Category: সারাদেশ

  • সাটুরিয়ায় ৪ বছরেও শেষ হয়নি বালিয়াটি-দিমুখা সড়ক সংস্কার !

    সাটুরিয়ায় ৪ বছরেও শেষ হয়নি বালিয়াটি-দিমুখা সড়ক সংস্কার !

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি চৌরাস্তা থেকে দ্বিমুখা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির সংস্কার কাজ গত চার বছরেও শেষ হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তার কাজ ফেলে রাখায় ধুলোবালি আর খানাখন্দে একাকার হয়ে পড়েছে জনপথটি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় কয়েক হাজার বাসিন্দা ও  চলাচলকারী যাত্রী সাধারন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বিটুমিন ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কাজ অর্ধেক করে ফেলে রাখা হয়েছে, আবার কোথাও স্তূপ করে রাখা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী। এতে করে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি কাদায় সয়লাব হয়ে যাচ্ছে। আবার অতি রোদে ধুলার কারণে আশপাশের দোকানদার ও পথচারীদের শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধসমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় চার বছর আগে সংস্কার কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে কাজ থমকে আছে।

    স্থানীয় এক ভুক্তভোগী বলেন, “সামান্য কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ঠিক করতে যদি চার বছর লাগে, তবে আমাদের কষ্টের সীমা কোথায়? রোগী নিয়ে এই পথে হাসপাতালে যাওয়া এখন যমদূত দেখার সমান।”

    যানবাহন চালকদের দাবি, ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে প্রতিনিয়ত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিশেষ করে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি দেখতে আসা পর্যটকরা এই রাস্তার দুরবস্থা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

    এ বিষয়ে স্থানীয় প্রকৌশলী জানান, “ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।”

    তবে কর্তৃপক্ষের এমন গৎবাঁধা আশ্বাসে আর আস্থা রাখতে পারছেন না সাটুরিয়াবাসী। তারা দ্রুত এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

  • সরকার দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে বদ্ধপরিকর-প্রধানমন্ত্রী

    সরকার দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে বদ্ধপরিকর-প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিক সরকার দেশকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে বদ্ধপরিকর। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলা একাডেমি আয়োজিত ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বইমেলা কেবল বই বেচাকেনার উৎসব নয়; এটি জাতির মেধা ও মননের প্রতীক। এ আয়োজন জাতিকে আরও বইমুখী করবে এবং নিয়মিত পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৮ সালে শুরু হওয়া অমর একুশে বইমেলা এখন জাতির সাংস্কৃতিক চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির শুরুতেই মেলা আয়োজনের কথা থাকলেও চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এ বছর কিছুটা বিলম্বে শুরু হয়েছে।

    প্রকাশনার মান ও পাঠাভ্যাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলার পরিসর বাড়লেও গবেষণা ধর্মী বইয়ের প্রকাশ ও মানুষের নিয়মিত বই পড়ার প্রবণতা একই হারে বাড়ছে কি না—তা নিয়ে ভাবার অবকাশ রয়েছে।

    বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি রোমান দার্শনিক মার্কাস টুলিয়াস সিসেরো-র উক্তি উদ্ধৃত করেন—“বই ছাড়া ঘর আত্মা ছাড়া দেহের মতো।” তিনি বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত বই পড়া মস্তিষ্কের কোষে নতুন সংযোগ তৈরি করে, স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ায় এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

    তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহার তরুণদের বইবিমুখ করতে পারে। যদিও ডিজিটাল মাধ্যমে বই পড়ার সুযোগ রয়েছে, তবে দীর্ঘ সময় পর্দায় থাকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কেও সচেতন থাকা প্রয়োজন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল উৎসব নয়—এটি নিয়মিত পাঠাভ্যাস তৈরির অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে পালিত একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি প্রস্তাব করেন, ভবিষ্যতে ‘অমর একুশে বইমেলা’কে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। এতে বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং বিভিন্ন ভাষা-সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার সুযোগ বাড়বে।

    বইমেলাকে সারা বছর বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আয়োজনের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে প্রকাশকদের পাশাপাশি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।

    বাংলা একাডেমির গবেষণাবৃত্তি, তরুণ লেখক প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সেমিনারের কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি অনুবাদ কার্যক্রম আরও জোরদারের আহ্বান জানান।শেষে প্রধানমন্ত্রী অমর একুশে বইমেলা ও একুশে অনুষ্ঠানমালা ২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

  • ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করল সরকার

    ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করল সরকার

    নবগঠিত বিএনপি সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নতুন মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেওয়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ আসল এবং সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। পরে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে এ সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী কৃষি, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদন্ডকে শক্তিশালী করা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ কৃষকদের কাছে পাওনা রয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৫০ কোটি টাকা যা এ মওকুফের আওতাভুক্ত হবে।

    এ সময় তিনি বলেন এ ঋণ মওকুফ করা হলে আনুমানিক ১২ লাখ কৃষক প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হবে। এটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

    মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয় থেকে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশের পদক প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

    পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রয়াস হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের মাল্টি পারপাস হলে আয়োজিত শহীদ দিবসের এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানার এই কালো দিনটিকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা কেবল সরকারের নয়, বরং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।

    প্রধানমন্ত্রী সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন,আমি আজ এখানে কেবল একজন জনপ্রতিনিধি বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসিনি; একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি। দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফেরার পরপরই আমি যখন বনানী কবরস্থানে শহীদদের কবরের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, তখনই অনুভব করেছি যে গত ১৭ বছর ধরে বিচারের আশায় শহীদ পরিবারের সদস্যরা কতটা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। তাদের এই দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বঞ্চনা জাতির জন্য অত্যন্ত বেদনার।

    তারেক রহমান পিলখানা ট্র্যাজেডিকে জাতীয় নিরাপত্তার এক বড় চ্যুতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সেনাবাহিনী যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্বের প্রধান প্রতীক। পিলখানায় সেনা কর্মকর্তাদের ওপর যে পৈশাচিক হামলা চালানো হয়েছিল, তা মূলত আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে ভঙ্গুর করার একটি নীল নকশা ছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার যে মারাত্মক দুর্বলতা সেদিন ফুটে উঠেছিল, তা পূরণ করা জরুরি।

    তিনি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে এই দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে শহীদদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী দেশের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত এবং শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কখনোই কোনো বহিঃশত্রু বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রকারী দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার সাহস না পায়। সেনা পরিবারগুলোর কল্যাণে এবং পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারিক প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে তার সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    মো. মোস্তাকুর রহমান একজন যোগ্যতাসম্পন্ন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ)। ৩৩ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি এ সেক্টরে কাজ করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবরক্ষণ বিভাগ থেকে বি.কম (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

    মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশনস অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অফ বাংলাদেশ (এটিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজসহ (ডিসিসিআই) বিভিন্ন পেশাদার ও শিল্প সংগঠনের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

  • সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে ওলামা দলের অভিনন্দন

    সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে ওলামা দলের অভিনন্দন

    সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নবনিযুক্ত প্রশাসক এবং সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল। সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিসিক কার্যালয়ে গিয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ওলামা দলের নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত প্রশাসকের সাফল্য কামনা করেন এবং নগরীর উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    ​অনুষ্ঠানে জেলা ও মহানগর ওলামা দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

    • হাজী মো: হেলাল উদ্দিন আহমেদ (উপদেষ্টা, সিলেট জেলা বিএনপি)
    • মাওলানা কাজী মো: নূরুল হক (আহ্বায়ক, সিলেট জেলা ওলামা দল)
    • মাওলানা কামাল উদ্দিন (সদস্য সচিব, সিলেট জেলা ওলামা দল)
    • মাওলানা মাশহুদ আহমদ (সদস্য সচিব, সিলেট মহানগর ওলামা দল)
    • মাওলানা মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, জেলা ওলামা দল)
    • হাফিজ মাওলানা কবি হাফিজুল ইসলাম লস্কর (যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর ওলামা দল)
    • মাওলানা নুমান আশরাফী (যুগ্ম আহ্বায়ক, মহানগর ওলামা দল)

    ​এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, হাফিজ ফারুক আহমদ, মাওলানা সজিব আহমদ, আশিক আব্দুল্লাহ, ক্বারী মোশাহিদ আলী এবং রাজন আহমদসহ সংগঠনের অন্যান্য স্তরের নেতাকর্মীরা।

  • সাটুরিয়ার চাচিতারায় সিনজেন্টা কোম্পনীর ‘কৃষক ক্যাম্পিং’ অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ার চাচিতারায় সিনজেন্টা কোম্পনীর ‘কৃষক ক্যাম্পিং’ অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশে। কৃষির উন্নতিতেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন নির্ভর করে। গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লাগাতার কৃষির আধুনিকীকরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারী কোম্পানী গুলো দেশের কৃষিজ পন্যের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের নিরন্কুশ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। কি ভাবে প্রতিকুল পরিবেশ থেকে কৃষিজ ফলনকে রক্ষা করা যায় তা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়তই কৃষকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। বাংলাদেশে যতগুলো কৃষক ও কৃষিজ উৎপাদন সহযোগি সংগঠণ রয়েছে তার মধ্যে সিনজেন্টা অন্যতম।

    সিনজেন্টা বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি, ফসলের সুরক্ষা এবং উচ্চফলনশীল বীজের বিষয়ে সচেতন করতে নিয়মিত কৃষক সমাবেশ, মাঠ দিবস ও ক্যাম্পিং আয়োজন করে থাকে। এর মাধ্যমে তারা ক্ষতিকর পোকা দমন, সঠিক শস্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই কৃষি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। এরই ধারা বাহিকতায় আজ বধুবার সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নে আবুল ডিলারের বাড়ীতে কৃষি উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি, ফসলের সুরক্ষা এবং অধিক ফসল উৎপাদন ও সঠিক পদ্ধতিতে কীটনাষক ও ভিটামিন ব্যবহারের অধিক ফলন সম্পর্কীত সচেতনতা মূলক ক্যাম্পিং পরিচালনা করেন।

    উক্ত ক্যাম্পিংয়ে সাটুরিয়া এরিয়ার সিনজেন্টার মাকেটিং ডেভোলপার মোঃ রাশেদুল ইসলাম উপস্থিত কৃষদেরকে মাঝে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার ঔষধ সামগ্রীর গুণগতমান, প্রয়োগের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তার ব্যাখা প্রদান করেন।

    তিনি বলেন, আমাদের কোম্পানীর উৎপাদিত ম্যাগমা অত্যন্ত ভালমানের ম্যগনেশিয়াম যা উৎপাদিত পণ্যের পাতাকে সবুজ, কুকড়ানো রোধ ও মোছা হলুদ বা লাল বর্ণ থেকে রক্ষা করে। বিংগো-প্রয়োগে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি, শীষে দানা বড় ও ধানের কালার উজ্জল করে। তাছাড়া ইনসিপিয়ো মাজরা পোকা দমনে অত্যন্ত কার্যকারী একটি প্রডাক্ট। একই সাথে গ্লোজিন ধানের শেকড় বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ এবং ফলনের হার বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

    তিনি আরো বলেন, সিনজেন্টা উৎপাদিত থিয়োভিট অত্যন্ত কার্যকারী একটি প্রডাক্ট যা গাছকে মোটা-তাজাকরন, গাছের কুশি এবং শেকড় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। লেজার আগাছা পরিস্কার এবং ফিলিয়া ধানের যে কোন প্রকার ব্রাষ্ট দমনে একটি কার্যকারী ঔষধ।

    প্রায় অধঃশত কৃষকদের মাঝে তার এই উপস্থাপনা কৃষকদের কষিজ পন্য উৎপাদন বৃদ্ধি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে উপস্থিত কৃষকরা অভিমত ব্যক্ত করেন। এই সময় সিনিয়র সিনজেন্টার মাকেটিং ডেভোলপার নাজমুল হাসান উপস্থিত কৃষকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    তৎপর কোম্পনীর পক্ষ থেকে উপস্থিত সকল কৃষকদের মাঝে ইফতার উপলক্ষে্য বিরানীর প্যাকেট বিতরন করা হয়।

  • অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত আমরা:- ব্যারিস্টার আরমান

    অধিকার আদায়ে প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত আমরা:- ব্যারিস্টার আরমান

    ঢাকা–১৪ নং আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেছেন, মানুষের সাংবিধানিক অধিকার আদায়ে আমরা আপোষহীন থাকবো, প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি।

    তিনি আজ শনিবার দুপুরে নিজ জেলা মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে শহীদ পিতা মীর কাসেম আলী–এর কবর জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

    ব্যরিস্টার আরমান বলেন, “সাংবিধানিক অধিকার আদায়ে আমরা আপোষহীন থাকবো। অধিকার আদায়ের জন্য প্রয়োজন হলে জীবন দিতেও প্রস্তুত আছি। আমরা জান দিব, তবু জুলাই দিব না।

    ”তিনি আরও বলেন, “শহীদ হাদি ভাইয়ের বিচার এ মাটিতেই হতে হবে। আবু সাঈদের বিচারও এই মাটিতেই হতে হবে।” তিনি দাবি করেন, “আমরা শহীদের বংশধর। অধিকার আদায়ের জন্য আমরা লড়ে যাব। আমাদের উদ্দেশ্য লক্ষ্যে পৌঁছানো—হয়তো মরে যাবো, তবুও পিছু হটবো না।”

    পিতার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমার পিতা শহীদ মীর কাসেম আলীকে শহীদ করার কয়েকদিন আগে আমাকে ফ্যাসিস্ট সরকার গুম করে নিয়ে যায়। আল্লাহর অশেষ কৃপায় মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আমি যেন এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি—সবার কাছে সে দোয়া চাই।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যক্ষ মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন, জেলা জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম, হরিরামপুর উপজেলা আমির হাফেজ লোকমান হোসেন এবং উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ ফারুক হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।কবর জিয়ারত শেষে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়ও করেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।

    এর আগে সকালে হরিরামপুরের আন্ধার মানিক দারুল আমান ট্রাস্টের একমত বিনিময় সময় উপস্থিত হন। সেখানে ব্যারিস্টার আরমানকে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়।

  • মহান ভাষা দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান ভাষা দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে রাত ১২টায় পৃথকভাবে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন তারা।

    ২১ ফেব্রুয়ারি শুধু বাংলা ভাষার রক্তঝরা আন্দোলনের স্মারক নয়; এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো দিবসটি পালন করে থাকে। সব দেশের ভাষা আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে।

    কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রথম পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি। তারপর শ্রদ্ধা ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। দুজনেই সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে নীবরতা পালন করেন।

    এ সময় মাইকে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ গানটি বাজানো হয়। হৃদয়ছোঁয়া সুরের এই গানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ শ্রদ্ধাবনত এক আবহ তৈরি হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষা শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম।

  • নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ সুইড পররাষ্ট্রমন্ত্রীর !

    নাগরিকদের দ্রুত ইরান ছাড়ার নির্দেশ সুইড পররাষ্ট্রমন্ত্রীর !

    যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে ইরান ছাড়ার জন্য নিজ দেশের নাগরিক দের নির্দেশ দিয়েছে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনগার্ড।  শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে স্টেনগার্ড বলেন, “ইরান ও অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত অনিশ্চিত। এ অবস্থায় ইরান সফর এড়িয়ে যাওয়া উচিত এবং দেশটিতে থাকা সুইডিশ নাগরিকদের দ্রুত চলে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

    তিনি আরও বলেন, এখনও আকাশপথ ও স্থল সীমান্ত দিয়ে ইরান ত্যাগ করা সম্ভব। সুযোগ থাকা অবস্থাতেই দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেন তিনি। যারা সেখানে থাকার সিদ্ধান্ত নেবেন, তাদের নিজ দায়িত্বে থাকতে হবে বলেও উল্লেখ করেন। সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

    পারমাণবিক ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে রয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানকে চাপে রাখতে ‘সীমিত সামরিক হামলা’ বিবেচনা করছে হোয়াইট হাউস।

    তিনি সতর্ক করেন, তেহরানকে অবশ্যই একটি ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে, না হলে “খারাপ কিছু ঘটতে পারে”।

    এদিকে রয়টার্স মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টাও পরিকল্পনার অংশ হতে পারে।

    বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি বাজারে পড়বে।