Blog

  • খুশকি মুক্ত চুল চাইলে যা করনীয় !

    খুশকি মুক্ত চুল চাইলে যা করনীয় !

    খুশকির সমস্যা সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা সাধারণত তৈলাক্ত চুল এবং নোংরা স্ক্যাল্পের কারণে হয়। নির্দিষ্ট শ্যাম্পু এবং কেমিক্যালযুক্ত পণ্য দিয়ে খুশকির সমাধান করতে চাইলে তা চুল পড়া বাড়াতে পারে। এর বদলে ঘরোয়া উপায় বেছে নিতে হবে। তাতে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয় থাকবে না।

    খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়-

    লেবুর রস
    লেবুর রস খুশকির সমস্যা দূর করতে কাজ করে। ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ১/৪ গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন এবং এরপর এটি আপনার মাথার ত্বকে প্রি-শ্যাম্পু আচার হিসাবে প্রয়োগ করুন। এটি এক ঘণ্টার জন্য রাখুন কারণ সাইট্রিক অ্যাসিড এবং এর অণুজীব বৈশিষ্ট্য চুল থেকে ছত্রাক দূর করবে এবং চুল পড়া রোধ করবে যাতে। একটি ভালো শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ও চুল ধুয়ে নিয়ে তারপর কন্ডিশনিং করুন।

    কফি
    প্রায় প্রতিটি বাড়িতে কফি থাকে। এটি আপনার ত্বক এবং চুলের জন্য দুর্দান্ত এবং এটি এক্সফোলিয়েশন, ময়লা এবং জঞ্জাল কমাতে ব্যবহার করতে পারেন। কফি মাথার ত্বক পরিষ্কার করে এবং এক্সফোলিয়েট করে। অল্প নারিকেল তেল গরম করুন এবং এতে কফি পাউডার যোগ করুন। ভালো করে মেশান এবং পেস্টটি লাগান। ৩০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন এবং একটি মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে আপনার চুল ধুয়ে ফেলুন।

    ৩. আপেল সাইডার ভিনেগার
    খুশকির সমস্যার সমাধান করতে পারে আপেল সিডার ভিনেগার। মাথার ত্বককে আলতো করে পরিষ্কার করে এবং খুশকির চিকিৎসায় সাহায্য।২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার সপ্তাহে দুইবার লাগান এবং ফলাফল দেখুন।

    ৪. রসুন
    খুশকির জন্য সেরা ঘরোয়া প্রতিকারগুলির মধ্যে একটি হলো রসুনের ব্যবহার। এই ঘরোয়া প্রতিকার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ, যা মাথার ত্বকের সংক্রমণ দূর করে। এছাড়াও ভিটামিন সি, এ, সেলেনিয়াম, অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ রসুন চুলকে উজ্জ্বল ও মজবুত করে। সপ্তাহে দুইবার রসুনের রস ব্যবহার করা শুরু করুন।

     

  • গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর বাড়ী ভাঙচুর

    গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর বাড়ী ভাঙচুর

    গাজীপুরে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় স্থানীয়দের মারধরে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ধীরাশ্রমের দক্ষিণখানে মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা চালান একদল বিক্ষুব্ধ ছাত্র–জনতা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড-ভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়িতে শতাধিক বিক্ষুব্ধ ছাত্র–জনতা হামলা চালায়। তারা মোজাম্মেল হকের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করে।

    এ সময় মসজিদের মাইকে মন্ত্রীর বাড়িতে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। মাইকিং শুনে আশপাশের লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলেন।

    তারা ভাঙচুরকারী কয়েকজনকে মারধর করেন। গুরুতর আহতাবস্থায় ১৫ জনকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, সাবেক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের বাড়ি ভাঙচুর করতে গেলে স্থানীয়দের হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। এখন (রাত ১২টা) পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

     

  • নরসিংদীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা, গুলিতে গৃহবধূর মৃত্যু

    নরসিংদীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা, গুলিতে গৃহবধূর মৃত্যু

    নরসিংদীর রায়পুরায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শান্তা ইসলাম নামে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের শ্রীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ শান্তা ইসলাম একই গ্রামের শাকিল খানের স্ত্রী।

    নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, অস্ত্র নিয়ে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ খান রাসেলের বাড়িঘরে হামলা চালান একদল লোক।

    এ সময় তাদের বাধা দিতে গেলে চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই শাকিল খানের স্ত্রী শান্তা গুলিবিদ্ধ হয়। এসময় এগিয়ে এলে আরও কয়েকজন আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে শান্তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

    ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজ মোর্শেদ রাসেল জানান, আমার বাড়ি ও ইউনিয়ন পরিষদে ভাঙচুরসহ লুটতরাজ চালানো হয়। বাড়িতে আমার দুই চাচা ও মহিলারা ছিলেন। বাধা দিতে গেলে নারীসহ পাঁচজনকে গুলি করে পালিয়ে যান তারা।

    রায়পুরা থানার ওসি জানান, একজন নিহত হয়েছেন। কী নিয়ে গুলি করা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • দ্বিতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন বরিশাল

    দ্বিতীয়বারের মত চ্যাম্পিয়ন বরিশাল

    শ্বাসরূদ্ধকর এক ফাইনাল। ১৯৫ রানের লক্ষ্য। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৮ রান। বোলার হোসাইন তালাত। উইকেটে ছিলেন রিশাদ হোসেন আর এবাদত হোসেন।

    প্রথম বলেই লং অনের ওপর দিয়ে সোজা ছক্কা মেরে দিলেন রিশাদ হোসেন। পরের বলে একটি সিঙ্গেল এবং একটি ওয়াইড। তিন বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেটের ব্যবধানে জয় তুলে নিলো ফরচুন বরিশাল। টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো তামিম ইকবালের দল।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে চিটাগং কিংস। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বরিশাল।

  • একজন সাদিকা ইসলাম পপির ফরিয়াদ !

    একজন সাদিকা ইসলাম পপির ফরিয়াদ !

    “আসসালামু আলাইকুম। আমি পপি। দীর্ঘ ২৮ বছর সুনামের সঙ্গে চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। কিন্তু এই মুহূর্তে ক্যামেরার সামনে কথা বলছি একজন ব্যর্থ মানুষ হিসেবে।

    ব্যর্থ মানুষ বলছি এই কারণে—সবার মন জয় করতে পারলেও দীর্ঘ ২৮ বছর যাদের জন্য কাজ করেছি, এই হাতে যাদের লালন-পালন করেছি তাদের কাছে আমি অযোগ্য একজন মানুষ। তাদের মনমতো চলতে পারিনি। সে জন্যই বলেছি আমি একজন ব্যর্থ মানুষ।

    মানুষ তো সব সময় সবার কাছে ভালো হতে পারে না। আমি যখন ইনকাম করেছি দুহাতে দিতে পেরেছি তখন আমার পরিবারের কাছে অনেক প্রিয় একজন মানুষ ছিলাম। এখন তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী দিতে পারি না। তাই তাদের কাছে গলার কাঁটা, শত্রু এবং অপছন্দের মানুষ।

    দুই দিন যাবৎ দেখলাম আমার পরিবার কতটা নিচে নামতে পারে। কত হিংস্র ব্যবহার করতে পারে। কত নোংরা শব্দ ব্যবহার করতে পারে। মিডিয়ার কাছ থেকে সব সময় আমি সহযোগিতা পেয়েছি। পরিবারের কয়েকটা মানুষের মিথ্যা কিছু কথাবার্তা, মিথ্যা অভিনয়, নাটক মিথ্যা অভিযোগ বলার সাথে সাথে যে মানুষগুলো আমাকে সবচেয়ে বেশি সাপোর্ট করার কথা তারাই মানুষের কথা অনুযায়ী আমাকে ভুলভাবে বাংলাদেশের মানুষের কাছে বাজেভাবে উপস্থাপন করেছেন। এর থেকে দুঃখজনক কিছুই হতে পারে না। যাদের জন্য কাজ করেছি আজ তারা আমার না। এ জন্যই আল্লাহ বলেন, কেয়ামতের মাঠে কেউ কাউকে চিনবে না।

    আজ যে অভিযোগগুলো আমার মা-বোন করছে। শক্তভাবে আমি প্রতিবাদ করছি। এর পুরোটাই বানোয়াট। তাদের স্বার্থ উদ্ধার হয়নি বলে সত্য একটা জিনিসকে অসত্য বলে প্রমাণিত করার চেষ্টা করছে। আমি একজন শিল্পী। আমি কি ভূমিদস্যু? যাদেরকে এই দুই হাতে ছোটবেলা থেকে লালন-পালন করেছি, জীবনের যে সময়টা উপভোগ করার সেই সময়টা তাদের জন্য ব্যয় করেছি।

    এটা আমার দায়িত্ব না। তার পরও ভাই-বোনকে নিজের সন্তান হিসেবে লালন-পালন করেছি। নিজের ভবিষ্যৎ, ভালো লাগা, মন্দ লাগা অনেক কিছুই বাদ দিয়েছি। শুধু আমার ভাই-বোনকে মানুষ করার জন্য। কিন্তু এখন এসে দেখলাম মানুষ হয়নি। হিংস্র পশুরও কৃতজ্ঞতা থাকে। এদের মধ্যে সেই কৃতজ্ঞতা নেই।তারপর ও আমার কোনো অভিযোগ নেই। কাদের নামে অভিযোগ করব?

    অভিযোগ করে বাইরের মানুষের নামে। যেহেতু আমার ভাই-বোন, বাবা-মাকে অনেক ভালোবাসি। তাই তাদের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। তাদের দ্বারা আমার জীবনে অনেক কিছু ফেস করেছি। নির্যাতিত, লাঞ্ছিত, অপমানিত হয়েছি।

    আমি যে আয় করেছি, তারা সব নিয়ে নিয়েছে। আমার সাথে বেঈমানি করেছে। আমার টাকা দিয়ে কেনা সম্পত্তি আমার নামে ছিল না। আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শূন্য ছিল। আমার দেহটা ছাড়া কোনো কিছুই আমার ছিল না। সব কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আমিও তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিলাম।

    একটা পর্যায়ে এসে মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার জন্য অবলম্বন লাগে। একটা সময় যখন জানতে পারলাম আমার পরিবার আমাকে ঠকিয়েছে। জানার পরও চুপ ছিলাম। তাদের দ্বারা অনেক নির্যাতিত হয়েছি।আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছে। আমার টাকা চুরি করেছে। আমাকে খুন করতে খুনিকে টাকা দিয়ে ভাড়া করেছে। আমার আপন মা, ভাই ও বোন জড়িত ছিল।

    পৃথিবীতে সব মা-ই মা না। খারাপ মা-ও আছে। দুর্ভাগ্যবশত আমার মা হয়তো আমাকে সেই পরিমাণ ভালোবাসতে পারেনি। আমার পরিবারের কাছে সব সময় সোনার ডিম পাড়া একটা হাঁস ছিলাম। দুধ দেওয়া একটি গরু ছিলাম। টাকা ছাপানোর মেশিন ছিলাম।

    সন্তান হিসেবে কখনোই ভালোবাসাটা পাইনি। তার পরও কোনো অভিযোগ নেই। এখনো নেই। একটা মানুষ যখন মেশিনে পরিণত হয় তখন তার মূল্য মেশিন হিসেবে থাকে। মানুষ হিসেবে থাকে না।

    ভালোবাসা না পেলেও আগে কোনো অভিযোগ করিনি। ২০০৭ সালে জানতে পারি আমার কোনো কিছু ছিল না। তখন ফিল্মের আলমগীর ভাই আমাকে অনেক হেল্প করেছেন।তিনি অনেক সাপোর্ট করে ছিলেন। বাবা মাকে ডেকে কিছু ফেরত দিতে বলেছিলেন।

    কিন্তু তারপর বাবা মা বেঈমানি করেছে। সিনেমার নায়িকা হলেও বাস্তব জীবনে অনেককিছু ফেইস করেছি। এতদিন বোকা ছিলাম। যখনই চোখ কান খুলেছে তখন আমি পরিবারের শত্রু।”

    সাদিকা পারভীন পপি (চিত্রনায়িকা)

  • গণহত্যাকারীদের বিচার ও যৌক্তিক সময়ে নির্বাচনের দাবি

    গণহত্যাকারীদের বিচার ও যৌক্তিক সময়ে নির্বাচনের দাবি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ গণহত্যাকারী দুর্ণীতিবাজ ও গণতন্ত্রের শত্রুদের বিচার ও যৌক্তিক সময়ে নির্বাচনের দাবীতে আলোচনা সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

    শুক্রবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি আয়োজিত সভাটি হয় নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মোঃ মাসিদুল হক নিখিল। বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারেক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষকদলের আহবায়ক সদস্য সচিব মোঃ তাসেম আলী, জেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ তাবিউল ইসলাম তারিফ, জেলা যুবদলের আহবায়ক তবিউল ইসলাম তারিফ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান অনু, যুবদল নেতা মজিবুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেব দলের সাধারণ সম্পাদক জামিউল হক সোহেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিরুল ইসলাম পলাশ ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আক্তার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সারোয়ার জাহান ও সহ-সভাপতি মিম ফজলে আজিমসহ অন্যরা।

    সাবেক সাংসদ ও বিএনপির এই নেতা- স্বৈরশাসক আওয়ামীলীগ সরকারের গুম, খুন, লুটপাট, অর্থ পাচারকারী, গণহত্যাকারী দুর্ণীতিবাজ ও গণতন্ত্র হত্যসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ইতিহাস বিকৃত করারও তিব্র সমালোচনা করেন। গণহত্যাকারী দুর্ণীতিবাজ ও গণতন্ত্রের শত্রুদের বিচারের জোর দাবী জানান সাংসদ হারুনুর রশীদ।

    সাবেক সাংসদ হারুনুর রশীদ, রাষ্ট্রীয় কাঠামো সংস্কার ও যৌক্তিক সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে দ্রুত নির্বাচন দেয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহবান জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ।

    সভায় বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও শত শত বিএনপি পাগল সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিবিতে শাওন এবং অভিনেত্রী সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে !

    ডিবিতে শাওন এবং অভিনেত্রী সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে !

    মেহের আফরোজ শাওন এবং অভিনেত্রী সোহানা সাবাকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে গ্রেপ্তারের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

    শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, মেহের আফরোজ শাওন ও অভিনেত্রী সোহানা সাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের কোন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে, সে সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

    উল্লেখ্য গত ১৫ জানুয়ারি কলকাতার হোটেল পার্কে অনুষ্ঠিত আওয়ামী সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়ালি মেহের আফরোজ শাওন এবং অভিনেত্রী সোহানা সাবা উপস্থিত ছিলেন এমন অভিযোগ রয়েছে।

     

  • ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

    ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

    ভারতের মধ্যপ্রদেশে নিয়মিত প্রশিক্ষণের সময় দেশটির বিমান বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

    যুদ্ধবিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার আগেই দুজন পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

    সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভারতীয় বিমান বাহিনীর মিরেজ ২০০০ প্রশিক্ষণ বিমান মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইট পরিচালনার সময় বিধ্বস্ত হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

    অবশ্য দুর্ঘটনার আগে উভয় পাইলটই নিরাপদে বের হয়ে আসতে পেরেছিলেন এবং এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

  • আর কোন হামলা নয়-প্রধান উপদেষ্টার

    আর কোন হামলা নয়-প্রধান উপদেষ্টার

    দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের সম্পত্তিতে হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান ড. ইউনূস। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত সম্পত্তি এবং ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আর কোনো হামলা হবে না তা নিশ্চিত করতে হবে।

    বিগত দিনের হামলা মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তারা দীর্ঘদিন হাসিনা সরকারের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। এসব তাদের এতদিনের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

    সরকার তাদের এই অনুভূতিকে বুঝতে পারছে। এমনকি ভারতে বসে হাসিনা বর্তমান বাংলাদেশ সংস্কারে বাধা দিচ্ছে তাও মানুষকে ক্ষুদ্ধ করে তুলছে।” এ সময় তিনি বলেন, হাসিনার এসব কার্যকলাপের কারণেই জনগণের মনে ক্ষোভ বাড়ছে এবং এমন হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়েছে।”

    এর আগে বৃহস্পতিবার বিবৃতিতে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে কতিপয় ব্যক্তি ও গোষ্ঠী সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছে। সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ড শক্তভাবে প্রতিহত করবে।

     

     

  • থামুন! শান্ত হোন ! সরকারকে কাজ করতে দিন- মাহফুজ আলম

    থামুন! শান্ত হোন ! সরকারকে কাজ করতে দিন- মাহফুজ আলম

    ‘আমি জানি এ উত্তপ্ত মৌসুমে কেউ থামতে বলবে না আপনাদের। কিন্তু, আপনারা গালি দিলেও বলব, থামুন।’ বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

    তিনি লিখেন, থামুন! শান্ত হোন। সরকারকে কাজ করতে দিন। বিচার ও সংস্কার হবেই। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২৩ মিনিটে এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা লেখেন তিনি।

    তিনি লিখেন, জনগণ এবার রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত হবার সুযোগ পেয়েছে। এখন গঠনমূলক রাজনীতির সময়। উত্তম বিকল্প দেখানোর সময়। প্রতিরোধের প্রয়োজনেই দরকার নিজেদের প্রশিক্ষিত, প্রাজ্ঞ ও স্থির করে তোলা। মাহফুজ আরো লেখেন, এটা দীর্ঘমেয়াদী লড়াই।

    প্রস্তুতি নিন, হঠকারিতা করবেন না। অভ্যুত্থানের ফসল নষ্ট করবেন না। শত্রুরা আপনাদের যেভাবে দেখতে ও দেখাতে চায়, সেপথে না যাওয়াই এ দেশের জন্য ভালো।

    তিনি বলেন, হাসিনার দিয়ে যাওয়া ট্রমা যেন আপনাদের ওপর ছায়া না ফেলে। আমরা একটা নতুন সমাজ ও রাষ্ট্র গড়বই। দীর্ঘপথ, কিন্তু আমাদের জাতির সামনে আর কোনো বিকল্প নাই।