Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্চ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মঈন উল বারি (৪৮) নামে এক                     আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান আবাসিক এলাকার ৪নং গেটের সামনের একটি বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশের ধারণা আইনজীবী মঈন উল বারি ৪ দিন আগে মারা গেছেন। মৃত মঈন উল বারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান এলাকার মৃত ইউসুফ আলী বিশ্বাসের ছেলে। এলাকাবাসী ও পুলিশের সূত্র জানায়, বালু বাগান ৪নং গেটের সামনের বাড়িটি থেকে দুর্গন্ধ পান এলাকাবাসী।

    পরে বুধবার (৭ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশকে খবর দেয়। পরে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং রাজশাহীর সিআইডির একটি টিমকে খবর দেয়। খবর পেয়ে রাজশাহী থেকে একটি সিআইডির টিম বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে খাটের ওপর মঈন উল বারির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এবং উদ্ধার করে। মঈন উল বারি ট্যাক্সের আইনজীবী ছিলেন এবং ঢাকায় প্যাকটিস করতেন।

    স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হবার পর সাড়ে ৪ বছর আগে ঢাকা থেকে বাড়ি চলে আসেন। একমাত্র মেয়ে ঢাকায় পড়াশুনা করে। বাড়িতে একাই থাকতেন তিনি। মঈন উল বারির বোন শামিমা নাজনিন বলেন, আমার ছোট ভাই ট্যাক্সের আইনজীবী ছিলেন এবং ঢাকায় প্যাকটিস করতেন।

    সাড়ে ৪ বছর আগে ঢাকা থেকে বাড়ি চলে আসেন। এরপর ৪ বছর আগে আমার বাবা মারা যান এবং ৭ মাস আগে আমার মা মারা যান। এছাড়া আমার ভাই ও ভাবি অনেক আগে ডিভোর্স হয়ে যায় এবং একমাত্র মেয়ে ঢাকায় পড়াশুনা করে। তাই আমার ভাই বাড়িতে একাই থাকতেন এবং একাকীত্ব জীবনযাপন করতেন।

    গত কয়েকদিন থেকে আমার ভাইকে ফোন করছি, কিন্ত সে ফোন ধরছে না। পরে এলাকাবাসীর কাছে খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। চাঁপাই-নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মতিউর রহমান বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমরা খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাড়িটি সিলগালা করে দেয়।

    বৃহস্পতিবার সকালে সিআইডির টিমসহ সদর মডেল থানা পুলিশ মঈন উল বারির মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি প্রায় ৪ দিন আগে মারা গেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • সাভারে ধর্ষণের অভিযোগে পিতাকে কুপিয়ে হত্যা করলো মেয়ে

    সাভারে ধর্ষণের অভিযোগে পিতাকে কুপিয়ে হত্যা করলো মেয়ে

    সাভারে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন মেয়ে জান্নাত জাহান শিফা (২৩) । পরে নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এসময় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

    বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে সাভারের মজিদপুরের কাঠালবাগান এলাকার আব্দুল কাদেরের ভাড়া বাড়ির পঞ্চম তলায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতের নাম আব্দুস সাত্তার, তিনি নাটোর জেলার সিংড়া থানার ভগা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। আটক জান্নাত জাহান শিফা তারই মেয়ে। প্রায় ৫ মাস আগে তারা ওই বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন বলে জানা গেছে।

    সাভার মডেল থানার ডিউটি অফিসার আব্দুর রশিদ বলেন, আজ ভোর চারটার দিকে ৯৯৯ এর একটি ফোন আসে। জান্নাত জাহান শিফা নামের এক নারী বলেন তার বাবাকে তিনি হত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে তাকে গ্রেফতারের জন্য বলেন। তার দেওয়া খবরেই ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জান্নাতকে আটক করা হয়েছে।

    জান্নাত জাহান শিফা জানান, বুধবার রাতে ভাতের সঙ্গে ২০টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাবাকে খাওয়ান। বাবা ঘুমিয়ে পড়লে ভোর ৪টার দিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে ৯৯৯-এ কল করেন তিনি।

    পুলিশ জানায়, ২০২২ সালে নাটোর জেলার সিংড়া থানায় বাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন শিফা। সেই মামলায় জেল খেটে সাভারে মেয়ের সঙ্গে আবার বসবাস শুরু করেন সাত্তার।

    এ ঘটনার জেরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। হত্যার এটাই কারণ বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

  • সুইসাইড নোটে লিখে র‍্যাব কর্মকর্তার আত্মহত্যা

    সুইসাইড নোটে লিখে র‍্যাব কর্মকর্তার আত্মহত্যা

    চট্টগ্রামে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) চান্দগাঁও ক্যাম্পের নিজ কার্যালয় থেকে এক কর্মকর্তার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম পলাশ সাহা (৩৭)। তিনি র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    মরদেহের পাশে একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) পাওয়া গেছে। বুধবার (৭ মে) বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সুইসাইড নোটে পলাশ সাহা লিখেছেন, আমার মৃত্যুর জন্য মা এবং বউ কেউ দায়ী না। আমিই দায়ী। কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না। বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে। মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের ওপর। তারা যেন মাকে ভালো রাখে। স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য। দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে।

    এ বিষয়ে র‍্যাব-৭ এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান বলেন, সিনিয়র এএসপি পলাশ সাহা খুবই দায়িত্বশীল এবং পেশাদার কর্মকর্তা ছিলেন। কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন, সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • সাটুরিয়ায় ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচার মৃত্যু

    সাটুরিয়ায় ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচার মৃত্যু

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা কিতাব আলী (৫০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে অত্র উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা গ্রামে।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৩ মে) সকালে কোরান আলী ও কিতাব আলী দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ হয়। এতে পরিবারের অন্য সদস্যরা যুক্ত হন। বিরোধে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি এক পর্যায়ে দুই পরিবারের লোকজন ঝগড়া থামিয়ে যার যার মতো চলে যায়। কিছুক্ষণ পর কোরান আলীর ছেলে সাকিল (২৫) বাড়ি এলে নতুন করে ঝগড়া শুরু হয়।

    এক পর্যায়ে মারামারি শুরু হলে সাকিল বাঁশ দিয়ে চাচা কিতাব আলীর মাথায় আঘাত করলে কিতাব আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মাথা ফেটে রক্ত বের হলে সাটুরিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়।‌ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার (৭ মে) সকালে তার মৃত্যু হয়।

    এ ব্যাপারে সাটুরিয়া থানা উপপরিদর্শক আরিফ খান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

     

     

  • মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ক্রয়ে পুকুরচুরি !

    মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ক্রয়ে পুকুরচুরি !

    দুর্নীতির ‌‘স্বর্গরাজ্যে’ পরিণত হয়েছে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে লুটপাট অব্যাহত রেখেছে একটি চক্র। সম্প্রতি হাসপাতালের জিনিসপত্র কেনার নামে পুকুরচুরির একটি চিত্র সংবাদ মাধ্যমের হাতে এসেছে।

    নথি ঘেঁটে দেখা গেছে, ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে চীনে উৎপাদিত ব্লাড লাইন সেট ক্রয় করা হয়েছে ১২০০টি; সেখানে প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে তিন হাজার ৪৪৭ টাকা ৫০ পয়সা। অথচ এর বাজারমূল্য মাত্র ২৬০ টাকা। চীনে উৎপাদিত হেমো ডায়ালাইজার সেট কেনা হয়েছে তিন হাজার ৭৪৩ টাকা দিয়ে ৩৩৯টি। অথচ এর বাজারমূল্য ৮৭০ টাকা। ভারতে উৎপাদিত স্কিন স্ট্যাপলার কেনা হয়েছে এক হাজারটি, যার মূল্য ধরা হয়েছে এক হাজার ১৮২ টাকা। বাজারে এর প্রকৃত মূল্য মাত্র ৮০০ টাকা।ভারতে উৎপাদিত পোলেন সফট মেস কেনা হয়েছে ৫০০টি, যার প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৫২৫ টাকা। অথচ বাজারে সবচেয়ে ভালোটার দাম মাত্র দুই হাজার ১০০ টাকা।

    পাকিস্তানে উৎপাদিত এভি ফিস্টুলা নিডেল (সুই) কেনা হয়েছে ১২০০টি। এর প্রতিটির দাম ধরা হয়েছে তিন হাজার ৭৪৩ টাকা করে। অথচ বাজারে সবচেয়ে ভালোমানের এই সুইয়ের দাম মাত্র ৭০ টাকা। ওই অর্থবছরে ঠিক এভাবেই কারসাজি করে ৪৫৫টি সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি কয় করে প্রতিষ্ঠানটি।

    স্বাস্থ্য অডিট অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে অডিট আপত্তির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে এমআরপি মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে এমএসজার সামগ্রী ক্রয় করায় ৪৬ লাখ ৮ হাজার ৪৮৮ টাকা, বাজারদর অপেক্ষা অধিক মূল্যে এমএসজার লিলেন সামগ্রী কেনায় ৩২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৪৭ টাকা এবং প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও গজ, ব্যান্ডেজ, তুলাসামগ্রী কেনায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৪১ লাখ ৮ হাজার ৬৪৬ টাকা।

    এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি হুকুমের গোলাম। আমাকে যা বলতো আমি তাই করতাম। তাছাড়া অডিট ও অফিসের কিছু বিষয় থাকে সেগুলোও তো দেখতে হয়।’

     

  • পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে নিহত ১০

    পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে নিহত ১০

    পাকিস্তানের পাল্টা হামলায় ভারতে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩২ জন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দিল্লির বিমান হামলার জবাবে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান যখন ভারী গোলাবর্ষণ শুরু করে তখন এই ঘটনা ঘটে।

    এদিকে ভারতের বিমান হামলায় পাকিস্তানে নিহত বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিশ করেছে।

    তবে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতের হামলায় পাকিস্তানে অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেনান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারত ছয়টি স্থানের ২৪টি স্থাপনায় বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

    পহেলগামের ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পরে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে ভারত। কিন্তু পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এ সময় ভারতের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।

     

  • ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহত ৭০

    ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহত ৭০

    পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি স্থানে ভারতীয় বাহিনী ২৪টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ৭০ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার এনডিটিভি অনলাইন এ তথ্য জানিয়েছে।

    সূত্র জানিয়েছে, অপারেশন সিন্দুর সামরিক প্রতিশোধের চেয়েও বেশি কিছু ছিল। সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত নয়টি স্থানে ২৪টি সুনির্দিষ্টভাবে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে ভারত প্রমাণ করেছে যে তারা আর সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ সহ্য করবে না, এমনকি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতাও সহ্য করবে না…।

    মুজাফফরাবাদ, কোটলি, বাহাওয়ালপুর, রাওয়ালকোট, চকস্বরী, ভিম্বর, নীলম উপত্যকা, ঝিলাম এবং চকওয়ালে পরিচালিত হামলায় ৬০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসী আহত হয়েছে।

    ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই স্থানগুলোকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

    লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের সাথে যুক্ত শিবিরগুলিকে লক্ষ্য করে এসব স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল।

  • পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘লজ্জাজনক’-ট্রাম্প

    পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘লজ্জাজনক’-ট্রাম্প

    পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের মধ্যে চলমান সংকট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতের পর পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের কয়েকটি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। হামলায় অন্তত আটজন নিহত এবং ৩৫ জন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।

    এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটা লজ্জার। ওভাল অফিসের দরজা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমরা এ খবর শুনেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, অতীতের ইতিহাসের ভিত্তিতে মানুষ বুঝতে পেরেছিল যে, কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। তারা (ভারত-পাকিস্তান) দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে।’খুব শিগগিরই চলমান সংকটের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    এদিকে পাকিস্তান ও পাকিস্তাননিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতের সামরিক অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ভারত ও পাকিস্তান—দুই দেশের কাছ থেকেই সর্বোচ্চ মাত্রার সংযত আচরণ প্রত্যাশা করেছেন তিনি।

    পাকিস্তানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিয়ন্ত্রণ রেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তজুড়ে ভারতের সামরিক অভিযানে মহাসচিব গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি উভয় দেশকে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।’ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত বিশ্ব নিতে পারবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

    মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তানের কোটলি, ভাওয়ালপুর, মুরিদকে, বাগ ও মুজাফ্ফরবাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এরই মধ্যে এর বদলা নিতে শুরু করেছে বলে দেশটির আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী জানিয়েছেন।

    গত ২২ এপ্রিল ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ৩৬ জনের প্রাণহানির পর থেকে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ হামলা চালাল ভারত। নয়াদিল্লি এই হামলার নাম দিয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কোনো স্থাপনায় হামলা চালায়নি।

    পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ এআরওয়াই নিউজকে বলেছেন, বেসামরিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাপুরুষেরা তাদের নিজস্ব আকাশসীমা থেকেই হামলা করেছে। তারা কখনো তাদের ঘর থেকেই বের হয়নি। তারা বেরিয়ে আসুক, আমরা সমুচিত জবাব দেব।’

    পাকিস্তান কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে–জানতে চাইলে খাজা আসিফ উত্তরে বলেন, পাকিস্তান প্রতিশোধ নেবে। তিনি আরও বলেন, তাদের হামলার তুলনায় অনেক বড় পরিসরে আমরা এর জবাব দেব। তারা শুধু বেসামরিক মানুষদের ওপর হামলা করেনি, বরং নিজেদের আকাশসীমা থেকে এ কাজ করেছে।’

     

     

  • পাকিস্তানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত

    পাকিস্তানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত

    পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের ওপর ক্ষেপনাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ভারত। মধ্যরাতে পাকিস্তানের মোট নয়টি জায়গায় হামলা চালানো হচ্ছে বলে ভারতের সরকার দাবি করেছে।

    এদিকে, ভারতের সেনাবাহিনী তাদের এক্স হ্যান্ডেলে দেয়া এক পোস্টে দাবি করেছে, ভারত শাসিত কাশ্মীরের পুঞ্চ-রাজৌরি এলাকার ভিম্বার গলিতে কামান থেকে গোলা নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তান। এর আগে ভারতের দুইটি বিমান এবং একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তান।

    গত ২২শে এপ্রিল ভারত শাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর দুই দেশের মধ্যে

    কয়েকদিন ধরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এ হামলা চালানো হলো।সবশেষ খবরে জানা যাচ্ছে, কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন এলাকা থেকে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বলেছে, দেশটির তিনটি স্থানে হামলা চালিয়েছে ভারত, এবং হামলায় দুইজন শিশুসহ এ পর্যন্ত মোট আট জন নিহত হয়েছেন।

    এদিকে, ‘অপারেশন সিন্দুর’ নাম দিয়ে চালানো এই হামলায় ‘সন্ত্রাসী স্থাপনা’কে নিশানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত। যেসব স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, সেখান থেকে ভারতের ওপরে ‘সন্ত্রাসী’ হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে ভারতের সরকার দাবি করেছে।

    তবে, পাকিস্তানের কোনও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয় নি বলে দাবি করেছে ভারত। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সময়মতো এ হামলার জবাব দেবে। তাদের বিমান বাহিনীর জেট বিমানগুলি ইতিমধ্যেই আকাশে রয়েছে।

    সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে যে পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দাবি করছে যে পাকিস্তান থেকেও ভারত শাসিত কাশ্মীরের পুঞ্চ-রাজৌরি অঞ্চলের ভিম্বর গলিতে গুলি চালানো হচ্ছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে দিনব্যাপী আম সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে দিনব্যাপী আম সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাটে আজ ৬ মে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো আম সম্মেলন ২০২৫।

    ম্যাংগো ডেভেলপমেন্ট ফোরামের আয়োজনে এই সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় ৩৫০ জন আম চাষি ও উদ্যোক্তা অংশ নেন। সম্মেলনে আম শিল্পের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ রপ্তানিমুখী পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ। জেলা প্রশাসক বলেন, চাঁপাইনবাব গঞ্জের আম শুধু দেশের গর্ব নয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনেরও বড় উৎস হতে পারে। তবে রপ্তানির জন্য প্রয়োজন নিরাপদ উৎপাদন, আধুনিক সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং।

    এই লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করবে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. তৌফিক আজিজ।

    তিনি বলেন, আম উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কৃষক ও উদ্যোক্তারা যদি সমন্বিতভাবে কাজ করেন, তবে রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশ আরও শক্ত অবস্থান নিতে পারবে। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ।

    সম্মেলনের আহ্বায়ক শহীদুল হক হায়দারী শহিদ মিয়া বলেন, আম আমাদের অর্থনীতির এক সম্ভাবনাময় খাত। কিন্তু এই খাতে কাঙ্ধি-সঢ়;ক্ষত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন আমরা একযোগে প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় মনোযোগ দেব। আজকের সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হলো সেই সহযোগিতার পথ সুগম করা। বক্তব্য রাখেন ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আহসান হাবীব।

    তিনি বলেন, আম রপ্তানিতে বড় বাধা হয়ে আছে কীটনাশকের অব-শিষ্টাংশ, মানসম্মত প্যাকেজিংয়ের অভাব, হ্যান্ডলিংয়ের দুর্বলতা এবং শীততাপ নিয়ন্ত্রিত গুদাম ও পরিবহন সুবিধার সীমাবদ্ধতা। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রয়োজন সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে যুগোপযোগী অবকাঠামো গড়ে তোলা।

    বক্তারা রপ্তানিমুখী জোন চিহ্নিতকরণ, দক্ষ রপ্তানিকারক তৈরি, আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্যাকিং হাউস স্থাপন এবং রপ্তানি সংক্রান্ত নিয়মনীতি সহজীকরণের ওপর জোর দেন।

    আম উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলন শুধু অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি সুযোগই নয়, বরং দেশের আম শিল্পকে বিশ্ব বাজারে এগিয়ে নিতে একটি মাইলফলক হয়ে উঠবে।

    তারা বলেন, আমের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে চাষি, উদ্যোক্তা, গবেষক ও প্রশাসনের সমন্বয়ে একযোগে কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে, তবেই রপ্তানির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।