Category: সারাদেশ

  • মান্নান-রব-মরণ রহস্যে ঘেরা একই ব্যক্তি!

    মান্নান-রব-মরণ রহস্যে ঘেরা একই ব্যক্তি!

    শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার (রামভদ্রপুর) পাচালিয়া গ্রামের মৃত আ: আজিজ সিকদারের পুত্র আ: মান্নান সিকদারের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৫ মে। পিতার মৃত্যু পরবর্তী তার অপর ওয়ারিশদের ঠকিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের লক্ষে তিনি কখনো আ: রব সিকদার বা মরণ সিকদার নাম ব্যবহার করে আসছেন। এমনি ভাবে প্রায় ৭ একর জমির একতরফা ভোগ দখলে রেখে মালিকানাবনেছেন। এমন অভিযোগ করেছেন আজিজ সিকদারের অপর পুত্র নুর মোহাম্মদ সিকদার।

    লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আ: আজিজ সিকদার ব্রিটিশ শাসনা মলে আর্মি সদস্য ছিলেন। তিনি অবসর গ্রহণের পরে ১৯৫১ সনে একটি সরকারি জমির মালিকানা দখল করেন। সেই জমি নিয়ে ফরিদপুর আদালতে ১৩/১৯৫১ নং দেওয়ানী মোকদ্দমা হয়। সেই মামলার বিবাদী হয় আ: আজিজ সিকদার।

    তিনি মৃত্যু বরণ করার পরে তার বড় ছেলে আব্দুর রর সিকদারের নামে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব চলে যায়। কিছুদিন পরে রর সিকদার মৃত্যু বরণ করায় মান্নান সিকদার রব সিকদারের ভুমিকায় অভিনয় শুরু করে। সেই আব্দুল মান্নন সিকদার কখনো রব সিকদার আবার কখনো মরণ সিকদারের ভুমিকায় চরিত্র বদলায়।

    অভিযোগকারী নুর মোহাম্মদ সিকদার জানায়, মান্নান সিকদার নিজেকে রব সিকদার দাবী করে প্রায় ৭ একর জমি দখলে রেখেছে। দীর্ঘদিনে তিনি ধন-সম্পত্তি ও প্রভাব প্রতিপত্তির অধিকারী হয়েছেন। এখন তার প্রভাবে আমি জমির কাছেও ভিরতে পারি না। মান্নানের ছেলে নুরে আলম জাতীয় পরিচয় পত্রে ব্যবহার করে পিতার নাম আব্দুল মান্নান সিকদার।

    অপর ছেলে মোবারক ব্যবহার করে আব্দুর রব সিকদার। কখনো আবার রব ও মান্নান হয়ে যায় মরণ সিকদার। আমার মেয়েরা প্রকৌশলী লাইনে পড়াশুনা করেও মান্নান সিকদারের কারণে বিয়ে দিতে পারছি না। আমাকে জমির কাছেও যেতে দেয় না। আমার মেয়েদের বিয়ের প্রস্তাব আসলে তাদের সম্পর্কে মান্নান খারাপ বলে বিয়ে ভেঙ্গে দেয়।

    কার্তিকপুর বাজারের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বেপারীসহ অন্যান্যরা জানায়, মান্নান সিকদারও কার্তিকপুর বাজারে ব্যবসা করে। আমরা তাকে মনা সিকদার নামে চিনি। সে রব সিকদার কিনা আমাদের জানা নাই।

    এই বিষয়ে অভিযুক্ত মান্নান-রব ওরফে মরণ সিকদার জানায়, রব সিকদার নামে তার কোন ভাই ছিল না। সে নিজেই মান্নান সিকদার। তার এক ছেলে নুরে আলম স্কুলে ভর্তি হতে গেলে শিক্ষক পিতার নাম মান্নান সিকদার লিখে নেয়।

    অপর ছেলে মোবারক সিকদারের জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম আব্দুর রব রয়েছে। তবে মরণ সিকদার হয় কিভাবে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, একটি জমির ক্রয় মালিকানা রেজিস্ট্রির সময় আমি সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি। তখন কেউ আমার নাম মরণ সিকদার লিখে দেয়।

    সেই থেকে আমিই মান্নান সিকদার, রব সিকদার ও মরণ সিকদার। এছাড়া আমার ভিন্ন কোন উদ্দেশ্য নাই। যে জমির মালিকানা হওয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে সেই জমি আমি নিজের পরিশ্রমে অর্জণ করেছি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিন্টুর খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিন্টুর খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গায় মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া আব্দুল হাকিম পিন্টুর খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার ও নির্যাতনের শিকার এলাকাবাসী।

    রবিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যা-লয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসুচীতে চরবাগডাঙ্গার খুনের শিকার পিন্টুর পরিবার ও একই এলাকায় একাধিক হত্যাকান্ডের শিকার পরিবার এবং এলাকার নির্যাতিত-নিপীড়িত সাধারণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা অংশ নেয়।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত পিন্টুর বাবা মামলার বাদী মোঃ হুমায়ন, পিন্টুর বোন মোসাঃ জান্নাতুন খাতুন, চাচা রফিকুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম, আরেক হত্যাকান্ডের শিকার জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বাদী মোসাঃ মিলিয়ারা, স্থানীয় শওকত আলীসহ অন্যরা।

    বক্তারা বলেন, পিন্টু হত্যার প্রায় দেড়মাস পার হলেও পুলিশ মামলায় এপর্যন্ত ৩জনকে গ্রেফতার করলেও মূল হোতা শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর সক্রিয় সন্ত্রাসীরা এখনো গ্রেফতার হয়নি।

    অন্যদিকে, টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন মামলা তুলে নিতে নানাভাবে হুমকি দেয়া অব্যাহত রেখেছে। ভূক্তভোগী পরিবার আতংকে দিন কাটাচ্ছে। খুনিরা গ্রেফতার না হওয়ায় চরম হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারগুলো।

    মাদক স¤্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য পিন্টু হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবী জানান বক্তারা।

    উল্লেখ্য, মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান শাহিদ রানা টিপুর নেতৃত্বে তাঁর সহযোগিরা চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি মোন্নাপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সাবের আলীর ছেলে মোঃ হুমায়ন (৬০) এর ছেলে আব্দুল হাকিম পিন্টুকে এবছর ১২ জানুয়ারী রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে চরবাগডাঙ্গার সোনাপট্টির পাশে লতিব মিনিস্টারের বাগানে কুপিয়ে-পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়।

    ঘটনা জানতে পেরে পরিবার ও এলাকার লোকজন আব্দুল হাকিম পিন্টুকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশংকাজনক হলে পিন্টুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পিন্টুর অবস্থা বেগতিক হতে থাকে। শেষে ২৩ জানুয়ারী দুপুর ২ টার দিকে চিকিৎ সাধিন অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়।

    রাজশাহী মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে এসে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। এঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সাবের আলীর ছেলে মোঃ হুমায়ন চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর থানায় ২৩ জানুয়ারী দিবাগত রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

  • সাটুরিয়ায় ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

    সাটুরিয়ায় ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ডেভিল হান্ট অপারেশনের ৩০তম দিনে মোঃ লিটন (৪২) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সাটুরিয়া থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মার্চ) রাতে হরগজ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোঃ লিটন সাটুরিয়া থানার হরগজ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক, হরগজ দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন বেপারীর ছেলে।

    পুলিশ জানান, ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বিজয় মিছিলের সময় দড়গ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    অপর দিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৭ সেপ্টেম্বর বিএনপি’র নেতা মো: শাহিন খান বাদি হয়ে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের ৩৮জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামী করে সাটুরিয়া থানায় মামলা করেন। উক্ত মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, সারা দেশব্যাপী ডেভিল হান্ট অপারেশনের ত্রিশতম দিনে সাটুরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, ডেভিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা মোঃ লিটনের দরগ্রাম মামলার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

  • টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগ নেতার বাসা দখল করে পাগলের আশ্রম !

    টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগ নেতার বাসা দখল করে পাগলের আশ্রম !

    টাঙ্গাইলের কালীবাড়ি এলাকায় এক তরুণী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয়ে সাবেক সংসদ সদস্যের(ভিপি জোয়াহের) ছয় তলা ভবন দখল পাগলের আশ্রম করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐ তরুনীর নাম মারইয়াম মুকাদ্দাস মিস্টি। শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে তিনি তালা ভেঙে ২০ জন পাগল নিয়ে ওই বাসায় ঢুকেছেন।

    বাসা দখলের বিষয়ে মারইয়াম মুকাদ্দাস মিস্টি জানিয়েছেন, ফেসবুকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল—আওয়ামী লীগের সব নেতার বাড়িতে পাগলদের জন্য আশ্রম গড়ে তোলা হবে। তার অংশ হিসেবে তলা ভবনে তালা ভেঙে প্রবেশ করা হয়েছে এবং এই বাসায় আল মুকাদ্দাস ফাউন্ডেশনের ২০ জন পাগলকে রাখা হয়েছে।

    মিস্টি বলেন, এটাকে জবরদখল বলা যাবে না। কারণ, কোনো ব্যক্তি বিশেষের ব্যবহারের জন্য ভবনটি নেওয়া হয়নি। সমাজে অবহেলিত পাগলদের জন্য আশ্রম করা হচ্ছে। অন্য সমন্বয়করা এতে সমর্থন দিয়েছেন।

    এ দিকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আবাসিক এলাকায় পাগলের আশ্রম তৈরি করায় অস্বস্তি তারা অস্বস্তিতে আছেন কিন্তু প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইল জেলার সমন্বয়ক আল আমিন বলেছেন, মারইয়াম মুকাদ্দাস মিস্টি নামের এক জন সমন্বয়ক পরিচয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বাসায় পাগলের আশ্রম করেছেন বলে শুনেছি। এটাকে কোনোভাবেই সমর্থন করি না। এটা ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনের মূল স্পিরিটের সঙ্গে যায় না। বর্তমানে কেউ সমন্বয়ক পরিচয় দিতে পারবেন না। কারো বাড়ি দখল করার কোনো কার্যক্রম হাতে নিইনি আমরা। কেউ এরকম কাজ করলে, অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন। যেহেতু, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীরা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে ফেলেছেন, সেহেতু এখন ছাত্র প্রতিনিধি বা সমন্বয়ক বলতে আর কিছু থাকে না।

    উল্লেখ্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের বাসায় ডুকে লুটপাট ও ভাঙচুর চালায়। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) সপরিবারে আত্মগোপনে আছেন।

     

     

  • রমজানের প্রশিক্ষণ বাকি এগারো মাস অনুসরণ করতে হবে- অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন 

    রমজানের প্রশিক্ষণ বাকি এগারো মাস অনুসরণ করতে হবে- অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন 

    স্টাফ রিপোর্টারঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা (উঃ) অঞ্চল সহকারী পরিচালক, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন ঢাকা অঞ্চল তত্বাব-ধায়ক, মানিকগঞ্জ ৩ নং আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন বলেছেন, মানব জাতির জন্য সংবিধান হিসেবে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস রহমত বরকত মাগফিরাত পূর্ণ রমজানের শিক্ষা সারা বছর মুমিনদের  বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমল করতে হবে।

    যেসব হারাম কাজ থেকে রমজান মাসে বিরত থাকতে হয় তা থেকে বারোমাস মুক্ত থাকতে পারলে ত্বাকওয়া অর্জন হবে এই উদ্দেশ্যে আল্লাহ তায়ালা রোজা রাখা ফরজ করেছেন। শুক্রবার মানিকগঞ্জের গোলড়া শিল্পাঞ্চল এলাকায় জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত “মাহে রমাদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিপুল সংখ্যক, ব্যবসায়ী,  শিল্প শ্রমিক সহ স্থানীয় কয়েক’শো রোজাদার মুসুল্লি অংশ গ্রহণ করে।

    ইফতার মাহফিলে জামায়াত নেতা মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং  মোঃ আসাদুজ্জামান এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ মোঃ আবু তাহের, মানিকগঞ্জ জেলা জামায়াতের  মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান ইন্জিনিয়ার মোঃ মুসলেহ উদ্দিন, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মুঃ ফজলুল হক,  সদর উপজেলা সেক্রেটারী মানিকগঞ্জ জজকোর্টের বিজ্ঞ এপিপি এডভোকেট মোঃ সালাহউদ্দিন।

    জননেতা মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন তার বক্তব্যে, রাষ্ট্র ব্যবস্থার সকল সেক্টরে, আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, নির্বাহী প্রশাসন, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, ব্যবসা বানিজ্য, শিক্ষা নীতি, শিল্প নীতি, যাকাত ভিত্তিক অর্থনীতি চালু সহ  কুরআানের আইন দিয়ে দেশ পরিচালনায় যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালনের আহবান করেন।

    উপস্থিত রেজাদার মুসুল্লিদের এ মাসে বেশি বেশি করে কুরআন অধ্যয়ন, হাদিস ও ইসলামি সাহিত্য পাঠ, ফরয ইবাদতের পাশাপাশি তাহাজ্জুদ নামাজ পরা, সামর্থানুযায়ী  দান-সদাকা, কিয়ামুল লাইল ইত্যাদির মাধ্যমে আত্মসূদ্ধির আহবান জানান।

  • ধামরাইয়ে নিরীহ কৃষকদের মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    ধামরাইয়ে নিরীহ কৃষকদের মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ও সীমান্তবর্তী ধামরাই উপজেলার সহজ-সরল নিরীহ এলাকাবাসী শাহজাহান সিরাজ,মামুন হোসেন,সুজন মিয়া ও শফিকুল ইসলাম রাজু গংদের বিরুদ্ধে শত্রুতা ও বিদ্বেষমুলক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষে মিথ্যা মামলা ও হুমকি প্রদানের প্রতিবাদে তথাকথিত হাতুরে ডাক্তার,পরশ্রীকাতর ও মামলাবাজ সামচছুল হকের বিচার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গতকাল শনিবার উপজেলার সীমান্তবর্তী দ্বিমুখা বাজারের কাজল মার্কেট নামক স্হানে ভুক্তভোগী পরিবার ও গ্রামবাসী এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। মানববন্ধন চলাকালে ভুক্তভোগী পরিবার ও গ্রামবাসীর মধ্যে বক্তব্য রাখেন,সাংবাদিক রাশেদুল হক, ভুক্তভোগী-ফার্মাসিস্ট সুজন মিয়া, শফিকুল ইসলাম রাজু, শাহজাহান সিরাজ,মামুন হোসেন প্রমুখ।

    উক্ত মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ থেকে পালিয়ে গেলেও তাদের দোসর তথাকথিত হাতুরে ডাক্তার,পরশ্রীকাতর ও মামলাবাজ সামচছুল হক। মামালাবাজ সামচছুল হকের বিচার ও শাস্তির দাবীতে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

    তারা আরো বলেন,তার গজনা গ্রামের নিজের বসানো মুড়ি বাজার মেশিনের বিভিন্ন মালামাল নিজে চুরে করে এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে একাধিক গ্রামবাসীকে হয়রানি করেছেন।

  • পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত-১

    পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত-১

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভিতরগড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আল আমিন (৩৮) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন । শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল শেখ বদরুদ্দোজা জানান, আজ ভোরে আবালুপাড়া নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। আল আমিনের বাড়ি হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাত পাড়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার সুরুজ আলীর ছেলে।

    বিজিবি ও এলাকাবাসী জানান, আল আমিন দীর্ঘদিন ধরে গরুর ব্যবসা করেন। ভোরে আল আমিনসহ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে গরু আনতে যান। গরু নিয়ে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে বিএসএফের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। বিএসএফের দাবি, বাংলাদেশিরা তাদের দেশি অস্ত্রে হামলা করতে গেলে আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় বিএসএফ। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আল আমিন নিহত হন।

    পরে বিএসএফ তার লাশ ভারতে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সকালে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭ এস এলাকায় ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধিনায়কের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেন। লেফটেন্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা বলেন, পতাকা বৈঠকে আমরা এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে লাশ ফেরতের আহ্বান জানিয়েছি।

     

  • টাঙ্গাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে যুবককে অপহরণ করে চাঁদা দাবি

    টাঙ্গাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে যুবককে অপহরণ করে চাঁদা দাবি

    টাঙ্গাইলে অপহরণের পর বিকাশের মাধ্যমে চাঁদা দাবির অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ মার্চ) দুপুরে তাদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে শহরের থানাপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    এসময় মোমিনুল ইসলাম (৩৩) নামে অপহৃত একজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ব্রাহ্মণ কুলিয়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে আল আমিন তালুকদার (৩২) ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের মিজান মিয়ার ছেলে কুতুব উদ্দিন রনি (২৮)।

    পুলিশ জানায়, মোমিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন শহরের রেজিস্ট্রার পাড়ার ওষুধ কোম্পানিতে বিক্রয় কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করতেন। এ সুবাদে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রিয়া মনি নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়।

    গত বুধবার রাতে রিয়া মনি মোমিনুলকে শহরের শান্তিকুঞ্জ মোড়ে ডেকে আনেন। পরে তার সঙ্গে থাকা দুইজন মোমিনুলকে জোরপূর্বক শহরের থানাপাড়ায় ফ্ল্যাটে নিয়ে আটকে রেখে মারধর করে। একপর্যায়ে অপহরণকারীরা দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

    পরবর্তীতে তারা বাড়ি থেকে নগদ টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ দেয়। অপহরণকারীরা মোমিনুল ইসলামের সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে বলে বাড়িতে ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা দিতে বলে। পরে মোমিনুলের বাবা মোহাম্মদ আলী প্রথমে বিকাশে পাঁচ হাজার টাকা দেন।

    পরে তার স্ত্রী গত বৃহস্পতিবার বিকাশের মাধ্যমে আরও ১০ হাজার টাকা দেন। বাকি টাকার জন্য তারা মোমিনুল ইসলামকে মারধর ও নির্যাতন করে। এভাবে বিকাশের মাধ্যমে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। বাকি টাকা দিতে হুমকি দেয় অপহরণকারীরা।

    বিষয়টি পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোমিনুল ইসলামকে উদ্ধার করে। এসময় দুইজনকে আটক করা হয়। অন্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

    এ বিষয়ে টাঙ্গাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানবীর আহমেদ  বলেন, এ ঘটনায় মোমিনুল ইসলাম রাতে বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন। গ্রেফতারদের শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

     

     

  • সাটুরিয়ায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যা !

    সাটুরিয়ায় ফাঁস দিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যা !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ব্যথার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক বৃদ্ধা ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (০৬ মার্চ) দুপুরে উপ-জেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের হাজিপুর দেওনাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধার নাম ছামেলা বেগম।  সে দেওনাপাড়া গ্রামের সামছুল হকের স্ত্রী।

    পরিবারিক সূত্র জানায়, ছামেলা বেগম দীর্ঘদিন যাবৎ হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগে ভোগ ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যথার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে নিজের ঘরের পাশের গোয়াল ঘরের আড়ার‌ সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

    সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

  • ৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

    ৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

    বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য চলতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৮ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। আজ বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন- মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী (মরণোত্তর), বিজ্ঞানী অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, পপ সম্রাট আজম খান (মরণোত্তর), কবি আল মাহমুদ (মরণোত্তর), বামপন্থি রাজনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর, ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), ভাস্কর নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর) ও বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

    উল্লেখ্য, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, সম্মানীর অর্থের চেক ও একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।