Category: আন্তর্জাতিক

  • লেবাননে হামলা‘জোড়ালো করার নির্দেশ !

    লেবাননে হামলা‘জোড়ালো করার নির্দেশ !

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সামরিক বাহিনীকে লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর ‘জোড়ালো হামলার’ নির্দেশ দিয়েছেন। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়ানোর মাত্র দুই দিন পর তিনি এই আদেশ দিলেন। খবর বিবিসির।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হওয়ার পর এই নতুন নির্দেশনা ও হামলা শুরু হয়। দুই পক্ষের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে চরম উত্তেজনার মুখে ফেলেছে এবং এই চুক্তির নড়বড়ে অবস্থাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে।

    গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে দুই দেশের প্রতিনিধিদের আলোচনার পর এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল। তবে এই চুক্তির ফলে হামলা পুরোপুরি বন্ধ না হয়ে কেবল এর তীব্রতা কিছুটা কমেছিল।

    ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননজুড়ে হিজবুল্লাহর ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ধ্বংস করতে এই অভিযান চালিয়েছে।

    পাল্টা জবাবে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ইউহমোর আল-শাকিফে হামলার প্রতিশোধ নিতে তারা দক্ষিণ লেবাননে একটি ইসরায়েলি সামরিক যান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

    বর্তমানে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের একটি বিশাল অংশ দখল করে রেখেছে এবং সেখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতির ফলে ওই অঞ্চলে নতুন করে পুরোদমে যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

  • আবার হামলা হলে বিশ্বযুদ্ধ হবে: ইরান

    আবার হামলা হলে বিশ্বযুদ্ধ হবে: ইরান

    ইরানের ঊর্ধ্বতন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ-রেজা নাগদি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হামলা আবার শুরু হলে তা বিশ্বব্যাপী যুদ্ধে রূপ নেবে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) প্রেস টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন।

    নাগদি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা শুরু করলে ইরান চলতি মাসে তৈরি করা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা থামাতে পারবে না।

    তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যুদ্ধ আবার শুরু হলে, এবার তা বিশ্বব্যাপী রূপ নেবে।” ইরানের এই সেনা কর্মকর্তা জানান, ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভুল হিসাব করেছিল।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হয়। এই সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। ৮ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে।

  • হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত-আব্বাস আরাকচি

    হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত-আব্বাস আরাকচি

    যুদ্ধবিরতির বাকি সময় পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত থাকবে বলে ঘোষনা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এই ঘোষণা দিয়েছেন। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে আব্বাস আরাকচি বলেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজকে নির্ধারিত সমন্বিত রুটে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্ত ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে এবং আপাতত যুদ্ধবিরতির সময় পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।

    উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ, তাই এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

     

  • হরমুজ প্রণালিতে মার্কীন অবরোধ শুরু, ইরানের কঠিন হুশিঁয়ারি

    হরমুজ প্রণালিতে মার্কীন অবরোধ শুরু, ইরানের কঠিন হুশিঁয়ারি

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দর গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

    ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা) এই অবরোধ কার্যকর হয়, যা ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

    অবরোধ অভিযান সফল করতে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ১৫টির বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে বলে জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।

    ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরানের বন্দর ছাড়াও পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং আরব সাগরের কিছু এলাকায় নৌ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরোধের আওতায় থাকা জলসীমায় প্রবেশ করা যেকোনো জাহাজকে আটক, ঘুরিয়ে দেওয়া বা জব্দ করা হতে পারে।

    দিকে ইরান এই অবরোধকে ‘অবৈধ’ ও ‘দস্যুতার শামিল’ বলে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো সামরিক জাহাজ অগ্রসর হলে তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ইরানি সশস্ত্র বাহিনী আরো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানের বন্দরগুলো যদি লক্ষ্যবস্তু হয়, তাহলে পারস্য উপসাগর বা ওমান সাগরের কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।

     

  • হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

    হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

    পারস্য উপসাগরের প্রবেশমুখ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে বলে দাবি করেছে ইরান।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি একটি “প্রচারমূলক সামরিক অভিযান” ছিল, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস মাইকেল মার্ফি এবং ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন নামের আর্লে বার্ক-শ্রেণির দুটি ডেস্ট্রয়ার প্রণালির কাছে পৌঁছালে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ সময় ইরানি বাহিনী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সক্রিয় করে এবং নজরদারির জন্য ড্রোন মোতায়েন করে বলে দাবি করা হয়।

    একটি সামরিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, জাহাজ দুটি “সম্পূর্ণ ধ্বংসের কাছাকাছি” অবস্থায় পৌঁছেছিল এবং ইরান তাদের ৩০ মিনিটের মধ্যে পথ পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়। পরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এলাকা ত্যাগ করে বলে জানানো হয়।

    প্রেস টিভির দাবি, মার্কিন নৌবাহিনী শনাক্তকরণ এড়াতে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার কৌশল ব্যবহার করে এবং অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম বন্ধ রাখে। তবে ইরানের রাডার ও নজরদারি ব্যবস্থা পুরো সময় জুড়ে জাহাজগুলোকে ট্র্যাক করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, হরমুজ প্রণালি তাদের পূর্ণ নজরদারির আওতায় রয়েছে এবং এ অঞ্চলে যেকোনো গোপন সামরিক অভিযান “অকার্যকর ও উসকানিমূলক” হবে।

    এ ঘটনায় মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঘটনাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনার সময়েই ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজে টোল বসাল ইরান

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজে টোল বসাল ইরান

    টানা ৩৮ দিনের সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৫ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত আরোপ করেছে ইরান।

    তেহরান ঘোষণা দিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে, যা শুধুমাত্র ক্রিপ্টোকারেন্সি বা চীনা মুদ্রা ইউয়ানে গ্রহণ করা হবে।

    বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জাহাজগুলো কে আগাম টোল পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে এবং প্রণালিতে প্রবেশের আগে অনুমোদন নিতে হবে। এ জন্য ইমেইলের মাধ্যমে জাহাজের বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে।

    মার্কিন আরেক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে ইরানের এক বাণিজ্য প্রতিনিধি জানিয়েছেন, প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য ১ ডলার করে টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসেবে বড় তেলবাহী সুপার ট্যাংকারগুলোর জন্য এই টোল কয়েক মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে যেসব জাহাজে পণ্য থাকবে না, তাদের জন্য কোনো ফি প্রযোজ্য হবে না।

    ইরান আরও জানিয়েছে, জাহাজগুলোকে নির্দিষ্ট রুট—কাশেম ও লারেক দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে চলাচল করতে হবে। পাশাপাশি বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জাহাজ সহজে চলাচলের সুযোগ পেলেও ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশের জাহাজের ক্ষেত্রে বিলম্ব বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে।

     

  • প্রেসিডেন্ট হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হয়েছেন: ক্যারোলাইন লেভিট

    প্রেসিডেন্ট হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হয়েছেন: ক্যারোলাইন লেভিট

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পর এটিকে নিজেদের বিজয় বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট দাবি করেন, “এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিজয়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমাদের অসাধারণ সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে।”

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি আরো বলেন, “প্রেসিডেন্ট হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র “৩৮ দিনের মধ্যেই আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে এবং তা অতিক্রম করেছে।

    তিনি আরো লেখেন, “আমাদের সামরিক বাহিনীর সাফল্য সর্বোচ্চ কৌশলগত সুবিধা তৈরি করেছে, যার ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার দল কঠোর আলোচনায় বসতে পেরেছে। এর মাধ্যমে এখন একটি কূটনৈতিক সমাধান ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ খুলে গেছে।”

  • অবশেষে ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবে ‘নীতিগত’ সম্মতি যুক্তরাষ্ট্রের

    অবশেষে ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবে ‘নীতিগত’ সম্মতি যুক্তরাষ্ট্রের

    ইরান জানিয়েছে, তাদের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ‘নীতিগতভাবে’ সম্মতি দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বুধবার ভোরে এ তথ্য প্রকাশ করে।

    এক বিবৃতিতে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানায়, প্রস্তাবটি একটি সম্ভাব্য বড় চুক্তির আলোচনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। তবে এর সব দিক এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

    প্রস্তাবের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন না করার নিশ্চয়তা, হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার স্বীকৃতি।

    এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ইরানবিরোধী প্রস্তাব বাতিল, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হ্রাসের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, এই আলোচনা যুদ্ধের সমাপ্তি নির্দেশ করে না। তাদের শর্তগুলো পূরণ ও বিস্তারিত সমঝোতা চূড়ান্ত হলেই কেবল একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি সম্ভব হবে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আলোচনার সময় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা হবে।

    পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আগামী শুক্রবার ইসলামাবাদ-এ দুই পক্ষের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহ চলবে। প্রয়োজনে সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।

    এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা স্থগিত রাখবে। তিনি ইরানের প্রস্তাবকে আলোচনার জন্য ‘কার্যকর ভিত্তি’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।

  • দেশরক্ষায় আমরা জীবন উৎসর্গ করার প্রস্তুত-মাসুদ পেজেশকিয়ান

    দেশরক্ষায় আমরা জীবন উৎসর্গ করার প্রস্তুত-মাসুদ পেজেশকিয়ান

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোমাবর্ষণের হুমকির মুখে ইরান বর্তমানে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বেশ কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন, তারা যেকোনো আগ্রাসন থেকে দেশকে রক্ষা করতে প্রস্তুত।

    প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও এক বার্তায় জানান যে, নিজেরসহ কোটি কোটি ইরানি তাদের জীবন দিতে প্রস্তুত। খবর নিউজ এক্সের। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, “এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি সাহসী ইরানি দেশরক্ষায় তাদের জীবন উৎসর্গ করার প্রস্তুতি ঘোষণা করেছেন।”

    পোস্টে তিনি আরও বলেন, “আমিও ইরানের জন্য একজন উৎসর্গকারী ছিলাম, আছি এবং থাকব।”

    এর আগে ইরানের উপ-ক্রীড়ামন্ত্রী আলিরেজা রহিমি দেশের অ্যাথলেট এবং শিল্পীদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চারপাশে ‘মানবপ্রাচীর’ তৈরি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তিনি এক ভিডিও বার্তায় তরুণ, ক্রীড়াবিদ, শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কাছে সমবেত হওয়ার আমন্ত্রণ জানান। রহিমি বলেন, “এগুলো আমাদের সম্পদ এবং আমাদের অধিকার।”

  • মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি বরখাস্ত

    মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি বরখাস্ত

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে বরখাস্ত করেছেন।

    ট্রাম্প ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, পাম বন্ডি একজন মহান আমেরিকান দেশপ্রেমিক এবং বিশ্বস্ত বন্ধু, যিনি গত এক বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে আমার অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমাদের দেশে অপরাধ দমনে তিনি অসাধারণ কাজ করেছেন, যার ফলে খুনের হার ১৯০০ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা পামকে ভালোবাসি, এবং তিনি শিগগিরই বেসরকারি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন দায়িত্বে যোগ দেবেন, যা অদূর ভবিষ্যতে ঘোষণা করা হবে।

    আমাদের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং অত্যন্ত দক্ষ ও সম্মানিত আইনজ্ঞ টড ব্লাঞ্চ ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

    বিচার বিভাগ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ব্ল্যাঞ্চ এক পোস্টে বন্ডির ”নেতৃত্ব ও বন্ধুত্বের’ প্রশংসা করেন এবং ট্রাম্পকেও ধন্যবাদ জানান।

    একটি সূত্র জানায়, বুধবার (১ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে ট্রাম্প বন্ডিকে তার অপসারণের সিদ্ধান্ত জানান। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ ছিল।

    এদিকে, বিকল্প হিসেবে লি জেলডিন-এর নামও বিবেচনায় ছিল বলে জানা গেছে।
    অন্যদিকে, একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাপ্রধান র‍্যান্ডি জর্জ-কেও পদ থেকে সরানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৪১তম সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জেনারেল জর্জ অবিলম্বে অবসরে যাচ্ছেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে সরিয়ে দেওয়ার কারণ সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।