Blog

  • চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ২৬ মার্চ চীন সফরে যাবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম। আজ বৃহস্পতিবার সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    রফিকুল আলম বলেন, আগামী ২৬ মার্চ বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার চীনের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। আগামী ২৭ মার্চ তিনি বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে উদ্বোধনী প্লেনারি সেশনে বক্তব্য দেবেন। তিনি আরও বলেন, ওইদিন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের স্টেট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রিমিয়ার দিং ঝুঝিয়াংয়ের বৈঠক হতে পারে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, আগামী ২৮ মার্চ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর আগামী ২৯ মার্চ চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটিতে বক্তব্য দেবেন। পরে তিনি বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করার কথা রয়েছে।

  • ঢাকায় পৌছিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

    ঢাকায় পৌছিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে ৪ দিনের সরকারি সফরে আজ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকায় পৌছিয়েছেন  জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। গুতেরেসকে বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট (ইকে-৫৮৬) বিকেল ৫টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    ঢাকায় পৌঁছানোর পর গুতেরেসকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। এরপর তিনি রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে যাবেন। শুক্রবার সকাল ৯টায় হোটেলে গুতেরেসের সঙ্গে দেখা করবেন পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং রোহিঙ্গা ইস্যু ও অগ্রাধিকারবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান।

    পরে জাতিসংঘ মহাসচিব সকাল ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করবেন। বৈঠকের পর গুতেরেস রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে কক্সবাজার যাবেন। গুতেরেস কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম তাকে স্বাগত জানাবেন।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস দিনের শেষে গুতেরেসের সঙ্গে কক্সবাজারে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারে যোগ দেবেন। এ সময় উভয়ে রোহিঙ্গা ইমাম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

    ইফতারের আগে মহাসচিব ক্যাম্পের বেশ কয়েকটি সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করবেন, যার মধ্যে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, লার্নিং সেন্টার, মাল্টি-পারপাস সার্ভিস সেন্টার এবং একটি পাট উৎপাদন স্থাপনা। তিনি রোহিঙ্গা যুবক ও শিশুদের সঙ্গেও কথা বলবেন।

    শনিবার জাতিসংঘ মহাসচিব ঢাকায় জাতিসংঘের ভবন পরিদর্শন, পতাকা উত্তোলন ও, বাংলাদেশ-জাতিসংঘ সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ শেষে, জাতিসংঘের কর্মীদের সঙ্গে একটি সভায় যোগ দেবেন।

    বিকেলে তিনি ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ার ওপর একটি গোলটেবিল আলোচনায় যোগ দেবেন। তিনি তরুণদের সঙ্গে একটি সংলাপে অংশ নেবেন এবং নাগরিক সমাজের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    পরে গুতেরেস হোটেলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে একটি যৌথ মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই দিনে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস জাতিসংঘ মহাসচিবের সম্মানে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করবেন।

    আগামী রবিবার গুতেরেস সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

     

     

  • মানিকগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে মানিকগঞ্জ আইনজীবী ভবনে সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে এ ইফতার পার্টি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জনাব জাহিদ তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হিসাবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (উত্তর অঞ্চল) সাইফুল্লাহ হায়দার।

    তিনি বলেন, “২৪’র প্রেরণা ও সমগ্র দেশ বিনির্মাণে জাতীয় নাগরিক পার্টির বিকল্প নেই। যে উদ্দেশ্য নিয়ে আমার ভাইয়েরা রাজপথে রক্ত দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি  তার বাস্তবায়ন দেখতে চায়।

    এই সময় তিনি  সকলকে হাতে হাত রেখে  সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে বলেন।  তিনি বলেন, সদ্ব-ইচ্ছা,  সম্মিলিত প্রচেষ্টায়  আমরা একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চাই।”

    অনুষ্ঠানে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা রমজান মাহমুদ।

    এতে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মাসুম খান, কাজী পিন্টু, গালিবুর রহমান, ইদ্রিস আলী, শহীদ সা’দের পিতা শফিকুল ইসলাম, শহীদ সায়াদের পিতা বাহাদুর খান, প্রেসক্লাব-সাটুরিয়ার প্রচার সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা শিশির আহম্মেদ, আব্দুর রহিম (হিটলার) ও  সিটি কলেজের প্রিন্সিপাল মো. ইসহাকসহ বিশিষ্ট আইনজীবী, শিক্ষক ও ছাত্র প্রতিনিধিরা।

  • বহুল আলোচিত মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে

    বহুল আলোচিত মাগুরার সেই শিশুটি মারা গেছে

    মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হওয়া সেই শিশুটি ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়বলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে।

    ঢাকা সিএমএইচের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হামিদ জানিয়েছেন, আজ সকালে দুই দফায় শিশুটির কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃৎস্পন্দন ফিরে আসে। বেলা ১২টায় আবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এই দফায় সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃৎস্পন্দন আর ফিরে আসেনি। বেলা ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, “অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটি আজ ১৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে দুপুর ০১:০০টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এর সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রয়োগ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শিশুটির আজ সকালে তিন বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে, দুইবার স্থিতিশীল করা গেলেও তৃতীয়বার আর হৃদস্পন্দন ফিরে আসেনি।

    উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হয়।” আরো বলা হয়, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিশুটির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে।”

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মাগুরা শহরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশুটি। পরের দিন তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এরপর শুক্রবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    সংকটাপন্ন শিশুটিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিআইসিইউ) থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন রোববার শিশুটিকে সিএমএইচে পেডিয়াট্রিক আইসিইউতে নেওয়া হয়।

  • আমি ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করব না-মাসুদ পেজেশকিয়ান

    আমি ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করব না-মাসুদ পেজেশকিয়ান

    আলোচিত পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও চাপের মধ্যে তেহরান কোনো আলোচনায় যাবে না, এমনটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “আপনার যা খুশি তাই করুন।”

    মঙ্গলবার (১১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, “তারা (যুক্তরাষ্ট্র) যেসব হুকুম ও হুমকি দিচ্ছে, তা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। আমি আপনার (ট্রাম্প) সঙ্গে আলোচনাও করব না। আপনি যা খুশি তাই করুন।”

    এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি শনিবার বলেন, হুমকি দিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসানো যাবে না। তার এই মন্তব্য আসে একদিন পর, যখন ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানকে নতুন পারমাণবিক চুক্তির আলোচনায় বসানোর জন্য একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

    তেহরানের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি প্রকাশ করার পাশাপাশি ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি তার প্রথম মেয়াদের মতো এবারও বিশ্ব অর্থনীতি থেকে ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং তেল রপ্তানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার জন্য ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগ করতে চান।

    ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প গত সপ্তাহে বলেছিলেন, ‘ইরান কে দুটি উপায়ে মোকাবেলা করা যেতে পারে। সামরিকভাবে, অথবা আপনি একটি চুক্তি করুন যাতে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত থাকে।

     

  • এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ জন

    এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ জন

    জাতীয় পর্যায়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

    এছাড়া সাংস্কৃতিতে ভাস্কর নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ এবং মুক্তিযুদ্ধ ও সাংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্য ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

    এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। স্বাধীনতা পুরস্কারের ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ লাখ টাকা, আঠারো ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। গত বছর (২০২৪) ১০ জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

     

  • সাটুরিয়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘ এ ‘ প্লাস ক্যাম্পেইন (০১ দিন ব্যাপী ) পালন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৃত্যুর ঝুঁকি, ভিটামিন এ অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে এই’ ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে  আয়োজিত ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন,  শিশুর রোগ প্রতিরোধে সারাদেশের মত সাটুরিয়া উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘ এ ‘ প্লাস ক্যাম্পেইনে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

    তিনি আরো বলেন, নির্দিষ্ট বয়সে শিশুরা যেন ভিটামিন এ ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত না হয়  সেদিকে সমাজের সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।  এ সময় তিনি জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সাটুরিয়া আয়োজিত অনুষ্ঠানের সফলতা কামনা করেন।

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মামুন উর রশিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো: মনিরুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: সিরাজ উদ্দিন, প্রেসক্লাব সাটুরিয়ার সাধারণ সম্পাদক আসাদ জামান, দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি মো: ইঞ্জিনিয়ার লুৎফর রহমান সহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

     

  • সেনাপ্রধানের বক্তব্য আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক- তাসনুভা মাহা

    সেনাপ্রধানের বক্তব্য আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক- তাসনুভা মাহা

    বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের শিকার মেজর তানভীর হায়দার নূরের স্ত্রী তাসনুভা মাহা বলেছেন, রাওয়াতে (রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন) সেনাপ্রধান যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা আমাদের জন্য খুবই অপমানজনক। পিলখানার সৈনিকরা কখনোই এই ঘটনা ঘটাতে পারে না। আমি নিজে সবচেয়ে বড় প্রমাণ। মঙ্গলবার জাতীয় শহিদ সেনা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন,আমার রুমে গিয়েছিল হিন্দিভাষীরা। আমার স্বামীর সঙ্গে আমি পিলখানায় সাড়ে তিন বছর ছিলাম। কিন্তু আমি এই সাড়ে তিন বছরে কখনো বিডিআর-এর কোনো সদস্যকে হিন্দিতে কথা বলতে শুনি নাই। শুধুমাত্র ২৫ ফেব্রুয়ারিতে শুনেছিলাম তিনজনের মুখে। আমার হাসব্যান্ড দরবার হল থেকে ফোনে বলেছিল এনএসজি এবং ইন্ডিয়ান। তাহলে এখানে কি প্রমাণ হচ্ছে না কারা ঘটিয়েছিল এই ঘটনা।

    তাসনুভা আরও বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আমার কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। তারপরও আমি যা বলছি সেগুলো মিডিয়াতে কাট করা হয়েছিল। আর স্বামীর ডেডবডি এখনো পাওয়া যায়নি। এটা আমি প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছি।

    গতকাল আমি দুটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য কবরস্থানে গিয়েছিলাম, কিন্তু আমার সেই বক্তব্য এখনো প্রচার করতে দেওয়া হয়নি আইএসপিআর থেকে। আপনারা কি বুঝতে পারছেন কোথায় বাঁধাটা।

    তিনি আরও বলেন, আমার ছেলেকে আইএসএসবিথেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কারণ মেজর তানভিরের সন্তান সশস্ত্রবাহিনীতে চাকরি করতে পারবে না। সেনাবাহিনীতে আরও একটা মেজর তানভীর গড়ে উঠুক সেটা বর্তমান সেনাপ্রধান চান না। আমাদের জীবনটা সম্পূর্ণভাবে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে।

    আমার বাসার নিচে সবসময় লোকজন থাকে। আপনারা কি বুঝতে পারছেন আমরা কোথায় আছি। আজকে রাওয়ার বক্তব্যই এটা প্রমাণ করে দেয়। বাট, ইফ, ফুলস্টপ এটা কি সেনাপ্রধানের কথা হতে পারে?

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শিকার মেজর তানভীরের স্ত্রী আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর থেকে যতদিন পর্যন্ত শেখ হাসিনা ছিল; ওই সময়টায় দেখা গেছে যে, আওয়ামী লীগের লোকজন সেনাবাহিনীতে বসে আছে। শেখ হাসিনাকে তো আমরা বিদায় করেছি।

    কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা সুবিচারটা পাচ্ছি না। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কী সঠিকভাবে হচ্ছে? আমার তো মনে হয় না। আমি যে হিন্দি ভাষার কথাটা বলছি এটা খুব হালকাভাবে নেওয়া হচ্ছে।

    সবশেষে তিনি বলেন, আপনারা আমাদেরকে সহায়তা করেন যাতে আমরা সঠিকভাবে আগাতে পারি। আর আমার স্বামীর ডেডবডিটা এখনো পাওয়া যায়নি। আর্মি থেকেও কিন্তু আমাকে কেউ কোনো সহায়তা করছে না।

    সূত্র : যুগান্তর অনলাইন।

     

  • হংকংসহ পাঁচটি দেশ ও কেম্যান আইল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জে শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান

    হংকংসহ পাঁচটি দেশ ও কেম্যান আইল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জে শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান

    চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকংসহ পাঁচটি দেশ ও কেম্যান আইল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিএফআইইউ (বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) ও যৌথ তদন্ত দল অনুসন্ধানে অবৈধভাবে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সম্পদের সন্ধান পেয়েছে।

    প্রেস সচিব বলেন, বিএফআইইউ ও যৌথ তদন্ত দলের অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এবং পশ্চিম ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপ কেম্যান আইল্যান্ডসে শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়া মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকে রাশিয়ান ‘স্ল্যাশ ফান্ডের’ অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

    শফিকুল আলম বলেন, ১২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬৩৫ দশমিক ১৪ কোটি টাকা, রাজউকের ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (দলিল মূল্য) মূল্যের ৬০ কাঠা প্লট ও ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা মূল্যের ১০ শতাংশ জমিসহ ৮টি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে।

    তিনি আরও বলেন, বিএফআইইউ দুটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠিয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকাসহ ১১টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করেছে। সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য দুদকে পাঠানো হয়েছে।

     

  • সিংগাইর পৌর-এলাকা থেকে বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

    সিংগাইর পৌর-এলাকা থেকে বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

     

    মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার আজিমপুর এলাকার একটি ভূট্টা ক্ষেত থেকে আবুল হোসেন (৪০) নামে এক বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আবুল হোসেন ওই এলাকার মৃত হাসেম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিংগাইর থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) রেজাউল করিম বলেন, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ওপর ভিত্তি করে পৌরসভার আজিমপুর এলাকার ভূট্টা ক্ষেত থেকে আবুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগে পরিকল্পিতভাবে আবুল হোসেনকে হত্যার পর মরদেহটি ভূট্টা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

    এস.আই রেজাউল করিম আরো জানান,  এরইমধ্যে লাশে পঁচন ধরে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে ।