Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ !

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করেছে।

    একই রাতে অপর একটি অভিযানে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চরবাগডাঙ্গা বিওপি এলাকা থেকে ৪টি গরু জব্দ করা হয়। যার আনুমনিক সিজার মূল্য ১০ লক্ষ টাকা। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

    ৫৩ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১০ ফেব্রুয়ারি/২৬ ভোররাত ৫টা থেকে থেকে সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রায় ২০০ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন, ৩০ রাউন্ড ৯ এমএম গুলি, বিস্ফোরক দ্রব্যসহ সন্দেহজনক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    এছাড়া, একই সময়ে সারাদেশে পরিচালিত অভিযানে বিজিবি উদ্ধার করেছে, ৪টি বিদেশি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৫৪৫ রাউন্ড বিভিন্ন ক্যালিবারের গুলি, ৪টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গান পাউডার এবং অন্যান্য অস্ত্রসামগ্রী।

    এসব অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) আওতায় আলাদাভাবে ১৩ কেজি বিস্ফোরক, ৩টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন ও ২৯ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, নির্বাচনকে ঘিরে দেশের অভ্যন্তরে নাশকতা ও সহিংসতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র পাচার ঠেকাতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    বিজিবি কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানায়, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে কোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে দমন করা হবে।

  • সবার আগে বাংলাদেশ-তারেক রহমান

    সবার আগে বাংলাদেশ-তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের রক্ত, ত্যাগ ও আন্দোলনের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পথে হাঁটতে প্রস্তুত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক খেলার মাঠে ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের পক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, গত ১৬ বছরে এবং বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে হাজারো মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি। সেই অধিকার প্রয়োগ করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানাই।

    বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে প্রতিটি মা ও গৃহিণীর জন্য ন্যূনতম আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে, যাতে পরিবারগুলো ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে। একইভাবে কৃষকদের জন্য ‘কৃষিকার্ড’ চালু করে সরাসরি সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

    তরুণ সমাজের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, শিক্ষিত কিন্তু বেকার তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে দেশব্যাপী কারিগরি, আইটি ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিদেশগামী কর্মীদের জন্য স্বল্পসুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তাদের পৈতৃক জমি বিক্রি করতে না হয়।

    স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তিনি বলেন, সরকার গঠন করলে শহর ও গ্রাম মিলিয়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, নারী ও শিশুরা ঘরে বসেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে।

    বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ- ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানজনক ভাতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

    শেষে তারেক রহমান ঢাকা-১৭সহ সারা দেশের ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশ আমাদের, দেশ গড়ার দায়িত্বও আমাদেরই। করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

  • ডিসিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তোলপাড় !

    ডিসিদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে তোলপাড় !

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি)  রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি গোপন তথ্য ফাঁস হয়েছে। ওই নথিতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের নাম, বিসিএস ব্যাচ এবং তাঁদের কথিত রাজনৈতিক পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে—যা মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

    ফাঁস হওয়া নথিতে প্রজাতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ‘বিএনপি’, ‘জামায়াত’ ও ‘এনসিপি (NCP)’—এই তিন রাজনৈতিক ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। নথির সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, ৬৪ জেলার মধ্যে ৫২ জেলাতেই জামায়াত ও এনসিপি মতাদর্শের কর্মকর্তাদের জেলা প্রশাসক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপরীতে বিএনপিপন্থী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে মাত্র ১২ জন কর্মকর্তার নাম।

    দলীয় পরিচয়ভিত্তিক পরিসংখ্যানে জামায়াত ৩২ জন, এনসিপি (NCP) ২০ জন, বিএনপি ১২ জন।

    এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের তালিকার ৬ নম্বরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার নাম রয়েছে। তাঁকে একজন বিএনপির সমর্থক হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের এমন দলীয়করণ প্রসঙ্গে সাবেক এক মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ডিসিরা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, কোনো রাজনৈতিক দলের ক্যাডার নন। তাঁদের নামের পাশে দলীয় পরিচয় লেখা মানে প্রশাসনিক কাঠামোর ভাঙন।নির্বাচনের আগে এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।”

    জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নথি সত্য হলে তা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের জন্য একটি স্পষ্ট অশনিসংকেত।

    এক নজরে রাজনৈতিক পরিচয়ে ডিসিগণ-

    ঢাকা বিভাগ

    ১. ঢাকা — মো. রেজাউল করিম (২৭ ব্যাচ) — জামায়াত

    ২. গাজীপুর — মোহাম্মদ আলম হোসেন (২৭) — জামায়াত

    ৩. নারায়ণগঞ্জ — মো. রায়হান কবির (২৯) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪. মুন্সীগঞ্জ — সৈয়দা নুরমহল আশরাফী (২৭) — জামায়াত

    ৫. নরসিংদী — মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন (২৭) — জামায়াত

    ৬. মানিকগঞ্জ — নাজমুন আরা সুলতানা (২৮) — বিএনপি

    ৭. টাঙ্গাইল — শরীফা হক (২৫) — বিএনপি

    ৮. কিশোরগঞ্জ — মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৯. ফরিদপুর — কামরুল হাসান মোল্যা (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ১০. রাজবাড়ী — সুলতানা আক্তার (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ১১. গোপালগঞ্জ — আরিফ-উজ-জামান (২৭) — জামায়াত

    ১২. মাদারীপুর — জাহাঙ্গীর আলম (২৮) — জামায়াত

    ১৩. শরীয়তপুর — তাহসিনা বেগম (২৫) — জামায়াত

    চট্টগ্রাম বিভাগ

    ১৪. চট্টগ্রাম — জাহিদুল ইসলাম মিঞা (২৫) — বিএনপি

    ১৫. কক্সবাজার — মো. আ. মান্নান (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ১৬. কুমিল্লা — রেজা হাসান (২৯) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ১৭. ব্রাহ্মণবাড়িয়া — শারমিন আক্তার জাহান (২৫) — বিএনপি

    ১৮. চাঁদপুর — নাজমুল ইসলাম সরকার (২৯) — বিএনপি

    ১৯. নোয়াখালী — মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম (২৭) — বিএনপি

    ২০. লক্ষ্মীপুর — এস. এম. মেহেদী হাসান (২৭) — জামায়াত

    ২১. ফেনী — মনিরা হক (২৭) — জামায়াত

    ২২. খাগড়াছড়ি — আনোয়ার সাদাত (২৯) — জামায়াত

    ২৩. রাঙামাটি — নাজমা আশরাফী (২৯) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ২৪. বান্দরবান — শামীম আরা রিনি (২৭) — বিএনপি

    রাজশাহী বিভাগ

    ২৫. রাজশাহী — আফিয়া আখতার (২৫) — বিএনপি

    ২৬. বগুড়া — তৌফিকুর রহমান (২৭) — বিএনপি

    ২৭. পাবনা — ড. শাহেদ মোস্তফা (২৫) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ২৮. সিরাজগঞ্জ — আমিনুল ইসলাম (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ২৯. নওগাঁ — সাইফুল ইসলাম (২৯) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৩০. নাটোর — আসমা শাহীন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৩১. চাঁপাইনবাবগঞ্জ — শাহাদাত হোসেন মাসুদ (২৮) — জামায়াত

    ৩২. জয়পুরহাট — আল-মামুন মিয়া (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    খুলনা বিভাগ

    ৩৩. খুলনা — আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার (২৯) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৩৪. যশোর — মোহাম্মদ আশেক হাসান (২৭) — জামায়াত

    ৩৫. সাতক্ষীরা — আফরোজা আখতার (২৮) — জামায়াত

    ৩৬. বাগেরহাট — গোলাম মো. বাতেন (২৮) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৩৭. কুষ্টিয়া — মো. ইকবাল হোসেন (২৯) — জামায়াত

    ৩৮. ঝিনাইদহ — আব্দুল্লাহ আল মাসউদ (২৭) — বিএনপি

    ৩৯. চুয়াডাঙ্গা — মোহাম্মদ কামাল হোসেন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৪০. মেহেরপুর — ড. সৈয়দ এনামুল কবির (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪১. নড়াইল — ড. মোহাম্মদ আব্দুল ছালাম (২৭) — জামায়াত

    ৪২. মাগুরা — আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (২৮) — জামায়াত

    রংপুর বিভাগ

    ৪৩. রংপুর — মোহাম্মদ এনামুল আহসান (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪৪. দিনাজপুর — রফিকুল ইসলাম (২৭) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৪৫. কুড়িগ্রাম — অন্নপূর্ণা দেবনাথ (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৬. গাইবান্ধা — মাসুদুর রহমান মোল্লা (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৭. নীলফামারী — মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৮. লালমনিরহাট — এইচ. এম. রকিব হায়দার (২৫) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৪৯. ঠাকুরগাঁও — ইশরাত ফারজানা (২৫) — বিএনপি

    ৫০. পঞ্চগড় — কাজী মো. সায়েমুজ্জামান (২৮) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    বরিশাল বিভাগ

    ৫১. বরিশাল — খায়রুল আলম সুমন (২৯) — বিএনপি

    ৫২. পটুয়াখালী — ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী (২৫) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৩. ভোলা — ডা. শামীম রহমান (২৯) — এনসিপি (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৪. পিরোজপুর — আবু সাঈদ (২৮) — জামায়াত (পূর্বে বিএনপি)

    ৫৫. ঝালকাঠি — মো. মমিন উদ্দিন (২৭) — এনসিপি (পূর্বে জামায়াত)

    ৫৬. বরগুনা — তাছলিমা আক্তার (২৭) — জামায়াত

    ময়মনসিংহ বিভাগ

    ৫৭. ময়মনসিংহ — মো. সাইফুর রহমান (২৮) — জামায়াত

    ৫৮. জামালপুর — মোহাম্মদ ইউসুফ আলী (২৭) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৫৯. নেত্রকোনা — মো. সাইফুর রহমান (২৮) — জামায়াত

    ৬০. শেরপুর — তরফদার মাহমুদুর রহমান (২৭) — জামায়াত

    সিলেট বিভাগ

    ৬১. সিলেট — মো. সারওয়ার আলম (২৭) — জামায়াত

    ৬২. সুনামগঞ্জ — ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (২৫) — এনসিপি (পূর্বে সুশীল)

    ৬৩. হবিগঞ্জ — আবু হাসনাত মো. আরেফীন (২৫) — জামায়াত

    ৬৪. মৌলভীবাজার — তৌহিদুজ্জামান পাভেল (২৮) — জামায়াত

     

  • নির্বাচন ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীর মহড়া

    নির্বাচন ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীর মহড়া

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    এরই অংশ হিসেবে সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীসহ যৌথ বাহিনীর এক বর্ণাঢ্য ও সতর্কতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই মহড়া শুরু হয়। এতে আইনশৃঙ্খলার নিরাপত্তায় নিয়োজিত ৪টি প্রধান বাহিনী অংশগ্রহণ করে।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও বাংলাদেশ পুলিশ। মহড়াটির মূল লক্ষ্য ছিল ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতি শীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা কত দ্রুত এবং কার্যকর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তার একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরা।

    সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বাহিনীগুলো শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বিভিন্ন রণকৌশল প্রদর্শন করে, যা নির্বাচনী নিরাপত্তায় তাদের সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সেনাবাহিনীর এই বিশেষ মহড়া দেখতে সড়কের দুই পাশে ভিড় জমায় বিভিন্ন বয়সী শত শত মানুষ।

    সাধারণ জনগণের মধ্যে এই মহড়া একদিকে যেমন কৌতূহল সৃষ্টি করেছে, অন্য কে, ভোটের আগে একটি নিরাপদ পরিবেশের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে ভোটারদের।

  • জামায়াতকে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে-মির্জা ফকরুল

    জামায়াতকে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে-মির্জা ফকরুল

    ঠাকুরগাঁও- ১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগির বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মের নামে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা বলছে যে, “দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে যাওয়া যাবে, নাউজুবিল্লাহ।

    একটা নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিলে কি কেউ বেহেশতে যেতে পারে? দাড়িপাল্লায় এ জামায়াতকে ভোট দিলে আমাদের ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে।

    আজ সোমবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও- ১ আসনের জামালপুর ইউনিয়নের ভগদগাজি বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের প্রখ্যাত আলেমরাও এসব অপপ্রচারকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, বাবুনগরী সাহেব জামায়াতে ইসলামিকে ভোট দেওয়া নাজায়েজ বলেছেন এবং চরমোনাইয়ের পীর জামায়াতে ইসলামিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী দল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

    তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে এই দেশ ধ্বংসস্তুপে পরিনিত হয়েছে। একটা জায়গার উন্নয়ন নির্ভর করে সে জায়গার মানুষের আয়ের উপর। তাই ইনকাম সোর্স বাড়াতে হবে। আমরা সেরকম পরিকল্পনাই করেছি।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করার আহ্বান জানান তিনি।

    নির্বাচনী এ পথসভায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলিসহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কাইয়ুমের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ

    কাইয়ুমের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ

    দ্বৈত নাগরিকত্ব ও হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে এবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের আদালতে আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকাভুক্ত রয়েছে।

    এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চ রিটটি খারিজ করে দেন। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

    নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন ও আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ। কাইয়ুমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করীম ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।

    গত ২ ফেব্রুয়ারি রিট দায়েরের পর আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতু নামের একটি দেশের নাগরিক।
    তিনি হলফনামায় এ তথ্য গোপন করেছেন, যা পরে প্রকাশ পায়। এ বিষয়টি সামনে রেখে নাহিদ ইসলাম রিট করেন।

  • নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়াঁলেন মানিকগঞ্জ-৩`র’ স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম

    নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়াঁলেন মানিকগঞ্জ-৩`র’ স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম

    রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ পদপ্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম খান (মোটর সাইকেল) ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে শনিবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ড. রফিকুল ইসলাম খান প্রশাসনের উপর একটি বিশেষ দলের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে বলেন, নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে প্রচার কেন্দ্রের কথা থাকলেও একটি বিশেষ দল প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে কেন্দ্র বসিয়ে দে দ্বারে নির্বাচনী প্রচার করে চলছে। অথচ আমাদের বেলায় ঘটছে তার উল্টু।

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, তারা নিয়ম বহিঃভূত ভাবে প্রচারে রঙ্গিন পোষ্টার যত্রতত্র মাইকিং এবং প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের পোষ্টার ছিড়ে ফেলা ও কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলছে। এই ব্যাপারে আমরা লিখিত ভাবে জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং কর্মকর্তাকে জালালেও তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।

    এই অবস্থায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ভেঙ্গে পড়েছে। এতে সুষ্ঠু নির্বাচন তো দূরের কথা, আমরা মাঠেই টিকতে পারছিনা৷ আমাদের অনেক আশা ছিল, অন্তত বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশ পাব। কিন্তু তা হলো না।  দায়িত্বরত প্রশাসন নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশ আনতে সম্পূর্ন রুপে ব্যর্থ  হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ালাম।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৪ দিন বাকী থাকতে হঠাৎ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম খানের এই ঘোষনা জনমনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য-তারেক রহমান

    রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বিএনপির প্রধান লক্ষ্য-তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বর্তমানে বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিরপুর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের লাল মাঠ ময়দানে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, “রাজনীতির ময়দানে কেবল বিপক্ষ দলের সমালোচনা বা গীবত করা জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। বরং জনগণের মঙ্গলে কাজ করাই প্রকৃত রাজনৈতিক লক্ষ্য।”

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই পথসভায় তিনি দেশের মানুষের জন্য একগুচ্ছ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    চেয়ারম্যান জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।

    ঢাকা-১৬ আসনের স্থানীয় সমস্যা সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, “এই এলাকার মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এ সময় তিনি দেশের পানি সংকট ও রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

    নিরাপত্তা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা সুনিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিএনপি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।”

    পল্লবীর এই পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

  • ‘৫ আগস্টের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হবে ১২ তারিখ’

    ‘৫ আগস্টের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হবে ১২ তারিখ’

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান বলেছেন, ১২ তারিখ বার বার ফিরে আসবে না। ৫ আগস্টের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পর্ণ হবে ১২ তারিখ। যে আকাঙক্ষা নিয়ে রক্ত দিয়েছিল আমার ভাই-বোনেরা, ওই রক্তের ঋণ পরিশোধ করার দিন হলো ১২ তারিখ। এই রক্তের সঙ্গে যারা বেইমানি করবে, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না।

    তিনি আরও বলেন, তরুণরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি জানিয়ে দিয়েছে। জনগণ সেদিন দুর্নীতি-চাঁদাবাজ-ঋণখেলাপিদেরকে লালকার্ড দেখাবে।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, আমরা যারা ১৫ বছর আওয়ামী জাহেলিয়াতের যাতাকলে পিষ্ট ছিলাম, এর মধ্যে একটা অংশ মজলুম থেকে জালেম হয়ে উঠেছে। যে সব অপকর্ম আওয়ালীগ করতো, তারাও ৬ তারিখ সকাল থেকে সেসব অপকর্ম শুরু করেছে।

    আগস্টের ৬ তারিখ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যারা অপকর্ম শুরু করেছিল, তারা আর বন্ধ করেনি। আমরা তো এজন্য লড়াই করিনি, রক্ত দেইনি। আমাদের সন্তানদের দাবি ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস।

    তিনি বলেন, একটি দল মাঝে মধ্যে বলে, ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবেন। ঋণ খেলাপি, ব্যাংক ডাকাত বগলের নিচে আশ্রয় দিয়ে আপনারা দুর্নীতি বন্ধ করবেন!

    আবরার-হাদীর প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, আবরার ফাহাদ, হাদী তোমাদের কাছে আমরা ঋণী। আমরা সুযোগ পেলে, তোমরা যেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলে, তেমনি উদ্বীপ্ত বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবো।

    শাপলা কলিতে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশে নাহিদ ইসলামরা বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজের পাইলট হিসেবে থাকবে। আমরা থাকবো প্যাসেঞ্জার হিসেবে। ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে এই সরকারে নাহিদ ইসলামকে আপনারা একজন মন্ত্রী হিসেবে দেখবেন।

    তিনি বলেন, এই জাতির ভাগ্য বদলের জন্য ৫টি বছর যথেষ্ট। আমরা কোনো ভুল আশ্বাস দেবো না। যা বলবো তা জানপ্রাণ দিয়ে পালন করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতি ইঞ্চি মাটির পাহারাদার হবো ইনশাআল্লাহ।

    ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে আমির বলেন, জুলাইয়ে যারা পাহারাদার ছিলেন ১২ তারিখও আপনারা পাহারাদার হবেন। আমাদের কাছে আপনাদের ১টা ভোট গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের কাছে ১টা আসনও গুরুত্বপূর্ণ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে পিস্তল-ম্যাগজিন ও দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে পিস্তল-ম্যাগজিন ও দেশী অস্ত্র উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার রহনপুরে নাশকতাকতার উদ্দেশ্যে রাখা ১টি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ০৫ রাউন্ড কার্তুজ, ০২টি ম্যাগাজিন ও ০৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৫ এর সদস্যরা।

    শনিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। রবিবার সকালে এক প্রেসনোটে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব। তবে এঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।

    র‌্যাব জানায়, নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অন্যান্য আইশৃঙ্খলা রাক্ষা-কারী বাহিনীর সাথে র‌্যাব সদস্যরাও জেলায় কাজ করছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর আড্ডা গামী পাকা রাস্তার উত্তর পাশে নিউ রফিক অটো রাইসমিলের পশ্চিম-উত্তর কোনায় অভিযান চালায়।

    এসময় একটি আমগাছের ঝোঁপের ভিতর হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১টি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ০৫ রাউন্ড এ্যামোনিশন, ০২টি ম্যাগাজিন ও ০৮টি দেশীয় অস্ত্র আলামত হিসাবে উদ্ধার করা হয়।

    র‌্যাব আরও জানায়, ০৭ ফেব্রুয়ারি র‌্যাব-৫ এর একটি আভযানিক টহল দল চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার সকল থানা এলাকায় নিয়মিত টহল, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনাকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর হতে আড্ডা গামী পাকা রাস্তার পাশে আম-গাছের ঝোঁপের ভিতর ০১টি সাদা রংয়ের প্লাস্টিকের বস্তা সন্দেহ জনক পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

    এমন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযানিক টহল দল একই রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্থল হতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ০১টি প্লাস্টিকের সাদা বস্তার ভিতর রক্ষিত ০২ টি তলোয়ার, ০১টি ভাঙ্গা কাঠের বাটসহ রামদা, ০১টি স্টিলের বাট সহ বল্লম, ০২টি চাইনিজ কুড়াল, ০১টি কাঠের বাটসহ ডেগার, ০১টি দেশীয় পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ০২টি খালি ম্যাগাজিনসহ ০৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

    ধারনা করা হচ্ছে যে, উদ্ধারকৃত অস্ত্র সমূহ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে নাশকতা করার পরিকল্পনায় দুষ্কৃতিকারীগণ উল্লেখিত স্থানে লুকিয়ে রেখেছিল। উদ্ধারকৃত আলামত সমূহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।