Category: সারাদেশ

  • ‘বর্ষা বিহনে’ নাটকে সজল ও সুষমা 

    ‘বর্ষা বিহনে’ নাটকে সজল ও সুষমা 

    আসছে হৃদয়স্পর্শী প্রেমের গল্প নিয়ে নাটক “বর্ষা বিহনে”। রেজাউর রহমান রিজভীর রচনা ও ওয়ালিদ আহমেদের পরিচালনায় নির্মিত এই নাটকটি প্রচারিত হবে এশিয়ান টিভিতে ১১ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে। এছাড়া প্রচারের পরপরই সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলেও নাটকটি মুক্তি দেয়া হবে।

    নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সজল নূর, সালহা খানম নাদিয়া, সুষমা সরকার, তুর্জা নীল, আফরোজা মোমেন, খালেদা বেলা, নিয়ামুল মুক্তা ও আনিতা আকিল।

    আর এন এন প্রডাকশন নিবেদিত নাটকটি প্রযোজনা করেছেন আফরোজা মোমেন। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন সায়েরা সান-উম নুসাকা। আবহ সংগীত ওয়ালিদ আহমেদ, চিত্রগ্রহণে হাসান জুয়েল, কালার ও এডিটিং করেছেন যথাক্রমে আশিকুজ্জামান অপু ও সজিবুজ্জামান দীপু। ভিএফএক্স ও পোস্ট-প্রডাকশনে কাজ করেছেন নীল।

    সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে নির্মিত “বর্ষা বিহনে” নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে সম্পর্ক, ভালোবাসা ও জীবনের জটিলতা ঘিরে। দর্শকদের আবেগ ছুঁয়ে যাওয়ার মতো একটি পরিপূর্ণ পারিবারিক নাটক এটি।

  • জুলাই গণহত্যার দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হলেন সাবেক আইজিপি মামুন

    জুলাই গণহত্যার দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হলেন সাবেক আইজিপি মামুন

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় স্বীকার করেছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। ট্রাইব্যুনালে তিনি বলেছেন, আমি জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এই আদেশের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হলো। এর আগে, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

    মামলার অন্য দুই আসামি হলেন—সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।

    আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান বর্তমানে পলাতক। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    অপরদিকে, গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা তৃতীয় আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদ শুনানি করেন।

    গত ১ জুলাই এই মামলার অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানি শেষ করে ট্রাইব্যুনাল। সেদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বক্তব্য দেন। এরপর আদালত ৭ জুলাই আদেশের জন্য ১০ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করে।

    অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং চৌধুরী মামুনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

    ১ জুন এই পাঁচটি অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।

    এরপর ১৬ জুন আদালত এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন এবং পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন। ১৭ জুন ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আদালতে হাজির না হলে তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার চলবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ২৪ জুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

    মামলায় অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত শুনানিতে প্রসিকিউটর আব্দুস সোবহান তরফদার ও মিজানুল ইসলামও অংশ নেন। তাদের মাধ্যমে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে পড়ে শোনানো হয়। এ সময় আদালত গণমাধ্যমে শুনানির বিষয়টি সম্প্রচারের অনুমতি দেয়।

    এই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গত জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে তৎকালীন সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা ছিল অমানবিক ও পরিকল্পিত।

    তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, ধর্ষণ এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের উপর দমনপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    প্রসিকিউশনের ভাষ্যমতে, অভিযুক্তরা এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী এবং প্রত্যক্ষভাবে দায়ী।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই মামলাটি বর্তমানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানবতাবিরোধী অপরাধবিষয়ক বিচারিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • শাপলা না হলে, ধানের শীষও প্রতীক হতে পারবে না: সারজিস

    শাপলা না হলে, ধানের শীষও প্রতীক হতে পারবে না: সারজিস

    জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক স্ট্যাটাসে বলেছেন, শাপলা জাতীয় প্রতীক নয়। জাতীয় প্রতীকের একটি অংশ। একইভাবে ধানের শীষ, পাট পাতা এবং তারকাও জাতীয় প্রতীকের অংশ। শাপলা যদি রাজনৈতিক দলের প্রতীক না হতে পারে তাহলে ধানের শীষও প্রতীক হতে পারবে না।

    আর যদি জাতীয় প্রতীকের যে কোনো একটি অংশ রাজনৈতিক দলের প্রতীক হতে পারে তাহলে শাপলাও হতে পারবে। জাতীয় ফুল হিসেবে শাপলার প্রতীক হতে আইনগত বাধা নেই। কারণ জাতীয় ফল কাঁঠাল অলরেডি মার্কা হিসেবে আছে। আর যদি মার্কা দেখেই ভয় পান তাহলে সেটা আগে থেকেই বলেন!

    এর আগে, নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে জাতীয় প্রতীক ‘শাপলা’কে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার তফসিলভুক্ত না করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুধবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, নতুন প্রস্তাবিত প্রতীক তালিকায় শাপলা রাখা হচ্ছে না। নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে আমাদের শিডিউলভুক্ত হচ্ছে না। আমরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জাতীয় প্রতীক শাপলা ও জাতীয় পতাকার বিষয়ে সুস্পষ্ট আইনে বলা রয়েছে।

    সংবিধানে জাতীয় প্রতীক ও জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে। এ দুটোর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার জন্য আইন করা হয়েছে; একটা বিধিমালা করা হয়েছে। কোনো ব্যাপারে জাতীয় ফুল, জাতীয় পাখির ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নেই।

     

  • টাঙ্গাইলে ম্যাটস ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    টাঙ্গাইলে ম্যাটস ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    টাঙ্গাইলে নিশাদ সাদিয়া তুন্না (২১) নামে ম্যাটসের (মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল) এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৯ জুলাই) ম্যাটসের হোস্টেল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিশাদ সাদিয়া তুন্না কুড়িগ্রামের ফুলকুমার গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের মেয়ে। নিশাত ম্যাটসের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এসময় একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ  বলেন, ‘খবর পেয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এসময় একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে।’

    এ ব্যাপারে ম্যাটসের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. সানজিদা আক্তার বলেন, ‘নিশাত ও তার এক সহপাঠী হোস্টেলের একটি রুমে থাকতেন। ঘটনার দিন তিনি অন্য রুমে একা থাকার জন্য চলে যান। পরে সকালে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেই।’

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়ার হানা 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়ার হানা 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গরমের তীব্রতা আর বিশুদ্ধ পানির সংকটে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫২ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ৪৫ জন রোগী ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরলেও বর্তমানে ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪০ জন।

    গতকাল (মঙ্গলবার) এর সংখ্যা ছিল ৩৩ জন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলমান তাপপ্রবাহ, দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নতুন রোগী। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্তৃপক্ষ ডায়রিয়া ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন এবং চিকিৎসক-নার্সের প্রস্তুতি বাড়িয়েছে।

    হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বলেন, “রোগীদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। তাদের দ্রুত সেবা দিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।”

    চিকিৎসকদের জরুরি পরামর্শ–ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করুন, খোলা ও বাসি খাবার থেকে বিরত থাকুন, বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে আসুন। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে।”

    স্থানীয়দের দাবি, শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও চিকিৎসা শিবির চালু করা দরকার। সার্বিকভাবে জেলার মানুষ সতর্ক ও সচেতন না হলে এ রোগ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

  • শরীয়তপুরে টানা বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সর্বত্রই

    শরীয়তপুরে টানা বৃষ্টির পানিতে সয়লাব সর্বত্রই

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি : টানা চার দিনের বৃষ্টিতে শরীয়তপুরে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। পৌরসভার নিন্মাঞ্চলের অনেকের বসত ঘরেও ঢুকে পড়েছে বৃষ্টির পানি।

    শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের সামনে পানি জমে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। সিভিল সার্জন অফিসের সামনে হাঁটু পানি জমে নিচতলায় পানি ঢুকে পরায় কর্মচারীদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।

    এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে নিন্ম আয়ের মানুষ পড়েছে বিপাকে। সড়কে যানবাহন চলাচল করছে তুলনামূলক কম। স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল খুবই কম। ব্যবসা বানিজ্যেও পড়েছে বিরুপ প্রভাব।

    পৌর নাগরিকদের দাবী জেলা শহরে সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা, পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অধিকাংশ খাল ও জলাশয় ভরাট করে ফেলায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

    পৌর কর্তৃপক্ষের দাবী প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকার কারণে সব এলকায় এখনও ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা যায়নি। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে যে সব এলাকায় জলাবদ্ধার সৃষ্টি হয়েছে ওই সব এলাকায় পৌরবাসীর কথা মাথায় রেখে শ্রমিকদের মাধ্যমে দ্রুত পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    শরীয়তপুর পৌরসভা ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, ১৯৮৫ সালে শরীয়তপুর পৌরসভা যাত্রা শুরু করে। ২৪ দশমিক ৭৫ বর্গকিলোমিটারের এই পৌরসভা ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত হয়।

    ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই পৌরসভায় মোট ড্রেনেজ হয়েছে ১০ কিলোমিটার, কাজ চলমান জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় থেকে ৬৭০ মিটার ও পালং স্কুল এলাকা থেকে শাবনুর মার্কেট পর্যন্ত ৬৬০ মিটার। ২০২১ সালের জরিপ অনুযায়ী ৭০ হাজার ৫শ জনসংখ্যার এই পৌরসভায় মোট ভোটর রয়েছে ৩৯ হাজার ৭৯ জন।

    গত রবিবার থেকে শরীয়তপুরে অবিরাম ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। টানা এই বৃষ্টিতে পৌরসভার অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাহির হয় না। কর্মহীন হয়ে পড়ায় দুঃশ্চিন্তায় সময় কাটাচ্ছেন অনেকে।

    সরেজমিনে দেখা গেছে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মাঠ, সিভিল সার্জন অফিস, শরীয়তপুর মডেল টাউনের পশ্চিম পাশের্^ চর পালং এলাকার কয়েকটি বাড়ির ঘরের মধ্যে পানি ঢুকে পরেছে।

    পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর বালুচড়া, পুরান হাসপাতাল রোড, শরীয়তপুর পার্ক, শিল্পকলা, সদর ভূমি অফিসের উত্তর পাশ দিয়ে পাহাড় বাড়ি রোড, তুলাসার, নিরালা আবাসিক এলাকা, শান্তিনগর ও বেপারী পাড়াসহ পৌরসভার নিন্মাঞ্চলগুলো বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।

    চরপালং এলাকার মজিবুর মাদবর বলেন, আমাদের এলাকাটি নিচু হওয়ায় বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন এলাকার পানি জমে ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। শহরের আশে পাশের খালগুলো খনন না করা হলে এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা না হলে আমাদের এই দুর্ভোগ কমবে না।

    শরীয়তপুর সিভিল সার্জন অফিসের জেলা স্বাস্থ্য তত্বাবধায়ক এম এম হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের ভবনের কোন দিক দিয়ে পানি নিষ্কানের ব্যবস্থা নেই। ভারি বৃষ্টি হলেই জলবদ্ধতা দেখা দেয়। সিভিল সার্জন অফিসের নিচ তলায় বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়েছে। ফলে আমাদের অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।

    জেলা বিডি ক্লিনের উপদেষ্টা এডভোকেট মো. মাসুদুর রহমান বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাতে পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর একমাত্র কারণ অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল দখল ও ভড়াট হওয়ার হওয়া।

    পৌর কর্তৃপক্ষ ও প্রশানের হস্তক্ষেপে খাল উদ্ধার করে পানিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলে পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা নিরশন হবে। অন্যথায় এই জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে না।

    শরীয়তপুর সদর হাসাপালের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মো. রফিকুল ইসলাম মামুন বলেন, একটু ভারি বৃষ্টিপাত হলেই শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের সামনে পানি জমে জলা বদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

    এর মূল কারণ হচ্ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা। এ বিষয়ে আমরা শরীয়তপুর গণপূর্ত বিভাগ জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুত সময় তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

    শরীয়তপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. ওয়াহিদ হোসেন বলেন, পৌরসভার ড্রেনেজ করার জন্য অর্থ বরাদ্দ না থাকা আমরা এখনও প্রতিটি এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে পারিনি। অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও খাল ভড়াট করার কারণে শহরের কিছু নিঁচু এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।

    বর্তমানে পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে পৌর এলাকার পালং স্কুল থেকে শাবনূর মার্কেট ও চৌরঙ্গী থেকে মারকাজ মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সেই ক্ষেত্রেও ড্রেন করার জন্য কিছু কিছু বাড়ির মালিকরা বাঁধা দেওয়ায় ড্রেন করতে বেগ পেতে হয়।

    পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের জন্য ১০ জন শ্রমিক সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে রাস্তায় জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করছেন। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যেই জলাবদ্ধতা দুর করা সম্ভব হবে।

  • মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় গ্রেফতার ৪

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় গ্রেফতার ৪

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মহিলা সহ চার জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গোলাম রাব্বির স্ত্রী আজরিন আক্তার (১৯), মা- রোজিনা বেগম (৪৫) পিতা- মো: আছর উদ্দিন (৫০) ছোট ভাই রিফাত ইসলাম (১৭) সর্ব সাং উত্তর কাউন্নরা ।

    এক পর্যায়ে আসামী গোলাম রাব্বীর মা রুজিনা আক্তার ও তার স্ত্রী আজরিন আক্তার  প্রিজনভ্যান গাড়ীর সামনে শুয়ে পড়ে। পরে সাটুরিয়া থানা পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সাটুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শাহিনুল ইসলাম ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেপ্তার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

  • পদ্মা সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধে ভাঙন  ২ঘন্টায় বিলীন ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৮ বাড়ী !

    পদ্মা সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধে ভাঙন  ২ঘন্টায় বিলীন ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ৮ বাড়ী !

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ কোন কিছু না বুঝতেই আকস্মিক পদ্মার আগ্রাসী থাবায় জাজিরায় পদ্মা সেতু প্রকল্প রক্ষা বাঁধের প্রায় ১৫০ মিটার বিলীন হয়ে গেছে। ২ঘন্টার এই ভয়াবহ পদ্মার ভাঙ্গনে বাঁধের পাশে থাকা ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ১টি টিনসেট বাড়ীর ৮টি কক্ষ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

    এ সময় অনেক চেষ্টা করেও শ্রমিক সংকট ও বৈরি আহাওয়ার কারনে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত ঘর রক্ষা করতে পারেনি। চোখের সামনেই বিলীন হয়ে যায় সবকিছু। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে পদ্মার তীরবর্তী আলমখার কান্দি, হাজী ওসিমুদ্দিন মাদবর কান্দি ও স্থানীয় মঙ্গল মাঝির বাজার।

    এদিকে তাৎক্ষনিক ভাঙ্গন রোধে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী ভিত্তিতে জিও-ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে। অপর দিকে আজ সকালে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মো: ওয়াহিদ হোসেন, পুলিশ সুপার মো: নজরুল ইসলাম ও জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাবেরী রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    এছাড়াও শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার একে এম নাসির উদ্দিন কালু জাজিরা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের খোজ খবর নেন।

    স্থানীয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানাগেছে জানায়, ২০১০-১১ অর্থবছরে পদ্মা সেতু থেকে মাঝির ঘাট হয়ে পূর্ব নাওডোবা আলমখার কান্দি জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ১১০ কোটি টাকা ব্যায়ে দুই কিলোমিটার পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড বাঁধ নির্মাণ করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    এর পর ২০২৪ সালের সেপ্টম্বর পর্যন্ত ওই এলাকায় পদ্মার ভাঙ্গন দেখা যায়নি। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে পদ্মা সেতু প্রকল্পের এই বাঁধটির প্রায় ১০০ মিটার নদীগর্ভে ধসে যায়। পরে ধসে যাওয়া বাঁধটির সংস্কারে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দায়িত্ব দেয়া হলে ওই স্থানে বালুভর্তি জিওব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলার কাজ শুরু করা হয়।

    দ্বিতীয় দফায় চলতি বছরের ৮ জুন সকালে একই স্থানে প্রায় ১৫০ মিটার অংশ নদীতে ধসে পড়ে। পরে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে নতুন করে জিওব্যাগ ডাম্পি করে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। এর পর গতকাল সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নতুন করে রক্ষা বাঁধের মঙ্গলমাঝির ঘাট সংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ করে আবারও ভাঙ্গন শুরু হয়।

    স্থানীয়রা কোন কিছু বুঝার আগেই ২ঘন্টার এই ভয়াবহ ভাঙ্গনে প্রায় ১৫০ মিটার রক্ষা বাঁধ, পদ্মাতীর সংলগ্ন স্বপন মাদবরের একতলা ৮কক্ষের ১টি পাকা ঘর, রাজা মাদবরের ১টি ঘর, শুকুর খালাসির হার্ডওয়্যারের দোকান, ফরিদ মাদবরের সারের দোকান, ফিরোজ মাঝির মেশিনারিজ দোকান, সাত্তার খার কাঠালের গোডাউন, সালাম পোদ্দারের চায়ের দোকান, শুকুরের চায়ের দোকান, নোয়াব আলী শেখের মুদি মালের গোডাউন, মিন্টুর সেলুন, স্বপনের সেলুনসহ ১২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গন আতঙ্কে নদী তীরবর্তী আরও অন্তত ২০টি বসতঘর ও ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিয়েছেন স্থানীয়রা।

    এ ব্যাপারে মঙ্গল মাঝি বাজারের ব্যবসায়ী সিরাজ শেখ ও আবু আলেম শেখ ও মজিবুর হাওলাদার জানান, বিকাল সাড়েটার দিকে বাজারের অনেক ব্যবসাীয় দুপুরের খাবার ক্ষেতে গেছে, আবার অনেকে বাজারেই অবস্থান করছে। এর মধ্যে হঠাৎ দেখি লোকজন ছোটাছুটি করছে।

    দোকান বন্ধ না করেই দৌরে গিয়ে দেখতে পাই একের পর এক ঘর নদীতে পরে যাচ্ছে। আমরা অনেক চেষ্টা করি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসত ঘরগুলোর মালামাল সরানোর। কিছু কিছু ঘরের মালামাল সরাতে পারলেও চোখের সামনেই অধিকাংশ ব্যবসা প্রষ্ঠিানের মালামালসহ পুরো ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

    পূর্ব নাওডোবা ইউপি চেয়ারম্যান মো: আলতাফ খান বলেন, পদ্মা নদীর গতীপথ পরিবর্তনের কারনে এই ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। একে একে এই বাঁধে তিনবার ভাঙ্গনের সম্মক্ষীন হওয়ায় এই এলাকার নদী তীরবর্তী গ্রামের মানুষ আতঙ্কে রয়েছে।

    এভাবে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে অচিরেই হারিয়ে যাবে নাওডোবা এলাকার পদ্মা তীরবর্তী দুইটি গ্রাম ও মঙ্গলমাঝির হাট । সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবী পদ্মা পারের এই এলাকার মানুষের জন্য দ্রুত স্থায়ী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মান করে ভাঙ্গনের কবল থেকে আমাদেরকে রক্ষা করা হোক।

    এ ব্যাপারে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী তারেক হাসান বলেন, এই বাধঁটি নির্মান করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধটিতে আরও ২বার ধস হওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে ২টি প্যাকেজে ৫৯ লাখ টাকা ব্যায়ে জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। গতকাল পূণরায় বাঁধটির আরও একটি অংশ ধসে যাওয়ায় আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই ভাঙ্গন রোধে জিওব্যাগ ফেলা শুরু করেছি।

    জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাবেরী রায় বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙ্গন কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত ১২ পরিবারের মাঝে নগদ ৫হাজার করে টাকা ও ১৬ পরিবারকে ৬ হাজার করে টাকার চেক প্রদান করেছি।

     

  • টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত

    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত

    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আরও একজন আহত হয়েছেন।

    সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার বাঘিল এলাকায় ঢাকা-জামালপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন জামালপুর জেলার মজিবুর রহমানের স্ত্রী কাজল রেখা (৪৫) ও তার ছেলে শ্রাবণ (১৬)। অপর নারীর পরিচয় জানা যায়নি।

    ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহীদুল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস উপজেলার বাঘিল এলাকায় মধুপুরগামী একটি সিএনজির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

    এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজির একজন নিহত হন। আহত হন বেশ কয়েকজন। পরে আহতদের ধনবাড়ী ও মধুপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় বাসটি আটক করলেও এর চালক পালিয়ে গেছেন। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

  • মানিকগঞ্জে অস্ত্র মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জে অস্ত্র মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে অস্ত্র মামলার এজাহারভুক্ত আসামি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস.এম. জাহাঙ্গীর আলমকে (৫৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    আজ সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বাঘুটিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দৌলতপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার পারুরিয়া গ্রামের মৃত জয়নুদ্দিন শেখের ছেলে।

    দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ.আর.এম আল মামুন জানান, এস.এম. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর দৌলতপুর থানায় অস্ত্রসহ দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৪/৩২৬/৪২৭/৫০৬(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

    মামলা দায়েরের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।