Category: জাতীয়

  • ফেব্রুয়ারিতে রোডম্যাপ, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আশ্বাস

    ফেব্রুয়ারিতে রোডম্যাপ, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের আশ্বাস

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ডিসে-ম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    তিনি বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্য নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হতে পারে। জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো নির্বাচন নয়। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টাসহ সেখানে যারা ছিলেন, তারা অতি দ্রুত একটি নির্বাচন দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। প্রধান উপদেষ্টা এও বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে একটি নির্বাচন দেওয়ার জন্য তারা কাজ করছেন।

    আমরা আশা করব, জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করবে সরকার। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো করে জাতীয় নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করে ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    এটি জনগণও প্রত্যাশা করছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে একমত হব না। আগেও বলেছি এখনো বলছি, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হবে না।

  • লাঠিচার্জ, জলকামানে ছত্রভঙ্গ আন্দোলনরত শিক্ষকরা

    লাঠিচার্জ, জলকামানে ছত্রভঙ্গ আন্দোলনরত শিক্ষকরা

     

    ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সপ্রাবির সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত পরী-ক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও হাইকোর্টের রায়ে নিয়োগ বাতিল হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে গত কয়েক দিন ধরেই আন্দোলন চলছে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের।

    এ ধারাবাহিকতায় আজ সোমবারও রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে আন্দোলন করছিলেন তারা। এ সময় নিয়োগ বাতিলের প্রতিবাদ ও দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতেও দেখা যায় তাদের। কিন্তু আধা ঘণ্টারও কম সময়ে সেখান থেকে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।

    এদিন দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলন-রত শিক্ষকরা। এতে করে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ওই সড়কে। পরে পৌনে ২টার দিকে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় আন্দোলনকারীদের সরাতে লাঠিচার্জ করেন পুলিশ সদস্যরা।

    সেইসঙ্গে জলকামানও ব্যবহার করেন তারা। পাওয়া যায় সাউন্ড গ্রেনেডের আওয়াজও। আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাওয়ার পর পৌনে ২টার দিকে সীমিত পরিসরে যানচলাচল শুরু হয়।

    এদিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা বলছেন, আমাদের নিয়োগ বাতিল করে যে রায় দেওয়া হয়েছে, সেটি বৈষম্যমূলক। এ সরকারই আমাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছে। আবার আমাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। এটি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা। আমরা চাই, দ্রুত যেন এ রায় বাতিল করে আমাদের নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

    এর আগে,গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলা-ফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করেন হাইকোর্ট।

    মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচার-পতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

     

  •  সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক ও রাহাত মালেক এর আয়কর নথি জব্দ 

     সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক ও রাহাত মালেক এর আয়কর নথি জব্দ 

    সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালেক ও তার ছেলে রাহাত মালেক এর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

    জাহিদ মালেকের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, জাহিদ মালেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

    জাহিদ মালেক একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত-আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পূর্ণাঙ্গ আয়কর নথি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

    রাহাত মালেকের আয়কর নথি জব্দের আবেদনে বলা হয়, রাহাত মালেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, দন্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

    রাহাত মালেক একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত-আয়ের সাথে অসঙ্গতি-পূর্ণ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার পূর্ণাঙ্গ আয়কর নথি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।

     

  • গাজীপুরসহ সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত

    গাজীপুরসহ সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে যৌথ বাহিনীর সমন্বয় অপারেশন ডেভিল হান্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শনিবার থেকেই গাজীপুর এলাকাসহ সারা দেশে এই অভিযান শুরু হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়। শুক্রবার রাতে গাজীপুরে ছাত্র-জনতার ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ঘটনায় শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণা-লয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, শনিবার থেকেই গাজীপুর এলাকাসহ সারাদেশে এই অভিযান শুরু হবে।

     

     

  • আর কোন হামলা নয়-প্রধান উপদেষ্টার

    আর কোন হামলা নয়-প্রধান উপদেষ্টার

    দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্পত্তিতে হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পত্তি এবং ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা হবে না তা নিশ্চিত করতে হবে।

    বিগত দিনের হামলা মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তারা দীর্ঘদিন হাসিনা সরকারের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। এসব তাদের এতদিনের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

    সরকার তাদের এই অনুভূতিকে বুঝতে পারছে। এমনকি ভারতে বসে হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশ সংস্কারে বাধা দিচ্ছে তাও মানুষকে ক্ষুদ্ধ করে তুলছে।” এ সময় তিনি বলেন, হাসিনার এসব কার্যকলাপের কারণেই জনগণের মনে ক্ষোভ বাড়ছে এবং এমন হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়েছে।”

    এর আগে বৃহস্পতিবার বিবৃতিতে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে কতিপয় ব্যক্তি ও গোষ্ঠী সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছে। সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ড শক্তভাবে প্রতিহত করবে।

     

     

  • থামুন! শান্ত হোন ! সরকারকে কাজ করতে দিন- মাহফুজ আলম

    থামুন! শান্ত হোন ! সরকারকে কাজ করতে দিন- মাহফুজ আলম

    ‘আমি জানি এ উত্তপ্ত মৌসুমে কেউ থামতে বলবে না আপনাদের। কিন্তু, আপনারা গালি দিলেও বলব, থামুন।’ বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

    তিনি লিখেন, থামুন! শান্ত হোন। সরকারকে কাজ করতে দিন। বিচার ও সংস্কার হবেই। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২৩ মিনিটে এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি।

    তিনি লিখেন, জনগণ এবার রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত হবার সুযোগ পেয়েছে। এখন গঠনমূলক রাজনীতির সময়। উত্তম বিকল্প দেখানোর সময়। প্রতিরোধের প্রয়োজনেই দরকার নিজেদের প্রশিক্ষিত, প্রাজ্ঞ ও স্থির করে তোলা। মাহফুজ আরো লেখেন, এটা দীর্ঘমেয়াদী লড়াই।

    প্রস্তুতি নিন, হঠকারিতা করবেন না। অভ্যুত্থানের ফসল নষ্ট করবেন না। শত্রুরা আপনাদের যেভাবে দেখতে ও দেখাতে চায়, সেপথে না যাওয়াই এ দেশের জন্য ভালো।

    তিনি বলেন, হাসিনার দিয়ে যাওয়া ট্রমা যেন আপনাদের ওপর ছায়া না ফেলে। আমরা একটা নতুন সমাজ ও রাষ্ট্র গড়বই। দীর্ঘপথ, কিন্তু আমাদের জাতির সামনে আর কোনো বিকল্প নাই।

  • সার্বিক পরিস্থিতির জন্য শেখ হাসিনার উস্কানিই দায়ী

    সার্বিক পরিস্থিতির জন্য শেখ হাসিনার উস্কানিই দায়ী

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজধানীতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙচুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার জন্য ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার উসকানিকে দায়ী।

    বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমীর তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, সার্বিক পরিস্থিতির জন্য পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার উসকানি মূলত দায়ী।

    মনে রাখতে হবে, শেখ হাসিনা কখনোই বাংলাদেশের মানুষকে অন্তরে ধারণ করে না। এটি তার ঘৃণিত স্বভাব। ওই স্ট্যাটাসের কিছুক্ষণ আগে একটি স্ট্যাটাস দেন ডা. শফিকুর রহমান। সেখানে দেশবাসীকে কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    সেখানে জামায়াত আমীর লিখেছেন, বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক দায়িত্ব শীল নাগরিকবৃন্দের আহ্বান- কোনো উসকানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য ধরুন এবং প্রিয় দেশকে ভালোবাসার নমুনা প্রদর্শন করুন।

  • জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন চূড়ান্ত হবে

    জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন চূড়ান্ত হবে

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে ছয় সংস্কার কমিশনের দেওয়া প্রস্তাবিত সুপারিশ ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার চূড়ান্ত হবে।

    আর সংস্কার চূড়ান্ত করার পর সবাই জুলাই চার্টার (সনদ) স্বাক্ষর করবে এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

    শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ছয়টি সংস্কার কমিশন প্রধানকে নিয়ে ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছেন। এ কমিশনের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী রিয়াজ। অন্যান্য পাঁচ কমিশন প্রধানরা এর সদস্য।

    এই ছয় সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত সুপারিশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের সঙ্গে আলোচনা ও কথাবার্তা বলবেন। তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে কতটুকু সংস্কার এখনই করতে হবে, কতটুকু পরে করা যাবে, এখনই যা করা হবে তা করতে হলে সাংবিধানিক রিফর্ম প্রয়োজন হবে (কিছু কিছু সংস্কার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে করা সম্ভব হবে) তা ঠিক করা হবে।

    প্রেস সচিব বলেন, বিস্তারিত আলোচনার পর অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল ও সুশীল নাগরিকদের সবার মতামতের ভিত্তিতে যেসব সংস্কার নিয়ে সবাই ঐকমত্যে পৌঁছাবে, সেগুলোতে সবাই স্বাক্ষর করবেন। এ স্বাক্ষরের মাধ্যমে যতগুলো সংস্কার চূড়ান্ত হবে, তাই হবে জুলাই চার্টার।

    এই জুলাই চার্টারের কিছু বাস্তবায়ন অন্তর্বর্তী সরকার করবে, আর কিছু পরবর্তী সরকার এসে করবে। আর এ বাস্তবায়নের ওপরই নির্ভর করবে আগামী নির্বাচন এ বছরের ডিসেম্বরে হবে, নাকি আগামী বছরের জুনের মধ্যে হবে। সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল আলম বিচার বিভাগ সংস্কার প্রতিবেদন নিয়েও কথা বলেন।

    এই ব্রিফিংয়ে ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, অপূর্ব জাহাঙ্গীর ও সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

  • ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বিক্ষোভ, ভাঙচুর

    ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বিক্ষোভ, ভাঙচুর

    রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ‌শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরে গিয়ে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেছে ২৪-এর বিপ্লবী ছাত্র-জনতা। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এ সময় বিক্ষোভ কারীরা বাড়িটিতে ঢুকে ভাঙচুর করেন।

    ভারতে থাকা শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণের ঘোষণার পাল্টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বুলডোজার মিছিলের ডাক দেওয়ার পর গেট ভেঙে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ঢুকে পড়েন ছাত্র-জনতা।

    মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার রাতে ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার, যিনি ৫ আগস্টের পর থেকে ভারতে পালিয়ে আছেন।

    তবে বিষয়টি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া আসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দো-লনের পক্ষ থেকে, যাদের নেতৃত্বে গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছিল।

    সংগঠনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, হাসিনাকে বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ দেওয়াকে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদ-বিরোধী জনগণের বিরুদ্ধে ভারতের যুদ্ধ হিসেবে দেখি।

    বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফেসবুকে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, আজ রাতে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদের তীর্থভূমি মুক্ত হবে।”

    এর আগে, গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পাশাপাশি দেশ ছেড়ে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    এ খবর পাওয়ার পরপরই বিকেলে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছিল উত্তেজিত জনতা।

     

     

  • এবার নতুন ভোটার ৫০ লাখ

    এবার নতুন ভোটার ৫০ লাখ

    ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    আখতার আহমেদ বলেন, এবারের হালনাগাদে ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৮৮ জন নতুন ভোটার যুক্ত হচ্ছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য ছিল ৬১ লাখের কিছু বেশি।

    তিনি আরো বলেন, ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটার বাদ পড়েছেন ১৫ লাখ ২৩ হাজার। যা শতকরা হিসাবে ১.৭৭ শতাংশ। তার ভাষ্য, ‘এবার ১৬ লাখ নারী, ভোটার হতে নিবন্ধন করেছেন।

    চলমান হালনাগাদ কর্মসূচিতে যারা বাদ পড়েছেন তাদেরও যুক্ত করা হবে তালিকায়। নিবন্ধন চলবে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত।