Blog

  • স্বপ্নের পাল মেলে !

    স্বপ্নের পাল মেলে !

    কত রাত আমি ঘুমকে দিয়েছি ছুটি
    নিজেই খুঁজেছি নিজের দোষ,
    কোথায় আছে ত্রুটি?

    কেন অভিমান বোঝেনি সে
    করেছে অভিযোগ।
    দেয়নি কখনো নিজেকে গোছানোর
    এতটুকু সুযোগ।

    কেন এত প্রেম, এত মায়া ফেলে
    ভাসালো সে তরী-
    মিছে স্বপ্নের পাল মেলে।

    জল ভরা নদী

    কেন?
    ধূ ধূ বালুচর।
    বন্ধন ছেড়ে কেন সরে দূরে-
    প্রশ্ন ভুরিভুরি,
    উত্তর নিরুত্তর।

    বাস্তবতার নিষ্ঠুর সত্য,
    ছিন্ন যুগল জুটি।
    কত রাত আমি ঘুমকে দিয়েছি ছুটি
    নিজেই খুঁজেছি নিজের দোষ,
    কোথায় আছে ত্রুটি?

  • মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল !

    মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল !

    মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানা যায়।  কমিটি ঘোষণার খবরে অত্র জেলার সাটুরিয়ায় উপজেলা বিএনপি,  যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আনন্দমিছিল করেছে

    দলীয় সূত্রে জানাযায়, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সভাপতি আফরোজা খান রিতাকে ‘আহ্বায়ক’ করে জেলা বিএনপির সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে অন্যরা সবাই সদস্য। তাঁরা হলেন- এস এ জিন্নাহ কবির, আজাদ হোসেন খান, আতাউর রহমান, নুরতাজ আলম বাহার, সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ও গোলাম আবেদিন।

    সদ্য বিলুপ্ত হওয়া জেলা বিএনপির কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এস এ জিন্নাহ কবির। এ ছাড়া আগের কমিটিতে আজাদ হোসেন খান সহ সভাপতি, আতাউর রহমান জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি, নুরতাজ আলম বাহার ও গোলাম আবেদিন কায়সার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১৪ মার্চ দলের কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন আফরোজা খান রিতা। এসময় জেলায় মোট ৪৫ ভোটের মধ্যে ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে চলতি সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পাালন করে আসছিলেন । উক্ত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলে এস এ জিন্নাহ কবির।

     

  • যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ  কানাডার

    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ  কানাডার

    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করলো কানাডা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পণ্য আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে মার্কিন পণ্যেও একই হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। খবর রয়টার্সের।

    কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের দীর্ঘতম সীমান্ত ভাগাভাগির পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে ঘনিষ্ট মিত্র হিসেবেই পরিচিত ছিল। কিন্তু এখন এই পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের কারণে দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৫৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর এই শুল্কহার প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে ৩০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর নতুন শুল্কহার কার্যকর হবে মঙ্গলবার থেকেই। আরো ১২৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপ করতে ২১ দিন সময় দেওয়া হবে।

    বিশেষ করে আমেরিকান বিয়ার, ওয়াইন, বরবন উইস্কি, ফল, কমলার রসসহ ফলের জুস, সবজি, পারফিউম, পোশাক, গৃহস্থালী সামগ্রী, ক্রীড়া সামগ্রী, আসবাবপত্রও নতুন শুল্কের আওতায় পড়বে বলে জানান ট্রুডো।

     

  • চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা আটক!

    চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা আটক!

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় মো. মনির (৩৭) নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রামে নগরীর চান্দগাঁও থানা পুলিশ। জানা গেছে, গ্রেফতার মনির ভোলার লালমোহন থানার মো. হানিফের ছেলে।

    শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে চান্দগাঁও থানার মোহরা কাজীর হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রজনতার ওপর হামলা ও বিস্ফোরক আইনে গত নভেম্বরে দায়ের হওয়া এক মামলায় এজাহারনামীয় আসামি মো. মনিরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মনির নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য। তাকে শনিবার দুপুরে ওই মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

     

  • আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো প্রথম পর্বের প্রথম ধাপের বিশ্ব ইতেমা

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো প্রথম পর্বের প্রথম ধাপের বিশ্ব ইতেমা

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম ধাপ। আজ রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শুরু হয়ে এ মোনাজাত শেষ হয় ৯টা ৩৫ মিনিটে। মোনাজাত পরিচালনা করেছেন মাওলানা জুবায়ের আহমেদ।

    মোনাজাতে মহান আল্লাহর দরবারে অশ্রুভেজা চোখে ক্ষমা প্রার্থনা ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করা হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় লাখ লাখ মুসল্লি আকুতি জানান।এ সময় ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে তুরাগতীর মুখরিত হয়ে ওঠে।

    এর আগে, বাদ ফজর থেকে ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান হেদায়েতি বয়ান শুরু করেন। যারা এখান থেকে চিল্লা, তিন চিল্লার জন্য জামাতে বের হবেন, তারা জামাতে গিয়ে কী আমল করবেন এবং মহল্লায় যারা এখান থেকে ফিরে যাচ্ছেন তারা নিজ এলাকায় গিয়ে কী আমল করবেন তার দিকনির্দেশনামূলক বয়ান করা হয়।

    এবার ইজতেমার প্রথম পর্ব হচ্ছে দুই ধাপে। এর মধ্যে, ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ধাপের ইজতেমা। এ ধাপে অংশগ্রহণ করছেন ৪১ জেলা ও ঢাকার একাংশের মানুষ।

    এরপর ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি হবে দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমা। তাতে অংশ গ্রহণ করবেন ২২ জেলা ও ঢাকার বাকি অংশের মানুষ।

  • পর্নোগ্রাফি মামলায় মা ও মেয়েকে বিয়ে করা জামাল শেখ গ্রেফতার

    পর্নোগ্রাফি মামলায় মা ও মেয়েকে বিয়ে করা জামাল শেখ গ্রেফতার

    মা ও মেয়েকে বিয়ের পর অধিক লালসা পুরণে ব্যর্থ হয়ে এবার মেয়ের অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে পর্নোগ্রাফি মামলায় জামাল শেখ নামের জনৈক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

    শনিবার ১ ফেব্রুয়ারি সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বিল-ডাউলি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জামাল শেখের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের মালিরআট গ্রামে।

    বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, ২০১৩ ইং সালে প্রথম মাকে বিয়ে করে জামাল শেখ। এরপর বিবাহীত স্ত্রীকে নিয়ে সে অণ্যত্র  বসবাস করতে থাকে। এর ফাকেঁ লম্পট জামাল শেখ কোন এক সময় মোবাইল ফোনে নিজের সতালো মেয়ের গোসলের দৃশ্য ধারন করে তাকে কু-প্রস্তাব দিতে থাকে। এতে মেয়ে রাজী না হলে ধারন করা ভিঢিও দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হমকি দেয়।এতে ভীত হয়ে সে জামাল শেখকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়।

    বিয়ের কিছু দিন পরই চতুর জামাল শেখ প্রবাসে (ওমান) চলে যায়। প্রবাস থেকে দেশে ফিরে সে ঐ তরুণীকে নিয়ে ঘর সংসারে করতে থাকলে  নানান কারণে তরুনী জামালকে সন্দেহ করতে থাকে ।

    এতে জামাল শেখ  ক্ষুদ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীর গোপন মেলামেশার অসংখ্য ভিডিও দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে ওই তরুণী তার বাবার বাড়ি চলে যায়।

    পরবর্তীতে জনৈক আইনজীবীর মাধ্যমে জামাল শেখকে সে তালাক দেয়। পরে মেয়েটি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার জনৈক এক যুবককে বিবাহ করে ঘর-সংসার করতে থাকে।

    এতে জামাল শেখ ক্ষিপ্ত হয়ে মোবাইলে ধারনকৃত পূর্বের অন্তরঙ্গ ছবি ও ভিডিওগুলি নতুন স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। এ প্রেক্ষিতে ওই তরুণী বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে জামালের বিরুদ্ধে মামলা করলে সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

    মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ ঘটনার সততা স্বীকারে করে বলেন, পর্নোগ্রাফি মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

     

  • সাটুরিয়ার বরাঈদে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ার বরাঈদে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

     

    সাটুরিয়ার বরাঈদ ইউনিয়নের আগ-সাভার বাজারে বেসরকারি সংস্থা সোসাইটি ফর হিউম্যানের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার(১ লা ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ ঘটিকা থেকে অত্র ইউনিয়নের আগ-সাভার বাজারে সোসাইটি ফর হিউম্যানের নিজস্ব অফিসে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করা হয়।

    এ সময় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়ার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দানবীর জনাব ড. মো. রফিকুল ইসলাম (সভাপতি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ মিসৌরী) সাহেব।

    অত্র অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সোসাইটি ফর হিউম্যান সংস্থা সভাপতি জনাব শাহানুর আলম, সাধারন সম্পাদক পলাশ মাহমুদ, মো. আবুল হোসেন. হামিদুর রহমান, মো. বাবুল হোসেন প্রমূখ।

    সকাল  ১১ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ডা. আমেনা খাতুন (লতা) ও ডা. শরিফুল ইসলাম বিনামূল্যে রোগ নির্ণয় করে রোগীদের মেডিসিন সামগ্রীসহ ওষুধ বিতরণ করেন।

    এই সময় ক্যাম্পে ৫৯ জন পুরুষ রোগী, ৮২ জন মহিলা রোগী এবং  শিশু রোগীসহ প্রায় ১৮৮ জন রোগীর রক্তের গ্রুপ পরিক্ষা করা হয়।

  • সাটুরিয়ার চাচিতারায় তিন দিন ব্যাপী বইড়া পাগলার বার্ষিক মেলা অনুষ্ঠিত !

    সাটুরিয়ার চাচিতারায় তিন দিন ব্যাপী বইড়া পাগলার বার্ষিক মেলা অনুষ্ঠিত !

    সাটুরিয়া উপজেলার চাচিতারা গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল (২৮ জানু-১লা ফেব্রুয়ারি) তিনদিন ব্যাপী আশুরুদ্দিন পাগলা ওরফে বইড়া পাগলার বার্ষিক মেলা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পাগলার মেলায় বিপুল সংখ্যক-ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে। ঐতিহ্যবাহী এই মেলার প্রথম দিনে পাগলার মাজারে মাল্যদান-সহ তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল ও তবারক বিতরন অনুষ্ঠিত হয়।

    মেলার দ্বিতীয় দিনে আয়োজন করা হয় সামাজিক যাত্রাপালা ‘সূর্য্য-স্বাক্ষী। চাচিতারাসহ আশে-পাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ মেলায় সমাবেত হন সামাজিক যাত্রাপালা ‘সূর্য্য-স্বাক্ষী দেখার জন্য। অভিনেতাদের অভিনয় শৈলীতে চারদিকে মুহুমুহু করতালি ভেজে উঠে। মানুষ অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে এই যাত্রাপালা উপভোগ করে।

    মেলার উদ্ভোধক জনাব মশিউর রহমান হেলালী তার এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, সামাজিক যাত্রাপালা হচ্ছে গ্রামবাংলার মানুষের প্রাণ। দীর্ঘ দুঃশাসনের পর আজ মানুষ অনেকটাই স্বাধীন। ফলে দলমত নির্বিশেষে সকলে আজকের যাত্রাপালা দেখার জন্য একত্রিত হয়েছে। যা কিছু দিন আগেও ছিল অসাধ্য।

    তিনি আরো বলেন, আওয়ামী দুঃশাসনে মানুষ স্বাধীনভাবে কথাবলার অধিকার হারিয়ে ফেলে ছিল। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তারা আবার সেই অধিকার ফিরে পেয়েছে। এ কথা সকলের মনে রাখা দরকার যে, অন্যায়কারী ও অপরাধীরা কোন দিনই সফল হয় না। মানুষ আজ তাদের ঘৃনা করে। ক্ষমতার বড়াই চিরদিন থাকে না। এই সময় তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী আফরোজা খানম রিতাকে ধানের র্শীষ প্রতিকে ভোট দিয়ে জয় লাভের আহ্ববান জানান।

    মেলার দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় যাত্রাপালা ‘রহিম-রুপবান। অসম প্রেম-ধাঁচের এই যাত্রাপালার কাহিনী গ্রাম বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে সুপরিচিত। চরিত্ররুপায়নে রুপবানের স্বামী বিচ্ছেদের করুন আত্ম-চিৎকার ছিল সকলের কাছে উপভোগ করার মত। এই দিনে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ জনাব খোরশেদ আলম নোমান। তিনি মেলার আগত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান আপনাদের সকলের অনুষ্ঠান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজকের অনুষ্ঠান স্বাথর্ক হয়েছে। তিনি উপস্থিত সকলকে মানিকগঞ্জের মানবিক নেত্রী আফরোজা খানমের (রিতা) সালাম পৌঁছিয়ে দেন।

    এ্যাড. অমিত হাসানের উপস্থপনায়, তিন দিন ব্যাপী এই মেলায় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক জনাব আব্দুর রহমান, দিঘলীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি জনাব সানোয়ার হোসেন (সানু), প্রভাষক রাজা মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক আব্দুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোকছেদ আলম, উপজেলা যুবদলের আহ্ববায়ক আমীর হামজা, আমজাদ হোসেন, কৃষকদল নেতা সিরাজুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন প্রমুখ।

    এদিকে পাগলার মেলা উপলক্ষে দেশের নানাপ্রান্ত থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মুখরোচক খাবার নিয়ে হাজির হন। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে আমিত্তি, জিলেপি, সন্দেশ, বারো মিঠাই, শাহী হালিম, চটপটি, পিয়াজুসহ হরেক রকমের রসগোল্লার দোকান। এছাড়া ছিল শিশুদের খেলনা, ঘরের তৈজসপত্রসহ বাঁশ ও লোহার তৈরি নানান রকমের জিনিসপত্র।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পিঠা উৎসব 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে পিঠা উৎসব 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল’ স্কুলে পিঠা উৎসব হয়েছে। তিনদিন ব্যাপী চলা স্কুলের গ্রামীন খেলাধুলার পাশাপাশি নানা আয়োজন করা হয়। শেষ দিন শনিবার শহরের সোনার মোড়স্থ বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসবের।

    এতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। উৎসবে ১৫টি স্টলে নানা ধরনের বাহারী পিঠা-পুলি বানিয়ে পসরা নিয়ে বসেন বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। ছোট ছোট শিশুরা এসব স্টলে বিভিন্ন খাবার নিজ বাসা থেকে বানিয়ে নিয়ে এসে সারি সারি করে সাজিয়ে রাখে।

    স্টলগুলোও সাজানো হয় নানা রঙের বেলুন, চিকিমিটি পাতা, নানা রংয়ের কাগজ কেটে ফুল বানিয়ে দড়ি দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে। ছোট ছোট শিশুদের নানা কাজে সহায়তা করেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগন। এছাড়া প্রতিটি শিশুর অভিভাবক ছেলে মেয়েদের নানাভাবে সাজিয়ে ‘যেমন খুশি-তেমন সাজো’ নিয়ে এসেছেন পিঠা উৎসবে।

    এতে শিক্ষার্থীরাও যেমন উচ্ছ্বসিত, তেমনই আনন্দিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও। পিঠা উৎসবে পিঠা বিক্রি করে আয় ও করেছেন শিক্ষার্থীরা। নিজের হাতের বানানো পিঠা দিয়ে স্টল এবং সেখান থেকে বিক্রি করে টাকা আয় করা নিয়ে খুব খুব খুশি ছোট সোনামনিরা।

    পিঠা উৎসবে আসা অনেক শিশুরা বলেন, পিঠা উৎসবে এসে তারা অনেক গ্রামীন খাবার চিনলো নতুন করে। বর্তমানে তো শিক্ষার্থীরা আধুনিক সব খাবারে অভ্যস্ত এবং আশক্ত। কিন্তু পিঠা উৎসবে এসে অনেক খাবার খেতে এবং স্বাদও পেয়েছে তারা।

    অভিভাবকরাও বলেন, তাদের সন্তানরা আগের মতো গ্রামীন খাবারে অভ্যস্ত নয়। আধুনিক খাবারের সাথে পরিচিত হওয়ায় নতুন প্রজন্মের সন্তানরা গ্রামীণ নানা খাবারের বিষয়ে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। তাই গ্রামীন পিঠা-পুলি নিয়ে এমন উৎসব খুব প্রয়োজন।

    আমাদের সন্তানরা প্রাচীন গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর সাথে পরিচিত ও স্বাদ পাবে। দিন দিন গ্রামীন খাবারের প্রচলন হারিয়ে যাওয়ায় বর্তমান সময়ে গ্রামীন পিঠা-পুলি নিয়ে এরকম উৎসব শিশুদের অনেক উপকারে আসবে বলেও মত দেন অভিভাবকরা।

    ‘ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল’ স্কুলের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার বিভিন্ন খাবারের সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে প্রতি বছর গ্রামীণ খেলা-ধুলা ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করে থাকি আমরা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।

    প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি গ্রামীন ঐতিহ্যগুলো স্মরণ করিয়ে দেয়া ও বাইরের শিক্ষা দেয়া এবং কিছুটা আনন্দ বিনোদনের লক্ষ্যেই মূলত এই উৎসব। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই উৎসব আয়োজনের আশাও ব্যক্ত করেন ‘ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল’ স্কুলের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম।

    ‘ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল’ স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক তুফান বলেন, দিন দিন হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরার লক্ষেই প্রতি বছর গ্রামীন খেলাধূলা, পিঠা উৎসব, শিক্ষার্থীদের নানাভাবে সাজানো, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ বিনোদনের জন্য এই উৎসবের আয়োজন।

    এই উৎসবের কারণে প্রায় ৫০ রকমের বিভিন্ন প্রকার গ্রামীন খাবারের সাথে পরিচিত হচ্ছে শিশুরা। এই ধরণের আয়োজন আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল’ স্কুলের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক তুফান, সহঃ প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ খাইরুন নেসা, সহঃ শিক্ষক ফারজানা তামান্না নওরোজ, মোসাঃ শুকতারা খাতুন, মোসাঃ সাবিনা ইয়াসমিন, মোঃ রবিউল ইসলাম, মোসাঃ জয়নবা ফাল্ধসঢ়;গুনী, প্রিসিলা পাপড়ি গাইন, ইব্রাহীম খলিল নয়ন, মোসাঃ রহিমা বেগম, উম্মে রায়হান, মোসাঃ ফুলেরা খাতুন, মাহাতারামা ইয়াসমিন মুক্তি, কানিজ ফাতিমা সাথি, সহঃ শিক্ষক
    পুতুল, তুলি, বাসির আলী, আয়েশা খাতুন, মোসা: মুর্শিদা আখতার বানু।

    কম্পিউটার অপারেটর মো: আমিনুর রহমান, হিসাব রক্ষক, গুলে জান্নাত লুমা, আয়া হাসনারা, রাখি, ভ্যান চালক মাসুদ রানা। এসময় বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থী অভিভাবক ও সাধারণ দর্শনার্থীরাও পিঠা উৎসবে ভীড় জমায়।

     

  • কেটেছে  টিকা (ইপিআই) ক্রয় জটিলতা

    কেটেছে টিকা (ইপিআই) ক্রয় জটিলতা

    সারাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) ক্রয় জটিলতা কেটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শিশুদের টিকাগুলো সরকারি এবং বিদেশিদের দেওয়া অর্থে কেনা হয়। এখন টিকার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে টিকা ক্রয় সংক্রান্ত জটিলতা কেটেছে।

    জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশের পশ্চিম সীমান্তের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে টিকা পাওয়া যায়নি। নবজাতকের জন্মের পর প্রথম টিকা বিসিজি দেওয়ার জন্য পার্শ্ববর্তী টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করলে জানানো হয় টিকার সরবরাহ নেই। পরের সপ্তাহে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে টিকার ব্যবস্থা হয়।

    তবে টিকা নিতে গিয়ে জানা যায়, কেন্দ্রে টিকাদান কার্ডের সরবরাহ নেই। অথচ শিশুদের জন্য এই কার্ড অতিজরুরি একটি বিষয়। জন্মনিবন্ধন করাসহ জীবনের বৃত্তান্ত সংরক্ষণের দলিল হিসেবে কাজ করে এই কার্ড।

    এটি শুধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ নয়, সারাদেশেই এমন চিত্র বলে স্বীকার করেছেন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, ক্রয় সংক্রান্ত দীর্ঘসূত্রতার কারণে এমন সংকট দেখা দিয়েছে। সামনে এমন পরিস্থিতি থাকবে না।

    সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) প্রোগ্রাম ম্যানেজার সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আমরা সারাদেশে টিকা পাঠানো শুরু করেছি। এরই মধ্যে ৪০ শতাংশ টিকা পাঠিয়েছি, বাকি ৬০ শতাংশ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।