Blog

  • নাগরপুরে কাজী আবু বকর সিদ্দিক কে ফাঁসানোর চেষ্টা!

    নাগরপুরে কাজী আবু বকর সিদ্দিক কে ফাঁসানোর চেষ্টা!

    নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্টার ও ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিবাদ আমলে বারবার কারা নির্যাতিত ‘”কাজী মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক খান”কে ফাঁসানোর জন্য বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    জানা গেছে, কাজী আবু বকর সিদ্দিক পাকুটিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে নিজ এলাকায় এসে মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনায় সম্পৃক্ত হয়ে সামাজিক কাজ করে থাকেন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে মানব সেবায় অত্যন্ত তৎপর।

    বৃহৎ পরিসরে জনসভায় সম্পৃক্ত হওয়ার ইচ্ছায় দীর্ঘদিন যাবত রাজনীতি করেন বাংলা-দেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে। ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দুর্দিনে দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন।

    বছরখানে আগে,  গ্রামবাসীর দাবির মুখে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটা সুবিধাবাদী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে অসত্য তথ্য দিয়ে  অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ন্যূনতম সম্পর্ক না থাকা  ঘটনায় তাকে জড়িয়ে আবারো অসত্য সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে বলে  অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বুধবার লিখিত এক প্রতিবাদ লিপিতে কাজী আবু বকর সিদ্দিক খান জানান,  সম্প্রতি “দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ”  “পাকুটিয়ায় কনের পিত্রালয়ে গোপনে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন” এবং “খবর বাংলা” নামক  অনলাইন নিউজ পোর্টাল “নাগরপুরে ১৫ বছরের কিশোরীর গোপন বিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য!” শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমাকে জড়িয়ে যেভাবে বিয়েটি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি উক্ত বিয়ের সাথে প্রত্যক্ষ  বা পরোক্ষ কোনভাবেই জড়িত নই, এরুপ কোনো বিয়ে আমার কার্যালয়ে রেজিস্ট্রি হয়নি।

    প্রতিবেদনগুলোর একাংশে বলা হয়েছে যে, আমি বয়স যাচাই না করে দায়িত্ব পালন করেছি, যা আমার দীর্ঘদিনের পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতি আঘাত। আমি স্পষ্ট করে জানাতে চাই – কোনো প্রকার রেজিস্ট্রি করার পূর্বে আমি জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মসনদ, এবং অভিভাবকের সম্মতি যাচাই না করে কোনো বিয়ে নিবন্ধন করি না।

    এখানে সংবাদদাতাগণ কোন মহলের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমার কোন বক্তব্য ছাড়াই একপেশে নিউজ করে আমার মানহানি করার অপচেষ্টা করেছে যা সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী ও প্রেসকাউন্সিলের বিচারযোগ্য।

    অথচ অনুসন্ধানে জানা গেছে, উক্ত বিয়েটি টাঙ্গাইল জজ কোর্টে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে,। যা সম্পূর্ণ আমার এখতিয়ার বহির্ভূত। এ ধরনের বিয়ে নোটারী মাধ্যমে সম্পন্ন হলে তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও নোটারী কর্তৃপক্ষের ওপর বর্তায়, কোনোক্রমেই ইউনিয়নের কাজীর ওপর নয়।

    কেবলমাত্র রাজনৈতিকভাবে আমাকে ফাঁসানোর জন্যই  এমন সংবাদ করা হয়েছে বলে আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।

     

  • বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ৪ ডিআইজি

    বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ৪ ডিআইজি

    পুলিশের চার উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    সোমবার (২৮ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি প্রজ্ঞাপনে অবসরের আদেশ জারি করা হয়।

    বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—শিল্পাঞ্চল পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মনির হোসেন, রেলওয়ে পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মাহবুব আলম, ঢাকা রেঞ্জে সংযুক্ত ডিআইজি আতিক ইসলাম এবং পুলিশ টেলিকমে সংযুক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।

  • প্রাথমিকের সব প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নতি

    প্রাথমিকের সব প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নতি

    দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও জারি করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে দেশের ৬৫ হাজার ৫০২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব প্রধান শিক্ষক দশম গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।

    সোমবার (২৮ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষকরা জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। সম্প্রতি ১২৪/২০২২ নম্বর সিভিল রিভিউ পিটিশনে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুসারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান ১১তম থেকে দশম গ্রেড বেতন স্কেলে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ‘এর ধারাবাহিকতায় দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ যৌক্তিক বিবেচিত হওয়ায় সরকার সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল বিদ্যমান ১১তম গ্রেড (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেড (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণে সম্মতি দিয়েছে।’

    এতে আরও বলা হয়, যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করা হলো। গৃহীত উদ্যোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা সুসংহত করবে। ফলে তারা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও সৃজনশীল ও উদ্দীপ্ত ভূমিকা পালন করবে। এতে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও গতিশীল শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।

    দশম গ্রেড দিয়ে সরকার প্রধান শিক্ষকদের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সম্মান দেখিয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার মাধ্যমে তাদের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও সম্মান প্রদর্শন করছে সরকার।

    সরকারের এ পদক্ষেপ প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক ও সর্বস্তরের অংশীজনের সহায়তায় প্রাথমিক শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করবেন, এটি সরকারের প্রত্যাশা।

  • ওয়াকআউটের পর আবারো ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি

    ওয়াকআউটের পর আবারো ঐকমত্য কমিশনে বিএনপি

    সোমবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কমিশনের প্রস্তাবিত সরকারি কর্ম-কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ না নিয়ে সংলাপ থেকে ওয়াকআউট করে বিএনপি। তবে কিছুক্ষণ পর আবার আলোচনায় ফিরে আসে বিএনপির প্রতিনিধিদল।

    আলোচনার শুরুতেই কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

    এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা আগেই বলেছি এই চার প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পদ্ধতি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বিএনপি আলোচনা করবে না।” এরপরই তারা বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন।

    বিএনপির বেরিয়ে যাওয়ার পর সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন,     “একটি বড় দল অনুপস্থিত থাকলে এই বিষয়ে ঐকমত্য কীভাবে হবে?” জবাবে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “বিএনপি আগেই তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। তবে কারও অনুপস্থিতিতে আলোচনা অর্থহীন হয়ে গেলে কমিশন তা বিবেচনায় নেবে।”

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ভাবে গঠনের ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। এরপরও সাংবিধানিক ও আইন দ্বারা পরিচালিত পদগুলোতে নিয়োগ নিয়ে ভিন্ন ভাবনার প্রয়োজন নেই। এতে নির্বাহী  বিভাগের ক্ষমতা সীমিত হবে এবং তা রাষ্ট্র পরিচালনায় জটিলতা সৃষ্টি করবে।” পরে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে বিএনপির প্রতিনিধি দল আবার আলোচনায় যোগ দেয়।

  • ভোটের মাঠে থাকবে ৬০ হাজার সেনাসদস্য

    ভোটের মাঠে থাকবে ৬০ হাজার সেনাসদস্য

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৬০ হাজার সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমি তে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

    এদিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাদের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে ব্রিফ করেন প্রেস সচিব।

    ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, বৈঠকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রায় ৬০ হাজারের মতো ট্রুপস নির্বাচনী ডিউটিতে থাকবেন। আপনারা জানেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তারা মাঠে ডিউটিতে রয়েছেন। তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার আছে। আমরা আশা করছি, নির্বাচনের সময় তাদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য।

    প্রেস সচিব বলেন, ইলেকশনের আগে পুলিশের প্রস্তুতির কথাও বলা হয়েছে। পুলিশের আইজি মহোদয় বলেছেন, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেড় লাখ পুলিশকে ট্রেনিং দেওয়া হবে নির্বাচন উপলক্ষ্যে।

    শফিকুল আলম আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচুর মিস ইনফরমেশন অলরেডি সার্কুলেট হয়েছে। সামনে এটা আরও বাড়তে পারে। এটাকে সামনে রেখে ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার হবে যেখানে এই মিস-ইনফরমেশনগুলোকে আমরা ডিফাইন করতে পারব। সেটি ক্রিয়েট করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। এটা নিয়ে অনেক বিশদ আলোচনা হয়েছে।

  • নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত প্রয়োজন’

    নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত প্রয়োজন’

    গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, শহীদের দেওয়া প্রাণকে যদি আমরা মর্যাদা দিতে চাই, নিজেদের ভবিষ্যৎকে তৈরি করতে চাই, তবে আমাদের নতুন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক বন্দোবস্ত তৈরি করতে হবে।

    তিনি বলেন, লুটপাট, দুর্নীতি আর দখলদারির অর্থনীতিকে বহাল রেখে এবং বিভাজনের সংস্কৃতি বজায় রেখে বাংলাদেশে আমরা কোনো নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরি করতে পারব না।

    রবিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ মিনারে গণসংহতি আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জুলাই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    এর আগে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও মাজার জেয়ারত করেন গণসংহতি আন্দোলনেরা কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক নেতারা।

    গণসংহতি আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলার সংগঠক তুষার আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন শহীদ মোহাম্মদ ইমনের ভাই মোহাম্মদ সুজন, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য আলিফ দেওয়ান, জাতীয় পরিষদের সদস্য আশরাফুল আলম সোহেল, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সদস্যসচিব ফারজানা জেসমিন, মধুপুর উপজেলার সংগঠক গোবিন্দ বর্মণ, নাগরপুর উপজেলার সংগঠক আলিম মোল্লা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলার দপ্তর সম্পাদক প্রেমা সরকার, টাঙ্গাইল পৌর কমিটির আহ্বায়ক আদিবা হুমায়রা, সদস্য শিশির সাহা প্রমুখ।

  • কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী নেত্রীর পদত্যাগ

    কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী নেত্রীর পদত্যাগ

    জুলাই মাসের আলোচিত গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র খাদিজা আক্তার কেয়া পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    খাদিজা আক্তার কেয়া কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের বাসিন্দা মৃত কবির হোসেনের মেয়ে। তিনি বর্তমানে কোম্পানিগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

    ফেসবুক পোস্টে কেয়া লেখেন, ‘যার জন্য করলাম চুরি, সেই বলে চোর! এটা আমার ক্ষেত্রেই যে প্রযোজ্য হবে না, কে বললো?

    আপনারা সবাই জানেন আমি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন দায়িত্বশীল কর্মী ছিলাম। কিন্তু আজকের পর থেকে এই আন্দোলনের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

    কেয়া আরও লেখেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থানের পর একটি ফ্ল্যাটফর্মে এসেছিলাম মুরাদনগর থেকে। সেই অভ্যুত্থানে আমাদের হাজারো ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন। আমি তাদের রক্তের সাথে বেইমানি করতে পারি না। তাই আমি নিজেই এইসব কিছু থেকে সরে দাঁড়ালাম। শনিবার (২৬ জুলাই) থেকে এই ফ্ল্যাটফর্মের সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।’

    কেয়া তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন না। তবে দেশের স্বার্থে ও সংস্কারের পক্ষে তিনি সবসময় সংগ্রামে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    তিনি লেখেন, ‘দেশের স্বার্থে আমি সবসময় লড়াই করে যাবো। আমাকে সবসময় দেশের পক্ষে পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।’

     

  • এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে সর্বোচ্চ ১০ বছর

    এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে সর্বোচ্চ ১০ বছর

    রাজনৈতিক ক্ষমতা যেন আজীবনের পুঁজি না হয় এই অভিন্ন উপলব্ধিকে সামনে রেখে দেশের ৩০টি রাজনৈতিক দল ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এক ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকতে পারবেন। একইসঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাবেও একমত রাজনৈতিক দলগুলো।

    রবিবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৯তম দিনে এই ঐতিহাসিক মতৈক্যে পৌঁছে দলগুলো।

    বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ ৩০টি দল অংশ নেয়।এদিনের বৈঠকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে। কমিশনের পক্ষ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামো উপস্থাপন করা হয়, যাতে রাজনৈতিক দলগুলো নীতিগতভাবে একমত হয়।

    প্রস্তাব অনুযায়ী পুলিশ কমিশনের প্রধান হবেন অবসরপ্রাপ্ত একজন আপিল বিভাগের বিচারপতি (৭২ বছরের নিচে)। সদস্য সচিব হবেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি (৬২ বছরের নিচে)।

    কমিশনে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ের প্রতিনিধি থাকবেন, যার মধ্যে থাকবেন স্পিকার, বিরোধী দলীয় ডেপুটি স্পিকার, মানবাধিকারকর্মী ও সিনিয়র আইনজীবী। অন্তত ২ জন নারী সদস্য বাধ্যতামূলক।

    কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের কার্যকারিতা, জবাবদিহিতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নির্ধারিত হবে একটি স্বতন্ত্র আইনের মাধ্যমে। কমিশনের লক্ষ্য হবে পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা।

    ড. আলী রীয়াজ জানান, সোমবারের মধ্যেই সব দলের কাছে জাতীয় সনদের খসড়া পাঠানো হবে। সেখানে এই দুই প্রস্তাবসহ সংলাপের আলোচ্য বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আগস্টের মধ্যেই একটি ঐকমত্যভিত্তিক গণতান্ত্রিক রোডম্যাপ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে।

    কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, আমরা একটি বিষয়ে এক মত হয়েছিলাম, কিন্তু সেটা ঘোষণা করা হয়নি। তা হলো এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এখন সেটা লিখিতভাবে জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ সময় বলেন আমরা আগেই বলেছি—১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না। এটা আমাদের প্রস্তাব। তবে সংবিধান সংশোধনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নিয়োগ নিয়ে যুক্তিসঙ্গত কাঠামো না হলে আগের শর্ত আমরা পুনর্বিবেচনা করব।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই পূণর্জাগরণ’ কর্মসূচী পালন 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই পূণর্জাগরণ’ কর্মসূচী পালন 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সমাজ গঠনে শপথ গ্রহণ ও আলোচনা সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মঞ্চে আলোচনা সভা হয়। সারাদেশের সকল জেলায় এক যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

    বৈষম্যমুক্ত দেশ গঠনে শপথ নেন অংশ গ্রহণকারীরা। দেশ গড়তে এই শপথ করা হয়, ‘দেশের সকলকে এক সাথে নিয়ে দারিদ্র্যমুক্ত, সহিংসতা মুক্ত, মানবিক ও সাম্যের দেশ গড়ব। কারণ সরকার মানে আমি, আর রাষ্ট্র মানে আমরা। দেশের সকল নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষার চাদরে ঢেকে দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

    সেবার অভিগম্যতা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অঙ্গীকার করছি নারী ও শিশু নির্যাতন দুর করে শহরে, গ্রামে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। ঘরে, রাস্তায়, কর্মস্থলে, বিদ্যাপিঠে, সাইবার স্পেইসে গড়ে তুলব নারী ও শিশুর নিরাপদ বিচরণ। পিছিয়ে পড়া তরুণ সমাজকে চালিকা শক্তি করে সম্প্রীতির নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করব।’

    অন্যদিকে, জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সমাজ সেবা কার্যালয় ও
    মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত মঞ্চে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক উম্মে কুলসুম।

    আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আফাজ উদ্দিন, সিভিল সার্জন এ কে এম শাহাব উদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসির আরাফাত, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসাঃ সাহিদা আখতার, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলোন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আহবায়ক মোঃ আব্দুর রাহিম।

    সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, দেশ গঠনে সবাইমিলে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে, জাতি গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। জুলাই আন্দোলনে আমাদের তরুণ ছাত্র সমাজ আমাদের পথ দেখিয়েছে, তাদের সাথে ছিল আমাদের মেয়েরাও। সেই কন্যাযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার দিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠান মালা।

    আমরা দেখেছি, ১৬ জুলাই যেদিন আবু সাঈদ শহিদ হলেন, সেদিন আন্দোলনে একটি নতুন মাত্রা যোগ হয়। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে যখন ছাত্রীদের ওপর পেটুয়াবাহিনী ও টোকাইরা এবং নামধারী ছাত্র সংগঠন (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ) যখন ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়, তখন জুলাই আন্দোলন আরো বেগবান হয়।

    জুলাই আন্দোলনে জুলাই কন্যাদের অনেক ভূমিকা রয়েছে। সেই কন্যাদের আমরা শ্রদ্ধা জানাই। সেই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

  • কেন্দ্রীয় ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটি স্থগিত

    কেন্দ্রীয় ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কমিটি স্থগিত

    কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সারাদেশের সব কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি রশিদুল ইসলাম রিফাত (রিফাত রশিদ)। চাঁদাবাজির দায়ে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ইস্যুতে এই ঘোষণা দিলেন তিনি।

    রিফাত বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা আহ্বান করছি, আজকের সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে যারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোনো প্রকার অপকর্ম করার চেষ্টা করবে, আপনারা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমাদের হেল্প লাগলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।

    তিনি আরও বলেন, বৈষ্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া এই মুহূর্ত কোনো লিগ্যাল বডি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে ফাংশন করতেছে না। এর পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আমাদের এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।