Category: শিক্ষাঙ্গন

  • কালিয়াকৈরে ধর্ম পরীক্ষা দিয়ে কৃষিতে ফেল!

    কালিয়াকৈরে ধর্ম পরীক্ষা দিয়ে কৃষিতে ফেল!

    ধর্ম বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে কৃষি বিষয়ে ফেল করেছেন গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। অথচ গতবছর এসএসসি পরীক্ষার কৃষিতে এ গ্রেড পেয়েছিল সে।

    ওই শিক্ষার্থীর নাম শিশির চন্দ্র মনিদাস। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিল্ডিং মেইনটে-নেন্স ট্রেডে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সে।

    পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, শিশির চন্দ্র মনিদাস ২০২৪ সালে ধর্মে বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। ২০২৫ সালে আবারও ওই পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যায় সে ধর্ম বিষয়ে পাশ করলেও ফেল করেছে কৃষিতে।

    শিক্ষার্থী শিশির বলে, “আমি গতবছর ধর্মে একটি সমস্যার কারণে ফেল করেছি। এ বছর আবার পরীক্ষা দেই। ফলাফলের দেখতে পাই আমি ধর্মে ঠিকই পাশ করেছি কিন্তু কৃষি তে ফেল আসছে। আমি এখন কীভাবে কী করব বুঝতে পারছি না।

    ”ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, “যে বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে সেটায় কৃতকার্য হলেও অন্য একটি বিষয়ে অকৃতকার্য এসেছে। বিষয়টি জানার পর ওই শিক্ষার্থীর কাগজপত্র নিয়ে আজ বোর্ডে যাওয়া হয়েছে। আশা করছি সংশোধন করা যাবে।”

  • সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

    সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

    চাঁদা না দেওয়ায় রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করে যুবদলের কর্মীরা। এই নির্মম ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও শিক্ষার্থী অধিকার আন্দোলন।

    শনিবার (১২ জুলাই) বিকেল ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে তারা মানববন্ধন কর্মসূচিটি পালন করে।

    এসময় রাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী হাসান মারুফ বলেন, ‘গত ৯ই জুলাই একজন যুবদল নেতা কর্তৃক আরেক যুবদল নেতা খুন হয়েছেন। এছাড়াও জুলাই পরবর্তী সময়ে চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও মানুষ হত্যার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    দেশে সরকার, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তাদের কাজ কী? সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারলে, জনগণের টাকায় এসি রুমে বসে তাদের কাজ কী?’

    তিনি আরও বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যদি দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে তাকে অতি দ্রুত ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হবে। ২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে এসব অরাজকতা মেনে নেওয়া হবে না।’

    ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়া শুভ বলেন, ‘২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো ফ্যাসিবাদকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি নতুন করে হাসিনা বা আওয়ামী লীগ হওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। এখনই সময়, নব্য ফ্যাসিবাদের লাগাম টেনে ধরার।’

    এসময় মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

  • যে ভাবে জানা যাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল

    যে ভাবে জানা যাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ প্রকাশ করা হবে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টায় ফল প্রকাশ করা হবে। তবে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মতো এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলও কেন্দ্রীয়ভাবে প্রকাশ করা হবে না।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ১০ জুলাই বেলা দুইটায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

    ফল জানার উপায় ঃ

    ১. অনলাইনে: শিক্ষার্থীরা www.educationboardresults.gov.bd  ওয়েবসাইটে গিয়ে পরীক্ষার সন, বোর্ডের নাম, রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল জানতে পারবে।

    ২. এসএমএসের মাধ্যমে: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে— SSC<স্পেস>বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর<স্পেস>রোল নম্বর<স্পেস>সাল উদাহরণ: SSC DHA 123456 2025 এবং পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে।

    ৩. প্রি-রেজিস্ট্রেশন (মাদ্রাসা বোর্ডের জন্য): এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে হলে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। প্রি-রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম হলো: Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে MAD লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং সাল লিখে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: Dakhil MAD 123456 2025। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই প্রি-রেজিস্টার করা নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফল পৌঁছে যাবে।

    ৫. প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল: প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল ডাউনলোড করা যাবে।

    গত ১০ এপ্রিল সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ১৩ মে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ থেকে ২২ মে মধ্যে হয়। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষায় ১৯ লাখ ২৮ হাজার ১৮১ শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছিল। তবে ৩০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী এক বা একাধিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনের  নির্দেশ মাউশির

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনের নির্দেশ মাউশির

    দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজকে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ দিবস ও ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ’ দিবস উদযাপনে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

    বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশ জারি করে মাউশি।

    এ সংক্রান্ত চিঠি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিবছর ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস (সাধারণ ছুটিসহ) হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং উক্ত তারিখ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১নং সূত্রোক্ত পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    সরকার প্রতিবছর ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং উক্ত তারিখ জুলাই শহীদ দিবস হিসেবে পালনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১নং পরিপত্রের ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সম্প্রতি ঘোষিত ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ পালন না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।।

    এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দিন ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ঘোষণা করছিল। পরে বিভিন্ন পক্ষ থেকে আপত্তি ও প্রতিবাদের মুখে সিদ্ধান্তটি বাতিল করে সরকার।

  • তাজউদ্দীন কলেজের নাম পরিবর্তন নিয়ে সোহেল তাজের প্রতিক্রিয়া

    তাজউদ্দীন কলেজের নাম পরিবর্তন নিয়ে সোহেল তাজের প্রতিক্রিয়া

    দেশের ৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যার মধ্যে রয়েছে গাজীপুরের কাপাসি-য়ায় অবস্থিত সরকারি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজের নাম। এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু বলার নাই।

    কারণ, আমার বাবা এবং মা এই দেশ এবং এই দেশের মানুষকে অনেক ভালোবাসতেন। আর তাই এই দেশের জন্য অনেক ত্যাগ করেছেন কিছু পাওয়ার জন্য না- তাই ওনাদের কর্মের স্বীকৃতি এই দেশ কোনোদিন যদি নাও দেয়- ইটস ওকে। বাংলাদেশ ভাল থাকলেই হল।’

    কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, ‘মুছে যাক আমার নাম, তবু বেঁচে থাকুক বাংলাদেশ’- তাজউদ্দীন আহমদ।

    শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ আমাদের কাপাসিয়ার গর্ব ও অহংকারের নাম! বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ সাহেবের পরিবার এবং ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ্ সাহেবের পরিবার এটা আমাদের কাপাসিয়ার ঐতিহ্য।

    সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, আজ ৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে তালিকার ৩৬ নম্বর কলেজের নামটি সরকারি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ। এই নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম ঠিক করা হয়েছে, কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ।

    তিনি লিখেছেন, বোঝার সুবিধার্থে জানিয়ে রাখি কলেজটি অবস্থিত গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের গ্রামের বাড়ি দরদরিয়া থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে হাইলজোর গ্রামে।

    কলেজটি যখন সরকারিকরণ করা হয় তারও  অনেক আগে থেকেই এই কলেজের নামকরণ করা হয় ‘শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ’ এবং এই নামেই কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়, যার আগে নাম ছিল ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ হাইলজোর।

    সোহেল তাজ লিখেছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হওয়ার ৯ মাসের মাথায় দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম বাদ দিয়ে নতুন নাম দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছে বর্তমান সরকার। যার ফলে আমরা এখন নতুন নাম পেয়েছি ‘কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ’।

    আপনাদের সুবিধার্থে আরও একটি তথ্য জানিয়ে রাখি, কাপাসিয়া সদরে কিন্তু আরো একটি ডিগ্রি কলেজ আছে। তার নামও ‘কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ’ (সরকারি হয় নাই এখনও)।

    তিনি আরও লিখেছেন, কথা হচ্ছে, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের নাম বাদ দিয়ে নতুন নামের কারণে কী কী সুবিধা আমরা পাব! স্বাধীনতা যুদ্ধের এই মহানায়কের নাম বাদ দেওয়ার উদ্দেশ্যই বা কী? কর্তৃপক্ষ কি এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা দিতে পারবে?

    সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, আসলে নাম পরিবর্তনেই বা কী আসে যায়, যেখানে আমাদের নেতা তাজউদ্দীন আহমদ বলে গিয়েছেন, ‘মুছে যাক আমার নাম, তবু বেঁচে থাকুক বাংলাদেশ’। আর এইটা তো একটা কলেজ মাত্র। তবে দুঃখ লাগে! তাও লাগতো না, যদি না কলেজটি অন্য কোনো জায়গায় হতো৷ কলেজটি যে তাজউদ্দীন আহমদের নিজ ইউনিয়নে।

    তিনি লিখেছেন, সারাদেশে যখন শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ভাঙা হচ্ছিল, তখন তাজউদ্দীন আহমদ চত্বরে উনার ম্যুরালে মালা পরিয়ে ছিল ছাত্র-জনতা!

    বিগত ৫৪ বছরের নাম নিয়ে কাপাসিয়ায় কোনো অপরাজনীতির ইতিহাস নেই উল্লেখ করে তাজউদ্দীনপুত্র আরও লিখেছেন, কেবল চোখে পড়ছে! এরা কারা, কী স্বার্থ তাদের?

    সবশেষে তিনি লিখেছেন, আমি এতো কিছু জানি না, এতো কিছু বুঝি না। তবে আমি এই কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।

  • দাবি আদায় না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে-সহকারী শিক্ষক ঐক্য পরিষদ

    দাবি আদায় না হওয়া পযর্ন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে-সহকারী শিক্ষক ঐক্য পরিষদ

    চাকরির শুরুতে ১১তম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সোমবার থেকে তাদের এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এতে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গেছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে এক কোটিরও বেশি শিশু শিক্ষার্থী।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এবার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দেরিতে পাঠ্যবই পেয়েছে। পুরোদমে ক্লাস শুরু করতেও এক-দেড়মাস দেরি হয়েছে। মে মাসের শুরু থেকে কখনও এক ঘণ্টা, কখনও দুই ঘণ্টা, আবার অর্ধদিবস কর্মবিরতি করেছেন শিক্ষকরা। সামনে ঈদুল আজহার ছুটি। ৩ জুন থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত ঈদ ও গরমের বন্ধ থাকবে। ফলে বছরের অর্ধেক সময় পার হলেও পর্যাপ্ত ক্লাস করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।

    এ ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি  (এস ১২০৬৮ ) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক জনাব আবুল কাশেম বিদ্যুৎ বলেন. শিক্ষাকার্যক্রম বিঘ্ন বা কোমলমতি শিশুদের পড়া-লেখা থেকে দুরে রাখা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে শেষ পর্যন্ত এই পথে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছি। গত ১৯/০২/২০২০ ইং সালে আমাদেরকে ১৩তম গ্রেডে উন্নতি করা হলেও সু-কৌশলে টাইম স্কেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগে আমরা ৩টি টাইম স্কেল পেতাম। বর্তমানে ২টি টাইম স্কেল দেওয়ার কথা বলা হলেও  অদ্যবদি তা কার্যকর করা হয়নি-যা ভাওতাবাজী ছাড়া কিছুই নয়।

    তিনি আরো বলেন, আমরা অনেকেই ১৫, ১৪, ১৩ বছর চাকুরী করে ১৩তম গ্রেডে উন্নত হলেও প্রাপ্ত টাইম স্কেল কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই বৈষম্য দুর না হওয়া পর্যন্ত আমরা  আনন্দেলন চলিয়ে যাব।

    এদিকে, কর্মবিরতির ডাক দেওয়া প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের নেতারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের ক্ষতির মুখে ঠেলে দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। তারা ধারাবাহিকভাবে দাবি জানিয়ে আসলেও সরকার তাদের দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে তারা টানা কর্মবিরতি কর্মসূচি দিয়েছেন।

    বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সবশেষ তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ৬৮৫ জন। তাদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে এক কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৫ জন। অর্থাৎ, প্রাথমিকের মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৫৬ শতাংশই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

    ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রমকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে দাবি আদায়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে একবার আমরা বসেছি, সেখানে আমরা তেমন কোনো প্রতিশ্রুতি পাইনি। বাধ্য হয়ে কর্মবিরতির মতো কর্মসূচিতে নেমেছি আমরা। আশা করি, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

  • বেরোবিতে যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকরা বহাল, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

    বেরোবিতে যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষকরা বহাল, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

    রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠলেও এখনো পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

    অভিযুক্ত শিক্ষকরা যথারীতি অফিস করছেন, নিচ্ছেন ক্লাস ও পরীক্ষা। এতে অনেক শিক্ষার্থী নিরাপত্তাহীনতা ও বিব্রতবোধ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবন ও এক ছাত্রীর কথোপকথনের অডিও ফাঁস হয়।

    পরে ২৪ এপ্রিল আরও এক প্রাক্তন ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর ই-মেইলের মাধ্যমে মানসিক নির্যাতন, যৌন হয়রানি ও মার্ক টেম্পারিং-এর অভিযোগ আনেন।

    এছাড়া পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশীদুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক অতুল চন্দ্র সিংহ-এর বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানি ও নম্বর কম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

    ১৭ এপ্রিল একদল শিক্ষার্থী উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। ১৯ এপ্রিল একটি অভিযোগভিত্তিক ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত স্ক্রিনশটে শিক্ষক-ছাত্রীর কথোপকথনের কিছু অংশ ভাইরাল হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মার্ক টেম্পারিংয়ের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই প্রতিবেদন জমা পড়ে। তবে যৌন হয়রানির বিষয়ে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও এখনো পর্যন্ত সেগুলোর কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ পায়নি।

    অভিযুক্ত ড. তানজিউল ইসলাম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের পদ থেকে পদত্যাগ করলেও এখনো বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা নিচ্ছেন তিনি।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের ক্লাস নেওয়া ও প্রশাসনিক কাজে সম্পৃক্ত থাকা আমাদের জন্য মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

    পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী খোকন ইসলাম বলেন, “যথেষ্ট প্রমাণ থাকার পরও প্রশাসন কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেয়নি। মৌখিকভাবে ক্লাস থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবে প্রয়োগ হচ্ছে না।”

    গত ১২ মে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    এই বিষয়ে যৌন হয়রানির তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. মোছাঃ সিফাত রুমানা কোনো মন্তব্য দিতে রাজি হননি। অপরদিকে, ড. রশিদুল ইসলাম-এর বিরুদ্ধে গঠিত কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর মো. ফেরদৌস রহমান জানান, “প্রতিবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। জমা দেওয়ার পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “আমি এখনো রিপোর্ট পাইনি। রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।”

    শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নিরাপদ ও সম্মানজনক শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত হয়।

  • ফের মাঠে নামছে ৭ কলেজ

    ফের মাঠে নামছে ৭ কলেজ

    গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই যেন আন্দোলনের নগরী হয়ে উঠেছে ঢাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের ৯ মাস পেরিয়ে গেছে, এখনও প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজপথে নামতে দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-গোষ্ঠিকে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদেরকে।

    সবশেষ আবাসনের নিশ্চয়তাসহ তিন দফা দাবিতে মাঠে নামতে দেখা গেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে; আন্দোলন সফল করে ঘরেও ফিরে গেছেন তারা।

    এবার নিজেদের ৫ দফা দাবি নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণা দিলেন ঢাকার সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। মূলত, এই সাত কলেজকে একত্রিত করে বিশ্ববিদ্যালয় করার ঘোষণা দেওয়া হলেও নাম প্রস্তাব ছাড়া আর কোনও অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরা।

    দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন নিয়োগসহ পাঁচ দফা দাবি না মানলে আগামী ১৯ মে থেকে আবারও মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। আজ শনিবার ইডেন মহিলা কলেজে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এসেছে এ ঘোষণা।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের দেওয়া পাঁচ দফা দাবি হলো– রোববারের (১৮ মে) মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে; অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন নিয়োগের পর সেশনজট নিরসনসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে ও অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার বানাতে হবে; ভুতুড়ে ফলের সমাধান, বিভিন্ন ইস্যুতে অতিরিক্ত ফি আদায় এবং যাবতীয় অসঙ্গতিগুলো স্পষ্টভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে; অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন নিয়োগের পরবর্তী দুই কার্যদিবসের মধ্যে ২৪-২৫ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের উদ্যোগ নিতে হবে, এবং আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়য়ের রূপরেখা, লোগো মনোগ্রাম প্রকাশ করতে হবে। সর্বশেষ আগামী ১৬ জুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। একইসঙ্গে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাজেটে নির্ধারণ করতে হবে।

    শিক্ষার্থীরা বলেন, আগামী রবিবারের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি না হয়, তাহলে ১৯ মে থেকে মাঠের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন তারা।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে শিক্ষককে জুতাপেটার অভিযোগ !

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে শিক্ষককে জুতাপেটার অভিযোগ !

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে একদল নারী অভিভাবক আব্দুল জব্বার নামে এক শিক্ষককে জুতাপেটা করেছেন বলে অভিযোগ।বুধবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মধুপুরের আকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে ঢুকে তারা ওই শিক্ষকের ওপর হামলা করেন। ভুক্তভোগী আব্দুল জব্বার ওই বিদ্যালয়েল প্রধান শিক্ষক।

    অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার স্কুলে ক্লাস করানোর সময় তাদের মেয়েদের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেছেন।

    এ ব্যাপারে অবিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার বলেন, “আমার মেয়েকে স্থানীয় এক যুবক উত্ত্যক্ত করতো। তাকে বিভিন্ন সময়ে বুঝানো হয়েছে। কথা না শুনায় তাকে শাসন করা হয়েছিল। সেই ছেলে ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তদন্ত করলে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
    তিনি আরো বলেন, আমি শিক্ষার্থীদেরকে সন্তানের মতো দেখি। সেভাবেই আদর-শাসন করি। তদন্ত করে সঠিক বিষয়টি বের করার জন্য ঊর্ধ্বতনদের আহ্বন জানাচ্ছি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রধান শিক্ষক হিসেবে আকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বছর এপ্রিল মাসে যোগ দেন আব্দুল জব্বার। বুধবার দুপুরে হঠাৎ করেই একদল নারী স্কুলে প্রবেশ করে তার কক্ষে যান। তারা আব্দুল জব্বারকে আক্রমণ করেন।

    এসময় সহকারী শিক্ষক সাজেদা বেগমসহ কয়েকজন প্রধান শিক্ষককে রক্ষার চেষ্টা করেন। ফলে শিক্ষকদের ওপর ক্ষিপ্ত হন হামলাকারীরা। পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।

    মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া ঘটনাস্থলে যান। তিনি ওই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে অভিভাবকদের আশ্বস্ত করেন।

    মধুপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

  • জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সংগীত বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী প্রত্যাশা মজুমদার। পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার এলাকায় এক মেস থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) মেস থেকে প্রত্যাশার মরদেহ উদ্ধার করেছেন সহপাঠীরা। পরে তাকে মিডফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মিটফোর্ড হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজীব বলেন, প্রত্যাশার মৃত্যু হয়েছে গলায় ফাঁস লাগানোর কারণে। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

    এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাব্য নামে প্রত্যাশার এক বন্ধুকে এক পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

    প্রত্যাশার সহপাঠীরা জানিয়েছেন, ২০২১ সাল থেকে কাব্যর সঙ্গে প্রত্যাশার বন্ধুত্ব। মেসের আরেক সদস্য সোনালী সাহা বলেন, ঘটনার সময় আমি মেসে ছিলাম না। ফোন পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ঝুমুর বলেন, মেয়েটা বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আমার সাথেই ছিল। এরপরই শুনি এই দুঃসংবাদ।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তাজাম্মুল হক বলেন, প্রত্যাশার মৃত্যুর খবর আমরা পেয়েছি। এ ঘটনায় কাব্য নামের এক যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।