Category: সারাদেশ

  • রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য-তারেক রহমান

    রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য-তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বর্তমানে বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিরপুর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের লাল মাঠ ময়দানে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, “রাজনীতির ময়দানে কেবল বিপক্ষ দলের সমালোচনা বা গীবত করা জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। বরং জনগণের মঙ্গলে কাজ করাই প্রকৃত রাজনৈতিক লক্ষ্য।”

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই পথসভায় তিনি দেশের মানুষের জন্য একগুচ্ছ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    চেয়ারম্যান জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।

    ঢাকা-১৬ আসনের স্থানীয় সমস্যা সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, “এই এলাকার মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এ সময় তিনি দেশের পানি সংকট ও রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    নিরাপত্তা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা সুনিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিএনপি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।”

    পল্লবীর এই পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

  • ‘৫ আগস্টের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হবে ১২ তারিখ’

    ‘৫ আগস্টের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হবে ১২ তারিখ’

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন, ১২ তারিখ বার বার ফিরে আসবে না। ৫ আগস্টের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পর্ণ হবে ১২ তারিখ। যে আকাঙক্ষা নিয়ে রক্ত দিয়েছিল আমার ভাই-বোনেরা, ওই রক্তের ঋণ পরিশোধ করার দিন হলো ১২ তারিখ। এই রক্তের সঙ্গে যারা বেইমানি করবে, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না।

    তিনি আরও বলেন, তরুণরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জানিয়ে দিয়েছে। জনগণ সেদিন দুর্নীতি-চাঁদাবাজ-ঋণখেলাপিদেরকে লালকার্ড দেখাবে।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা যারা ১৫ বছর আওয়ামী জাহেলিয়াতের যাতাকলে পিষ্ট ছিলাম, এর মধ্যে একটা অংশ মজলুম থেকে জালেম হয়ে উঠেছে। যে সব অপকর্ম আওয়ালীগ করতো, তারাও ৬ তারিখ সকাল থেকে সেসব অপকর্ম শুরু করেছে।

    আগস্টের ৬ তারিখ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যারা অপকর্ম শুরু করেছিল, তারা আর বন্ধ করেনি। আমরা তো এজন্য লড়াই করিনি, রক্ত দেইনি। আমাদের সন্তানদের দাবি ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস।

    তিনি বলেন, একটি দল মাঝে মধ্যে বলে, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবেন। ঋণ খেলাপি, ব্যাংক ডাকাত বগলের নিচে আশ্রয় দিয়ে আপনারা দুর্নীতি বন্ধ করবেন!

    আবরার-হাদীর প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, আবরার ফাহাদ, হাদী তোমাদের কাছে আমরা ঋণী। আমরা সুযোগ পেলে, তোমরা যেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলে, তেমনি উদ্বীপ্ত বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবো।

    শাপলা কলিতে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশে নাহিদ ইসলামরা বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজের পাইলট হিসেবে থাকবে। আমরা থাকবো প্যাসেঞ্জার হিসেবে। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে এই সরকারে নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন।

    তিনি বলেন, এই জাতির ভাগ্য বদলের জন্য ৫টি বছর যথেষ্ট। আমরা কোনো ভুল আশ্বাস দেবো না। যা বলবো তা জানপ্রাণ দিয়ে পালন করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতি ইঞ্চি মাটির পাহারাদার হবো ইনশাআল্লাহ।

    ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে আমির বলেন, জুলাইয়ে যারা পাহারাদার ছিলেন ১২ তারিখও আপনারা পাহারাদার হবেন। আমাদের কাছে আপনাদের ১টা ভোট গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের কাছে ১টা আসনও গুরুত্বপূর্ণ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে পিস্তল-ম্যাগজিন ও দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে পিস্তল-ম্যাগজিন ও দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার রহনপুরে নাশকতাকতার উদ্দেশ্যে রাখা ১টি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ০৫ রাউন্ড কার্তুজ, ০২টি ম্যাগাজিন ও ০৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫ এর সদস্যরা।

    শনিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। রবিবার সকালে এক প্রেসনোটে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব। তবে এঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।

    র‌্যাব জানায়, নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অন্যান্য আইশৃঙ্খলা রাক্ষা-কারী বাহিনীর সাথে র‌্যাব সদস্যরাও জেলায় কাজ করছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর আড্ডা গামী পাকা রাস্তার উত্তর পাশে নিউ রফিক অটো রাইসমিলের পশ্চিম-উত্তর কোনায় অভিযান চালায়।

    এসময় একটি আমগাছের ঝোঁপের ভিতর হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১টি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ০৫ রাউন্ড এ্যামোনিশন, ০২টি ম্যাগাজিন ও ০৮টি দেশীয় অস্ত্র আলামত হিসাবে উদ্ধার করা হয়।

    র‌্যাব আরও জানায়, ০৭ ফেব্রুয়ারি র‌্যাব-৫ এর একটি আভযানিক টহল দল চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সকল থানা এলাকায় নিয়মিত টহল, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর হতে আড্ডা গামী পাকা রাস্তার পাশে আম-গাছের ঝোঁপের ভিতর ০১টি সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তা সন্দেহ জনক পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

    এমন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক টহল দল একই রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১টি প্লাস্টিকের সাদা বস্তার ভিতর রক্ষিত ০২ টি তলোয়ার, ০১টি ভাঙ্গা কাঠের বাটসহ রামদা, ০১টি স্টিলের বাট সহ বল্লম, ০২টি চাইনিজ কুড়াল, ০১টি কাঠের বাটসহ ডেগার, ০১টি দেশীয় পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ০২টি খালি ম্যাগাজিনসহ ০৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

    ধারনা করা হচ্ছে যে, উদ্ধারকৃত অস্ত্র সমূহ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে নাশকতা করার পরিকল্পনায় দুষ্কৃতিকারীগণ উল্লেখিত স্থানে লুকিয়ে রেখেছিল। উদ্ধারকৃত আলামত সমূহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতি গঠণে ‘ট্যার্নিং পয়েন্ট’

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতি গঠণে ‘ট্যার্নিং পয়েন্ট’

    গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সুষ্ঠ ও সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলার জন্য একটি আদর্শীক রাষ্ট্র-কাঠামো প্রয়োজন। রাষ্ট্র বা সমাজে ন্যায়ণীতি পরায়ন ব্যক্তির নেতৃত্বে ‘ সরকার বা দেশ পরিচালিত হলে তাদের কাছ থেকে জবাবদেহীমূলক সেবা ও অধিকার আশা করা যায়। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশে বিগত ৫৪ বছরেও একটি ন্যায়ণীতি পরায়ণ বা জবাবদেহীমূলকঃ সরকার গঠিত হয়নি। যার কারণে বরাবরই জনগন তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

    স্বাধীনতাত্তর বাংলাদেশে যে কয়টি সরকার গঠিত হয়েছে তারা অধিকাংশই ছিল আত্মকেন্দ্রীক। দেশে ও জনগণের ভালোতে তাদের অবদান আশানুরুপ ছিল না। বলাযায়, তারা ভালোর খোলসে আবৃত্ত একটি পচনশীল সরকার ছিল যা কেবল দলিয় বিনিময়ে চলনশীল ছিল। এই, ধোকাবাজ ও অসার নেতৃত্বের কারণে দীর্ঘ  ৫৪ বছরেও বাংলাদেশ তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

    বিশেজ্ঞদের মতে, বিগত সময়ে বাংলাদেশের বৃহৎ তিনটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসলেও তারা জনগণের আশা পুরন করতে পারেনি। নির্বাচিত হওয়ার আগে তারা বিভিন্ন প্রতিশ্রতি দিলেও ক্ষমতা দখল করার সাথে সাথে তার সন্ত্রাস, চাদাঁবাজী ও লুন্ঠনে সময় পার করেছে। দেশের বিপুল পরিমান সম্পদ বিদেশে পাচার করে গড়ে তুলছে প্রমোদ-অট্রলিকা।

    সর্বোপরি তারা অসম রাজনৈতিক মন্ত্র বলে গড়ে তুলেছে একটি অস্থির প্রজন্ম যারা জনসেবার পরির্বতে ক্ষমতা আর পেশী শক্তিকে ব্যবহার করে জনসাধারনকে ভয় দেখিয়েছে বা ক্রমাগত ‘পদানত করেছে। ফলে, অনুপাতিক হারের অধিকাংশ শান্তি প্রিয় মানুষ ‘এক অসুস্থ্য রাজনৈতিক ব্যধিতে’ মারাত্বক ভাবে আক্রান্ত হয়েছে। বিগত ৫৪ বছর ধরে চলতে থাকা এই ব্যাধি ক্রমাগত বেড়ে এখন মহামারির রুপ ধারন করেছে।

    এমতবস্থায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ ও জাতি গঠণে ‘ট্যার্নিং পয়েন্ট’ হিসাবে বিবেচিত। কারণ একটি যুগান্তকারী বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ আসন্ন নির্বাচনের দায়িত্ব নিয়েছে। বহুদিনের আশাহত জাতি নতুন আশায় জাগ্রত হয়েছে। ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে তারা একটি নিরপেক্ষ ও সুন্দর নির্বাচন দেখতে চান।

    বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দেড় বছরে তাদের অনেক সিদ্ধান্তেই জাতি আশাবাদী হয়েছেন। ইতিমধ্যে সত্য ও ন্যায়ের স্লোগানে যুব-তরুণ সমাজ কুসংস্কারের প্রাচীর ভাঙ্গতে শুরু করেছে। জুলাই বিপ্লব জানিয়ে দিয়েছে তারা শাসক নামক জালিমদের আর ভয় পায় না। আবু-সাঈদ ও হাদির পথেই এসকল যুবকেরা সত্য ও সুন্দরের পথে বুকে তাজা বুলেট নিতে ডাক দিয়েছে-

    `কারার ঐ লৌহ কপাট
    ভেঙে ফেল কর রে লোপাট
    রক্ত জমাট শিকল পুজোর পাষাণ বেদী
    ওরে ও তরুণ ঈষাণ
    বাজা তোর প্রলয় বিষাণ
    ধ্বংস নিশান উক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি’ ॥

    সত্য সুন্দরের পথের এই অগ্রযাত্রায় দেশবাসী অংশ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। মনে রাখতে হবে- কেবল আদর্শীক ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্বই পারে একটি কল্যাণকর ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে। তাই আসুন হাতে হাত রাখি, সত্য সুন্দরের পথে থাকি।

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রধান সমন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি সাটুরিয়া উপজেলা শাখা।
  • নানি বাড়ী এসেছি, ধানের শীষে ভোট চাই-তারেক জিয়া

    নানি বাড়ী এসেছি, ধানের শীষে ভোট চাই-তারেক জিয়া

    ‘অনেক দিন পর নানি বাড়ী এসেছি, আপনারা কী খাওয়াবেন আর কী দিবেন ! এ জেলায় ভালো ধান ফলে, তাই নানীর বাড়ির এলাকার বিখ্যাত ধান অর্থাৎ ধানের শীষে আমি ভোট চাইতে এসেছি বলে জানান তারেক জিয়া।

    এই সময় তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন করতে, দেশের মানুষকে ভালো রাখতে ধানের শীষে ভোট দিবেন। নানীর বাড়ির মানুষের কাছে একটাই আমার চাওয়া। নাতি হিসেবে এটি আমার আবদার।’

    আজ শনিবার বিকালে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সরকারী কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণ জনসভায় নাতি হিসেবে ভোট পাওয়ার আবদার রেখে  রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, ‘দিনাজপুরকে সারাদেশ চিনে কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে। এই এলাকার লিচু খুবই বিখ্যাত। আমরা এই কৃষি প্রধান অঞ্চলকে কৃষির সাথে সম্পর্কিত শিল্প গড়ে তুলতে চাই।

    এই এলাকার বিখ্যাত লিচু প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানী করতে চাই। লিচু সংরণের জন্য হিমাগার তৈরি করতে চাই। যাতে পরে লিচু বিদেশে রপ্তানী করতে পারি। ক্ষমতায় গেলে দিনাজপুরে উৎপাদিত আম প্রক্রিয়াজাত করনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কোম্পানীকে দিনাজপুরে আনা হবে।’

    দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে দিনাজপুর- ৬ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণা জনসভায় তারেক রহমান আরো বলেন, ‘আমরা জনগণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছি।

    জনগণের সমর্থন, ভালোবাসা ও জনগণের শক্তিতে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে সাধারণ ও খেটে-খাওয়া মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে। নিরাপদে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি করতে পারবে।

    এই সময় বিএনপি সরকার গঠন করলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।

    বক্তব্য শেষে তারেক রহমান ধানের শীষ হাতে তুলে দিয়ে দিনাজপুর- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন, দিনাজপুর সদর- ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া ও দিনাজপুর- ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী একেএম কামরুজ্জামানকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে দিনাজপুরের ৬টি আসনে ধানের শীষে ভোট চান সকলের কাছে।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন।

    সভায় বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন তানভীর, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম, বারঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফল হাসান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি অর্জন চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস, সিসিডিবি মোড়স্থ গীর্জা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিথিকা বাড়ই, আদিবাসী নেতা কর্ণে লুইস মুরমু প্রমুখ।

    বক্তারা, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    সভায়, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, হিন্দু, আদিবাসী, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের এবং মন্দির, মঠ ও গির্জার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

  • জামায়াত জনগণের পাহারাদার হতে চায়-ডা. শফিকুর রহমান

    জামায়াত জনগণের পাহারাদার হতে চায়-ডা. শফিকুর রহমান

    ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচার হয়েছে। এসব অর্থ জনগণের সম্পদ। তিনি বলেন,  নির্বাচিত হলে জনগণের অর্থ জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ শনিবার সিলেটে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এই কথা বলেন।

    সিলেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রবাসী-নির্ভর এলাকা হওয়া সত্ত্বেও অঞ্চলটি গ্যাস, বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি, নদীভাঙন ও ড্রেনেজ সমস্যায় ভুগছে। বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়। মাদক, সন্ত্রাস ও অস্ত্রের বিস্তার নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এসব অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে, প্রবাসীদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হবে এবং নদীবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি চা শ্রমিকদের দায়িত্ব সরকার নেবে।

    ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, তিনি সিলেটেই বেড়ে উঠেছেন ও কর্মজীবন গড়ে তুলেছেন। দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন স্বজন হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে চান। জনগণকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতার মালিক নয়, জনগণের পাহারাদার হতে চায়।

    জনসভায় মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শাহজাহান আলী এবং জয়নাল আবেদীনের যৌথ সঞ্চালনায় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন। পরে জোটপ্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেওয়া হয়।

  • বিএনপির ৫১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষনা

    বিএনপির ৫১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রায় দুই দশক পর সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের জন্য কী কী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে—তার রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘কল্যাণমুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ৯টি অগ্রাধিকার খাতকে সামনে রেখে ৫১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।

    শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

    এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। সে হিসেবে এটি তার নেতৃত্বে দলের প্রথম নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা।

     

  • আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই-ডা. শফিকুর রহমান

    আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই-ডা. শফিকুর রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় এলে বিচার হবে সবার জন্য সমান, সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে বিচার, প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি অপরাধ করলেও একই বিচার হবে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট আর সি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।

    আমরা বিজয়ী হলে দেশের সব মানুষ বিজয়ী হবে। আমরা চাই সবাইকে নিয়ে সুন্দর একটি দেশ গঠন করতে, যেখানে সবার সমান অধিকার থাকবে। বিচার ব্যবস্থাও সবার জন্য সমান হবে।

  • ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের আহতের ঘটনার জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের নিন্দা

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের আহতের ঘটনার জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের নিন্দা

    জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহতের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচারের দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে তারা এই নিন্দা জানান। হাদির বিচার না হওয়ার পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। এই সময় তিনি আহতদের দ্রুত তাদের চিকিৎসা দেয়ার দাবি জানান।

    নাসীরুদ্দীন বলেন, পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে, যা নিন্দনীয়। সরকার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। সরকারের মধ্যে ভেতরের কেউ থাকতে পারে। সাংবাদিকসহ ৩০ থেকে ৪০ জন আহত।

    আহতদের দেখতে এসে জামায়াত নেতারা বলেছেন, ন্যায্য দাবি আদায় করতে গেলে সরকারি পেটুয়া বাহিনী ন্যাক্কারজনক ভাবে হামলা করেছে। সরকারের উচিত ছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে বক্তব্য শোনা এবং কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া।

    সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, তাদের ন্যায্য দাবি ছিল, সুশৃঙ্খল আন্দোলন ছিল। কিন্তু সরকারের পেটোয়া বাহিনী নির্মম হামলা চালিয়েছে, তদন্ত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

    এদিকে সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকার পক্ষ হতে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইনকিলাব মঞ্চের দাবি অনুযায়ী আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শরীফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।

    উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ওসমান হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচিকে ঘিরে আগে থেকেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা সহ কয়েকজন যমুনার সামনে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।

    এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ আহত হন অর্ধশত নেতাকর্মী।