Category: সারাদেশ

  • আজ থেকে সারাদেশে চিরুনী অভিযান শুরু

    আজ থেকে সারাদেশে চিরুনী অভিযান শুরু

    অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে আজ থেকেই বিশেষ বা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    রোববার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    উপদেষ্টা বলেন, খুন, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, অপহরণ, নারী নির্যাতন, মব সহিংসতা, মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

    পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার যে কোনো সময় চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে বিশেষ বা চিরুনি অভিযান এখন থেকেই পরিচালনা করতে পারে। এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণসহ সবার সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। সরকার জনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী যে কোনো কার্যক্রম কঠোর হাতে দমন করবে।

    সভায় মব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ; চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সংঘবদ্ধ দুষ্কৃতিকারীদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ দেশে অস্থিরতা সৃষ্টিকারী ও উসকানিনিমূলক সাইবার প্রচারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ; নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আইনগত ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

     

  • মানিকগঞ্জে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে পিতার মৃত্যুদণ্ড

    মানিকগঞ্জে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে পিতার মৃত্যুদণ্ড

    মানিকগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব দাশড়া এলাকায় নিজের নয় বছরের মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে আসামি আনোয়ার হোসেন (৪৫) কে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

    রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ হামিদ এই রায় দেন।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেনের বাড়ি যশোরের কোতয়ালি উপজেলা। মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব দাশড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট রাতে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় আসামি মেয়েকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা (আসামির স্ত্রী) বাদী হয়ে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আনোয়ার হোসেনকে আসামি করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন।

    মামলাটি তৎকালীন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান নিজে তদন্ত করেন। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দেন।

    রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হুমায়ুন কবির।

    তিনি জানান, মামলার নথিপত্র ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক আনোয়ারকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। ভুক্তভোগী কিশোরী আদালতে জবানবন্দিতে ধর্ষকের ফাঁসি দাবি করেছে।

  • মানিকগঞ্জে পরকীয়ায় ধরা বিএনপির নেতা !

    মানিকগঞ্জে পরকীয়ায় ধরা বিএনপির নেতা !

    মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নে নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতাকে নারীসহ সারারাত গাছে বেঁধে রাখা হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  এক পরনারীর ঘর থেকে গভীর রাতে বিবস্ত্র অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে আটক মো. সিরাজুল ইসলাম মুনজেল (৪৫) নামে ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক। ইতোমধ্যেই ঘটনাটি নিয়ে দেশব্যাপী চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

    শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে এই বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ আর এম আল-মামুন। শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে দৌলতপুর উপজেলার ধামশ্বর এলাকার চর দেশগ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।

    স্থানীয়রা আরও জানান, উপজেলার  চর দেশগ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সিরাজুল ইসলাম মনজেলের অবৈধ সম্পর্ক চলছিল দীর্ঘদিন যাবৎ। এই বিষয় নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চলছিল কানাঘুষা। গতরাতে মনজেল গ্রামের কয়েকজন লোক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করতে দেখেন। দীর্ঘ সময় পর স্থানীয়রা হাতে-নাতে তাকে আটক করে এবং শনিবার ভোররাত পর্যন্ত গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম মুনজেল উপজেলার ধামশ্বর ইউনিয়নের গালা এলাকার মৃত শিরজন আলীর ছেলে। প্রবাসীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী ও সিরাজুল ইসলাম মনজেল দুই সন্তানের জনক।

    ধামশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান পিন্টু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার রাত দুইটার দিকে এলাকাবাসী মুনজেল ও ওই নারীকে গাছের সাথে বেঁধে রাখেন। তারা দুজনেই অনৈতিক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। ওই নারীর প্রবাসী স্বামী এখন আর এই নারীকে নিয়ে সংসার করবে না বলে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন বলে জানান এই নেতা।

    তবে অভিযুক্তরা পরস্পর পরস্পরকে বিয়ে করতে রাজি আছেন বলে জানা গেছে। এখন সামাজিকভাবে বিষয়টা মীমাংসার চেষ্টা চলছে। দলীয়ভাবে আজীবনের জন্য তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ আর এম আল-মামুন  জানান, এই বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্যরা বিষয়টি  মীমাংসা করার চেষ্টা করছেন। এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেননি। সবশেষ জানা গেছে, সামাজিকভাবে তাদের বিয়ে দেয়া হয়েছে।

  • পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজদের ভয় পায়-নাহিদ

    পুলিশ প্রশাসন চাঁদাবাজদের ভয় পায়-নাহিদ

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে নবগঠিত দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ আজ শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় বাগেরহাটে পৌঁছেছে। সেখানে সদর উপজেলায় রেলরোডে জনসমাবেশে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘‘পুলিশ প্রশাসন এখনো চাঁদাবাজদের ভয় করে চলছে।’’

    শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে করা গণ-অভ‍্যুত্থানের ইতিহাস টেনে নাহিদ বলেন, ‘‘আমরা কথা বলি পুরনো বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে, বলি পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিপক্ষে। যারা পুরনো বন্দোবস্ত, চাঁদাবাজির সংস্কৃতি, মাফিয়ার রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখছে, আপনাদের তার বিপক্ষে দাঁড়াতে হতে হবে।’’

    নিজেদের রাজনৈতিক দল তৈরির প্রেক্ষাপটের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, ‘‘আমরা চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজদের বিপক্ষে আন্দোলন করেছিলাম। তবে বিগত এক বছরে সেই পরিবর্তন আসেনি। চাঁদাবাজরা এখনো রয়ে গেছে।

    সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘‘পুলিশ প্রশাসন মনে হচ্ছে, চাঁদাবাজদের ভয় পেয়ে তারা কাজ করে। দখলদারদের বিরুদ্ধে তাদের কোনো অ‍্যাকশন আমরা দেখি না।

    পুলিশ প্রশাসনকে জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে। যদি তারা দলবাজ প্রশাসনের মতো আচরণ করেন, তাহলে তাদের পরিণতিও ফ‍্যাসিস্ট আমলের দলবাজ পুলিশ প্রশাসনের মতো হবে।’’

     

  • শরীয়তপুর সুপার সার্ভিসে যুবদল নেতার ৫ কোটি টাকা চাদাঁ দাবি

    শরীয়তপুর সুপার সার্ভিসে যুবদল নেতার ৫ কোটি টাকা চাদাঁ দাবি

    ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় শরীয়তপুর সুপার সার্ভিস নামের একটি পরিবহনের একাধিক বাস ভাঙচুর ও শ্রমিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বাস মালিকদের দাবি চাঁদার ৫ কোটি টাকা না পেয়ে যাত্রাবাড়ী এলাকার সাবেক যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমান ফাহিম ও তার অনুসারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

    এতে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি, অন্যদিকে ব্যবসায় লোকসান গুনতে হচ্ছে বাস মালিকদের।

    শ্রমিকনেতারা জানান, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর যাত্রাবাড়ীতে শরীয়তপুরের বিভিন্ন পরিবহন থেকে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে আসছেন স্থানীয় যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমান ফাহিম।

    সম্প্রতি তিনি শরীয়তপুরের পরিবহন থেকে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে যাত্রাবাড়ীতে শরীয়তপুরের কোনো পরিবহন ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানান যুবদলের সাবেক এই নেতা।

    এই বিপুল পরিমাণ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ৯ জুলাই থেকে যাত্রাবাড়ী থেকে শরীয়তপুরের গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেন যুবদল নেতা ফাহিম ও তাঁর লোকজন।

    এখন পর্যন্ত দোলাইপাড় ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় ফাহিম ও তাঁর লোকজন শরীয়তপুরের প্রায় ২৫টি গাড়ি ভাঙচুর এবং ১০ জন শ্রমিককে আহত করে বলে অভিযোগ করেন পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

    এ ঘটনায় শরীয়তপুর জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের পক্ষ থেকে ঢাকা মেট্রো-পলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, ‘আমি শরীয়তপুরে নতুন যোগদান করেছি। মিডিয়ার মাধ্যমে আমি বিষয়টি আজকেই জানলাম। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি। এ বিষয়ে আমার আইনগতভাবে যা করণীয় আমি তা-ই করব।

  • সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

    সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

    চাঁদা না দেওয়ায় রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করে যুবদলের কর্মীরা। এই নির্মম ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলন।

    শনিবার (১২ জুলাই) বিকেল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে তারা মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালন করে।

    এসময় রাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী হাসান মারুফ বলেন, ‘গত ৯ই জুলাই একজন যুবদল নেতা কর্তৃক আরেক যুবদল নেতা খুন হয়েছেন। এছাড়াও জুলাই পরবর্তী সময়ে চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও মানুষ হত্যার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    দেশে সরকার, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তাদের কাজ কী? সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারলে, জনগণের টাকায় এসি রুমে বসে তাদের কাজ কী?’

    তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে তাকে অতি দ্রুত ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হবে। ২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এসব অরাজকতা মেনে নেওয়া হবে না।’

    ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়া শুভ বলেন, ‘২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো ফ্যাসিবাদকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি নতুন করে হাসিনা বা আওয়ামী লীগ হওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। এখনই সময়, নব্য ফ্যাসিবাদের লাগাম টেনে ধরার।’

    এসময় মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

  • দুইটি করেছি, তৃতীয়টির প্রস্তুতি চলছে-তানজিন তিশা

    দুইটি করেছি, তৃতীয়টির প্রস্তুতি চলছে-তানজিন তিশা

    আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা অভিনয়ের পাশাপাশি নানা সময়ে ব্যক্তি জীবন নিয়েও ছিলেন সংবাদ শিরোনামে। একাধিক তারকার সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এর বাইরে গোপনে বিয়ে করেছেন—এমন খবরও শুনেছেন তিশা। তা-ও আবার একটি নয়, দুটি। এমনকি তার একটি সন্তানও রয়েছে।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসব গুজব নিয়ে মুখ খুলেছেন তানজিন তিশা। চিত্রনায়ক জায়েদ খানের উপস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রে ধারণ করা হয় আড্ডার অনুষ্ঠান।

    অনুষ্ঠানে তিশার কাছে জায়েদের প্রশ্ন ছিল- এমন একটি গুজব যা তুমি শুনেছ, উত্তরে তানজিন তিশা বললেন, ‘আমার নাকি দুটি বিয়ে হয়েছে। তিন নাম্বার বিয়ের প্রস্তুতি চলছে। আমার একটা বাচ্চা আছে, যা দাদির কাছে আছে। ইনশা আল্লাহ আমি বিয়ে করব। তবে এমনটা শুনে আমি ও আমার পরিবারের সবাই হেসেছি।

    তবে তিশা জানালেন, গুজবের বাইরেও বাস্তবে তিনি বিয়ের পরিকল্পনায় আছেন। পাঁচ বছর পর বিয়ে করবেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বলেন,আমি ঠিক করেছি বিয়ের জন্য আরও পাঁচ বছর সময় নেব। তখন আমি মা হব, সংসার করব। আমাদের পেশাগত জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনও আছে। এটা এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তাই আজ হোক বা কাল, বিয়ে করতেই হবে।’

    সম্প্রতি অবকাশযাপনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন তানজিন তিশা। সেখানকার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ঘোরাঘুরির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভক্তদের মাঝে বাড়ে কৌতূহল। সফর শেষে তিনি আবার দেশে ফিরে কাজ শুরু করেছেন পুরোদমে।

    বর্তমানে তিনি কাজ করছেন ভিকি জাহেদের পরিচালনায় একটি নাটকে। নাম ‘খোয়াবনামা’। এতে তিশার বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব।

  • চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস থেকে দেশকে মুক্তি দিতে চাই-নাহিদ

    চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস থেকে দেশকে মুক্তি দিতে চাই-নাহিদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছিল নতুন দেশ গড়ার জন্য, প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার জন্য। তরুণরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশ গড়ার আহ্বান নিয়ে মাঠে নেমেছিল। তার মাত্র এক বছর জুলাই শহীদ ও আহতদের আমরা সম্মান দেখাতে পারিনি। আমাদের স্বপ্ন ছিল দলমত নির্বিশেষে নতুন করে দেশ গড়বো। কিন্তু আমরা আস্থা রাখতে পারিনি।

    অনেকেই এখন গণ-অভ্যুত্থানকে স্বীকার করতে চায় না। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছি। দেশে নতুন করে আর যেন কোন স্বৈরাচারের জন্ম না হয়। আমরা চাই মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে আমাদের ছেলেরা চাকরি পাবে। দেশে কোন অন্যায়, দুর্নীতি থাকবে না। আমরা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস থেকে দেশকে মুক্তি দিতে চাই।

    দেশ গড়তে ‘জুলাই পদযাত্রা’র দশম দিন বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল চত্বরের উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপি নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে এক সভায় এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

    তিনি আরো বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার বিচার এবং নতুন সংবিধানের দাবিতে মাঠে নেমেছি। তা আদায় করতে হবে। এর জন্য আমাদের প্রয়োজন জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জুলাই সনদ।

    এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা শুনেছি নির্বাচন কমিশনরা দিনের ভোট রাতে করেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে সাক্ষী রেখে ভোট কেটেছে। সেই নির্বাচন কমিশনার হুদার অবস্থা কী তা আপনারা জানেন। জুতার মালা গলায় নিয়ে কারাগারে গিয়েছে।

    আমরা শুনছি শাপলা প্রতীক আমাদের দেওয়া হবে না। নির্বাচন কমিশন মিটিং করার আগেই কীভাবে এই খবর প্রচার হলো? ধিক্কার জানাই নির্বাচন কমিশনকে। আপনাদের রিমোট কন্ট্রোল কাদের হাতে তা আমরা জানি।

    সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, খুলনাঞ্চলের অঞ্চল পরিচালক মোল্যা রহমতউল্লাহ, অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার শেলী, মাহবুবা সুলতানা রিমি। এ সময় এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, জাতীয় নাগরিক পার্টি নড়াইল জেলার প্রধান সমন্বয়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ১৮ বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসর

    ১৮ বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসর

    ১৮ বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ ক্রমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের এ সদস্যদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়ায় তাদের অবসর দিয়ে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    জনস্বার্থে তাদেরকে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর ৪৫ ধারার বিধান মতে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। এ বিচারকরা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সুবিধাদি পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়। অবসরে পাঠানো বিচারকদের মধ্যে ১৫ জন জেলা জজ, দুজন অতিরিক্ত জেলা জজ ও একজন যুগ্ম জেলা জজ রয়েছেন।

    বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো বিচারকদের মধ্যে রয়েছেন- আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা ও দায়রা জজ) বিকাশ কুমার সাহা, রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) শেখ মফিজুর রহমান, কিশোরগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. মাহবুবার রহমান সরকার, কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) শেখ গোলাম মাহবুব, গাইবান্ধার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. মজিবুর রহমান, ভোলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. এহসানুল হক, খুলনার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. জুয়েল রানা, সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) মো. মনির কামাল, পটুয়াখালীর বিশেষ জজ (জেলা জজ) সহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরের বিশেষ জজ (জেলা জজ) আল মাহমুদ ফয়জুল কবীর।

    এছাড়া টাঙ্গাইলের জেলা জজ মো. নাজিমুদ্দৌলা, ঠাকুরগাঁয়ের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) এ কে এম মোজাম্মেল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক (জেলা জজ) ফজলে এলাহী ভূইয়া, আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা জজ) আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান, বরিশালের প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সদস্য (জেলা জজ) মো. রুস্তম আলী, আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা জজ) মো. নুরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এ কে এম এনামুল করিম এবং আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

  • অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ অনলাইনে জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে শিশু-কিশোর এবং বিভিন্ন বয়সী যুবকরাও। জেলার শিশু-কিশোররা পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পিছনে।

    এছাড়া অনলাইনের রেটিং সাইট গুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার-টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি, ছিনতাই সহ নানা অপকর্মে। শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রামের প্রায় সবখানেই কিশোররা দল বেঁধে মোবাইলে ঝুঁকি থাকার দৃশ্য।

    যে বয়সে মাঠে খেলাধুলা করার কথা, সেখানে তারা ডুবে    রয়েছে মোবাইল গেমের নেশায়। শিশু-কিশোরদের প্রচন্ড আসক্তি বেড়েছে মোবাইল গেমিংয়ের প্রতি। বাবা-মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা সময় কাটাচ্ছে মেবাইল গেমের পিছনে।

    মোবাইলে গেম খেলতে গিয়ে কেউ কেউ খরচ করছে হাজার হাজার টাকাও। অনলাইন বাজি খেলার সংখ্যাটাও কম নয়। বিভিন্ন ধরনের রেটিং সাইট তৈরি হচ্ছে কিশোরদের টার্গেট করে। দ্রুত সময়ে কয়েকগুণ টাকার প্রলোভনে পা দিচ্ছে অনেকেই এই গেইমে।

    মোবাইল গেমিং ও জুয়ায় আসক্ত একাধিক তরুণ জানায়, গেমিংয়ের আপডেট ভার্সন ইন্সটলেশনের জন্য তারা মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করে থাকে। টপ-আপ করার নামে ধাপে ধাপে অর্থ ব্যয় করে কিনতে হয়। গেমসের এক একটি ফিচার সুবিধা।

    এসব টাকা যোগাড় করতে অনেকে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নেমে পড়েছে। কেউ কেউ দামি মোবাইল কেনার আশায় পাড়ি জমিয়েছে রাজধানী ঢাকায়। উঠতি বয়সীদের এমন মোবাইল আসক্তিতে শংকায় অভিভাবকরাও।

    আগামী প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষায় সরকারী পদক্ষেপের দাবি অভিভাবকদের। তাদের বেশিরভাগ মোবাইল গেম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হলেও, ভিপিএন নামের একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে তাতে যুক্ত থাকে এসব শিশু-কিশোর ও কিশোরিরাও।

    একজন অভিভাবক জানান, অনলাইন জুয়া বা মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে শিশু-কিশোর তাদের মেধা শক্তি হারাচ্ছে।  নতুন এ মোবাইল গেমিং আতংক থেকে ‘রক্ষা’ পেতে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারী প্রয়োজন বলে মনে করেছেন ওই অভিভাবক।

    এদিকে, অনেকেই এ খেলায় আসক্ত হয়ে বসতবাড়ি, জমিসহ সব কিছু খুঁইয়েই ঋণের বোঝা নিয়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছে অনেকেই।