Author: MD Nazrul Islam

  • আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে তা নির্ধারনের দায়িত্ব সরকারের

    আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে তা নির্ধারনের দায়িত্ব সরকারের

    আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রসঙ্গে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে সে দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের। কারণ প্রশাসন আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) হাতে, অন্য সব স্টেট মেশিনারি আপনাদের হাতে। আওয়ামী লীগকে নিয়ে আপনারা কী করবেন সেটা আপনাদেরই ঠিক করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, সব গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু কনস্টিটিউশনালি বা আইনগতভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভিত্তি নেই। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন তারা প্রত্যেকেই আপনাদের সমর্থন করেছেন, সে অনুযায়ী আপনারা দেশ চালাচ্ছেন।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় মানিকগঞ্জ সদরে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া ভাস্কর মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়ি পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী।

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের দোসরদের অনুসারীরা ঘাঁপটি মেরে আছে বিভিন্ন তৃণমূলে, সমাজের নানা জায়গায়। ওদের কাছে পেট্রল কিনে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার যে অর্থ, মানুষকে হত্যা করার জন্য যে অস্ত্র লাগে তার অর্থ তাদের কাছে আছে। সেটাকে দমন করতে আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) কী আইন প্রণয়ন করতে হবে, সেটা জনগণের কাছে খোলাসা করুন।

    সম্প্রতি ভাস্কর মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনার প্রসঙ্গে টেনে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে যে মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে আগুন লাগলো কী করে, তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তার চিত্রকর্ম দিয়ে, শৈল্পিক চেতনা দিয়ে প্রতিবাদ করেছেন।

    মানবেন্দ্র ঘোষের মতো আরও কত লোক যে সামনে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, যারা গণতন্ত্রের কথা বলেছেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা বলেছেন, যারা লড়াই করেছেন, গুলির সামনে বুক চেতিয়ে দাঁড়িয়েছেন, এখনো যারা ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন; তারা প্রত্যেকেই আওয়ামী ফ্যাসিস্ট দোসরদের টার্গেটে পরিণত হয়ে আছেন।

    এসময় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক সভাপতি আফরোজা খানম রিতা, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ খান, গোলাম আবেদীন কায়সার, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকউদ্দিন ভূঁইয়া হাবু, যুবদলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিন্নাহ খান জিন্নাহ, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান সজীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • অর্থপাচারকারী ৭০ ভিআইপি শনাক্ত

    অর্থপাচারকারী ৭০ ভিআইপি শনাক্ত

    বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার করে গোল্ডেন ভিসায় দুবাইয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন ৪৫৯ বাংলাদেশি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডি’ এবং ইউরোপীয় সংগঠন ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল পর্যন্ত এই ৪৫৯ জন বাংলাদেশির নামে দুবাইয়ে ক্রয় করা ৯৭২টি প্রপার্টির কাগজে-কলমে মূল্য ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

    চাঞ্চল্যকর এই তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে নেমে এরইমধ্যে ৭০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নামও রয়েছে এ তালিকায়।

    ইতোমধ্যে তাদের কর শনাক্তকরণ নম্বরসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক। চিঠিতে এনবিআর চেয়ারম্যানকে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ই-টিআইএন, আয়কর রিটার্নসহ সব প্রাসঙ্গিক তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে।সম্প্রতি দুদকের উপপরিচালক ও প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা রাম প্রসাদ মন্ডল স্বাক্ষরিত চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    এ বিষয়ে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, দুদকের অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় অনুসন্ধান কর্মকর্তা তার প্রয়োজনে যেকোনো নথিপত্র তলব করতে পারেন। সেটা সম্পূর্ণ তার এখতিয়ার। দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে কমিশন।

    চিঠিতে সুইস ব্যাংকসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে পাচার করা অর্থের মাধ্যমে দুবাইয়ে সম্পত্তিগুলো কেনা হয়েছে বলে তথ্য যোগ করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ৭০ বাংলাদেশির মধ্যে রয়েছেন– আহসানুল করীম, আনজুমান আরা শহীদ, হেফজুল বারী মোহাম্মদ ইকবাল, হুমায়রা সেলিম, জুরান চন্দ্র ভৌমিক, মো. রাব্বী খান, মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ অলিউর রহমান, এস এ খান ইখতেখারুজ্জামান, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সৈয়দ ফাহিম আহমেদ, সৈয়দ হাসনাইন, সৈয়দ মাহমুদুল হক, সৈয়দ রুহুল হক, গোলাম মোহাম্মদ ভূঁইয়া, হাজী মোস্তফা ভূঁইয়া, মনজ কান্তি পাল, মো. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, মো. মাহবুবুল হক সরকার, মো. সেলিম রেজা, মোহাম্মদ ইলিয়াস বজলুর রহমান, এস ইউ আহমেদ, শেহতাজ মুন্সী খান, এ কে এম ফজলুর রহমান, আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ, চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, গুলজার আলম চৌধুরী, হাসান আশিক তাইমুর ইসলাম, হাসান রেজা মহিদুল ইসলাম, খালেদ মাহমুদ, এম সাজ্জাদ আলম, মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী, মোস্তফা আমির ফয়সাল, রিফাত আলী ভূঁইয়া, সালিমুল হক ঈসা/হাকিম মোহাম্মদ ঈসা, সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান/সৈয়দ কামরুজ্জামান, সৈয়দ সালমান মাসুদ, সৈয়দ সাইমুল হক, আবদুল হাই সরকার, আহমেদ সামীর পাশা, ফাহমিদা শবনম চৈতি, মো. আবুল কালাম, ফাতেমা বেগম কামাল, মোহাম্মদ আল রুমান খান, মায়নুল হক সিদ্দিকী, মুনিয়া আওয়ান, সাদিক হোসেন মো. শাকিল, আবদুল্লাহ মামুন মারুফ, মোহাম্মদ আরমান হোসেন, মোহাম্মদ শওকত হোসেন সিদ্দিকী, মোস্তফা জামাল নাসের, আহমেদ ইমরান চৌধুরী, বিল্লাল হোসেন, এম এ হাশেম, মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন চৌধুরী, নাতাশা নূর মুমু, সৈয়দ মিজান মোহাম্মদ আবু হানিফ সিদ্দিকী, সায়েদা দুররাক সিনদা জারা, আহমেদ ইফজাল চৌধুরী, ফারহানা মোনেম, ফারজানা আনজুম খান, কে এইচ মশিউর রহমান, এম এ সালাম, মো. আলী হোসেন, মোহাম্মদ ইমদাদুল হক ভরসা, মোহাম্মদ ইমরান, মোহাম্মদ রোহেন কবীর, মনজিলা মোর্শেদ, মোহাম্মদ সানাউল্যাহ চৌধুরী, মোহাম্মদ সরফুল ইসলাম, সৈয়দ রফিকুল আলম ও আনিসুজ্জামান চৌধুরী।

     

  • ভুয়া পরিচয়ে  ভিডিওঃ রুবাইয়া ইয়াসমিন ((Mx juthi)) সমন্বয়ক নয় !

    ভুয়া পরিচয়ে ভিডিওঃ রুবাইয়া ইয়াসমিন ((Mx juthi)) সমন্বয়ক নয় !

    কথিত সমন্বয়ক রুবাইয়া ইয়াসমিনের তিনটি ভিডিও সম্প্রতি ব্যাপক ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে দুটি ভিডিওতে ওই নারীকে ধূমপান ও মদ্যপান করতে দেখা যায়।

    অপর এক ভিডিওতে তাকে একটি গাড়ির ভেতরে বসে থাকতে দেখা যায়। তবে ধূমপান ও মদ্যপান অবস্থার দৃশ্য এবং গাড়ির ভেতরে বসে থাকার দৃশ্যের ভিডিওগুলো রুবাইয়া ইয়াসমিন নামে কথিত কোনো সমন্বয়কের নয়।

    এই কনটেন্টগুলোতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে তার নাম যুথী। ওই নারীর রুবাইয়া ইয়াসমিন (Mx juthi) সমন্বয়ক নয় !

    কথিত সমন্বয়ক রুবাইয়া ইয়াসমিনের তিনটি ভিডিও সম্প্রতি ব্যাপক ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে দুটি ভিডিওতে ওই নারীকে ধূমপান ও মদ্যপান করতে দেখা যায়।

    অপর এক ভিডিওতে তাকে একটি গাড়ির ভেতরে বসে থাকতে দেখা যায়। তবে ধূমপান ও মদ্যপান অবস্থার দৃশ্য এবং গাড়ির ভেতরে বসে থাকার দৃশ্যের ভিডিওগুলো রুবাইয়া ইয়াসমিন নামে কথিত কোনো সমন্বয়কের নয়।

    এই কনটেন্টগুলোতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে তার নাম যুথী। ওই নারীর ‘Mx juthi’ নামের একটি টিকটক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ভিডিওগুলোর সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে থাকা নারীর চেহারায় মিল পাওয়া যায়।

    ‘Mx juthi’ নামের ওই নারীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জানানো হয়, তিনি কোনো সমন্বয়ক নন এবং নিজেকে শিক্ষার্থী হিসেবেও দাবি করেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পাঁচ-ছয় বছর আগেই তিনি পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছেন।

    তিনি জানান, মাহি নামের এক বান্ধবী মজার ছলে ভিডিওগুলো ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। যদিও পরবর্তীতে ভিডিওগুলো মুছে ফেলা হয়, তবে ততক্ষণে তা ডাউনলোড করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ আলোচিত তিনটি ভিডিওই যুথী নামের ভিন্ন এক নারীর।

    তাছাড়া ‘রুবাইয়া ইয়াসমিন’ নামের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সমন্বয়কের তথ্য বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে পাওয়া যায়নি।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মশিউর রহমান এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “আজকে সারাদিন ‘সমন্বয়ক রুবাইয়া ইয়াসমিন’ নামে যে গুজবটা ছড়ানো হলো সোশ্যাল মিডিয়াতে, না জেনে না বুঝে অনেকেই সেটাতে শামিল হয়েছেন।

    কিন্তু দিনশেষে যা পেলাম, সেটা পুরোপুরি ভিন্ন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে যাকে দেখা গেছে, তার নাম রুবাইয়া ইয়াসমিন নয়, বরং Mx Juthi নামে পরিচিত এক তরুণী। ওই তরুণীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই এবং তিনি কোনো সমন্বয়কও নন।

     

     

  • নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে আসেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন

    নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে আসেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন

    চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন। আগামী ২৫ এপ্রিল সকাল ১০টায় শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে (নিচতলা) সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে তিনি তার রাজনৈতিক দলের নাম ঘোষণা করবেন।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দলটির নাম হতে যাচ্ছে জনতার পার্টি বাংলাদেশ। নিড়াপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) ভাইস চেয়ারম্যান লিটন আরশাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।দীর্ঘদিন ধরে দেশের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জনমত গঠনে সক্রিয় ইলিয়াস কাঞ্চন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৯৩ সালে স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর থেকে তিনি এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন।

    বিভিন্ন সময়ে তাকে নির্বাচন করার আহ্বান জানানো হলেও এবারই প্রথম সরাসরি রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন তিনি।

     

     

  • সাটুরিয়ায় সরকারী জমিতে ভবন নির্মানের অপচেষ্টায় ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড অনাদায়ে এক মাসের জেল প্রদান !

    সাটুরিয়ায় সরকারী জমিতে ভবন নির্মানের অপচেষ্টায় ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড অনাদায়ে এক মাসের জেল প্রদান !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ভান্ডারীপাড়ায় সরকারি জমিতে ভবন নির্মাণের অপরাধে তপন বসাক (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের জেল প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তপন বসাক ধামরাই উপজেলার বাউখণ্ড গ্রামের রেবতী মোহন বসাকের ছেলে।

    আজ মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই রায় দেয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর আহমেদ এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালোনা করেন।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সাটুরিয়ার ভান্ডারীপাড়া কালী মন্দিরের পেছনে ৪৭৯ নম্বর দাগে তপন বসাক ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। ওই দাগে ১৬ শতাংশ জায়গা সরকারি খাস সম্পত্তি। বছরখানেক আগে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করে নির্মাণাধীন ভূমিতে সরকারি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়। সেই সাইনবোর্ড সড়িয়ে ফেলে তপন বসাক বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন।

    এ ব্যাপারে, সাটুরিয়া ইউনিয়ন তহশিলদার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি নিজে এসে তপন বসাককে গৃহ নির্মাণে বাধা দেওয়ার পরও সে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যান। পরে আমি সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) অবহিত করি।

    সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তানভীর আহমেদ বলেন, সরকারি জমিতে ভবন নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। ভবনের যতটুকু সরকারি জমিতে পড়েছে তাৎক্ষণিক ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তপন বসাকের অপরাধের জন্য ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে অনাদায়ে এক মাসের জেল প্রদান করা হয়েছে।

  • সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি

    সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি

    দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল। আজ মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) এনামুল হক সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, দুদকের একটি মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির আবেদন ছিল, সেই মামলার কাগজপত্র ইন্টারপোলকে পাঠানো হলে এই রেড নোটিশ জারি করে সংস্থাটি।

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ১০ এপ্রিল ইন্টারপোল বেনজীরের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করে। দেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো আইজিপির বিরুদ্ধে এই নোটিশ জারি হলো।

    এদিকে, রেড নোটিশ জারি হলেও এখনও ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে বেনজীর আহমেদের ছবি ও তথ্য মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় আসেনি। এ জন্য আরও কিছু কার্যক্রম বাকি রয়েছে, সেগুলো শেষ হওয়ার পর রেড নোটিশ ওয়েবসাইটেও দেখা যাবে বলে জানায় পুলিশ।

    উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশত্যাগ করা শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ১১ জনের বিষয়টি বর্তমানে ইন্টারপোলের আইনি পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও যেকোনো সময় রেড নোটিশ জারি হতে পারে।

     

  • মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বাবার মুরগির খামারে আগুন দিল ছেলে

    মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় বাবার মুরগির খামারে আগুন দিল ছেলে

    নরসিংদীর মনোহরদীতে মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাবার মুরগির খামার পুড়িয়ে দিয়েছে ছেলে। খামার পুড়িয় দেওয়া জুনায়েদ (১৬) ওই এলাকার সৈয়দ মো. কামালের ছেলে। রবিবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    পারিবাররে সদস্যরা জানান, কিছুদিন ধরে জুনায়েদ তার বাবাকে নতুন মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। সামর্থ্য না থাকায় কিনে দিতে রাজি হয়নি তার বাবা। যার কারণে বাবার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে বিকালে প্রথম দফায় মুরগির খামারে আগুন দেয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আগেই আগুন নিভিয়ে ফেলে। এর পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফাঁকা বাড়িতে দ্বিতীয় দফায় আবার ঘরে আগুন দেয়। এ সময় স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও মুরগির খামারের শেড, রান্না ঘর এবং বসত ঘরের কিছু অংশ পুড়ে যায়।

    এ বিষয়ে জুনায়েদের বাবা কামাল বলেন, ‘আমার একটি মোটরসাইকেল আছে। প্রায়ই সে চালাত। তার পরেও নতুন কিনে দিতে চাপ দিচ্ছিল। সামর্থ্য না থাকার কারণে গাড়ি কিনে দিতে আমি অস্বীকার করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আগুন দেয় সে। ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

    মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জব্বার বলেন, ‘মোটরসাইকেল কিনে দিতে ছেলে বাবাকে চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু বাবা অপারগতা প্রকাশ করায় ছেলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’

     

  • আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর হিসেবে দাঁড়াতে চাই : ড. ইউনূস

    আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর হিসেবে দাঁড়াতে চাই : ড. ইউনূস

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্ববাসীর উদ্দেশে বলেছেন, আমরা পৃথিবীর জন্য আশার এক বাতিঘর হিসেবে দাঁড়াতে চাই। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এমন এক অবস্থায় দাঁড়িয়ে, যেখানে একটি নতুন সামাজিক চুক্তি করার সুযোগ এসেছে।

    এটি এমন এক চুক্তি যেখানে রাষ্ট্র ও জনগণ, বিশেষ করে যুবসমাজ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা, ঐতিহ্য, ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং সুযোগের ভিত্তিতে একটি ভবিষ্যৎ একত্রে গড়ে উঠবে।

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায় ম্যান্ডারিন ওরিয়েন্টাল হোটেলে আর্থনা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় বিশ্ববাসীর প্রতি এই আশার বার্তা শোনান প্রধান উপদেষ্টা।

    ড. ইউনূস বলেন, আমাদের বন্ধু ও অংশীদারদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক চুক্তি পুনর্লিখনের জন্য, পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং মাইক্রোফাইন্যান্সের ভূমিকা অন্বেষণ করতে আহ্বান জানাই, যা প্রান্তিক জনগণের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়ক।

    তিনি বলেন, আমরা এমন এক সময় পার করছি, যেখানে বহুপাক্ষিকতা হুমকির মুখে, জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুততর হচ্ছে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং মানবিক সংকট গভীরতর হচ্ছে। নতুন নতুন নীতিমালা, প্রযুক্তি এবং শাসন পদ্ধতি আমাদের পৃথিবীকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে, যা অতীতের অনেক অনুমানকে অচল করে দিচ্ছে। এখন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার পুনরুজ্জীবনের প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি, বিশ্ববাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান রেখে ড. ইউনূস বলেন, আসুন আমরা সাহসী হই। একটি এমন পৃথিবী গড়ি, যেখানে কেউ এতটা দরিদ্র না হয় যে, সে স্বপ্ন দেখতে না পারে এবং কোনো স্বপ্ন এত বড় না হয় যে, তা অর্জন করা যায় না।”“ভবিষ্যৎ এমন কিছু নয়, যা আমরা উত্তরাধিকার হিসেবে পাই। এটি এমন কিছু, যা আমরা তৈরি করি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সামনে যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে, তা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের উদ্ভাবন, সহমর্মিতা এবং সম্মিলিত কর্মকাণ্ডের সক্ষমতাও ব্যাপক।

    তিনি কাতার ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন শেখ মোজা বিনতে নাসের এবং ভাইস চেয়ারপারসন ও সিইও শেখ হিন্দ বিনতে হামাদ আল থানিকে সময়োপযোগী ও চমৎকার এই শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    দোহায় মঙ্গলবার শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে আমাদের উত্তরাধিকার গড়ে তোলা: স্থায়ীত্ব, উদ্ভাবন ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান।

    এই শীর্ষ সম্মেলন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে, যেখানে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান ও উদ্ভাবনী পন্থাগুলো আধুনিক টেকসই উন্নয়নে কীভাবে অবদান রাখতে পারে, তা অনুসন্ধান করা হয়, যা একটি আরো সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়তা করবে।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে দূর্ধর্ষ ভটা চোর গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে দূর্ধর্ষ ভটা চোর গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি বাড়ি থেকে চুরি হওয়া নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ কুখ্যাত ও দূর্ধর্ষ চোর আরিফুল ইসলাম ভটাসহ আরও একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।

    আরিফুল ইসলাম ভটার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় চুরি ও মাদকসহ ১৯টি মামলা রয়েছে। অপর গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন শহরের পুরাতন বাজার এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী, শিল্পী জুয়েলার্সের মালিক স্বাধীন নন্দী। তাকে চোরাই স্বর্ণ কেনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের সোমবার দিবাগত রাতে গ্রেফতার করা হয়।

    মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা পুলিশ অফিসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ। তিনি জানান, গত ১৯ এপ্রিল রাতে শহরের নয়াগোলা গাইনপাড়া মহল্লার মমিনুল ইসলামের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে।

    এ সময় চোর তার বাড়ি থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা ও প্রায় পৌনে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত চোর আরিফুল ইসলাম ভটাকে গ্রেফতার করে।

    সে চুরির কথা স্বীকার করে এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী নগদ ১৫ হাজার টাকা ও কিছু স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। সেই সূত্র ধরেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বাধীন নন্দীকেও গ্রেফতার করা হয়।

    চুরির বাকি টাকা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ। এসময় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • টাঙ্গাইলে নকল সাফলায়ের অভিযোগে দুই শিক্ষক গ্রেফতার !

    টাঙ্গাইলে নকল সাফলায়ের অভিযোগে দুই শিক্ষক গ্রেফতার !

    টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল সরবরাহের অভিযোগে দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) ডা. এফ আর খান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গণিত বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন, শাহানশাহী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামিম আল মামুন ও জিয়াউর রহমান।

    জানা যায়, কেন্দ্রে নিয়মিত দায়িত্ব পালনের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও ওই দুই শিক্ষক কেন্দ্র সচিবকে রাজি করে অবৈধভাবে অতিরিক্ত তিনটি শিট সংগ্রহ করে তাতে প্রশ্নের উত্তর লিখে পরীক্ষা কক্ষে সরবরাহের উদ্যোগ নেন। এসময় কেন্দ্রে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে ধরা পরেন তারা। পরে তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিলো। এর আগেই তাদের আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম বাদী হয়ে থানায় মামলা করবেন।

    এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান বলেন, তাদের বিকেলে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন। আগামীকাল মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হবে।