Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। তবে এঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে মালামাল ফেলে পালিয়ে যায় মাদক কারবারীরা।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে সদর মডেল থানার মহারাজপুর এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।  জেলা পুলিশের এক প্রেসনোটে বুধবার জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের এসআই (নিরস্ত্র) হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ, এস. আই মোঃ সোহায়বুর রহমান, এ.এস.আই মোঃ ফারুক হোসেন, এ.এস.আই মোঃ সামিউর রহমান ও এ.এস.আই মোঃ আমিনুল ইসলাম সদর মডেল থানা এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল ও মাদক উদ্ধারে দায়িত্ব পালন করছিলো।

    মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টার দিকে সদর উপজেলার মহারাজপুর এলাকায় অবস্থান কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানিতে পারে, ঢাকা মেট্রো-ট-২০- ৫২৪১ নম্বরের একটি ট্রাকে গাঁজা নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর হতে শিবগঞ্জের দিকে যাচ্ছে চোরাকার-বারীরা। এসময় হরেন্দ্রনাথ দেবদাশ সঙ্গীয় অফিসারসহ অত্র সদর মডেল থানাধীন মহারাজপুর ইউনিয়নের লালাপাড়া মোড় নামক স্থানে চেকপোষ্ট বসায়।

    চেকপোষ্ট করাকালে একই তারিখ রাত্রি অনুমান সাড়ে ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর হতে আসা ঢাকা মেট্রো-ট-২০- ৫২৪১ নম্বরের ট্রাকটি থামানোর জন্য সংকেত দিলে চালক উক্ত স্থানের নিকটবর্তী রাস্তায় ট্রাকটি থামিয়ে ট্রাক চালক ও হেলপার কৌশলে ট্রাক ফেলে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ট্রাকটি তল্লাশীকালে ট্রাকের পিছনে বডির পাটাতনের উপর থাকা একটি নীল রংয়ের পলিথিনে ঢাকা অবস্থায় দুইটি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতরে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো বিশেষ কায়দায় রাখা ১০ টি গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ৪ কেজি করে সর্বমোট ৪০ কেজি উদ্ধার হয়। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিং

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি সদর দপ্তরে প্রেস ব্রিফিং

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর রিজিয়নের আওতাধীন ৪টি সেক্টর ও ১৫টি ব্যাটালিয়নের অভিযানে চলতি বছর (জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর) ৬০ কোটি টাকার চোরাচালানপণ্য জব্দ করেছে। এসব অভিযানে ৫০১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন, রংপুরের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের জানুয়ারী থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা অভিযানের তথ্য তুলে ধরেন এ তথ্য জানান ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ব্যবস্থাপনায় ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এই ব্রিফিং হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী মুস্তাফি-জুর রহমান প্রেস ব্রিফিং এ জানান, রংপুর রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা ১৬৬০ কিঃ মিঃ। অত্র রিজিয়নের অধীনে ০৪টি সেক্টর ও ১৫টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে।

    রংপুর রিজিয়ন এর আওতাধীন ব্যাটালিয়নে কর্মরত বিজিবি সদস্যরা অভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এ বছরে ৫০১ জন আসামীসহ আনুমানিক ৬০ কোটি টাকার অধিক মূল্যের বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী মালামাল আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর উপ-অধিনায়ক মেজর আশরারুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

    এসময় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, ৫৩ বিজিবির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, ফেন্সিডিল ৭১,৩৪০ বোতল, হেরোইন ৯.৭৭৩ কেজি, কোকেন ২.০৬১ কেজি, মদ ১২.১২৭ বোতল, গাঁজা ২,০৯১ কেজি, ইয়াবা ২৪.৪৭৮ পিস, ইস্কাফ সিরাপ ৩৩৫৭ বোতল, মেটাডক্সিন ট্যাবলেট ৪.০৩,৯৭৫ পিস, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ৫৮৪০ পিস, বিভিন্ন প্রকার নেশা জাতীয় ইঞ্জেকশন ৮৫,১৩১ পিস এবং ভায়াগ্রা/ভিগো ট্যাবলেট ১২.৯৮,০০৩টি।

    এছাড়াও ০৬ রাউন্ড গুলিসহ ০১টি বিদেশী পিস্তল, এয়ারগান ০৬টি, এায়ারগানের সিসাগুলি ৩৩.১০০টি, গান পাউডার ০৭ কেজি, ককটেল ৯৯টি এবং পেট্রোল বোম্ব ৪০টি। গবাদিপশু-গরু ১৪৫৭টি ও মহিষ ৬৬৪টি।

    অন্যান্য মালামালের মধ্যে-কষ্টি পাথর ১৪টি (৮২২.৫ কেজি), স্বর্ণ ০.৬৮০ কেজি, রৌপ্য ০১ ভরি, শাড়ী ২৬০৩টি, শার্ট ৯৭১টি, প্যান্ট পিস ৪,০৭৬টি, থানকাপড় ১৩৮ গজ, চা পাতা ১০০৭ কেজি, চিনি ২৮০৪ কেজি, মোটরসাইকেল ১৮৫টি, মোবাইল ১২৪৫টি, চকলেট বাজি ৮১৪০ প্যাকেট এবং কারেন্ট জাল ৬৫২ কেজি।

    বিজিবি সদস্য সীমান্ত সুরক্ষায় নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক হিসেবে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধপথে সীমান্ত পারাপার, জাল-নোট পাচার, মাদকদ্রব্য চোরাচালান এবং নারী ও শিশু পাচার সম্পর্কে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    সীমান্তে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিজিবি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়াও বিজিবির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে রংপুর রিজিয়নের অধীনস্থ ১.৬৬০ কিঃ মিঃ দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি নতুন ০৬টি বিওপি নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, সম্প্রতি শেষ হওয়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইন- শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রংপুর রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় মোট ৮০৭টি পূজামন্ডপে ১৩৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়।

    পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে পূজা উদযাপনকে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে নিরলসভাবে কাজ করে বিজিবি সদস্যরা। বেসামরিক প্রশাসনের অনুরোধে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রংপুর রিজিয়ন থেকে বিজিবি মোতায়েন করে সফল ভূমিকা পালন করা হয়। ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয় প্রেস বিফিং এ।

    প্রেস ব্রিফিং শেষে চা চক্রের মধ্যেই চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের সাথে সীামন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং আগামীতে সীমান্তের চোরাচালান বন্ধসহ যে কোন সমস্যা সমাধানে মিডিয়াকর্মীদের নিয়ে একসাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    দেশের স্বার্থে জেলার সকল মিডিয়াকর্মীদের বিজিবির সাথে আন্তরিকভাবে কাজ করারও আহবান জানান ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান।

  • ‘মার্চ টু সচিবালয়’ হাইকোর্টের সামনে শিক্ষকদের পুলিশি ব্যারিকেড

    ‘মার্চ টু সচিবালয়’ হাইকোর্টের সামনে শিক্ষকদের পুলিশি ব্যারিকেড

    ২০ শতাংশ বাড়িভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা রাজধানীতে ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি শুরু করেছেন।মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

    তবে সচিবালয় অভিমুখে যাত্রা শুরুর আগেই হাইকোর্ট মাজারগেট এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। শিক্ষা ভবন মোড়ের আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    এ সময় দোয়েল চত্বর থেকে মৎস্য ভবন ও বিপরীতমুখী সড়কও বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পুলিশের জলকামানও।

    আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, সরকারের প্রস্তাবিত বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির হার ‘অপর্যাপ্ত ও অবাস্তব’। তারা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাতা, ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা প্রদানসহ সার্বজনীন বদলি নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানান।

    শিক্ষক নেতারা বলেন, “আমাদের কর্মবিরতি চলবে। ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা ও কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত কোনো শিক্ষক শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নেবেন না।”

    এর আগে গত ১২ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একই দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে সংগঠনের নেতাদের আহ্বানে শিক্ষকরা শহীদ মিনারে অবস্থান নেন এবং লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১৩ অক্টোবর) থেকে সারাদেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

  • মিরপুরে কেমিক্যাল ‍গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড নিহত ৯

    মিরপুরে কেমিক্যাল ‍গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড নিহত ৯

    রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়ি এলাকায় কেমিক্যাল গোডাউন ও গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে নয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী।

    এছাড়া ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তর থেকে মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিমও এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সংবাদ পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরে আরও তিনটি সেখানে যোগ দেয়।

    তালহা বিন জসিম বলেন, কসমিক ফার্মা কোম্পানির কেমিক্যালের গোডাউন ও আরেকটি গার্মেন্টসে আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিস থেকে আট ইউনিট কাজ করে গার্মেন্টসে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সদস্যরা।

    আগুনের সূত্রপাত প্রসঙ্গে এই ফায়ার কর্মকর্তা বলেন, ফায়ার কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই প্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে আগুন দেখেছেন। কেমিক্যাল গোডাউনে নাকি গার্মেন্টস থেকে আগুনের সূত্রপাত এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • বিএনপি ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি

    বিএনপি ৫ শতাংশ নারীকে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি

    বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি ভোটে দল থেকে কমপক্ষে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে নারীরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবেন।”

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) খুলনা প্রেস ক্লাবে ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ আয়োজিত খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।বেগম সেলিমা রহমান বলেন, “দেশে নারী শিক্ষা ও পেশাজীবী অঙ্গনে নারীদের যে অবস্থান, তা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাত ধরেই এগিয়েছে।

    এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারী জাগরণ ঘটবে। ”সভায় নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, “আগামী নির্বাচনে বিএনপি অবশ্যই যোগ্য নারীদের দলীয় মনোনয়ন দেবে এবং তারা জনগণের ভোটে বিজয়ী হবেন।”

    তিনি বলেন, “বিএনপি নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য বদ্ধপরিকর এবং এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।”অনুষ্ঠানে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, “বিএনপি নারীর অধিকার রক্ষায় সবসময় সোচ্চার। আমরা বিশ্বাস করি, নারীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।”

    খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “বিএনপি নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে চায়। আমরা নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী নির্বাচনে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের জন্য বিএনপি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে।”

    খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার বিএনপির নারী নেত্রীরা সমন্বয় সভায় অংশ গ্রহণ করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ড, শফিকুল আলম মনা, এম এ সালাম, রহমত উল্লাহ পলাশ, মনিরুজ্জামান মন্টু, শফিকুল আলম তুহিন। সভা সঞ্চালনা করেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব নিপুন রায় চৌধুরী।

  • মানিকগঞ্জ সাটুরিয়ায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে মতবিনিময় সভা

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়ায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে মতবিনিময় সভা

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষে প্রকল্প নির্বাচনে স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলার হরগজ, দরগ্রাম, দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে মত-বিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইকবাল হোসেন।

    সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো: ইমরুল হাসান, সাটুরিয়া উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খলিলুর রহমান মোল্লাহ,সাটুরিয়ার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক, ইউসুফ হোসেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও স্হানীয় জনপ্রতিনিধি এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো সহ প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন বা মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, স এবং তাদের সমস্যা ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।

    গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসনের ব্যতিক্রম উদ্যোগের সকলে প্রশংসা করেন।

  • চাচিতারা সপ্রাবি‘তে ‘টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি-২০২৫

    চাচিতারা সপ্রাবি‘তে ‘টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি-২০২৫

    সারাদেশের ন্যায় সাটুরিয়া উপজেলাধীন সকল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেনী হতে নবম শ্রেণীর শিশুদের ‘টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি-২০২৫ অব্যাহত রয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় সরকার সারাদেশে ৫ কোটিরও বেশি শিশুকে বিনামূল্যে টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) প্রদান করবে।

    আজ মঙ্গলবার সাটুরিয়া উপজেলাধীন চাচিতারা সরকারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লক্ষ্য করা গেছে টিকাদান কর্মসূচীর ব্যস্ততা। অভিভাবকসহ শিশুদের ব্যাপক উপস্থিতিতে টিকা প্রদানে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন টিকাপ্রদানকারী কর্মীরা।

    এ ব্যাপারে টিকাপ্রদানকারীকর্মী, দিঘলীয়া ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (এসডব্লিউএ) রত্না আক্তার জানান, এবারকার টিকা প্রদানে আমরা শিশুদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করছি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগিতাও আশানুরুপ। সব মিলিয়ে আশা করছি, আমরা এবার শতভাগ টিকা নিশ্চিত করতে পারবো।

    টিকা প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি আরো জানান, অভিভাবকদের আগে অনলাইনে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে শিশুদের জন্মসনদ অনুসারে নাম নিবন্ধন করতে হচ্ছে। নাম নিবন্ধনে সাহায্য করছেন নিদিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ সকল সহকারী শিক্ষকগণ। তারপর আমরা নিদিষ্ট রেজিস্ট্রৈশন দেখে শিশুদের টিকা প্রদান করেছি।তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছেন, জন্মসনদ না থাকলেও কোনো শিশু বাদ যাবে না। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য সব শিশুকে শতভাগ টিকার আওতায় আনা।

    উল্লেখ্য, সারাদেশে ১২ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত প্রথম ধাপে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়া হবে- যার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা (আলিয়া ও কওমি) এবং ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে টিকা দেওয়া হবে ১ থেকে ১৩ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।

    টাইফয়েড জ্বর বাংলাদেশের সবচেয়ে মারাত্মক টিকা-প্রতিরোধযোগ্য রোগগুলোর মধ্যে একটি, যা সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট। এই রোগ নির্মূল করাই টিকাদানের মূল লক্ষ্য।’

  • আমাকে বাঁচান! পুলিশ পাঠান!-সানজিদা রিন্টু

    আমাকে বাঁচান! পুলিশ পাঠান!-সানজিদা রিন্টু

    ছোট পর্দার উঠতি অভিনেত্রী সানজিদা রিন্টু ফেসবুক লাইভে এসে স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। লাইভে কাঁদতে কাঁদতে সাহায্যের আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, আমাকে বাঁচান! পুলিশ পাঠান! আমাকে এখান থেকে নিয়ে যান।

    রবিবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় করা ওই ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরের ভেতর তুমুল বিশৃঙ্খলা। ভাঙা কাচ, ছড়ানো জিনিসপত্র, এলোমেলো আসবাব সব     কিছুতেই যেন স্পষ্ট ছিল এক উত্তেজনাপূর্ণ ও ভয়াবহ পরিস্থিতির চিত্র। লাইভে রিন্টু দাবি করেন, গত মাসেই স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স হয়েছে।

    তবু তার প্রাক্তন স্বামী এখনো বাড়িতে অবস্থান করছেন, তাকে হুমকি দিচ্ছেন এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করছেন। কাঁদতে কাঁদতে নিজের হাতে থাকা আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে তিনি বলেন, “ওরা চায়, পুরো পরিবার আমার আয়ে চলবে। আমি ইনকাম করে আনব, তারা খাবে। আর আমাকেই মেরে ফেলবে। দেখেন, আমাকে কীভাবে মেরেছে!”

    স্বামীর অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগও লাইভে করেন রিন্টু। তিনি জানান, তার প্রাক্তন স্বামী অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কে জড়িত। তবে কথা বলার মাঝেই হঠাৎ করে তার স্বামী এসে ফোন কেড়ে নেন এবং লাইভ সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে রিন্টু তার ভিডিওটি নিজের ফেসবুক থেকে মুছে ফেলেন।

    যদিও এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি। সানজিদা রিন্টু বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন। যদিও এখনো বড় কোনো কাজের মাধ্যমে বিশেষ আলোচনায় আসেননি, তবে তার এই লাইভ ভিডিও ও অভিযোগ ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।

  • সাটুরিয়ায়, যুবদলের আহ্ববায়কে শোকজ নোটিশ

    সাটুরিয়ায়, যুবদলের আহ্ববায়কে শোকজ নোটিশ

    ঢাকার সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দায়ের হওয়া একটি হত্যা চেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামীকে (আল মাহমুদ সবুজ, যুবলীগ কর্মী) যুবদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ায় মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্ববায়ক জনাব মোহাম্মদ আমীর হামজা কে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে জেলা যুবদল।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জেলা যুবদলের আহবায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু ও সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ শোকজ দেয়া হয়।

    শোকজের চিঠিতে আমীর হামজাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়, আপনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সাটুরিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়কের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে আপনার বিরুদ্ধে নিজ সাংগঠনিক পদের অপব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার মতন গুরুত্বর্পূণ অভিযোগ এসেছে। যা দলের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করছে এবং দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড বলে জেলা যুবদল মনে করে।

    এমতাবস্থায়, কেন আপনার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা আগামী তিন কর্ম দিবসের মধ্যে দলের প্রধান কার্যালয়ে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সামনে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর জন্য নিদের্শ দেওয়া হলো।

    এ বিষয়ে যুবদল নেতা আমীর হামজা বলেন, দল আমাকে তিন কার্যদিবস সময় দিয়েছিল। আমি ইতিমধ্যেই এর যথাযথ উত্তর দিতে চেষ্টা করেছি। আমি মনে করি, এটি আমার বিরুদ্ধে কৌশলগত ষড়যন্ত্রের অংশ বিশেষ। আমি সব সময়ই দলের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধশীল। এই বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর হত্যার চেষ্টার আসামিকে প্রত্যয়ন দেয়া নিয়ে জুমবাংলায় “হত্যার চেষ্টার আসামি ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতারা এখন ছাত্রদল-যুবদলে” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

  • এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ১০ নেতা

    এনসিপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন ১০ নেতা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন ১০ কেন্দ্রীয় নেতা। তাদের দলের অন্য সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১ অক্টোবর) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী,

    ১.রংপুর বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আতিক মুজাহিদ,

    ২.রাজশাহীতে ইমরান ইমন।

    ৩.সিলেটে এহতেশাম হক।

    ৪.ময়মনসিংহে আশেকিন আলম।

    ৫.ঢাকায় সাইফুল্লাহ হায়দার।

    ৬.ফরিদপুরে নিজাম উদ্দীন।

    ৭,চট্টগ্রামে এস এম সুজা উদ্দিন।

    ৮.কুমিল্লায় মো. আতাউল্লাহ।

    ৯.খুলনায় ফরিদুল হক ও

    ১০. বরিশালে অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।.

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে এই ১০ নেতাকে দেশের সব মহানগর ও জেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হলো।