Blog

  • জুলাই সনদ পৃথিবীর জন্য উদাহরণ- প্রধান উপদেষ্টা

    জুলাই সনদ পৃথিবীর জন্য উদাহরণ- প্রধান উপদেষ্টা

    জুলাই জাতীয় সনদ শুধু জাতির জন্য নয়, সারা দুনিয়ার জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরকে বিশেষ ক্ষণ ও মহান দিবস আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আজ সমস্ত জাতি, সমস্ত রাজনৈতিক দল একসাথে হয়েছে। ঐকমত্য কমিশন গঠনের সময় মনে হয়েছিল দুয়েকটি বিষয়ে হয়তো একমত হবে। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো কেউ কারও কথা শোনে না। ভয়ে ভয়ে ঐকমত্য কমিশন শুরু হয়েছিল। প্রফেসর আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দেওয়া হলো যেন বুঝেশুনে এগোন। তিনি চমৎকার আলোচনা চালিয়ে নিয়েছেন।”

    জুলাই জাতীয় সনদের গুরুত্ব উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এই দিনটি যে পেলাম, এক মহান দিন। শুধু জাতির জন্য না, সারা পৃথিবীর জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। এটা নিয়ে বিভিন্ন দেশে রাজনীতিবিদদের মধ্যে আলোচনা হবে। যে উদাহরণ আমাদের রাজনীতিবিদরা কৈরি করেছেন, এটা সারা পৃথিবীর জন্য নজির হয়ে থাকবে।”

    ভাষণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নায়কদের স্মরণ করেন মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “যারা আহত–নিহত হয়েছে তাদের কথা স্মরণ করি। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। তাদের কাছে সারা জাতি চির কৃতজ্ঞ থাকবে।”

    ভাষণের আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন। তার আগে, তাতে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    এ তালিকায় রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রমুখ।

  • নাগরপুরের-পাকুটিয়ায় বাসচাপায় স্কুল ছাত্রী নিহত

    নাগরপুরের-পাকুটিয়ায় বাসচাপায় স্কুল ছাত্রী নিহত

    টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাস চাপায় নওরীন আক্তার (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের খানপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত নওরীন উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের পাঁচতারাইল গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে।

    সে পাকুটিয়া বৃন্দাবন চন্দ্র রাধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নাগরপুরগামী এসবি লিং পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পাকুটিয়া খানপাড়া এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় স্কুল ছাত্রী নওরীনকে পিছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক বাসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় বিক্ষুদ্ধ জনতারা স্কুল ছাত্রীর মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে।

    বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বিক্ষোভকারী জনতা এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের পাশাপাশি ফিটনেস বিহীন এসবি লিং পরিবহন বন্ধের দাবি জানান।

    এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘাতক বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • মানিকগঞ্জে বৃদ্ধ বাবা-মাকে জুতা পিটা করায়, ২ ছেলে গ্রেফতার !

    মানিকগঞ্জে বৃদ্ধ বাবা-মাকে জুতা পিটা করায়, ২ ছেলে গ্রেফতার !

    মানিকগঞ্জে দুই ছেলের বিরুদ্ধে ভরণ-পোষণ না করা, শারীরিক নির্যাতন ও ঘর থেকে তাড়ানোর অভিযোগে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী এক মা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা রুজু হওয়ার পর দুই ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    গ্রেফতাকৃতরা হলেন- জসিম (৫২) ও জাকির (৩৫)। তারা উভয়েই মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়ারজানি এলাকার আব্দুর গফুর মিয়ার ছেলে। এর আগে, গত মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ সদর থানায় ৭০ বছর বয়সী জহুরা বেগম এজাহারটি দায়ের করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধা জহুরা বেগম ও তাঁর স্বামী আব্দুল গফুর মিয়া (৭৫) বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। তাঁদের গর্ভজাত দুই ছেলে—জসিম ও জাকির দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মায়ের ভরণ-পোষণ, চিকিৎসা ও সেবা-যত্ন করছেন না। এ নিয়ে বহুবার অনুরোধ করলেও কোনো সাড়া দেননি তাঁরা। বরং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিচার চাইলেও বিবাদীরা বিষয়টি তোয়াক্কা করেনি।

    মামলার এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৪ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেওয়ারজানি এলাকায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে জহুরা বেগম ও তাঁর স্বামী খাবার চাইলে দুই ছেলে ও তাঁদের স্ত্রীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়।

    একপর্যায়ে চারজনই যোগসাজশে তাঁদের গালাগাল, কিল-ঘুষি এবং ছেলে জাকির জুতা দিয়ে মারধর করেন। এতে জহুরা বেগম আহত হন। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। গ্রেফতার হওয়া আসামি জসিম ও জাকির উভয়েই বাদিনির গর্ভজাত সন্তান। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন না করে অবহেলা ও অযত্নে রেখেছেন।

    এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আমান উল্লাহ বলেন, বৃদ্ধ বাবা-মাকে ভরণ পোষণ না করা এবং মারধরের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। দুই ছেলেকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এদিকে, বৃদ্ধা জহুরা বেগম ও তাঁর স্বামী আব্দুল গফুর মিয়া বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • ‘আইনি ভিত্তির-নিশ্চয়তা ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা মূল্যহীন’

    ‘আইনি ভিত্তির-নিশ্চয়তা ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা মূল্যহীন’

    আদেশ জারিসহ তিনটি শর্ত না মানলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আইনি ভিত্তি এবং আদেশের ব্যাপারে নিশ্চয়তা ছাড়া সনদে স্বাক্ষর করলে তা মূল্যহীন হবে।

    জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

    নাহিদ বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে কিছু কিছু দলের কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে। এটা থাকতেই পারে। আমাদের দাবি ছিল, নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে গণভোট হবে। জনগণ পক্ষে ভোট দিলে জুলাই সনদ অনুমোদিত হবে। পরবর্তী সংসদে যার কনস্টিটিউট পাওয়ার থাকবে, তারা সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করবে। পুরো প্রক্রিয়ার মূল জায়গায় থাকবে অর্ডার। এই আদেশের ভিত্তিতে গণভোট হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় এগোবে।

    জুলাই ঘোষণাপত্রে প্রতারণা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের সময় আইনি ভিত্তির দাবি ছিল, কিন্তু সেটা হয়নি। এই ঘোষণাপত্রে টেক্সট নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। টেক্সট আগে আমাদের যেটা দেখানো হয়েছে, ঘোষণাপত্র পাঠের সময় সেটা পরিবর্তিত হয়েছিল। ঐতিহাসিক ন্যারেটিভের জায়গা থেকেও গণঅভ্যুত্থানের অনেক কিছুই আসেনি। এ নিয়ে পরবর্তী সময়ে আমরা সমালোচনা করেছি।

    যার অর্থ নেই, এমন আরেকটি ঘটনার সাক্ষী হতে চান না জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আইনি ভিত্তি এবং আদেশের ব্যাপারে নিশ্চয়তা ছাড়া সনদে স্বাক্ষর করলে তা মূল্যহীন হবে। পরবর্তীতে সরকার কীসের ভিত্তিতে আদেশ জারি করবে, কী বার্তা সেখানে থাকবে—সেই নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না।

    জুলাই সনদ যাতে সফল হয়, এজন্য কিছু বিষয় সরকারের কাছে তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। এগুলো হলো—

    ১. জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষরের আগেই প্রকাশ করতে হবে। এই আদেশ জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায় অনুসারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জারি করবেন।

    ২. সনদের ৮৪টি বিষয় একসঙ্গে গণভোটে যাবে। এতে নোট অব ডিসেন্টের আলাদা কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের প্রশ্ন কী হবে তা আগেই চূড়ান্তের পর প্রকাশ করতে হবে।

    ৩. জনগণ সনদ অনুমোদন করলে, পরবর্তীতে সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের জন্য সংসদকে কনস্টিটিউট পাওয়ার দেওয়া হবে। সংস্কারকৃত সংবিধান ‘২০২৬’ হিসেবে পরিচিত হবে।

    তিনটি বিষয় পরিষ্কার হওয়ার পর জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হতে পারে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, সেখানে আমরাও অংশগ্রহণ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব। তবে বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সনদে স্বাক্ষর শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা। এতে অংশ নেওয়া না নেওয়া সমান। বরং জনগণের সামনে বিষয়গুলো স্পষ্ট না করে সনদে স্বাক্ষরের আয়োজন একটি ছলচাতুরী।

    জনগণকে অন্ধকারে রাখতে চান না জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবেও জানার অধিকার রয়েছে, সরকার কীভাবে সনদ বাস্তবায়ন করবে।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে নাহিদ বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হতে হবে। ইসির জন্য আমাদের কার্যক্রম আটকে রয়েছে।

  • সাটুরিয়ায় এলজিইডির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    সাটুরিয়ায় এলজিইডির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলায় গ্রামীন সড়ক মাস্টারপ্লান প্রণয়ন ( জিআইএস- ভিত্তিক আরসিআইপি, স্হানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)এলজিইডি সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরের আয়োজনে সকাল ৯ টায় উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ এলজিইডি, নির্বাহী প্রকৌশলী এবি, এম,খোরশেদ আলম।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো ইকবাল হোসেন। মূখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বেটস কনসাল্টিং সার্ভিসেস লিমিটেড, টিম লিডার, মহিদুর রহমান খান।

    এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গন্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে ডিএনসিকে অবরুদ্ধ, পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার

    মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে ডিএনসিকে অবরুদ্ধ, পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আরিফুল ইসলাম (২০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে ছিনিয়ে নিতে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ৯ সদস্যের একটি টিমকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা। পরে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে আটক আসামিসহ অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যের উদ্ধার করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়নের তারাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালায় জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    এ সময় এসআই রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ৩৫ পিস ইয়াবাসহ আরিফুলকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

    পরে আরিফুলের দেওয়া তথ্যে একই গ্রামের আরো দুই বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে মজিদ (৩৫) ও মৃত আওলাদ হোসেনের ছেলে জুলহাস (৩৩)-এর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ডিএনসি টিম। তবে তাদের বাড়িতে কোনো মাদক না পেয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

    এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা ভুয়া ডিবি পুলিশ। এতে উত্তেজিত হয়ে পড়ে স্থানীয় জনতা।

    তারা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ব্যবহৃত গাড়ি আটকে দেয় এবং আসামি আরিফুলকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।আরিফুলের শ্বশুর মেহেদী হাসান উপস্থিত জনতাকে জানায়, তার মেয়ের জামাইয়ের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে। এছাড়া মজিদ, জুলহাসসহ আরো অনেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দিয়েছে। এই বক্তব্য জনতার ক্ষোভ আরো বাড়িয়ে তোলে।

    একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা এসআই রফিকুল ইসলাম, আতাউর রহমান সজীব, এএসআই কিংকর কুমার রায়, নজরুল ইসলাম, মাহবুবা রহমান, সিপাহী জীবন হোসেন, জুয়েল রানা, আলমগীর কবির ও শাহীন খানকে ঘেরাও করে রাখে। তাদের মধ্যে জীবন হোসেনসহ কয়েকজনের ওপর শারীরিক হামলারও অভিযোগ রয়েছে।

    খবর পেয়ে সাড়ে ১০টার দিকে সাটুরিয়া থানা পুলিশের একটি দল ওসি শাহিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে যায় এবং অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

    এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছি। অথচ আজ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে এলাকাবাসীর এই ধরনের আচরণ খুবই দুঃখজনক।

  • প্রধান উপদেষ্টার সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শুরু

    প্রধান উপদেষ্টার সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠক শুরু

    জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ডাকা জরুরি বৈঠক আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুরু হয়েছে।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।

    জুলাই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে এই জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।এর আগে বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা-এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন— সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া। জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা-য় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘গণভোট’ কমিশন ও সরকারের হাতে

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘গণভোট’ কমিশন ও সরকারের হাতে

    দেশের রাজনৈতিক সংস্কারে নতুন দিগন্ত উন্মোচনকারী ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে উত্তাপ ছড়াচ্ছে দেশের রাজনীতিতে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জানিয়েছে, তারা গণভোটের সময় নির্ধারণ নিয়ে নিজেরা কোনো নির্দিষ্ট সুপারিশ দেবে না। বরং, এ সিদ্ধান্ত নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনের হাতে ছেড়ে দেওয়াই যুক্তিযুক্ত হবে বলে তারা মনে করে।

    রাজনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপট ও কমিশনের অবস্থান গত ৮ অক্টোবর রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শেষে এই বিষয়ে কমিশনের অভিমত পরিষ্কার হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলোচনা শেষে একটি ফটোসেশনে অংশ নেন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের নেতারা।

    আলোচনায় অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও মতবিরোধ ছিল স্পষ্ট। কেউ চাইছে সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হোক, আবার কেউ বলছে এর আগেই গণভোট আয়োজন করতে হবে।

    ফলে, ঐকমত্য কমিশন গণভোটের নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে কোনো সুপারিশ দিতে আগ্রহী নয়। কমিশন সূত্র জানায়, যদি তারা নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে, তাহলে তা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর এক ধরনের চাপ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেজন্যই তারা চাইছেন সময় নির্ধারণের বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করুক।

    সনদ স্বাক্ষরের সময় নির্ধারণ এবং পরবর্তী পরিকল্পনা কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষরিত হবে। একই সুপারিশ পাঠানো হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেও।

    বিশেষজ্ঞ মতামত ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এ প্রসঙ্গে জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অধ্যাপক এবং অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল এই বিষয়ে একটি মতামত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, গণভোট আয়োজনে যদি নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

    একসঙ্গে দুটি ভোট আয়োজন মানে একাধিক ব্যালট, অতিরিক্ত সময়, নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার জটিলতা—যা সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের দক্ষতা ও প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করবে।

    ঐকমত্য কমিশন মনে করে, এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। দলগুলোর মতানৈক্য ও সন্দেহ

    গণভোট ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলো একমত নয়। যেমন: বিএনপি চায়, ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে কোনো সংবিধান আদেশ (Constitutional Order) না হোক। তারা বলছে, একটি প্রজ্ঞাপন দিয়ে গণভোটের জন্য নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হোক।

    অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনে করে, একটি ‘জুলাই বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করে তবেই গণভোট আয়োজন করা উচিত।

    এই ভিন্নমতগুলো শুধু সময় বা পদ্ধতি নিয়ে নয় বরং সনদের সাংবিধানিক অবস্থান, আইনগত ভিত্তি ও ভবিষ্যৎ রূপান্তরের ধরন নিয়েও বিস্তৃত।

    এ বিষয়ে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “নির্বাচন ও গণভোট একদিনে হলে ফলাফলে তফাৎ হবে না, বরং ব্যয় কমবে।”

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, “নভেম্বর মাসে গণভোট অনুষ্ঠিত হলে তাতে জাতীয় নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে তার ভিত্তিতেই জাতীয় নির্বাচন হবে।”

    এনসিপির আখতার হোসেন বলেন, “সিদ্ধান্ত কমিশনের ওপর নির্ভর করছে।”ইসলামী আন্দোলনের গাজী আতাউর রহমান বলেন, “জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি দিতে জাতীয় নির্বাচনের আগেই গণভোট দরকার। তবে একই দিনে দুটি ভোট সমস্যার হতে পারে।”

     

    প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট হলে ভোট গ্রহণের সময় বাড়বে। একাধিক ব্যালট, জটিল গণনা, বিভ্রান্তি, ভুল গণনার ঝুঁকি ও ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব সবকিছুই একসঙ্গে সংঘটিত হতে পারে।

    তবে, আলাদা দিনে ভোট আয়োজন করলে নির্বাচনী ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, প্রশাসনিক ঝামেলা বাড়বে এবং রাজনৈতিক উত্তাপ দীর্ঘায়িত হবে। ফলে, বিষয়টি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি কারিগরি সক্ষমতা ও আর্থিক বাস্তবতা বিবেচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

    কমিশন সুপারিশ দেবে, চাপ নয় এই প্রসঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, “কমিশনের দায়িত্ব হলো প্রক্রিয়াগত সহায়তা ও বাস্তবায়নযোগ্য রূপরেখা তৈরি। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে সরকার ও নির্বাচন কমিশন।”

    সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও ঢাকা-৭ আসনের ভোটার সানাউল হক বলেন, “জুলাই সনদ নিয়ে গণভোট আয়োজন দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করতে পারে।

    তবে, সে পথে রয়েছে জটিলতা, মতানৈক্য, রাজনৈতিক কৌশল ও বাস্তবায়নের প্রশ্ন। এখন পর্যন্ত কমিশনের অবস্থান বিবেচনায় ধরে নেওয়া যায়, তারা সংবিধান ও বাস্তবতার মধ্যে একটি ভারসাম্য খুঁজছে। তারা চায় তাদের সুপারিশ রাজনৈতিক চাপ বা সংকট বাড়াক।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই গণভোট বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর।”

     

  • টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় বিএনপির নেতা আটক

    টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় বিএনপির নেতা আটক

    টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় এক বিএনপি নেতাকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।ধর্ষণের বিষয়টি জানাজানি হলে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দলে থেকে ইসমাইল হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়।

    এরপর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।রাত ৮টার দিকে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার কাউছার বাঁধন নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে গ্রেফতারের বিষয়টি জানান।

    তিনি জানান, এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় মামলা করেন। মামলার পর থেকে ইসমাইল হোসেন আত্মগোপনে চলে যান।

    সোমবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।

  • আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে

    আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘‘আইনগত বাধা যেহেতু নেই, তাই নির্বাচন কমিশনকে এনসিপি-কে শাপলা প্রতীক দিতে হবে।

    ’মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ নগরীর তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জেলা এনসিপির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

    সারজিস আলম বলেন, ‘‘কয়েকটা সিটের জন্য এনসিপি কারো সঙ্গে ঐক্য করবে, সেই নীতিতে বিশ্বাস করে না। এক বা একাধিক রাজনৈতিক দল তাদের জায়গা থেকে জনগণ বা দেশের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যদি পরিবর্তনের জন্য প্রতিজ্ঞা করে, সেই অনুযায়ী কাজ করে; বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা ভাবনার মধ্যে ঐক্য দেখা যায়, তখন আমরা চিন্তা করতে পারি।’’

    তিনি আরো বলেন, ‘‘এনসিপির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দল ঐক্য করলেও এনসিপি শাপলা প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে যাবে।’’ এনসিপির এই গুরুত্বপূর্ণ নেতা আরো বলেন, ‘‘এনসিপি সংসদের উচ্চকক্ষে পিআরের পক্ষে, নিম্নকক্ষে বিপক্ষে।’’

    এ সময় এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আশে-কীন আলম, ময়মনসিংহ জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট এটিএম মাহবুব আলম, সদস্য ইকরাম এলাহী খান সাজ, মোজাম্মেল হক, মাহমুদুল হাসান সোহেল, মোকারম আদনান, ফুয়াদ খান, জিকে ওমর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।