যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দর গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা) এই অবরোধ কার্যকর হয়, যা ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
অবরোধ অভিযান সফল করতে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ১৫টির বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে বলে জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরানের বন্দর ছাড়াও পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং আরব সাগরের কিছু এলাকায় নৌ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরোধের আওতায় থাকা জলসীমায় প্রবেশ করা যেকোনো জাহাজকে আটক, ঘুরিয়ে দেওয়া বা জব্দ করা হতে পারে।
দিকে ইরান এই অবরোধকে ‘অবৈধ’ ও ‘দস্যুতার শামিল’ বলে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো সামরিক জাহাজ অগ্রসর হলে তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইরানি সশস্ত্র বাহিনী আরো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানের বন্দরগুলো যদি লক্ষ্যবস্তু হয়, তাহলে পারস্য উপসাগর বা ওমান সাগরের কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।