Blog

  • গাজীপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহর গাড়িতে হামলা

    গাজীপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহর গাড়িতে হামলা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।রোববার (৪ মে) সন্ধ্যায় এ হামলা হয় জানিয়ে এনসিপির একাধিক নেতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

    দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে লিখেছেন, হাসনাতের গাড়িতে ১০-১২ জন সন্ত্রাসী গাজীপুর এলাকায় হামলা করেছে। গাড়ির গ্লাস ভেঙে গেছে, হাত রক্তাক্ত হয়েছে। আশপাশে যারা আছেন হাসনাতকে প্রটেক্ট করুন।

    এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাইয়ের গাড়িতে হামলা হয়েছে।’তবে ঠিক কী কারণে তিনি গাজীপুরে গিয়েছিলেন, কারাই বা হামলা করেছে তাৎক্ষণিক তা জানা যায়নি।

  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসা হতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাসা হতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

    মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ঢাকার বনানীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার রাত ও শনিবার দিনে অভিযান শেষে তাদের রাত পৌনে ৮টায় থানায় হাজির করা হয়। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানুল্লাহ শনিবার (৩ মে) রাত ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি উজ্জ্বল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মাসুদ রানা ও সাফি মীর, ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী আবিদ হোসেন ও হৃদয় হোসেন। তাদের সকলের বাড়ি সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।

    জানা যায়, ১৫ এপ্রিল দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের চান্দর গ্রামের চারুশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  ৭ দিনের রিমাণ্ড চেয়ে রোববার দুপুরে তাদের মানিকগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দুদিনের টানা অভিযানের পর আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। মানবেন্দ্র ঘোষের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার এই ৫ জনকে রোববার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

     

  • দিল্লিতে ৪৭ বাংলাদেশি আটক

    দিল্লিতে ৪৭ বাংলাদেশি আটক

    ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে ৪৭ বাংলাদেশি আটক করেছে। শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই এ তথ্য জানিয়েছে। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জ) সঞ্জয় কুমার জৈন জানিয়েছেন, এই অভিযানটি অবৈধ অভিবাসীদের, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের লক্ষ্য করে একটি বিশেষ অভিযানের অংশ ছিল।

    জৈন বলেন, দিল্লি পুলিশ অবৈধ অভিবাসীদের, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানের সময়, দক্ষিণাঞ্চলীয় রেঞ্জ, বিশেষ করে দক্ষিণ জেলা, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    এএনআই জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের নেটওয়ার্ক পরিচালনা মূল অভিযুক্তের নাম চাঁদ মিয়া বাংলাদেশের নাগরিক। সে এজেন্টদের নিয়ে অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতো যারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের বিভিন্ন শহরে বসতি স্থাপনে সহায়তা করতো।

     

  • টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

    টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

    টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে মিজানুর রহমান (৪০) নামের এক আওয়ামী লীগের নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২ মে) রাতে উপজেলার ভাইঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত মিজানুর রহমান উপজেলার নরিল্লা সান্ডাইল পুর এলাকার মৃত মান্নানের ছেলে মিজানুর রহমান। তিনি ধোপাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

    স্থানীয়রা জানান, এতদিন স্থানীয় মসজিদ, গোরস্থান, মাদরাসা এবং ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান। স্থানীয় বায়তুল আমান নুরানি ও হাফিজিয়া মাদরাসার দেড় শতাংশ জমি নিয়ে তার সঙ্গে বিরোধ ছিল বিএনপি নেতা আলামিনের। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মিজানুর রহমান একটি দোকানে চা পান করতে যান। এসময় আলামিন তাকে ডেকে নিয়ে অন্য স্থানে যান। পরে আলামিন, সাদিকুল, জহুর আলী ও তাদের সহযোগীরা মিজানুর রহমানকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন।

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

    এ বিষয়ে ধোপাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল সামাদ আজাদ জানান, মিজানুর রহমানকে রুমের ভেতরে নিয়ে শাটার নামিয়ে হত্যা করে মসজিদের সামনে ফেলে যায়।

    ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহিদুল্লাহ বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল শনিবার শহরের শহীদ সাটু অডিটোরিয়ামে জেলা পুলিশ আয়োজিত ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে সুধী সমাবেশে’ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম বক্তব্য দেয়ার সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক লতিফুর রহমান বক্তব্য প্রদানে বাধা এবং অসৌজন্যমূলক আচরন করেন।

    শেষ পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম ওই সমাবেশে বক্তব্য রাখতে পারেন নি। সমাবেশে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি, ছাত্র-জনতা উপস্থিত থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

    সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি এমন বিরুপ আচরন ও কটাক্ষের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং স্বরাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দিন। প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন স্থানের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদে সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২৬ এপ্রিল/২৫ তারিখ শনিবার বিকেল ৪ টার সময় শহরের শহীদ সাটু অডিটোরিয়ামে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধী সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তরিকুল আলম, সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক), জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-কে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ও সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান।

    এই ঘটনার প্রতিবাদে এই প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলন। ‘আমরা ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী ও সকল মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। পাশাপাশি জুলাই অভুত্থানে শহীদদের মাগফেরাত কামনা করছি’।

    সম্মেলনে আরও বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে সুধী সমাবেশের আয়োজন করে জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান।

    এই সুধী সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্র-জনতা ও অন্যান্য দলের নেতা সহ সুধীবৃন্দ। তাছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাংগঠনিক কমান্ডের প্রতিনিধি বীর মুক্তিযোদ্ধা তরিকুল আলম।

    বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম, টেলিভিশন, ফেসবুক হতে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক) মোঃ তরিকুল আলম বক্তব্য দিতে গিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টকে না মেলানোর আহ্বান জানান।

    এসময় সামনের সারিতে বসা জামায়াত নেতা লতিফুর রহমান উত্তেজিত হয়ে আঙুল উচিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা তরিকুল আলমের দিকে তেড়ে আসেন।

    চিৎকার করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে জোরপূর্বক বক্তব্য বন্ধ করতে বাধ্য করেন। তরিকুল আলম তার বক্তব্য শেষ করার জন্য অনুরোধ জানালেও শেষ পর্যন্ত কোন বক্তব্য রাখতে পারেন নাই এবং জেলা পুলিশ তখন নীরব ভূমিকা পালন করেন।

    বিষয়টি আমাদের জন্য লজ্জাজনক এবং হতাশাব্যঞ্জক। এই ঘটনার পরপরই ডিআইজি সাহেবকে বিষয়টি জানিয়ে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আপনাদের জানাতে চাই-মুক্তিযুদ্ধ ও অভুত্থান এক নয়।

    এই প্রতিবাদ সভা ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধী সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এরূপ বিরূপ আচরণ ও কটাক্ষের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে যেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এরূপ বিরূপ আচরণ ও কটাক্ষ করা না হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

    এছাড়া, অমুক্তিযোদ্ধা খাইরুল ইসলাম কর্তৃক ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিথ্যা ও অসত্য তথ্য প্রকাশ ও ২৮/৪/২০২৫ তারিখ নয়াদিগন্ত পত্রিকায় এবং দিগন্ত টেলিভিশনে মিথ্যা ও অপ্রাসংগিক সাক্ষাতকার প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

    এছাড়াও খাইরুল ইসলাম ২৮/০৪/২০২৫ ইং তারিখ নয়াদিগন্ত পত্রিকা ও দিগন্ত টেলিভিশনে ১৯জন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অত্যন্ত অশালীন, আপত্তিকর, মিথ্যা ও বানোয়াট ভাষা ব্যবহার করে প্রতিবেদন প্রকাশ ও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এই সংবাদ সম্মেলন থেকে তারও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

  • সাটুরিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে সভাপতিসহ বিএনপির ৩ জনকে শোকজ

    সাটুরিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে সভাপতিসহ বিএনপির ৩ জনকে শোকজ

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দরগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদককে শোকজ করেছে দলটি। শুক্রবার (২ মে) উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আজাদ বিপ্লব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিশ ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকারের যৌথ স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    শোকজ পাওয়া নেতারা হলেন- দরগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবুল, দরগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির সহছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ফয়জুল করিম শামীম।

    বিজ্ঞপ্তিতে তিন নেতাকে ৩ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদেরকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হলো।

     

  • স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

    স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

    ৪৫০ কিলোমিটার পাল্লার ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সফল উৎক্ষেপণ করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া অ্যাফেয়ার্স উইং শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এই উৎক্ষেপণের লক্ষ্য ছিল সেনাদের অপারেশনাল প্রস্তুতি নিশ্চিত করা এবং ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নত নেভিগেশন সিস্টেম ও উন্নত  কৌশলের বৈশিষ্ট্যসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত পরামিতি যাচাই করা।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছ, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং অন্যান্য সামরিক প্রধানরা দেশের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার উপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন।

    আইএসপিআর সফল উৎক্ষেপণের একটি ভিডিওও প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এমন সময় হলো যখন, ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়।

    এ ঘটনার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পাকিস্তানের ওপর আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত।

     

  • আওয়ামী লীগের সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে: নাহিদ

    আওয়ামী লীগের সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে: নাহিদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের নয় মাস পরও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ দাবিতে রাজপথে নেমে আসতে হচ্ছে, যা দুঃখজনক। এটা আমাদের সামষ্টিক ব্যর্থতা। আওয়ামী লীগকে বিচার ও সংস্কারের জন্যই মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। আওয়ামী লীগের বিচার চলাকালেই তাদের সব রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে।রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শুক্রবার (২ মে) বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানসহ গত ১৬ বছরের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার করতে হবে। আওয়ামী লীগ গত ১৬ বছরে সবগুলো আন্দোলনে গণহত্যা চালিয়েছে। আলেমরা মাঠে নেমেছে তাদেরকে হত্যা করেছে, কোটাবিরোধী আন্দোলন, ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন, এমনকি নিরাপদ সড়কের আন্দোলনেও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে।তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেতে ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলনে নেমেছিল। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে দেশের প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় মঞ্চ তৈরি হবে। এ দাবিতে এনসিপির সদস্যরা দেশের প্রতিটি গ্রামে যাবে।

    এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, “আওয়ামী লীগ কোনো রাজনীতির দল নয়, এটি সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের গ্রেপ্তার করে যারা জামিনে মুক্তি দিচ্ছে, মামলা বাণিজ্য করছে, তাদেরকেও আমরা সতর্ক করে দিতে চাই।নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে এই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। অথচ এই নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

    আপনাদেরকে সতর্ক করে বলতে চাই, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে, নৌকা মার্কাকে ব্যান করতে হবে। আর আওয়ামী লীগের বিচার চলাকালে তাদের সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করতে হবে।”

    সমাবেশে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারে কাছে দুটি বিষয় চেয়েছি। বিচার আর সংস্কার। এ দুটো ছাড়া নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। শহীদ পরিবারগুলো বলছে, বিচার আর সংস্কার ছাড়া মাঠ ছাড়া যাবে না। আমরাও জুলাইয়ের মতো মাঠে থাকবে।”

    সমাবেশে আব্দুল হান্নান মাসুদ বলেন, “৮ মাস পরও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের জন্য রাজপথে দাঁড়াতে হলো। শেখ মুজিব গণহত্যা চালিয়েছে। দুর্ভিক্ষ হয়েছে। ১৯৯৬ সালে হাসিনা পট্টি বেধে ভোট চেয়েছে। পাস করে আলেম ওলামাদের ওপর নির্যাতন শুরু করে। রাজনৈতিক কারণে আলেম ওলামাদের হত্যা করেছে। ঘর থেকে তুলে নেওয়া হতো আওয়ামী লীগ আমলে, পরে লাশ পাওয়া যেতো।

    আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে কিনা, এ সিদ্ধান্ত প্রধান উপদেষ্টার নিতে পারবে না, সিদ্ধান্ত নেবে শহীদ পরিবার। আহতদের পরিবার। রাজনৈতিক দলগুলোকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।”

    জুলাই শহীদ মুগ্ধের ভাই সিগ্ধ বলেন, “আপনারা কি আওয়ামী লীগকে ফেরত চান? গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রায় দিয়েছে আওয়ামী লীগের ফিরে না আসার। যারা শহীদ হয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছে তারা সিদ্ধান্ত নেবে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের বিষয়।”

    এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা বলেন, “আমরা আজ সবাই একত্রিত হয়েছি আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে। যে দল বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার মানুষকে গুম করেছে, খুন করেছে-কোনো কন্যা জানে না, তার পিতা এখনো বেঁচে আছেন না মারা গেছেন। রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গেছে, এখনো জানে না পিতা কোথায়। জুলাই-আগস্টে কয়েকদিনের ব্যবধানে হাজার হাজার মানুষকে নির্মমভাবে আহত করেছে, পঙ্গু করেছে, অন্ধ করেছে। সারা জীবনের জন্য তারা কর্মক্ষমতা হারিয়েছে—সেই দল নাকি নির্বাচন করবে!”

    যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, “আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের দুর্ভিসন্ধি বাস্তবায়ন হবে না। যতদিন ছাত্র-জনতা থাকবে, এনসিপি থাকবে ততদিন আওয়ামী লীগ ফিরে আসতে পারবে না। এদেশে ভারতপন্থি রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। আগামী নির্বাচনে নৌকার ব্যালট থাকতে পারবে না।”

    সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম বলেন, “গণ-হত্যাকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকার থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আমরা টালবাহানা দেখতে পাচ্ছি, এটা লজ্জাজনক। আমাদের হাইকোর্ট দেখাবেন না। হাইকোর্ট দেখে জুলাই বিপ্লব হয়নি।”

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন বলেন, “খুনি হাসিনাকে আমরা বিদায় করেছি। এই বিজয় আমাদের ধরে রাখতে হবে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু এই বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগ আর কখনো রাজনীতি করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।”

    যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ উদ্দীন মাহাদী বলেন, “খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশে এনে ফাঁসিতে ঝোলাতে হবে। এছাড়া মৌলিক সংস্কার ছাড়া আবারও একটি নির্বাচনের দিকে যাওয়া হলে শহীদদের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি করা হবে।”

    এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব হুমায়রা নূর বলেন, “আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের মানুষকে শোষণ করেছে। দেশের মানুষকে তারা ভোট দিতে দেয়নি। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তার জন্য অবশ্যই দুর্নীতিপরায়ন, খুনি-গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। দিল্লির ‘প্রেসক্রিপশনে’ বাংলাদেশ আর চলবে না।”

    এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে ন্যূনতম টালবাহানা করবেন না। মৌলিক সংস্কারের আগে কোনো নির্বাচন নয়।”

    এনসিপির সংগঠক রফিকুল ইসলাম বলেন, “গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হতে হবে। এটাই হবে এই সরকারের অন্যতম সংস্কার।”

    এনসিপির সংগঠক মোস্তাক আহমেদ শিশির বলেন, “এই দেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে, সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ৫ আগস্টই দিয়ে দিয়েছে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হলে জুলাই যোদ্ধারা তা প্রতিহত করবে। সংস্কারের আগে কোনো নির্বাচন হবে না।”

    পৌনে পাঁচটার দিকে সমাবেশে যোগ দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঞ্চে তখন ছিলেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।

  • বিস্তারিত ফজলুর রহমানের মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত

    বিস্তারিত ফজলুর রহমানের মন্তব্য একান্ত ব্যক্তিগত

    সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আ. ল. ম. ফজলুর রহমানের মন্তব্য তার একান্ত ব্যক্তিগত। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আজ শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার স্পষ্ট করে বলতে চায় যে ফজলুর রহমানের ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে করা সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো কেবল ব্যক্তিগতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই মন্তব্য বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন ঘটায় না এবং তাই সরকার কোনোভাবেই এই ধরনের বক্তব্যকে সমর্থন করে না।

    একইসঙ্গে বাংলাদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট সকলকে ফজলুর রহমানের ব্যক্তিগত মন্তব্যের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারকে যুক্ত করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশ সকল জাতির সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতির প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    উল্লেখ্য, পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে স্বাধীন তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ. ল. ম. ফজলুর রহমান।

  • ‘যদি কিন্তু অথবা ছাড়া আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে

    ‘যদি কিন্তু অথবা ছাড়া আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আজ শুক্রবার (২ মে) মাঠে নামছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে এনসিপির ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে সমাবেশটি আয়োজিত হবে।

    সমাবেশের আগে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে তিনি লেখেন, ‘যদি কিন্তু অথবা ছাড়া গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে অনুষ্ঠেয় বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিন। ’

    সমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান হাসনাত আবদুল্লাহ।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১ মে) হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের ভেরি-ফায়েড ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, চিন্ময়ের জামিনকে কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করি না। চিন্ময়ের ঘটনার শুরু থেকেই ভারতীয় আধিপত্যবাদ এ দেশের ওপর অন্যায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে। ’