Author: MD Nazrul Islam

  • নারীদের সুরক্ষায় তারেকের ৫ প্রস্তাবনা

    নারীদের সুরক্ষায় তারেকের ৫ প্রস্তাবনা

    অনলাইন এবং অফলাইনে নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিএনপি পাঁচটি বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই বিষয়ে জানান।

    নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিএনপি পাঁচটি জরুরি অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের কথা…

    ১. একটি জাতীয় অনলাইন সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে- যেখানে সাইবার বুলিং, হুমকি, ব্যক্তিগত তথ্য এবং ফাঁস হওয়া তথ্যের বিষয়ে অভিযোগ করতে নারীদের জন্য একটি দ্রুত, সহজ উপায়, যা ২৪/৭ হটলাইন, একটি অনলাইন পোর্টাল এবং দ্রুত এবং সম্মানের সঙ্গে কাজ করে এমন প্রশিক্ষিত কর্মীদের দ্বারা পরিচালিত হবে।

    ২. জনজীবনে নারীদের জন্য সুরক্ষা প্রোটোকল— যেখানে সাংবাদিক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী বা সম্প্রদায়ের নেতা হিসেবে আক্রমণের সম্মুখীন হওয়া নারীরা স্পষ্ট জাতীয় নির্দেশিকা, দ্রুত আইনি ও ডিজিটাল সহায়তা এবং নিরাপদে অভিযোগ জানাতে পারবে। জনজীবনে অংশগ্রহণের জন্য কোনো নারীকে চুপ করিয়ে রাখা উচিত নয়।

    ৩. ডিজিটাল সুরক্ষা শিক্ষা— স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ওরিয়েন্টেশনের সময় ব্যবহারিক ডিজিটাল-নিরাপত্তা দক্ষতা শেখানো উচিত। প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা ‌‘নিরাপত্তা কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে কাজ করেন এবং বার্ষিক সচেতনতামূলক প্রচারণা তরুণদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ডিজিটাল বিশ্বে নেভিগেট করতে সহায়তা করে।

    ৪. সহিংসতা ও হয়রানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী সম্প্রদায়-স্তরের প্রতিক্রিয়া— কমিউনিটি হেল্প ডেস্ক, নিরাপদ পরিবহন রুট, উন্নত রাস্তার আলো এবং ট্রমা-সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়াশীলরা নারীদের জন্য দৈনন্দিন জীবনকে আরও নিরাপদ করে তুলতে পারে।

    ৫. নেতৃত্বে নারীর অংশগ্রহণের জন্য দেশব্যাপী চাপ— নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, পরামর্শক নেটওয়ার্ক এবং স্কুল, অফিস ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে অবদান রাখতে সক্ষম করতে পারে। যখন নারীরা এগিয়ে যায়, তখন সমগ্র জাতি তাদের সঙ্গে এগিয়ে যায়।

    তারেক রহমান বলেন, আমাদের রাজনীতি, ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গ যাই হোক না কেন, বাংলাদেশি হিসেবে একটি সত্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে নারীরা নিরাপদ, সহযোগিতা প্রাপ্ত এবং ক্ষমতায়িত হবে।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় সভা করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ।

    মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

    জেলা প্রশাসক মাসুদ বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকার আমাকে এই জেলায় দায়িত্ব দিয়েছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করব।”

    তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন ও সাংবাদিকরা একই লক্ষ্যেই কাজ করেন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়নমূলক কাজকে গতিশীল করা। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রশাসনের কাজে স্বচ্ছতা ও গতি এনে দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ আরও বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ এবং দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। সকল সমস্যা, সম্ভাবনা উন্নয়নে মিডিয়া বড় ভূমিকা পালন করে চলেছে।

    তিনি আরো জানান, সমালোচনা একটি শিল্প, তাই সঠিক সমোলচনা করা উচিত। প্রশাসন ও গনমাধ্যম এ জেলার উন্নয়নে পরিকল্পনা গ্রহণ করে এ জেলাকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবেন।

    সভায় সাংবাদিকরা জেলার বিভিন্ন সমস্যা, উন্নয়ন কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

    মতবিনিময় সভায় সংবাদকর্মীরা জেলার মাদক, চোরাচালান, আমের ক্ষতিকর ইটভাটা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়ম- দূর্নীতি ও নানান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। নবাগত জেলা প্রশাসক এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং তা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

    মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক উজ্জল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আফরোজ।

    মতবিনিময়কালে জেলার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেস-ক্লাবের সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা মন্টু, সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ শহীদুল হুদা অলক, চ্যানেল আই এর জেলা প্রতিনিধি ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’র প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ‘দৈনিক গৌড় বাংলা’র প্রকাশক ও সম্পাদক হাসিব হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসেন শাহনেওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন জুয়েল, জেলা স্বাধীন প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী, মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদৌস সিহানুক শান্ত, সাধারণ সম্পাদক বদিউজ্জামান রাজাবাবু, সাংবাদিক জাকির হোসেন পিংকু, আজিজুর রহমান শিশির, জহুরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা। সহঅন্যরা।

    এসময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগণ, জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সোমবার (১৭ নভেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ জেলায় যোগদান করেছেন।

  • খ্যাতিমান বাউল শিল্পী আবুল সরকার গ্রেফতার

    খ্যাতিমান বাউল শিল্পী আবুল সরকার গ্রেফতার

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়নের বাউল শিল্পী মহারাজ আবুল  সরকারকে গতকাল বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম ও মহান আল্লাহকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য প্রদানের অভিযোগ রয়েছে।

    জানা যায়, গত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ‘জাবরা খালা’ পাগলীর মেলায় গান পরিবেশনকালে তিনি ইসলাম ধর্ম ও মহান আল্লাহকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। সেই সময় আল্লাহ তা‘লা পৃথিবীতে সর্ব প্রথম কি সৃষ্টি করেছেন তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে, ঘিওর বন্দর মসজিদের ইমাম মুফতি মোঃ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

    এই মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মাদারীপুর থেকে তাঁকে আটক করে বলে জানান ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কহিনুর ইসলাম।

    তিনি বলেন, ‘বাউল শিল্পী আবুল সরকার গান পরিবেশনকালে আল্লাহ তায়ালা ও ইসলাম সম্পর্কে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেছেন বলে মামলায় অভিযোগ রয়েছে।

    মহারাজ আবুল সরকারকে আটকের পর বিকেলে মানিকগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য, মহারাজ আবুল সরকার ‘বাংলাদেশ বাউল সমিতির’ সভাপতি ও  একজন খ্যাতমান বাউল শিল্পী হিসাবে দেশ-বিদেশে সু-পরিচিত।

  • ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়- খলিলুর রহমান

    ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়- খলিলুর রহমান

    দিল্লিতে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ (সিএসসি) থেকে পারস্পরিক সহায়তা এবং আঞ্চলিক শান্তি রক্ষার বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের আমন্ত্রণে দিল্লি সফরে রয়েছেন তিনি।

    ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই লিখেছে, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর)সিএসসিতে আলোচনার সময় পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার কথা বলেছেন বাংলাদেশের এই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    খলিলুর রহমানের বরাত দিয়ে এএনআই লিখেছে, বাংলাদেশ সিএসসি উদ্যোগের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাকে মূল্য দেয় এবং সার্বভৌমত্ব, সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর ভিত্তি করে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখতে চায়।

    সিএসসি-এর সহযোগিতার পাঁচটি স্তম্ভ সমষ্টিগত নিরাপত্তা এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে পারস্পরিক সমৃদ্ধি জোরদার করার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।

    তিনি বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, বাংলাদেশ সিএসসির কিছু কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে, যা সংগঠনের সনদে থাকা নীতিমালা, যথা- সার্বভৌমত্ব, সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং (অভ্যন্তরীণ বিষয়ে) হস্তক্ষেপ না করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

    কনক্লেভের কাজের পাঁচটি চিহ্নিত স্তম্ভের গুরুত্ব এবং এই অঞ্চলের সব সদস্যের জন্য যৌথ নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সিএসসি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, তা বাংলাদেশ স্বীকার করে।”

    তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমরা ভুল ও বিভ্রান্তির তথ্যের ক্রমাগত প্রবাহের মুখোমুখি হয়েছি। আমরা কেবল আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য নয়, আমাদের নিজস্ব সাইবারস্পেস, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি সুরক্ষিত করার জন্য প্রতিশ্রুতি-বদ্ধ।”

    জাতীয় প্রচেষ্টা এককভাবে অপর্যাপ্ত বলে তুলে ধরে খলিলুর রহমান বলেন, সাইবার নিরাপত্তা হুমকি, ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তি মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।

    বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, “সাইবার নিরাপত্তা, ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সম্মিলিত পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং আমি এই বিষয়ে সিএসসি-এর পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছি।”

  • শেখ হাসিনা-কামালকে ফেরত চায় বাংলাদেশ

    শেখ হাসিনা-কামালকে ফেরত চায় বাংলাদেশ

    জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার (১৭ নভেম্বর) তাদের কে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানায়।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অ-বন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।

    আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

    ”বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দুজনকে হস্তান্তর করাটা ভারতের জন্য ‘অবশ্যপালনীয় দায়িত্ব’।

  • সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

    সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    আজ সোমবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ছয় অধ্যায়ে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায়ের প্রথম অংশ পড়া শুরু করেন বিচারিক প্যানেলের সদস্য বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের অপর সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

    ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত রায় পড়া শেষে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

    এ মামলায় পলাতক রয়েছেন শেখ হাসিনা ও কামাল। তবে গ্রেপ্তার হয়ে বছরখানেক ধরেই কারাগারে রয়েছেন সাবেক আইজিপি মামুন।

  • সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড

    সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়। সেগুলো হলো—গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার ‘উসকানিমূলক বক্তব্য’ দেওয়া; হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ দেওয়া; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার নির্দেশ দেওয়া।

    শুরুতে এ মামলার একমাত্র আসামি ছিলেন শেখ হাসিনা। গত ১৬ মার্চ সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও এ মামলায় আসামি করা হয়। সবশেষ গত ১২ মে মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নাম আসে।

  • শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ

    শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এর আগে গত ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

    তিনি জবানবন্দিতে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।

    রায় ঘোষণার আগে আজ সকাল সাড়ে ৮টায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে।

     

  • ঢাকা-গোপালগঞ্জসহ চার জেলার নিরাপত্তার দায়িত্বে বিজিবি

    ঢাকা-গোপালগঞ্জসহ চার জেলার নিরাপত্তার দায়িত্বে বিজিবি

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    এরই মধ্যে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুর জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    রবিবার (১৬ নভেম্বর) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, রাজধানীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরেও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

  • আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ভাগ্য নির্ধারন

    আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ভাগ্য নির্ধারন

    জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ‘পলাতক’ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাস্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় দেবে  সোমবার (১৭ নভেম্বর)।

    নির্ধারিত দিনে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এই মামলার রায়ের দিন ঠিক করেন আদালত। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

    এর আগে গত ২৩ অক্টোবর অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের সমাপনী বক্তব্য শেষে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় রায়ের দিন ঠিক করা হয়।

    মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনও আসামি। তাদের মধ্যে মামুন দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    আদালত রায়ের তারিখ ঠিক করে দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা অঙ্গীকার করেছিলাম যে, যারাই বাংলাদেশে, যত শক্তিশালী হোক না কেন, যদি কেউ অপরাধ করে, মানবতাবিরোধী অপরাধ করে, তাদের সঠিক পন্থায় বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, এখন ১৭ নভেম্বর আদালত তার সুবিবেচনা, তার প্রজ্ঞা প্রয়োগ করবেন এবং এই জাতির যে বিচারের জন্য আশঙ্কা যে তৃষ্ণা, সেটার প্রতি তারা সুবিচার করবেন, একটি সঠিক রায়ের মাধ্যমে।

    বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য এই রায়টি ইনশাআল্লাহ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, তেমন একটি রায়ই আমরা প্রত্যাশা করছি।

    অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, মক্কেলদের অনুপস্থিতিতেও তিনি নিজের সর্বোচ্চ যুক্তি তুলে ধরেছেন। তিনি আশা করছেন, ট্রাইব্যুনাল তার মক্কেলদের খালাস দেবেন।