Category: সারাদেশ

  • বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হলেন আফরোজা খানম রিতা

    বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হলেন আফরোজা খানম রিতা

    ভূমিধস বিজয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হলেন মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে জন-নন্দিত নেত্রী আফরোজা খানম রিতা। স্বাধীনতার ৫৫ বছরে তিনিই মানিকগঞ্জের প্রথম মহিলা মন্ত্রী ও এমপি। জন-নন্দিত এই নেত্রী আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসাবে শপথ নেন। আফরোজা খান রিতা মন্ত্রী হওয়ায় জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীসহ মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ আনন্দিত ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে।

    আফরোজা খান রিতা প্রয়াত শিল্পপতি হারুণার রশিদ খান মুন্নুর মেয়ে। হারুণার রশিদ খান মুন্নুর ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্পোয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা। মূলতঃ বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন আফরোজা খান রিতা ।

    বিশেষ করে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে জেলার নির্যাতিত বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠণের নেতৃবৃন্দদের কাছে তিনি ছিলেন ত্রার্নকর্তা। দুর্রাচারদের রাজনৈতিক ছোবল থেকে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের মাতৃস্নেহে আগলিয়ে রেখেছিলেন। দলের প্রতি তার দীর্ঘ আনুগত্য এবং কর্মীদের প্রতি সহনশীল-মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে সফলতার চূড়ান্ত সীমায় পৌছিঁয়ে দিয়েছে।

    আফরোজা খান রিতা ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরের বছর ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অদ্যম স্পৃহাতে তিনি লুটেরা শাসকদের আমলে বেশ কয়েকবার গণতন্ত্রের বিজয়ের জন্য জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে অংশ নেন।

    ২০২১ সালে দলের কাউন্সিলের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ ভোট পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২রা ফেব্রুয়ারি আফরোজা খানমকে আহ্বায়ক করে জেলা বিএনপির সাত সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি। মূলতঃ তার নেতৃত্বেই এ জেলায় বিএনপি ঘুরে দাঁড়ায় ।

    জেলা বিএনপিতে আফরোজা খান রিতার একজন পরীক্ষিত নেত্রী। এই ব্যাপারে জেলা বিএনপির কার্যনিবার্হী পরিষদের সদস্য এ্যাড. নূর তাজ আলম বাহার বলেন, আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হয়েছেন, এ খবরে শুধু দলের নেতা-কর্মীই নন, পুরো জেলাবাসীই আনন্দিত ও গর্বিত। আমি মনে করি উঁনি মন্ত্রী হওয়াতে মানিকগঞ্জ জেলায় প্রচুর উন্নয়ন মূলক কাজ হবে। মানিকগঞ্জ ঢাকার খুব কাছের জেলা হয়েও বিগত সময়ে কোনো উন্নয়ন হয়নি। আমরা দৃঢ়চিত্তে বলতে পারি, আফরোজা খানম রিতা অবহেলিত এই জেলাকে একটি মডেল জেলা হিসাবে গড়ে তুলবেন’।

    ‎উল্লেখ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।

     

     

  • বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হলেন যারা

    বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হলেন যারা

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হয়। বিকেল ৪টার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথম ধাপে ২৫জন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন।

    প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও পরে ২৫ জন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা-
    ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ
    ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ
    ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
    ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
    ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু
    ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
    ৯. মিজানুর রহমান মিনু
    ১০. নিতাই রায় চৌধুরী
    ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির
    ১২. আরিফুল হক চৌধুরী
    ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন
    ১৪. আফরোজা খানম রিতা
    ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু
    ১৭. মো. আসাদুজ্জামান
    ১৮. জাকারিয়া তাহের
    ১৯. দীপেন দেওয়ান
    ২০. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন
    ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল
    ২৩. শেখ রবিউল আলম
    ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এবং
    ২৫. ড. খলিলুর রহমান।

    এদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও ড. খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায়।

  • প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামীর আমির বিভিন্ন দেশের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জয়লাভ করা বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন।

    এছাড়া ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। যাদের মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জনকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি। এবারের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আছে অনেক, যারা আগে কখনও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হননি।

    প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেওয়া নেতাও আছেন। মন্ত্রীদের ২৫ জনের মধ্যে ১৭ জনই নতুন মুখ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ট্রাক আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ট্রাক আটক

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজাসহ এক ট্রাক ড্রাইভার আটক হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ট্রাক ড্রাইভার মোঃ আজাদ আলী (৩০), জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের মোঃ আজিজুল হক এর ছেলে।

    র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ চাঁপাই-নবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা ও সেনাবাহিনীর যৌথ আভিযানিক দল ০৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ২টার দিকে ১টি মালবাহী ট্রাক এবং ট্রাকের ডালার ভিতর রক্ষিত ১৮ কেজি অবৈধ মাদক গাঁজা উদ্ধার করে।

    এসময় মাদক কারবারী ট্রাক ড্রাইভার মোঃ আজাদ আলী ’কে গ্রেফতার করা করে। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • সবার আগে বাংলাদেশ-তারেক রহমান

    সবার আগে বাংলাদেশ-তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের রক্ত, ত্যাগ ও আন্দোলনের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পথে হাঁটতে প্রস্তুত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক খেলার মাঠে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের পক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, গত ১৬ বছরে এবং বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে হাজারো মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি। সেই অধিকার প্রয়োগ করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানাই।

    বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে প্রতিটি মা ও গৃহিণীর জন্য ন্যূনতম আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে পরিবারগুলো ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। একইভাবে কৃষকদের জন্য ‘কৃষিকার্ড’ চালু করে সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

    তরুণ সমাজের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে দেশব্যাপী কারিগরি, আইটি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিদেশগামী কর্মীদের জন্য স্বল্পসুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তাদের পৈতৃক জমি বিক্রি করতে না হয়।

    স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তিনি বলেন, সরকার গঠন করলে শহর ও গ্রাম মিলিয়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী ও শিশুরা ঘরে বসেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

    বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ- ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানজনক ভাতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

    শেষে তারেক রহমান ঢাকা-১৭সহ সারা দেশের ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশ আমাদের, দেশ গড়ার দায়িত্বও আমাদেরই। করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

  • ডিসিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তোলপাড় !

    ডিসিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তোলপাড় !

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি)  রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গোপন তথ্য ফাঁস হয়েছে। ওই নথিতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের নাম, বিসিএস ব্যাচ এবং তাঁদের কথিত রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে—যা মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

    ফাঁস হওয়া নথিতে প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ‘বিএনপি’, ‘জামায়াত’ ও ‘এনসিপি (NCP)’—এই তিন রাজনৈতিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। নথির সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, ৬৪ জেলার মধ্যে ৫২ জেলাতেই জামায়াত ও এনসিপি মতাদর্শের কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপরীতে বিএনপিপন্থী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে মাত্র ১২ জন কর্মকর্তার নাম।

    দলীয় পরিচয়ভিত্তিক পরিসংখ্যানে জামায়াত ৩২ জন, এনসিপি (NCP) ২০ জন, বিএনপি ১২ জন।

    এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের তালিকার ৬ নম্বরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার নাম রয়েছে। তাঁকে একজন বিএনপির সমর্থক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের এমন দলীয়করণ প্রসঙ্গে সাবেক এক মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ডিসিরা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, কোনো রাজনৈতিক দলের ক্যাডার নন। তাঁদের নামের পাশে দলীয় পরিচয় লেখা মানে প্রশাসনিক কাঠামোর ভাঙন।নির্বাচনের আগে এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।”

    জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নথি সত্য হলে তা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের জন্য একটি স্পষ্ট অশনিসংকেত।

    এক নজরে রাজনৈতিক পরিচয়ে ডিসিগণ-

    ঢাকা বিভাগ

    ১. ঢাকা — মো. রেজাউল করিম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত

    ২. গাজীপুর — মোহাম্মদ আলম হোসেন (২৭) — জামায়াত

    ৩. নারায়ণগঞ্জ — মো. রায়হান কবির (২৯) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪. মুন্সীগঞ্জ — সৈয়দা নুরমহল আশরাফী (২৭) — জামায়াত

    ৫. নরসিংদী — মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (২৭) — জামায়াত

    ৬. মানিকগঞ্জ — নাজমুন আরা সুলতানা (২৮) — বিএনপি

    ৭. টাঙ্গাইল — শরীফা হক (২৫) — বিএনপি

    ৮. কিশোরগঞ্জ — মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৯. ফরিদপুর — কামরুল হাসান মোল্যা (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ১০. রাজবাড়ী — সুলতানা আক্তার (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ১১. গোপালগঞ্জ — আরিফ-উজ-জামান (২৭) — জামায়াত

    ১২. মাদারীপুর — জাহাঙ্গীর আলম (২৮) — জামায়াত

    ১৩. শরীয়তপুর — তাহসিনা বেগম (২৫) — জামায়াত

    চট্টগ্রাম বিভাগ

    ১৪. চট্টগ্রাম — জাহিদুল ইসলাম মিঞা (২৫) — বিএনপি

    ১৫. কক্সবাজার — মো. আ. মান্নান (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ১৬. কুমিল্লা — রেজা হাসান (২৯) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ১৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া — শারমিন আক্তার জাহান (২৫) — বিএনপি

    ১৮. চাঁদপুর — নাজমুল ইসলাম সরকার (২৯) — বিএনপি

    ১৯. নোয়াখালী — মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (২৭) — বিএনপি

    ২০. লক্ষ্মীপুর — এস. এম. মেহেদী হাসান (২৭) — জামায়াত

    ২১. ফেনী — মনিরা হক (২৭) — জামায়াত

    ২২. খাগড়াছড়ি — আনোয়ার সাদাত (২৯) — জামায়াত

    ২৩. রাঙামাটি — নাজমা আশরাফী (২৯) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ২৪. বান্দরবান — শামীম আরা রিনি (২৭) — বিএনপি

    রাজশাহী বিভাগ

    ২৫. রাজশাহী — আফিয়া আখতার (২৫) — বিএনপি

    ২৬. বগুড়া — তৌফিকুর রহমান (২৭) — বিএনপি

    ২৭. পাবনা — ড. শাহেদ মোস্তফা (২৫) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ২৮. সিরাজগঞ্জ — আমিনুল ইসলাম (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ২৯. নওগাঁ — সাইফুল ইসলাম (২৯) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৩০. নাটোর — আসমা শাহীন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৩১. চাঁপাইনবাবগঞ্জ — শাহাদাত হোসেন মাসুদ (২৮) — জামায়াত

    ৩২. জয়পুরহাট — আল-মামুন মিয়া (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    খুলনা বিভাগ

    ৩৩. খুলনা — আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার (২৯) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৩৪. যশোর — মোহাম্মদ আশেক হাসান (২৭) — জামায়াত

    ৩৫. সাতক্ষীরা — আফরোজা আখতার (২৮) — জামায়াত

    ৩৬. বাগেরহাট — গোলাম মো. বাতেন (২৮) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৩৭. কুষ্টিয়া — মো. ইকবাল হোসেন (২৯) — জামায়াত

    ৩৮. ঝিনাইদহ — আব্দুল্লাহ আল মাসউদ (২৭) — বিএনপি

    ৩৯. চুয়াডাঙ্গা — মোহাম্মদ কামাল হোসেন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৪০. মেহেরপুর — ড. সৈয়দ এনামুল কবির (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪১. নড়াইল — ড. মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম (২৭) — জামায়াত

    ৪২. মাগুরা — আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (২৮) — জামায়াত

    রংপুর বিভাগ

    ৪৩. রংপুর — মোহাম্মদ এনামুল আহসান (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪৪. দিনাজপুর — রফিকুল ইসলাম (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪৫. কুড়িগ্রাম — অন্নপূর্ণা দেবনাথ (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৬. গাইবান্ধা — মাসুদুর রহমান মোল্লা (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৭. নীলফামারী — মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৮. লালমনিরহাট — এইচ. এম. রকিব হায়দার (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৯. ঠাকুরগাঁও — ইশরাত ফারজানা (২৫) — বিএনপি

    ৫০. পঞ্চগড় — কাজী মো. সায়েমুজ্জামান (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    বরিশাল বিভাগ

    ৫১. বরিশাল — খায়রুল আলম সুমন (২৯) — বিএনপি

    ৫২. পটুয়াখালী — ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী (২৫) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৩. ভোলা — ডা. শামীম রহমান (২৯) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৪. পিরোজপুর — আবু সাঈদ (২৮) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৫. ঝালকাঠি — মো. মমিন উদ্দিন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৫৬. বরগুনা — তাছলিমা আক্তার (২৭) — জামায়াত

    ময়মনসিংহ বিভাগ

    ৫৭. ময়মনসিংহ — মো. সাইফুর রহমান (২৮) — জামায়াত

    ৫৮. জামালপুর — মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৭) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৫৯. নেত্রকোনা — মো. সাইফুর রহমান (২৮) — জামায়াত

    ৬০. শেরপুর — তরফদার মাহমুদুর রহমান (২৭) — জামায়াত

    সিলেট বিভাগ

    ৬১. সিলেট — মো. সারওয়ার আলম (২৭) — জামায়াত

    ৬২. সুনামগঞ্জ — ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (২৫) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৬৩. হবিগঞ্জ — আবু হাসনাত মো. আরেফীন (২৫) — জামায়াত

    ৬৪. মৌলভীবাজার — তৌহিদুজ্জামান পাভেল (২৮) — জামায়াত

     

  • নির্বাচন ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীর মহড়া

    নির্বাচন ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীর মহড়া

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    এরই অংশ হিসেবে সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীসহ যৌথ বাহিনীর এক বর্ণাঢ্য ও সতর্কতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মহড়া শুরু হয়। এতে আইনশৃঙ্খলার নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪টি প্রধান বাহিনী অংশগ্রহণ করে।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও বাংলাদেশ পুলিশ। মহড়াটির মূল লক্ষ্য ছিল ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতি শীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা কত দ্রুত এবং কার্যকর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তার একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরা।

    সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বাহিনীগুলো শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বিভিন্ন রণকৌশল প্রদর্শন করে, যা নির্বাচনী নিরাপত্তায় তাদের সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সেনাবাহিনীর এই বিশেষ মহড়া দেখতে সড়কের দুই পাশে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সী শত শত মানুষ।

    সাধারণ জনগণের মধ্যে এই মহড়া একদিকে যেমন কৌতূহল সৃষ্টি করেছে, অন্য কে, ভোটের আগে একটি নিরাপদ পরিবেশের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে ভোটারদের।

  • জামায়াতকে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে-মির্জা ফকরুল

    জামায়াতকে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে-মির্জা ফকরুল

    ঠাকুরগাঁও- ১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা বলছে যে, “দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে, নাউজুবিল্লাহ।

    একটা নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে কি কেউ বেহেশতে যেতে পারে? দাড়িপাল্লায় এ জামায়াতকে ভোট দিলে আমাদের ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে।

    আজ সোমবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও- ১ আসনের জামালপুর ইউনিয়নের ভগদগাজি বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এসব অপপ্রচারকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাবুনগরী সাহেব জামায়াতে ইসলামিকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ বলেছেন এবং চরমোনাইয়ের পীর জামায়াতে ইসলামিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

    তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে এই দেশ ধ্বংসস্তুপে পরিনিত হয়েছে। একটা জায়গার উন্নয়ন নির্ভর করে সে জায়গার মানুষের আয়ের উপর। তাই ইনকাম সোর্স বাড়াতে হবে। আমরা সেরকম পরিকল্পনাই করেছি।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করার আহ্বান জানান তিনি।

    নির্বাচনী এ পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলিসহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাইয়ুমের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ

    কাইয়ুমের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ

    দ্বৈত নাগরিকত্ব ও হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে এবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালতে আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকাভুক্ত রয়েছে।

    এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

    নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ। কাইয়ুমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করীম ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি রিট দায়েরের পর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক।
    তিনি হলফনামায় এ তথ্য গোপন করেছেন, যা পরে প্রকাশ পায়। এ বিষয়টি সামনে রেখে নাহিদ ইসলাম রিট করেন।

  • নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়াঁলেন মানিকগঞ্জ-৩`র’ স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম

    নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়াঁলেন মানিকগঞ্জ-৩`র’ স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম

    রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ পদপ্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম খান (মোটর সাইকেল) ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে শনিবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ড. রফিকুল ইসলাম খান প্রশাসনের উপর একটি বিশেষ দলের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে বলেন, নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে প্রচার কেন্দ্রের কথা থাকলেও একটি বিশেষ দল প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে কেন্দ্র বসিয়ে দে দ্বারে নির্বাচনী প্রচার করে চলছে। অথচ আমাদের বেলায় ঘটছে তার উল্টু।

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, তারা নিয়ম বহিঃভূত ভাবে প্রচারে রঙ্গিন পোষ্টার যত্রতত্র মাইকিং এবং প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের পোষ্টার ছিড়ে ফেলা ও কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলছে। এই ব্যাপারে আমরা লিখিত ভাবে জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং কর্মকর্তাকে জালালেও তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।

    এই অবস্থায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভেঙ্গে পড়েছে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন তো দূরের কথা, আমরা মাঠেই টিকতে পারছিনা৷ আমাদের অনেক আশা ছিল, অন্তত বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশ পাব। কিন্তু তা হলো না।  দায়িত্বরত প্রশাসন নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশ আনতে সম্পূর্ন রুপে ব্যর্থ  হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ালাম।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৪ দিন বাকী থাকতে হঠাৎ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম খানের এই ঘোষনা জনমনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।