Blog

  • খ্যাতিমান বাউল শিল্পী আবুল সরকার গ্রেফতার

    খ্যাতিমান বাউল শিল্পী আবুল সরকার গ্রেফতার

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়নের বাউল শিল্পী মহারাজ আবুল  সরকারকে গতকাল বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম ও মহান আল্লাহকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য প্রদানের অভিযোগ রয়েছে।

    জানা যায়, গত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ‘জাবরা খালা’ পাগলীর মেলায় গান পরিবেশনকালে তিনি ইসলাম ধর্ম ও মহান আল্লাহকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেন। সেই সময় আল্লাহ তা‘লা পৃথিবীতে সর্ব প্রথম কি সৃষ্টি করেছেন তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে, ঘিওর বন্দর মসজিদের ইমাম মুফতি মোঃ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

    এই মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মাদারীপুর থেকে তাঁকে আটক করে বলে জানান ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ কহিনুর ইসলাম।

    তিনি বলেন, ‘বাউল শিল্পী আবুল সরকার গান পরিবেশনকালে আল্লাহ তায়ালা ও ইসলাম সম্পর্কে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেছেন বলে মামলায় অভিযোগ রয়েছে।

    মহারাজ আবুল সরকারকে আটকের পর বিকেলে মানিকগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য, মহারাজ আবুল সরকার ‘বাংলাদেশ বাউল সমিতির’ সভাপতি ও  একজন খ্যাতমান বাউল শিল্পী হিসাবে দেশ-বিদেশে সু-পরিচিত।

  • ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়- খলিলুর রহমান

    ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়- খলিলুর রহমান

    দিল্লিতে কলম্বো সিকিউরিটি কনক্লেভ (সিএসসি) থেকে পারস্পরিক সহায়তা এবং আঞ্চলিক শান্তি রক্ষার বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের আমন্ত্রণে দিল্লি সফরে রয়েছেন তিনি।

    ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই লিখেছে, বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর)সিএসসিতে আলোচনার সময় পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার কথা বলেছেন বাংলাদেশের এই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    খলিলুর রহমানের বরাত দিয়ে এএনআই লিখেছে, বাংলাদেশ সিএসসি উদ্যোগের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাকে মূল্য দেয় এবং সার্বভৌমত্ব, সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং হস্তক্ষেপ না করার নীতির ওপর ভিত্তি করে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখতে চায়।

    সিএসসি-এর সহযোগিতার পাঁচটি স্তম্ভ সমষ্টিগত নিরাপত্তা এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে পারস্পরিক সমৃদ্ধি জোরদার করার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ।

    তিনি বলেন, “আমি আনন্দের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, বাংলাদেশ সিএসসির কিছু কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে, যা সংগঠনের সনদে থাকা নীতিমালা, যথা- সার্বভৌমত্ব, সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং (অভ্যন্তরীণ বিষয়ে) হস্তক্ষেপ না করার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

    কনক্লেভের কাজের পাঁচটি চিহ্নিত স্তম্ভের গুরুত্ব এবং এই অঞ্চলের সব সদস্যের জন্য যৌথ নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সিএসসি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, তা বাংলাদেশ স্বীকার করে।”

    তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমরা ভুল ও বিভ্রান্তির তথ্যের ক্রমাগত প্রবাহের মুখোমুখি হয়েছি। আমরা কেবল আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য নয়, আমাদের নিজস্ব সাইবারস্পেস, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং প্রযুক্তি সুরক্ষিত করার জন্য প্রতিশ্রুতি-বদ্ধ।”

    জাতীয় প্রচেষ্টা এককভাবে অপর্যাপ্ত বলে তুলে ধরে খলিলুর রহমান বলেন, সাইবার নিরাপত্তা হুমকি, ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তি মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।

    বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, “সাইবার নিরাপত্তা, ভুল তথ্য এবং বিভ্রান্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সম্মিলিত পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং আমি এই বিষয়ে সিএসসি-এর পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছি।”

  • শেখ হাসিনা-কামালকে ফেরত চায় বাংলাদেশ

    শেখ হাসিনা-কামালকে ফেরত চায় বাংলাদেশ

    জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালকে হস্তান্তরের জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার (১৭ নভেম্বর) তাদের কে দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণা করার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানায়।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অ-বন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল।

    আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

    ”বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে দুজনকে হস্তান্তর করাটা ভারতের জন্য ‘অবশ্যপালনীয় দায়িত্ব’।

  • সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

    সাবেক আইজিপি মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    আজ সোমবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ছয় অধ্যায়ে ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায়ের প্রথম অংশ পড়া শুরু করেন বিচারিক প্যানেলের সদস্য বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের অপর সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

    ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত রায় পড়া শেষে দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে এ রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

    এ মামলায় পলাতক রয়েছেন শেখ হাসিনা ও কামাল। তবে গ্রেপ্তার হয়ে বছরখানেক ধরেই কারাগারে রয়েছেন সাবেক আইজিপি মামুন।

  • সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড

    সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়। সেগুলো হলো—গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার ‘উসকানিমূলক বক্তব্য’ দেওয়া; হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ দেওয়া; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যার নির্দেশ এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যার নির্দেশ দেওয়া।

    শুরুতে এ মামলার একমাত্র আসামি ছিলেন শেখ হাসিনা। গত ১৬ মার্চ সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও এ মামলায় আসামি করা হয়। সবশেষ গত ১২ মে মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নাম আসে।

  • শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ

    শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এর আগে গত ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

    তিনি জবানবন্দিতে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।

    রায় ঘোষণার আগে আজ সকাল সাড়ে ৮টায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে।

     

  • ঢাকা-গোপালগঞ্জসহ চার জেলার নিরাপত্তার দায়িত্বে বিজিবি

    ঢাকা-গোপালগঞ্জসহ চার জেলার নিরাপত্তার দায়িত্বে বিজিবি

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    এরই মধ্যে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুর জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    রবিবার (১৬ নভেম্বর) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, রাজধানীতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরেও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

  • আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ভাগ্য নির্ধারন

    আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার ভাগ্য নির্ধারন

    জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ‘পলাতক’ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাস্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় দেবে  সোমবার (১৭ নভেম্বর)।

    নির্ধারিত দিনে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এই মামলার রায়ের দিন ঠিক করেন আদালত। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

    এর আগে গত ২৩ অক্টোবর অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের সমাপনী বক্তব্য শেষে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখেন। তারই ধারাবাহিকতায় রায়ের দিন ঠিক করা হয়।

    মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনও আসামি। তাদের মধ্যে মামুন দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।

    আদালত রায়ের তারিখ ঠিক করে দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা অঙ্গীকার করেছিলাম যে, যারাই বাংলাদেশে, যত শক্তিশালী হোক না কেন, যদি কেউ অপরাধ করে, মানবতাবিরোধী অপরাধ করে, তাদের সঠিক পন্থায় বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, এখন ১৭ নভেম্বর আদালত তার সুবিবেচনা, তার প্রজ্ঞা প্রয়োগ করবেন এবং এই জাতির যে বিচারের জন্য আশঙ্কা যে তৃষ্ণা, সেটার প্রতি তারা সুবিচার করবেন, একটি সঠিক রায়ের মাধ্যমে।

    বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য এই রায়টি ইনশাআল্লাহ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, তেমন একটি রায়ই আমরা প্রত্যাশা করছি।

    অন্যদিকে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন বলেন, মক্কেলদের অনুপস্থিতিতেও তিনি নিজের সর্বোচ্চ যুক্তি তুলে ধরেছেন। তিনি আশা করছেন, ট্রাইব্যুনাল তার মক্কেলদের খালাস দেবেন।

     

  • ঢাকায় সমাবেশে আহত শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তার মারা গেছেন

    ঢাকায় সমাবেশে আহত শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তার মারা গেছেন

    ঢাকায় শিক্ষকদের তিন দফা দাবির আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়া ফাতেমা আক্তার (৪৫) নামে সেই শিক্ষিকা মারা গেছেন।

    রবিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় তিনি রাজধানী একটি হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা জান। তিনি চাঁদপুর মতলব উত্তরের ৫ নম্বর ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।

    তিনি মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌর এলাকার গ্রামের ঘনিয়ারপাড় গ্রামের বাসিন্দা সুরুজ মোল্লার মেয়ে ও ঠাকুরচর গ্রামের ডিএম সোলেমাননএর স্ত্রী।

    এর আগে, গত ৮ নভেম্বর সমাবেশের এক পর্যায়ে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে তিনি প্রচণ্ড আতঙ্কে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন এবং ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

    চাঁদপুরের মতলব উত্তরের শিক্ষকরা জানান, ফাতেমা আক্তার আন্দোলনের দিন শহীদ মিনারের সামনেও সক্রিয় ছিলেন। সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ শুরু হলে তিনি প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। কয়েকদিন ধরে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ মারা গেছেন।

    রবিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঠাকুরচর গ্রামে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

     

  • মানিকগঞ্জে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ

    মানিকগঞ্জে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ

    মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ দাসের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ,দুর্নীতি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

    সম্প্রতি এ বিষয়ে শিক্ষক,কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। আজ (১৬ নভেম্বর) শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,বানিয়াজুরি ইউনিয়নের সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো: মোনায়েম খান।

    ​অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,২০২৪-২৫ অর্থবছরে বানিয়াজুরি ইউনিয়নের সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রশাসনিক ব্যয়ের জন্য বরাদ্দকৃত ৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকার মধ্যে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৭০০ টাকা ২১টি ভুয়া খাতে উত্তোলন করা হয়েছে।​কর্মচারীদের পোশাক বাবদ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও,সেই অর্থ কর্মচারীরা পাননি। প্রতিষ্ঠানে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও ২৫ হাজার টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।

    ​বইপত্র,রসায়ন দ্রব্য, আসবাবপত্র এবং কম্পিউটার খাতে মোট ১ লাখ টাকা খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো ব্যয় করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাবদ ৬২ হাজার ৬৯৭ টাকার হিসাব না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তা আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা গেছে।

    অপর দিকে ​শিক্ষক-কর্মচারীরা এই দুর্নীতি ও অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    এই বিষয়ে বানিয়াজুরি ইউনিয়ন সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ দাসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। অধ্যক্ষ জানান,তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।