে একাকার।”

    তিনি লেখেন, “নুর ভাইদের ওপর বর্বরতম হামলার মূল কারণও এটা। অর্থাৎ জাতীয় পার্টির বিষয়ে স্ট্রং মেসেজ দেওয়া হলো সব দলকে! এমন ঘৃণ্যতর হামলার নিন্দা জানাচ্ছি।”

    আওয়ামী লীগ যেভাবে অপরাধী, তার দোসর, বি টিম এবং বৈধতা দানকারী জাতীয় পার্টিও একইভাবে অপরাধী বলে মন্তব্য করেন সারজিস আলম।

    তিনি বলেন, “জাতীয় পার্টিকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টি একই পথের পথিক। তাদের পরিণতিও একই হবে।”

  • ফোনালাপ ফাঁস, ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাই-প্রধানমন্ত্রী

    ফোনালাপ ফাঁস, ক্ষমতাচ্যুত হলেন থাই-প্রধানমন্ত্রী

    থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে দেশটির সাংবিধানিক আদালত। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সঙ্গে তার একটি ফোনকলের রেকর্ড ফাঁস হয়। এরপর তার পদ স্থগিত করে আদালত।

    অবশেষে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ওই ফোনালাপের জেরে পেতোংতার্নকে ক্ষমতা থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হলো। ২০২৪ সালের আগস্টে থাইল্যান্ডের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা। মাত্র এক বছর পার হতেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হলো তাকে। সদ্য সাবেক এ নারী থাই রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবারের সদস্য।

    ফাঁস হওয়া সেই ফোনকলে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলতে শোনা যায়। ওই সময় তিনি তার নিজ দেশের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেন এবং দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, তার সেনাদের কারণে কম্বোডিয়ার এক সেনার প্রাণ গেছে।তার এ ফোনকলের রেকর্ড ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয় থাইল্যান্ডজুড়ে।

    এর কয়েক মাস পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী এক সংঘাতও বেঁধে যায়; যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যার অবসান হয়।

    গত ১৫ জুনের ওই ফোনকলে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে পেতোংতার্ন আরও বলেন, যে কোনোকিছু চাইলে আমাকে বলবেন। আমি বিষয়টি দেখব। তার এ কথাটি নিয়েই মূলত বেশি সমালোচনা হয়।

    ফোনালাপ ফাঁসের পর নিজ দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চান পেতোংতার্ন এবং দাবি করেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনের কৌশল হিসেবেই এভাবে কথা বলেছিলেন তিনি।

    কিন্তু, গত ১ জুলাই থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত তার প্রধানমন্ত্রীর পদ স্থগিত করে দেয়। যদিও তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় রয়ে গিয়েছিলেন।

  • জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের

    জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের

    রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হামলায় গুরুতর আহত গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের জ্ঞান ফিরেছে।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে নুরুল হক নুরের ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে জানানো হয়, তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। স্ট্যাটাসে বলা হয়েছে, তার কিছুটা হুঁশ ফিরেছে এবং সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, হাসপাতালে শয্যাশায়ী নুরুল হক নুরের নাকে ব্যান্ডেজ বাঁধা এবং মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো।

    এর আগে শুক্রবার রাতে বিজয়নগরে সংঘর্ষের ঘটনায় নুর গুরুতর আহত হন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, নুরের মুখ থেকে বুক পর্যন্ত রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।