Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গা বিসর্জনে বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্গা বিসর্জনে বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিসর্জনের দিন নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গঠন করা হয়েছে বিশেষ মেডিকেল টিম। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ মেডিকেল টিম গঠন করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, আগামী ২ অক্টোবর/২৫ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিসর্জন অনুষ্ঠিত হবে।

    এদিন সম্ভাব্য যে কোনো দুর্ঘটনা বা স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটার সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। এ লক্ষ্যে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

    টিমে রয়েছেন, ডা. মোহা: ইস্রাফিল ইসলাম জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি), ডা. এইচ.এম. মামুন, রেসিডেন্ট ফিজিসিয়ান/রেসিডেন্ট সার্জন, ডা. মোসাঃ আমেনা খাতুন, রেসিডেন্ট ফিজিসিয়ান/গাইনী, ডা. এ.বি. আল-মেহেদি, সহকারী রেজিস্ট্রার (অ্যানেসথেসিয়া), ডা. মোঃ শামসুল আলম, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার, ডা. মোহাঃ মমরেজুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার, চারজন সিনিয়র স্টাফ নার্স, একজন ড্রাইভার, দুইজন ওয়ার্ড বয়।

    হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, স্টোরকিপারকে মেডিকেল টিমের জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ ও সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, দুর্গাপূজার বিসর্জনকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। তাই নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দ।

  • ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে চাঁদাবাজি বেড়েছে-অর্থ উপদেষ্টা

    ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে চাঁদাবাজি বেড়েছে-অর্থ উপদেষ্টা

    চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ছাড়া, রাজনৈতিক সরকার ছাড়া চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপ কালে এ কথা বলেন তিনি।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আগে যেখানে এক টাকা চাঁদা নেওয়া হতো এখন দেড় টাকা, দুই টাকা নেওয়া হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর নানা পক্ষ চাঁদাবাজিতে জড়িয়েছে এবং আগে যারা ছিল, তারাও চাঁদাবাজির পেছনে আছে। যারা চাঁদাবাজি করে তারাই আবার ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।

    তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কারণে পণ্যমূল্য বাড়ছে। কিন্তু এটা থামানো আমার মন্ত্রণালয়ের কাজ না। আর অন্তর্বর্তী সরকার একে ধরো, ওকে ধরো নীতিতে নেই।

    এ সময় আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমে ৭ শতাংশে নেমে আসবে।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকার ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ করতে এবং রাজস্ব আদায় শক্তিশালী করতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচির আওতায় বাড়তে থাকা বৈদেশিক ঋণের বিষয়েও সতর্ক রয়েছে।

    ব্যাংকিং খাত তারল্য সংকট এবং এলসি খোলার জটিলতার মধ্যদিয়ে গেলেও বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখন তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেখছি। গত বছরের আমদানি ব্যাহতকারী এলসি-সংক্রান্ত বাধাগুলো এখন তেমন নেই। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টিকে থাকতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তবে অনিয়মকে উপেক্ষা করা হচ্ছে না।

    জরুরি ভিত্তিতে করজালের বিস্তারের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এরই মধ্যে ‘ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো’ নামক ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করেছে, যা কাস্টমস ও কর ব্যবস্থাকে আরও সহজতর করছে। প্রথমবারের মতো অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি, যারা এতদিন করের আওতার বাইরে ছিলেন, তাদের কর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।

    আইএমএফ ঋণের আর একটা কিস্তি কি নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে পাওয়া যাবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, না না আমরা এ সময়ে পাবো না। এটা অক্টোবরে রিভিউ হবে। আসতে আসতে মার্চ–এপ্রিল হয়ে যাবে।

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশ তুলনামূলকভাবে শান্ত রয়েছে। বড় দলগুলো নির্বাচন অংশগ্রহণে আগ্রহ দেখিয়েছে, যা একটি ইতিবাচক বার্তা।

    সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • ৫ আগস্টের পর চাঁদাবাজি বেড়েছে’-অর্থ উপদেষ্টা

    ৫ আগস্টের পর চাঁদাবাজি বেড়েছে’-অর্থ উপদেষ্টা

    চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে দেশে চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ছাড়া, রাজনৈতিক সরকার ছাড়া চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আগে যেখানে এক টাকা চাঁদা নেওয়া হতো এখন দেড় টাকা, দুই টাকা নেওয়া হচ্ছে। ৫ আগস্টের পর নানা পক্ষ চাঁদাবাজিতে জড়িয়েছে এবং আগে যারা ছিল, তারাও চাঁদাবাজির পেছনে আছে। যারা চাঁদাবাজি করে তারাই আবার ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্য।

    তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কারণে পণ্যমূল্য বাড়ছে। কিন্তু এটা থামানো আমার মন্ত্রণালয়ের কাজ না। আর অন্তর্বর্তী সরকার একে ধরো, ওকে ধরো নীতিতে নেই।এ সময় আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমে ৭ শতাংশে নেমে আসবে।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকার ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে, বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ করতে এবং রাজস্ব আদায় শক্তিশালী করতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কর্মসূচির আওতায় বাড়তে থাকা বৈদেশিক ঋণের বিষয়েও সতর্ক রয়েছে।

    ব্যাংকিং খাত তারল্য সংকট এবং এলসি খোলার জটিলতার মধ্যদিয়ে গেলেও বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখন তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেখছি।

    গত বছরের আমদানি ব্যাহতকারী এলসি-সংক্রান্ত বাধাগুলো এখন তেমন নেই। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টিকে থাকতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তবে অনিয়মকে উপেক্ষা করা হচ্ছে না।

    জরুরি ভিত্তিতে করজালের বিস্তারের ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এরই মধ্যে ‘ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো’ নামক ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করেছে, যা কাস্টমস ও কর ব্যবস্থাকে আরও সহজতর করছে। প্রথমবারের মতো অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি, যারা এতদিন করের আওতার বাইরে ছিলেন, তাদের কর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।

    আইএমএফ ঋণের আর একটা কিস্তি কি নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে পাওয়া যাবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, না না আমরা এ সময়ে পাবো না। এটা অক্টোবরে রিভিউ হবে। আসতে আসতে মার্চ–এপ্রিল হয়ে যাবে।

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক পরিবেশ তুলনামূলকভাবে শান্ত রয়েছে। বড় দলগুলো নির্বাচন অংশগ্রহণে আগ্রহ দেখিয়েছে, যা একটি ইতিবাচক বার্তা। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

  • সাটুরিয়ায় কিশোর গ্যাং তান্ডবে আহত ২

    সাটুরিয়ায় কিশোর গ্যাং তান্ডবে আহত ২

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটো চালকদের বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটো চালকদের বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ বিদ্যুৎ বিল আবাসিক থেকে বানিজ্যিক খাতে রূপান্তরের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অটো চালকরা বিক্ষোভ করেছেন।

    রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের সামনে সদর উপজেলার হায়াত মোড়, দেবীনগর, শাজাহানপুর, সুন্দরপুর, চরবাঘডাঙ্গা ও ইসলামপুর এলাকা থেকে আসা প্রায় দুই শতাধিক অটো চালক এ বিক্ষোভে অংশ নেন। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, এতদিন তারা আবাসিক হারে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছিলেন।

    কিন্তু হঠাৎ করেই বানিজ্যিক বিল আরোপ করায় তাদের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ পড়েছে। ফলে আগের তুলনায় দ্বিগুণ বিল এসেছে। তারা জানান, অটো চালিয়ে যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন, এর মধ্যে দ্বিগুণ বিল দেওয়া সম্ভব নয়।

    তাই আগের মতো আবাসিক হারে বিল নেওয়ার দাবি জানান তারা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অটোচালকরা বলেন, আমরা অসহায় মানুষ। এত বেশি বিল দিয়ে গাড়ি চালিয়ে সংসার চালানো সম্ভব নয়। আমরা আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই।

    এঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার হাওলাদার ফজলুর রহমান জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী অটো চালকদের বিদ্যুৎ বিল বাণিজ্যিক খাতে রূপান্তর করা হয়েছে। তবে আজ যারা এসেছিলেন তাদের কিছুটা সময় দেওয়া হয়েছে।

    বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা হয়েছে, আগামীতে চার্জিংস্টেশন রুপান্তর করা হবে। পরে জেনারেল ম্যানেজারের আশ্বাসে বিক্ষোভকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সাটুরিয়ায় দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি সুমাইয়া আক্তারের !

    সাটুরিয়ায় দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি সুমাইয়া আক্তারের !

    সাটুরিয়ায় দেড় মাসেও সন্ধান মেলেনি সুমাইয়া আক্তারের (১৬)। মেয়েকে হন্ন্য হয়ে খুঁজছেন আহত পিতা-মাতা।

    জানান যায়, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নে খাশের চর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের বড় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (১৬) হরগজ বাজার হতে হারিয়ে যায় গত ১৪ (আগষ্ট)।

    ঘটনার বিবরন, ১৪ (আগষ্ট) একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার জন্য অন-লাইনে আবেদন করতে হরগজ বাজারে আসেন সুমাইয়া আক্তার। তারপর থেকে সে আর বাড়ী ফিরে যায়নি। এ বিষয়ে সুমাইয়ার বাবা সিরাজুল ইসলাম সাটুরিয়া থানায় বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে সিরাজুল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তারের মা নিলুফা ইয়াসমিন জানান, দেড় মাসেও আমার মেয়ের সন্ধান এনে দিতে পারেনি কেউ । আমার মেয়ের সন্ধান এনে দিন, সে জীবিত আছে না মৃত। যে কোন মূল্যে আমি আমার মেয়ের সন্ধান চাই।

    এ সময় তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার মেয়েকে ভিক্ষা চাই। বিশেষ করে সাটুরিয়া থানা পুলিশসহ সর্বস্তরের প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

                                     নিখোঁজ সুমাইয়া আক্তার

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শাহিনুল ইসলাম জানান, অভিযোগটির ব্যাপারে আমরা অবহিত আছি। এই বিষয়ে উপ-পরিদর্শক রায়হান কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।

    এ ব্যাপারে, তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক রায়হান জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে আমরা তৎপর রয়েছি। তদন্ত কাজ চলমান আছে। আশা করি খুব দ্রুতই আমরা আপনাদের একটি ভাল খবর দিতে পারব।

  • ‘পিপাসু’

    ‘পিপাসু’

    বেশ্যার প্রেমে পড়ার ইচ্ছা
    -অনেক দিন থেকেই
    যারা `নটির’ তকমা নিয়ে
    জীবনের হাটে জীবিকা চালায়।।

    ‘দেহ’ পয়সার দরে বিক্রি করে
    তপ্তদেহের জ্বালা মিটায়
    ‘নগ্ন বুকের হিংস্র থাবায়’
    -হৃদয়ের রক্ত ক্ষরণে।।

    লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে
    নিতম্ব দুলিয়ে ‘পসরা’ জমায়
    অনাদরের ‘পতিতার বাজারে’
    -আনন্দের আদিম হাটে।।

    ভালবাসা, আশা ও অভিলাশ কে
    নিত্যই, কংসের বাহুতে সপে দেয়
    দু‘মোঠু অন্নের আশায়-
    নষ্ট মানুষের নষ্ট ভালবাসায়।।

    অন্ধবিশ্বাসে, অর্থের মাপকাটিতে
    জীবনের হিসাব কষে,
    ‘মীরাবাঈদের প্রতিছবি নিয়ে
    একদিন আমরাও স্বর্গ দেখবো বলে !

  • `শারদীয় দূর্গোৎসব’

    `শারদীয় দূর্গোৎসব’

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আনন্দ আয়োজন শারদীয় দূর্গোৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশাল জনগোষ্ঠীর অনেক আনন্দ, উল্লাস এবং বিনোদনের আনুষ্ঠানিকতা লক্ষ করা যায় এমন উৎসবে। শুভ মহালয়া থেকে চণ্ডীপাঠ, মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যলোকে আমন্ত্রণ জানায় ভক্তকুল।

    অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠার করার লক্ষ্যে মর্ত্যে আসে দেবী দুর্গা। তাদের পূজা মণ্ডপে মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাষ্টমী এবং মহানবমীতে সকল হিন্দু সম্প্রদায় অর্থাৎ হাজার হাজার নারী-পুরুষ ধর্মীয় নানা আচার অনুষ্ঠান পালন করে।

    বলা দরকার, হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী দুর্গা পূজার দিন ক্ষণ গণনা শুরু হয় মহালয়ার দিনে অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে পাঁচদিনব্যাপী শারদীয় দুর্গোৎসবে আনন্দকে কেন্দ্র করে। তাই এ দূর্গোৎসব হিন্দুদের অবশ্যই বিশুদ্ধ পঞ্জিকার আলোকেই নির্ধারণ করা হয়। শারদীয় দুর্গোৎ​সবের শুভ দশমীটাই তাদের কাছে শেষ দিন।

    আর এই শুভ বিজয়ার দশমীতে পূজা সমাপন করে এবং দেবী দুর্গাকে বিসর্জনে ব্যাস্ত সকল হিন্দু সম্প্রদায়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে তারা এদেশ ও সারা বিশ্বে ৩০ সেপ্টেম্বর সনাতন ধর্মীয় জনগোষ্ঠী সকল মানবের চাহিদাকে পুরনের লক্ষে সর্ব বৃহৎ দেবী দুর্গাকে মণ্ডপে দাঁড় করানোর বাসনায় জাগ্রত হন।

    পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তারা মহানবমী উপলক্ষে অনেক পূজা মণ্ডপে আরতি প্রতিযোগিতা এবং প্রসাদ বিতরণ করে। দশমীতে সব মণ্ডপে থাকে বিষাদের সুর। কারণ, তাদের শুভ বিজয়া দশমীর এই দিনে দূর্গাকে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে স্বামী গৃহে ফিরে দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা।

    সুতরাং এই দিনে বাহির হয় ভক্তদের শোভাযাত্রা, দেবী দুর্গাকে বিদায়ের মাধ্যম হিসেবে জলে নৌকা নয়তো স্হলে রংবে রংয়ের ট্রাকে সাজ সজ্জা ঘটিয়ে আনন্দ উল্লাস করে হিন্দু সম্প্রদায়। বিদায় বেলায় শত সহস্র ভক্তদের আনন্দ-উল্লাসে আর বিজয়ার অশ্রুতে আকাশ বাতাস কম্পিত হয়ে উঠে।

    দেবী দুর্গাকে স্বর্গালোকে এমন বিদায় দেয়ার আয়োজন সত্যিই সনাতন বিশ্বাসী ধর্মাবলম্বীদের গভীর আত্তায় শঙ্খ ধ্বনি এবং ঢাকের তালে তালে কম্পিত হয়। তাদের এমন দেবী দূর্গাকে বিদায়ের সুরের সাথে সঙ্গী সাথী করে গবীব দুখীকে।

    তবে এবারে দূর্গা দেবীর বিদায় নেওয়াটা অবশ্যই ঘোটক বা ঘোড়া কেন্দ্রিক অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে দেবী দুর্গা গমন করবে স্বর্গালোকে। সেহেতু এমন বিদায়ের ফল শ্রুতিতে অনেক রোগ-ব্যাধি বাড়বে বৈকি এবং অনেক ফসল নাকি নষ্টও হবে। সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীদের এমন ধারনা এবং তাদের বিশুদ্ধ পঞ্জিকায় তার যথাযত সত্যতার প্রমাণ মিলে।

    তবে দেবী দূর্গা এসেছিল নৌকায় চড়ে, ধর্মের আদর্শ বার্তা নিয়ে বছর ঘোরে বারংবার দেবী দূর্গা আসে মর্ত্যলোকে অর্থাৎ পৃথিবীতে। এজগতের মঙ্গল কামনায়, তাই বিশ্বাসী হিন্দু সম্প্রদায় বলেন, এমন আগমনের ফলেই অতি বৃষ্টি ও শস্য বৃদ্ধি হবে।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার হাজার নারী-পুরুষ ধর্মীয় এমন অনন্দে ঘরে ঘরে পূর্ব পুরুষদের উদ্দেশ্যে আপ্যা-য়নে তৈরী করে জল-তিল-অন্ন। এমন উৎসর্গ তাদের অনেক আনন্দ দান করে। তারা মনে করে, পিতৃ পক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসে। মৃত আত্মীয়-পরিজন এবং তাদের পূর্ব পুরুষদের আত্মার প্রতি মঙ্গল কামনা করার একটি শুভ দিন।

    সনাতন ধর্ম বিশ্বাসীরা এই দেবীপক্ষকে সবচেয়ে শুভ দিন মনে করেই নতুন নতুন পোষাক ও সামর্থ্য অনুযায়ী ভাল ভাল খাবার তৈবী করে। এ সময় তারা সব ধরনের শুভ কাজ সম্পন্ন করে থাকে। পুরাণের কথায় বলা যায়, অসুর শক্তির নিকট পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হয়েছিল। চারদিকে অশুভের প্রতাপ। তাই এ অশুভ শক্তিকে ধ্বংস বা বিনাশ করতেই একত্র হন দেবতারা। অসুর শক্তির বিনাশে অনুভূত হয়েই এক মহা শক্তির আবির্ভাব।

    সুতরাং সেই দেবতাদের তেজরশ্মি থেকেই আবির্ভূত এক বৃহৎ শক্তি তিনিই হলেন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা। পুরাণ মতে বলা যায়, রাজা সুরথ প্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু করেছিল। বসন্তে তিনি এ পূজার আয়োজন করায় দেবীর এ পূজাকে বাসন্তী পূজাও বলা হয়। কিন্তু রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে শ্রীরামচন্দ্র দুর্গা পূজার আয়োজন করেছিল।

    শরৎ কালের এ পূজাকে হিন্দুদের মতে বলা চলে, অকালবোধন। তাদের ধর্ম মতে, এ দিনেই দেব-দেবীকুল দুর্গা পূজার জন্য নিজেদের জাগ্রত করে। মহালয়ার দিনে সূর্য উদয়ের আগেই শঙ্খধ্বনি এবং চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে মন্দিরে মন্দিরে নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, নির্বিশেষে সকল হিন্দু সম্প্রদায় দেবী দূর্গাকে আবাহন জানায় এবং উল্লসীত সুরেলা কন্ঠে জয়ধ্বনি তোলে “দূর্গা মাইকি জয়”।

    মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,  প্রধান সমুন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি, সাটুরিয়া উপজেলা শাখা ।

  • বাংলাদেশের বাস্তবতায় কাজ করা কঠিন: সিইসি

    বাংলাদেশের বাস্তবতায় কাজ করা কঠিন: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “বাংলাদেশে কাজ করা খুবই ডিফিকাল্ট (কঠিন)। পার্টিকুলারলি যেই অবস্থার মধ্য দিয়ে দেশ যাচ্ছে, তাতে কাজ আদায় করে নেওয়া কঠিন। কিছু কিছু পক্ষের লোকের জন্য খুব সুবিধা, আর বেশিরভাগ পক্ষের লোকের জন্য ডিফিকাল্ট। এই সিচুয়েশনে আমরা এখন এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি।”

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠানে নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    নির্বাচন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন আরো বলেন, “আপনারা ওয়াদা করেছিলেন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং প্রফেশনালি কাজ করবেন। আইন মেনে কাজ করবেন।”

    সিইসি বলেন, “আমরা ইলেকশনের জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছি এবং বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে কাজ করছি। এতে আমরা অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি।”

    কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, “আমি চাই কোনো দলের পক্ষে হয়ে কেউ কাজ করবেন না। এটা আমরা প্রত্যাশা করি না এবং আপনারা আজকে ওয়াদা করলেন—যেকোনো ব্যক্তি বা পক্ষের পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে আপনারা কোনো কাজ করবেন না।”নির্বাচনি কর্মকর্তাদের সিইসি বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ আইন ও বিধি মোতাবেক, সঠিক কাজটি সঠিকভাবে করার নির্দেশনা দেব। কাজটা সঠিকভাবে আপনারা করছেন এবং সেটা যে আপনারা সঠিকভাবে করছেন, তা আমরা নিশ্চিত করব।”

    এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “সিভিল সারভেন্ট ইজ এ পলিটিক্যাল পারসন। হি মাস্ট বি পলিটিক্যাল। বাট হি অর শি শুড বি নন পার্টিশন। আপনি কোনো দল করতে পারবেন না, কিন্তু ভোটটা একজনকে দেবেন।”

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “এই নির্বাচন একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সুতরাং, আমাদের বিশেষভাবেই এটা মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষ ভাবেই এইটা ফেস করতে হবে, বিশেষ অ্যারেঞ্জমেন্টের মাধ্যমেই এটাকে আমদের এগিয়ে নিতে হবে।”

    ‘আগামী নির্বাচন ঐতিহাসিক হবে’ উল্লেখ করে সিইসি বলেন, “অতীতে যা-ই করে থাকুন, আমাদের প্রমাণ করতে হবে আমরা এটা পারি। এর কোনো ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমি এটা নিশ্চিত করব।”

    একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসি আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশ রাষ্ট্র এবং জাতি হিসেবে এই মুহূর্তে একটা সময়ের ক্রস রোডে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা এই যে অবস্থায় আছি, এর সম্ভবত এক নম্বর কারণ নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়া।”

    ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “আপনারা একবার চোখ বন্ধ করে চিন্তা করেন, ভালো নির্বাচন হলে কি এ ধরনের ঘটনা ঘটত? আমরা এ ধরনের নির্বাচন করব না, নির্বাচনের অংশ হব না। এই নির্বাচন কমিশন কখনোই আপনাদের পক্ষপাতদুষ্ট কোনো নির্বাচনের নির্দেশনা দেবে।”

    নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো চাপ কোনো ইনসট্রাকশন কোনো ধরনের ইনিয়ে বিনিয়ে কিছু বলা হবে না। আইন অনুযায়ী সুষ্ঠ নির্বাচন হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। স্বচ্ছ নির্বাচন হতেই হবে।”

    ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “নির্বাচনের ব্যাপারে, নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে অনেক অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন ভালো নির্বাচন করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বিকল্প নেই।”

    বিগত তিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে ইসি তাহমিদা আহমদ বলেন, “বিগত দিনে যেটা হয়েছে, আমরা দেখেছি, আপনারা দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। আপনাদের অবস্থা ছিল হৈমন্তী শুক্লার গানের মতো ‘আমার করার কিছুই ছিল, না চেয়ে চেয়ে দেখলাম’ এর মতো, কিন্তু এবার হবে উল্টো।

    মানে চেয়ে চেয়ে দেখার আর সময় থাকবে না। আপনারা খালি কাজ করতেই থাকবেন। তবে এটাও ঠিক, আমরা সবাই কি চেয়ে দেখেছিলাম? আমরা কেউ কেউ তো আবার একটু বেশি উৎসাহী হচ্ছিলাম।”

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “অতীতের যেকোনো নির্বাচনের থেকে আসন্ন নির্বাচন চ্যালেঞ্জের। আমরা নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করতে চাই।”

    আখতার আহমেদ বলেন, “ইসির চ্যালেঞ্জ দুটি। একটি হলো এআইয়ের অপপ্রয়োগ, আরেকটি প্রবাসীদের ভোটাধিকার। আমরা প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করব। ধাপে ধাপে কাজ করছি, ওভারনাইট কিছু হবে না।

    আমরা কাজ করে সব কিছু আদায় করতে চাই। ভালো নির্বাচনের বিকল্প নেই, এটির জন্য জাতি আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কোনো কৃপণতা নেই। আমরা চেষ্টা করছি সব কাজ ভালোভাবে করতে।”

    নির্বাচনে এআইয়ের অপব্যবহার এবং পোস্টাল ভোটিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে বলেও জানান ইসি সচিব।

  • ‘জুলাই বিপ্লবের এক নম্বর কারণ পচা নির্বাচন’

    ‘জুলাই বিপ্লবের এক নম্বর কারণ পচা নির্বাচন’

    নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের যে কারণে হয়েছে তার এক নম্বর কারণ পচা নির্বাচন ও নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়া।

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মিলনায়তনে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, ‘আমরা সময়ের ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে আছে। তার এক নম্বর কারণ নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়া। যে সব কারণে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে তার প্রধান কারণ দেশে ভালো নির্বাচন না থাকা। চোখ বন্ধ করে দেখেন, জুলাই আন্দোলন কেন হলো, তার প্রধান কারণ পচা নির্বাচন বা নির্বাচনের নামে প্রহসন।’

    মাঠ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আমরা আর কখনো পচা নির্বাচন করবো না। পক্ষপাতমূলক দুষ্ট নির্বাচনের জন্য ইসি আপনাদের চাপ দেবে না, ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলবে না। নির্বাচনে যদি কেউ অনিয়ম করে তাহলে তার দায়ভার তাকেই নিতে হবে, ইসি কোনো দায়িত্ব নেবে না।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিনা আহমেদ, আনো-য়ারুল ইসলাম সরকার, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ প্রমুখ।