Category: সারাদেশ

  • হৃদরোগে আক্রান্ত জামায়াত আমির !

    হৃদরোগে আক্রান্ত জামায়াত আমির !

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি সমাবেশে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে তার ফলোআপ চিকিৎসার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনজিওগ্রাম করা হয়।

    চিকিৎসকরা তার হার্টে তিনটি প্রধান রক্তনালিতে ব্লক ধরা পড়ার কথা জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তার এ অবস্থায় বাইপাস সার্জারি করানোই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। তবে বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে ‘রিং পরানো’র (স্টেন্টিং) ব্যবস্থার কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

    তবে এ পর্যন্ত বাইপাস সার্জারি নাকি রিং পরানো হবে কিংবা দেশেই চিকিৎসা নেবেন, নাকি বিদেশে যাবেন— এসব বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের পক্ষ থেকে শিগগির বিস্তারিত জানানো হবে। জামায়াত আমির দেশে চিকিৎসা নেওয়ার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন।

    মনোবলের কারণে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নিচ্ছেন। এমনকি গতকাল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সভায়ও যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশে হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে জামায়াত আমিরকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতাল ত্যাগ করলেও ফলোআপে থাকেন। এনজিওগ্রাম ও অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তার হার্টে গুরুতর ব্লক ধরা পড়ে।

    আমিরের সুস্থতা কামনায় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বিষয়ে ইবনে সিনা ট্রাস্টের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) জাহিদুর রহমান বলেন, বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন এমনটা জানা নেই। গতকালও তো তিনি একটি সভায় যোগ দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।

  • সাটুরিয়ায় অপ্রতিরোধ্য আওয়ামী নেতা আনোয়ার হোসেন খান (জ্যোতি)

    সাটুরিয়ায় অপ্রতিরোধ্য আওয়ামী নেতা আনোয়ার হোসেন খান (জ্যোতি)

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের চেযারম্যান আনোয়ার হোসেন খান (জ্যোতি) উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এবং আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনাব জাহিদ মালেক স্বপনের আপন মামাতো ভাই।

    গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে আনোয়ার হোসেন খান (জ্যোতি) ইউনিয়ন পরিষদে অনিয়মিত। মাঝেমধ্যে পরিষদে এলেও অসুস্থ্যতার অযুহাতে র্দীঘদিন ইউনিয়ন পরিষদে আসছেন না বলে অভিযোগ। যার ফলে ঐতিহ্যবাহী হরগজ ইউনিয়নের আপামর জনসাধারন চেয়ারম্যানের সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, জনরোষ এবং পুলিশি গ্রেপ্তার এড়াতেই তিনি আত্মগোপনে আছেন। তবে, লুকিয়ে থেকেই পরিষদের গ্রাম পুলিশদের (চৌকিদার) দিয়ে বিভিন্ন জনগণ ও দপ্তরের বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে টিকিয়ে রেখেছেন।

    এই বিষয়ে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারুক হোসেন জানান, ৩১ জুলাই পর্যন্ত তিনি ছুটি নিয়েছেন। আশা করি, ৩১ জুলাইয়ের পর পরিষদের দায়িত্ব বুঝে নেবেন।

    কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রমতে, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত, ৭ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত, ১৩ মে থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত এবং ২৯ জুন থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি নিয়েছিলেন। এ‘ছাড়া তার বিরুদ্ধে ভোট ছাড়া নিজের পছন্দ মতো প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচন করার অভিযোগও রয়েছে।

    এলাকাবাসীর মতে, মন্ত্রীর মামাতো ভাই হওয়ায় নিজ ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলায় চুষে বেড়িয়েছেন আনোয়ার হোসেন খান (জ্যোতি)।

    নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, মানিকগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে আউট-সোর্সিংয়ের নিয়োগ বাণিজ্য, হরগজ গরুর হাট নিয়ন্ত্রণ, টেন্ডারবাজি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের খাবার সরবরাসহ নানা ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলেও তার অপ্রতিরোধ্যতা জুলাই বিপ্লবের আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

    সর্বোপরি,  স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর তার নামে বেশ কয়েকটি মামলা হলেও, তিনি পুলিশের ধরা-ছোঁয়ার বাহিরে রয়েছেন যা জনমনে ব্যাপক জিজ্ঞাসার জন্ম দিয়েছে।

  • ১০২ এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

    ১০২ এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

    সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) এসিল্যান্ড হিসেবেই বেশি পরিচিত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্বরত এমন ১০২ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে সরকার। আজ বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পৃথক ৮টি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, বিসিএস ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত সিনিয়র সহকারী কমিশনার বা সহকারী কমিশনার হিসেবে পদায়নের জন্য বিভিন্ন বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • খালেদা জিয়া নির্বাচন করবেন: মিন্টু

    খালেদা জিয়া নির্বাচন করবেন: মিন্টু

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, “নির্বাচনে ফেনীর ইতিহাস সবাই জানে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ইনশাআল্লাহ এখানে বিএনপি জয়লাভ করবে। আমাদের দলের নেত্রীও (খালেদা জিয়া) নির্বাচন করবেন। তিনি এখন সুস্থ আছেন। নির্বাচন নিয়ে ফেনীতে কোনো চিন্তা নেই।”

    বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

    আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “লন্ডনে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যৌথ বিবৃতি দিয়েছিল। আমরা সেটিতে আস্থা রাখতে চাই যে, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হবে।

    তবে, দেশের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় তার আগেও নির্বাচন হয়ে যেতে পারে। হয়তো জানুয়ারিতেও হয়ে যেতে পারে। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে কেয়ারটেকার সরকার নিয়ে একটি মামলা চলমান আছে। যদি কেয়ারটেকার সরকার পুনঃপ্রবর্তন হয়, তাহলে এ অন্তর্বর্তী কালীন সরকার কেয়ারটেকার হবে না। কেয়ারটেকার সরকারে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলা আছে।”

    সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ না থাকলে ভালো কাজ করবে না, উল্লেখ করে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “বিগত ১৯ বছর আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম, অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেছি।

    কেউ যদি বলে, আমরা হঠাৎ করে নির্বাচন চাচ্ছি, বিষয়টি সঠিক নয়। বরং, ২০০৬ সাল থেকে আমরা নির্বাচন চেয়ে আসছি। একটি দেশের সরকার যদি জনগণের কাছে দায় বদ্ধ না থাকে, তাহলে তারা কখনো ভালো কাজ করবে না।

    তাই, আমরা চাচ্ছি নির্বাচন হোক।” বিএনপির এ সিনিয়র নেতা আরো বলেন, “আমরা বলে আসছি, ২০০৮ সালে যে নির্বাচন হয়েছে, সেটি অবাধ ও সুষ্ঠ হয়নি। ২০০৬ সাল থেকে দেশে কোনো নির্বাচনকালীন সরকার নেই।

    দুই যুগ ধরে যদি নির্বাচিত সরকার না থাকে, তাহলে মানুষের অর্থনৈতিক বা জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে না। নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত থাকে একটি সরকার, যারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে।”

  • মানিকগঞ্জে সাত দিনব্যাপী বৃক্ষ ও ফলজ মেলা শুরু

    মানিকগঞ্জে সাত দিনব্যাপী বৃক্ষ ও ফলজ মেলা শুরু

    “পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি, দেশি ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই”- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জে শুরু হয়েছে সাত দিনব্যাপী বৃক্ষ ও ফলজ মেলা।

    মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা (যুগ্ম সচিব)। সবুজে ঘেরা একটি সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যয়ে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

    মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মাহমুদা রোকসানা সুলতানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. রবীআহ নূর আহমেদ এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. মনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, “পরিকল্পিত ভাবে গাছ লাগালে তা পরিবেশ রক্ষা করবে এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। একজন মানুষের প্রতিদিন প্রায় ৫৫০ লিটার অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, যা গাছ থেকেই পাওয়া যায়। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত বেশি বেশি গাছ লাগানো।”

    উদ্বোধনী বক্তব্যের পর অতিথিরা মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। স্টল-গুলোতে দেশীয় ফল, বনজ গাছ এবং নানা জাতের চারা প্রদর্শন করা হয়।

    পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়, যাতে তাদের মধ্যে গাছ লাগানোর আগ্রহ বাড়ে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে শ্রদ্ধা ও মানবতার মিলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে শ্রদ্ধা ও মানবতার মিলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ‘জুলাই জাগরণ অনুষ্ঠান ২০২৫’ উপলক্ষে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে এক ব্যতিক্রম ও মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) আয়োজিত কর্মসূচিতে ছিল স্বেচ্ছায় রক্তদান, ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং এবং রক্তদাতাদের ডাটাবেইজ তৈরি।

    পাশাপাশি হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল-শ্রদ্ধা জানানো হয় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান জুলাই শহিদ-দের প্রতি। আয়োজনে নেতৃত্ব দেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ মাসুদ পারভেজ।

    তিনি বলেন, “জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগ শুধু স্মরণ করলেই চলবে না, তাদের আদর্শ অনুসরণ করে জনসেবামূলক কার্যক্রমে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এই কর্মসূচি তারই অংশ।” কর্মসূচিতে নানা শ্রেণিপেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। স্বেচ্ছায় রক্তদাতা একটি ডিজিটাল ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে যে কোনো সংকটে দ্রুত রক্ত জোগাড় করা সম্ভব হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “জুলাই আমাদের জন্য কেবল শোকের নয়, চেতনার মাস। এই মাসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা জীবন দিয়েছেন, সেই আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণা। চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে আমরাও যেন সেই আদর্শ ধারণ করতে পারি।” দোয়া মাহফিলে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয়।

    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ একে এম শাহাব উদ্দিন, ২৫০ শষ্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায় ডাঃ মোঃ মাসুদ পারভেজ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদ, অর্থোপেডিক্স বিভাগের ডাঃ মোঃ ইসমাইল হোসেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের ডাক্তার নার্স ও স্টাফরা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের এই আয়োজন কেবল এক দিনের অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি বার্তা, যেখানে শ্রদ্ধা, মানবতা ও সেবাবোধ একত্রে জাগরণ সৃষ্টি করে। আগামী দিনে এ ধরনের কর্মসূচি আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা সকলের।

  • নাগরপুরে কাজী আবু বকর সিদ্দিক কে ফাঁসানোর চেষ্টা!

    নাগরপুরে কাজী আবু বকর সিদ্দিক কে ফাঁসানোর চেষ্টা!

    নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্টার ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিবাদ আমলে বারবার কারা নির্যাতিত ‘”কাজী মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক খান”কে ফাঁসানোর জন্য বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    জানা গেছে, কাজী আবু বকর সিদ্দিক পাকুটিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজ এলাকায় এসে মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনায় সম্পৃক্ত হয়ে সামাজিক কাজ করে থাকেন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে মানব সেবায় অত্যন্ত তৎপর।

    বৃহৎ পরিসরে জনসভায় সম্পৃক্ত হওয়ার ইচ্ছায় দীর্ঘদিন যাবত রাজনীতি করেন বাংলা-দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুর্দিনে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন।

    বছরখানে আগে,  গ্রামবাসীর দাবির মুখে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটা সুবিধাবাদী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অসত্য তথ্য দিয়ে  অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা  ঘটনায় তাকে জড়িয়ে আবারো অসত্য সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে বলে  অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বুধবার লিখিত এক প্রতিবাদ লিপিতে কাজী আবু বকর সিদ্দিক খান জানান,  সম্প্রতি “দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ”  “পাকুটিয়ায় কনের পিত্রালয়ে গোপনে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন” এবং “খবর বাংলা” নামক  অনলাইন নিউজ পোর্টাল “নাগরপুরে ১৫ বছরের কিশোরীর গোপন বিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য!” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমাকে জড়িয়ে যেভাবে বিয়েটি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত বিয়ের সাথে প্রত্যক্ষ  বা পরোক্ষ কোনভাবেই জড়িত নই, এরুপ কোনো বিয়ে আমার কার্যালয়ে রেজিস্ট্রি হয়নি।

    প্রতিবেদনগুলোর একাংশে বলা হয়েছে যে, আমি বয়স যাচাই না করে দায়িত্ব পালন করেছি, যা আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতি আঘাত। আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই – কোনো প্রকার রেজিস্ট্রি করার পূর্বে আমি জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মসনদ, এবং অভিভাবকের সম্মতি যাচাই না করে কোনো বিয়ে নিবন্ধন করি না।

    এখানে সংবাদদাতাগণ কোন মহলের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার কোন বক্তব্য ছাড়াই একপেশে নিউজ করে আমার মানহানি করার অপচেষ্টা করেছে যা সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী ও প্রেসকাউন্সিলের বিচারযোগ্য।

    অথচ অনুসন্ধানে জানা গেছে, উক্ত বিয়েটি টাঙ্গাইল জজ কোর্টে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে,। যা সম্পূর্ণ আমার এখতিয়ার বহির্ভূত। এ ধরনের বিয়ে নোটারী মাধ্যমে সম্পন্ন হলে তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও নোটারী কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তায়, কোনোক্রমেই ইউনিয়নের কাজীর ওপর নয়।

    কেবলমাত্র রাজনৈতিকভাবে আমাকে ফাঁসানোর জন্যই  এমন সংবাদ করা হয়েছে বলে আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

     

  • বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ৪ ডিআইজি

    বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ৪ ডিআইজি

    পুলিশের চার উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    সোমবার (২৮ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপনে অবসরের আদেশ জারি করা হয়।

    বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—শিল্পাঞ্চল পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মনির হোসেন, রেলওয়ে পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মাহবুব আলম, ঢাকা রেঞ্জে সংযুক্ত ডিআইজি আতিক ইসলাম এবং পুলিশ টেলিকমে সংযুক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।

  • প্রাথমিকের সব প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নতি

    প্রাথমিকের সব প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নতি

    দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও জারি করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে দেশের ৬৫ হাজার ৫০২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব প্রধান শিক্ষক দশম গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।

    সোমবার (২৮ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষকরা জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। সম্প্রতি ১২৪/২০২২ নম্বর সিভিল রিভিউ পিটিশনে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুসারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান ১১তম থেকে দশম গ্রেড বেতন স্কেলে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ‘এর ধারাবাহিকতায় দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ যৌক্তিক বিবেচিত হওয়ায় সরকার সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল বিদ্যমান ১১তম গ্রেড (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেড (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণে সম্মতি দিয়েছে।’

    এতে আরও বলা হয়, যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করা হলো। গৃহীত উদ্যোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা সুসংহত করবে। ফলে তারা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও সৃজনশীল ও উদ্দীপ্ত ভূমিকা পালন করবে। এতে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও গতিশীল শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।

    দশম গ্রেড দিয়ে সরকার প্রধান শিক্ষকদের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সম্মান দেখিয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার মাধ্যমে তাদের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও সম্মান প্রদর্শন করছে সরকার।

    সরকারের এ পদক্ষেপ প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক ও সর্বস্তরের অংশীজনের সহায়তায় প্রাথমিক শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করবেন, এটি সরকারের প্রত্যাশা।

  • ওয়াকআউটের পর আবারো ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি

    ওয়াকআউটের পর আবারো ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি

    সোমবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কমিশনের প্রস্তাবিত সরকারি কর্ম-কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ না নিয়ে সংলাপ থেকে ওয়াকআউট করে বিএনপি। তবে কিছুক্ষণ পর আবার আলোচনায় ফিরে আসে বিএনপির প্রতিনিধিদল।

    আলোচনার শুরুতেই কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

    এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা আগেই বলেছি এই চার প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পদ্ধতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিএনপি আলোচনা করবে না।” এরপরই তারা বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন।

    বিএনপির বেরিয়ে যাওয়ার পর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন,     “একটি বড় দল অনুপস্থিত থাকলে এই বিষয়ে ঐকমত্য কীভাবে হবে?” জবাবে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “বিএনপি আগেই তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তবে কারও অনুপস্থিতিতে আলোচনা অর্থহীন হয়ে গেলে কমিশন তা বিবেচনায় নেবে।”

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ভাবে গঠনের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। এরপরও সাংবিধানিক ও আইন দ্বারা পরিচালিত পদগুলোতে নিয়োগ নিয়ে ভিন্ন ভাবনার প্রয়োজন নেই। এতে নির্বাহী  বিভাগের ক্ষমতা সীমিত হবে এবং তা রাষ্ট্র পরিচালনায় জটিলতা সৃষ্টি করবে।” পরে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিএনপির প্রতিনিধি দল আবার আলোচনায় যোগ দেয়।