Blog

  • তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিলেন ট্রাম্প

    তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি দিলেন ট্রাম্প

    বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাঠানো চিঠিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে, আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনের জন্য আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার সফল মেয়াদ কামনা করছি।

    আমাদের দেশগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে যৌথ স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে শক্তিশালী, সার্বভৌম দেশগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে।

    আপনার মেয়াদ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, আমি আশা করি আপনি আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্কের অসাধারণ গতি বজায় রাখতে আমাকে সাহায্য করবেন, যা আমাদের উভয় দেশের কৃষক এবং শ্রমিকদের জন্য উপকারী।

    আমি আরও আশা করি আপনি নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করার জন্য সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেবেন যা অবশেষে আপনার সামরিক বাহিনীর জন্য উচ্চ-মানের, আমেরিকান-তৈরি সরঞ্জামগুলোতে বিশ্বের সেরা প্রবেশাধিকার প্রদান করবে! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার জন্য আমি আপনার সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।

    বাংলাদেশে আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। একইসঙ্গে, আমাদের উভয় দেশকে আরও সমৃদ্ধ এবং নিরাপদ করার সুযোগ রয়েছে। আগামীদিনগুলোতে আপনার জন্য শুভকামনা!

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

    ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। তবে চূড়ান্ত পদক্ষেপের আগে তারা যুক্তরাষ্ট্র-এর ‘সবুজ সংকেত’-এর অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দিলেও, চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ হামলা হতে পারে—এমন তথ্য জানিয়েছে CNN, সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি হামলার চেয়ে ইরানকে চাপ দিয়ে চুক্তিতে বসানোই ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশল হতে পারে। এদিকে ইরানের পারমাণবিক শক্তি প্রধান মোহাম্মদ এসলামী বলেছেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে কেউই পারমাণবিক সমৃদ্ধির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। তার ভাষায়, পারমাণবিক শিল্পের মূল ভিত্তিই হলো সমৃদ্ধি এবং জ্বালানি সক্ষমতা।

    সূত্রমতে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৫০টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। হোয়াইট হাউজকে জানানো হয়েছে, সামরিক বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে অভিযানের জন্য প্রস্তুত।

    স্যাটেলাইট বিশ্লেষণভিত্তিক সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির জানিয়েছে, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো কংক্রিট ও মাটি দিয়ে ঢেকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে।

    বুধবার হোয়াইট হাউজের ‘সিচুয়েশন রুমে’ জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন ট্রাম্প। এর আগে জ্যারেড জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার বিষয়ে তাকে ব্রিফ করেন। জেনেভায় দীর্ঘ আলোচনা হলেও সুনির্দিষ্ট সমাধান আসেনি।

    হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, কূটনীতিই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ; তবে সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রাখা হয়েছে।

    ইসরাইলে সর্বোচ্চ সতর্কতাঃ অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। ইসরাইলি দৈনিক Yedioth Ahronoth জানিয়েছে, উদ্ধার সংস্থা ও হোম ফ্রন্ট কমান্ডকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া ইসরাইলি নিরাপত্তা সংস্থাগুলোতে ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। কান জানিয়েছে, ইরান ইস্যুতে ডাকা নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠক হঠাৎ স্থগিত করে আগামী রোববারে নেওয়া হয়েছে। কারণ জানানো হয়নি।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য হামলা বড় পরিসরের হতে পারে এবং কয়েক সপ্তাহব্যাপী চলতে পারে—যা সাম্প্রতিক নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক হামলার চেয়ে অনেক বিস্তৃত হবে।

    মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টাপাল্টি প্রস্তুতি ও কূটনৈতিক অচলাবস্থায় উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।

  • অবৈধভাবে ফ্ল্যাট গ্রহণে টিউলিপের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    অবৈধভাবে ফ্ল্যাট গ্রহণে টিউলিপের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় অবৈধভাবে ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় শেখ রেহানার মেয়ে সাবেক ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

    গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ সালাম এ তথ্য জানান।

    অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং বি/২০১, বাড়ি নং ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নং ৭১) দখল নেন ও পরে রেজিস্ট্রি করেন।

    পরে গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান মামলার তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়।

    এরপর তদন্ত শেষে গত ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/ ৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন দুদক।

    বুধবার সেই অভিযোগপত্র আমলে নেয়ার দিন ধার্য ছিল। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

    এর আগে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির পৃথক তিন মামলায় দুই বছর করে ছয় বছরের কারাদণ্ড হয়েছে টিউলিপের।

  • গোলাপগঞ্জে কলার বাজারে ‘আগুন’: দিশেহারা সাধারণ ক্রেতারা

    গোলাপগঞ্জে কলার বাজারে ‘আগুন’: দিশেহারা সাধারণ ক্রেতারা

    সিলেটের গোলাপগঞ্জ বাজারে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির মিছিলে এবার যোগ দিয়েছে পুষ্টিকর ফল কলা। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে কলার দাম আকাশচুম্বী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বাজারের যে অবস্থা, তাকে সাধারণ ক্রেতারা কলার বাজারে ‘আগুন’ বলে অভিহিত করছেন।

    ​প্রকারভেদে কলার বর্তমান দাম: বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কলার জাত ও মানভেদে প্রতি হালির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

    আজকের বাজার দর অনুযায়ী: গেরা কলা: প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। ​হাইল কলা: প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। সাগরকলা: প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।

    ​ঠৈটে কলা: তুলনামূলক কম দামি হলেও এটি এখন ৪০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।
    ​সর্পি কলা: ছড়ি হিসেবে বিক্রি হওয়া এই কলার দাম মানভেদে প্রতি ছড়ি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।

    চাম্পা কলা: তুলনামূলক কম দামি হলেও এটি এখন ৪০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    ​ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভাষ্য: সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, কলার মতো একটি সহজলভ্য ফলের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ায় তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। নিম্নআয়ের মানুষ, যারা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা রাখতেন, তারা এখন বাজার থেকে খালি হাতে ফিরছেন।

    ​অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলছেন- পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণেই খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। ​বাজারে পর্যাপ্ত তদারকি না থাকলে কলার দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরীর সময় বিকট বিষ্ফোরণ ॥ নিহত – ২ 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরীর সময় বিকট বিষ্ফোরণ ॥ নিহত – ২ 

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাংগা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ায় স্থানীয়কালাম এর বাড়িতে বোমা তৈরির সময় বিকট বিস্ফোরণ এর ঘটনা ঘটেছে। বিষ্ফোরনে ২ জন নিহত হয়েছে এবং গুরুত্বর আহত হয়েছে ৩ জন। বিষ্ফোরণে নিহত ২ জনের নাম পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

    এঘটনায় মৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের (২নং ওয়ার্ড) কথুনিপাড়ার মোঃ মুনির এর ছেলে জিহাদ (১৭) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নের (৫নং ওয়ার্ড) ধামার মোড় গ্রামের মোঃ মোয়াজ্জেম এর ছেলে আলামিন (১৭)। গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) ভোর রাত ৫ টার দিকে এঘনা ঘটে।

    আহতরা হলেন-ফাটাপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান, জেনা-রুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ ও একই উপজেলার রানীহাটি-উপরধুমি এলাকার রফিজুল ইসলামের ছেলে শুভ (২০)। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    এঘটনায় পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শাহজাহান এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শণ শেষে সাংবাদিকদের জানান, বোমা তৈরীর সময় বিষ্ফোরণে ২জন নিহত হয়েছে এবং ৩ জন আহত হয়েছে। এঘটনার বিষয়ে পুলিশ তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    এব্যাপারে কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের বোমা বিশেষজ্ঞ দল বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এব্য্যাপারেপ্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

    এদিকে ঘটনার পর স্থানীয়রা জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাংগা ইউনিয়ন এর ফাটাপাড়ার মুকুল হোসেনের ছেলে কালাম এর বাড়িতে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে। বাড়িম মালিক কালাম-চরবাগডাঙ্গার সন্ত্রাসের সম্রাট শাহিদ রানা টিপুর সহচর দুলাল এর ভাই। এঘটনার সাথে চরবাগডাঙ্গার সাবেক চেয়ারম্যান, চরবাগডাঙ্গার সন্ত্রাসের সম্রাট শাহিদ রানা টিপুর সন্ত্রাসী বাহিনীর সহচররা জড়িত বলেও অভিযোগ স্থানীয় লোকজনের।

    চরবাগডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বোমা সন্ত্রাস করা জন্য এসব বোমা বানাচ্ছিল বলেও ধারণা স্থানীয়দের। নির্বাচন কে কেন্দ্র করে সহিংসতার উদ্দেশ্যে জামায়াত সমর্থিতরা বোমা তৈরি করছিল বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে চরবাগডাঙ্গার সাবেক চেয়ারম্যান, চরবাগডাঙ্গার মাদক ও সন্ত্রাসের সম্রাট শাহিদ রানা টিপুর সন্ত্রাসী বাহিনীর সহচর চরবাগডাঙ্গার ফাটাপাড়ার দুলাল (বোমা তৈরির সময় বিষ্ফোরন হওয়া বাড়ির মালিক কালামের ভাই), গিধনিপাড়ার আব্দুল কাদের, এমদাদুল, মিলন আলী, ইশাহাক আলী, আব্দুর রহিম, চাকপাড়ার নাদিম মেম্বার, কটাপাড়ার আব্দুল মালেক, সাহারুল ইসলাম কালু, সাদরুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন, দুলাল আলী, গোঠাপাড়ার সানাউল্লাহ, চাকপাড়ার মোঃ রফিক, মিজানুর রহমান মিজান, একই পাড়ার আতাউর রহমান ফিটু, হাবিবুর রহমান, শওকত আলী, মালবাগডাঙ্গার মুকুল আলী, আলমগীর হোসেন, গোঠাপাড়ার সাকিল, শরিফুল ইসলাম, মিনহাজসহ অনেকে এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িত।

    দীর্ঘদিন থেকেই এসব সহযোগিদের নিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। এদের নেতৃত্বে চরবাগডাঙ্গায় কয়েকটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে, এসব হত্যাকান্ডের এখনো কোন সুবিচার পায়নি ভূক্তভোগী পরিবার।

    এ সন্ত্রাসী গ্রুপটি আবারও এলাকাকে অশান্ত করতে বোমা তৈরীর মত জঘন্য কাজের সাথে লিপ্ত। এলাকায় কোন সন্ত্রাসী যেন অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন তারা।

    এলাকাবাসীর দাবী, এলাকায় যেন কোন সন্ত্রাসী কার্যক্রম করা সাহস না পায় কোন সন্ত্রাসী গ্রুপ। কঠোর হস্তে এসব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। কিছু লোকের জন্য পুরো এলাকায় অশান্তি, সাধারণ মানুষ আতঙ্কগ্রস্থ। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় এলাকা থেকে সন্ত্রাস দূর করা একান্ত প্রয়োজন।

    এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে যে দল বা যে ব্যক্তিই জড়িত, তার বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবীও এলাকাবাসীর। শনিবার ভোর রাত ৫ টার দিকে হঠাৎ বিষ্ফোরণের এঘনায় এলাকা কেঁপে উঠে এবং আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

    গ্রাম্য রাজনীতির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় টিপু চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী গ্রুপ এই ঘটনার সাথে জড়িত বলেও জানায় স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় লোকজন এঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটন করে ঘটনায় জড়িতেদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন।

    এঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর শনিবার দুপুরে জনপ্রতিনিধিগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন এবং ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহবান জানিয়েছেন।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ সাংবাদিকদের জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ায় শনিবার ভোর ৫ টার দিকে বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে দুই জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। আহতরা রাতে একটি বাড়িতে বোমা বানাচ্ছিলেন।

    এ সময় বিস্ফোরণ হলে ২ জন মারা যান। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা চাঁপাই-নবাগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কেলেজহাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি আরও বলেন, আহত দের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাদের সারা শরীর ঝলসে গেছে।

    তিনি বলেন, যে বাড়িতে বোমা বানানো হচ্ছিল, সেটির আংশিক ভেঙ্গে গেছে এবং টিনের চালা উড়ে গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে।

  • নাচোলে দশম শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক পিটিলো ছয় শিক্ষক !

    নাচোলে দশম শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক পিটিলো ছয় শিক্ষক !

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ তুচ্ছ ঘটনায় অফিস কক্ষে শাস্তির নামে এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অমানবিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের ছয়জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী জেলা হাসপাতালে কয়েকদিন ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেয়। বর্তমানে চিকিৎস-কের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসাধিন রয়েছে ওই শিক্ষার্থী।

    তবে তার মাথায় এবং ঘাড়ে সমস্যা চলমান। থেকে থেকেই সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছে এবং অচেতন হয়ে ভুল-ভাল কথা-বার্তাও বলছে। এতে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন অভিভাবক ও স্বজনরা।

    সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ আবাসিক শাখায় ছেলেকে ভর্তি করে এমন অমানষিক নির্যাতন এবং সন্তানের শারিরিক এমন অবস্থায় ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থী আবির এর বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক (বাবু) ও তাঁর পরিবার এবং স্বজনরাও। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর নাম আবু আব্দুল্লাহ আল জাহিদ আবির (১৬) ওই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র। আবির কে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ ২০২৫ সালে নবম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়।

    নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী আবির, অভিভাবক ও স্বজনদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি/২৬ গভীর রাতে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর একাদশ শ্রেণির ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহদাদ-হুমকি দিয়ে (রাত ২টার সময়) ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা আবিরকে হোস্টেলে নবম শ্রেণীর এক ছাত্র অর্পণ কে ডেকে নিয়ে আসতে বলে।

    আবির এতে অস্বীকৃতি জানালে ওই শিক্ষার্থী (মেহদাদ) হাতে পাইপ নিয়ে ভয় দেখিয়ে আবিরকে বলে, “ডেকে নিয়ে আয়, না গেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে”। ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে আবির বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীকে জানায় এবং ডেকে নিয়ে আসতে বাধ্য হয়। পরে ওই শিক্ষার্থী অর্পণ বিষয়টি এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানালে, এঘটনায় দোষী মেহদাদ কে কিছু না বলে-উল্টো ভুক্তভোগী আবিরকেই ডেকে নেওয়া হয়।

    অভিযোগ রয়েছে, ০১ ফেব্রুয়ারি/২৬ রোববার দুপুরে কলেজের অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে ছয়জন শিক্ষক বেতের লাঠি ও চড়-থাপ্পড় দিয়ে আবিরকে নির্মমভাবে মারধর করেন। একপর্যায়ে আবির মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।

    তারপরও কোন্ধসঢ়; অজ্ঞাত কারনে আবিরের উপর বেধড়ক মারধর করে ওই ছয় শিক্ষক। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর লালচে ফোলা ও আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়। মাথার বিভিন্ন স্থান ফুলে যায়।

    বাবা জানলে আবারও বাবার শাষনের ভয়ে আবির অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজশাহীতে তার বন্ধুর কাছে চলে যায়। সেখানে প্রাথমিক কিছু ঔষধ খেয়ে কোন উপকার হয়নি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তার পরিবারকে বিষয়টি জানায় আবির এর সেই বন্ধু। বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক এঘটনা শুনে বিচলিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত আবিরকে বাড়িতে নিয়ে এসে চিকিৎসার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপা-তালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আঘাতের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে আবিরের মাথার ‘সিটি স্ক্যান’সহ বিভিন্ন পরীক্ষাও করা হয়।

    পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক আবিরের বেশ কিছু সমস্যার কথা জানান আবিরের অভিভাবককে। শিক্ষকদের নির্যাতনে সন্তানের এমন অবস্থায় চিন্তিত আবিরের আবু তাজিম মো. সাদরুল হক। আবির হাসপাতালের ৮ নম্বর কেবিনে কয়েকদিন চিকিৎ-সাধীন ছিলো।

    পরবর্তীতে স্কুল কর্তৃপক্ষ আবিরের পিতাকে তার ছেলে প্রতিষ্ঠানে নেই এমন খবর দিলে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে নাচোল প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানতে চান, তার ছেলের অপরাধ কী?।

    আবিরকে কেন এমন অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমার ছেলে অপরাধ করে থাকলে- আমি তার অভিভাবক, আমাকে জানাতে পারতেন, কিন্তু আমাকে কোন কিছু না জানিয়ে আবিরকে নির্যাতন চালানো হয়েছে কেন?।

    তবে অভিযোগ অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট জবাব না দিয়ে বলেন, “আপনার ছেলেকেই জিজ্ঞেস করুন, আমাদের কিছু বলে লাভ হবে না।” নিরুপায় হয়ে বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক তার ছেলেকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে যান।

    সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আঘাতের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। আবির হাসপাতালের ৮ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন থাকে।

    বিষয়টি নিয়ে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সার্বিক তত্বাবধানকারী পরিচালক মোঃ ইশাহাক এর সাথে কথা বলেন আবিরের বাবার ঘনিষ্ঠজন ও স্বজন রাকিবুল ইসলাম বাবু। আবিরের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও দায়ি শিক্ষকদের বিষয়ে দীর্ঘক্ষন কথা হলে তিনিও (পরিচালক ইশাহাক) বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর উপর কোনভাবেই কোন শারিরিক বা মানষিক নির্যাতন করা যাবে না, কোন শিক্ষার্থী অন্যায় করে থাকলে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবককে জানানো এবং প্রতিকার করার ব্যবস্থা করা উচিৎ।

    পরিচালক আবিরের স্বজনকে আরও বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে এমন টা হওয়ার কথা নয়, যদি এমন কোন কিছু ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

    এমন কথা বললেও এখন পর্যন্ত দায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া তো দূরের কথা, এমন ঘটনায় অসুস্থ ও আতঙ্কিত আবির এর কোন খোঁজ পর্যন্ত নেই নি ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ কর্তৃপক্ষ। নুণ্যতম কোন মানবতাও দেখায়নি, অভিভাবকের সাথেও কোন আলোচনা বা সান্তনাও দেয়নি।

    আবিরের বাবার ঘনিষ্ঠজন ও স্বজন রাকিবুল ইসলাম বাবু বলেন, একজন সন্তানকে তার অভিভাবক ভালো শিক্ষার্থী এবং মানুষের মতো মানুষ করার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে থাকে।

    আবিরের বাবাও তেমনই আবিরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে অভিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর আবাসিক বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে আবির যদি কোন অন্যায় বা অপরাধ করে থাকে, তাহলে তার বাবাকে জানাতে পারতো প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কর্র্তৃপক্ষ।

    এভাবে তো একজন শিক্ষার্থীকে অমানষিক নির্যাতন করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, একদিকে আবিরকে নির্যাতন করার কারণে আবির ভয়ে কোনভাবে তার বন্ধুর কাছে চলে যায়, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা পরিচালক উল্টো বলছেন, আবির পালিয়ে গেছে।

    তারপরও একজন শিক্ষার্থীর এমন ঘটনার কোন বিষয়ে অপরাধ বোধ বা করনীয় বলতে কিছুই করেন নি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, দোষী শিক্ষকরা কিংবা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। তাহলে এমন প্রতিষ্ঠানে সন্তানরা কি শিখবে?। অভিভাবকদের কস্ট করার সফলতাই বা কি।

    তিনি বলেন, আবিরের শারিরীক অবস্থা এখনও স্বাভাবিক হয়নি। চিকিৎসকের কথা মোতাবেক আবিরকে দীর্ঘদিন চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হবে এবং রীতিমত সাবধানে থাকতে হবে। এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মরিয়ম খাতুন এবং পরিচালক মোঃ ইশাহাক আলীর সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ করেন নি তাঁরা।

    ভুক্তভোগী পরিবারের অভিভাবক আবিরের বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক অভিযোগ করে প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মরিয়ম খাতুনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ বা নুন্যতম সান্ত¡নামূলক কথাও বলেননি তিনি।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাস্তির নামে এ ধরনের অমানবিক নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত দের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন আবিরের বাবা। তিনি ক্ষোভের সাথে আরও বলেন, এ নির্যাতনই নয়, গত ২৪ জানুয়ারী/২৬ শরীরে জর-মাথাব্যাথা থাকায় আবির ঔষধ খাওয়ার জন্য ক্লাশরুম থেকে নিজ রুমে যায়।

    ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর শিক্ষক আব্দুল্লাহ আবির কে ক্লাসে না পেয়ে রুম থেকে ডেকে নিয়ে এসে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। লাঠির আঘাতে আবির এর বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল ফেটে যায় এবং চামড়াসহ মাংস উঠে যায়।

    এঘটনায় এক্সরে করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। একটু সুস্থ হলে আবিরকে আবারও কোনভাবে বুঝিয়ে ৩০ জানুয়ারী/২৬ ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ পাঠানো হয়। তবে যাওয়ার আগে আবির তার মাকে বলে “মা আমাকে আর ওই প্রতিষ্ঠানে পাঠাইও না-ওরা আমাকে মেরে ফেলবে”।

    ছেলের এ কথা শুনেও গুরুত্ব না দিয়ে আবিরকে পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানে। তারপরই এ ঘটনা। আবারও আবিরকে তুচ্ছ ঘটনায় অমানষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমানে আবির কে নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তিনি আবারও এঘটনার বিচার দাবী করেন।

    এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাচোলের এক শিক্ষক ও অভিভাবক জানান, ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ এর আগেও শিক্ষার্থীদের উপর শারিরীক ও মানষিক নির্যাতনের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে।

    কিন্তু প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাগুলো ভেতর ভেতর মিটিয়ে নিয়েছেন, এজন্য বাইরের কেউ বিষয়গুলো জানতে পারেনি বা জানতে দেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর এমন নির্যাতন কোনভাবেই কাম্য নয়। এমন ঘটনার তদন্ত করে অবশ্যই বিচার হওয়া প্রয়োজন।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোলে এশিয়ান স্কুল এ্যান্ড কলেজের অফিস কক্ষে আবু আব্দুল্লাহ আল জাহিদ আবির কে অমানবিক নির্যাতনের বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল মতিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার ছাত্র ছাত্রীদের পড়া লেখা শেখানোর জন্য প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে। কাউকে নির্যাতন করার জন্য নয়। বিষয়টি শুনলাম তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার।

    উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার নাচোল পৌরসভা এলাকায় চেয়ারম্যানপাড়ায় ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে একটি আবাসিক ও অনাবাসিক প্রতিষ্ঠান ২০০৮ সালে গড়ে উঠে। ‘

    এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ টি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠদানের অনুমতি পেলেও এখনও এমপিও ভূক্ত হয়নি। নিজস্ব অর্থায়নেই পরিচালিত হয়ে আসছে।

  • বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হলেন আফরোজা খানম রিতা

    বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হলেন আফরোজা খানম রিতা

    ভূমিধস বিজয়ে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হলেন মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনে জন-নন্দিত নেত্রী আফরোজা খানম রিতা। স্বাধীনতার ৫৫ বছরে তিনিই মানিকগঞ্জের প্রথম মহিলা মন্ত্রী ও এমপি। জন-নন্দিত এই নেত্রী আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসাবে শপথ নেন। আফরোজা খান রিতা মন্ত্রী হওয়ায় জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীসহ মানিকগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ আনন্দিত ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে।

    আফরোজা খান রিতা প্রয়াত শিল্পপতি হারুণার রশিদ খান মুন্নুর মেয়ে। হারুণার রশিদ খান মুন্নুর ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্পোয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা। মূলতঃ বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন আফরোজা খান রিতা ।

    বিশেষ করে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে জেলার নির্যাতিত বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠণের নেতৃবৃন্দদের কাছে তিনি ছিলেন ত্রার্নকর্তা। দুর্রাচারদের রাজনৈতিক ছোবল থেকে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের মাতৃস্নেহে আগলিয়ে রেখেছিলেন। দলের প্রতি তার দীর্ঘ আনুগত্য এবং কর্মীদের প্রতি সহনশীল-মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে সফলতার চূড়ান্ত সীমায় পৌছিঁয়ে দিয়েছে।

    আফরোজা খান রিতা ২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরের বছর ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অদ্যম স্পৃহাতে তিনি লুটেরা শাসকদের আমলে বেশ কয়েকবার গণতন্ত্রের বিজয়ের জন্য জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে অংশ নেন।

    ২০২১ সালে দলের কাউন্সিলের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ ভোট পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। ২রা ফেব্রুয়ারি আফরোজা খানমকে আহ্বায়ক করে জেলা বিএনপির সাত সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি। মূলতঃ তার নেতৃত্বেই এ জেলায় বিএনপি ঘুরে দাঁড়ায় ।

    জেলা বিএনপিতে আফরোজা খান রিতার একজন পরীক্ষিত নেত্রী। এই ব্যাপারে জেলা বিএনপির কার্যনিবার্হী পরিষদের সদস্য এ্যাড. নূর তাজ আলম বাহার বলেন, আফরোজা খানম রিতা মন্ত্রী হয়েছেন, এ খবরে শুধু দলের নেতা-কর্মীই নন, পুরো জেলাবাসীই আনন্দিত ও গর্বিত। আমি মনে করি উঁনি মন্ত্রী হওয়াতে মানিকগঞ্জ জেলায় প্রচুর উন্নয়ন মূলক কাজ হবে। মানিকগঞ্জ ঢাকার খুব কাছের জেলা হয়েও বিগত সময়ে কোনো উন্নয়ন হয়নি। আমরা দৃঢ়চিত্তে বলতে পারি, আফরোজা খানম রিতা অবহেলিত এই জেলাকে একটি মডেল জেলা হিসাবে গড়ে তুলবেন’।

    ‎উল্লেখ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।

     

     

  • বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হলেন যারা

    বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হলেন যারা

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপির মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হয়। বিকেল ৪টার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথম ধাপে ২৫জন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন।

    প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও পরে ২৫ জন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা-
    ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
    ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ
    ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ
    ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
    ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন
    ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু
    ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
    ৯. মিজানুর রহমান মিনু
    ১০. নিতাই রায় চৌধুরী
    ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির
    ১২. আরিফুল হক চৌধুরী
    ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন
    ১৪. আফরোজা খানম রিতা
    ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
    ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু
    ১৭. মো. আসাদুজ্জামান
    ১৮. জাকারিয়া তাহের
    ১৯. দীপেন দেওয়ান
    ২০. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
    ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন
    ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল
    ২৩. শেখ রবিউল আলম
    ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ এবং
    ২৫. ড. খলিলুর রহমান।

    এদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও ড. খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায়।

  • প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতে ইসলামীর আমির বিভিন্ন দেশের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জয়লাভ করা বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন।

    এছাড়া ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। যাদের মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জনকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি। এবারের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আছে অনেক, যারা আগে কখনও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হননি।

    প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নেওয়া নেতাও আছেন। মন্ত্রীদের ২৫ জনের মধ্যে ১৭ জনই নতুন মুখ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ট্রাক আটক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ ট্রাক আটক

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনী ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজাসহ এক ট্রাক ড্রাইভার আটক হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ট্রাক ড্রাইভার মোঃ আজাদ আলী (৩০), জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার গঙ্গারামপুর গ্রামের মোঃ আজিজুল হক এর ছেলে।

    র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫ চাঁপাই-নবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা ও সেনাবাহিনীর যৌথ আভিযানিক দল ০৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ২টার দিকে ১টি মালবাহী ট্রাক এবং ট্রাকের ডালার ভিতর রক্ষিত ১৮ কেজি অবৈধ মাদক গাঁজা উদ্ধার করে।

    এসময় মাদক কারবারী ট্রাক ড্রাইভার মোঃ আজাদ আলী ’কে গ্রেফতার করা করে। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।