Author: MD Nazrul Islam

  • জনকথা’র সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান কবি হাফিজুল ইসলাম লস্কর

    জনকথা’র সিলেট বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান কবি হাফিজুল ইসলাম লস্কর

    সিলেট প্রতিনিধিঃ জাতীয় সাপ্তাহিক আজকের জনকথা পত্রিকার সিলেট বিভাগীয় প্রধান হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন কবি হাফিজুল ইসলাম লস্কর।

    ইতিপূর্বে কবি হাফিজুল ইসলাম লস্কর জাতীয় দৈনিক দিনপ্রতিদিন, দৈনিক সবুজ বাংলা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    বর্তমানে সাহিত্য পত্রিকা সময়ের আলাপের সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক বিকাল বার্তা’র স্টাফ রিপোর্টার এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন।

    সংবাদ বিষয়ক যে কোন তথ্য দিতে তিনি সকল মহলের সহযোগীতা কামনা করছেন। যোগাযোগঃ সাপ্তাহিক আজকের জনকথা, শাহজালাল উপশহর সিলেট।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পর্দাশীল নারীদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পর্দাশীল নারীদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বিগত ১৬ বছর যাবৎ পর্দানশীল নারীদের নাগরিকত্ব বঞ্চিত করে রাখার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।  বুধবার বেলা ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পর্দানশীল নারী সমাজের ব্যানারে এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন হয়।

    এর আগে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে পর্দানশীল নারীরা। পরে একই স্থানে এসে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

    ‘বৈষম্যহীন বাংলায় পর্দানশীল নারীদের সাথে বৈষম্য কেন’ শ্লোগানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিস চত্বরে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পর্দানশীল নারী সমাজের নেতৃবৃন্দ মুসাম্মদ তৌফিয়া খাতুন, আহমদ নুরজাহান মতি, মাখসুদা খাতুন, সাহেরা খাতুনসহ অন্যরা।

    এসময় বক্তারা ১৬ বছর যাবৎ পর্দানশীল নারীদের নাগরিকত্ব বঞ্চিত করে রাখার প্রতিবাদ জানান এবং এর সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবী জানান। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে নারীদের সম্মানের সাথে নাগরিকত্ব দেয়ার জোর দাবীও জানান বক্তারা।পর্দানশীল নারীদের চেহারা নয়, ফিঙ্গার প্রিন্টের ম্যাধ্যমে পরিচয় যাচাইয়ের দাবি জানান।

    বক্তারা ফিঙ্গার প্রিন্টের ম্যাধ্যমে পর্দনশীল নারীদের পরিচয় যাচাইয়ের দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। শেষে নির্বাজন কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন নারী নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিগত ১৬ বছর ধরে যে সমস্ত সাবেক ইসি কর্মকর্তা পর্দানশীন নারীদের নাগরিকত্ব আটকে রেখে মানবাধিকার বঞ্চিত করেছেন, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    পর্দানশীন নারীদের ধর্মীয় ও প্রাইভেসির অধিকার অক্ষুন্ন রেখে
    অবিলম্বে এনআইডি ও শিক্ষা অধিকার প্রদান করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, সকল ক্ষেত্রে পরিচয় শনাক্তে চেহারা ও ছবি মেলানোর পদ্ধতি বাতিল করে আধুনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করতে হবে।

    এছাড়া পর্দানশীন নারীদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার সময় নারীদের নিয়োগ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান। বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন স্থানের শত শত পর্দানশীল নারীরা।

  • আওয়ামী পতাকাতলে বিক্ষোভ করলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে

    আওয়ামী পতাকাতলে বিক্ষোভ করলে আইনের মুখোমুখি হতে হবে

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টা কে সুযোগ দেব না। খুনিরা কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশ করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ।

    বুধবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন। প্রেস সচিব লেখেন, আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো ন্যায্য বিক্ষোভ বন্ধ বা নিষিদ্ধ করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমাবেশ করার স্বাধীনতা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি।

    আজ সকালে গণমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সাড়ে পাঁচ মাসে কেবল ঢাকায় কমপক্ষে ১৩৬টি বিক্ষোভ হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিক্ষোভের ফলে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবুও, সরকার কখনো বিক্ষোভ-সমাবেশের ওপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করেননি।’

    জুলাই-আগস্টের ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায় যে আওয়ামী লীগের কর্মীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যায় অংশ নিয়েছিল। তাদের পরিচালিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ হয়েছেন কয়েকশ তরুণ শিক্ষার্থী, এমনকি নাবালক শিশুরাও। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় গণহত্যা, খুন ও তাণ্ডবের জন্য দায়ী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের দলীয় সরকার।

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম আরও লেখেন, ‘গতকাল কয়েকজন বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মীর সাক্ষাৎকারের বরাতে নিউইয়র্কভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, শেখ হাসিনা তার ১৬ বছরের একনায়কত্বের শাসনামলে সরাসরি হত্যা এবং জোরপূর্বক গুমের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি একটি চোরতন্ত্র (ক্লেপ্টোক্রেসি) এবং খুনি শাসনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

    নিরপেক্ষ ও স্বাধীন একটি প্যানেল বলছে, শেখ হাসিনার তত্ত্বাবধানে তার ঘনিষ্ঠরা ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। দুর্নীতিগ্রস্ত চুক্তি থেকে কোটি কোটি ডলার চুরির দায়ে হাসিনার পরিবারের বিরুদ্ধে এখন তদন্ত চলছে।

    বাংলাদেশের জনগণ এই খুনিদের যে কোনো প্রতিবাদ-সমাবেশের বিরুদ্ধে কঠিন জবাব দেবে। আমরা দেশকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো ধরনের প্রচেষ্টাকে সুযোগ দেব না। আওয়ামী লীগের পতাকাতলে কেউ যদি অবৈধ বিক্ষোভ করার সাহস করে তবে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।

     

     

     

  • রাস্তা পুনরুদ্ধারে ৪ ঘন্টা ধরে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

    রাস্তা পুনরুদ্ধারে ৪ ঘন্টা ধরে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

    মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গোলড়ায় তারাসীমা অ্যাপারেলস লিমিটেড এর সামনে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করছে স্থানীয়রা।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০ টা থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধনে গোলড়া গ্রামের কয়েকশত মানুষ মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছে। গোলড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ ও সাটুরিয়া থানা পুলিশ যৌথভাবে এলাকাবাসীর দাবী পূরণে মৌখিক আশ্বাস দিলেও স্থানীয়রা তাদের দাবি পুরণে অনড় রয়েছে।

    এলাকাবাসীরা জানান,  স্থানীয় কিছু  প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও তারাসিমা অ্যাপারেলস লিমিটেড এবং পেয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের দুটি কোম্পানি জোড়পূবর্ক তাদের একমাত্র চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে।

    তারা আরো জানান, সড়কটি বন্ধ হওয়ার কারণে রোগী এবং কৃষি পণ্য নিয়ে তারা বাজারে যেতে পারছেন না। মনির হোসের নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এ রাস্তাটি আমাদের চলাচলের এক মাএ রাস্তা ছিলো। কিন্ত স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারা মিলে টাকার বিনিময়ে রাস্তাটি কোম্পানির লোকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। সুযোগ বুঝে কোম্পানী রাতারাতি রাস্তাটির উপরে পাঁকা দেয়াল তুলে দিয়েছে। এ রাস্তা অবমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আমরা মহাসড়কে মানববন্ধন চালিয়ে যাবো।

    গোলড়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুপল চন্দ্র দাস বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের তারাসিমা অ্যাপারেলস ও পেয়াল ইঞ্জিনি-য়ারিংয়ের সীমান্তদ্বার ঘেঁষে এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য একটি রাস্তা ছিলো। কিন্তু কোম্পানী স্থানীয় ব্যক্তিদের সাহায্যে ওই জমি কিনে নিয়ে ফ্যাক্টরী নির্মাণ করলে পায়ে হাঁটার রাস্তা বন্ধ করে দেয়।

    এ সময় সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, বেলা ১০ টা থেকে গোলড়া গ্রামের কয়েকশত মানুষ মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। দুই পক্ষের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা চলছে, আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

    অপরদিকে, অবরোধকারীরা জানান, যতক্ষণ না  তাদের সড়ক পুন-রুদ্ধার  হবে, ততক্ষণ আমরা মহাসড়ক ছাড়বো না। এ দিকে দীর্ঘ সময় মহাসড়কে মানববন্ধন থাকার কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে মহাসড়কের দুই পাশে ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে ।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দুপুর ২ টার দিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে অবরোধ চলমান রয়েছে।

  • ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদপিষ্ট হয়ে নিহত ১৮

    ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদপিষ্ট হয়ে নিহত ১৮

    ভারতে মহাকুম্ভ মেলায় পদপিষ্ট হয়ে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অনেকে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে কয়েক লাখ মানুষ পবিত্র স্নান করতে সেখানে জড়ো হলে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) একটি বিশেষ ইউনিট মোতায়েন করে উদ্ধার প্রচেষ্টা চলছে।

    উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে, অতিরিক্ত ভিড়ের কারণেই পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ফলে আচমকা ধাক্কাধাক্কি শুরু হওয়ায় এই দুর্ঘটনার ঘটে। নিহত ও আহতদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য ১২ বছর অন্তর এই মহাকুম্ভ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবছর এই মেলায় ৪০ কোটি মানুষের আগমন ঘটতে পারে বলে ভারত সরকার ধারণা করেছিল। মকর সংক্রান্তির ঠিক একদিন আগে, ১৩ জানুয়ারি মেলা শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দিন প্রথম ‘শাহী স্নান’ দিয়ে শুরু হয়েছে কুম্ভ মেলার ধর্মীয় রীতি পালন। এবছর মেলা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী নাগা সন্ন্যাসীরাই প্রথম শাহী স্নান করার অধিকারী। তারপর অন্যান্য সাধু-সন্ত এবং সাধারণ মানুষ গঙ্গা, যমুনা আর বর্তমানে অদৃশ্য সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থলে স্নান করেন।

     

     

  • ফেব্রুয়ারি হরতালের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    ফেব্রুয়ারি হরতালের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পদত্যাগ ও ‘অপশাসন-নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারি ও ১৮ই ফেব্রুয়ারি হরতালের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার রাতে দলটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

    এতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এবং হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়নে পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকেই মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

    ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী পহেলা ফেব্রুয়ারি শনিবার থেকে ৫ই ফেব্রুয়ারি বুধবার পর্যন্ত দাবির লিফলেট বা প্রচারপত্র বিলি করবে দলটি। ছয়ই ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার দেশে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ১০ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।

    আর ১৬ই ফেব্রুয়ারি রোববার অবরোধ এবং ১৮ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক ‘কঠোর’ হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ অন্যান্য মামলা প্রত্যাহার এবং ‘প্রহসনমূলক বিচার’ বন্ধেরও দাবি জানানো হয়।

    এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শেখ হাসিনাকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ক্ষমতাচ্যুত দলটি।

  • মানিকগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের অডিও ভাইরাল!

    মানিকগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের অডিও ভাইরাল!

    মানিকগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।অডিও রেকর্ডটি মানিকগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের ইনভে-স্টিগেশন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাকের সঙ্গে এক ইটভাটা মালিকের বলে জানা গেছে।

    কথোপকথনে ১৮ লাখ টাকা ঘুস লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।ভাইরাল অডিও কথোপকথনে শোনা যাচ্ছে, একজন ইটভাটামালিক ঘুস দেওয়া টাকা ফেরত চাচ্ছেন। ভাটার মালিক দীর্ঘদিন পার হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স না হওয়ায় জন্য আব্দুর রাজ্জাককে দোষারোপ করেন।

    এসময় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমার কোনো গাফিলতি নেই। আগে আমরা জেলা থেকে লাইসেন্স নবায়ন করেছি। বর্তমানে ঢাকা জেলার ডাইরেক্টর নিজে নবায়ন করছে। এজন্য দেরি হচ্ছে।’

    একপর্যায়ে ভাটামালিক আরেক ভাটার লাইসেন্সের জন্য ১২ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন কি-না জানতে চান। ঘুস নেওয়া টাকা ফেরত দিয়েছেন বলে স্বীকার করেন আব্দুর রাজ্জাক।

    এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যার সঙ্গে কথা হয়েছে তিনি কোনো ইটভাটার মালিক নন। তবে তিনি মধ্যস্থতাকারী (দালাল) বলে স্বীকার করেন।

    এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ড. ইউসুফ আলী বলেন, বিষয়টি স্পর্শ কাতর। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবহিত করা হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নেবেন।

  • সামন্ত যুগের বর্ণাঢ্য স্মৃতি; মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ীর রুপকথা !

    সামন্ত যুগের বর্ণাঢ্য স্মৃতি; মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়ীর রুপকথা !

    সবুজ শ্যামল বাংলার আনাচে কানাচে কালের স্বাক্ষী হয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অজস্র প্রত্নতত্ত্বনিদর্শন। যা দেখে সহজেই অনুমান করা   যায় কত ধন ও ধান্যের বিপুল সমৃদ্ধি ছিল এই বাংলা। অতীতের এই রজতকৃর্তিগুলো হতে পারে আমাদের ভবিষ্যৎ মহিমার দিগদর্শন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে উঠা জমিদারদের প্রাসাদোনুপম দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য শৈলী, বহু ব্যয়ে নির্মিত এক একটি কালের স্বাক্ষী। মানিকগঞ্জের বালিয়াটি জমিদার বাড়িও সেই নিদর্শন গুলোর অন্যতম। কালের স্রোতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া জমিদার শ্রেণীর সেই ভোগবিলাসের নিদর্শন যা ধ্বংসস্তুপের মাঝে সমহিমায় দাড়িয়ে আছে।

    অশীতিপর বিগতযৌবনা নারীকে দেখে কেউ বুঝতে পারে না যৌবনে তার কত রূপ ছিল।  এ জমিদারবাড়ীর গল্পও তেমনি। পাচটি জমিদার বাড়ির গল্পে মোড়া বালিয়াটি জমিদার বাড়ি।

    ধ্বংশ স্তুপের চিলেকোঠায় দাড়িয়ে এই চারটি বাড়ীই জানান দেয়া ইতিহাস প্রেমীদের-অনুসন্ধানের কৌতুহল। তার মধ্যে একটি বাড়ির একটি অংশ আজও অক্ষয় গৌরবে দাড়িয়ে একদা বীরন্যদের শৌর্য, সমৃদ্ধি ও ভোগ বিলাসের মহাকাব্যের স্বাক্ষী দেয়।

    মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটিতে ভাগ্যের অন্বেষণে ঘিওর থানাধীন বিনোদপুর থেকে আসেন মহেশরাম সাহা। তিনি এখানেই এক পান ব্যবসায়ীর মেয়েকে বিয়ে করে থেকে যান। মহেশরামের ছেলে ঘনেশরাম পরবর্তীতে লবণের ব্যবসা করে বেশ উন্নতি করে।

    পরবর্তীতে ঘনেশরামের চার ছেলের মধ্যে একজন টাঙ্গাইল জেলার আটিয়া ছাওয়ালী গ্রামে, একজন টাঙ্গাইলের নাগরপুরে, অপর জন মানিকগঞ্জের বিনোদপুরে চলে যায়। বাকি ছেলে গোবিন্দরাম বালিয়াটি তে বাবার সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যায়। গোবিন্দরামের চার ছেলে আনন্দরাম, দধিরাম, পন্ডিতরাম ও গোপালরাম। এই চার ভাই থেকেই বালিয়াটিতে জমিদারিত্ব ও জমিদার বাড়ির সৃষ্টি হয় বলে ধারনা করা হয়। আনুমানিক আঠার শতকের প্রথম দিকে পাচটি জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়। গোলাবাড়ি, পূর্ববাড়ি, পশ্চিমবাড়ি, মধ্যবাড়ি ও উত্তর বাড়ী। এই পাঁচ বাড়ীর জমিদাররা পৃথক পৃথক তাদের পরগণা ও জমিদারি পরিচালনা করতেন। পাঁচ বাড়ির মধ্যে পশ্চিম বাড়ির কিছু ধ্বংসাবেশ এখনও লক্ষ্যনীয় যা নির্মান শৈলীতে কালের দর্শণ। তবে অনেক কিছু স্মৃতির অতলে হারিয়ে গেছে।

    পূর্ব বাড়ীর জমিদার ও তার দর্শন নিরুপনেই মূলত: আজকের লেখা। পূর্ব বাড়ি জমিদারের পূর্ব পুরুষ দধিরাম। দধিরামের দুই ছেলে নিত্যানন্দ ও রায়চাঁন। দুই ভাই এজমালীতে লবণের ব্যবসা করতেন। পরে পৃথকভাবে সিরাজগঞ্জ,  নারায়ণগঞ্জ, ঝালকাঠি, নলছিটা, ললিতগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গায় লবণ, সুপারি, চাল ইত্যাদি দ্রব্যের ব্যবসায় বিপুল অর্থের মালিক হন। ক্রমে ক্রমেই তাদের ঐশ্বর্য বাড়তে থাকে এবং তারা জমিদারি ও তালুকদারি কিনতে আরম্ভ করে। এই দুই ভাই থেকেই পূর্ববাড়ি ও পশ্চিমবাড়ি জমিদারি শাসন শুরু হয়। তাদের বংশধরদের নানা কীর্তি ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।

    রায়চাঁন দুই বিয়ে করেন। তিনি পূর্ব বাড়ির জমিদারির দশ আনা অংশ প্রথম স্ত্রীর সন্তান আর ছয় আনা দ্বিতীয় সন্তানদের দান করেন।

    দশ আনীর জমিদার বাড়িটিই বর্তমানে দেশ বিদেশের পরিব্রাজকদের মন হরণ করে। তেরশত বঙ্গাব্দের পহেলা বৈশাখ এই বাড়ির জমিদারগণ গৃহে প্রবেশ করেন বলে জানা যায়। ছয় আনী জমিদার বাড়ির কোন অস্তিত্ব নেই। দশ আনী জমিদার বাড়ি পাঁচশত আটাশি শতাংশ ভূমির উপরে মূল সৌধমালা।

    রাজচন্দ্র বড় তরফ, ঈশ্বরচন্দ্র মাঝার তরফ, ভগবান চন্দ্র নয়াতরফ, ভৈরবচন্দ্র ছোটতরফ এই চারজনের জন্য নির্মান করা হয় প্রাসাদোনুপম ভবন। লন্ডন ও কলিকাতা থেকে আনা নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে গড়ে তোলা হয় তিন তলা ও দ্বিতলা বিশিষ্ট অট্টালিকা। যা আজও অবিকৃত অবস্থায় দাড়িয়ে আছে।

    বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ঘিরে স্থানীয় ভাবে লোকমুখে নানা কথা চালু রয়েছে। যার বেশীর ভাগ শোষণ আর ত্রাসের। আজ হতে এক দেড়শত বছর আগে এ বাড়ির সামনে দিয়ে কেউ জুতা পায়ে বা ছাতা মাথায়, এবং কি ভাল জামা পরে চলাচল করতে পারতো না। আদেশ অমান্য করার সাধ্য ছিল না কারও, লাঠিয়ালদের খড়গ ছিল বড়ই সজাগ। তাছাড়া খাজনা আদায়ে ছিল বড়ই নির্মম। ব্রিটিশদের চোখে এটাই ছিল তাদের সাফল্য। আর এ কারণে বালিয়াটি জমিদারদের দেয়া হয় রায় বাহাদুর খেতাব। পূর্ববঙ্গে প্রতাপশালী হিন্দু জমিদারদের মধ্যে বালিয়াটি রায় বাহাদুররা বিত্ত প্রতিপত্তিতে শীর্ষস্থানীয় ছিল।

    উনিশশত সাতচল্লিশ সনে ভারত ভাগের পর এরা প্রবল গণরোষের শিকার হন। জনতার আক্রোশে অট্টালিকায় চলে ভয়াবহ ভাংচুর ও লুটপাট। ফলে তারা স্বপরিবারে পালিয়ে যায়। পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে সরকার পরবর্তীতে এই বাড়ীগুলো অধিগ্রহণ করে। ভূমি অধিদপ্তর থেকে দুইহাজার চার সালে জমিদার বাড়ির এসব ভবন পর্যটন কর্পোরেশনের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে দুই হাজার সাত সালের দিকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তার পর থেকেই এই বাড়ীগুলো রক্ষনাবেক্ষন ও পর্যটনের জন্য তৈরী করা হয়। বর্তমানে প্রতিনিয়তই দূর দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন দানবাকৃতি এ ভবন গুলো দর্শনের জন্য ।

    উল্লেখ্য যে, অগাধ বিত্তের মালিক  এইঅভিজাত শ্রেণীর ভোগবিলাসী জীবন যাপনের কথা সর্বজনবিদিত। দেশের অন্যসব অঞ্চলের জমিদারদের মতই আভিজাত্য প্রমত্ত ছিল এরা। এলাকায় জনশ্রুতি আছে কন্যা সন্তান একটু বড় হলেই মায়েরা জমিদার বাবুর ভয়ে অন্য পরগণায় পাঠিয়ে দিত। বালিয়াটি জমিদারবাড়ির রংমহল নামের একটি কক্ষে অভিযাত শ্রেণীর নাচ গান হৈ হুল্লোড় চলত। রংমহলের সেই রঙ্গীন ভূবন বিবর্ণ হলেও রংমহলটি এখন পরিপাটি করে জাদুঘরে পরিণত হয়েছে। দেয়ালের সর্বত্র খাঁজ কাটা লতাপাতার নকশা। ছাদে লোহার চৌকাট কড়িকাঠে ছাঁচঢালা নকশা। সেখানে ঝুলছে বেশ কতগুলো ঝাড়বাতি। এগুলো আনা হয়েছিল লন্ডন থেকে। লুটপাট ও ভাঙচুরের পর জমিদার বাড়ির যে সব সামগ্রী অবশিষ্ট ছিল তা সংরক্ষণ করা হয়েছে রংমহলে।

    অর্ধশতাধিক লোহার বড় সিন্দুক, ঐতিহ্যবাহী  কয়েকটি পালংক, নকশাখচিত কাঠের আলমারি, শ্বেতপাথরের নির্মিত টেবিল, টেবিলের উপর সাজানো স্ফটিকে তৈরী গাভী, বেশ কতগুলো ভগ্ন হেজাক হারিকেন, খানদানি চৌকি, নকশা সম্বলিত আরাম কেদারা, ভগ্নপ্রায় সিংহাসন, ছোট বড় অসংখ্য বাক্স সহ জমিদারদের ব্যবহৃত অসংখ্য নিদর্শন।

    জমিদারবাড়িটি সাতটি বিশাল আকৃতির ভবন নিয়ে গঠিত চারিধারে উচু প্রাচীর দ্বারা ঘেরা। ভেতরে শান বাধানো সাত ঘাটলার পুকুর। কথিত আছে বিভিন্ন পূজা ও অর্চনা অনুষ্ঠানে সাত ঘাটের পানির প্রয়োজন হয়। এ বাড়ির প্রতিটি ইঞ্চিতে ছড়িয়ে রয়েছে স্থাপত্যের নিদর্শন। যা  কালের স্বাক্ষী ও গবেষণার বিষয়বস্তু।

    বালিয়াটি জমিদার বাড়ির অদূরে ১৯২০ সালে স্থাপন করা হয়েছিল ব্রিটিশ শিক্ষা ব্যবস্থার মানদন্ডে একটি স্ট্যান্ডার্ড স্কুল। স্কুল প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে রয়েছে এক হৃদয় বিদারক আত্মাহুতির কাহিনী। সে সময়ে এ স্কুলটিতে শুধু অভিজাত শ্রেণীর সন্তানরাই পড়াশোনা করতে পারত। বর্তমানে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। বর্তমানে অবশ্য স্কুলটিতে বাংলা পাঠ্যসূচী অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত আছে। রায় বাহাদুরের আর্থিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলটির পুরোনো ভবন এবং নারিকেল সুপারী বীথী সমৃদ্ধ প্রাঙ্গন বড়ই মনোহর। সাজানো গোছানো স্কুল চত্বর আর জমিদার বাড়ির বাহিরে ছড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি বিশাল দীঘি শান বাঁধানো ঘাট বিগতদিনের সমৃদ্ধির স্মৃতি বহন করে চলেছে। এসব দর্শণীয় স্থান দর্শনার্থী ও গবেষকদের গবেষণার খোরাক যোগাতে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে।

     

  • পর্যায়ক্রমে সকল ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে

    পর্যায়ক্রমে সকল ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে

    মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নিবন্ধনভুক্ত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবি মেনে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে দেশের সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে।

    মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে বিকেলে চারটার দিকে শাহবাগে এই কথা জানান কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের যুগ্ম সচিব এসএম মাসুদুল হক।

    তিনি জানান, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ছয় দফা দাবি মন্ত্রণালয় মেনে নিয়েছে মন্ত্রণালয়। দাবি ছিল, একাডেমিক স্বীকৃতি বন্ধ আছে; সেটা জুন থেকে চালু হবে। ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তকরণ ২০২৫ সাল থেকেই শুরু। প্রাথমিক পর্যায়ে যে ১৫১৯টি অনুদানভুক্ত প্রাথমিক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা আছে, সেগুলোসহ অন্যান্য সকল মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে।

    অনুদানভুক্ত মাদ্রাসাগুলোকে কোন প্রক্রিয়ায় জাতীয়করণ করা হবে জানতে চাইলে যুগ্ম সচিব এস এম মাসুদুল হক বলেন, আগে এমপিও ভুক্তি করে তারপরে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ করতে হবে।

  • কাশিগঞ্জে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১! 

    কাশিগঞ্জে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে নিহত ১! 

    ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা মহাসড়কের কাশিগঞ্জ হাজী ট্রেডার্স এর সামনের সড়কে দ্রতগামী একটি ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মোঃ আব্দুল গনি মিয়া (৪২) নামে এক ব্যাক্তি ঘটনা স্থলেই নিহত হয়।

    দূর্ঘটনার পর ট্রাকটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন সিএনজি যোগে ট্রাকটির পিছু নেয়, পরে শ্যামগঞ্জ কুমুদগঞ্জ এলাকায় ট্রাকটিসহ ট্রাকের চালক রিয়াদ হাসানকে (২০) আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তাকে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ইন্সপেক্টর সঞ্জয় চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান দূর্ঘটনার পর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের লাশ স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ঘাতক ট্রাক ও চালককে আটক আটক রয়েছে। এ ব্যাপারে তারাকান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।