Blog

  • ভোলাহাট সীমান্তে ১৯ জনকে বিএসএফ’র পুশ-ইন

    ভোলাহাট সীমান্তে ১৯ জনকে বিএসএফ’র পুশ-ইন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটের চাঁনশিকারী সীমান্তে ১৯ জনকে পুশ-ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফ। বুধবার সকালে বিএসএফ ঠেলে বাংলাদেশে পাঠানোর পর ৫৯ বিজিবি তাদের আটক করেছে।

    পুশইন করা নারী-পুরষরা হচ্ছে- কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার দাসিয়াছড়া কালিরহাট হাজীপাড়া গ্রামের আব্দুল মোতালেব (৪৭), মেহেদুল ইসলাম (২৩), মোকছেদুল হক (৩০), মুর্শিদা বিবি (৩৭), শরিফা বেগম (২৫), রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চর আষাড়িয়াদহ গ্রামের আসাদুল ইসলাম (৩৩), শ্রীরামপর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন (২৮) ও মালকামলা গ্রামের হযরত আলী (২৮), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের নরেন্দ্রপুর গ্রামের লুৎফর রহমান (৩৮), যশোরের চৌগাছা উপজেলার আড়সিংরী গ্রামের আরিফ হোসেন (৩৮), নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার কোতুয়ালী গ্রামের রেহেনা বেগম (৫৫), মাগুরা জেলা ও উপজেলার নতুন গ্রামের সয়ন সিকদার (২২), রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার চরখি কমলা গ্রামের আব্দুর রহমান (৩৭), খুলনা জেলা ও উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস (২৬), ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার সুমি (২৫) ও ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার গড়পয়ারী গ্রামের শাপলা আক্তার (২১)।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আটককৃতদের মধ্যে ৬ জন নারী, ১০ জন পুরুষ ও ৩ জন শিশু রয়েছে। বিজিবি অধিনায়ক বলেন, সকালে বিএসএফ ওই ১৯ জনকে সীমান্ত পিলার ১১৯/৪ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠায়।

    প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে-তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বুধবার ভোরে উপজেলার চামুচা এবং চাঁনশিকারী বিওপির মধ্যবর্তী সীমান্ত দিয়ে তাদের ঠেলে দেওয়ার পর অনুপ্রবেশের দায়ে আটক করা হয়েছে।

    ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের বিভিন্ন সময়ে কাজের সন্ধানে অবৈধভাবে ভারতে যান। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। বিভিন্ন কারাগারে তারা সাজাও খেটেছেন। বিজিবি অধিনায়ক বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • দেশ গঠণে জাতীয় নাগরিক পার্টি অঙ্গিকার বদ্ধ

    দেশ গঠণে জাতীয় নাগরিক পার্টি অঙ্গিকার বদ্ধ

    একটি সাম্য-সমতার বাংলাদেশ গড়ে তুলার লক্ষ্যেই  জাতীয় নাগেরিক পার্টির জন্ম। উঁচু-নিচু, ধণি–গরিবের পার্থক্য ঘুচিয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে ব্যক্তির অবস্থান নিশ্চিত করণে জাতীয় নাগরিক পার্টি বদ্যপরিকর। আমরা বিশ্বাস করি, দেশ ও জাতী গঠণে সততা, নিষ্ঠা, দক্ষ ও মেধাবী নেতৃত্বের বিপল্প নাই। জাতীয় নাগরিক পার্টি বিশ্বাস করে একটি আদর্শীক সমাজ গঠণে সবার্গ্রে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ‘জাতীয় স্বার্থকে অগ্রধীকার দিতে হবে।

    স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ অব্দি আমরা কোন সঠিক ও দেশ প্রেমিক নেতৃত্ব পাইনি। দেশ স্বাধীনের পরে যারাই ক্ষমতায় এসেছে তারাই মূলতঃ জনসেবার স্লোগান দিয়ে লুন্ঠন, চাদাঁবাজী ও সন্ত্রাসের দ্বারা নিজেদের ক্ষমতাকে ধরে রেখে, এদেশের জনগণকে শোষণ করেছে, রাষ্ট্রিয় সম্পদ লুণ্ঠন করেছে। ব্যক্তিক প্রয়োজন ও ভোগ-বিলাশীতায় জীবন কাটাতে ব্যতি ব্যাস্ত থেকেছে। তারা রাজনীতির পথকে রক্তাক্ত করেছে সততার উপরচাকু চালিয়ে। অকারণে হত্যা করেছে দেশ প্রেমিক জাতীয় বীরদের। যা সত্যিই বাঙ্গলী জাতির জন্য চরম দুভার্গ্যের বিষয়।

    ২৪শে জুলাইয়ের পর দেশের রাজনীতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়েছে। জেগে উঠেছে, এ দেশের তরুন ও ছাত্রসমাজ। সুশিক্ষিত এই শ্রেণীরা এখন দেশ সেবা ও শাসনে অংশিদারিত্ব চায়। তারা কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে চায়। জীবন বাজী রেখে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সম-অধিকার নিশ্চিত করতে চায়। আর এই স্লোগান কে বুকে ধারন করেই বাংলাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির জন্ম হয়েছে।

    সনাতন আমলের ধ্যান-ধারনাকে পিছনে ফেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি  একটি তরুন নেতৃত্ব বিশ্বাস করে। সত্য, সুন্দরের পথে তারা রাজপথে বুকের তাজা রক্ত দিতে সর্বদা প্রস্তুত। রাজনীতিকে দখলবাজ, চাটুকার, সন্ত্রাসী ও লুটেরাদের হাত হতে মুক্ত করতে  অ-কোতুভয় সেনানী। তারা, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিকে বিলোপ করে একটি সার্বজনীন সম-অধিকার ভিত্তির রাজনীতি চালু করতে চায়।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি বিশ্বাস করে, আমলাতান্ত্রিক আধিপত্য খর্ব করে, এ দেশের কৃষক-শ্রমিক ও মজুরের অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে একটি দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই বাংলাদেশের গণ-মানুষের মুক্তি মিলবে।

    -মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রধান সমুন্বয়ক, জাতীয় নাগরিক পার্টি, সাটুরিয়া উপজেলা শাখা।

  • নিবন্ধন পাচ্ছে এনসিপিসহ ৬ দল

    নিবন্ধন পাচ্ছে এনসিপিসহ ৬ দল

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগসহ ৬টি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানায়, কমিশনের স্বাক্ষর শেষে এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।

    জানা গেছে, ২২টি দলের মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় লীগসহ ৬টি দলকে চূড়ান্তভাবে নিবন্ধন দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

    ইতোমধ্যে এসব দলকে নিবন্ধন দিতে সুপারিশ করে ফাইল কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শাখার কার্যক্রম শেষ হয়ে রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) নথিতে স্বাক্ষর করা হয়েছে। আজ (সোমবার) কমিশনের অনুমোদনের জন্য ফাইল উপস্থাপন করা হবে। কমিশন চাইলে শাখার প্রস্তাবে সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে।

    কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এরপর আপত্তির বিষয়ে শুনানির জন্য ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে। এরপর প্রতিক নির্ধারণ করে চূড়ান্ত তালিকা জানিয়ে গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

    এর আগে, ১৪৩টি নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে। প্রথম ধাপে কোনো দলই শর্ত পূরণ না করায় সময় দিয়েছিল ইসি। পরবর্তীতে ৮৪টি দল সাড়া দিলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র ২২টি দলের মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করা হয়। এই ২২টি দলের মধ্যে থেকেই ছয়টি দল নিবন্ধনের জন্য মনোনীত হয়।

    আইন অনুযায়ী, কোনো দলকে নিবন্ধন পেতে হলে একটি কেন্দ্রীয় কমিটি, কমপক্ষে এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা কমিটি, ১০০টি উপজেলা কমিটি এবং প্রতিটি কমিটিতে অন্তত ২০০ ভোটারের সমর্থনের প্রমাণ থাকতে হয়। পাশাপাশি পূর্ববর্তী নির্বাচনে সংসদ সদস্য থাকা বা মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ অর্জন করার শর্তও রয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫১। নতুন ছয়টি দল নিবন্ধন পেলে মোট নিবন্ধিত দল দাঁড়াবে ৫৭টি।

  • সাটুরিয়ায় প্রশাসনের সাথে পূঁজা উদযাপন কমিটির মতবিনিময়

    সাটুরিয়ায় প্রশাসনের সাথে পূঁজা উদযাপন কমিটির মতবিনিময়

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পূজা উদযাপন কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর)  সকালে সাটুরিয়া উপজেলা হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশীদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

    সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার ও সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

  • চির সনাতন

    চির সনাতন

    বাজিছে ব্রহ্মশির, পশুপত, বাসবী, তোমর ধ্বণি
    উচ্চ স্বরে, বীর-বারুন, শকুনী-তরুনের গর্জনী।

    অন্যায়-এ, শানিত ত্রিশূলের ধার-
    খর্ব করিব, নিলাম দেবতার বর ।

    সেনাপতি অর্জুন দম্ভ করি ; হাকিল সৈন্য দল,
    প্রজ্ঞা লহ; বীনাপানির স্বরণে-
    আদেশ লহ শিরে, তব ভগবান রামে,
    সীতা উদ্ধারে, ধীক রাবনের হীন কামে।

    ভগবান রাম স্থীর, স্তদ্ধ; তব প্রাণ-বিষন্ন পত্নী শোকে-
    কি করে রাখিবে আজ তব সত্যের মান ।

    অর্ন্তযামি দিব্য দৃষ্টিতে দেখিলেন-মহাভারতরণ
    সত্যের বিজয়ে আজ হনুমানের সাহায্য প্রয়োজন ।

    সভাসদ নারাজ, বনের পশু- ক্ষুদ্র-অতি নগন্য,
    তার কি প্রয়োজন? থাকতে মহাবীর-বরেণ্য ।

    চলিল, সৈন্যদল আগে-পিছে লয়ে মহারথীবল
    লংকার শুচি, রাবন-মস্তক ছাড়িল বিষাদ-বারি/জল।

    সৈণ্যদল দেখে, অসীম জল রাশি চৌ-দিকে ঘেরা
    সতী মাতা সীতাসাধবী বন্দি তব দুর্যর্ধন দ্বারা।

    নাই কূল-পথ-পার, আর কি উপায় ?
    উঠিল ক্রন্দন সৈণ্যদলে ভিতরে হায় হায়!!
    বড়-ধড়, বড় বাহু; অসস্থি দরবার-
    সকলেই বিফল, বিষন্ন উপায় নাই আর!

    পিছন হতে সহসা হনুমান করিল রাম-ধ্বনি
    মিলল স্বদলে বানর, অরণ্যে হতে লতাপাতা আনি-
    ফেলিছে সিন্ধুসম জলে!! নিমিষেই হইল রাস্তা-

    চলিল, সৈণ্যদল বীরর্দপে করিতে লংকাজয়
    দেখিল, সীতাবন্দি দ্বি-তলায়, চৌ-দিক অগ্নিময় ।

    কেউ না পারে যেতে হেথা, হয়ে অগ্নি-পার
    সকলেরই চিৎকার বানরের বড়ই দরকার ।

    জীবন বাজি রেখে হনুর দল-
    সীতাকে উদ্ধার করিল হইতে দ্বি-তল’
    হইল জয়-জয়কার:  অশুভ বারন পরাজিত;
    বীর সেনাপতিরা পুরস্কার নিতে রাজগীরে আগত ।

    সকলেই পাইল মনি-মানিক্য আর গজ-মতিহার
    সীতা উদ্ধারে হনুমানের রয়েছে কি পাইবার-??

    রাজ সভায় উঠিল সহসা ধ্বনি!!
    অংগুলি নির্দেশে ভগবান বলিলে-সীতা গুণমনি।

    তৎক্ষণিক মাতা সীতা নিজ গলার হার
    ছুড়িয়া ফেলিলেন বানরের গলে তার ।

    হনুর দল পাইয়া বীরের পুরস্কার-
    শুকিয়া-চিবাইয়া ছিড়িয়া ফেলিল সকলই তার ।

    সভাসদ দলে হাসে সকলে, এর কি প্রয়োজন!!
    বানরের গলে- কেন মুক্তার আয়োজন??

    হনুমান ছড়িয়া চোখে পানি বলিল- বীনাপানি
    বলিতে চাহি আজ কিছু, খুলে দাও জবান খানি ।

    ভগবানের বড় কৃপা; সহসা খুলিল জবান-
    বলিল হনু,-অমূল্য রত্নে আমার নাই প্রয়োজন?

    আমি ভালবাসি মোর আদি পিতা-
    জপি তব- রাম, রাম -ভালবাসার প্রয়োজনেই
    -বাচাঁয়াছি মাতা সীতার প্রাণ ।

    আমি অতি ক্ষুদ্র-নগন্য জানি-তব মোর ভালবাসা,
    অতল অসীম -সিন্ধু সম দামি ।

    বলিল সভাসদ দল-পরীক্ষা দিতে হবে ?
    ভালবাসার অতল-অসীমতা-
    যাতে রয়েছে পূর্ণ-ভক্তি, ব্রতা ।

    হনু দেখাতে সে প্রেম-ভক্তি, ভালবাসা
    নিজের পাজঁর ফারিয়া দেখাইল সেথা
    -ভগবান রামের ছবি আকাঁ।

    সভাসদ দলে, যত ছিল গুণি, মানি –
    জয়ধ্বনি উঠিল- ভালবাসা-ই দামি ।

    কাল জয়ী সেই ভালবাসা-জন্ম-জয়ন্তে ঘেরা
    পবন-নন্দন হলেন, সনাতনের সেরা।

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,62871.0.html

  • সাটুরিয়ায় ৩ এএসআই অবরুদ্ধের ঘটনায় আটক- ২

    সাটুরিয়ায় ৩ এএসআই অবরুদ্ধের ঘটনায় আটক- ২

    মানিকগঞ্জ সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের গর্জনা গ্রামে ধামরাই থানার সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী মৃত শেখ বান্দুর ছেলে সামছুল হক (৭৫) কে ধরতে গিয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ৩ এএসআই। পড়ে অতিরিক্ত পুলিশ দিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয় ।

    গতকাল শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে সাটুরিয়া থানার তিন সহকারী উপ পরিদর্শক রিয়াজুল ইসলাম, কুতুব উদ্দিন, হাফিজুর রহমান গর্জনা গ্রামে সামসুল হকের বাড়ী যায়। সামসুল হকের নামে ঢাকা জেলার আদালত কর্তৃক ওয়ারেন্ট জারির কথা বলায় তার জামিনের রিকল দেখানোর কথা বলে নিজের বসত ঘরে সহকারী পরিদর্শকদের নিয়ে বসিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়।

    পুর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবারের লোকজন ও আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে, বেঁধে মারধরের প্রক্রিয়া করে। উদ্ভূত পরিস্থিতে পুলিশ সদস্যগন ঘটনাটি সাটুরিয়া থানায় বিষয়টি জানালে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তিনজন এএসআই কে উদ্ধার করে। সামছুল হক ও তার পুত্র আমিরুল হক কে গ্রেফতার করে।

    সাটুরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান সংবাদ পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। এএসআই হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামীদের কে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে যুক্তরাজ্য !

    ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে যুক্তরাজ্য !

    ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ঘোষণা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এর আগে জুলাই মাসে স্টারমার স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন, ইসরায়েল যদি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি না হয় এবং দ্বি–রাষ্ট্রীয় সমাধানের (টু-স্টেট সল্যুশন) লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই শান্তি চুক্তিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হয়, তবে সেপ্টেম্বরেই যুক্তরাজ্য তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবে। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতাতেই এই পদক্ষেপ আসতে যাচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতিতে এটি একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন। এতদিন লন্ডনের অবস্থান ছিল, শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই স্বীকৃতি দেওয়া হবে এবং সেটি আসবে সর্বোচ্চ প্রভাবের সময়ে। কিন্তু গাজায় চলমান মানবিক বিপর্যয় এবং ইসরায়েলের অমানবিক অভিযান যুক্তরাজ্যকে নতুন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য করেছে।

    ব্রিটিশ মন্ত্রীরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আশা বাঁচিয়ে রাখতে এই পদ-ক্ষেপ নেওয়ার নৈতিক দায়িত্ব ছিল তাদের। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের অব্যাহত সম্প্রসারণ, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ, এই সিদ্ধান্তে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে।

    জুলাই মাসে স্বীকৃতির সম্ভাবনার কথা জানাতে গিয়ে যুক্তরাজ্যের বিচারমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বলেছিলেন, পশ্চিম তীরে ব্যাপক সম্প্রসারণ, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং বিতর্কিত ‘ই-১’ প্রকল্প কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আশা ধ্বংস করছে।

    এ মাসের শুরুতে ডাউনিং স্ট্রিটে বৈঠকে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস যুক্তরাজ্যের স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি স্বাগত জানান। বৈঠকে দুই নেতা একমত হন যে ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনের শাসন ব্যবস্থায় হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না।

    তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে ‘সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত করা’ বলে অভিহিত করেছেন। জিম্মিদের পরিবার এবং কনজারভেটিভ পার্টির নেতাদের একাংশও সরকারের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। জিম্মিদের পরিবার এক খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, অন্তত জীবিত ২০ জন জিম্মিকে মুক্ত করার আগ পর্যন্ত স্বীকৃতি না দিতে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্ত হামাসকে উল্লসিত করেছে এবং জিম্মি ফেরানোর প্রচেষ্টা জটিল করেছে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও যুক্তরাজ্যের এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন। তবে ব্রিটিশ কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র হওয়ার অধিকার হামাসের ওপর নির্ভরশীল নয়, কারণ হামাসকে তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে দেখে।

    ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের আকস্মিক হামলার পর ইসরায়েলি সেনারা গাজায় ভয়াবহ অভিযান শুরু করে। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, তখন থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৯৬৪ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

    বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশ ফিলিস্তিনকে ইতোমধ্যেই স্বীকৃতি দিয়েছে। গত বছর স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে এই স্বীকৃতি দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে পর্তুগাল, ফ্রান্স, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াও একই পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছে।

    তবে আন্তর্জাতিকভাবে ফিলিস্তিনের কোনো সুনির্দিষ্ট সীমানা, রাজধানী বা সেনাবাহিনী নেই। তাই এই স্বীকৃতি মূলত প্রতীকী। দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান বলতে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকাকে নিয়ে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে বোঝানো হয়। বর্তমানে পশ্চিম তীর ও গাজা—দুটিই ইসরায়েলের দখলে, ফলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিজেদের ভূমি ও জনগণের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই।

    ব্রিটেনের লেবার পার্টির ভেতরেও দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতির দাবি জোরদার হচ্ছিল। জুলাই মাসে স্টারমারের ঘোষণার আগেই অর্ধেকের বেশি লেবার এমপি সরকারকে অবিলম্বে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তাদের মতে, শান্তি প্রক্রিয়া রক্ষার জন্য এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়।

  • আমি প্রভাই রয়ে গেলাম-সাদিয়া জাহান প্রভা

    আমি প্রভাই রয়ে গেলাম-সাদিয়া জাহান প্রভা

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। ব্যক্তিগত জীবনে নানারকম চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তারপরও দৃঢ় সংকল্পে নিয়মিত নাটকে অভিনয় করছেন। চলচ্চিত্রেও যাত্রা শুরু করেছেন। আপাতত চাকরি ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রভা।

    প্রভা তার অভিনয় ক্যারিয়ারে দুই দশক পার করছেন। দীর্ঘ এই যাত্রার উপলদ্ধি বর্ণনা করেছেন একটি গণমাধ্যমে। প্রভা বলেন, “আমি আসলে স্টারডম দেখাতে পারি না। এটাকে আমার ব্যর্থতা বা সফলতা দুটিই বলতে পারেন।

    এইচএসসি পরীক্ষার শেষ দিন গিয়েছিলাম মেরিল বিউটি সোপের অডিশনে। পাস করলাম, বিজ্ঞাপনচিত্র তৈরি হলো, রাতারাতি জনপ্রিয়ও হয়ে গেলাম। সারা দেশে আমার পরিচিতি এলো। বৃহস্পতিবারের সংবাদপত্রগুলোতে বড় বড় ছবি ছাপা হতে থাকল। অথচ আমি যে প্রভা সেই প্রভাই রয়ে গেলাম।”

    কষ্ট পেলেও এই ইন্ডাস্ট্রি প্রভাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। তা স্মরণ করে এই অভি-নেত্রী বলেন, “শুটিং ইউনিটে কাউকে বুঝে কষ্ট দিয়েছি এমন অপবাদ নেই। কারো শিডিউল ফাঁসানোর রেকর্ডও নেই। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অনেক ক্ষেত্রে ভুল করেছি। তবে থেমে যাইনি, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি। আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছি। বুকে ব্যথা লুকিয়ে মুখে হাসি রেখেছি।

    এই ইন্ডাস্ট্রি আমাকে অনেক কিছু দিয়েছে। কৃতজ্ঞ থাকব সারা জীবন।” প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দুটি সরকারি অনুদানের সিনেমায় অভিনয় করছেন প্রভা। একটি হচ্ছে ঝুমুর আসমা জুঁই পরিচালিত ‘দুই পয়সার মানুষ’। অন্যটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মিত ‘দেনা পাওনা’। এটি পরিচালনা করছেন সাদেক সিদ্দিকী।

    এ দুটি সিনেমার প্রথম লটের শুটিং শেষ করেছেন প্রভা। এ বিষয়ে প্রভা বলেন, “দুটি সিনেমারই প্রথম লট শেষ করেছি। বৃষ্টি হচ্ছে প্রায় প্রতিদিন। ফলে দ্বিতীয় লটের শুটিং দেরি হচ্ছে। দেখা যাক, হয়তো আগামী মাসের মাঝামাঝি নতুন শিডিউল দেব।”

  • সরানো হলো জনপ্রশাসন সচিবকে

    সরানো হলো জনপ্রশাসন সচিবকে

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমানকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্ব কার্যকর হবে।

    পাঁচ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর গত ২৮ আগস্ট মো. মোখলেস উর রহমানকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব করা হয়েছিল। তিনি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা। প্রশাসনে ‘নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টি হয় মোখলেস উর রহমান দায়িত্বে থাকাকালে।

    পদায়ন ও পদোন্নতিতে বঞ্চনার অভিযোগ, সচিব ও সংস্থাপ্রধান নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা, এমনকি জেলা প্রশাসক নিয়োগে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

  • হারানো সুর !

    হারানো সুর !

    তোমার যত দান
    বন্ধন-ভেরী- শৃংখল,
    গিয়াছে আজ মুছেঁ-
    নদের-নদিয়া পড়েছে টুঁটে।।

    ভালবাসার যত কথা
    অ‘মুখ ভাবনা-বিলাশ,
    বিরাগ-রাগীনি তলে
    হয়েছে বিনাশ।।

    হাতে-সাথে, বুকে-মুখে
    যত ছিল আশা-
    সকলই সুদূর অতীত
    মিছে ভালবাসা।।

    যত ছিল প্রেম
    হেরী; মম কল্পলোক
    স্বরুপ, বাসনা-পরম
    দু‘লোক-ভূ‘লোক।।

    আজ, ছায়াহীন কায়ায়
    চলছি জীবন রথে-
    আগে-পিছে পাল্লা দিয়ে
    মরনের পথে।।

    ধরণীর রুপ-রস যত
    ছিল, পথিক পরিজন-
    সকলই আজ বিমুখ-বিষন্ন
    কালের আয়োজন।।

    যত ভাবনা, আশা-ভাষা
    হৃদয়ের রক্ত ক্ষরন-
    আপনি আপনাতে
    করেছি সমর্পন।

    তবু লীলা, ধূলি তলে
    গড়িতে সিন্ধুগিরি-
    জনম জনম ফিরিব, পিয়াসে
    স্বর্গ-মর্ত্ত্য জুড়ি।।

    যদিগো, কোন দিন
    অসার অবেলায় প্রিয়
    মনে পড়ে মোরে,
    করিও ক্রন্দন গীত
    নিরব নির্জনে।।

    ভাবিব, আমি আছি
    তব তুমা হিয়া তলে-
    আসার জগত যদিও যাক
    মোরে‘ ভুলে।।

    https://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,62781.0.html