Blog

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতি গঠণে ‘ট্যার্নিং পয়েন্ট’

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতি গঠণে ‘ট্যার্নিং পয়েন্ট’

    গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সুষ্ঠ ও সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলার জন্য একটি আদর্শীক রাষ্ট্র-কাঠামো প্রয়োজন। রাষ্ট্র বা সমাজে ন্যায়ণীতি পরায়ন ব্যক্তির নেতৃত্বে ‘ সরকার বা দেশ পরিচালিত হলে তাদের কাছ থেকে জবাবদেহীমূলক সেবা ও অধিকার আশা করা যায়। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশে বিগত ৫৪ বছরেও একটি ন্যায়ণীতি পরায়ণ বা জবাবদেহীমূলকঃ সরকার গঠিত হয়নি। যার কারণে বরাবরই জনগন তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

    স্বাধীনতাত্তর বাংলাদেশে যে কয়টি সরকার গঠিত হয়েছে তারা অধিকাংশই ছিল আত্মকেন্দ্রীক। দেশে ও জনগণের ভালোতে তাদের অবদান আশানুরুপ ছিল না। বলাযায়, তারা ভালোর খোলসে আবৃত্ত একটি পচনশীল সরকার ছিল যা কেবল দলিয় বিনিময়ে চলনশীল ছিল। এই, ধোকাবাজ ও অসার নেতৃত্বের কারণে দীর্ঘ  ৫৪ বছরেও বাংলাদেশ তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

    বিশেজ্ঞদের মতে, বিগত সময়ে বাংলাদেশের বৃহৎ তিনটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসলেও তারা জনগণের আশা পুরন করতে পারেনি। নির্বাচিত হওয়ার আগে তারা বিভিন্ন প্রতিশ্রতি দিলেও ক্ষমতা দখল করার সাথে সাথে তার সন্ত্রাস, চাদাঁবাজী ও লুন্ঠনে সময় পার করেছে। দেশের বিপুল পরিমান সম্পদ বিদেশে পাচার করে গড়ে তুলছে প্রমোদ-অট্রলিকা।

    সর্বোপরি তারা অসম রাজনৈতিক মন্ত্র বলে গড়ে তুলেছে একটি অস্থির প্রজন্ম যারা জনসেবার পরির্বতে ক্ষমতা আর পেশী শক্তিকে ব্যবহার করে জনসাধারনকে ভয় দেখিয়েছে বা ক্রমাগত ‘পদানত করেছে। ফলে, অনুপাতিক হারের অধিকাংশ শান্তি প্রিয় মানুষ ‘এক অসুস্থ্য রাজনৈতিক ব্যধিতে’ মারাত্বক ভাবে আক্রান্ত হয়েছে। বিগত ৫৪ বছর ধরে চলতে থাকা এই ব্যাধি ক্রমাগত বেড়ে এখন মহামারির রুপ ধারন করেছে।

    এমতবস্থায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশ ও জাতি গঠণে ‘ট্যার্নিং পয়েন্ট’ হিসাবে বিবেচিত। কারণ একটি যুগান্তকারী বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ আসন্ন নির্বাচনের দায়িত্ব নিয়েছে। বহুদিনের আশাহত জাতি নতুন আশায় জাগ্রত হয়েছে। ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে তারা একটি নিরপেক্ষ ও সুন্দর নির্বাচন দেখতে চান।

    বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দেড় বছরে তাদের অনেক সিদ্ধান্তেই জাতি আশাবাদী হয়েছেন। ইতিমধ্যে সত্য ও ন্যায়ের স্লোগানে যুব-তরুণ সমাজ কুসংস্কারের প্রাচীর ভাঙ্গতে শুরু করেছে। জুলাই বিপ্লব জানিয়ে দিয়েছে তারা শাসক নামক জালিমদের আর ভয় পায় না। আবু-সাঈদ ও হাদির পথেই এসকল যুবকেরা সত্য ও সুন্দরের পথে বুকে তাজা বুলেট নিতে ডাক দিয়েছে-

    `কারার ঐ লৌহ কপাট
    ভেঙে ফেল কর রে লোপাট
    রক্ত জমাট শিকল পুজোর পাষাণ বেদী
    ওরে ও তরুণ ঈষাণ
    বাজা তোর প্রলয় বিষাণ
    ধ্বংস নিশান উক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি’ ॥

    সত্য সুন্দরের পথের এই অগ্রযাত্রায় দেশবাসী অংশ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। মনে রাখতে হবে- কেবল আদর্শীক ও নিষ্ঠাবান নেতৃত্বই পারে একটি কল্যাণকর ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে। তাই আসুন হাতে হাত রাখি, সত্য সুন্দরের পথে থাকি।

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রধান সমন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি সাটুরিয়া উপজেলা শাখা।
  • নানি বাড়ী এসেছি, ধানের শীষে ভোট চাই-তারেক জিয়া

    নানি বাড়ী এসেছি, ধানের শীষে ভোট চাই-তারেক জিয়া

    ‘অনেক দিন পর নানি বাড়ী এসেছি, আপনারা কী খাওয়াবেন আর কী দিবেন ! এ জেলায় ভালো ধান ফলে, তাই নানীর বাড়ির এলাকার বিখ্যাত ধান অর্থাৎ ধানের শীষে আমি ভোট চাইতে এসেছি বলে জানান তারেক জিয়া।

    এই সময় তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন করতে, দেশের মানুষকে ভালো রাখতে ধানের শীষে ভোট দিবেন। নানীর বাড়ির মানুষের কাছে একটাই আমার চাওয়া। নাতি হিসেবে এটি আমার আবদার।’

    আজ শনিবার বিকালে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সরকারী কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী প্রচারণ জনসভায় নাতি হিসেবে ভোট পাওয়ার আবদার রেখে  রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, ‘দিনাজপুরকে সারাদেশ চিনে কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে। এই এলাকার লিচু খুবই বিখ্যাত। আমরা এই কৃষি প্রধান অঞ্চলকে কৃষির সাথে সম্পর্কিত শিল্প গড়ে তুলতে চাই।

    এই এলাকার বিখ্যাত লিচু প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানী করতে চাই। লিচু সংরণের জন্য হিমাগার তৈরি করতে চাই। যাতে পরে লিচু বিদেশে রপ্তানী করতে পারি। ক্ষমতায় গেলে দিনাজপুরে উৎপাদিত আম প্রক্রিয়াজাত করনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কোম্পানীকে দিনাজপুরে আনা হবে।’

    দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে দিনাজপুর- ৬ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর-৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণা জনসভায় তারেক রহমান আরো বলেন, ‘আমরা জনগণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছি।

    জনগণের সমর্থন, ভালোবাসা ও জনগণের শক্তিতে বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে সাধারণ ও খেটে-খাওয়া মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে। নিরাপদে ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি করতে পারবে।

    এই সময় বিএনপি সরকার গঠন করলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।

    বক্তব্য শেষে তারেক রহমান ধানের শীষ হাতে তুলে দিয়ে দিনাজপুর- ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন, দিনাজপুর সদর- ৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া ও দিনাজপুর- ৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী একেএম কামরুজ্জামানকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে দিনাজপুরের ৬টি আসনে ধানের শীষে ভোট চান সকলের কাছে।

     

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন।

    সভায় বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন তানভীর, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নূরে আলম, বারঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফল হাসান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি ডাবলু কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চ্যাটার্জী, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি অর্জন চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক অজিত দাস, সিসিডিবি মোড়স্থ গীর্জা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিথিকা বাড়ই, আদিবাসী নেতা কর্ণে লুইস মুরমু প্রমুখ।

    বক্তারা, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    সভায়, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, হিন্দু, আদিবাসী, বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের এবং মন্দির, মঠ ও গির্জার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

  • জামায়াত জনগণের পাহারাদার হতে চায়-ডা. শফিকুর রহমান

    জামায়াত জনগণের পাহারাদার হতে চায়-ডা. শফিকুর রহমান

    ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচার হয়েছে। এসব অর্থ জনগণের সম্পদ। তিনি বলেন,  নির্বাচিত হলে জনগণের অর্থ জনগণের কাছে ফিরিয়ে আনতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ শনিবার সিলেটে এক নির্বাচনী সভায় তিনি এই কথা বলেন।

    সিলেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রবাসী-নির্ভর এলাকা হওয়া সত্ত্বেও অঞ্চলটি গ্যাস, বিদ্যুৎ, সুপেয় পানি, নদীভাঙন ও ড্রেনেজ সমস্যায় ভুগছে। বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়। মাদক, সন্ত্রাস ও অস্ত্রের বিস্তার নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এসব অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে, প্রবাসীদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হবে এবং নদীবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি চা শ্রমিকদের দায়িত্ব সরকার নেবে।

    ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, তিনি সিলেটেই বেড়ে উঠেছেন ও কর্মজীবন গড়ে তুলেছেন। দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন স্বজন হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে চান। জনগণকে সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত ক্ষমতার মালিক নয়, জনগণের পাহারাদার হতে চায়।

    জনসভায় মহানগর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও শাহজাহান আলী এবং জয়নাল আবেদীনের যৌথ সঞ্চালনায় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন। পরে জোটপ্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেওয়া হয়।

  • বিএনপির ৫১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষনা

    বিএনপির ৫১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষনা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রায় দুই দশক পর সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের জন্য কী কী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে—তার রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘কল্যাণমুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে ৯টি অগ্রাধিকার খাতকে সামনে রেখে ৫১ দফার নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।

    শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

    এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান। সে হিসেবে এটি তার নেতৃত্বে দলের প্রথম নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা।

     

  • আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই-ডা. শফিকুর রহমান

    আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই-ডা. শফিকুর রহমান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় এলে বিচার হবে সবার জন্য সমান, সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে বিচার, প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি অপরাধ করলেও একই বিচার হবে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট আর সি কলেজ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই।

    আমরা বিজয়ী হলে দেশের সব মানুষ বিজয়ী হবে। আমরা চাই সবাইকে নিয়ে সুন্দর একটি দেশ গঠন করতে, যেখানে সবার সমান অধিকার থাকবে। বিচার ব্যবস্থাও সবার জন্য সমান হবে।

  • ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের আহতের ঘটনার জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের নিন্দা

    ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের আহতের ঘটনার জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের নিন্দা

    জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহতের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচারের দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করে তারা এই নিন্দা জানান। হাদির বিচার না হওয়ার পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। এই সময় তিনি আহতদের দ্রুত তাদের চিকিৎসা দেয়ার দাবি জানান।

    নাসীরুদ্দীন বলেন, পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে, যা নিন্দনীয়। সরকার কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে। সরকারের মধ্যে ভেতরের কেউ থাকতে পারে। সাংবাদিকসহ ৩০ থেকে ৪০ জন আহত।

    আহতদের দেখতে এসে জামায়াত নেতারা বলেছেন, ন্যায্য দাবি আদায় করতে গেলে সরকারি পেটুয়া বাহিনী ন্যাক্কারজনক ভাবে হামলা করেছে। সরকারের উচিত ছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে বক্তব্য শোনা এবং কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া।

    সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, তাদের ন্যায্য দাবি ছিল, সুশৃঙ্খল আন্দোলন ছিল। কিন্তু সরকারের পেটোয়া বাহিনী নির্মম হামলা চালিয়েছে, তদন্ত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

    এদিকে সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকার পক্ষ হতে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইনকিলাব মঞ্চের দাবি অনুযায়ী আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) শরীফ ওসমান হাদির হত্যার ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।

    উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ওসমান হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচিকে ঘিরে আগে থেকেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ব্যারিকেড বসায় পুলিশ।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা সহ কয়েকজন যমুনার সামনে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ।

    এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ আহত হন অর্ধশত নেতাকর্মী।

  • পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের অন্তত ২৩ জন আহত

    পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের অন্তত ২৩ জন আহত

    জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও হত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা করার সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করেছে পুলিশ। এতে সংগঠনটির অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে শাহবাগের ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যেতে চাইলে  ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে।

    ঢামেকের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ইমরান হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত ২০-২৫ জন এসেছে। তাদের সবাই আহত।

    তবে, গুলিবিদ্ধ বা রাবার বুলেটে বিদ্ধ কেউ এসেছে কি না, সেটা এখনই বলতে পারব না। ভর্তি ছাড়াই অনেককে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন ও চার কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশনের চেয়ারপারসন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম–সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির (গুম–সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন) প্রধান ছিলেন।

    বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ দিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। কমিশনারদের মধ্যে দুজন সাবেক গুম–সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য।

    তারা হলেন-মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।বাকি দুজন কমিশনার হলেন ঢাকা বিশ্ব-বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম ও মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান।

  • বেকার ভাতা নয়-কর্মের যুবসমাজ গড়ব-জামায়াত আমির

    বেকার ভাতা নয়-কর্মের যুবসমাজ গড়ব-জামায়াত আমির

    দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তরুণদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই জামায়াতের মূল লক্ষ্য। দেশের নারী-পুরুষ নিজ নিজ অধিকার ভোগ করবে। দেশের যুব সমাজ ভিক্ষাভিত্তিক কোনো সহায়তা নয় বরং সম্মানজনক কর্মসংস্থানের প্রত্যাশায় রাজপথে নেমেছে।

    তিনি যুবকদের উদ্দেশে বলেন, তাদের ভবিষ্যৎ হবে দক্ষতা ও কাজের মাধ্যমে গড়ে ওঠা অপমানজনক কোনো বেকার ভাতার ওপর নির্ভরশীল নয়। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    হাজারো হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সমাবেশে ড. শফিকুর রহমান দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তরুণদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে, যাতে তারা মর্যাদার সঙ্গে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে।

    দেশের অগ্রযাত্রায় তরুণরাই হবে মূল চালিকাশক্তি, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল আসনে বসবে তরুণরা, আর প্রবীণরা তাদের সহযোগী হিসেবে পাশে থাকবে। দেশের সার্বিক অগ্রগতির প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, জাতি হিসেবে আর পিছনে তাকানোর সময় নেই। ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করতে হবে।

    নারীদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, জামায়াত এমন সমাজ গড়তে চায়, যেখানে নারী সমাজ সর্বস্তরে সম্মান, অধিকার ও নিরাপত্তা পাবে। বর্তমানে সমাজে এই দুটি বিষয়ের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদের ঘরে, কর্মক্ষেত্রে ও চলাচলের পথে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই জামায়াতের মূল লক্ষ্য যেখানে পুরুষ ও নারী উভয়েই নিজ নিজ অধিকার ভোগ করবে এবং কোনো অন্যায়কারী নারীর প্রতি কুদৃষ্টি দেওয়ার সাহস পাবে না।

    ন্যায়বিচারের প্রসঙ্গ টেনে ড. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। অতীতের বিভিন্ন আন্দোলনে জনগণ স্পষ্টভাবে ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছে, যা প্রমাণ করে দেশে ন্যায়বিচারের ঘাটতি রয়েছে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে সবার জন্য সমান আইন ও নিরপেক্ষ বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    বক্তব্যের এক পর্যায়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চাঁপাই-নবাবগঞ্জ-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল এর হাতে নির্বাচনী প্রতীক ‘দাড়িপাল্লা’ তুলে দিয়ে জেলার ৩টি আসনের ভোটারদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন জামায়াত আমীর ড. শফিকুর রহমান।

    জামায়াত আমীর আগামী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দিন জুলাই সনদকে প্রতিষ্ঠা করতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে গোলামীর হাত থেকে দেশকে রক্ষার আহবান জানান চাঁপাই-নবাবগঞ্জবাসীর কাছে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমীর আবু জার গিফারী।  সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।

    এ ছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ৩ আসনের জামায়াত মনোনীত সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোঃ লতিফুর রহমান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল, সাবেক জেলা আমীর ও পৌর মেয়র মোঃ নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মোখ-লেসুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্র শিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও ডাকসুর জিএস এম. এম. ফরহাদসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দ।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিনের আমীর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনের প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে এবং আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হই, তাহলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে একটি সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, মাদকমুক্ত, মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

    তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিল্পঞ্চল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলে হাজার বেকার তরুন-তরুনীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। আমের জেলায় আম সংরক্ষনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের প্রশাসনিক সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে একটি নতুন উপজেলা গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। জেলার সমস্যগুলো সমাধান করে একটি আধুনিক ও মডেল জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে জনগনের সেবক হিসেবে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই।

    তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের ‘দাঁড়িপাল্লা’য় ভোট দিয়ে জয়ী করার আহবান জানান। সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে এবং হ্যাঁ ভোটের ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা জোরদারের ঘোষণা দেন।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীরের আগমন উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান নওগাঁয় নির্বাচনী সভায় বলেছেন, স্বাধীনতা অর্জনের ৫৪ বছরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়ে বার বার সুযোগ পেয়ে নিজেরাই ক্ষমতাবান হয়েছেন।

    জনগনকে ক্ষমতায়িত করেনি। তারা শুধু কোটি কেটি টাকা লুট করেছে। মেগা- প্রকল্পের নামে মেগা দূর্নীতি করেছে। ইতিপূর্বে যারা ক্ষমতায় ছিল, জনগণ গণ অভ্যূত্থানের মাধ্যমে যাদের তাড়িয়েছেন তারা ২৮ লক্ষ কেটি টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশে কেন দূর্নীতি হতে দেবনা। আমরা দূর্নীতি করিনা, দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিবনা। আমরা ব্যাংক লুট করিনা লুটকারীদের প্রশ্রয় দিবনা।

    জামায়াতে ইসলামী আমীর বলেছেন, আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ার্#ী৩৯;র নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী বা কোন গোষ্ঠী অথবা কোন বিশেষ শ্রেণীর মানুষের বিজয় চাইনা। আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আর ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করতে হলে জামায়াতে ইসলাম্#ী৩৯;র ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান।

    তিনি বৃহষ্পতিবার বেলা সোয়া ১১টায় নওগাঁ ্য়ঁড়ঃ;এটিম্য়ঁড়ঃ; মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত হলে নওগাঁ এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প আস্তবায়ন করবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    জেলা আমীর খ ম আব্দুর রাকিবের সভাপতিত্বে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন, জামায়াতে ইসলামী নেতা ব্যারিষ্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির, জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী অঞ্চল প্রধান ও বগুড়া-আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাব উদ্দিন, নওগাঁ-১ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুল আলম, নওগাঁ-২ আসনের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান, নওগাঁ-৫ আসনের প্রার্থী আ স ম সায়েম, নওগাঁ-৬ আসনের প্রার্থী মাস্টার খবিরুল ইসলাম শরীক দল এবি পার্টি নেতা এ্যাড. কাজী আতিকুর রহমান, জুলাই যোদ্ধা ফিরোজ হোসেন এবং ২৪শে শহীদ শারমিনের মা।

    সকাল নওগাঁ জেলার বিভিন্ন উপজেলার হাজার হাজার নেতাকর্মী সমর্থক নওগাঁ এ টিম মাঠে এসে সমবেত হন। জনসভা শুরুর নির্দিষ্ট সময়ে বেলা ১১টার মধ্যে এটি মাঠ এবং সংলগ্ন এলাকাসমূহ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।