Category: শিক্ষাঙ্গন

  • জাকসুতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভোট বর্জন

    জাকসুতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভোট বর্জন

    নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের অতিথি কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ছাত্রদল মনোনীত প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। এ সময় ভিপি প্রার্থী মো. শেখ সাদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।

    তানজিলা হোসাইন বৈশাখী অভিযোগ করে বলেন, তাজউদ্দীন হলে আমাদের ঢুকতে দেয়নি। তালিকায় ভোটারদের ছবি নেই, ২১ নং হলে মব সৃষ্টি করা হয়েছে। জাহানারা ইমাম হলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর গায়ে হাত তোলা হয়েছে।

    এই নির্বাচন নিরপেক্ষতা হারিয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, জামায়াত নেতার সরবরাহকৃত ও এমআর মেশিন আমরা চাইনি। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত ব্যালটেই ভোট হচ্ছে।

    বৈশাখী বলেন, মেয়েদের হলে একই মেয়ে বারবার ভোট দিতে গেছেন। শিবিরপন্থী সাংবাদিকরা মিস বিহ্যাভ করেছেন ছাত্রদলের প্রার্থীদের সঙ্গে, সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে না। এটি কারচুপি ও প্রহসনের নির্বাচন। তাই নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হচ্ছি। নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের রায়ের প্রতিফলন হচ্ছে না।

    এর আগে সকাল ৯টায় শুরু হয়েছে জাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হল কেন্দ্রে ২২৪ টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। কয়েকটি কেন্দ্র ব্যাতিত বেশিরভাগ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠান হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    এবারে জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ৫ হাজার ৭২৮ জন এবং ছাত্র ভোটার ৬ হাজার ১৫ জন। এ নির্বাচনে ২৫টি পদে মোট ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

  • ডাকসুর ভিপি সাদিক, জিএস ফরহাদ ও এজিএস মহিউদ্দিন

    ডাকসুর ভিপি সাদিক, জিএস ফরহাদ ও এজিএস মহিউদ্দিন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয়ের পথে রয়েছেন।

    বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত আট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭টি কেন্দ্রের ১৬টি হলের ফল ঘোষণা করা হয়। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

    ভিপি পদে ২২ নম্বর ব্যালটে সাদিক কায়েম ভোট পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২। ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮। জিএস পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৮৩ ভোট।

    সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ হোসেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মুহা. মহিউদ্দিন খান পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

    শীর্ষ তিন পদে জয়ের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ঐতিহাসে এই প্রথমবার ডাকসুর নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেল ইসলামী ছাত্রশিবির। এর আগে কয়েকবার নির্বাচনে অংশ নিলেও কখনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে পরেননি এই সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

    ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শক্তির প্রকাশ ঘটিয়ে আত্মপ্রকাশ করে ইসলামী ছাত্রশিবির। ব্যাপক সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর মধ্যেই ডাকুস নির্বাচনের দাবিতে সোচ্চার হয় সংগঠনটি।

    নির্বাচন আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও আন্তরিক হওয়ায় ভোটমুখী হয় ডাকসু। শেষপর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ব্যাপক নিরাপত্তা বয়ল তৈরি করে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটা ভোটগ্রহণ হয়।

    আটটি কেন্দ্রে আট শতাধিক ‍বুথে ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে রাত দেড়টার দিকে ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও ছাত্রী মিলে মোট ১৮টি হল। একে একে ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যা শেষ করতে সকাল হয়ে যায়।

    তাতে ভিপি, জিএস ও এজিএসের সঙ্গে ডাকসুর ২৮টি পদে চূড়ান্ত ফলাফল জানানো হয়। অধিকাংশ পদে জয় পেয়েছে শিবির-সমর্থিত প্রার্থীরা। বেশিরভাগ হল সংসদেও জয় পেয়েছে শিবির-সমর্থিত প্যানেল।

    এবার ৩৭তম ডাকসু নির্বাচন হলো। এতে ছাত্র-ছাত্রী মিলে মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে ডাকসু নির্বাচন কমিশন জানায়, এবার ভোট পড়েছে ৭৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

    ভোটের ফল ঘোষণা শুরু হওয়ার পর থেকে আলোচিত ভিপি প্রার্থীরা তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিতে থাকেন।

    ভিপি পদে প্রার্থিতা করা ছাত্রদলের আবিদ ডাকসু নির্বাচন ‘প্রহসন’ ও ‘কারচুপির নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। অবশ্য জিএস পদে লড়াই করা ছাত্রদলের হামিম শিক্ষার্থীদের রায়কে সম্মান জানানোর আহ্বান রাখেন।

    ভিপি পদে আলোচিত উমামা ফাতেমাও ভোটের ফল বর্জন করে ফেসবুকে একাধিক স্ট্যাটাস দেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিবিরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। শিবিরকে ‘বেঈমান’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট করেন তিনি।

    জিএস পদে আলোচিত মুখ মেঘমল্লার বসু একাধিক পোস্ট করে নির্বাচনের সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, “ভোটের নামে প্ল্যানড ইঞ্জিনিয়ারিং চলতেসে। সবই খবর পাইতেসি। যে ধারা অব্যাহত আছে তাতে ডিটেইল রেজাল্ট দেখলে আপনারা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বুঝবেন।”

    ভিপি পদে বেশ আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের (বাগছাস) নেতা আবদুল কাদের। তিনি ফেসবুকে লেখেন, “ভিসি এবং প্রক্টরকে অভিনন্দন জানিয়ে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আলাপ এখানেই শেষ করলাম।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শুভকামনা, শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা। ঢাবি এবং দেশের মানুষের যেকোনো সংকটকালে আমি আছি, যেমনটা বিগত দিনে ছিলাম।”

    কারচুপি ও বেঈমানির অভিযোগ সামনে এলেও ডাকসু নির্বাচনে কিছু অব‍্যবস্থাপনা থাকলেও বড় কোনো অসঙ্গতি ছিল না বলে মনে করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। সংগঠনটি সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নির্বাচনকে অগ্রহণযোগ্য বলা যায় না।

     

  • ডাকসু নির্বাচনে লাইভ করার সময় সাংবাদিকের মৃত্যু

    ডাকসু নির্বাচনে লাইভ করার সময় সাংবাদিকের মৃত্যু

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে (ডাকসু) লাইভ সংবাদ প্রচারের সময় তরিকুল শিবলী  (৪০) নামে এক সাংবাদিক মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে কার্জন হলের ভেতরে সংবাদ প্রচারের সময় এ ঘটনা ঘটে।

    তরিকুল  শিবলী ‘চ্যানেল এস’ এ সিটি রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার সহকর্মী সোহেল রানা জানান, ঢাবির কার্জন হলের ভেতর থেকে লাইভে যুক্ত ছিলেন তরিকুল। হঠাৎ তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    তরিকুল  শিবলীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার এতবারপুর। তার বাবার নাম এ কে এম শাহিদুল্লাহ। ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় থাকতেন। দুই কন্যার জনক ছিলেন তিনি।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, চিকিৎসক জানিয়েছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

  • রাকসু নির্বাচনে প্রার্থী চার কন্যার পিতা শাহরিয়ার মোর্শেদ

    রাকসু নির্বাচনে প্রার্থী চার কন্যার পিতা শাহরিয়ার মোর্শেদ

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন চার কন্যার পিতা ৫১ বছর বয়সি শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মোর্শেদ খান। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোর্শেদ খান বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে মনোনয়নপত্র নেন।

    মনোনয়নপত্র নেওয়ার পর মোর্শেদ খান বলেন, “আমার বয়স এখন ৫১ বছর। গণ-যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষে পড়ি। “রাকসুতে প্রচার ও প্রকাশনা পদের জন্য মনোনয়নপত্র নিয়েছি।

    এই পদে জয়ের জন্য আমি আশাবাদী; কারণ বিশ্ব-বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমাকে চেনেন, ভালোবাসেন, অনুপ্রেরণা দেন।

    আশা করি, একজন সংগ্রামী মানুষ হিসেবে সবাই আমার পাশে দাড়াবেন ও ভোট দেবেন। আমি জয়ী হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়ে কাজ করব। মোর্শেদ খানের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার রাজাপুর গ্রামে।

  • ধর্ষণের হুমকি দাতা আলী হুসেন ঢাবি থেকে বহিষ্কার

    ধর্ষণের হুমকি দাতা আলী হুসেন ঢাবি থেকে বহিষ্কার

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে একজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে রিট করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারী শিক্ষার্থীকে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ ও ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থী আলী হুসেনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

    প্রক্টরিয়াল সত্যানুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বহিষ্কারা-দেশ জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডারে প্রদত্ত প্রক্টরের এখতিয়ারভুক্ত সর্বোচ্চ শাস্তিই হলো এই বহিষ্কার।

    আলী হুসেনের শ্রেণি রোল ৫৪ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২০২০২১২৭৬৮। তিনি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী।

    এছাড়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিষয়ক কমিটিতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রক্টরিয়াল সত্যানুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বহিষ্কারাদেশ জারি করে। বিশ্ববিদ্যালয় অর্ডারে প্রদত্ত প্রক্টরের এখতিয়ারভুক্ত সর্বোচ্চ শাস্তিই হলো এই বহিষ্কার।

    আলী হুসেনের শ্রেণি রোল ৫৪ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২০২০২১২৭৬৮। তিনি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থী।

    এছাড়া তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিষয়ক কমিটিতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথবাহিনীর অভিযান

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথবাহিনীর অভিযান

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ২ নম্বর গেইট সংলগ্ন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর যৌথবাহিনী বিশেষ অভিযানে নেমেছে। রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে যৌথবাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জোবরা গ্রামে অভিযান শুরু করেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটের সড়ক দিয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‍্যাবের অন্তত ২০টি গাড়ি প্রবেশ করে জোবরা গ্রামের দিকে যায়। যৌথবাহিনী প্রবেশের পর পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

    শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ১২টা থেকে সংঘর্ষ শুরুর পর আজ রবিবার (৩১ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত স্থানীয়দের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক ছাত্র আহত হয়েছে।

    দুপুর ২টা থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল, গণজমায়েত নিষিদ্ধ করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজরী উপজেলা প্রশাসন।

    নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে ওই এলাকায় পাঁচ বা ততধিক ব্যক্তির একসঙ্গে অবস্থান কিংবা চলাফেলা করতে পারবেন না। কোনো ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র বা দেশীয় অস্ত্র বহন করা যাবে না।

    সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৫৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে; তাদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন জানান, চিকিৎসাধীন সকলে এখন শঙ্কামুক্ত।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন একটি ভবনের ভাড়াটিয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর বিতণ্ডার জেরে শনিবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

    শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী রাত ১১টার দিকে বাসায় ফেরেন। ভবনের গেট বন্ধ থাকায় তিনি প্রহরীকে ডাকাডাকি করেন। এ সময় প্রহরী এসে ওই ছাত্রীর সঙ্গে তর্কে জড়ায়। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীকে তিনি গালাগাল করেন এবং চড় মারেন।

    ওই ছাত্রী তখন সহপাঠীদের খবর দিলে তারা সেখানে যান এবং গ্রামবাসীও ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর পক্ষ নিয়ে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    এ সময় স্থানীয়রা মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয় লোকজন সে সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের আঘাত করে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন।

     

  • প্রাথমিকের সব প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নতি

    প্রাথমিকের সব প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নতি

    দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও জারি করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে দেশের ৬৫ হাজার ৫০২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব প্রধান শিক্ষক দশম গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।

    সোমবার (২৮ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষকরা জাতি গঠনের মূল কারিগর। তাদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। সম্প্রতি ১২৪/২০২২ নম্বর সিভিল রিভিউ পিটিশনে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ অনুসারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান ১১তম থেকে দশম গ্রেড বেতন স্কেলে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ‘এর ধারাবাহিকতায় দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ যৌক্তিক বিবেচিত হওয়ায় সরকার সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫০২ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন স্কেল বিদ্যমান ১১তম গ্রেড (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ও ১২তম গ্রেড (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে দশম গ্রেডে উন্নীতকরণে সম্মতি দিয়েছে।’

    এতে আরও বলা হয়, যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করা হলো। গৃহীত উদ্যোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাদের সামাজিক মর্যাদা সুসংহত করবে। ফলে তারা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও সৃজনশীল ও উদ্দীপ্ত ভূমিকা পালন করবে। এতে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও উন্নত ও গতিশীল শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।

    দশম গ্রেড দিয়ে সরকার প্রধান শিক্ষকদের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সম্মান দেখিয়েছে উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার মাধ্যমে তাদের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও সম্মান প্রদর্শন করছে সরকার।

    সরকারের এ পদক্ষেপ প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক ও সর্বস্তরের অংশীজনের সহায়তায় প্রাথমিক শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করবেন, এটি সরকারের প্রত্যাশা।

  • কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী নেত্রীর পদত্যাগ

    কুমিল্লায় বৈষম্যবিরোধী নেত্রীর পদত্যাগ

    জুলাই মাসের আলোচিত গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র খাদিজা আক্তার কেয়া পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    খাদিজা আক্তার কেয়া কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের বাসিন্দা মৃত কবির হোসেনের মেয়ে। তিনি বর্তমানে কোম্পানিগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

    ফেসবুক পোস্টে কেয়া লেখেন, ‘যার জন্য করলাম চুরি, সেই বলে চোর! এটা আমার ক্ষেত্রেই যে প্রযোজ্য হবে না, কে বললো?

    আপনারা সবাই জানেন আমি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন দায়িত্বশীল কর্মী ছিলাম। কিন্তু আজকের পর থেকে এই আন্দোলনের সাথে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

    কেয়া আরও লেখেন, ‘আমরা গণঅভ্যুত্থানের পর একটি ফ্ল্যাটফর্মে এসেছিলাম মুরাদনগর থেকে। সেই অভ্যুত্থানে আমাদের হাজারো ভাই-বোন শহীদ হয়েছেন। আমি তাদের রক্তের সাথে বেইমানি করতে পারি না। তাই আমি নিজেই এইসব কিছু থেকে সরে দাঁড়ালাম। শনিবার (২৬ জুলাই) থেকে এই ফ্ল্যাটফর্মের সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না।’

    কেয়া তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন না। তবে দেশের স্বার্থে ও সংস্কারের পক্ষে তিনি সবসময় সংগ্রামে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    তিনি লেখেন, ‘দেশের স্বার্থে আমি সবসময় লড়াই করে যাবো। আমাকে সবসময় দেশের পক্ষে পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।’

     

  •  People for People Uk এর শিক্ষা সহায়িকা সামগ্রী বিতরণ

     People for People Uk এর শিক্ষা সহায়িকা সামগ্রী বিতরণ

    People for People বাঙালি কমিউনিটি কর্তৃক শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আজ বুধবার (২৩/০৭/২৫) ১১ ঘটিকার সময় উদ্দীপন একাডেমির হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

    উদ্দীপন একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তাহের-এর সভাপতিত্বে ও People for People এর সেচ্ছাসেবক ডা. আক্তার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর প্রবেশন অফিসার তমির হোসেন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদ্দীপন একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক সাহেদারা বেগম।

    উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন, People for People এর সেচ্ছাসেবক কবি ও সাংবাদিক ডা. হাফিজুল ইসলাম লস্কর।

    উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, People for People এর সেচ্ছাসেবক ডা. মিনহা ছাদিক মান্না, মারজানা বেগম, উদ্দীপন একাডেমির শিক্ষক- আনোয়ার হোসেন লিটন, মহসিন আহমদ, আঞ্জুমান আরা, জমিরুল হক, সৈয়দ নাছিম আহমদ, রাসেল আহমদ, ফাহিমুর রহমান ফাহাদ, আলীম উদ্দীন, কাউছার আলম।

    উক্ত অনুষ্ঠানে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ থেকে তেলাওয়াত করেন, উদ্দীপন একাডেমির ৬’ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছাব্বির আহমদ।

  • বিপিএমসিএ নির্বাচনে সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিন ও সম্পাদক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন

    বিপিএমসিএ নির্বাচনে সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিন ও সম্পাদক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন

    বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ডা. শেখ মহিউদ্দিন। আর সাধারণ সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন।

    প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ মালিকদের সংগঠনে সভাপতি ও সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন তারা। বুধবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সদস্যরা ভোট প্রদান করেন।

    ডা. মো. মঈনুল আহসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের নির্বাচন বোর্ড এ নির্বাচন পরিচালনা করেন। এই নির্বাচনে ঢাকার বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হয়েছেন। এই নির্বাচনে আফরোজা খান রিতা (মুন্নু মেডিকেল কলেজ) সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিপিএমসিএ’র কার্যনির্বাহী কমিটির সর্বমোট ২১টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    নির্বাচনে ১১০টি ভোটের মধ্যে ৯২টি ভোট কাস্ট হয়েছে। নির্বাচনে সহসভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন সৈয়দ মো. মোরশেদ হোসেন, ডা. গাজী মিজানুর রহমান, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রীতি চক্রবর্তী ও মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ীরা হয়েছেন সাইমুম সাইরাস, উলফাত জাহান মুন, মো. নাজমুল আহসান সরকার ও নীলু আহসান।

    অর্থ সম্পাদক পদে বিজয়ী মো. হাবিবুল হক। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ডা. ‍মুহাম্মদ আব্দুস সবুর। বিভাগওয়ারী সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চট্টগ্রাম বিভাগে রইস আব্দুর রব, রাজশাহী বিভাগে গাজী সেজান তানভীর, সিলেট বিভাগে অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার মোমেন চৌধুরী। আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রাশীদ সাইফুনুল ইসলাম। শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে সামিরা আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন।

    আর নির্বাহী সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের ও ডা. মো. রেফায়েত উল্লাহ শরীফ।