Blog

  • ইসির প্রতীক তালিকায় যুক্ত হল ‘শাপলা কলি’

    ইসির প্রতীক তালিকায় যুক্ত হল ‘শাপলা কলি’

    প্রতীকের তালিকা সংশোধন করে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে সই করেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    গত সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছিলেন, “ইসির বিধিমালায় না থাকায় শাপলা প্রতীক জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) দেওয়া হবে না। কমিশন বরং নিজেরা বিবেচনা করে অন্য একটি প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।”

    গত জুনে নিবন্ধন আবেদনের সময় শাপলার পাশাপাশি কলম ও মোবাইল ফোন চেয়েছিল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। পরবর্তীতে দুই প্রতীক থেকে সরে এসে কেবল শাপলাতেই জোর দেয় দলটি।

    তবে রাজনৈতিক দলের জন্য তৈরি করা প্রতীক তালিকায় শাপলা না থাকায় এনসিপির আবেদন বারবারই নাকচ করে দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    অন্যদিকে, এনসিপির আগে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্যও চেয়েছিল শাপলা প্রতীক, কিন্তু সে আবেদনও খারিজ করে দিয়েছিল ইসি। গত ১৯ অক্টোবর প্রতীক পছন্দের শেষ দিন ছিল।

    তবে সে সময়ও শাপলা ছাড়া অন্য প্রতীক নেবে না বলে জানায় এনসিপি। অবশেষে আজ প্রতীকের তালিকা সংশোধন করে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করে ইসি।

  • শিবালয়ে পরকীয়ার জেরে মা-মেয়ে খুন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

    শিবালয়ে পরকীয়ার জেরে মা-মেয়ে খুন, মূলহোতা গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় মা ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় পরকীয়ার সূত্রে জড়িত মূলহোতা সুজনকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের নাগরপুর এলাকা থেকে র‍্যাবের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    নিহতরা হলেন, শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল রাজ্জাক শেখের স্ত্রী স্মৃতি বেগম (৩০) এবং তাদের তিন বছরের কন্যা মরিয়ম।

    ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতুরিয়া গ্রামের সাঈদ শেখের ছেলে বিদেশ ফেরত সুজনের সাথে স্মৃতির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সুজন বাড়ি আসার পর স্মৃতি তার সাথে কথা বলে বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। এর মধ্যে সুজনের অন্যত্র বিয়ে ঠিক হয়।

    গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে সুজন স্মৃতি বেগম ও তার কন্যা মরিয়ম কে হত্যা করে যমুনা নদীতে ফেলে দেয়। পরদিন শুক্রবার সকালে যমুনা নদীর তীরে মরিয়মের মরদেহ ভেসে ওঠে।

    ঘটনার রাতে সুজন ফোনে ডেকে নিয়ে স্থানীয় একটি পেয়ারা বাগানে স্মৃতিকে গলা টিপে হত্যা করে। এ সময় ঘটনাটি দেখে ফেলায় তার ছোট মেয়ে মরিয়ম কেও হত্যা করে। মরিয়মের মরদেহ গলায় দড়ি বেঁধে যমুনা নদীতে ফেলে দেয়, আর স্মৃতির লাশ বস্তায় ভরে নদীতে নিক্ষেপ করে সুজন।

    নিহত স্মৃতির স্বামী আব্দুল রাজ্জাক শেখ বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতভর আমি মাছ ধরতে নদীতে ছিলাম। পরদিন সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি আমার মেয়ে মরিয়মের মরদেহ নদীতে ভেসে উঠেছে। এরপর থেকেই স্ত্রী স্মৃতির কোনো সন্ধান পাচ্ছি না।

    শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন জানান, ২৪ অক্টোবর সকালে যমুনায় শিশুর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। লাশ উদ্ধার ও পরিচয়ে সনাক্তের পর হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়।

    ভিক্টিমের মোবাইল ফোনের কল সূত্র ধরে ঘটনার তথ্য-উপাত্ত্বের ভিত্তিতে বিদেশ ফেরত সুজনকে আটক করি। তার স্বীকারোক্তিতে লাশ উদ্ধারের জন্য ডুবুরির দল নিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে, স্মৃতির লাশ এখনো পাওয়া যায়নি।

  • যত ঝড়ই আসুক নির্বাচন করতেই হবে‍‍`: ড. ইউনূস

    যত ঝড়ই আসুক নির্বাচন করতেই হবে‍‍`: ড. ইউনূস

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর এবং বাহির থেকে অনেক বড় শক্তি চেষ্টা চালাবে বলে সতর্ক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে, তবে যত ঝড়ঝাপ্টাই আসুক না কেন, তা অতিক্রম করে নির্বাচন সম্পন্ন করতেই হবে।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

    বৈঠক শেষে বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের কাছে ড. ইউনূসের এই বার্তা পৌঁছে দেন।

    প্রেস সচিব জানান, প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর ও বাহির থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে।

    ছোটখাটো না, বড় শক্তি নিয়ে বানচালে চেষ্টা করবে। হঠাৎ করে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। যত ঝড়ঝাপ্টা থাকুক, আসুক না কেন, আমাদের সেটা অতিক্রম করতে হবেই।’

    ড. ইউনূস আরও বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক অপপ্রচার চালানো হবে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার অপপ্রচার আসবে।

    নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য দেশের ভেতর থেকে, বাহিরে থেকে খুবই পরিকল্পিতভাবে নানারকম অপপ্রচার চালানো হবে। এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে ছবি, ভিডিও তৈরি করে ছেড়ে দেওয়া হবে। এটাকে সামাল দিতেই হবে। একটা অপপ্রচারের রচনা হওয়া মাত্র সেটা ঠেকাতে হবে, যেন ছড়াতে না পারে।’

    প্রধান উপদেষ্টা মনে করেন, আগামী নির্বাচনকে সুন্দর ও উৎসবমুখর করতে হলে জনগণের কাছে সরাসরি পৌঁছাতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনী নীতিমালা, ভোট কেন্দ্রের নিয়মকানুন, কীভাবে ভোট প্রদান করতে হবে এবং কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে করণীয় কী—এইসব বিষয়ে জনগণকে ব্যাপকভাবে সচেতন করতে হবে।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিভিসি (টেলিভিশন কমার্শিয়াল), ডকুমেন্টারি বা অন্যান্য ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    তিনি চান, এই কন্টেন্টগুলো যেন দ্রুত ইউটিউবসহ সকল সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে মানুষ এগুলো দেখে নির্বাচন বিষয়ে নিজেরাই প্রস্তুত হতে পারে।

  • ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে

    ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে

    ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ। নির্বাচনের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

    আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক পদায়ন শুরু হবে। তবে এবারের নির্বাচনে গত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের আর রাখা হবে না বলে জানান তিনি।

    দেশব্যাপী নিরাপত্তা জোরদার ও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক মহলে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে বলেও প্রেস সচিব উল্লেখ করেন।

  • ঐকমত্য নয় জাতীয় বিভাজন তৈরির ঝুঁকি হয়েছে- সালাহউদ্দিন

    ঐকমত্য নয় জাতীয় বিভাজন তৈরির ঝুঁকি হয়েছে- সালাহউদ্দিন

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ঐকমত্য নয়, বরং ‘জাতীয় অনৈক্য’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, “কমিশন জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায়–সম্পর্কিত যেসব সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে, সেখানে স্বাক্ষরিত সনদের বাইরের অনেক বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। এতে কমিশনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।”

    মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে আইন উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব মন্তব্য করেন।

    তিনি আরও জানান, জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি দফা রয়েছে। সেখানে বিএনপি এবং অন্যান্য দলের ভিন্নমত বা নোট অব ডিসেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল।

    দলগুলো চাইলে এসব বিষয় নির্বাচনী ইশতেহারে তুলে ধরে জনম্যান্ডেট পেলে বাস্তবায়ন করতে পারবে। কিন্তু কমিশনের সুপারিশমালায় নোট অব ডিসেন্টের কোনো উল্লেখ রাখা হয়নি।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যে সনদে রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছে, তার বাইরের অনেক পরামর্শ যুক্ত করা হয়েছে। এতে ঐকমত্য নয়, বরং মতবিরোধই সৃষ্টি হবে।”

    তিনি আরো উল্লেখ করেন, গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব এবং “সংবিধান সংস্কার পরিষদ” নামের নতুন ধারণা কমিশনের আলোচনায় ছিল না। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পুনরায় আলোচনার প্রয়োজন হতে পারে।

    অবশেষে তিনি কমিশনের কার্যক্রম শেষ করার জন্য ধন্যবাদ জানান, তবে বলেন, “নতুন বিষয় সংযুক্ত করার এই প্রক্রিয়ায় জাতীয় ঐকমত্য নয়, বরং বিভাজনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।”

  • গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের পরামর্শ

    গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের পরামর্শ

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের উচিত গণভোটের আয়োজন করা। একইসঙ্গে এ বিষয়ে দ্রুত আদেশ জারি করারও সুপারিশ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ধাপগুলো তুলে ধরেন তিনি।

    অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, কিছু সুপারিশ আছে, যেগুলো বাস্তবায়নে সাংবিধানিক সংশোধন প্রয়োজন, সেগুলো গণভোটের মাধ্যমেই হওয়া উচিত। যেসব বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন সম্ভব, সরকার তা দ্রুত করবে।

    এছাড়া, যেসব বিষয়ে ভিন্নমত নেই এবং দাপ্তরিক নির্দেশেই কার্যকর করা যায়, সেগুলোও দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, তিন ধারায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন।

  • সাটুরিয়ায় বাঁশের সাঁকো থেকে পিছলে পড়ে শিশুর মৃত্যু !

    সাটুরিয়ায় বাঁশের সাঁকো থেকে পিছলে পড়ে শিশুর মৃত্যু !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার গাজীখালিতে বাঁশের সাঁকো থেকে পিছলে পড়ে ইয়াসিন মাহমুদ মুরাদ (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

    ইয়াসিন মাহমুদ মুরাদ সাটুরিয়া সদর ইউনিয়নের বৈলতলা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

    জানা গেছে, বৈলতলা মুকদমপাড়া হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে বাড়ি এসে ইয়াসিন মাহমুদ মুরাদ খেলতে বাইরে যায়। খেলার এক পর্যায়ে বাড়ির পেছনের গাজিখালী নদীর বাঁশের সাঁকোতে গেলে, হঠাৎ পিছলে নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা ঘনালেও পরিবার ও আশপাশের লোকজন খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পায়নি।

    পরদিন (২৮ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা খোরশেদ আলমনদীতে গেলে পানিতে ইয়াসিন মাহমুদ মুরাদের দেহ ভাসতে দেখতে পান। তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে লাশটি উদ্ধার করে।

  • তুরস্কে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প !

    তুরস্কে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প !

    তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় সিনদিরগি শহরে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার ফলে একাধিক ভবন ধসে পড়েছে এবং কম্পনটি গ্রীস পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে।

    তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার রাত ১০টা ৪৮ মিনিটে সংঘটিত হয়  (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৪৮ মিনিট)। যার গভীরতা ছিল প্রায় ৬ কিলোমিটার। এর পরপরই একাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

    সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করা লোকজন ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে দৌড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দোকানের ভিডিও ফুটেজেও দেখা যায়, আলো দুলছে এবং আসবাবপত্র কাঁপছে।

    একজন গেমার লাইভ ভিডিও চলাকালীন তার প্রতিক্রিয়া ধারণ করেন, যেখানে তাকে ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিতে দেখা যায়, কক্ষটি প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে কাঁপতে থাকে।

    এটি গত তিন মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এলাকাটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল। তুরস্কের অর্থনৈতিক রাজধানী ইস্তাম্বুল ও জনপ্রিয় পর্যটন নগরী ইজমির-এও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

    তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। বালিকেসিরের গভর্নর ইসমাইল উস্তাওগ্লু জানিয়েছেন, কমপক্ষে ২২ জন আহত হয়েছেন।

    তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি ইয়েরলিকায়া জানান, তিনটি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন পূর্ববর্তী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে খালি ছিল। এছাড়া একটি দুই তলা দোকানও সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।

    গভর্নর উস্তাওগ্লু আরও জানান, মসজিদ, স্কুল ও ক্রীড়া হলগুলো উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যাতে বাসিন্দারা নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারেন।

    সিনদিরগি শহরটি পাহাড়বেষ্টিত, ইজমির থেকে প্রায় ১৩৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

    তুরস্ক তিনটি টেকটোনিক প্লেট — অ্যানাটোলিয়ান, অ্যারাবিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেট — এর সংযোগস্থলে অবস্থিত, যা দেশটিকে ভূমিকম্পপ্রবণ করে তুলেছে।

    ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনতাকিয়া শহরে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৫৩ হাজার মানুষ মারা যান এবং লক্ষাধিক ভবন ধসে পড়ে। ঐ সময় ভূ-স্তর প্রায় ১০ ফুট পর্যন্ত সরে যায়, বিশেষজ্ঞরা জানান।

    এ বছরের জুলাই মাসেও একই এলাকায় ৫.৮ মাত্রার** ভূমিকম্পে একজন নিহত ও অন্তত ৬৯ জন আহত হয়েছিলেন।

    সূত্র: ডেইলি মেইল

  • মানিকগঞ্জে গার্মেন্টস কারখানার সিওও কর্তৃক সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছনার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ

    মানিকগঞ্জে গার্মেন্টস কারখানার সিওও কর্তৃক সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছনার ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় তারাসিমা অ্যাপারেলস লিমিটেডের প্রোডাকশন সিওও কর্তৃক একজন সরকারি কর্মচারীকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন তারাসিমা অ্যাপারেলস লিমিটেডের দুই কর্মকর্তা, একজনের নাম হাবিবুর রহমান হাবিব বলে জানা যায়। তাঁরা শ্রীলঙ্কার নাগরিক ও ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রোডাকশন সিওও শাশাংকা জয়া উইকরমাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাটি মিটমাট করার জন্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করছেন।

    ২৭( অক্টোবর) সোমবার তাদেরকে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজি ইডি) কার্যালয়ে তাদের দেখা যায়। ​জানা যায়,সম্প্রতি ঢাকা-আরিচামহাসড়কের নয়াডিঙ্গি এলাকায় একটি সেতুর কাজের কারণে তারাসিমা অ্যাপারেলস লিমিটেড কর্তৃপক্ষ তাদের কারখানার ব্যবহৃত পানি পরিশোধন ও নিষ্কাশনের পাইপলাইন সরাতে ও মেরামতের অনুমোদনের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কাছে আবেদন করে।

    এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মো: আব্দুল আলীম তদন্তের জন্য কারখানার ভেতরে যান। ​কারখানা কর্তৃ-পক্ষের সঙ্গে আলোচনার সময় হঠাৎ করেই প্রোডাকশন সিওও সেখানে উপস্থিত হয়ে সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে অত্যন্ত রূঢ় ও আপত্তিকর ভাষায় কথা বলতে শুরু করেন।

    পরিস্থিতি একপর্যায়ে সহিংস রূপ নেয় যখন সিওও উপস্থিত লোকজনের সামনেই সরকারি কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এমনকি তাঁর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তাঁকে কারখানা থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    ​তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, শ্রীলঙ্কার নাগরিক শাশাংকা জয়া উইকরমা কুমিল্লার বারিদি গার্মেন্টস লিমিটেড-এর ওয়ার্ক পারমিটে বাংলাদেশে এসেছেন এবং ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বিটপি গ্রুপের তারাসীমা অ্যাপারেলস লিমিটেড-এ প্রোডাকশন সিওও হিসেবে কর্মরত আছেন।

    এ বিষয়ে উক্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তারা বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। আমরা শাশাংকা জয়া উইকরমাকে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে দেখা করার জন্য নিয়ে গিয়েছিলাম।

  • নির্বাচনী জোট নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: সারজিস

    নির্বাচনী জোট নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: সারজিস

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, কোনো দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোটের বিষয়ে এনসিপি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

    তবে যারা জুলাই সনদের প্রতিটি সংস্কার বাস্তবায়নে এবং জুলাই শহীদ পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে, প্রয়োজনে তাদের সঙ্গে জোট গঠন করা যেতে পারে।‎

    সোমবার(২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মানিকগঞ্জ শহরের সিটি ড্রিম কনভেনশন সেন্টারে জেলা নাগরিক পার্টির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ‎সারজিস আলম আরও বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। ফেব্রুয়ারিতেও নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু তার আগে সরকারকে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি দিতে হবে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং দৃশ্যমান বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হতে হবে। তাহলে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমাদের কোনো সমস্যা থাকবে না।‎

    সারজিস বলেন, শাপলা প্রতীক না দেয়ার ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন আইনগত ভিত্তি দেখাতে পারেনি। নির্বাচন কমিশন যদি তাদের মন মত স্বেচ্ছা-চারি আচরণ করে বলে থাকে যে এনসিপি শাপলা প্রতীক পাবে না।

    তাহলে ওই স্বেচ্ছাচারি নির্বাচন কমিশন আগামীর বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে পারবে না। তাদের ওপর দেশের মানুষের আস্থা থাকবে না এবং এনসিপিরও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা থাকবে না। আর গণভোট জুলাই সনদের পক্ষে আসলে এনসিপি যে কোনো দিন স্বাক্ষর করবে।

    ‎সারজিস আলম আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন নিশ্চয় কোন ব্যক্তি হোক, কোন প্রতিষ্ঠান হোক বা কোন রাজনৈতিক দল হোক, তাদের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে। এজন্য নির্বাচন কমিশন তাদের সত্তা, স্বাধীনতা ও সক্রিয়তা বজায় রাখতে পারছেন না।‎

    এ সময় এনসিপির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, এনসিপির মানিকগঞ্জ জেলার প্রধান সমন্বয়কারী জাহিদ তালুকদার ও যুগ্ম-সমন্বয়কারী এ.এইচ.এম মাহফুজসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।‎