Blog

  • সিটি ইউনিভার্সিটি বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

    সিটি ইউনিভার্সিটি বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ

    সিটি ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ সব একাডেমিক কার্যক্রম আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হল ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    ঘটনার পেছনে গত রোববার দিবাগত রাতে সাভারের বিরুলিয়া এলাকায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা রয়েছে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা থেকেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, এবং এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যায় ব্যাচেলর প্যারাডাইসের সামনে ড্যাফোডিলের এক শিক্ষার্থীর ওপর সিটি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল থেকে থুথু নিক্ষেপ করেন। এ নিয়ে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়।

    রাত ৯টার দিকে সিটি ইউনিভার্সিটির প্রায় ৪০–৫০ জন শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র ও ইট-পাটকেল নিয়ে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের একটি বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালান।

    ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে জড়ো হন। উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা সিটি ইউনিভার্সিটির দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও পুলিশ তাদের শান্ত থাকার অনুরোধ জানায়। এরপর শিক্ষার্থীরা ব্যাচেলর প্যারাডাইসের সামনে অবস্থান করেন।

  • আশুলিয়ায় থুতু ফেলাকে কেন্দ্র করে সিটি ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ !

    আশুলিয়ায় থুতু ফেলাকে কেন্দ্র করে সিটি ও ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ !

    সাভারের আশুলিয়ায় সিটি ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বর্তমানে খাগান এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    রবিবার (২৬ অক্টোবর) মধ্যরাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হওয়া সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে সিটি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস। শিক্ষকদের অভিযোগ, সংঘর্ষ থামাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সহায়তা তারা পাননি।

    সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে সাভারের বিরুলিয়া এলাকায় সিটি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসের ফটকে দেখা যায় আগুনে পোড়ার দৃশ্য। বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কাঁচ, কাঠসহ ভাঙা বিভিন্ন জিনিসপত্র। ভাঙচুর করা অবস্থায় ছিল পাঁচটি যানবাহন। অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে অন্তত তিনটি বাস, পাঁচটি মাইক্রোবাস ও একটি প্রাইভেটকারে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনেও চালানো হয়েছে ধ্বংসযজ্ঞ। পুরো ভবনের জানালার থাই গ্লাস ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়। ভেতরের প্রায় প্রতিটি ফ্লোরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায় কাগজপত্র ও ভাঙা আসবাবপত্র।

    শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রবিবার সন্ধ্যার পর ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভাড়া বাসা ‘ব্যাচেলর প্যারাডাইস হোস্টেল’-এর পাশে বসে ছিলেন সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এক শিক্ষার্থী থুতু ফেললে অসতর্কতাবশত সেই থুতু মোটরসাইকেলযোগে যাওয়া ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থীর শরীরে লাগে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

    পরে রাত ৯টার দিকে সিটি ইউনিভার্সিটির প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র ও ইট-পাটকেল নিয়ে ড্যাফোডিল শিক্ষার্থীদের ভাড়া করা ওই বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন।

    এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সিটি ইউনিভার্সিটির দিকে অগ্রসর হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ইট নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

    এ সময় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। তারা সিটি ইউনিভার্সিটির প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান। এরই মধ্যে সিটি ইউনিভার্সিটি সংলগ্ন এলাকায় পৃথক একটি স্থানে সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ড্যাফো-ডিলের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেন।

    পরে ড্যফোডিলের শিক্ষার্থীরা সিটি ইউভার্সিটি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। এ সময় ক্যাম্পাসে দাঁড় করিয়ে রাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি বাস, দুটি মাইক্রোবাস ও একটি প্রাইভেটকারে আগুন দেওয়া হয়। একটি বাস, দুটি প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল, প্রশাসনিক ভবন ভাঙচুর করা হয়।

    এ সময় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটি ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘‘ড্যাফোডিলের এক ছাত্রের গায়ে থুতু লাগা থেকে ঘটনার শুরু। পরবর্তীতে ওই ছাত্র সরিও বলেছে। তারা বিষয়টিকে সেভাবে নেয়নি, তাকে সেখানে মারধর করে। এরপর তাকে আটকে রাখে। যখন বিষয়টা আমাদের কাছে আসে, তখন আমরা এগোই। এভাবেই প্রথম অবস্থায় হয়। আমরা ঢিল ছুড়েছি।”

    তিনি বলেন, “ক্যাস্পাসের ভেতরে গেলে দেখবেন, অ্যাকাউন্টসে কোনো টাকা নাই, পাঁচটা গাড়ি ভাঙছে। প্রত্যেকটা রুমে রুমে সব ভাঙছে। কিছুই নাই। এগুলা কী ধরনের আচরণ। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এটা কীভাবে পারে।”

    একই বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থী বলেন, ‘‘ঘুমন্ত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তারা অস্ত্র নিয়ে আসে। মেয়েদের হলের কলাপসিবল গেটে ভাঙচুরের চেষ্টা করে, ইট ছুড়ে মারে। সেগুলো মেয়েদের গায়ে লেগেছে। আমাদের পুরো ক্যাম্পাস ভাঙচুর করেছে।”

    সিটি ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘‘রাত ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রশাসনের অনেক সহযোগিতা চেয়েছি আমরা। ওরা এসে পুরো ক্যাম্পাসে আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে। শতশত ছাত্রকে মেরে আহত করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা পাইনি।

    ড্যাফোডিলের ছেলেরা এখান পর্যন্ত এসে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছিল। কেউ রক্ষা করতে আসেনি। টানা হামলা হয়েছে, কিন্তু কেউ আসেনি। আমরা সবাই নিরাপত্তাহীনতায় আছি।”

    সিটি ইউনিভার্সিটির প্রক্টর অধ্যাপক আবু জায়েদ বলেন, ‘‘ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, সেটি এখনো আমরা নিশ্চিত নই। ছাত্রদের মারামারি থেকে ক্যাম্পাস পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা হতে পারে? এটি পরিকল্পিত। আমাদের শিক্ষার্থী আহতের সংখ্যা আনুমানিক অর্ধশতাধিক হতে পারে।”

    ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, ‘‘অসতর্কতাবশতই সিটি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ফেলা থুতু ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীর শরীরে লাগে। সেখানে সরি বলে বিষয়টি সমাধান হয়ে যেত। কিন্তু, রাতে এসে ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের মেসে ভাঙচুরের ঘটনাটি কাম্য নয়। আমরা চেষ্টা করছি বিষয়টি সমাধানের।

    ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম আ্যান্ড অপস) মো. আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ‘‘শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। ঝগড়া-বিবাদ, ভাঙচুর যা হয়েছে, রাতেই হয়ে গেছে। ঘটনাটি কেন ঘটল, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে পরিবেশ কিছুটা থমথমে।”

  • মানিকগঞ্জে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ভুয়া আইনজীবী আটক

    মানিকগঞ্জে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ভুয়া আইনজীবী আটক

    হত্যা মামলার আসামীকে জামিন পাইয়ে দেয়ার প্রলোভনে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মানিকগঞ্জে এক ভুয়া আইনজীবীকে আটক করা হয়েছে।

    রবিবার বেলা তিনটার দিকে মানিকগঞ্জ আদালত চত্বর থেকে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে জেলা আইনজীবী সমিতির কয়েকজন সদস্য ও ভুক্তবোগীর স্বজনরা।

    আটককৃত ভুয়া আইনজীবীর নাম স্বপন মিয়া। মানিকগঞ্জ জেলার দৌলত-পুর উপজেলার মীর হাটাইল গ্রামের নাজিমুদ্দিনের ছেলে।

    জানা গেছে, হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত এক আসামীর জামিন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে এক লাখ সাত হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে স্বপন মিয়া। এরপর হাইকোর্টের একটি ভুয়া জামিননামা বানিয়ে আসামীর জামিন হয়েছে দাবি করে আরো পঁচিশ হাজার টাকা দাবি করে সে। তার কথাবার্তা সন্দেহজনক হলে অন্যান্য আইনজীবীদের সহায়তায় ভুয়া আইনজীবীকে আটক করে আসামীর স্বজনরা।

    এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ঝিনাইদহে দীর্ঘ ২৩ বছর পর পৈত্রিক জমি ফিরে পেলেন সাবেক প্রকৌশলী

    ঝিনাইদহে দীর্ঘ ২৩ বছর পর পৈত্রিক জমি ফিরে পেলেন সাবেক প্রকৌশলী

    দীর্ঘ ২৩ বছরের আইনি লড়াই শেষে পৈত্রিক জমি ফিরে পেয়েছেন এলজি-ইডির সাবেক প্রকৌশলী ফজল আহম্মেদ। রবিবার (২৬ অক্টোবর) নিজ জমি বুঝে পেতে জমির সীমানা নির্ধারণ ও বিবাদী আব্দুল গফুর এর নিকট আসেন তিনি।

    ফজল আহম্মেদ জানান, ঝিনাইদহ মৌজায় এস.এ রেকর্ড এর ৬২০/১ খতিয়ানের ৮০৪ নং দাগে ৬ শতাংশ জমির মালিক তার বাবা মোঃ ফজলুর রহমান। এই জমি তার বাবা ৯৫ সালে তাকে হেবা দলিলের মাধ্যমে দান করেন।

    যার দলিল নং ৭৬৯১/৯৫, কিন্তু চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত থাকা অবস্থায় তার পাশের জমির মালিক, সাবেক গণবাহিনীর নেতা আব্দুল গফুর, যশোর ভূমি অফিস থেকে অসদুপায়ে আরএস রেকর্ড করে উক্ত জমি দখল করেন।

    এরপর প্রকৌশলী ফজল আহম্মেদ ঝিনাইদহ আদালতে মামলা করেন। যার মামলা নং ২০০/০২, উক্ত মামলা চলাকালীন অবস্থায় সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে, ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইদুল করিম মিন্ট ৩৯;র সাথে  যোগসাজশে জোরপূর্বক আব্দুল গফুর সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করেন।

    দীর্ঘদিন মামলা চলার পর গত ২৮/ ৯/২৫ তারিখে ঝিনাইদহ সদর আদালত এর সিনিয়র সহকারী জজ জনাব আমাতুল মোর্শেদা বাদীর পক্ষে রায় দেন।

  • সবাই সংঘাতের জন্য মুখিয়ে আছে: তথ্য উপদেষ্টা

    সবাই সংঘাতের জন্য মুখিয়ে আছে: তথ্য উপদেষ্টা

    “সবাই সংঘাতের জন্য মুখিয়ে আছে। আপনারা অবশ্যই এটা অল্প কয়েক মাসের মধ্যে দেখতে পাবেন এবং আমি আশঙ্কা করছি, যদি এটার সঙ্গে ধর্মীয় যে দৃষ্টিকোণ, এটা যদি যুক্ত হয়, তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে।’’

    তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুন-বাগিচায় বিএমএ ভবনে ‘মাজার সংস্কৃতি: সহিংসতা, সংকট ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে এ কথা বলেন।

    সেন্টার ফর সুফি হেরিটেজ কর্তৃক আয়োজিত ইমরান হুসাইন তুষার এবং মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সংলাপে মাহফুজ আলম বলেন, “আওয়ামী লীগ ‘দরবারগুলোর’ সঙ্গে সংযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে। দরবারগুলোকে এটা বোঝানোর জন্য যে অধ্যাপক ইউনূসের সরকার এসে মাজার ভেঙে দিচ্ছে, মসজিদ থেকে বের করে দিচ্ছে।”

    তিনি বলেন, “এই কোশ্চেনটা (প্রশ্ন) অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ইস্যু নয়। এটা ৫০ বছর ধরে চলছে। যখন সরকার পরিবর্তন হয়, মসজিদ কমিটি বদল হয়ে যায়। ইসলামী ফাউন্ডেশনের গভর্নিং কমিটি বদল হয়ে যায়।”

    তথ্য উপদেষ্টা আরো বলেন, “রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ চলে গেলেও সামাজিক জায়গায় ফ্যাসিবাদ রয়ে গেছে। দেশে ইসলামের যতগুলো ধারা আছে, সবক’টি ধারার মধ্যে সংলাপ এবং সংযোগের সুযোগ তৈরি না হলে রাষ্ট্র খুবই শঙ্কার মধ্য দিয়ে এগোবে।”

    তিনি বলেন, “দেশে ৯০ থেকে ৯২ শতাংশ মুসলমানের মধ্যে বিভিন্ন তরিকা আছে। তাদের মধ্যে কীভাবে সমন্বয় করা যায়, আজ পর্যন্ত রাজনৈতিক নেতারা এটা নিয়ে ভাবেননি; বরং কেউ কওমিদের সঙ্গে, কেউ সুন্নিদের সঙ্গে—এভাবে ভাগ করে নিয়েছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনীতির হাতিয়ার করে নিয়েছেন।”

    ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আয়াতুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ অলি আউলিয়ার দেশ। এখানে সকল ধর্মের, সকল মতের মানুষের পাশাপাশি বস-বাস। আমরা ছোটকাল থেকেই দেখে এসেছি হজরত শাহজালাল, শাহ পরাণ ও অন্যান্য আউলিয়াদের মাজারে, দরবারে মানুষ জেয়ারত করতে যান। এই সংস্কৃতি দিনদিনই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    আমরা চাই, জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে সকল ধর্মের, সকল মতের মানুষ সহিংসতাকে মোকাবেলা করে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করবেন।”

    জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, “মাজারে সহিংসতা বিষয়ে কথা বলা একটা ট্যাবুতে পরিণত হয়েছে, আজকের এই অনুষ্ঠানে আসতেও আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম কিন্তু এই ট্যাবু ভাঙতে হবে। আমাদের দেশে মাজার, দরবারের দায়িত্বশীল যারা আছেন তাদের একটা ঘাটতি হলো তারা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে প্রভাব রাখতে পারছেন না। যে কারণে তাদের কণ্ঠস্বর রাষ্ট্রকে বাধ্য করতে পারছে না। সুফি সমাজের এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তৈরি করা প্রয়োজন যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে আপনারা অবদান রাখতে পারবেন।

    আইনজীবী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মানজুর আল মতিন বলেন, “কুরআন এত সুন্দর, নির্মল, পবিত্র অথচ কুরআনের নাম ধারণ করে অনেকে মাজার, দরবারে হামলা চালাচ্ছেন। এটা একজন মুসলমান হিসেবে সহ্য করা খুবই কষ্টকর। এই সহিংসতার ফলে দেশের সমাজ ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এই বিপর্যয় রোধ করতে না পারলে বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংকট আরও ঘনীভূত হবে, যা কারো জন্যই কল্যাণকর নয়।”

    লেখক ও গবেষক তাহমিদাল জামি বলেন, “রাষ্ট্রের দায়িত্ব সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কার আকিদা, মতাদর্শ কেমন তার দিকে তাকানো রাষ্ট্রের কাজ নয়। মাজার, দরবারে যদি সংস্কার প্রয়োজন হয় তাহলে তা মাজার, দরবার কর্তৃপক্ষ ভেতর থেকেই করবেন। বাহির থেকে সহিংসতা করে সংস্কার করা যাবে না বা চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।”

  • মানিকগঞ্জে সাবেক  ছাত্র শিবির নেতাকর্মী  প্রীতি সন্মেলন অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জে সাবেক  ছাত্র শিবির নেতাকর্মী  প্রীতি সন্মেলন অনুষ্ঠিত

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নব নির্বাচিত জিএস এস এম ফরহাদ বলেছেন, কল্যানকর কাজ আর হৃদয় ভরা ভালবাসা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।ভালবাসা দিয়েই ভালবাসা অর্জন করতে হয়। মিথ্যা অপপ্রচার, ঘৃনা,নিন্দা আর বিরোধিতার মোকাবেলায় আমাদের কল্যানকর কাজ আর ভালবাসা দিয়ে তাদের হৃদয় জয় করতে হবে।

    আমরা দল মত, মতাদর্শ, বিরোধীমত কাউকেই শক্রু মনে না করে সবার নিকটই সত্যের দাওয়াত পৌছে দিতে হবে।সবাইকে নিয়েই আমরা ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাদেশ কে এক আর্দশ,সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসাবে গড়ে তুলবো ইনশা-আল্লাহ।

    শনিবার সকালে জেলা শিল্প কলা একাডেমি মিলনায়তনে  মানিকগঞ্জ সাংস্কৃ-তিক সংসদের আয়োজিত সাবেক ছাত্র  শিবির নেতা কর্মীদের  প্রীতি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    এতে  প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা  উত্তরাঞ্চলের সহকারী পরিচালক, মানিকগঞ্জ -৩ নং আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন।

    প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, মানিকগঞ্জ -২ নং আসনের জামায়াতের এমপি প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মানিকগঞ্জ -১নং আসনের জামায়াতের এমপি  প্রার্থী ডাঃ আবু বকর সিদ্দিক, জেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন বলেন, যে জাতি নিজে-দের ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টা করে না,আল্লাহও তাদের কোন পরিবর্তন করে না।যদি নিজেরা নিজেদের জন্যে চেষ্টা করে মহান আল্লাহ তাদের কে সাহায্য করে।

    বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে,জীবন দিয়ে ফ্যাসিস্টদের বিতাড়িত করে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করার চেষ্টার প্রাথমিক পরিক্ষায়  উত্তীর্ণ হয়েছে ইনশাআল্লাহ। এবার সত্য প্রতিষ্ঠায়,দেশকে সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ, দূর্নীতি মুক্ত একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে।। ইনশাআল্লাহ এবার বাংলাদেশই বিজয়ী হবে।

    প্রধান আলোচক মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান বলেন,আমরা কোন সংঘাত কিম্বা বিরোধ চাই না,আমরা এক সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই।আমি সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি করতে চাই করতে চাই। আমি এক মঞ্চে সকল প্রতিদ্বন্ধী সকল প্রার্থীর সাথে কথা বলতে চাই। মানুষ নতুন এক বাংলাদেশ দেখার অপেক্ষায় আছে।

    ডাকসু, জাকসু ,রাকসু ,চাকসু প্রমান করে বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণের বাংলাদেশ গড়ার অপেক্ষায় আছে। আগামী ভোটে মানুষ তাদের হৃদয়ের ভালবাসা প্রকাশ করবে ইনশাআল্লহ।

    ডাঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন,আমি ভোট চাইতে গেলে গ্রামের মানুষ আমার নিকট চিকিৎসা নিতে আসে।আমার নির্বাচনী প্রচারনা চিকিৎসা ক্যাম্পে পরিনত হয়ে যায়।

    আমি নির্বাচিত হই আর না হই,ইনশাআল্লাহ আমি আমার মা-বোন,ভাই-চাচা তথা এলাকার মানুষের চিকিৎসা সহ খেদমত চালিয়ে যাব।ময়দানে না গেলে মানুষ যে আমাদের এতো ভালবাসি তা বুঝতে পারতাম না।মানুষ তাদের মনের অভিব্যাক্তি এবার প্রকাশ করবে ইনশাআল্লাহ।

    জেলা আমীর হাফেজ মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, সাবেক ভাইদের দায়িত্ব নিয়ে দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে হবে।মানুষ মুক্তির জন্যে, সুন্দর একটি বাংলাদেশ দেখার অপেক্ষায় আছে। এই মুক্তির মিছিলে সবাইকে আবার পূর্ণ শক্তি দিয়ে কাজ করতে হবে।

    অনুষ্ঠানেসাবেক শিবির নেতা এড জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে জামায়াতের দৌলত-পুর উপজেলা  আমীর মাওলানা আব্দুল মান্নানের  পরিচালনায় অনু-ষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের শুরা সদস্য সাবেক মানিকগঞ্জ জেলা শিবির সভাপতি মোঃ শাহজাহান খান, জেলা জেলা শিবিরের সভাপতি মোঃ মনিরুজ্জামান।

    জামায়াতে নায়েব আমীর অ্যাড,মোঃ আনোয়ার হোসাইন, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা নূরুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবু তাহের, ডা জিয়াউল হক প্রমূখ।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশেষ সম্মাননা পেলেন শহিদুল ইসলাম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশেষ সম্মাননা পেলেন শহিদুল ইসলাম

    শিক্ষা বিস্তার, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন বরগুনার আমতলী উপজেলার কৃতি সন্তান, ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শহিদুল ইসলাম (সোহেল)।

    গত ২৩ অক্টোবর (বুধবার) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত জনাব মান্সুর চাভেসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃসিদ্দিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইরানের সাংস্কৃতিক কাউন্সিলর সৈয়দ রেজা মীর মোহাম্মাদি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মুমিত আল রসিদ সহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও অতিথিবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম (সোহেল) দীর্ঘদিন ধরে আমতলী উপজেলায় মানসম্মত শিক্ষা বিস্তার, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা, সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। তার নেতৃত্বে ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম কলেজ আজ দক্ষিণাঞ্চলে এক উজ্জ্বল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

    সম্মাননা প্রাপ্তির পর মোঃ শহিদুল ইসলাম (সোহেল) বলেন, এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত নয়, এটি আমতলী উপজেলার সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষানুরাগী মানুষের সম্মান। আমি শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে আজীবন কাজ করে যেতে চাই।”

    আমতলী অঞ্চলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ সম্মাননায় গর্বিত ও আনন্দিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, মোঃ শহিদুল ইসলামের এই অর্জন আমতলীর শিক্ষাঙ্গনে নতুন    অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করবে।

  • আমি এনসিপির সঙ্গে আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    আমি এনসিপির সঙ্গে আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের বিষয়ে দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আমি রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। সকালে উঠে দেখলাম সারারাত গুজব চলেছে।

    আমি এনসিপির সঙ্গে ছিলাম, আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো। ইনশাআল্লাহ এনসিপি সরকার গঠন করবে, এনসিপির সঙ্গেই থাকবো।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেশন হলে দলটির ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) এবং ঢাকা জেলার সমন্বয় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, কিছু বিষয়ে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। আমরা এখনই বলবো না যে কারা এগুলো করছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না, কীভাবে! আমরা স্বীকার করছি যে, আমাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে, অতীতেও চলেছিল। পদত্যাগের গুজবের বিষয়ে আমাকে রাতে অনেকে ফোন দিয়েছিল। আমি সবার সঙ্গে সকালে যোগাযোগ করি।

    দলের যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত রাতেই এটি কনফার্ম করেছেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশে অনেক দেশপ্রেমিক সাংবাদিক রয়েছেন।

    আমরা আপনাদের কাছে আহ্বান রাখবো, একটি নিউজ হলে সেটি সঙ্গে সঙ্গে যাচাই করবেন। যারা এই ধরনের অপসংবাদিকতা করে তাদের আহ্বান জানাবো আপনাদের বোধদয় হোক।

  • প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে পুলিশ কনস্টেবল, অতঃপর বিয়ে

    প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে পুলিশ কনস্টেবল, অতঃপর বিয়ে

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এক পুলিশ কনস্টেবলকে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেছেন এলাকাবাসী। পরে তাদের মধ্যে বিয়ে হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) গভীর রাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী মৌসুমি আক্তারের ঘর থেকে ইমরুল কায়েস নামের ওই কনস্টেবলকে আটক করা হয়।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত কনস্টেবল এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বালাটা গ্রামের ইমরুল কায়েস গোপনে বৃহস্পতিবার রাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধুমাইটারী গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী এরশাদুলের স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করেন। স্থানীয়রা তাদেরকে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে আটকে রাখেন।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই মৌসুমী আক্তার ও ইমরুল কায়েসের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হত।

    সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, “বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি।”

  • সাটুরিয়ায় বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধুসহ গ্রেফতার ৩

    সাটুরিয়ায় বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগে পুত্রবধুসহ গ্রেফতার ৩

    মানিকগঞ্জে মাকে হত্যার অভিযোগে পুলিশ পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।  গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, নিহত লক্ষ্মী রাজবংশীর বড় ছেলে রঞ্জিত রাজবংশী, পুত্রবধূ পার্বতী রানী রাজবংশী এবং নাতি পিয়াস রাজবংশী।

    সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বটতলা এলাকার একটি ডোবা থেকে লক্ষ্মী রাজবংশীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    পরে বুধবার (২২ অক্টোবর) রাতে সাটুরিয়া থানায় নিহতের ছোট ছেলে ঝন্টু রাজবংশী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী ঝন্টু রাজবংশী বলেন, রবিবার রাত একটার দিকে মায়ের ঘরে গিয়ে তাকে না পেয়ে সারারাত খুঁজেছি।

    সকালে দেখি বাড়ির সামনের ডোবায় মায়ের লাশ ভেসে আছে। মা প্যারালাইসিস রোগী ছিলেন, তিনি ওই ডোবায় যেতে পারেন না। ওরা পরিকল্পিতভাবে মাকে হত্যা করেছে। আমি মায়ের হত্যার বিচার চাই।