Blog

  • গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত-৪

    গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত-৪

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোপালগঞ্জ শহর। এনসিপির নেতাকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক ব্যক্তি।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ৪ জনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা গুলিবিদ্ধ ছিলেন। গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শেখ মো. নাবিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতরা হলেন- জেলা শহরের উদয়ন রোডের সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), শহরের থানাপাড়ার কামরুল কাজীর ছেলে রমজান কাজী (২৪), সদর উপজেলার আড়পাড়া এলাকার আজাদ তালুকদারের ছেলে ইমন তালুকদার (১৮) ও টুঙ্গীপাড়ার সোহেল মোল্লা (৪১)।

    জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ‘‘গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জেলায় কারফিউ ও অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’’

    এর আগে, দুপুরের পরে জাতীয় নাগরিক পার্টির পদযাত্রা ও সমাবেশে হামলা-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

  • মানিকগঞ্জে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ব্লকেড কর্মসূচী পালন

    মানিকগঞ্জে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ব্লকেড কর্মসূচী পালন

    মানিকগঞ্জে জাগির ব্রিজ সংলগ্ন মহাসড়কে `ব্লকেড কর্মসূচি’ পালন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। আজ বুধবার বিকেল ৫:৩০ মিনিটে জাগির ব্রিজ সংলগ্ন মহাসড়কের ওপরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১ঘন্টা এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

    গোপালগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এই সময় রাজশাহী, পাবনা, ফরিদপুর যশোর-খুলনা সাতক্ষীরা গামী যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

    ব্লকেড কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় তারা গোপালগঞ্জ এনসিপির নেতা-কর্মী এবং তাঁদের গাড়ী বহরে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    মানিকগঞ্জ জেলা এনসিপির প্রধান সমুন্বয়ক এ্যাড. জনাব জাহিদুর রহমান তালুকদার বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তির জন্য ছাত্র-জনতা দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করেছে। বহু প্রাণের বিনিময়ে আজ আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। নতুন বাংলা-দেশের নতুন বন্দোবস্ত করার কাজে যখন আমাদের ভাইয়েরা ব্যতি-ব্যাস্ত সময় পার করছে তখন আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দেশটাকে আবার অস্থিতিশীল করতে চাইছে।

    এই সময় তিনি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন. আওয়ামী ফ্যাসিবাদী ও তাদের দালালেরা আর এই দেশে রাজনীতি করতে পারবে না। আজ এই ব্লকেড কর্মসূচি মাধ্যমে আমরা এই কথা প্রশাসনকে পরিস্কার জানান দিতে চাই।

    এই সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মানিকগঞ্জ জেলা শাখার প্রধান সমুন্বয়ক ওমর ফারুক ও সদস্য সচিব নাহিদ মনির এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান প্রশাসনের দুর্বলতাকে পুঁজি করে ফ্যাসিস আওয়ামী লীগ আবারও প্রকাশ্যে আসছে চাইছে। তারা সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালাচ্ছে। আমরা তাদেরকে হুঁশিয়ারি করতে চাই, প্রশাসন দুর্বল হলেও দেশে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা আবারও তাদের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

    এ সময় এনসিপির জেলা কমিটির যুগ্ন-সমুন্বয়ক এ্যাড. মাহফুজ রহমান, এ্যাড. আমিনুর রহমান, গালীব হোসেন ও জেলা সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মহিদুর রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

    গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

    বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায় বলে জানা যায়। এসময় গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গুলি চালিয়েছে। এসময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর গাড়িতেও হামলা হয়। এ ঘটনার পর এনসিপির নেতারা গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজে অবস্থান নেন।

    এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত এনসিপির সমাবেশের মঞ্চেও হামলা চালায় ছাত্রলীগ। সমাবেশ মঞ্চে থাকা সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার ভাঙচুরসহ উপস্থিত এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়। পরে পৌরপার্ক এলাকা ত্যাগ করার কিছু সময় পর হামলার মুখে পড়ে এনসিপির গাড়িবহর।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে। পুরো শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

  • গোপালগঞ্জ হতে ফেরার পথে এনসিপির নেতাদের উপর হামলা

    গোপালগঞ্জ হতে ফেরার পথে এনসিপির নেতাদের উপর হামলা

    গোপালগঞ্জ সভা শেষে ফেরার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গোপালগঞ্জ রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার পরে শহরের লঞ্চ ঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

    জানা গেছে, এনসিপি নেতারা গোপালগঞ্জে সমাবেশ শেষ করে টেকেরহাট হয়ে মাদারীপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। হামলার মুখে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে। এ ঘটনার পর এনসিপির নেতারা গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    এ আগে দুপুর ২টার পর পৌর পার্কের উন্মুক্ত মঞ্চে এনসিপির সভা শুরু হয়। তবে সভা শুরুর আগে দুপুর ১টা ৩৫ মনিটের দিকে গোপালগঞ্জ শহরের পৌরপার্ক এলাকায় আয়োজিত সমাবেশের মঞ্চে এক দফা হামলার ঘটনা ঘটে।

    সমাবেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, যদি আজ কে বাধা দেওয়া না হতো তাহলে গোপালগঞ্জের সাধারণ জনতা এখানে লোকে লোকারণ্য হতো। আমরা এখানে গোপালগঞ্জের নাম বদলাতে আসিনি। আমরা এসেছি শান্তি এবং নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে।

    তিনি বলেন, আপনারা যারা দূর থেকে শুনছেন, আমরা আজকে গোপালগঞ্জ এসেছিলাম দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার কর্মসূচিতে। আমরা এসেছি ভবিষ্যত বাংলাদেশে,  গোপালগঞ্জবাসীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে।

     

  • গোপালগঞ্জকে সঙ্গে নিয়েই নতুন বাংলাদেশ গড়বো-তাসনিম জারা

    গোপালগঞ্জকে সঙ্গে নিয়েই নতুন বাংলাদেশ গড়বো-তাসনিম জারা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, গোপালগঞ্জকে সঙ্গে নিয়েই আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো। আজ বুধবার (১৬ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি একথা বলেন।

    তাসনিম জারা বলেন, ‘মধুমতির কোল ঘেঁষে গোপালগঞ্জ। গোপালগঞ্জ সারা বাংলা-দেশের। যেভাবে জেলাগুলোকে পূর্বে দলীয়করণ করা হয়েছে: বগুড়া, কুমিল্লা জেলা গুলোকে যেভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে, সেই সংস্কৃতিতে আমরা আর ফেরত যাবো না। অনেকে আমাদেরকে ৭১ বিরোধী বলে দেখাতে চান। কিন্তু ৭১ আমাদের, ২৪ আমাদের। ৪৭, ৭১, ২৪ এই জনপদের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধ লড়াই করেছে। বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই জারি থাকবে।

    কোনো ব্যক্তি বা পরিবার আর বাংলাদেশকে কিনে নিতে পারবে না। কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবারের স্বার্থে বাংলাদেশ বিক্রি হবে না। বাংলাদেশ হবে সবার। যারা দেশের সংস্কারে বাধা দিবেন, জনগণ তাদেরকে মনে রাখবে। আমাদের পদযাত্রা গোপালগঞ্জ কে বাদ দিয়ে নয়। গোপালগঞ্জের সন্তানেরা যাতে বৈষম্যের স্বীকার না হয়, সেজন্য আমাদের লড়াই। গোপালগঞ্জ কে সাথে নিয়েই আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বো।

    আজ জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে গোপালগঞ্জে সমাবেশ করছে এনসিপি। তবে সমাবেশ শুরু আগেই সকালে গোপালগঞ্জে পুলিশের পিকআপ ভ্যানে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টায় সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পুলিশের একটি গাড়ি দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াঘর এলাকায় টহল দিচ্ছিল। হঠাৎ ৪০-৫০ জনের একদল দুর্বৃত্ত পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে তারা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে গাড়িতে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন।

    এসময় হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পাশে টহলরত অন্য একটি পুলিশের গাড়ি ঘটনাস্থলে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক নারী বলেন, ‘সবাই মুখোশ পরে এসেছিলেন। হঠাৎ তারা পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আমরা কাছে আসতে গেলে আমাদেরও বাধা দেয়।’

    এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য।’

  • আজ ‘জুলাই শহীদ দিবস

    আজ ‘জুলাই শহীদ দিবস

    ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আজ বুধবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালিত হচ্ছে। চব্বিশে ফ্যাসিবাদবিরোধী অভ্যুত্থানের শুরুতে এই দিনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শিক্ষার্থী আবু সাঈদ।

    দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকছে।

    এ ছাড়া শহীদদের রুহের মাগফিরাতের জন্য বুধবার বাংলাদেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ‘জুলাই শহিদ দিবস’ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইন-ইয়াবাসহ আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইন-ইয়াবাসহ আটক-৩

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক ২টি অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ তিনজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থ।

    সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটা ও ৯টা ২০ মিনিটে পরপর দুটি অভিযান চালানো হয় গোমস্তাপুর ও চৌডালা ইউনিয়ন এলাকার জাহিদ নগর ও নন্দলালপুর এলাকায়। আটক ব্যক্তিরা হচ্ছে, জাহিদ নগর গ্রামের মোঃ এনামুল হকের দুই ছেলে মোঃ সামিউল হক (৪০) ও মো: মাহিদুর (৩৮)।

    সোমবার গভীর রাতে বিষয়টি এক প্রেসনোটে নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধি-দপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়। অন্যদিকে, নন্দলালপুর গ্রামের মোঃ জাহিরুল ইসলামের স্ত্রী মোসা: পানতারা বেগম (৩৫)। তাদের মধ্যে সামিউল ও মাহিদুর দুই ভাই, যারা এলাকায় আগে থেকেই মাদক কারবারে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

    উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে, আসামী সামিউলের কাছে ইয়াবা ট্যাবলেট: ৪০০ পিস, মাহিদুরের কাছে হেরোইন০১ গ্রাম, পান-তারার কাছে ৩৫ গ্রাম হেরোইন ও নগদ অর্থঃ ৭,৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান। বিশেষ করে পানতারা বেগমের বাড়িতে হেরোইনের চালান মজুদের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিদর্শক মোঃ ইলিয়াস হোসেন এবং উপ-পরিদর্শক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান। আটককৃতদের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা।

    এই অভিযানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও অনেকে বলছেন, গোম-স্তাপুর সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে মাদক পাচারের একাধিক রুট সক্রিয় রয়েছে। মাঝে মধ্যেই এমন বড় চালান ধরা পড়ছে, কিন্তু মূল গডফাদাররা থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। এই অভিযান তারই অংশ। জেলা জুড়ে মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

  • কালিয়াকৈরে ধর্ম পরীক্ষা দিয়ে কৃষিতে ফেল!

    কালিয়াকৈরে ধর্ম পরীক্ষা দিয়ে কৃষিতে ফেল!

    ধর্ম বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে কৃষি বিষয়ে ফেল করেছেন গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। অথচ গতবছর এসএসসি পরীক্ষার কৃষিতে এ গ্রেড পেয়েছিল সে।

    ওই শিক্ষার্থীর নাম শিশির চন্দ্র মনিদাস। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিল্ডিং মেইনটে-নেন্স ট্রেডে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সে।

    পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, শিশির চন্দ্র মনিদাস ২০২৪ সালে ধর্মে বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। ২০২৫ সালে আবারও ওই পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় সে ধর্ম বিষয়ে পাশ করলেও ফেল করেছে কৃষিতে।

    শিক্ষার্থী শিশির বলে, “আমি গতবছর ধর্মে একটি সমস্যার কারণে ফেল করেছি। এ বছর আবার পরীক্ষা দেই। ফলাফলের দেখতে পাই আমি ধর্মে ঠিকই পাশ করেছি কিন্তু কৃষি তে ফেল আসছে। আমি এখন কীভাবে কী করব বুঝতে পারছি না।

    ”ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, “যে বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে সেটায় কৃতকার্য হলেও অন্য একটি বিষয়ে অকৃতকার্য এসেছে। বিষয়টি জানার পর ওই শিক্ষার্থীর কাগজপত্র নিয়ে আজ বোর্ডে যাওয়া হয়েছে। আশা করছি সংশোধন করা যাবে।”

  • ককটেল বিষ্ফোরণ-সংঘর্ষ-মামলা পাল্টা মামলায় উত্তপ্ত  ইসলামপুর

    ককটেল বিষ্ফোরণ-সংঘর্ষ-মামলা পাল্টা মামলায় উত্তপ্ত ইসলামপুর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ দীর্ঘদিন পর আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসের জনপদ চরাঞ্চলের ইসলামপুর। তবে, পূর্বের গ্রাম্য রাজনীতির নেতাদের বদলে উদয় হয়েছে নতুন নেতৃত্বের। শুরু হয়েছে তান্ডবের। চলছে একে অপরের উপর দোষ চাপিয়ে ফায়দা লুটে নেয়ার চেষ্টা।

    রাজনৈতিক ক্ষমতার বিষয় না হলেও কেউ সাংবাদিকতার দাম্ভিকতায় ক্ষমতাবান, কেউ স্থানীয়ভাবে। কিন্তু আবারও পূর্বের সেই সন্ত্রাসের জনপদের মতই আতংকগ্রস্থ ও নিষ্পেষিত এলাকার সাধারণ মানুষ। ভয়ে ভীত, কখন যানি কার উপর দায় চেপে যায়। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে অনেক সাধারণ পরিবার।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া পোড়াগ্রাম ও লক্ষীনারায়ণপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ, রক্তাক্ত সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা আর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পুরো অঞ্চল। সাংবাদিক ফারুক আহমেদ বনাম ইউপি মেম্বার জিয়া-এই দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে জনজীবন এখন অতিষ্ঠি এবং আতঙ্কিত।

    এই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে রাজনৈতিক গোজামিল সৃষ্টির মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের চেষ্টার বিষয়ে সোমবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে এগারোটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা।

    পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রায় ছয় থেকে নয় মাস আগে মহানন্দা ও পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ফারুক ও জিয়া মেম্বারের মধ্যে প্রথম বিরোধ শুরু হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে এসব অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হলে উভয় পক্ষ নতুন করে সংঘাতে জড়ায়।

    সংঘর্ষের একপর্যায়ে আহত হয় সাংবাদিক ফারুকপন্থী শিমুল, অপরদিকে হামলার শিকার হন জিয়া মেম্বারের ভাই কোরবান ও সমর্থক শহিদুল ইসলাম। ঘটনার পর থেকে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ, হামলা ও মামলা-পাল্টা মামলার ঘটনায় পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সদর মডেল থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা তৎপর হয়।

    পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই ও ১১জুলাই দুই পক্ষ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। সাংবাদিক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৫টি মামলা বিচারাধীন/তদন্তাধীন রয়েছে।

    পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে আরো বলা হয়, ফারুক আহমেদ চৌধুরী তার জামিনে থাকা অবস্থায় পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশ করে প্রশাসনকে চাপে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তার গ্রুপে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততা থাকলেও এই ঘটনা পুরোপুরি স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সংঘটিত, এটি কোনো রাজনৈতিক সংঘাত নয়।

    পুলিশ সুপার দৃঢ়কন্ঠে বলেন, অপরাধী যে পক্ষেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল রাজনীতি নয়, আধিপত্যের দৌড় প্রতিহত করবে প্রশাসন! “এটি কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়।

    ফারুক ও জিয়া, উভয় পক্ষেই বিভিন্ন দলের অনুসারী রয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষভাবে সব মামলার তদন্ত করছে,” বলেন পুলিশ সুপার। সচেতন মহলের দাবী, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা প্রদান এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধের। এসময় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে, এসব অস্বীকার করে সাংবাদিক ফারুক গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, এসপি মহাদয়ের পুরো বক্তব্যে আমাকে ভিকটিম বানানো হয়েছে। ঘটনাস্থল আমার দাদার বাড়ি এলাকা। যেখান থেকে আমরা ৩০ বছর আগেই চলে এসেছি। আমি শহরে বসবাস করি প্রায় ১৫ বছর ধরে। ইসলাম-পুরের কোন বিষয়ে আমি সুবিধাভোগী বা গ্রাম্য রাজনীতিতে আমার কোন সম্পৃক্তা নেই।

    তিনি গণমাধ্যমের সামনে আমাকে ভিলেজ পলিটিক্সের একটি পক্ষের নেতা বানিয়ে দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা আমার চাচা-চাচাতো ভাই। আমি তাদের নেতা নই। সাংবাদিক ফারুক আরও বলেন, এঘটনায় এলাকার পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। এর দায় কে নিবে?।

    পুলিশের দেয়া তথ্য মোতাবেক এই আধিপত্যের বিষয়-প্রায় ৬-৯মাস পূর্বে সাংবাদিক ফারুক আহমেদ ও নাসির মেম্বার মহানন্দা নদী থেকে, আর ৬-৭ মাস আগে জিয়া মেম্বার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলন শুরু করেন। প্রশাসনের নজরে এলে সদর ইউএনও ঊীপধাধঃড়ৎ জব্দ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিমের জিম্মায় রাখেন।

    কিন্তু ১৫-২০ দিন পর ফারুকের লোকজন গোপনে পুনরায় উত্তোলন শুরু করে। পুলিশ আসার খবরে পালানোর সময় ট্রাক্টরের নিচে পড়ে ফারুক গ্রুপের শিমুল (৩৬) গুরুতর আহত হন।

    প্রথম মামলা নং: ৫৮, তারিখ: ২৫-০৩-২০২৫, ধারা: ৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪ পেনাল কোড, বাদী: শিমুল (ফারুক গ্রুপ) অভিযুক্তঃ জিয়া মেম্বারসহ ১১ জন এজাহার-নামীয় ও ১৫-২০ জন অজ্ঞাত। ২য় ঘটনা ও কোর্ট মামলাঃ কিছুদিন পর কোরবান নামের এক যুবককে চায়ের দোকানে একা পেয়ে লোহার রড দিয়ে মারধর ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ফারুক গ্রুপ।

    বাদী: কোরবান, আসামি: সাংবাদিক ফারুক আহমেদ ও তার সহযোগীরা (মামলা কোর্টে চলমান)। ৩য় মামলাঃ- তারিখ: ১৫-০৬-২০২৫ ঘটনা: রাত ১০টায় তেররশিয়া জুম্মা মসজিদের সামনে শহিদুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে জখম করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ফারুকের লোকজন।

    বাদী: কামরুল ইসলাম (ভাই), মামলা নং: ২৭, তারিখ: ২০-০৬- ২০২৫। ধারাঃ ১৪৩/ ৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/১১৪ পেনাল কোড ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬ অভিযুক্তঃ ফারুক আহমেদসহ ১১ জন।বর্তমান অবস্থা: ৫ জন আদালত থেকে জামিনে মুক্ত।

    ৪র্থ মামলা (পাল্টা): বাদী: মো. অসিম আলী (ফারুক গ্রুপ), মামলা নং: ৩৯, তারিখ: ২৩-০৬-২০২৫, ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/১১৪ পেনাল কোড ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬, অভিযুক্ত: জিয়া মেম্বার ও তার অনুসারীরা, অবস্থা: জিয়া মেম্বারের ছেলে নিশানসহ ৩ জন জামিনে।

    ৫ম মামলা:-তারিখঃ১০-০৭-২০২৫, ঘটনাঃ শহিদুল ও কামরুলকে মামলা তুলে নিতে চাপ, না মানায় হুমকি, ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ। পরদিন ১১ জুলাই সকাল ৬:৩০ টায়: ৩৫-৪০ জন ফারুক গ্রুপের লোক ৬-৭টি বাড়িতে হামলা, পাল্টা ককটেল বিস্ফোরণ জিয়া গ্রুপের।

    বাদী: সামিরুল ইসলাম (জিয়া গ্রুপ), মামলা নং: ১৭, তারিখ: ১১-০৭-২০২৫, ধারা: ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৪২৭/৫০৬(২)/১১৪ ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬, অভিযুক্ত: ফারুক আহমেদসহ ২২ জন এজাহারনামীয় ও ২০-২৫ জন অজ্ঞাত। ৬ষ্ঠ মামলা (পাল্টা):-বাদী: মো. অসিম আলী (ফারুক গ্রুপ) মামলা নং:২০, তারিখ: ১২-০৭ -২০২৫, ধারা: ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৪২৭/৩৭৯/৫০৬(২)/১১৪ ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬, অভিযুক্ত: জিয়া মেম্বারসহ ২৭ জন।

  • সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা অবনতিতে মানিকগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ !

    সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা অবনতিতে মানিকগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ !

    সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আজ  বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল মানিকগঞ্জ জেলা শাখা।

    মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতার নির্দেশনা ও সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

    দলীয় সূত্র জানায়, দুপুরবেলা মানিকগঞ্জ শহরের খালপাড় থেকে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসিম হাওলাদার।

    এ সময় দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দল মানিকগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক জিএস জিন্নাহ খান,  সদস্য সচিব রকিবুর রহমান রাকিব, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাদ্দাম হোসেন, জাকির হোসেন, সাইদুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী নাদিম হোসেন টুয়েল, সাব্বির হোসেন, রিপন, রনি, শামসুল হক, এক নম্বর সদস্য এনামুল হক সিকান্দার।

    প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। একটি চিহ্নিত চক্র দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তাদের এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।