Blog

  • গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে হলে মৌলিক সংস্কার করতে হবে-আখতার হোসেন

    গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে হলে মৌলিক সংস্কার করতে হবে-আখতার হোসেন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, “এ দেশে গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে হলে মৌলিক সংস্কার করতে হবে। নির্বাচনে উচ্চ কক্ষে যারা পিআর চায় না তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করে।

    ”শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজ-ধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আখতার হোসেন বলেন, “শুধু ক্ষমতার পালাবদলের জন্য গণঅভ্যুত্থান হয় নাই।ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্বাণে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে। বাংলাদেশে শুধু নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। ১৪, ১৮, ২৪-এর নির্বাচন গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে পারেনি।

    ”তিনি বলেন, “এ দেশের মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে জুলাই অভ্যুত্থানে এটা আমাদের প্রত্যাশা। বাংলাদেশের মানুষের ওপরে আওয়ামী লীগ এবং তার দোসররা যে অপরাধ সংগঠিত করেছে, সেটাকে যদি বিচারের আওতায় আনা না হয় তাহলে চব্বিশের শহীদদের সঙ্গে বেইমানি করা হবে।”

    এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, “আর যেন ফ্যাসিবাদ এবং স্বৈরাচার জন্ম দিতে না পারে এজন্য আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।”

  • ফ্যাসিবাদ যেন পুনর্বাসনের সুযোগ না পায়-তারেক রহমান

    ফ্যাসিবাদ যেন পুনর্বাসনের সুযোগ না পায়-তারেক রহমান

    ফ্যাসিবাদ যেন পুনর্বাসনের সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৯ জুলাই) কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে এক স্মরণসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদের স্মরণে ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই সভার আয়োজন করে।

    তারেক রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কোনো আবেগতাড়িত ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো চরমপন্থা বা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ না পায়, সে ব্যাপারে দেশবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

    তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো একটি অংশের সহায়তায় কেউ কেউ দেশে উদ্দেশ্যমূলক পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইছে কি না- এ বিষয়ে জনমনে জিজ্ঞাসা রয়েছে। রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত না হলে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব কিনা, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে গেলে দেশে এমন এক নির্বাচনী ব্যবস্থা থাকা জরুরি, যেখানে প্রতিটি ভোটার নির্ভয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। দেশে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা না গেলে আমাদের কোনো আয়োজনই কিন্তু কাজে আসবে না, টেকসই হবে না।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারকে আরও স্বচ্ছ ও সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জনগণ আপনাদের (সরকার) পাশে থাকবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের পাশে থাকবে, যদি আপনাদের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ এবং সাহসী হয়।

    তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মতো ২০২৪ সালের শহিদরাও স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। গণঅভ্যুত্থানে শহিদরা জাতির গৌরব। তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার মধ্য দিয়েই তাদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব। আর তা শুরু হবে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।

    স্মরণসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

  • নতুন ব্যবস্থাপনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে-ডা. শফিকুর রহমান

    নতুন ব্যবস্থাপনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে-ডা. শফিকুর রহমান

    চব্বিশে জীবন বাজি রে‌খে যা‌দের ত‌্যা‌গের বি‌নিম‌য়ে ফ‌্যা‌সিবা‌দের পতন এবং দেশ ও জা‌তির মু‌ক্তি হ‌য়ে‌ছে অহঙ্কার করে তা‌দের তুচ্ছ তাচ্ছিল্ল না করতে রাজ‌নৈ‌তিক দ‌লের প্রতি আহ্বান জা‌নি‌য়ে‌ছেন বাংলা‌দেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে তি‌নি ব‌লেন, “আবু সাইদরা য‌দি বুক পেতে না দাঁড়াতো, এ জাতির মুক্তির জন্য যদি বুকে গুলি লুফে না নিতো হয়তো এই বাংলাদেশ আর দেখতাম না। ইতিমধ্যে আরো জীবন হয়তো ফ্যাসিবাদিদের হাতে চলে যেতো।”

    শ‌ফিকুর রহমান ব‌লেন, “চব্বিশে জীবন বাজি রাখা যুদ্ধ যদি না হতো, তাহলে আজকে যারা বিভিন্ন দাবি দাওয়া পেশ করছেন, তারা তখন কোথায় থাকতেন। তাই আসুন, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে এই নেয়ামত পে‌য়ে‌ছি, তাদের যেন অবজ্ঞা না করি। অবহেলা না করি। শিশু বলে যেনো তুচ্ছ তাচ্ছিল্ল না করি। অহঙ্কার করে যাতে অন্য দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্ল না করি। অরাজনৈতিক ভাষায় কথা না বলি। এগুলো যদি আমরা পরিহার করতে না পারি।

    কিংবা যারা প‌রিহার কর‌তে পারবেন না তাদের বুঝতে হবে, ফ্যাবিবাদের রুপ তাদের মধ্যে নতুন করে বাসা বেঁধেছে।“আমরা আশা করব, আমরা কেউ এগুলো করব না।

    রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার রক্ষা করে জাতীয় ঐক্যের বীজ এক সাথে রোপন কর‌বে,” ব‌লেন তি‌নি। চব্বিশের লড়াই‌য়ে শহীদ হ‌তে না পারায় আফ‌সোস ক‌রে জামায়া‌তের আমির ব‌লেন, “আমি অভিজাত শ্রেণির হয়ে কথা বলতে আসিনি। আজীবন সকল রক্তচক্ষুতে উপেক্ষা করেছি। জেল জুলুম পরোয়া করি নাই। আফসোস, ২৪ সালে জাতিকে মুক্তি দিতে গিয়ে যারা জীবন দিয়ে শহীদ হয়ে গেলো আমি তাদের একজন হতে পারলাম না।”“দোয়া চাই।

    ইনসাফের ভিত্তিতে একটি দেশ গড়ে তোলার জন্য আগামীতে যে লড়াই হবে সেই লড়াইয়ে আল্লাহ আমাকে একজন শহীদ হিসাবে কবুল করেন, আল্লাহর কা‌ছে এমন প্রার্থনা ক‌রেন,” জামায়াত আমির।

    শিশু, তরুণ-যুবক‌দের উদ্দেশ্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “যুবকদের আমরা বলতে চাই, তোমাদের সাথে আমরা আছি। আজ জামায়াতের আমির হিসাবে কথা বলতে আসিনি। আমি এসেছিতো ১৮ কোটি মানুষের একজন হয়ে কথা বলতে এসেছি। আমি শিশুদের বন্ধু, ‍যুবকদের ভাই। বয়স্কদের সহযোদ্ধা। বোনদের ভাই। তাদের মুক্তির জন্য দায়িত্ব নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছিলাম।”

    “আমি বলতে চাই, বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণির মুক্তির জন্য আমাদের লড়াই নয়। রাস্তার একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, চা বাগানের একজন শ্রমিক, রক্ত পানি ঘাম ঝড়ানো রিকশাচালক ভাই। মাঠে ময়দানে মুখে একমুটো ভাত তুলে দিতে চায় সেই কৃষক ভাই। তাদের হয়ে কথা বলতে এসেছি।”

    “আল্লাহ যতক্ষণ হায়াত দিয়েছেন ততক্ষণ কথা বলব। বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির না হওয়া পর্যন্ত লড়াই অব্যাহত থাকবে,” ব‌লে ঘোষণা দেন জামায়াত আমির।

    “সব গণ-হত্যার বিচার দা‌বি ক‌রে শ‌ফিকুর রহমান ব‌লেন, “পল্টন গণহত্যা, শাপলা গণহত্যা, সারা দেশের গণহত্যা, পিালখানার গণহত্যা, ২৪ এর গণহত্যা–এই সকল গণহত্যার বিচার বাংলার মাটিতে নিশ্চিত করতে হবে। এদের বিচারের দৃশ্যমান প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া পর্যন্ত পুরনো ব্যবস্থাপত্রে এই বাংলাদেশ আর চলবে না।”

    তি‌নি ব‌লেন, “এতগুলো মানুষে এমনি এমনি জীবন দেয়নি। জীবন দিয়েছেন জাতির মুক্তির জন্য।যারা বস্তাপচা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে আবার গড়তে চান তাদেরকে আমরা বলি জুলাইয়ে যুদ্ধ করে যারা জীবন দিয়েছে শক্তি থাকলে তাদের জীবন ফেরত এনে দেন। পারবেন না। কাজেই নতুন ব্যবস্থাপনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।”

    “মা, শিশু-কিশোর, যুবক, বোন, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা, ব্যবসায়ী সবাইকে যে দেশ যে সংবিধান যে রাষ্ট্র নিরাপত্তা দিতে পারবে সেই নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই,” ব‌লেন জামায়াত আমির।

    জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে, দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম, নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, গণ-অধিকার পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক নুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ, নেজামে ইসলামের মহাসচিব মুসা বিন ইযহার, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, শহীদ পরিবারের সদস্য, কয়েকজন পঙ্গু জুলাই যোদ্ধা।

  • নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক: পরওয়ার

    নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক: পরওয়ার

    জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ব‌লে‌ছেন,  বিগত বছরগুলোতে “জামায়াতে ইসলামীর  ওপর, তথা ইসলামি শক্তির ওপর যে জুলুম-নিপীড়ন চালানো হয়েছে, তারই প্রতিবাদে এই গণবিস্ফোরণ ঘটেছে।”

    বৃদ্ধ বয়সে দলটির নেতাদের কারাগারে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, “মজলুম বৃদ্ধ নেতাদের কারাগারে তিলে তিলে হত্যা করা হয়েছে। নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ক্রসফায়ার, রিমান্ড, আয়নাঘরে হাজার হাজার লোককে কারারুদ্ধ করা হয়েছে। দুনিয়া জানে—বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে মজলুম দল হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।”

    সংগঠনটির আমির ডা. শফিকুর রহমানকে মানবিক নেতা উল্লেখ করে তি‌নি বলেন, “বন্যার্ত মানুষদের সাহায্য করতে তিনি নির্দেশ দিলেন। পূজার সময় হিন্দুধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে নিরাপত্তা দিতে বললেন।”

    বাংলাদেশে সুশাসনের একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট দাঁড়ি পাল্লায় দেওয়ার আহ্বান জা‌নি‌য়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “আমরা একটি সুশাসনের রাষ্ট্র কায়েম করতে চাই। নতুন প্রজন্মের প্রথম ভোট, দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক।”

     

  • ঢাকায় আসছেন লরেন ড্রেয়ার !

    ঢাকায় আসছেন লরেন ড্রেয়ার !

    বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল আজ শুক্রবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় আসছে।

    এই সফরের মধ্য দিয়ে দেশে প্রতিষ্ঠানটির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক অন্যমাত্রায় পৌঁছাবে বলে আশা বিশ্লেষকদের।

    প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন স্টারলিংকের ব্যবসা পরিচালনা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ার। তার সঙ্গে থাকবেন স্পেসএক্সের আন্তর্জাতিক কৌশল ও সরকারি সম্পর্ক পরিচালক রিচার্ড গ্রিফিথস।

    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে স্টারলিংকের বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করা।

    প্রতিনিধিদলটি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। যদিও স্টারলিংকের সেবা গত মে মাস থেকেই বাংলাদেশে চালু আছে, এই সফরের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে।

    সফরসূচি অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলটি আগামীকাল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    উল্লেখ্য, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার বাংলাদেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার বিষয়ে শুরু থেকেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

     

  • মানিকগঞ্জে পথসভায় নাহিদ ইসলাম ` আমরা দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়েছি’

    মানিকগঞ্জে পথসভায় নাহিদ ইসলাম ` আমরা দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়েছি’

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘গোপালগঞ্জে যারা আক্রমণ করেছে, তারা জানে না যে এই আক্রমণ আমাদের আরও দ্বিগুণ শক্তিশালী করেছে। এর প্রমাণ আমরা ফরিদপুরে দিয়েছি, রাজবাড়ী দিয়েছি, এই মানিকগঞ্জে দিচ্ছি।’

    বৃহস্পতিবার রাতে মানিকগঞ্জে আয়োজিত পথসভায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের ভাষাশহীদ রফিক চত্বরে এ পথসভার আয়োজন করা হয়।

    নির্বাচনমুখী একটি দলের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা কেন গোপালগঞ্জে গেলাম তা নিয়ে তারা প্রশ্ন করেছেন। আওয়ামী লীগ যদি মাথা উঁচু করার চেষ্টা করে, বিপ্লবী ছাত্র-জনতা আবার তাদের পরাস্ত করবে।

    আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি গোপালগঞ্জের প্রতিটি গ্রামে প্রোগ্রাম করব ইনশা আল্লাহ।’ তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক আগেই জানিয়েছিলাম, গোপালগঞ্জে প্রোগ্রাম করব। কিন্তু সরকার যথাযথ ব্যবস্থা না করার করণেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর বর্বরোচিত হামলা করেছে।’

    রাজনৈতিক দল গঠনের কারণ সম্পর্কে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরে আমরা নতুন বন্দোবস্তের কথা বলেছিলাম। আমরা এখনো সেটাই বলছি। গণ-অভ্যুত্থানে আমাদের সঙ্গে হয়তো অনেকেই ছিল, অনেক অংশীদার ছিল; কিন্তু সবার স্বার্থ এক ছিল না। শেখ হাসিনা পতনে সবাই এক ছিল।

    কিন্তু নতুন রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাই এক ছিল না। অনেকেই চেয়েছিল পুরোনো রাষ্ট্র, পুরো-নো সিস্টেমে ক্ষমতায় যাবে। আমরা সেটা বিরোধিতা করেছিলাম। ফলে আমাদের নতুন রাজনৈতিক দল করতে হয়েছে।’

    নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো একক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা থাকবে না। জাতীয় সংসদ দুই কক্ষবিশিষ্ট করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এতে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হবে।

    এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘বিগত সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সাধারণ মানুষ, ছাত্র-আলেমদের ওপর নির্যাতন করেছে। শুধু ইসলাম পালনের কারণে জুলুম করা হয়েছে।

    সনাতন ধর্মের ভাইদের বলব, আপনারা কোনো বিশেষ দলের সম্পদ নন, আপনারা বাংলাদেশের জনগণ। সমান অধিকার ভোগ করেন। আওয়ামী লীগই হিন্দুদের জমি দখল করেছে।’

  • মানিকগঞ্জে ২১ সংস্কৃতিকর্মীকে আর্থিক অনুদান প্রদান

    মানিকগঞ্জে ২১ সংস্কৃতিকর্মীকে আর্থিক অনুদান প্রদান

    মানিকগঞ্জ জেলার ২১ জন গুণী সংস্কৃতিকর্মী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আর্থিক অনুদান করা হয়েছে। গতকাল ১৭ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় এই আয়োজনটি সম্পন্ন করে জেলা কালচারাল অফিস।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি বলেন, এই অনুদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতি সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। তাদের নিরলস পরিশ্রমে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সমৃদ্ধ হচ্ছে, যা সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    জেলা কালচারাল অফিসার মোকলেসা হিলারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের নাট্যকার, সঙ্গীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী ও চিত্রশিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।

    আগত সংস্কৃতিকর্মীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকারের এই সহায়তা তাদের কাজে নতুন প্রেরণা যোগাবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সংস্কৃতি চর্চা ও বিকাশে ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

    এই আয়োজনের মাধ্যমে মানিকগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।

  • সাটুরিয়ায় সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু !

    সাটুরিয়ায় সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সাপের কামড়ে স্বপ্না আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের চারিকিত্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত স্বপ্না আক্তার বরাইদ ইউনিয়নের চারিকিত্তা গ্রামের মুদি ব্যবসায়ী হেলাল মিয়ার স্ত্রী।

    প্রতিবেশী লাল মিয়া বলেন, প্রতিদিনের মতো স্বপ্না সকাল ৮টার দিকে রান্না করতে মাচা থেকে শুকনো জ্বালানি আনতে গেলে বিষধর সাপ কামড় দেয়। পরে তার চিৎকারে সবাই এসে দেখে সাপে কামড় দিয়েছে। দড়ি দিয়ে বেঁধে সাথে সাথে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে নিয়ে গেলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

    স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো: রমজান আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়েছে।

    সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুন-উর-রশিদ বলেন, ‘সাপে কাটা রোগীদের জন্য আমাদের উপজেলায় পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনাম রয়েছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব সাপে কাটা রোগীদের নিয়ে এলে চিকিৎসা দেয়া যাবে।

    উল্লেখ্য, এখন বর্ষা  মৌসুম চলছে। এই সময় সাপের উপদ্রব বেড়ে। তাই যেকোনো কাজ  সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির ফাঁকা গুলি ॥ ১০ মহিষ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির ফাঁকা গুলি ॥ ১০ মহিষ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাখের আলী সীমান্তে চোরাকারবারীদের ধরতে গিয়ে দুই রাইন্ড ফাঁকা গুলি করেছে ৫৩ বিজিবি সদস্যরা। এ সময় সংঘবদ্ধ চোরাকারবারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে সেখান থেকে ১০টি মহিষ জব্দ করা হয়।

    মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    ৫৩ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে সদর উপজেলার বাখের আলী সীমান্তের পদ্মা নদীর আলিমের ঘাটে অভিযান চালায় বিজিবি সদস্যরা। এ সময় সেখানে সংঘবদ্ধ চোরা-কারবারিদের দেখতে পায়।

    চোরাকারবারীরা অত্যন্ত সংঘবদ্ধ অবস্থায় থাকায় বিজিবি সদস্যরা তাদের ছত্রভঙ্গ করতে ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। গুলির শব্দে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে ১০ টি মহিষ জব্দ করা হয়। সেগুলো ভারত থেকে অবৈধ পথে আনা হয়েছিল।

    বিজিবি অধিনায়ক আরও জানান, দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে চোরকারবারীদের বেশি দূর ধাওয়া করতে পারেনি বিজিবি সদস্যরা। ফলে তাদের কাউকে আটক করা যায়নি। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

  • বিপিএমসিএ নির্বাচনে সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিন ও সম্পাদক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন

    বিপিএমসিএ নির্বাচনে সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিন ও সম্পাদক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন

    বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ডা. শেখ মহিউদ্দিন। আর সাধারণ সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন।

    প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকদের সংগঠনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন তারা। বুধবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সদস্যরা ভোট প্রদান করেন।

    ডা. মো. মঈনুল আহসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচন বোর্ড এ নির্বাচন পরিচালনা করেন। এই নির্বাচনে ঢাকার বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হয়েছেন। এই নির্বাচনে আফরোজা খান রিতা (মুন্নু মেডিকেল কলেজ) সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিপিএমসিএ’র কার্যনির্বাহী কমিটির সর্বমোট ২১টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নির্বাচনে ১১০টি ভোটের মধ্যে ৯২টি ভোট কাস্ট হয়েছে। নির্বাচনে সহসভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন সৈয়দ মো. মোরশেদ হোসেন, ডা. গাজী মিজানুর রহমান, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রীতি চক্রবর্তী ও মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ীরা হয়েছেন সাইমুম সাইরাস, উলফাত জাহান মুন, মো. নাজমুল আহসান সরকার ও নীলু আহসান।

    অর্থ সম্পাদক পদে বিজয়ী মো. হাবিবুল হক। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ডা. ‍মুহাম্মদ আব্দুস সবুর। বিভাগওয়ারী সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চট্টগ্রাম বিভাগে রইস আব্দুর রব, রাজশাহী বিভাগে গাজী সেজান তানভীর, সিলেট বিভাগে অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার মোমেন চৌধুরী। আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রাশীদ সাইফুনুল ইসলাম। শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে সামিরা আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন।

    আর নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের ও ডা. মো. রেফায়েত উল্লাহ শরীফ।