Category: সারাদেশ

  • সাটুরিয়ায় এলজিইডির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ায় এলজিইডির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলায় গ্রামীন সড়ক মাস্টারপ্লান প্রণয়ন ( জিআইএস- ভিত্তিক আরসিআইপি, স্হানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)এলজিইডি সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরের আয়োজনে সকাল ৯ টায় উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ এলজিইডি, নির্বাহী প্রকৌশলী এবি, এম,খোরশেদ আলম।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো ইকবাল হোসেন। মূখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেড, টিম লিডার, মহিদুর রহমান খান।

    এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গন্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে ডিএনসিকে অবরুদ্ধ, পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার

    মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে ডিএনসিকে অবরুদ্ধ, পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আরিফুল ইসলাম (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ৯ সদস্যের একটি টিমকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা। পরে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে আটক আসামিসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যের উদ্ধার করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের তারাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালায় জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    এ সময় এসআই রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ৩৫ পিস ইয়াবাসহ আরিফুলকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

    পরে আরিফুলের দেওয়া তথ্যে একই গ্রামের আরো দুই বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে মজিদ (৩৫) ও মৃত আওলাদ হোসেনের ছেলে জুলহাস (৩৩)-এর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ডিএনসি টিম। তবে তাদের বাড়িতে কোনো মাদক না পেয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

    এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা ভুয়া ডিবি পুলিশ। এতে উত্তেজিত হয়ে পড়ে স্থানীয় জনতা।

    তারা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ব্যবহৃত গাড়ি আটকে দেয় এবং আসামি আরিফুলকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।আরিফুলের শ্বশুর মেহেদী হাসান উপস্থিত জনতাকে জানায়, তার মেয়ের জামাইয়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়া মজিদ, জুলহাসসহ আরো অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দিয়েছে। এই বক্তব্য জনতার ক্ষোভ আরো বাড়িয়ে তোলে।

    একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা এসআই রফিকুল ইসলাম, আতাউর রহমান সজীব, এএসআই কিংকর কুমার রায়, নজরুল ইসলাম, মাহবুবা রহমান, সিপাহী জীবন হোসেন, জুয়েল রানা, আলমগীর কবির ও শাহীন খানকে ঘেরাও করে রাখে। তাদের মধ্যে জীবন হোসেনসহ কয়েকজনের ওপর শারীরিক হামলারও অভিযোগ রয়েছে।

    খবর পেয়ে সাড়ে ১০টার দিকে সাটুরিয়া থানা পুলিশের একটি দল ওসি শাহিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে যায় এবং অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

    এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। অথচ আজ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে এলাকাবাসীর এই ধরনের আচরণ খুবই দুঃখজনক।

  • প্রধান উপদেষ্টার সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শুরু

    প্রধান উপদেষ্টার সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শুরু

    জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকা জরুরি বৈঠক আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হয়েছে।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।

    জুলাই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে এই জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।এর আগে বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা-এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন— সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া। জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা-য় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘গণভোট’ কমিশন ও সরকারের হাতে

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘গণভোট’ কমিশন ও সরকারের হাতে

    দেশের রাজনৈতিক সংস্কারে নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দেশের রাজনীতিতে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছে, তারা গণভোটের সময় নির্ধারণ নিয়ে নিজেরা কোনো নির্দিষ্ট সুপারিশ দেবে না। বরং, এ সিদ্ধান্ত নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের হাতে ছেড়ে দেওয়াই যুক্তিযুক্ত হবে বলে তারা মনে করে।

    রাজনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপট ও কমিশনের অবস্থান গত ৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে এই বিষয়ে কমিশনের অভিমত পরিষ্কার হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলোচনা শেষে একটি ফটোসেশনে অংশ নেন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    আলোচনায় অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও মতবিরোধ ছিল স্পষ্ট। কেউ চাইছে সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হোক, আবার কেউ বলছে এর আগেই গণভোট আয়োজন করতে হবে।

    ফলে, ঐকমত্য কমিশন গণভোটের নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে কোনো সুপারিশ দিতে আগ্রহী নয়। কমিশন সূত্র জানায়, যদি তারা নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে, তাহলে তা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর এক ধরনের চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেজন্যই তারা চাইছেন সময় নির্ধারণের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করুক।

    সনদ স্বাক্ষরের সময় নির্ধারণ এবং পরবর্তী পরিকল্পনা কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরিত হবে। একই সুপারিশ পাঠানো হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেও।

    বিশেষজ্ঞ মতামত ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এ প্রসঙ্গে জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অধ্যাপক এবং অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল এই বিষয়ে একটি মতামত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, গণভোট আয়োজনে যদি নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

    একসঙ্গে দুটি ভোট আয়োজন মানে একাধিক ব্যালট, অতিরিক্ত সময়, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার জটিলতা—যা সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের দক্ষতা ও প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করবে।

    ঐকমত্য কমিশন মনে করে, এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। দলগুলোর মতানৈক্য ও সন্দেহ

    গণভোট ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলো একমত নয়। যেমন: বিএনপি চায়, ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে কোনো সংবিধান আদেশ (Constitutional Order) না হোক। তারা বলছে, একটি প্রজ্ঞাপন দিয়ে গণভোটের জন্য নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হোক।

    অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনে করে, একটি ‘জুলাই বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করে তবেই গণভোট আয়োজন করা উচিত।

    এই ভিন্নমতগুলো শুধু সময় বা পদ্ধতি নিয়ে নয় বরং সনদের সাংবিধানিক অবস্থান, আইনগত ভিত্তি ও ভবিষ্যৎ রূপান্তরের ধরন নিয়েও বিস্তৃত।

    এ বিষয়ে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নির্বাচন ও গণভোট একদিনে হলে ফলাফলে তফাৎ হবে না, বরং ব্যয় কমবে।”

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, “নভেম্বর মাসে গণভোট অনুষ্ঠিত হলে তাতে জাতীয় নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে তার ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন হবে।”

    এনসিপির আখতার হোসেন বলেন, “সিদ্ধান্ত কমিশনের ওপর নির্ভর করছে।”ইসলামী আন্দোলনের গাজী আতাউর রহমান বলেন, “জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দরকার। তবে একই দিনে দুটি ভোট সমস্যার হতে পারে।”

     

    প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট হলে ভোট গ্রহণের সময় বাড়বে। একাধিক ব্যালট, জটিল গণনা, বিভ্রান্তি, ভুল গণনার ঝুঁকি ও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব সবকিছুই একসঙ্গে সংঘটিত হতে পারে।

    তবে, আলাদা দিনে ভোট আয়োজন করলে নির্বাচনী ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, প্রশাসনিক ঝামেলা বাড়বে এবং রাজনৈতিক উত্তাপ দীর্ঘায়িত হবে। ফলে, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা ও আর্থিক বাস্তবতা বিবেচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

    কমিশন সুপারিশ দেবে, চাপ নয় এই প্রসঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রক্রিয়াগত সহায়তা ও বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা তৈরি। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে সরকার ও নির্বাচন কমিশন।”

    সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও ঢাকা-৭ আসনের ভোটার সানাউল হক বলেন, “জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট আয়োজন দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করতে পারে।

    তবে, সে পথে রয়েছে জটিলতা, মতানৈক্য, রাজনৈতিক কৌশল ও বাস্তবায়নের প্রশ্ন। এখন পর্যন্ত কমিশনের অবস্থান বিবেচনায় ধরে নেওয়া যায়, তারা সংবিধান ও বাস্তবতার মধ্যে একটি ভারসাম্য খুঁজছে। তারা চায় তাদের সুপারিশ রাজনৈতিক চাপ বা সংকট বাড়াক।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই গণভোট বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর।”

     

  • টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় বিএনপির নেতা আটক

    টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় বিএনপির নেতা আটক

    টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় এক বিএনপি নেতাকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হলে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দলে থেকে ইসমাইল হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়।

    এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।রাত ৮টার দিকে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার কাউছার বাঁধন নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের বিষয়টি জানান।

    তিনি জানান, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় মামলা করেন। মামলার পর থেকে ইসমাইল হোসেন আত্মগোপনে চলে যান।

    সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।

  • আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে

    আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘‘আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই নির্বাচন কমিশনকে এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে।

    ’মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জেলা এনসিপির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, ‘‘কয়েকটা সিটের জন্য এনসিপি কারো সঙ্গে ঐক্য করবে, সেই নীতিতে বিশ্বাস করে না। এক বা একাধিক রাজনৈতিক দল তাদের জায়গা থেকে জনগণ বা দেশের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যদি পরিবর্তনের জন্য প্রতিজ্ঞা করে, সেই অনুযায়ী কাজ করে; বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা ভাবনার মধ্যে ঐক্য দেখা যায়, তখন আমরা চিন্তা করতে পারি।’’

    তিনি আরো বলেন, ‘‘এনসিপির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল ঐক্য করলেও এনসিপি শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে।’’ এনসিপির এই গুরুত্বপূর্ণ নেতা আরো বলেন, ‘‘এনসিপি সংসদের উচ্চকক্ষে পিআরের পক্ষে, নিম্নকক্ষে বিপক্ষে।’’

    এ সময় এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশে-কীন আলম, ময়মনসিংহ জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব আলম, সদস্য ইকরাম এলাহী খান সাজ, মোজাম্মেল হক, মাহমুদুল হাসান সোহেল, মোকারম আদনান, ফুয়াদ খান, জিকে ওমর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। তবে এঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে মালামাল ফেলে পালিয়ে যায় মাদক কারবারীরা।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে সদর মডেল থানার মহারাজপুর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।  জেলা পুলিশের এক প্রেসনোটে বুধবার জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের এসআই (নিরস্ত্র) হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ, এস. আই মোঃ সোহায়বুর রহমান, এ.এস.আই মোঃ ফারুক হোসেন, এ.এস.আই মোঃ সামিউর রহমান ও এ.এস.আই মোঃ আমিনুল ইসলাম সদর মডেল থানা এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদক উদ্ধারে দায়িত্ব পালন করছিলো।

    মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টার দিকে সদর উপজেলার মহারাজপুর এলাকায় অবস্থান কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানিতে পারে, ঢাকা মেট্রো-ট-২০- ৫২৪১ নম্বরের একটি ট্রাকে গাঁজা নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর হতে শিবগঞ্জের দিকে যাচ্ছে চোরাকার-বারীরা। এসময় হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ সঙ্গীয় অফিসারসহ অত্র সদর মডেল থানাধীন মহারাজপুর ইউনিয়নের লালাপাড়া মোড় নামক স্থানে চেকপোষ্ট বসায়।

    চেকপোষ্ট করাকালে একই তারিখ রাত্রি অনুমান সাড়ে ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর হতে আসা ঢাকা মেট্রো-ট-২০- ৫২৪১ নম্বরের ট্রাকটি থামানোর জন্য সংকেত দিলে চালক উক্ত স্থানের নিকটবর্তী রাস্তায় ট্রাকটি থামিয়ে ট্রাক চালক ও হেলপার কৌশলে ট্রাক ফেলে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ট্রাকটি তল্লাশীকালে ট্রাকের পিছনে বডির পাটাতনের উপর থাকা একটি নীল রংয়ের পলিথিনে ঢাকা অবস্থায় দুইটি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো বিশেষ কায়দায় রাখা ১০ টি গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ৪ কেজি করে সর্বমোট ৪০ কেজি উদ্ধার হয়। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিং

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিং

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর রিজিয়নের আওতাধীন ৪টি সেক্টর ও ১৫টি ব্যাটালিয়নের অভিযানে চলতি বছর (জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর) ৬০ কোটি টাকার চোরাচালানপণ্য জব্দ করেছে। এসব অভিযানে ৫০১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন, রংপুরের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা অভিযানের তথ্য তুলে ধরেন এ তথ্য জানান ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ব্যবস্থাপনায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এই ব্রিফিং হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী মুস্তাফি-জুর রহমান প্রেস ব্রিফিং এ জানান, রংপুর রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা ১৬৬০ কিঃ মিঃ। অত্র রিজিয়নের অধীনে ০৪টি সেক্টর ও ১৫টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।

    রংপুর রিজিয়ন এর আওতাধীন ব্যাটালিয়নে কর্মরত বিজিবি সদস্যরা অভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এ বছরে ৫০১ জন আসামীসহ আনুমানিক ৬০ কোটি টাকার অধিক মূল্যের বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী মালামাল আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর উপ-অধিনায়ক মেজর আশরারুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

    এসময় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, ৫৩ বিজিবির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, ফেন্সিডিল ৭১,৩৪০ বোতল, হেরোইন ৯.৭৭৩ কেজি, কোকেন ২.০৬১ কেজি, মদ ১২.১২৭ বোতল, গাঁজা ২,০৯১ কেজি, ইয়াবা ২৪.৪৭৮ পিস, ইস্কাফ সিরাপ ৩৩৫৭ বোতল, মেটাডক্সিন ট্যাবলেট ৪.০৩,৯৭৫ পিস, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৫৮৪০ পিস, বিভিন্ন প্রকার নেশা জাতীয় ইঞ্জেকশন ৮৫,১৩১ পিস এবং ভায়াগ্রা/ভিগো ট্যাবলেট ১২.৯৮,০০৩টি।

    এছাড়াও ০৬ রাউন্ড গুলিসহ ০১টি বিদেশী পিস্তল, এয়ারগান ০৬টি, এায়ারগানের সিসাগুলি ৩৩.১০০টি, গান পাউডার ০৭ কেজি, ককটেল ৯৯টি এবং পেট্রোল বোম্ব ৪০টি। গবাদিপশু-গরু ১৪৫৭টি ও মহিষ ৬৬৪টি।

    অন্যান্য মালামালের মধ্যে-কষ্টি পাথর ১৪টি (৮২২.৫ কেজি), স্বর্ণ ০.৬৮০ কেজি, রৌপ্য ০১ ভরি, শাড়ী ২৬০৩টি, শার্ট ৯৭১টি, প্যান্ট পিস ৪,০৭৬টি, থানকাপড় ১৩৮ গজ, চা পাতা ১০০৭ কেজি, চিনি ২৮০৪ কেজি, মোটরসাইকেল ১৮৫টি, মোবাইল ১২৪৫টি, চকলেট বাজি ৮১৪০ প্যাকেট এবং কারেন্ট জাল ৬৫২ কেজি।

    বিজিবি সদস্য সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধপথে সীমান্ত পারাপার, জাল-নোট পাচার, মাদকদ্রব্য চোরাচালান এবং নারী ও শিশু পাচার সম্পর্কে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    সীমান্তে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিজিবি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও বিজিবির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে রংপুর রিজিয়নের অধীনস্থ ১.৬৬০ কিঃ মিঃ দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি নতুন ০৬টি বিওপি নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, সম্প্রতি শেষ হওয়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রংপুর রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় মোট ৮০৭টি পূজামন্ডপে ১৩৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে পূজা উদযাপনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করে বিজিবি সদস্যরা। বেসামরিক প্রশাসনের অনুরোধে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রংপুর রিজিয়ন থেকে বিজিবি মোতায়েন করে সফল ভূমিকা পালন করা হয়। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয় প্রেস বিফিং এ।

    প্রেস ব্রিফিং শেষে চা চক্রের মধ্যেই চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের সাথে সীামন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং আগামীতে সীমান্তের চোরাচালান বন্ধসহ যে কোন সমস্যা সমাধানে মিডিয়াকর্মীদের নিয়ে একসাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    দেশের স্বার্থে জেলার সকল মিডিয়াকর্মীদের বিজিবির সাথে আন্তরিকভাবে কাজ করারও আহবান জানান ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান।

  • মিরপুরে কেমিক্যাল ‍গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড নিহত ৯

    মিরপুরে কেমিক্যাল ‍গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড নিহত ৯

    রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়ি এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউন ও গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে নয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

    এছাড়া ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তর থেকে মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিমও এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সংবাদ পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে আরও তিনটি সেখানে যোগ দেয়।

    তালহা বিন জসিম বলেন, কসমিক ফার্মা কোম্পানির কেমিক্যালের গোডাউন ও আরেকটি গার্মেন্টসে আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিস থেকে আট ইউনিট কাজ করে গার্মেন্টসে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সদস্যরা।

    আগুনের সূত্রপাত প্রসঙ্গে এই ফায়ার কর্মকর্তা বলেন, ফায়ার কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে আগুন দেখেছেন। কেমিক্যাল গোডাউনে নাকি গার্মেন্টস থেকে আগুনের সূত্রপাত এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • বিএনপি ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি

    বিএনপি ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি ভোটে দল থেকে কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে নারীরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।”

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) খুলনা প্রেস ক্লাবে ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ আয়োজিত খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।বেগম সেলিমা রহমান বলেন, “দেশে নারী শিক্ষা ও পেশাজীবী অঙ্গনে নারীদের যে অবস্থান, তা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাত ধরেই এগিয়েছে।

    এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারী জাগরণ ঘটবে। ”সভায় নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, “আগামী নির্বাচনে বিএনপি অবশ্যই যোগ্য নারীদের দলীয় মনোনয়ন দেবে এবং তারা জনগণের ভোটে বিজয়ী হবেন।”

    তিনি বলেন, “বিএনপি নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য বদ্ধপরিকর এবং এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।”অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “বিএনপি নারীর অধিকার রক্ষায় সবসময় সোচ্চার। আমরা বিশ্বাস করি, নারীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।”

    খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “বিএনপি নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে চায়। আমরা নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের জন্য বিএনপি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।”

    খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার বিএনপির নারী নেত্রীরা সমন্বয় সভায় অংশ গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ড, শফিকুল আলম মনা, এম এ সালাম, রহমত উল্লাহ পলাশ, মনিরুজ্জামান মন্টু, শফিকুল আলম তুহিন। সভা সঞ্চালনা করেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী।