Category: সারাদেশ

  • দিলরুবা কামালের “পরদেশী মেঘ”

    দিলরুবা কামালের “পরদেশী মেঘ”

    ১ আগস্ট মুক্তি পেয়েছে কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা কামালের নজরুলগীতির অ্যালবাম “পরদেশী মেঘ”। তিনটি গানের এই বিশেষ অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়েছে সাদামাটা এন্টারটেইন-মেন্টের ইউটিউব চ্যানেলসহ সকল আন্তর্জাতিক অডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। অ্যালবামের গানগুলো হলো—পরদেশী মেঘ, কেউ ভোলে না এবং রিমিঝিম। গানগুলোর সংগীতা-য়োজন করেছেন সংগীত পরিচালক সজীব দাশ।

    ইতিমধ্যেই গানগুলো প্রকাশ পেয়েছে Spotify, Amazon Music, YouTube Music, Deezer সহ বিশ্বের শীর্ষ মিউজিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে এবং শ্রোতাদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

    দিলরুবা কামাল এর আগেও লেজার ভিশন থেকে প্রকাশিত “বকুলচাঁপা” ও “জিততে চাইনি” অ্যালবামে কণ্ঠ দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর প্লেব্যাক ক্যারিয়ার শুরু হয় ওয়ালিদ আহমেদ পরিচালিত “মেঘের কপাট” চলচ্চিত্রে, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী রূপঙ্কর বাগচির সঙ্গে “খোলা ফ্রেমে” শিরোনামের দ্বৈতগানে কণ্ঠ দেন।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত শিল্পী দিলরুবা কামাল নিয়মিত বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও বেতার অনুষ্ঠানে পরিবেশন করেন। ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিকে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই শিল্পী ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চায় নিমগ্ন।

    তিনি গানের হাতেখড়ি নিয়েছেন তাঁর বাবা ওস্তাদ মোঃ কামাল উদ্দিন-এর কাছে। ক্ল্যাসিক্যাল, নজরুল গীতি ও আধুনিক গানে তাঁর দক্ষতার জন্য তিনি শ্রোতা মহলে প্রশংসিত।

  • অচিন পাখী

    অচিন পাখী

    দূর আকাশে উঁড়িয়ে দিলাম
    আমার সুপ্ত ভালবাসা,
    শব্দহীন চোখের জলে
    খোজঁতে তারে ভাষা।।

    উঁড়ছে মায়া অন্তগিরি
    ছুটছে জুড়ে গতি,
    গগণভেদী আকাশ ছেদী
    ধ্রুব-তারা, জ্যোতি।।

    সপ্ত রেখার দূর-নীলিমায়
    দূরন্ত তার ছায়া,
    দিগ-ছড়িয়ে, মাঠ পেরিয়ে
    দৃষ্টি করা কায়া।।

    শূণ্যে উঁড়ে শূণ্যে ঘুরে
    শূণ্যে তাহা বাস,
    নীল পরীদের মন মাতিয়ে
    মিটছে তাহার আশ।।

    হৃদ-আকাশের বাধঁনছেদী
    বিশাল ভুবন পেয়ে-
    নাচছে পাখি, ফিরছে ঘুরে
    সপ্ত-রংঙ্গ গেয়ে।।

    আধার কালো আমার আকাশ
    নিত্য ঝড়ে বারি,
    পুরনো সেই স্মৃতকথা-
    প্রেম বিরহে তারই।।

    ফিরছে গেয়ে জগৎ ধেয়ে
    -দ্রেপদী‘তে প্রান,
    অচিন পাখীর অচিন ভাষা
    -অচিন তাহার গান।।

  • টাঙ্গাইলে চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির ৩ নেতা বহিষ্কার

    টাঙ্গাইলে চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির ৩ নেতা বহিষ্কার

    টাঙ্গাইলে এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির ঘটনায় শহর বিএনপির তিন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নেতাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

    বহিষ্কৃত নেতারা হলেন শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মো. জুবায়ের, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি গোলাম রাব্বানী এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মিয়া।

    এর আগে, চাঁদা দাবির ঘটনায় পুলিশ বিএনপির এই তিন নেতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগে বলা হয়, তারা কিলার গ্যাংয়ের নামে চিঠি দিয়ে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষের মাছ ব্যবসায়ী মো. আজাহারুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

    ব্যবসায়ীর দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে তার এক কর্মচারীর হাতে চিঠিটি তুলে দেন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। পরদিন সকালে সেই চিঠি তার হাতে পৌঁছায়। এতে বলা হয়, চিঠির কথা যদি কাউকে বলিস বা আইনি প্রক্রিয়ায় যাস, তাহলে তোকে এমনভাবে মেরে ফেলা হবে যে, তোর লাশ খুঁজে পাবে না।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মাছ ব্যবসা করছিস। তোর কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নাই। তাই ৫ লাখ টাকা তোর কাছে কিছু না। আগামী ৩ আগস্ট, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে কাগমারী এলাকায় মাহমুদুল হাসানের বাসার সামনে ‘ফরহাদের ছবি লাগানো’ একটি গাছের নিচে টাকা রেখে যাবি।

    ঘটনার পর চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, “দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের দলে স্থান নেই। যারা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রাজধানীতে তিন সমাবেশ ও পরীক্ষা ঘিরে প্রস্তুত ডিএমপি

    রাজধানীতে তিন সমাবেশ ও পরীক্ষা ঘিরে প্রস্তুত ডিএমপি

    রাজধানীতে একইদিনে বড় সমাবেশ ডেকেছে ছাত্রদল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ছাত্র শিবির। এই তিন সমাবেশ ঘিরে নগরীর শাহবাগ, শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রচুর জনসমাগম ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পাশাপাশি একইদিনে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা (এইচএসসি) ও বিসিএস পরীক্ষাও রয়েছে। ফলে তিনটি বড় ছাত্র সংগঠনের সমাবেশ ও পরীক্ষা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    রবিবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শাহবাগ মোড়ে ‘জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের প্রথম বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে ছাত্র সমাবেশ করবে বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল।

    এদিন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদের’ দাবিতে জনসমাবেশ করবে এনসিপি।

    বিকেল ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-২০২৪’ শীর্ষক স্মৃতি লিখন প্রতিযোগিতার পুরস্কার দেওয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ছাত্রশিবির। এ ছাড়া সাইমুম শিল্পগোষ্ঠীর উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১-৪ আগস্ট প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ‘৩৬ জুলাই কালচারাল ফেস্ট-জুলাই জাগরণ’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, বড় এই তিন সংগঠনের সমাবেশ ঘিরে রাজধানীর শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শহীদ মিনার ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকায় ব্যাপক লোক সমাগম ঘটবে। ফলে এসব এলাকায় স্বাভাবিক যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে।

    এসব সমাবেশের পাশাপাশি ওইদিন এইচএসসি ও বিসিএস পরীক্ষাও রয়েছে। ফলে সকাল থেকেই রাজধানীজুড়ে ব্যাপক যানজটেরও সৃষ্টি হতে পারে।

    তবে এসব সমাবেশ ও পরীক্ষা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ডিএমপি। নিয়মিত পুলিশের পাশাপাশি এসব অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য। ইউনিফর্মের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ সদস্যরা। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন তারা। পাশাপাশি শাহবাগ, সোহরাওয়ার্দী ও শহীদ মিনার এলাকায় যান চলাচলও নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

    শনিবার (২ আগস্ট) রাতে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, নিয়মিত যেসব পুলিশ সদস্য ওইসব এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন তারা তো থাকবেনই। সঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ডাইভারশনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন হতে হবে: নাহিদ

    জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন হতে হবে: নাহিদ

    জুলাই ঘোষণাপত্র অবশ্যই সংবিধানের প্রস্তাবনা ও তফশিলে উল্লেখ করে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি থাকতে হবে।

    জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। আমরা নির্বাচিত সংসদের হাতে এই সংস্কার কার্যক্রম ছেড়ে দেব না, বরং জুলাই সনদের ভিত্তিতেই আগামী সংসদ গঠিত হবে, গণপরিষদ গঠিত হবে। এবং অর্ন্তর্বতী সরকারের আমলেই এই সনদ কার্যকর করতে হবে।

    শনিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘জুলাই পদযাত্রায় আমরা গণহত্যার বিচার, সংস্কার এবং নতুন সংবিধানের দাবি জানিয়েছিলাম। পাশাপাশি আমরা জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের কথা বলেছিলাম। পাশাপাশি আমাদের দাবি ছিল, ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই সনদের বিষয়টিও যেন সুরাহা হয়।

    ’’আগামী ৫ আগস্ট সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, ‘‘সরকারের পক্ষ থেকে আমরা জানতে পেরেছি, জুলাই ঘোষণাপত্রটি সরকার আগামী ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সব পক্ষ এবং রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

    যদিও ঐক্যমত্য কমিশন এখনো জানায়নি ‘নোট অব ডিসেন্টে’র বিষয়গুলোর সমাধান কী হবে।’’গত বছর ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকার পতন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের দাবিতে এক দফা ঘোষণা করা হয়েছিল।

    আগামীকাল রবিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের মাধ্যমে জুলাই পদযাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে। এই সমাবেশ থেকে নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার পাঠ করা হবে। সেখানে এনসিপির পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা এবং কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

    উল্লেখ্য আগামীকাল বিকেল ৪টায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে আজ শনিবার দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে জানানো হয়। পোস্টে এনসিপির নেতাকর্মীসহ সারাদেশের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই এক বছরে তার পূর্ণতা আমরা লক্ষ্য করিনি। জুলাই সনদের মধ্য দিয়ে সেই আকাঙ্ক্ষাটা আংশিক পূরণ হবে। দেশের একটা গণতান্ত্রিক সংস্কার হচ্ছে।

    কিন্তু অর্থনৈতিক সংস্কার, কর্মসংস্থান এবং মানুষের জীবনমানের পরিবর্তনের বিষয় গুলো নিয়ে এত অল্প সময়ের মধ্যে কাজ করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এই সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিতে এনসিপির জন্ম।’’

  • সাটুরিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা !

    সাটুরিয়ায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার হান্দুলিয়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক হলেন এশিয়ান টেলিভিশনের আবু বক্কর সিদ্দিক।

    এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনি সাটুরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আহত সাংবাদিকের মাথায়, বুকে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি বলেন, সন্ধ্যর দিকে হঠাৎ করে ধামরাইয়ের কথিত পশু চিকিৎসক কাশেম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিক আবু বক্করকে ঘিরে ধরে রাস্তায় ফেলে মারধর করতে থাকে।

    আহত সাংবাদিকের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসী কাশেম ও তার দলবল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।

    খবর পেয়ে সাটুরিয়ায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা তাকে হাসপাতালে দেখতে যান। সাংবাদিকরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি করেন।

    আহত সাংবাদিক বলেন, সাটুরিয়ার পাশের ধামরাই উপজেলার কথিত পশু চিকিৎসক কাশেমের ভুল চিকিৎসায় সাটুরিয়ার চামুটিয়া, হান্দুলিয়াসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের খামারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এবং সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গরু মারা গেলে এ বিষয়ে এশিয়ান টেলিভিশনে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হলে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে আলো-চনায় আসেন কাশেম।

    আহত সাংবাদিক আরও বলেন, সংবাদ প্রকাশের কারণে কাশেম ও তার দলবল এ হামলা করে।

  • পঞ্চগড়ের দুই সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে পুশইন !

    পঞ্চগড়ের দুই সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে পুশইন !

    পঞ্চগড়ের সদর ও তেঁতুলিয়া উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ১০ জনকে পঞ্চগড় থানায় এবং ৭ জনকে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করে বিজিবি।

    আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া এবং তেতুঁলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশইন করা হয়।

    এদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী রয়েছেন। তারা বাংলাদেশের যশোর, নওগাঁ, সিলেট, খাগড়াছড়ি, বরিশাল, কক্সবাজার, গোপালগঞ্জ ও নরসিংদীর বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

    বিজিবি জানায়, সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৫-এর ২ নম্বর সাব-পিলার এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্তের পিলার ৭৩৯/২০-আর এলাকা দিয়ে এসব ব্যক্তিদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।

    এরা সবাই বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে ভারতে কাজ-কর্মে নিয়োজিত ছিল। সম্প্রতি ভারতীয় পুলিশ তাদের উড়িষ্যা, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করে। পরে বিমানযোগে বাঘডোকরা বিমানবন্দর হয়ে শিলিগুড়ি বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে।পরে বিএসএফ সদস্যরা তাদের সীমান্তে দিয়ে বাংলাদেশে পাঠায়।

    ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মনির বলেন, ভজনপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইন হওয়া ৭ জনকে আটক করে জিডি মূলে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর কাজী আসিফ আহমদ বলেন, আমাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১০ জনকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে বিএসএফ। আমরা তাদের আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছি।

    পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামান জানান, বিজিবি সদস্যরা ১০ জনকে জিডির ভিত্তিতে থানায় হস্তান্তর করেছেন। তাদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • খুব শিগগিরই নির্বাচন সক্রান্ত ঘোষনা আসবে-ড. আসিফ নজরুল

    খুব শিগগিরই নির্বাচন সক্রান্ত ঘোষনা আসবে-ড. আসিফ নজরুল

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনের তারিখ সংক্রান্ত ঘোষণা খুব শিগগিরই আসবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আইন মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচনের সময় তো… জাস্ট ওয়েট করেন, কিছুদিনের মধ্যেই ঘোষণা শুনবেন।” তিনি জানান, সকল নাগরিক যেন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    ভোটাধিকার প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ভোট দিতে সবাই পারবেন। আমাদের এমন কোনো উদ্যোগ নেই, যা নেওয়া হচ্ছে না।” অতীতের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ক্লাসে যখন যেতাম, ছাত্রদের জিজ্ঞেস করতাম— কে কে ভোট দিয়েছে? অনেকে হাসাহাসি করত, কেউ কেউ বলত, স্যার ভোট দিয়েছি, তবে দশ-বারোটা! ৯০ শতাংশ বলত তারা কোনোদিন ভোটই দেয়নি। এই দুঃখ আমাদের ঘুচবে। আমরা ১৮ বছর ধরে ভোট দিতে পারিনি।”

    ২০০৮ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, “২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই— এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি দ্বিমত পোষণ করি। ওই নির্বাচনের অনেক দিক আছে, যেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। সাংবাদিকরা যদি এই বিষয়ে খোঁজখবর করেন, অনেক ভয়াবহ তথ্য পেতে পারেন।”

     

    তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনী কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করবে। তবে আমি সরকারের পক্ষ থেকে এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমাদের সরকারের নিয়ত রয়েছে— বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো নির্বাচন আয়োজনের। এটা আমাদের প্রধান উপদেষ্টা সবসময় বলে থাকেন।”সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কোনো দলের প্রতি সেনাবাহিনীর আলাদা নজর নেই : সেনা সদর

    কোনো দলের প্রতি সেনাবাহিনীর আলাদা নজর নেই : সেনা সদর

    বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি সেনাবাহিনীর আলাদা নজর নেই। গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের জীবননাশের হুমকি থাকায় তাদের সহযোগিতা করেছে সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেস ‘এ’-তে আয়ো-জিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন মিলিটারি অপারেশনস ডাইরেক্টরেটের কর্নেল স্টাফ কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মাদক ও চাঁদাবাজির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৫ হাজার ৫৭৬ জনকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেছি। চাঁদাবাজ বা অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব আইনশৃঙ্খলা এজেন্সিগুলোর সর্বাগ্রে দায়িত্ব পালন করার কথা, তারা যদি কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করে তাহলে আরও কমে আসবে বলে আশা করি। সাথে সাথে আমাদের যে আভিযানিক দায়িত্ব আছে আমরা সেটা সর্বদা পালন করছি।

    আমরা সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি একসঙ্গে কাজ করি তাহলে চাঁদাবাজির মতো অপরাধ কমে আসবে বলে বিশ্বাস করি। অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার পর বিচারিক প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করার পর আমাদের আর কিছু করার থাকে না।

    পার্বত্য অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের সংঘাতকে সেনাবাহিনী কীভাবে দেখছে— প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, চাঁদাবাজি ও মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য বিভিন্ন দুষ্কৃতকারীরা এইটা করে থাকে। আমাদের কার্যক্রম ও অভিযান জারি রেখেছি।

    ভবিষ্যতেও আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে। বান্দরবানের আর্মি ক্যাম্প গুটিয়ে নেওয়া, কুকি চিন, আরাকান আর্মি ও বান্দরবানে অস্ত্র কেনা-বেচা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রটেকশন দিয়ে যাচ্ছে এবং ভালোভাবে দিয়ে যাচ্ছে। আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

    আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে যদি আমাদের ক্যাম্পের প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা টেম্পরারি অপারেটিং বেইস করে আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমেও খবর এসেছে সেনাবাহিনীর মেজর সাদিক আওয়ামী লীগের লোকজনকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে— এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, মেজর সাদিকের বিষয়ে আমরা অবগত আছি। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলতে পারব।

    এনসিপি যখন ঝামেলায় পড়েছে তখন সেনাবাহিনী প্রটেকশন দিয়েছে, আবার এখন শোনা যাচ্ছে সেনাবাহিনী তাদের আর প্রটেকশন দেবে না— এ বিষয়ে জানতে চাইলে কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দলকে বিশেষভাবে কখনো সহায়তা করিনি। আমাদের দায়িত্বের মধ্যে কাউকে বিশেষভাবে দেখি না।

    গোপালগঞ্জে যেটা হয়েছে ওইখানে ওই রাজনৈতিক দলের অনেকের জীবননাশের হুমকি ছিল। তাদের জীবন বাঁচানোর জন্যই সেনাবাহিনী সহযোগিতা করেছে। এখানে জীবন বাঁচানোই মূল লক্ষ্য ছিলো অন্য কিছু না।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দল কোথায় সমাবেশ করবে, এটা ক্লিয়ারেন্স দিতে হবে স্থানীয় প্রশাসন থেকে। আমাদের কাছে এসব বিষয়ে কোনো তথ্য ছিল না। গোপালগঞ্জে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ছিল।

    শুধুমাত্র ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়নি, ককটেলও নিক্ষেপ করা হয়েছে। যখন সেখানে জীবননাশের হুমকি ছিল তখন আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বল প্রয়োগ করে। এখানে প্রাণঘাতী কোনো অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়নি।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে বলেছেন, গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনী গুলি করেছে— এই বিষয়ে অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে কী হয়েছিল সেটার সত্যতা উদ-ঘাটনের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করি এই কমিটি সত্য এবং সঠিক ঘটনা উন্মোচন করতে পারবে।

    বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি কি সেনাবাহিনীর দুর্বলতা আছে— এমন প্রশ্নের জবাবের কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশেষ কোনো দলের প্রতি আলাদা নজর নেই। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কাছে সবাই সমান। যেখানে জনদুর্ভোগ ও জীবননাশের হুমকি থাকে, সেখানে আমরা কঠোর হই বা জনসাধারণকে সহযোগিতা করি। গোপালগঞ্জে যদি আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করতাম তাহলে সেখানে অনেক হতাহত বা জীবননাশের ঘটনা ঘটতে পারত।

  • ভারতে গ্রেফতার হলেন বাংলাদেশি মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পাল

    ভারতে গ্রেফতার হলেন বাংলাদেশি মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পাল

    ভুয়া নথি নিয়ে কলকাতায় অবৈধ বসবাসের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি মডেল-অভিনেত্রী শান্তা পাল। বুধবার (৩০ জুলাই) রাতে পার্ক স্ট্রিট থানা পুলিশ (যাদবপুর থানা এলাকা থেকে) তাকে গ্রেপ্তার করে।

    জানা যায়, অ্যাপ ক্যাবের ব্যবসা করতে গিয়েই পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন অভিযুক্ত এই নারী। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ভারতীয় নাগরিকত্বের নথি ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড এমনকি রেশন কার্ডও।

    পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২৩ সাল থেকে যাদবপুরের বিজয়গড়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন শান্তা। ২০২৩ সালে ভিসা নিয়ে এ দেশে এসেছিলেন তিনি। সেই ভিসার মেয়াদ ফুরিয়েছে। এরপর নতুন করে ভিসার বানাননি তিনি। শুধু তাই নয়, পাসপোর্টের মেয়াদও শেষ হয়েছে চলতি বছরে।

    প্রাথমিক তদন্তে লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখা জানতে পারে, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি মডেল শান্তার বর্ধমান জেলার একটি ঠিকানা থেকে ২০২০ সালে ভারতীয় আধার কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। কলকাতার বিক্রমগড় এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন শান্তা। দক্ষিণ কলকাতার আরেক ঠিকানায় শান্তার নামে প্রতি মাসে আসে ইলেকট্রিক বিল। বাংলা-দেশের একটি সংস্থা আয়োজিত সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা ‘মিস এশিয়া গ্লোবাল বাংলাদেশ’ খেতাব জেতেন শান্তা।

    শান্তা পালকে হেফাজতে নিয়ে দফায় দফায় জেরা করছে লালবাজারের গুণ্ডাদমন শাখা। জানা গিয়েছে, শান্তা পাল একজন মডেল-অভিনেত্রীর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া ইন-ফ্লুয়েন্সর। সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লগিং করেন তিনি। তার স্বামী অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা।  তার সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্ট খতিয়ে দেখার পাশাপাশি শান্তার ফ্ল্যাট থেকে পাওয়া ভোটার, আধার ও রেশন কার্ড বৈধ কি না বা কীভাবে এই কার্ড পেল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) শান্তা পালকে আদালতে তোলা হয়।

    মডেলিং, অভিনয় ছাড়াও বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে সঞ্চালিকার কাজও করেছেন শান্তা পাল। ২০১৯ সালে, কেরালায় অনুষ্ঠিত ‘মিস এশিয়া গ্লোবাল’ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন শান্ত। এর আগে একটি তামিল সিনেমায় অভিনয়ের কথা জানিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।