Category: সারাদেশ

  • আমি আগের চেয়ে পরিপক্ব: মাহি

    আমি আগের চেয়ে পরিপক্ব: মাহি

    সব মিলিয়ে সিনেমার বাইরে এক নতুন জীবনের গল্প লিখছিলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর দেওয়া এক অপ্রত্যাশিত খবরে সরব দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন। আবারও পর্দায় ফিরছেন মাহি!

    নির্বাচন পর্বে দেওয়া নিজের কথার পর এই ফিরে আসা যেন এক চমক, যা বিস্মিত করেছে ভক্ত থেকে চলচ্চিত্র বিশ্লেষক সবাইকে।২০২৪ সালের জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে নৌকা প্রতীক না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মাহি।

    ভোটের মাঠে ব্যস্ত সেই সময়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আর সিনেমায় ফিরব না, এখন থেকে মানুষের সেবা করব।’ গত দেড় বছরের ব্যবধানে পরিস্থিতি ঘুরে গেছে পুরোপুরি। সম্প্রতি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা দিয়েছে মাহিকে নিয়ে তাদের নতুন সিনেমার। নাম ‘অন্তর্যামী’।

    সিনেমাটি পরিচালনা করবেন সৈকত নাসির। মাহিয়া মাহিও তার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক আইডি ও নিজের অফিসিয়াল পেজে নতুন সিনেমার পোস্টার প্রকাশ করে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন–‘প্রতিজ্ঞা ভাঙতে হয়, যখন ভেতরের শিল্পীটা হারিয়ে যেতে চায় না। আমি ফিরছি, নিজের জন্য, সিনেমার জন্য।’

    মাহির এই ফিরে আসা নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন, এটি মাহির দ্বিতীয় ইনিংসের সূচনা, কেউ আবার মনে করছেন, নির্বাচনী ব্যর্থতার পর নিজেকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টা এটি। তবে সবাই একমত, মাহি যদি সত্যিই ‘অন্তর্যামী’-এর চরিত্রে নতুন রূপে হাজির হন, তবে এটি ঢালিউডে নারীকেন্দ্রিক সিনেমার জন্য বড় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।

    সর্বশেষ ২০২৩ সালে মুক্তি পায় মাহি অভিনীত ‘রাজকুমার’, যেখানে তিনি অভিনয় করেছিলেন শাকিব খানের মায়ের চরিত্রে; যা তার ক্যারিয়ারে ভিন্নধর্মী একটি অধ্যায়। এরপর ঘোষিত কয়েকটি সিনেমার কাজ শুরু না হওয়ায় মাহি কার্যত চলচ্চিত্র থেকে দূরেই ছিলেন। এরপর ২০২৪ সালের জুনে তিনি দেশ ছেড়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে।

    অনেকে ধরে নিয়েছিলেন, মাহির এটাই স্থায়ী প্রস্থান। কিন্তু সেই দেশ থেকেই শুরু হচ্ছে তার নতুন অধ্যায় ‘অন্তর্যামী’। মাহিয়া মাহি বলেন, ‘আমি এখন আগের চেয়ে অনেক শান্ত, পরিপক্ব। এই সিনেমায় আমি শুধু অভিনয় করব না, নিজের ভেতরের শক্তিটাকেও খুঁজে পাব।’

    জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ জানিয়েছেন, এটি হবে একেবারে ভিন্নধর্মী নারীপ্রধান সিনেমা। তার ভাষ্যে, ‘এবার মাহি ফিরছে লেডি অ্যাকশন হিরো হিসেবে। পুরো গল্পটি ঘুরবে মাহি ও ৯ বছরের এক শিশুকে ঘিরে। এখানে কোনো নায়ক নেই। বরং একজন নারীর টিকে থাকার লড়াই, সাহস আর মানবিকতার গল্প ফুটে উঠবে।’

    জানা গেছে, এর আগে মাহিয়া মাহি অভিনীত ‘অগ্নি ২’-এর গল্প যেখানে শেষ হয়েছিল, ‘অন্তর্যামী’ শুরু সেখান থেকেই। এটি হবে এক্সট্রিম সারভাইভাল অ্যাকশন মুভি। ‘অগ্নি’র চেয়েও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং।

  • ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে উত্তীর্ণ ১২১৯ জন

    ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে উত্তীর্ণ ১২১৯ জন

    শিক্ষা ক্যাডার নিয়োগে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন এক হাজার ২১৯ জন প্রার্থী। রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১০টা ১০ মিনিটে এ ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে সই করেছেন পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার শাখা) মাসুমা আফরীন।

    পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের এমসিকিউ লিখিত পরীক্ষা গত ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়।

    এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইটে (www.bpsc.gov.bd) অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে (http://bpsc.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে।

    প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তিসংগত কারণে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন হলে, কমিশন তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    এদিকে, পিএসসির রোডম্যাপ অনুযায়ী—৪৯তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু করা হবে। এতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।

    গত ১০ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরে এ পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল। এতে অংশ নিতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন।

  • বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফলাফলে ভরাডুবি

    বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফলাফলে ভরাডুবি

    ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর নিজেকে বাঁচাতে আত্মগোপনে চলে যান বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (আওয়ামীলীগ নেতা) এজাবুল হক বুলি।

    আর এসুযোগ কাজে লাগিয়ে ক্লাস গাফলতিসহ কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোন প্রকার তদারকি বা জবাবদিহিতায় ছিলেন না বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের কমার্স বিভাগের শিক্ষকগণ।

    ফলে এবছর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফল বিপর্যয় ঘটে। এই বিভাগ থেকে ১১ জনে মধ্যে কেউ পাশ করেনি। বিজ্ঞান বিভাগে ১৬ জনের মধ্যে পাশ করেছে মোট ৭ জন। এছাড়াও কলেজের এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের মোট পাশের হার ৪৩%।

    জানা গেছে, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয় কমার্স শাখার ১১জন। এর মধ্যে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করেনি। এনিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই কলেজের বিজ্ঞান শাখা থেকে ১৬ জন পরীক্ষা দিলেও পাশ করেছে মোট ৭ জন।

    আর মানবিক শাখা থেকে ২১৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৯৫ জন। কলেজের পাশের হার ৪৩ ভাগ। বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের কমার্স বিভাগে শিক্ষক রয়েছেন ৩ জন। কমার্স বিভাগের শিক্ষকগণ হচ্ছেন-শামীম আহমেদ, মজিবুর রহমান ও মাজকুরা খাতুন।

    এবিষয়ে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ক্ষুদ্ধস্বরে বলেন, আমাদেরকলেজের অধ্যক্ষ স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ায় দীর্ঘ ১১ মাস আত্মগোপনে ছিলেন। আর এই সুযোগে অধ্যক্ষের আস্থাভাজন কমার্স বিভাগের এই ৩জন শিক্ষক ক্লাস তো ঠিকমত করেই নি, কলেজের আসতেন মন মতো।

    কিন্তু, অধ্যক্ষ সাহেব তো নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন এবং আস্থাভাজন ওই শিক্ষকদের কোন গাফলতি বা অনিয়মিত কলেজে আসা, এসব অধ্যক্ষের চোখেই পড়তো না। জবাবদীহিতার তো প্রশ্নই উঠে না। এতে ওই শিক্ষকগন ইচ্ছেমত চলেছেন। শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তাদের কোন গুরুত্বই ছিলো না।

    ফলে কলেজের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার চরম ক্ষতি হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতেই কমার্স বিভাগের ফলাফলে এমন বিপর্যয়। শিক্ষকগণ অভিযোগ করে আরও বলেন, কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফলও সন্তোষজনক নয়।

    এছাড়া, এখনো কলেজের অধ্যক্ষ সাহেব ঠিকমতো কলেজে আসেন না। মাঝে মধ্যে আসলেও, সেটা ক্ষনিকের জন্য। তাই কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম ওভাবেই চলছে। সব মিলিয়ে এবছর কলেজের কমার্স ও বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফল বিপর্যয়ের কারন অধ্যক্ষ এবং অধ্যক্ষের আস্থাভাজন শিক্ষকগন।

    ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ফল বিপর্যয়ের কারণ (কেউ পাস না করা) হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা গেছে, এ বিভাগের শিক্ষকরা ঠিকমত যেমন ক্লাস নেননা, তেমনি ক্লাস করার যোগ্যতাও রাখেন না। অন্যদিকে, বিজ্ঞান বিভাগের রসায়নের প্রভাষক ২০২৩ সালে অবসরে গেলেও শিক্ষক পদ শূন্য জানিয়ে চাহিদা না দেয়ায় এ কলেজে রসায়নের প্রভাষক এখন পর্যন্ত পদায়ন করা হয়নি।

    এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক জানান, চাহিদা দিলেই ক্যাডার পদের শিক্ষক এসে যদি নন ক্যাডার অধ্যক্ষের চেয়ার দখল করে বসেন, সেই আতঙ্কে অধ্যক্ষ রসায়ন শিক্ষকের চাহিদা পর্যন্ত দেননি।

    আর গণিতের শিক্ষক অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক নিজেই হওয়ায় এবং তিনি চাকরী জীবনে কখনো-ই একটি ক্লাস না নেয়ায় এ কলেজে কমার্স ছাড়াও বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফলও প্রতিবারই খারাপ হয়।

    এছাড়া, পদার্থ বিদ্যার প্রভাষক ক্লাসের ক্ষেত্রে অমনোযোগী এবং ক্লাসে কিছু বোঝাতে পারেননা বলে বিজ্ঞান বিভাগে ফেল করা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন।

    সব মিলিয়ে কলেজে সার্বিক ফলাফল খারাপের পিছনে অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হকের অযোগ্যতা, কলেজে তার নিয়মিত অনুপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের নিজ ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার, বিশেষ করে ফেল করা অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার কয়েক মাস আগে থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য ডিসি অফিস ও বিভিন্ন তদ্বির কাজে ব্যবহার করা অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।

    কারণ তিনি গত জুলাই আন্দোলন থেকে বছরাধিক ধরে কলেজে অনুপস্থিত থেকে কলেজকে অস্থিরতার মধ্যে রেখেছেন।

    এদিকে, একটি বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, কমার্স এবং বিজ্ঞান শাখার এ ক’জন শিক্ষক অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলির সমর্থক হওয়ায় তারা পলাতক বুলিকে বাঁচানোর চেষ্টায় সব সময় ব্যস্ত থাকেন। ফলে কলেজে শিক্ষার মান খারাপের দিকে চলে গেলেও কোন গুরুত্ব, মাথাব্যাথা বা অনুশোচনা, কোনটায় নেই ওই শিক্ষকদের।

    এ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলি’কে বরখাস্ত করে নতুন অধ্যক্ষ পদায়ন না হলে কলেজটির মান ধ্বংসের দিকেই যেতে থাকবে।

    উল্লেখ্য, কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক কয়েকটি ফৌজদারী মামলার আসামী এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ইতোমধ্যে কয়েকটি তদন্ত হয়েছে, যেখানে তার বহু প্রকার অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশিতে ব্যবস্থা গ্রহণের অপেক্ষায় আছে।

    শিক্ষানুরাগীদের দাবী, দেশের একজন অতি সম্মানিত ব্যক্তি, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর নামে হওয়া কলেজে-স্বৈরাচারের দোষর এবং এমন বিতর্কিত ও নানা অনিয়মের সাথে জড়িত অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলিকে কলেজ থেকে অপসারন করে একজন যোগ্যতা সম্পন্ন অধ্যক্ষ পদায়নের। উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) এইচ.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।

  • আগামীকাল সোমবার সংসদ নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    আগামীকাল সোমবার সংসদ নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্র ও নির্বাচনি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সমন্বিত পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে উচ্চপর্যায়ের আন্তঃসংস্থা বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    ইসি সচিবালয় থেকে গত ১৩ অক্টোবর জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, বৈঠকটি সোমবার (২০ অক্টোবর, ২০২৫) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।

    সভায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।ইসি সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, ভোটের দিনের নিরাপত্তা কৌশল নির্ধারণ এবং নির্বাচনি এলাকাভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

    ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈঠক শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে নির্দেশনা হিসেবে পাঠানো হবে।

    বৈঠকের আমন্ত্রণপত্র সেনাবাহিনীর প্রধান, নৌবাহিনীর প্রধান, বিমানবাহিনীর প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ প্রধান (আইজিপি), বিজিবির মহাপরিচালক, আনসারের মহাপরিচালক, র‌্যাবের মহাপরিচালকসহ একাধিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

    এছাড়া, তথ্য মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিভিল এভিয়েশন), পুলিশ সদর দপ্তর ও এনএসআইসহ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকেও বৈঠকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

     

  • মানিকগঞ্জে ছেলের মরদেহ দেখার পরপরই মায়ের মৃত্যু !

    মানিকগঞ্জে ছেলের মরদেহ দেখার পরপরই মায়ের মৃত্যু !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ছেলের মরদেহ দেখার পরপরই এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে।রোববার (১৯ অক্টোবর) ভোরে ছেলে আব্দুল আওয়াল হোসেনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এ ঘটনা ঘটে।

    মারা যাওয়া আব্দুল আওয়াল উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের সাহেবপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা জানান, সাহেবপাড়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছোট ছেলে আব্দুল আওয়াল হোসেন গত কয়েক দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দিনগত রাত সোয়া ২টার দিকে হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    রোববার ভোরে আওয়ালের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছায়। এসময় ছেলের নিথর দেহ দেখে মা রেহেলা আক্তার (৬৯) শোকে অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর চিকিৎসক (বড় ছেলে) রেহেলা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন।

     

  • কিছু দিন পরে জুলাই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দেওয়া হবে,

    কিছু দিন পরে জুলাই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দেওয়া হবে,

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দাবি এভাবে উপেক্ষিত হতে থাকলে একটা সময় জুলাই যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দায়েরের আশঙ্কা করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

    সারজিস আলম বলেন, ‘‘জুলাই সনদের ক্ষেত্রে যদি এমন হয়, তাহলে কিছু দিন পরে দেখা যাবে, অভ্যুত্থানটাই নাই। আবার কিছু দিন পরে দেখা যাবে, এই অভ্যুত্থানের যারা যোদ্ধা ছিল, রাজপথে নেমেছিল; তাদের বিভিন্নভাবে বিভিন্ন কায়দায় অভিযুক্ত করে একেকজনকে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দেওয়া হবে, বিভিন্নভাবে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

    ’শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের টুনিরহাট এলাকায় শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজ মাঠে টুনিরহাট জুনিয়র ফুটবল একাডেমী আয়োজিত গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্না-মেন্টের চতুর্থ দিনের খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    আজ শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এনসিপি এই সনদে স্বাক্ষর করেনি। এনসিপির দাবি ছিল, জুলাই সনদের আইনিভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের দাবি উপেক্ষিত থাকায় তারা স্বাক্ষর করেনি।

    সারজিস আরো বলেন, ‘‘স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিদের কাতারে বা সামনের সারিতে জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবার তাদের থাকার কথা ছিল। কিন্তু আমরা দেখলাম, এটা রাজনৈতিক দলের একটা চুক্তির মতো, যেমন মিলনমেলা হয়; ওই রকম মিলনমেলা হয়েছে।’’

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ করতে যাওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার, জুলাই যোদ্ধাদের পুলিশি লাঠিচার্জের প্রতিবাদ জানান সারজিস আলম।

    তিনি বলেন, ‘‘তারা যেভাবে সেখানে লাঠিচার্জ করেছে, টিয়ারশেল ছুঁড়েছে, রাবার বুলেট ছুঁড়েছে; এগুলো আসলে খুবই অপ্রত্যাশিত এবং দুঃখজনক।’’

  • জুলাই সনদ পৃথিবীর জন্য উদাহরণ- প্রধান উপদেষ্টা

    জুলাই সনদ পৃথিবীর জন্য উদাহরণ- প্রধান উপদেষ্টা

    জুলাই জাতীয় সনদ শুধু জাতির জন্য নয়, সারা দুনিয়ার জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরকে বিশেষ ক্ষণ ও মহান দিবস আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আজ সমস্ত জাতি, সমস্ত রাজনৈতিক দল একসাথে হয়েছে। ঐকমত্য কমিশন গঠনের সময় মনে হয়েছিল দুয়েকটি বিষয়ে হয়তো একমত হবে। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো কেউ কারও কথা শোনে না। ভয়ে ভয়ে ঐকমত্য কমিশন শুরু হয়েছিল। প্রফেসর আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দেওয়া হলো যেন বুঝেশুনে এগোন। তিনি চমৎকার আলোচনা চালিয়ে নিয়েছেন।”

    জুলাই জাতীয় সনদের গুরুত্ব উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই দিনটি যে পেলাম, এক মহান দিন। শুধু জাতির জন্য না, সারা পৃথিবীর জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। এটা নিয়ে বিভিন্ন দেশে রাজনীতিবিদদের মধ্যে আলোচনা হবে। যে উদাহরণ আমাদের রাজনীতিবিদরা কৈরি করেছেন, এটা সারা পৃথিবীর জন্য নজির হয়ে থাকবে।”

    ভাষণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নায়কদের স্মরণ করেন মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “যারা আহত–নিহত হয়েছে তাদের কথা স্মরণ করি। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। তাদের কাছে সারা জাতি চির কৃতজ্ঞ থাকবে।”

    ভাষণের আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন। তার আগে, তাতে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    এ তালিকায় রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রমুখ।

  • নাগরপুরের-পাকুটিয়ায় বাসচাপায় স্কুল ছাত্রী নিহত

    নাগরপুরের-পাকুটিয়ায় বাসচাপায় স্কুল ছাত্রী নিহত

    টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাস চাপায় নওরীন আক্তার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের খানপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত নওরীন উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের পাঁচতারাইল গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে।

    সে পাকুটিয়া বৃন্দাবন চন্দ্র রাধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নাগরপুরগামী এসবি লিং পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পাকুটিয়া খানপাড়া এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় স্কুল ছাত্রী নওরীনকে পিছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক বাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতারা স্কুল ছাত্রীর মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।

    বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বিক্ষোভকারী জনতা এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের পাশাপাশি ফিটনেস বিহীন এসবি লিং পরিবহন বন্ধের দাবি জানান।

    এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘাতক বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • মানিকগঞ্জে বৃদ্ধ বাবা-মাকে জুতা পিটা করায়, ২ ছেলে গ্রেফতার !

    মানিকগঞ্জে বৃদ্ধ বাবা-মাকে জুতা পিটা করায়, ২ ছেলে গ্রেফতার !

    মানিকগঞ্জে দুই ছেলের বিরুদ্ধে ভরণ-পোষণ না করা, শারীরিক নির্যাতন ও ঘর থেকে তাড়ানোর অভিযোগে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক মা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা রুজু হওয়ার পর দুই ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতাকৃতরা হলেন- জসিম (৫২) ও জাকির (৩৫)। তারা উভয়েই মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়ারজানি এলাকার আব্দুর গফুর মিয়ার ছেলে। এর আগে, গত মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ সদর থানায় ৭০ বছর বয়সী জহুরা বেগম এজাহারটি দায়ের করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধা জহুরা বেগম ও তাঁর স্বামী আব্দুল গফুর মিয়া (৭৫) বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। তাঁদের গর্ভজাত দুই ছেলে—জসিম ও জাকির দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মায়ের ভরণ-পোষণ, চিকিৎসা ও সেবা-যত্ন করছেন না। এ নিয়ে বহুবার অনুরোধ করলেও কোনো সাড়া দেননি তাঁরা। বরং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিচার চাইলেও বিবাদীরা বিষয়টি তোয়াক্কা করেনি।

    মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়ারজানি এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে জহুরা বেগম ও তাঁর স্বামী খাবার চাইলে দুই ছেলে ও তাঁদের স্ত্রীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।

    একপর্যায়ে চারজনই যোগসাজশে তাঁদের গালাগাল, কিল-ঘুষি এবং ছেলে জাকির জুতা দিয়ে মারধর করেন। এতে জহুরা বেগম আহত হন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। গ্রেফতার হওয়া আসামি জসিম ও জাকির উভয়েই বাদিনির গর্ভজাত সন্তান। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন না করে অবহেলা ও অযত্নে রেখেছেন।

    এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ বলেন, বৃদ্ধ বাবা-মাকে ভরণ পোষণ না করা এবং মারধরের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। দুই ছেলেকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এদিকে, বৃদ্ধা জহুরা বেগম ও তাঁর স্বামী আব্দুল গফুর মিয়া বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • ‘আইনি ভিত্তির-নিশ্চয়তা ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা মূল্যহীন’

    ‘আইনি ভিত্তির-নিশ্চয়তা ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা মূল্যহীন’

    আদেশ জারিসহ তিনটি শর্ত না মানলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আইনি ভিত্তি এবং আদেশের ব্যাপারে নিশ্চয়তা ছাড়া সনদে স্বাক্ষর করলে তা মূল্যহীন হবে।

    জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

    নাহিদ বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে কিছু কিছু দলের কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে। এটা থাকতেই পারে। আমাদের দাবি ছিল, নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে গণভোট হবে। জনগণ পক্ষে ভোট দিলে জুলাই সনদ অনুমোদিত হবে। পরবর্তী সংসদে যার কনস্টিটিউট পাওয়ার থাকবে, তারা সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করবে। পুরো প্রক্রিয়ার মূল জায়গায় থাকবে অর্ডার। এই আদেশের ভিত্তিতে গণভোট হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় এগোবে।

    জুলাই ঘোষণাপত্রে প্রতারণা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের সময় আইনি ভিত্তির দাবি ছিল, কিন্তু সেটা হয়নি। এই ঘোষণাপত্রে টেক্সট নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। টেক্সট আগে আমাদের যেটা দেখানো হয়েছে, ঘোষণাপত্র পাঠের সময় সেটা পরিবর্তিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক ন্যারেটিভের জায়গা থেকেও গণঅভ্যুত্থানের অনেক কিছুই আসেনি। এ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আমরা সমালোচনা করেছি।

    যার অর্থ নেই, এমন আরেকটি ঘটনার সাক্ষী হতে চান না জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আইনি ভিত্তি এবং আদেশের ব্যাপারে নিশ্চয়তা ছাড়া সনদে স্বাক্ষর করলে তা মূল্যহীন হবে। পরবর্তীতে সরকার কীসের ভিত্তিতে আদেশ জারি করবে, কী বার্তা সেখানে থাকবে—সেই নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।

    জুলাই সনদ যাতে সফল হয়, এজন্য কিছু বিষয় সরকারের কাছে তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। এগুলো হলো—

    ১. জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষরের আগেই প্রকাশ করতে হবে। এই আদেশ জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায় অনুসারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জারি করবেন।

    ২. সনদের ৮৪টি বিষয় একসঙ্গে গণভোটে যাবে। এতে নোট অব ডিসেন্টের আলাদা কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের প্রশ্ন কী হবে তা আগেই চূড়ান্তের পর প্রকাশ করতে হবে।

    ৩. জনগণ সনদ অনুমোদন করলে, পরবর্তীতে সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের জন্য সংসদকে কনস্টিটিউট পাওয়ার দেওয়া হবে। সংস্কারকৃত সংবিধান ‘২০২৬’ হিসেবে পরিচিত হবে।

    তিনটি বিষয় পরিষ্কার হওয়ার পর জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হতে পারে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, সেখানে আমরাও অংশগ্রহণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব। তবে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সনদে স্বাক্ষর শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা। এতে অংশ নেওয়া না নেওয়া সমান। বরং জনগণের সামনে বিষয়গুলো স্পষ্ট না করে সনদে স্বাক্ষরের আয়োজন একটি ছলচাতুরী।

    জনগণকে অন্ধকারে রাখতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবেও জানার অধিকার রয়েছে, সরকার কীভাবে সনদ বাস্তবায়ন করবে।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হতে হবে। ইসির জন্য আমাদের কার্যক্রম আটকে রয়েছে।