Author: MD Nazrul Islam

  • দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার `ইআরএল’ বন্ধ ঘোষণা !

    দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার `ইআরএল’ বন্ধ ঘোষণা !

    দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) সংকটের কারণে কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    গতকাল সোমবার বিকেলে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে শেষ পরিশোধন কার্যক্রম হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির দুজন কর্মকর্তা।

    ইআরএল কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, সংকটের মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা ৫ হাজার টন এবং অপরিশোধিত তেলের চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক (মজুত ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা অপরিশোধিত তেল) তুলেও পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল।

    ইআরএলের মহাব্যবস্থাপক (ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কন্ট্রোল) তাজুল ইসলাম বলেন, ক্রুড সংকট ও সিংক্রোনাইজেশনের কারণে আগামী এক সপ্তাহের জন্য রিফাইনারির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। আশা করছি, ক্রুডের চালান পৌঁছালে কারখানা আবার পুরোদমে চালু হবে।

    প্রসঙ্গত, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটে প্রায় দুই মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি বন্ধ রয়েছে। আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী আমদানি চালান দেশে আসার কথা রয়েছে। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ইআরএল কর্তৃপক্ষকে।

    কর্মকর্তারা আরও জানান, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে, ক্রুড সংকটের কারণে গত মাস থেকেই পরিশোধন কমিয়ে দৈনিক ৩ হাজার ৫০০ টন করা হয়েছিল।

    গত ৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কাছে ব্যবহারযোগ্য তেলের মজুত ২ হাজার টনের নিচে নেমে এসেছে। এভাবে পাম্প চালানো যন্ত্রপাতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং শোধনাগারের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে পরিশোধন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

  • মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: ইরান

    মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ২৭০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি: ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের ফলে ইরানের প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রুশ সংবাদমাধ্যম আরআইএ নভোস্তিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর ইরানি সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির।

    মোহাজেরানি জানান, ক্ষয়ক্ষতির এই পরিমাণটি একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন এবং এটি আরো বাড়তে পারে। তিনি বলেন, “ক্ষয়ক্ষতি সাধারণত কয়েকটি স্তরে মূল্যায়ন করা হয়, তাই এই হিসাবটি চূড়ান্ত নয়।”

    তিনি আরো জানান, বর্তমানে কূটনৈতিক চ্যানেলে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে ইরান।

    মোহাজেরানি বলেন, “আমাদের প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে এবং ইসলামাবাদ আলোচনায় যা আলোচিত হয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো যুদ্ধের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি।”

    এর আগে গত শুক্রবার ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট পীর-হোসেন কলিভান্দ জানান, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে অন্তত ১ লাখ ২৫ হাজার বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ আবাসিক বাড়িঘর ও ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক কেন্দ্র রয়েছে।

    ইরানের লিগ্যাল মেডিকেল অর্গানাইজেশনের তথ্যমতে, এই হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩ হাজার ৭৫৩ জন শহীদ হয়েছেন।

    গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী যুদ্ধবিরতির ভিত্তি হিসেবে ইরানের ১০-দফা প্রস্তাব মেনে নিলেও ১২ এপ্রিলের আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়।

    ইরানের অভিযোগ, ২০ ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনার পরও মার্কিন পক্ষের ‘অতিরিক্ত দাবির’ কারণে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে।

  • সাটুরিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপিত !

    সাটুরিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘পহেলা বৈশাখ’ উদযাপিত !

    জরাজীর্ণ আর গ্লানিকে পেছন ফেলে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ে তুলার প্রত্যয় নিয়ে মানিকগঞ্জের- সাটুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘বাংলা নববর্ষ’-১৪৩৩ সাল (পহেলা বৈশাখ) উদযাপিত হয়েছে। আজ ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার ভোর থেকেই উপজেলা চত্বরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালিত হয়।

    নববর্ষ’ উপলক্ষ্যে ঘোড়ার গাড়ীতে করে সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা সাজে মানুষ জড়ো হতে থাকে। এই সময় নারীদের পরনে লাল-সাদা শাড়ি, মাথায় ফুলের টায়রা আর পুরুষদের পরনে ছিল বাহারি পাঞ্জাবি। শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের গালে-হাতে আঁকা আলপনা নিয়ে তারা উৎসবে মেতে উঠে।

    উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণিল শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রঙিন প্ল্যাকার্ড এবং লোকজ ঐতিহ্যের প্রতিকৃতি নিয়ে অংশ নেন।

    শোভাযাত্রা শেষে, শুভেচ্ছা বক্তব্যে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, বাঙ্গলী সংস্কৃতিই আমাদের আদ্য পরিচয়। যুগ যুগ ধরে বাঙ্গলী জাতি অ-সাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করে আসছে। আজকের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তারই প্রমাণ।

    তিনি আরো বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই আজ এক কাতারে দাঁড়িয়েছি। আজ আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় ‘আমরা বাঙ্গালী’। আমরা, সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় আগামীতে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

    বিশেষ অনুভূতি ব্যক্ত করেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (এসিল্যান্ড) মৌমিতা গুহ (ইভা)। তিনি বলেন, বৈশাখ বাঙ্গালী জাতির সার্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসব। সংস্কৃতি হলো কোন স্থানের মানুষের ভাষা আচার-ব্যবহার জীবিকা, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য, সামাজিক সম্পর্কীত শিক্ষা-দীক্ষা, ও ধর্মীয় রীতি-নীতির মাধ্যমে যে, অভিব্যক্তির প্রকাশ। পহেলা বৈশাখ একটি সর্বজনীন সংস্কৃতিক উৎসব।

    তিনি আরো বলেন, বৈশাখের সাথে ধর্মের সংশ্রাব অর্থহীন। যুগ যুগ ধরে বাঙ্গালী জাতি এই অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। এটি বাঙ্গলী জাতি সত্ত্বার ঐতিহাসিক ঐতিহ্য।

    অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংবাদকর্মী এবং সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কুমিল্লায় চালবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে নিহত-৭

    কুমিল্লায় চালবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে নিহত-৭

    কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চালবোঝাই একটি ট্রাক খাদে উল্টে পড়ে ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। সোমবার (১৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার হাসানপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি চালবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের নিচে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের ওপর থাকা ১৩ জন যাত্রী ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই ৭ জনের মৃত্যু হয় এবং আহত হন আরও ৬ জন।

    খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মরদেহ দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা-এ নেওয়া হয়েছে।

    দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, ভোররাতে এ দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের স্বজনরা এলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

  • হরমুজ প্রণালিতে মার্কীন অবরোধ শুরু, ইরানের কঠিন হুশিঁয়ারি

    হরমুজ প্রণালিতে মার্কীন অবরোধ শুরু, ইরানের কঠিন হুশিঁয়ারি

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দর গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

    ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা) এই অবরোধ কার্যকর হয়, যা ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

    অবরোধ অভিযান সফল করতে হরমুজ প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ১৫টির বেশি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে বলে জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।

    ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ইরানের বন্দর ছাড়াও পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং আরব সাগরের কিছু এলাকায় নৌ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরোধের আওতায় থাকা জলসীমায় প্রবেশ করা যেকোনো জাহাজকে আটক, ঘুরিয়ে দেওয়া বা জব্দ করা হতে পারে।

    দিকে ইরান এই অবরোধকে ‘অবৈধ’ ও ‘দস্যুতার শামিল’ বলে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দিকে কোনো সামরিক জাহাজ অগ্রসর হলে তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ইরানি সশস্ত্র বাহিনী আরো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরানের বন্দরগুলো যদি লক্ষ্যবস্তু হয়, তাহলে পারস্য উপসাগর বা ওমান সাগরের কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।

     

  • বৈশাখ ও কল্পনা !

    বৈশাখ ও কল্পনা !

    কোন এক বৈশাখে,
    জীবনের প্রথম ভাগে-
    মনোঞ্চলতায় বিভোর হয়ে আদ্রীতার হাতে
    একগুচ্ছ কাচেঁর চূড়ি পড়াতে চেয়ে ছিলাম !

    আবেগে আপ্লুত হয়ে!
    অসীম বৈরীতাকে দূরে ঠেলে
    সাদা-কালোর ভালবাসায়,
    মনের গহীনে, রিনিঝিনি শব্দ শুনে ছিলাম,
    আদ্রীতার কংকন-হাতের ঝংকারে।।

    নেশার ঘোরে অতি-চুপিসারে,
    একগুচ্ছ ‘ভালবাসা’ রেখে ছিলাম
    আদ্রীতার মন-ড্রয়ারে।।

    সহসা, জীবনের রং
    আরো গভীর হয়ে উঠেছিল-
    অনন্দিন-অভিপ্রায়ে,
    অনাগত-বৈশাখের আগমনে!

    কিন্তু সেই গল্প, কেবল ছিল ‘কল্পনা’ !
    বাস্তবতা- জ্বলন্ত ‘টয়নগরী’
    যেখানে কেবল অস্তিত্ব ছিল-
    অপরাধের দূষিত কুন্ডলীর ।।

    ‘তারপর থেকে, হাজার বছর জ্বলছি
    কিন্তু নিঃশেষ হয়ে যায়নি’-

    এখনো, স্বপ্ন দেখি- অসার অব্যয়ে,
    ‘এক দিন আবারও বৈশাখ আসবে,
    কাচেঁর চূড়ির রিনিঝিনি শব্দে বেজেঁ উঠবে
    আমার চির-চেনা আদ্রীতার নগ্ন হাত খানি।।

     

     

     

     

  • হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

    হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি ইরানের

    পারস্য উপসাগরের প্রবেশমুখ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার প্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেছে বলে দাবি করেছে ইরান।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি একটি “প্রচারমূলক সামরিক অভিযান” ছিল, যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএসএস মাইকেল মার্ফি এবং ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই পিটারসন নামের আর্লে বার্ক-শ্রেণির দুটি ডেস্ট্রয়ার প্রণালির কাছে পৌঁছালে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ সময় ইরানি বাহিনী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সক্রিয় করে এবং নজরদারির জন্য ড্রোন মোতায়েন করে বলে দাবি করা হয়।

    একটি সামরিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, জাহাজ দুটি “সম্পূর্ণ ধ্বংসের কাছাকাছি” অবস্থায় পৌঁছেছিল এবং ইরান তাদের ৩০ মিনিটের মধ্যে পথ পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়। পরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এলাকা ত্যাগ করে বলে জানানো হয়।

    প্রেস টিভির দাবি, মার্কিন নৌবাহিনী শনাক্তকরণ এড়াতে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার কৌশল ব্যবহার করে এবং অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম বন্ধ রাখে। তবে ইরানের রাডার ও নজরদারি ব্যবস্থা পুরো সময় জুড়ে জাহাজগুলোকে ট্র্যাক করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, হরমুজ প্রণালি তাদের পূর্ণ নজরদারির আওতায় রয়েছে এবং এ অঞ্চলে যেকোনো গোপন সামরিক অভিযান “অকার্যকর ও উসকানিমূলক” হবে।

    এ ঘটনায় মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঘটনাটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান আলোচনার সময়েই ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

  • বাঙ্গালীর সর্বজনীন সংস্কৃতির দিন ‘পহেলা বৈশাখ’

    বাঙ্গালীর সর্বজনীন সংস্কৃতির দিন ‘পহেলা বৈশাখ’

    পহেলা বৈশাখ দিনটি যতটা ধর্মীয় অনুভূতিসিক্ত, তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব বাঙ্গালীর সর্বজনীন সংস্কৃতির দিন হিসাবে। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই বাঙালিরা এই দিনটি বিচ্ছিন্নভাবে পালন করে আসছে বলে বিভিন্ন গবেষকরা মত প্রকাশ করেছেন। সভ্যতার আর্বতন-বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঋতুরাজ্যের জ্ঞান মানুষের মধ্যে বেগবান রয়েছে। এরপর এসেছে জ্যোতিষশাস্ত্র।

    সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা -উড়িষ্যায় ইলাহি সন, মৌসুমি বা ফসলি সন ও বিলায়েতি সনের চালু ছিল। ঘরে ঘরে ফসল তোলার সাথে খাজনা আদায়ের ব্যাপক প্রচলন ছিল। এজন্য সম্রাট আতবর জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ আমির ফতেউল্লাহ সিরাজিকে দিয়ে হিজরি সনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করে ‘তারিখ ই-ইলাহি উদ্বাবণ ও এর প্রচলন করেন। সেই তখন থেকেই কৃষিপ্রধান সমাজে এই দিনটি সমাদৃত হয়ে আসছে।

    পহেলা বৈশাখ যেমন বাঙালির হৃদয়ে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে তেমনি ‘ভূমিহীন’অর্থাৎ বর্গাচাষীদের জন্যও যন্ত্রণাদায়ক দিন হিসেবে আবির্ভূত হয়। শুরতেই এই দিনে সম্পাদন করা হতো জমিদারের রাজস্বের দিন হিসাব। প্রজারা বকেয়া খাজনা পরিশোধ করে মিষ্টিমুখ করত। ব্যবসায়ীরা তাদের হিসাব চুকিয়ে নিত। বৈশাখের যে লৌকিকতা তা শুরু হয় পরিবার থেকে। আত্নীয়,বন্ধু,ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিবেশি সুহৃদজনকে শুভেচ্ছা ও কুশল জানানো ছোট -বড়দের মধ্যে নববর্ষে আয়োজিত বৈশাখী মেলায় বহু মানুষের সমাগম হয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মহামিলনের স্হান এই মেলা। শিশু কিশোররা চরকি,নাগরদোলা,বাঁশি,তালপাতার রকমারি আয়োজনে মেতে উঠে।কিশোরীরা ব্যস্ত চুরি, ফিতে,চুলের ক্লিপ,আলতা ,কাজল ইত্যাদি কেনার জন্য।

    কিন্ত পুরোনো বৈশাখ নিয়ে নানা তথ্য বিবৃত রয়েছে।পুরাণের মতে বিশাখা চন্দ্রের সপ্তবিংশ পত্নীর অন্যতম এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতে কেবল নক্ষত্র।জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যের অবস্হানের সঙ্গে বিভিন্ন নক্ষএের অবস্হানের সম্পর্ক দেখে মাস ভাগ এবং মাসগুলোর নামকরণ করেছিলেন।বিশাখ উন্ষতার সূচক।সঙ্গত কারণে বৈশাখের সঙ্গে যে উষ্ণতা বা খরতাপ-এর যা মিল রয়েছে তা বলা বাহুল্য। বৈশাখের স্বরুপ বিশ্লেষণে এই দিনটির গুরুত্বও কম নয়।

    পহেলা বৈশাখের সঙ্গে বাঙালির আদি সংস্কৃতি যেমন, যাএা ও পালা,কবিগান,গাজির গান,আলকাপ,পুতুল নাচ, বাউল- মুর্শিদি -ভাটিয়ালি গান, লাইলি-মজনু, রাধা-কৃন্ষ, ইউসুফ-জুলেখা ইত্যাদি পালা প্রদর্শনের আয়োজন করা হয় প্রত্যন্ত গ্রামে। মাস হিসেবে বৈশাখের স্বতন্ত্র পরিচয় আছে, যা প্রকৃতিতে ও মানবজীবনে প্রত্যক্ষ করা যায়। খররৌদ্র, দাবদাহ, ধু-ধু মাঠ, জলাভাব, কালবৈশাখীর ঝড়, ঝরাপাতা গাছে নতুন পাতার আবির্ভাব, আমের কলি ইত্যাদি প্রকৃতি পরিবেশের যোগ রয়েছে।

    বাঙালি জাতি বারবার বিদেশি শক্তির শাষণ-শোষণে, নিপীড়িত -নিঃগৃহীত হয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগোওরের সময়ে ধর্মভিত্তিক পাকিস্তানভূমির প্রগতিশীল ছাএ চেতনায় পহেলা বৈশাখ রাজনৈতিক মাএায় বিকশিত হয়।পাকিস্তানি শাসনাধীনে বাঙালি সংস্কৃতিকে অপচেষ্টার বিরুদ্ধে গড়ে উঠা প্রতিবাদী চেতনার প্রকাশ। এর মধ্যে নববর্ষ বা বাংলা বর্ষবরণ উত্সব হয়ে উঠেছিল বাঙালি চেতনার ধারক ও বাহক। ৫২- এর ভাষা আন্দোলনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলার বাঙালিরা সংস্কৃতি সচেতন হতে শুরু করে এবং ৭১- এর স্বাধীনতা প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে অস্তিত্বের পুনরুদ্ধার করে।

    সর্বশেষে বলা যায়,পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে নতুনকে আহ্বান করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই পালিত হয়ে আসছে বর্ষবরণ উৎসব। নতুন সম্ভাবনার প্রত্যাশায় নতুনকে বরণ করার রীতি বাঙালি জাতীয়তাবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,40212.0.html

  • ‘বৈশাখী উৎসবে ধর্মের সংশ্রাব !

    ‘বৈশাখী উৎসবে ধর্মের সংশ্রাব !

    ‘বৈশাখী উৎসবের ঐতিহাসিক ধারা বিবেচনায় রেখে অপরিপক্ক জ্ঞান ও অসম্পূর্ণ মন-ভাবনায় কয়েক দিন আগে ‘অন্তরে বৈশাখের ইতিবৃত্ত’ নামে একটি লেখা দাঁড়া করাতে চেষ্টা করেছিলাম। লেখাটি আলোচনা-সমালোচনার দোষে দুষ্ট ছিল। আজ বৈশাখী উৎসবের ধর্মের সংশ্রাব  নিয়ে আলোচনার চেষ্টা   করব।

    বৈশাখ বাঙ্গালী জাতির সার্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসব। সংস্কৃতি সর্ম্পকে বলা যায়, কোন স্থানের মানুষের ভাষা আচার-ব্যবহার জীবিকা, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য, সামাজিক সম্পর্কীত শিক্ষা-দীক্ষা, ও ধর্মীয় রীতি-নীতির মাধ্যমে যে, অভিব্যক্তি প্রকাশ করা হয় তাই সংস্কৃতি। তাই, সংস্কৃতিকে way of life বলা হয়। জাতি ও জাতীয়তার সাথে সংস্কৃতির সম্পর্ক নিরবিচ্ছিন্ন।

    একই সংস্কৃতির পরিমন্ডলে বিভিন্ন ধর্মের লোক থাকতে পারে, কিন্তু ঐক্যব্দ্ধ জাতি গঠনে একটি অভিন্ন সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। পুস্তকের ভাষায়, একই সংস্কৃতির সহজাত স্রোত-ধারায় বহু-ধর্মীয় সংমিশ্রনে, একটি অভিন্ন জাতীয়তা তৈরী হয় যা চিরাচরিৎ ধর্মীয় ধারনাকে বহুলাংশে মানবিক করে তুলে।

    আর ধর্মীয় সজ্ঞায় বলা হয়েছে- শতানের উপর জয়যুক্ত হওয়া এবং আত্মায় সত্যের আসন প্রতিষ্ঠা করাই ধর্ম। নিয়ম পালেন সাথে, জীবনের কদর্যতা সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রত্যেকটি মানুষের পবিত্র দায়িত্ব। সংস্কৃতিতে কদর্যতা থাকলেও বিবর্তন-যুগধারায় তা মানবিক পথে ধাবমান। তাই, জ্ঞানীরা বলেন, ধর্ম জীবন হলো মৌলিক আর সংস্কৃতি তার দর্শন। দর্শনহীন ধর্ম অসম্পূর্ণ।

    বৈশাখের সাথে ইসলাম ধর্মের সংশ্রাব অর্থহীন। মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থের কোথাও বৈশাখী উৎসব পালনের কথা উল্লেখ নাই। তবে বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতি ‘বৈশাখী উৎসব’ আংশিক ভাবে হলেও ভারতবর্ষে মুসলাম শাসকদের ‘শাসন ব্যবস্থাকে দীর্ঘায়িত ও সুসংহত করেছে এ কথা সকলেরই মানতে হবে। বিশেষ করে বিনদেশী শাসক সম্রাট আকবরের অভিনব ‘‘তারিখ ই-ইলাহি ’ আয়োজনে, অর্থনৈতিক বা সংস্কৃতির অন্তরালে ধর্মীয় সহিষ্ণু ভাবনায় ভাবতবর্ষে মুঘল শাসন/ ইসলামী শাসন সু-প্রতিষ্ঠা করার সুদুর প্রসারী রাজনৈতিক কূট-কৌশল ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

    ইতিহাস ধারাপদ থেকে জানা যায়, মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা -উড়িষ্যায় ইলাহি সন, মৌসুমি বা ফসলি সন ও বিলায়েতি সনের চালু ছিল। ঘরে ঘরে ফসল তোলার সাথে খাজনা আদায়ের ব্যাপক প্রচলন ছিল। এজন্য সম্রাট আকবর জ্যোতিষশাস্ত্রবিদ আমির ফতেউল্লাহ সিরাজিকে দিয়ে হিজরি সনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করে ‘তারিখ ই-ইলাহি উদ্ভাবন ও এর প্রচলন করেন যা পরবর্তীতে ‘বৈশাখী উৎসব’ হিসাবে ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যাপক-প্রচার ও প্রতিষ্ঠা পায়।

    বৈশাখী উৎসব আজ বাংলা ভাষা-ভাষী বাঙ্গালীদের প্রাণের উৎসব। বৈশাখ শব্দটির উৎপত্তিতেই সনাতন ধর্মের হৃদয়ত্বতা রয়েছে। বাংলা ভাষার প্রাণকোষ বাংলা-ব্যাকরণে বৈশাখ শব্দটির উল্লেখ পওয়া যায় এ ভাবে- বৈশাখ+ষ্ণ, অস্তার্থে।২। মন্থণ দন্ড।বিশাখা+ষ্ণ।বি;পু।বিশাখা নক্ষত্রযুক্ত পুর্ণিমা।

    ইতিহাস বিদূত, বাংলাদেশের আদি জনগোষ্ঠিরা বহুকাল আগে থেকেই বৈশাখী উৎসব পালন করে আসছে। মূলতঃ আদি জাতি-গোষ্ঠীরা বৈশাখী উৎসবকে ‘বৈসাবি’ উৎবস হিসাবে পালন করত। বর্ণ বেদে তারা আলাদা আলাদা ভাবে, আলাদা আলাদা নামে এই উৎসব পালন করত। যেমন মারমা -রা সাংগ্রাই, ত্রিপুরা-রা বৈসু, তঞ্চঙ্গ্যা-রা বিষু এবং চাকমা-রা বিজু’ উৎসব হিসাবে পালন করত। এই সকল উৎসবকে সম্মিলিত ভাবে বৈসাবি বলা হয় যা আজও তাদের সমাজে ‘চেতনা-ধর্মী’ উৎবস হিসাবে বহমান রয়েছে।

    যুগ-যুগান্তরের ইতিহাস স্বাক্ষ্য দেয়, বৈশাখ বা বৈসবী উৎসব পালনের সাথে বৈদিক জাতি-গোষ্ঠির পুরাণ, বেদ কিম্বা সনাতন ধর্মের সংশ্রাব রয়েছে। হিন্দুরা বহুকাল আগ থেকেই বৈশাখী উৎসবকে তাদের ধর্মীয় উৎসব হিসাবে পালন করে।

    হিন্দু চান্দ্র পঞ্জিকায় ১২টি মাস রয়েছে -চৈত্র, বৈশাখ, জৈষ্ট, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিণ, কার্তিক, অগ্রহায়ণ, পোষ, মাঘ ফাল্গুন। এই মাস গুলি নাম খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। প্রত্যেকটি মাসের নাম এসেছে সেই মাসের পূর্ণিমার দিনে চলমান নক্ষত্রের নাম থেকে।

    পৌরানিক উপাখ্যানে উল্লেখ পাওয়া যায়, চন্দ্র দেবতা হলেন স্বর্গের দেব মণ্ডলীর অন্যতম । চন্দ্র দেবের পিতার নাম অত্রি মুনি এবং মাতার নাম অনুসূরযা । হরিবংশ পুরান অনুযায়ী, চন্দ্র দেবতার বিয়ে হয়েছিল প্রজাপতি দক্ষ রাজার ২৭ কন্যার সাথে । প্রজাপতি দক্ষ ২৭ কন্যার নাম ছিল– অশ্বিনী , ভরণী , কৃত্তিকা , রোহিনী , মৃগশিরা , আদ্রা , পুনর্বসু , পুষ্যা , অশ্লেষা , মঘা , উত্তরফাল্গুনী , পূর্বফাল্গুনী , হস্তা , চিত্রা , স্বাতী , বিশাখা , অনুরাধা , জ্যেষ্ঠা , মূলা , পূর্বাষাঢ়া, উত্তরাষাঢ়া , শ্রবনা , যনিষ্ঠা , শতভিষা , পূর্বভাদ্রপদ , উত্তরভাদ্রপদ , রেবতী । ২৭ কন্যাই চন্দ্র দেবকে খুব ভালোবাসতেন।

    কিন্তু চন্দ্রদেব কেবল রোহিনী কেই ভালোবাসতেন । বাকী ছাব্বিশ কন্যা মনের দুঃখে পিতা দক্ষের কাছে নালিশ জানান । এতে দক্ষ ,ক্ষিপ্ত হয়ে চন্দ্রদেবতাকে ক্ষয় রোগে আক্রান্তের অভিশাপ দেন । চন্দ্রদেবতা রোগে জর্জরিত হলে ব্রহ্মা , বিষ্ণু, দেবগণের কথা মতো সাগর তটে শিবলিঙ্গ নির্মাণ করে মহাদেবের তপস্যা আরম্ভ করলেন । মহাদেব সন্তুষ্ট হয়ে চন্দ্রদেবের সম্মুখ উপস্থিত হন। ফলে চন্দ্র দেব আংশিক ভাবে শাপ মুক্ত হন ।

    তৎপর তিনি চন্দ্রকে বর দেন, পূর্ণিমার পরদিন থেকে কৃষ্ণ পক্ষের প্রতিপদ থেকে চতুর্দশী পর্যন্ত চন্দ্রদেব ক্ষয় হতে থাকবেন , অমাবস্যার দিন সম্পূর্ণ ক্ষয় হবেন । আবার অমাবস্যার পরদিন থেকে শুক্ল পক্ষের প্রতিপদ থেকে চতুর্দশী পর্যন্ত একটু একটু করে বাড়তে থাকবেন , পূর্ণিমা তে পূর্ণ রূপ হবেন । এর পর চন্দ্র দেবতাকে মহাদেব শিরে ধারন করলেন । (পর্ব-১) চলবে—-

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,48771.0.html

  • মানিকগঞ্জের জিয়নপুর বাজার থেকে জ্বালানি তেল জব্দ !

    মানিকগঞ্জের জিয়নপুর বাজার থেকে জ্বালানি তেল জব্দ !

    মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অকটেন ও ডিজেল অবৈধভাবে মজুত এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করায় একাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

    শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে মো. আব্দুল মান্নানের বাড়ি থেকে প্রায় ৯০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়। অপরাধ স্বীকার করায় তাঁকে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    এ ছাড়া ৪০ লিটার ডিজেল অবৈধভাবে মজুতের দায়ে ফিরোজ নামের এক ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ‘রাজ ট্রেডার্স’-এ অতিরিক্ত দামে পেট্রল বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও‌ সতর্ক করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আহসানুল আলম। তিনি জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।