Blog

  • হংকংসহ পাঁচটি দেশ ও কেম্যান আইল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জে শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান

    হংকংসহ পাঁচটি দেশ ও কেম্যান আইল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জে শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান

    চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকংসহ পাঁচটি দেশ ও কেম্যান আইল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিএফআইইউ (বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) ও যৌথ তদন্ত দল অনুসন্ধানে অবৈধভাবে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সম্পদের সন্ধান পেয়েছে।

    প্রেস সচিব বলেন, বিএফআইইউ ও যৌথ তদন্ত দলের অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এবং পশ্চিম ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপ কেম্যান আইল্যান্ডসে শেখ হাসিনার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এছাড়া মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকে রাশিয়ান ‘স্ল্যাশ ফান্ডের’ অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

    শফিকুল আলম বলেন, ১২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৬৩৫ দশমিক ১৪ কোটি টাকা, রাজউকের ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা (দলিল মূল্য) মূল্যের ৬০ কাঠা প্লট ও ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা মূল্যের ১০ শতাংশ জমিসহ ৮টি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে।

    তিনি আরও বলেন, বিএফআইইউ দুটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠিয়েছে। এ ছাড়া পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকাসহ ১১টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করেছে। সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য দুদকে পাঠানো হয়েছে।

     

  • সিংগাইর পৌর-এলাকা থেকে বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

    সিংগাইর পৌর-এলাকা থেকে বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার

     

    মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার আজিমপুর এলাকার একটি ভূট্টা ক্ষেত থেকে আবুল হোসেন (৪০) নামে এক বাউল শিল্পীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আবুল হোসেন ওই এলাকার মৃত হাসেম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে সিংগাইর থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) রেজাউল করিম বলেন, সকালে স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ওপর ভিত্তি করে পৌরসভার আজিমপুর এলাকার ভূট্টা ক্ষেত থেকে আবুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগে পরিকল্পিতভাবে আবুল হোসেনকে হত্যার পর মরদেহটি ভূট্টা ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

    এস.আই রেজাউল করিম আরো জানান,  এরইমধ্যে লাশে পঁচন ধরে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে ।

     

     

  • নির্বাচনী ট্রেনের হুইসেল বেজে গেছে-সিইসি

    নির্বাচনী ট্রেনের হুইসেল বেজে গেছে-সিইসি

    কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচনী ট্রেনের হুইসেল বাজিয়ে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা । আগামী ডিসেম্বরে ভোটের টার্গেট। সোমবার (১০ মার্চ) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    সিইসি বলেন, উনারা এসেছিলেন সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি জানতে এবং তারা নির্বাচনে সহায়তা করতে চান। বিদেশি পর্যবেক্ষক সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমরা দল নিবন্ধন, ভোটার নিবন্ধন সম্পর্কে জানিয়েছি।

    শিগগিরই ক্রয় প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি। বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতিমালা পরিবর্তন হবে না, তবে দেশিটা হবে। যথাসময়ে পর্যবেক্ষক আসার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেবো। তিনি বলেন, ডিসেম্বরে টার্গেট রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    ডিসেম্বরে ভোট করতে হলে তো অক্টোবরে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে সিইসি আরও বলেন, নির্বাচনের ট্রেনের হুইসেল তো প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে দিয়েছেন। ডিসেম্বরে অথবা আগামী জুনের মধ্যে নির্বাচন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ -আহত ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ -আহত ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জে দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাদ্দাম হোসেন (৩৬) নামে এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছে। এ সময় আরো দু’জন আহত হয়েছে। আহত ও নিহতরা সবাই চালক ও এর সহকারী।

    সোমবার ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের দারিয়াপুর নতুন ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম রাজশাহীর পবার ডাংগীরপাড়া রামচন্দ্রপুর এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে।

    আর আহতরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম এবং একই এলাকার সুমন আলি। আহতদের মধ্যে আমিরুল ইসলাম ট্রাকের চালক।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান জানান, ভোরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে দারিয়াপুর নতুন ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে হয়। এতে ট্রাক চালক সাদ্দাম ঘটনাস্থলে মারা যায়।

    পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতাল মর্গে এবং আহত দের সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের প্রতিবাদে উত্তাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ 

    ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের প্রতিবাদে উত্তাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাগঞ্জের গোমস্তাপুরসহ দেশের কয়েকটি স্থানে একাধিক ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। সারাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ জেলা- উপজেলায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে তারই প্রতিফলন দেখা গেছে। ধর্ষণ ও নারী নিপীড়নের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুততম সময়ে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন থেকে।

    সোমবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে দেশ ব্যাপী নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নিপীড়ন ধর্ষণ, অনলাইনে হেনস্থা এবং আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। ধর্ষকদের সর্বোচ্চ এবং প্রকাশ্যে শাস্তির দাবিসহ বিভিন্ন শ্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভ মিছিলটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে প্রায় ঘন্টাব্যাপি সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক মোহাম্মদ আব্দুর রাহিম, সদস্য সচিব সাব্বির আহমেদ, যুগ্মআহ্বায়ক সাকির আহম্মেদ, মুখ্য সংগঠক মোত্তাসিন বিশ্বাস, যুগ্ন আহবায়ক মো:আকিব মিয়া, যুগ্ন আহবায়ক বাইজিদ ইসলাম জীবন, মো:মাহিন খান, খাদিজা খাতুন মিম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টুডেন্ট এ্যসোসিয়েশনের সদস্য শারমিন জান্নাত
    মিস্টি। নাসিং ইনস্টিটিউটের মোঃ মাসিদুর রহমান, বিজয় নার্সিং ইনস্টিটিউটের মোহাম্মদ রাহাত আলী, সেবা নার্সিং ইনস্টিটিউট মোসা: সিমা খাতুনসহ অন্যরা।

    বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অন্তবর্তীকালীন সরকারসহ বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কে কঠোর হুশিয়ার দিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন না করা হলে আবারো রাজপথে কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে।

    অন্যদিকে, জেলার শিবগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন সচেতন শিক্ষার্থীরা। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুলের মূল ফটকের সামনে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। এর আগে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ওই স্কুলের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন।

    এসময় তারা “তুমি কে আমি কে, আছিয়া, আছিয়া, ‘আমার বোনের কান্না আর না আর না’, একটা একটা ধর্ষক ধর, ধইরা ধইরা গুলি কর, সারা বাংলায় খবর দে, ধর্ষকদের কবর দে’’ স্লোগান দেন। এতে বক্তব্য দেন, আল-বশরী সোহান, সাইমুন সাদাব, খাদিজা খাতুন মিম, মো:মাহিন খান ,মোঃ মাসিদুর রহমান ,মোহাম্মদ রাহাত আলী, স্টুডেন্ট এ্যসোসিয়েশনের শারমিন জান্নাত মিস্টি। বক্তারা বলেন, ধর্ষণের ঘটনা প্রশাসন দায় এড়াতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব ট্রাইব্যুনাল গঠন করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    শুধু আছিয়া না, এতদিন যত ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে সব ঘটনার বিচার করতে হবে। আমাদের বোনদের নিরাপত্তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠনের ২ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

  • সাটুরিয়ায় সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আয়নাল হকের দাফন সম্পন্ন

    সাটুরিয়ায় সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আয়নাল হকের দাফন সম্পন্ন

    সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার আয়নাল হক (২৮) নামে এক প্রবাসী। নিহতের পাঁচ মাস পর তার কফিনবন্দি মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। তিনি উপজেলার পাতিলাপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে।

    সোমবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় জানাজা শেষে আয়নাল হককে পাতিলাপাড়া এলাকার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জানা গেছে,উপজেলার পাতিলাপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে আয়নাল হক গত বছরের ৮ অক্টোবর সৌদি আরবের আভা শহরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।

    নিহত আয়নাল হকের মরাদেহ রবিবার রাত সাড়ে ১১টায় কফিনবন্দি মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করে বাড়ি নিয়ে আসেন।

    আয়নাল হক তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। অভাব ঘোচাতে কাঠ-মিস্ত্রির কাজ ছেড়ে দুই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন।

    আয়নাল হকের স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান আছে । বড় মেয়ের বয়স ১২, ছোট মেয়ের ৫ বছর। তার অকালমৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • টাঙ্গাইলের আলোচিত ‘সমন্বয়ক’ মিস্টি ৪ দিনের রিমান্ডে

    টাঙ্গাইলের আলোচিত ‘সমন্বয়ক’ মিস্টি ৪ দিনের রিমান্ডে

    টাঙ্গাইলে দখল, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘সমন্বয়ক’ মারিয়াম মোকাদ্দাস মিস্টির (২৭) চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    সোমবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মাহবুব খান তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সকালে মারিয়াম মোকাদ্দাস মিস্টিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

    গতকাল রোববার রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলামের স্ত্রী রওশন আরা খান বাদী হয়ে মারিয়াম মোকাদ্দাস মিস্টির নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৭-৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই মিস্টিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

    মারিয়াম মোকাদ্দাস মিস্টি বাসাইল উপজেলার জশিহাটী গ্রামের শাহ আলমাসের স্ত্রী। তবে তিনি টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ায় বাস করেন।

    টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ জানিয়েছেন, মামলার পর শহরে অভিযান চালিয়ে মিস্টিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

     

  • প্রত্যাবৃত্ত

    প্রত্যাবৃত্ত

    অনেক হেটেঁছি অচেনা পথে
    একটি চাঁদনি রাতে আশায়;
    ব্যাকুল চিত্তে দূর আকাশে
    সুতোহীন লাটাই হয়ে।।

    জোড়া-তালির এই জীবনে
    ক্রমাগতই আছাড় খেয়েছি
    অঙ্গহীন দৈন্যতায়;
    অসমতার স্লোগানে।।

    সময়ের সাথে জীবনের অংক
    মিলেনি কোন দিন,
    আকাঁ-বাকা পথে হেটেছি
    এক, যাযাবর বেদুইন হয়ে।।

    পল্লব লতা পুরাতন ছেড়ে
    জেগে উঠে নতুন কুঁড়ি নিয়ে
    আমারও আশা ছিল কিন্তু
    হয়ে উঠেনি স্বভাব দোষে ।।

    জানি ধব্বংশ হবো না
    আবার ফিরে আসবো ভিন্নরুপে,
    -মৃত্যুর পথ পেরিয়ে,
    হয়তো অচেনাকেই ভালবাসতে।।

    সখ্যতা বিহীন অপেক্ষায়
    বিরক্তির মাল্য দিতে
    দুর্বাসার গলে
    জীবন-যাতনার পথ ধরে।।

  • মান্নান-রব-মরণ রহস্যে ঘেরা একই ব্যক্তি!

    মান্নান-রব-মরণ রহস্যে ঘেরা একই ব্যক্তি!

    শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার (রামভদ্রপুর) পাচালিয়া গ্রামের মৃত আ: আজিজ সিকদারের পুত্র আ: মান্নান সিকদারের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৫ মে। পিতার মৃত্যু পরবর্তী তার অপর ওয়ারিশদের ঠকিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের লক্ষে তিনি কখনো আ: রব সিকদার বা মরণ সিকদার নাম ব্যবহার করে আসছেন। এমনি ভাবে প্রায় ৭ একর জমির একতরফা ভোগ দখলে রেখে মালিকানাবনেছেন। এমন অভিযোগ করেছেন আজিজ সিকদারের অপর পুত্র নুর মোহাম্মদ সিকদার।

    লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আ: আজিজ সিকদার ব্রিটিশ শাসনা মলে আর্মি সদস্য ছিলেন। তিনি অবসর গ্রহণের পরে ১৯৫১ সনে একটি সরকারি জমির মালিকানা দখল করেন। সেই জমি নিয়ে ফরিদপুর আদালতে ১৩/১৯৫১ নং দেওয়ানী মোকদ্দমা হয়। সেই মামলার বিবাদী হয় আ: আজিজ সিকদার।

    তিনি মৃত্যু বরণ করার পরে তার বড় ছেলে আব্দুর রর সিকদারের নামে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব চলে যায়। কিছুদিন পরে রর সিকদার মৃত্যু বরণ করায় মান্নান সিকদার রব সিকদারের ভুমিকায় অভিনয় শুরু করে। সেই আব্দুল মান্নন সিকদার কখনো রব সিকদার আবার কখনো মরণ সিকদারের ভুমিকায় চরিত্র বদলায়।

    অভিযোগকারী নুর মোহাম্মদ সিকদার জানায়, মান্নান সিকদার নিজেকে রব সিকদার দাবী করে প্রায় ৭ একর জমি দখলে রেখেছে। দীর্ঘদিনে তিনি ধন-সম্পত্তি ও প্রভাব প্রতিপত্তির অধিকারী হয়েছেন। এখন তার প্রভাবে আমি জমির কাছেও ভিরতে পারি না। মান্নানের ছেলে নুরে আলম জাতীয় পরিচয় পত্রে ব্যবহার করে পিতার নাম আব্দুল মান্নান সিকদার।

    অপর ছেলে মোবারক ব্যবহার করে আব্দুর রব সিকদার। কখনো আবার রব ও মান্নান হয়ে যায় মরণ সিকদার। আমার মেয়েরা প্রকৌশলী লাইনে পড়াশুনা করেও মান্নান সিকদারের কারণে বিয়ে দিতে পারছি না। আমাকে জমির কাছেও যেতে দেয় না। আমার মেয়েদের বিয়ের প্রস্তাব আসলে তাদের সম্পর্কে মান্নান খারাপ বলে বিয়ে ভেঙ্গে দেয়।

    কার্তিকপুর বাজারের ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বেপারীসহ অন্যান্যরা জানায়, মান্নান সিকদারও কার্তিকপুর বাজারে ব্যবসা করে। আমরা তাকে মনা সিকদার নামে চিনি। সে রব সিকদার কিনা আমাদের জানা নাই।

    এই বিষয়ে অভিযুক্ত মান্নান-রব ওরফে মরণ সিকদার জানায়, রব সিকদার নামে তার কোন ভাই ছিল না। সে নিজেই মান্নান সিকদার। তার এক ছেলে নুরে আলম স্কুলে ভর্তি হতে গেলে শিক্ষক পিতার নাম মান্নান সিকদার লিখে নেয়।

    অপর ছেলে মোবারক সিকদারের জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম আব্দুর রব রয়েছে। তবে মরণ সিকদার হয় কিভাবে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, একটি জমির ক্রয় মালিকানা রেজিস্ট্রির সময় আমি সেখানে উপস্থিত হতে পারিনি। তখন কেউ আমার নাম মরণ সিকদার লিখে দেয়।

    সেই থেকে আমিই মান্নান সিকদার, রব সিকদার ও মরণ সিকদার। এছাড়া আমার ভিন্ন কোন উদ্দেশ্য নাই। যে জমির মালিকানা হওয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে সেই জমি আমি নিজের পরিশ্রমে অর্জণ করেছি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিন্টুর খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিন্টুর খুনিদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গায় মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া আব্দুল হাকিম পিন্টুর খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে ভূক্তভোগী পরিবার ও নির্যাতনের শিকার এলাকাবাসী।

    রবিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যা-লয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসুচীতে চরবাগডাঙ্গার খুনের শিকার পিন্টুর পরিবার ও একই এলাকায় একাধিক হত্যাকান্ডের শিকার পরিবার এবং এলাকার নির্যাতিত-নিপীড়িত সাধারণ নারী-পুরুষ ও শিশুরা অংশ নেয়।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নিহত পিন্টুর বাবা মামলার বাদী মোঃ হুমায়ন, পিন্টুর বোন মোসাঃ জান্নাতুন খাতুন, চাচা রফিকুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম, আরেক হত্যাকান্ডের শিকার জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বাদী মোসাঃ মিলিয়ারা, স্থানীয় শওকত আলীসহ অন্যরা।

    বক্তারা বলেন, পিন্টু হত্যার প্রায় দেড়মাস পার হলেও পুলিশ মামলায় এপর্যন্ত ৩জনকে গ্রেফতার করলেও মূল হোতা শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর সক্রিয় সন্ত্রাসীরা এখনো গ্রেফতার হয়নি।

    অন্যদিকে, টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন মামলা তুলে নিতে নানাভাবে হুমকি দেয়া অব্যাহত রেখেছে। ভূক্তভোগী পরিবার আতংকে দিন কাটাচ্ছে। খুনিরা গ্রেফতার না হওয়ায় চরম হতাশা এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিবারগুলো।

    মাদক স¤্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার শাহিদ রানা টিপু চেয়ারম্যান ও তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য পিন্টু হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবী জানান বক্তারা।

    উল্লেখ্য, মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসের গডফাদার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান শাহিদ রানা টিপুর নেতৃত্বে তাঁর সহযোগিরা চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের গোয়ালডুবি মোন্নাপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সাবের আলীর ছেলে মোঃ হুমায়ন (৬০) এর ছেলে আব্দুল হাকিম পিন্টুকে এবছর ১২ জানুয়ারী রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে চরবাগডাঙ্গার সোনাপট্টির পাশে লতিব মিনিস্টারের বাগানে কুপিয়ে-পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়।

    ঘটনা জানতে পেরে পরিবার ও এলাকার লোকজন আব্দুল হাকিম পিন্টুকে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থা আশংকাজনক হলে পিন্টুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পিন্টুর অবস্থা বেগতিক হতে থাকে। শেষে ২৩ জানুয়ারী দুপুর ২ টার দিকে চিকিৎ সাধিন অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়।

    রাজশাহী মেডিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে এসে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। এঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত সাবের আলীর ছেলে মোঃ হুমায়ন চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর থানায় ২৩ জানুয়ারী দিবাগত রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।