Category: সারাদেশ

  • `শারদীয় দূর্গোৎসব’

    `শারদীয় দূর্গোৎসব’

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আনন্দ আয়োজন শারদীয় দূর্গোৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশাল জনগোষ্ঠীর অনেক আনন্দ, উল্লাস এবং বিনোদনের আনুষ্ঠানিকতা লক্ষ করা যায় এমন উৎসবে। শুভ মহালয়া থেকে চণ্ডীপাঠ, মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণ জানায় ভক্তকুল।

    অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার করার লক্ষ্যে মর্ত্যে আসে দেবী দুর্গা। তাদের পূজা মণ্ডপে মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী এবং মহানবমীতে সকল হিন্দু সম্প্রদায় অর্থাৎ হাজার হাজার নারী-পুরুষ ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠান পালন করে।

    বলা দরকার, হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী দুর্গা পূজার দিন ক্ষণ গণনা শুরু হয় মহালয়ার দিনে অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবে আনন্দকে কেন্দ্র করে। তাই এ দূর্গোৎসব হিন্দুদের অবশ্যই বিশুদ্ধ পঞ্জিকার আলোকেই নির্ধারণ করা হয়। শারদীয় দুর্গোৎ​সবের শুভ দশমীটাই তাদের কাছে শেষ দিন।

    আর এই শুভ বিজয়ার দশমীতে পূজা সমাপন করে এবং দেবী দুর্গাকে বিসর্জনে ব্যাস্ত সকল হিন্দু সম্প্রদায়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে তারা এদেশ ও সারা বিশ্বে ৩০ সেপ্টেম্বর সনাতন ধর্মীয় জনগোষ্ঠী সকল মানবের চাহিদাকে পুরনের লক্ষে সর্ব বৃহৎ দেবী দুর্গাকে মণ্ডপে দাঁড় করানোর বাসনায় জাগ্রত হন।

    পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তারা মহানবমী উপলক্ষে অনেক পূজা মণ্ডপে আরতি প্রতিযোগিতা এবং প্রসাদ বিতরণ করে। দশমীতে সব মণ্ডপে থাকে বিষাদের সুর। কারণ, তাদের শুভ বিজয়া দশমীর এই দিনে দূর্গাকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে স্বামী গৃহে ফিরে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা।

    সুতরাং এই দিনে বাহির হয় ভক্তদের শোভাযাত্রা, দেবী দুর্গাকে বিদায়ের মাধ্যম হিসেবে জলে নৌকা নয়তো স্হলে রংবে রংয়ের ট্রাকে সাজ সজ্জা ঘটিয়ে আনন্দ উল্লাস করে হিন্দু সম্প্রদায়। বিদায় বেলায় শত সহস্র ভক্তদের আনন্দ-উল্লাসে আর বিজয়ার অশ্রুতে আকাশ বাতাস কম্পিত হয়ে উঠে।

    দেবী দুর্গাকে স্বর্গালোকে এমন বিদায় দেয়ার আয়োজন সত্যিই সনাতন বিশ্বাসী ধর্মাবলম্বীদের গভীর আত্তায় শঙ্খ ধ্বনি এবং ঢাকের তালে তালে কম্পিত হয়। তাদের এমন দেবী দূর্গাকে বিদায়ের সুরের সাথে সঙ্গী সাথী করে গবীব দুখীকে।

    তবে এবারে দূর্গা দেবীর বিদায় নেওয়াটা অবশ্যই ঘোটক বা ঘোড়া কেন্দ্রিক অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে দেবী দুর্গা গমন করবে স্বর্গালোকে। সেহেতু এমন বিদায়ের ফল শ্রুতিতে অনেক রোগ-ব্যাধি বাড়বে বৈকি এবং অনেক ফসল নাকি নষ্টও হবে। সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীদের এমন ধারনা এবং তাদের বিশুদ্ধ পঞ্জিকায় তার যথাযত সত্যতার প্রমাণ মিলে।

    তবে দেবী দূর্গা এসেছিল নৌকায় চড়ে, ধর্মের আদর্শ বার্তা নিয়ে বছর ঘোরে বারংবার দেবী দূর্গা আসে মর্ত্যলোকে অর্থাৎ পৃথিবীতে। এজগতের মঙ্গল কামনায়, তাই বিশ্বাসী হিন্দু সম্প্রদায় বলেন, এমন আগমনের ফলেই অতি বৃষ্টি ও শস্য বৃদ্ধি হবে।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার হাজার নারী-পুরুষ ধর্মীয় এমন অনন্দে ঘরে ঘরে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্যে আপ্যা-য়নে তৈরী করে জল-তিল-অন্ন। এমন উৎসর্গ তাদের অনেক আনন্দ দান করে। তারা মনে করে, পিতৃ পক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসে। মৃত আত্মীয়-পরিজন এবং তাদের পূর্ব পুরুষদের আত্মার প্রতি মঙ্গল কামনা করার একটি শুভ দিন।

    সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীরা এই দেবীপক্ষকে সবচেয়ে শুভ দিন মনে করেই নতুন নতুন পোষাক ও সামর্থ্য অনুযায়ী ভাল ভাল খাবার তৈবী করে। এ সময় তারা সব ধরনের শুভ কাজ সম্পন্ন করে থাকে। পুরাণের কথায় বলা যায়, অসুর শক্তির নিকট পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হয়েছিল। চারদিকে অশুভের প্রতাপ। তাই এ অশুভ শক্তিকে ধ্বংস বা বিনাশ করতেই একত্র হন দেবতারা। অসুর শক্তির বিনাশে অনুভূত হয়েই এক মহা শক্তির আবির্ভাব।

    সুতরাং সেই দেবতাদের তেজরশ্মি থেকেই আবির্ভূত এক বৃহৎ শক্তি তিনিই হলেন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা। পুরাণ মতে বলা যায়, রাজা সুরথ প্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেছিল। বসন্তে তিনি এ পূজার আয়োজন করায় দেবীর এ পূজাকে বাসন্তী পূজাও বলা হয়। কিন্তু রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে শ্রীরামচন্দ্র দুর্গা পূজার আয়োজন করেছিল।

    শরৎ কালের এ পূজাকে হিন্দুদের মতে বলা চলে, অকালবোধন। তাদের ধর্ম মতে, এ দিনেই দেব-দেবীকুল দুর্গা পূজার জন্য নিজেদের জাগ্রত করে। মহালয়ার দিনে সূর্য উদয়ের আগেই শঙ্খধ্বনি এবং চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে মন্দিরে মন্দিরে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, নির্বিশেষে সকল হিন্দু সম্প্রদায় দেবী দূর্গাকে আবাহন জানায় এবং উল্লসীত সুরেলা কন্ঠে জয়ধ্বনি তোলে “দূর্গা মাইকি জয়”।

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,  প্রধান সমুন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি, সাটুরিয়া উপজেলা শাখা ।

  • বাংলাদেশের বাস্তবতায় কাজ করা কঠিন: সিইসি

    বাংলাদেশের বাস্তবতায় কাজ করা কঠিন: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “বাংলাদেশে কাজ করা খুবই ডিফিকাল্ট (কঠিন)। পার্টিকুলারলি যেই অবস্থার মধ্য দিয়ে দেশ যাচ্ছে, তাতে কাজ আদায় করে নেওয়া কঠিন। কিছু কিছু পক্ষের লোকের জন্য খুব সুবিধা, আর বেশিরভাগ পক্ষের লোকের জন্য ডিফিকাল্ট। এই সিচুয়েশনে আমরা এখন এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি।”

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠানে নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন আরো বলেন, “আপনারা ওয়াদা করেছিলেন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং প্রফেশনালি কাজ করবেন। আইন মেনে কাজ করবেন।”

    সিইসি বলেন, “আমরা ইলেকশনের জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছি এবং বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে কাজ করছি। এতে আমরা অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি।”

    কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, “আমি চাই কোনো দলের পক্ষে হয়ে কেউ কাজ করবেন না। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না এবং আপনারা আজকে ওয়াদা করলেন—যেকোনো ব্যক্তি বা পক্ষের পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে আপনারা কোনো কাজ করবেন না।”নির্বাচনি কর্মকর্তাদের সিইসি বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ আইন ও বিধি মোতাবেক, সঠিক কাজটি সঠিকভাবে করার নির্দেশনা দেব। কাজটা সঠিকভাবে আপনারা করছেন এবং সেটা যে আপনারা সঠিকভাবে করছেন, তা আমরা নিশ্চিত করব।”

    এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “সিভিল সারভেন্ট ইজ এ পলিটিক্যাল পারসন। হি মাস্ট বি পলিটিক্যাল। বাট হি অর শি শুড বি নন পার্টিশন। আপনি কোনো দল করতে পারবেন না, কিন্তু ভোটটা একজনকে দেবেন।”

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “এই নির্বাচন একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সুতরাং, আমাদের বিশেষভাবেই এটা মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষ ভাবেই এইটা ফেস করতে হবে, বিশেষ অ্যারেঞ্জমেন্টের মাধ্যমেই এটাকে আমদের এগিয়ে নিতে হবে।”

    ‘আগামী নির্বাচন ঐতিহাসিক হবে’ উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “অতীতে যা-ই করে থাকুন, আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা এটা পারি। এর কোনো ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমি এটা নিশ্চিত করব।”

    একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং জাতি হিসেবে এই মুহূর্তে একটা সময়ের ক্রস রোডে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা এই যে অবস্থায় আছি, এর সম্ভবত এক নম্বর কারণ নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়া।”

    ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “আপনারা একবার চোখ বন্ধ করে চিন্তা করেন, ভালো নির্বাচন হলে কি এ ধরনের ঘটনা ঘটত? আমরা এ ধরনের নির্বাচন করব না, নির্বাচনের অংশ হব না। এই নির্বাচন কমিশন কখনোই আপনাদের পক্ষপাতদুষ্ট কোনো নির্বাচনের নির্দেশনা দেবে।”

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো চাপ কোনো ইনসট্রাকশন কোনো ধরনের ইনিয়ে বিনিয়ে কিছু বলা হবে না। আইন অনুযায়ী সুষ্ঠ নির্বাচন হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। স্বচ্ছ নির্বাচন হতেই হবে।”

    ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “নির্বাচনের ব্যাপারে, নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে অনেক অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন ভালো নির্বাচন করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বিকল্প নেই।”

    বিগত তিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে ইসি তাহমিদা আহমদ বলেন, “বিগত দিনে যেটা হয়েছে, আমরা দেখেছি, আপনারা দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। আপনাদের অবস্থা ছিল হৈমন্তী শুক্লার গানের মতো ‘আমার করার কিছুই ছিল, না চেয়ে চেয়ে দেখলাম’ এর মতো, কিন্তু এবার হবে উল্টো।

    মানে চেয়ে চেয়ে দেখার আর সময় থাকবে না। আপনারা খালি কাজ করতেই থাকবেন। তবে এটাও ঠিক, আমরা সবাই কি চেয়ে দেখেছিলাম? আমরা কেউ কেউ তো আবার একটু বেশি উৎসাহী হচ্ছিলাম।”

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “অতীতের যেকোনো নির্বাচনের থেকে আসন্ন নির্বাচন চ্যালেঞ্জের। আমরা নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করতে চাই।”

    আখতার আহমেদ বলেন, “ইসির চ্যালেঞ্জ দুটি। একটি হলো এআইয়ের অপপ্রয়োগ, আরেকটি প্রবাসীদের ভোটাধিকার। আমরা প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করব। ধাপে ধাপে কাজ করছি, ওভারনাইট কিছু হবে না।

    আমরা কাজ করে সব কিছু আদায় করতে চাই। ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই, এটির জন্য জাতি আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কোনো কৃপণতা নেই। আমরা চেষ্টা করছি সব কাজ ভালোভাবে করতে।”

    নির্বাচনে এআইয়ের অপব্যবহার এবং পোস্টাল ভোটিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলেও জানান ইসি সচিব।

  • ‘জুলাই বিপ্লবের এক নম্বর কারণ পচা নির্বাচন’

    ‘জুলাই বিপ্লবের এক নম্বর কারণ পচা নির্বাচন’

    নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের যে কারণে হয়েছে তার এক নম্বর কারণ পচা নির্বাচন ও নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়া।

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মিলনায়তনে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা সময়ের ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছে। তার এক নম্বর কারণ নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়া। যে সব কারণে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে তার প্রধান কারণ দেশে ভালো নির্বাচন না থাকা। চোখ বন্ধ করে দেখেন, জুলাই আন্দোলন কেন হলো, তার প্রধান কারণ পচা নির্বাচন বা নির্বাচনের নামে প্রহসন।’

    মাঠ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আমরা আর কখনো পচা নির্বাচন করবো না। পক্ষপাতমূলক দুষ্ট নির্বাচনের জন্য ইসি আপনাদের চাপ দেবে না, ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলবে না। নির্বাচনে যদি কেউ অনিয়ম করে তাহলে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে, ইসি কোনো দায়িত্ব নেবে না।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিনা আহমেদ, আনো-য়ারুল ইসলাম সরকার, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ প্রমুখ।

  • মানিকগঞ্জে মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার-৩

    মানিকগঞ্জে মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার-৩

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় মাদকদ্রব্য ও ওয়ারেন্টের তালিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩০ পিস ইয়াবা ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি ও এক ওয়ারেন্টের প্রাপ্ত আসামিসহ ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে সাটুরিয়া থানা পুলিশ।

    শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে ভান্ডারীপাড়া এলাকায় রুবেল হোসেনের বারড়ীর নামকস্থান থেকে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে তাদের মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার পশ্চিম কাউন্নারা গ্রামের মো: ইনাম আলীর ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৩), একই গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২১)ও ওয়ারেন্টের প্রাপ্ত আসামী মো: সাকিল হোসেন।

    সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা,মানিকগঞ্জ এবং আশেপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।

  • আলমের টাকা শুধু হাসিনা খান না- ব্যারিস্টার ফুয়াদ

    আলমের টাকা শুধু হাসিনা খান না- ব্যারিস্টার ফুয়াদ

    আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, এস আলমের টাকা শুধু হাসিনা খান না। বাংলাদেশের বিভিন্ন দলের অনেক নেতাকর্মী সেই টাকায় ব্যবসা করছেন, ভোগ-বিলাসে মেতেছেন, এমনকি তাদের সন্তানদের দেশ-বিদেশে পড়ালেখা করাচ্ছেন।

    শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে মানিকগঞ্জ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্তম্ভ প্রাঙ্গণে দায় ও দরদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ২.০ গড়ার প্রত্যয়ে জুলাই গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, কারা কারা এই দেশে বিভিন্ন ব্যানারে ঘাপটি মেরে বসে থেকে আগামী দিনে আওয়ামী লীগকে ও এস আলমের টাকায় জাতীয় পার্টির মাধ্যমে নির্বাচনে ফিরিয়ে আনতে চায়। তারা বাংলাদেশের মানুষ না,তারা দিল্লির গোলাম।

    ওরা যে ব্যানারে আসুক কিংবা যে দল থেকে আসুক, তারা গণঅভ্যুত্থানের শত্রু, ১৪৫৭ জন শহিদের রক্তের গাদ্দার। তাদেরকে কোনোভাবেই আগামী দিনের রাজনীতিতে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

    আসাদুজ্জামান ফুয়াদ আরো বলেন, বিএনপি বলেছে তারা উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ চায়। আমরা বলেছি, আমরা এককক্ষ বিশিষ্ট সংসদ চাই। ৫৩ বছরে একটি সংসদই কার্যকর করতে পারেনি রাষ্ট্র, সেখানে দুটি সংসদ কার্যকর হবে-এটা অবাস্তব। বরং এটি চাঁদাবাজি ও পুনর্বাসনের কক্ষে পরিণত হবে। তারপরও যদি সবাই একমত হয়, আমরা দুই কক্ষ মেনে নেব। তবে আমাদের প্রস্তাব হলো-মিশ্র পদ্ধতি।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মানিকগঞ্জ জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম জনি।

  • রাতে জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    রাতে জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১টার মধ্যে এ ভাষণ দেবেন। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে দেওয়া ভাষণটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, বিটিভি নিউজ ও বাংলাদেশ বেতার। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

    জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানেরা বৈশ্বিক নানা বিষয় নিয়ে বক্তব্য দেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার এ ভাষণ আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • সাটুরিয়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    সাটুরিয়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংসদ নির্বাচন, পিআর পদ্ধতি ও অন্যান্য (৫দফা) দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাটুরিয়া উপজেলা শাখা।

    আজ শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মিছিলটি সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ্ ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে শুরু হয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে প্রায় ৩ কিলোমিটার হেঁটে ঐতিহাসিক বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সামনে শেষ হয়।

    সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মানিকগঞ্জ-৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

    তিনি বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারিতে জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হওয়া উচিত। এ সময় তিনি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট ও সকলের দোয়া কামনা করেন।”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা আমীর মাওলানা মোঃ কামরুল ইসলাম, সাটুরিয়া উপজেলা আমীর আবু সাঈদ এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শত শত নেতাকর্মী।

     

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন রানি মুখার্জি

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন রানি মুখার্জি

    প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন রানি মুখার্জি। ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান তিনি।

    মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠিত হয় ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। এদিন রানি মুখার্জির হাতে পুরস্কার তুলে দেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    এদিকে ৭১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের সেরা অভিনেতা হিসেবে প্রথমবারের মতো পুরস্কার পেয়েছেন শাহরুখ খান। তার সঙ্গে সঙ্গে যুগ্মভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান বিক্রান্ত ম্যাসে।

    প্রসঙ্গত, এই মঞ্চেই দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে সম্মানিত হলেন দক্ষিণী মেগাস্টার মোহনলাল। সেরা হিন্দি সিনেমার পুরস্কার পেয়েছে ‘কাঁঠাল : আ জ্যাকফ্রুট মিসট্রি’।

  • নিখোঁজের ৫ দিন পর বৈষম্যবিরোধী নেতা মামুন উদ্ধার

    নিখোঁজের ৫ দিন পর বৈষম্যবিরোধী নেতা মামুন উদ্ধার

    জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও তুরাগ থানা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা মামুনুর রশীদের সন্ধান পাওয়া গেছে। নিখোঁজের ৫ দিন পর শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় পূর্বাচলের এক নম্বর সেক্টরের মসজিদ থেকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তুরাগ থানা পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম গণ-মাধ্যমকে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মামুনুর রশীদকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন। তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তিনি তাবলীগ জামাতে ছিলেন।

    তুরাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদিক রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “খবর পেয়ে পূর্বাচল জামে মসজিদ থেকে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করি। এরপর চিকিৎসার জন্য তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

    গত বুধবার রাতে উত্তরা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তি মামুনের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানায়। সংগঠনটির নেতারা জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর সকালে পাঞ্জাবি-পায়জামা পরে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন মামুন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ মেলেনি।

    এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পাশাপাশি র‌্যাব, পিবিআই, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হয়। মামুনকে উদ্ধারের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামও দিয়েছিলেন যুবশক্তির নেতারা।

  • নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

    নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্বনেতাদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন।

    তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, নেদারল্যান্ডসের রানি ম্যাক্সিমা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং উরুগুয়ের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগদানের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সংক্ষিপ্ত বৈঠকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার, আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসী সম্প্রদায়ের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

    অধ্যাপক ইউনূস জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত থাকবেন।

    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ তার নির্বাচনী এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির অবদান উল্লেখ করে প্রশংসা করেন। তিনি ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষে কয়েক বছর আগে এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করেন।

    পরে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নেদারল্যান্ডসের রানি ও জাতিসংঘ মহাসচিবের ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স ফর ডেভেলপমেন্টবিষয়ক বিশেষ দূত হার ম্যাজেস্টি কুইন ম্যাক্সিমার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিশেষ করে বৈশ্বিক দক্ষিণাঞ্চলে স্বাস্থ্য বীমা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    তারা আর্থিক খাতে জীবন ও স্বাস্থ্যবীমা, দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় এবং পেনশন স্কিমসহ বিভিন্ন উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করেন এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রফেসর ইউনূস মাতৃস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী ঋণসুবিধা ও ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর প্রস্তাব দেন, যা গ্রামীণ নারীদের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে এবং অসংখ্য প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হবে।

    বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বৈশ্বিক ওষুধ শিল্পের পুনর্গঠনের আহ্বান জানান এবং আরও ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানকে সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে উৎপাদিত ভ্যাকসিন সর্বদা সাশ্রয়ী থাকবে।’

    অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রানি ম্যাক্সিমাকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ সময় নেদারল্যান্ডসের ক্রাউন প্রিন্সেস ক্যাথারিনা-আমালিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানোম গেব্রেইয়েসুসের সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষের অগ্রাধিকারভিত্তিক বিভিন্ন স্বাস্থ্য ইস্যু ও সাম্প্রতিক বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

    দিনের শেষভাগে মুখ্য উপদেষ্টা দুটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন—একটি ‘ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট’ এবং অপরটি সামাজিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে।